Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    যে হীরকখণ্ডে ঘুমিয়ে কুকুরদল – কিশোর পাশা ইমন

    কিশোর পাশা ইমন এক পাতা গল্প607 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কুকুরদল – ৫০

    অধ্যায় ৫০

    ব্যাগটা বিছানার পাশে আছড়ে ফেললো মুহিব। দরজার নিচ থেকে উঁকি দিচ্ছে আজকের পত্রিকা, এক হাতে চোখ ঘষতে ঘষতে অন্য হাতে ওটা তুলে নিলো সে। গতকাল এল ক্লাসিকোয় হেরেছে মাদ্রিদ, তাই চলে এসেছে প্রথম পাতায়। নাক কোঁচকালো ও, বাইরের দুটো ফুটবল ক্লাবের খবর কি করে এদেশের দৈনিকের প্রথম পাতার খবর হয়? দেশে মনে হয় খবরের অভাব পড়েছে। মনে পড়ে যায়, শামসের খবরটা পত্রিকাগুলোয় স্থান পেয়েছিলো বড়জোর দুই সপ্তাহ, তাও স্থানীয়গুলোয়। সারা দেশে যাচ্ছে এমন পত্রিকাগুলো একবার খবর করেই খালাস, দ্বিতীয় একটা খবর তারা দেয় খুনী ধরা পড়লে, তবে এই দেশে খুনী ধরা পড়ে কদাচিৎ।

    দরজার কাছে মৃদু শব্দ হলো। তাকিয়ে শামীমকে দেখতে পেলো সে। টলতে টলতে ঢুকছে, হাতে একটা সিগারেট। গতকাল সারারাত জেগে আজ বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত ক্লাস করেছে। তার খবর হয়ে গেছে। মুহিবকে সিগারেটটা অফার পর্যন্ত করলো না, নিজের ঘরের দিকে চলে গেলো। গত দেড়টা মাস ধরে এমনটাই করে আসছে ওরা আগের মতো প্রাণোচ্ছল আড্ডা আর একবারও বসেনি। ক্লাস, ক্লাস টেস্ট, ল্যাব, ঘুম, মুভি দেখা, সিগারেট খাওয়া। অনেকটা একে অন্যকে এড়িয়ে চলার মতোই। শুধুই কথা বলার জন্য শেষ কবে একসাথে বসেছে? তূর্ণা আপুর বাসায়, এটা মুহিব নিশ্চিত করেই মনে করতে পারে।

    “আমার অ্যাশট্রেটা কই?” রুমের দরজার কাছে শামীমের গলাটা শুনে পত্রিকা থেকে মুখ তুলে তাকালো মুহিব।

    খাটের নিচ থেকে অ্যাশট্রেটা বের করে তার দিকে বাড়িয়ে ধরলো ও। চুপচাপ ওটা নিয়ে বেরিয়ে গেলো বন্ধু, এইটুকুই। দিনকাল কেমন যাচ্ছে তা নিয়ে আড্ডা নয়, ক্লাসে সাবুর বিদঘুটে সব ইংরেজি নিয়ে মজা করা নয়, একেবারেই ঠাণ্ডা আর চমকহীন জীবনযাপন। দীর্ঘশ্বাস ফেলে একটা সিগারেট ধরালো মুহিব নিজেও। ক্লাসগুলো যাচ্ছে অসহ্য রকম বিরক্তি নিয়ে, কাছিয়ে আসহে সেমিস্টার ফাইনাল। এসময় অন্য দিকে মাথা দিলে প্রকৌশলবিদ্যার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়বে, ডাহা ফেল মারা ছাড়া গতি থাকবে না। সেখানে সবচেয়ে কাছের বন্ধুর সঙ্গে শীতল সম্পর্ক ধরে রাখতে হচ্ছে এবং এটাই মুহিবের একমাত্র সমস্যা না। এর চেয়ে বড় সমস্যাতে ওরা আটকে আছে। ওরা সবাই।

    মুহিব, শামীম, ইলোরা।

    সেদিন রাতে তূর্ণা আপুর বাসায় মেমরি কার্ডটা আবিষ্কার গত দেড় মাসে পাওয়া একমাত্র ভালো খবর ছিল। তারপর যা যা ঘটেছে তার একটা লিস্ট করলো মুহিব।

    প্রথমেই আসবে ফাহাদ হিল্লোলের মৃত্যু।

    দেশ আলোড়িত হয়েছিলো এই ঘটনায়। ওরা এটাকে আর দশটা রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডই ধরে নিয়েছিলো, তবে অসঙ্গতিটা প্রথম দেখতে পায় শামীম। রেদোয়ানের বাবা একজন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, তা অজানা ছিল না কারও। মহানগরের রাজনীতিতে ভদ্রলোকের জন্য সম্মানের একটা আসন রয়েছে। ছেলে যে বাবার আলোর নিচে অন্ধকার ছড়াচ্ছে তা তেমন চোখে পড়ার মতো নয়, আলোর তীব্রতা এতোই প্রবল। ওরা বার বার শুনে এসেছে রেদোয়ানদের পরিবারের প্রায় সবাই রাজনীতির সাথে জড়িত। রীতিমতো পলিটিকাল ফ্যামিলি!

    “শামীম সেদিন এই দৈনিকটিই হাতে নিয়ে ঘরে ঢুকেছিলো। মুহিবের দিকে ছুঁড়ে মেরেছিলো ওটা, “চাচা। আপন চাচা!”

    তখনও ছুরির আঘাত সেরে উঠতে অনেক দেরি। অনড় শুয়ে থেকে বন্ধুর দিকে তাকিয়ে ছিল মুহিব। আশা করছিলো বরাবরের মতোই নাটুকেপনা শেষ করে নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেবে বন্ধুবর।

    “রেদোয়ানের বাবা হচ্ছে ভিক্টিমের চাচা। ফাহাদ হিল্লোল তার আপন ভাতিজা।”

    “তো?” পত্রিকাটা গায়ের ওপর সরাতে সরাতে নির্লিপ্তভঙ্গিতে বলেছিলো মুহিব।

    “তোকে শিয়া জানিয়েছিলো, ফাহাদ হিল্লোলের ব্যক্তিগত নাম্বার সে তার ভাইয়ের খাতায় পেয়েছে। তাই না? আর তূর্ণা আপু পরিস্কার বলল হিল্লোলের সঙ্গে শামসভাই দেখা করে এসেছিলেন। ওটা আপুকে জানিয়েছিলেন তিনি, মার্ডারের আগের দিন।”

    “হুঁ, তাতেই বা কি? তোর পয়েন্টটা কি?”

    “বলতে চাইছি, আমরা জানি শামসভাই এই লোকটার সাথে দেখা করতে গিয়েছিলেন। এর দুই দিন পর তাকে তুই আবিষ্কার করলি গলা ফাঁক অবস্থায়। তাই না?”

    “হুম।”

    “আমি বলতে চাইছি, ফাহাদ হিল্লোলের অনেক সুনাম ছিল। দুর্নীতির অভিযোগ কখনোই পাওয়া যায়নি তার নামে। বরং যতোজন ছাত্র রাজনীতির সাথে জড়িত নিজের দলের লোকজনকে তিনি দুর্নীতির অভিযোগে পদচ্যুতির জন্য বাধ্য করেছিলেন, তাতে করে দলের অনেকেও তার প্রতি বীতশ্রদ্ধ ছিল।”

    “পত্রিকায় তেমনটাই বলা হয়েছে। দলের প্রত্যেককে শেলটার দেবে সিনিয়র নেতারা। এমনটাই আশা করে সবাই। সেখানে ইনি চলছিলেন উল্টাস্রোতে। ভালোমানুষীর দাম এখানকার মাঠে নেই। হিল্লোলের শত্রুর অভাব ছিল না, এজন্যই খুন হতে হয়েছে তাকে। রাজনৈতিক অন্তর্কোন্দল নতুন কিছু তো না। তার সাথে শামসভাই দেখা করতে গেলেই খুনের পেছনে শামসভাইয়ের মার্ডারের যোগসূত্র আবিষ্কৃত হয় না।”

    শামীম অধৈর্য হয়ে উঠলো, “আমার কথাটা শোন, শামসভাই প্রমাণসহ গেলেন ফাহাদ হিল্লোলের কাছে। হিল্লোল দেখলেন রেদোয়ান এবার ফেঁসে যাচ্ছে, প্রমাণ নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে একটা গোঁয়ার ছেলে। নিজের চাচাতো ভাইকে ফাঁসিতে ঝোলানোর মতো নীতিবান লোক তিনি ছিলেন কি না তা আমরা জানি না। তিনি মুখে কিছু না বললেও, কাজিনকে একটা ফোন দিয়ে ঘটনাটা জানিয়ে দিলেন। এটাই তো স্বাভাবিক, তাই না?”

    “সেটা হতেই পারে। এতে করে ফাহাদ হিল্লোলের মার্ডারের সাথে শামসভাইয়ের যোগাযোগ আবিষ্কার করার কিছু নেই। বরং উল্টোটা-তোর থিওরি ঠিক থাকলে শামসের মার্ডারের সঙ্গে হিল্লোল জড়িত। শামসের মৃত্যুর জন্য হিল্লোল দায়ি থাকলেও কি এসে যায়? লোকটা তো মারাই গেছে। রেদোয়ান বা তোফায়েলকে ফাটকে পোড়ার মতো জিনিস হাতে পেয়েও আটকে বসে আছি। এখনও আমরা শামস মার্ডারের সাথে ওদের কানেক্ট করার মতো কিছু পাইনি।”

    শামসের লুকিয়ে রেখে যাওয়া মেমরি কার্ডে পাওয়া ভিডিওগুলো ওরা দেখেছে। ওরা জানে ঠিক কি কারণে প্রাণ হারাতে হয়েছে শামসকে, কেন ওরা এতো মরিয়া হয়ে উঠেছিলো তথ্যগুলো ফেরত পাওয়ার জন্য। ভিডিওটা যারা দেখে ফেলেছে তাদের কেন হত্যা করতেই হতো খুনিদের। অথচ, এই ভিডিও নিয়ে কি করবে তা এখনও ঠিক করে উঠতে পারেনি ওরা। এটা অনেক বড় একটা দায়িত্ব, বলেছিলো তূর্ণা। অনেক, অনেক বড় একটা দায়িত্ব। তার কথার অর্থ ওরা সবাই ভালোমতো বুঝতে পেরেছে। এই ভিডিওটা একবারই ব্যবহার করার সুযোগ পাওয়া যাবে। এটা নিয়ে অনেক কিছু করা সম্ভব। পাবলিক করে দিতে পারে, তাতে করে জটিলতা আরও বাড়বে না এমনটা বলা যায় না। ভালো একজন উকিল নিয়ে দাঁড়ালে অপরাধীরা নিজেদের সংশ্লিষ্টতা এড়িয়ে যেতে পারে। ভিডিও পাবলিক করা উচিত হবে কি না তা

    নিয়ে ওরা দুই দিন আলোচনায় বসেছে। কোনোদিনই ফলপ্রসূ উপসংহারে পৌঁছানো যায়নি।

    বাদীপক্ষকে প্রস্তুত করে আবারও মামলা তোলা যায় আদালতে, সেখানে দারুণ এক আলামত হিসেবে কাজে আসবে এই ভিডিও। সংশ্লিষ্টদের সবাইকেই জেলের ঘানি টানতে হবে। এ থেকে কোনো মুক্তি নেই তাদের, ফাঁসিও হয়ে যেতে পারে কারও কারও। তবে এখানে তূর্ণার আপত্তি আছে। খুনিরা পুরোনো অপরাধের শাস্তি পেলোই ধরা যাক, তাতে করে তূর্ণার কি লাভ? শামসকে খুন করার অপরাধে তো তাদের অভিযুক্ত করতে পারছে না কেউ।

    “ভিডিওটা এমনভাবে কাজে লাগাতে হবে যেন এক ঢিলে সব পাখি মরে।” লাল টকটকে মুখে বলেছিলো সে, “তার আগ পর্যন্ত কেউ যেন জানতে না পারে এটার কথা। নট ইভেন শিয়া।”

    ওরা একমত ছিল। সামনাসামনি আলোচনা ছাড়া শিয়ার সঙ্গে ভিডিওগুলো নিয়ে কথা বলার ইচ্ছে মুহিবেরও ছিল না। শামীম অবশ্য মনে করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলো, শিয়ার সঙ্গে লুকোচুরি করা উচিত হচ্ছে না। শামসভাইয়ের আপন বোন সে, ভাইকে কেন খুন হতে হয়েছে তা জানার অধিকার কারও থাকলে সেটা তারই। তবে মুহিব তার বিরোধীতা করেছিলো, “খুব স্পর্শকাতর একটা বিষয় এটা। এই ভিডিও নিয়ে কি করতে চাইছি সে ব্যাপারে একটা সিদ্ধান্তে আসতে না পারলে ওকে জানানো যাবে না। শামসভাইয়ের বোন বলে ওকে জানাতে চাইছিস না? আমি বরং একই কারণে ওকে জানাবো না।”

    এরপর শামীম নতুন সেই ইঙ্গিত দেওয়ার পর শিয়াকে জানানোর প্রশ্নই আসে না। চোখ বড় বড় করে পত্রিকাটা তুলে নিয়েছিলো সে, “ফাহাদ হিল্লোলকে খুনটা করেছে শিয়া, আমার বিশ্বাস এটা। তোর সাথে এর মধ্যে আর কথা হয়েছে?”

    মাথা নেড়েছিলো মুহিব, “না। শেষবার যখন কথা হয় শামস-হিল্লোলের মিটিংয়ের ব্যাপারে সে জানতে পেরেছিলো কেবল।”

    শামীমের দৃঢ় বিশ্বাস ফাহাদ হিল্লোলের রক্ত শিয়ার হাতেই লেগে আছে। মুহিবকে সে তার পয়েন্টটা বোঝানোর চেষ্টা করেছিলো, “দ্যাখ, শিয়া তার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে। সে চাইছে ওদের সরিয়ে দিতে। আদালতের দীর্ঘসূত্রিতার দরকার নাই, তোকে ঠিক যেমনটা বলেছিলো জাকি। শিয়াই মেরেছে হিল্লোলকে! জড়িতদের একে একে সরিয়ে দেবে সে। আমাদের কেবল তার সাথে যোগাযোগ করতে হবে। তুই শুধু রেদোয়ান-তোফায়েলের ব্যাপারে ওকে একটু উস্কে দিলেই…”

    রক্তক্ষরণে দুর্বল ছিল মুহিব তখনও। নাক থেকে ব্যান্ডেজ তখনও সরাতে পারেনি। তার মধ্যেই ধীরে ধীরে সোজা হয়ে বসেছিলো সে। গা থেকে সরিয়ে রেখেছিলো কম্বল।

    “তোর কোনো ধারণা আছে, ফাহাদ হিল্লোল কোন লেভেলের মানুষ ছিল?”

    “অবশ্যই।”

    “তাকে যে অনেকে ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রি বলে ডাকতো, তা কি জানিস?”

    “সবাই জানে এসব—”

    “তার বাড়িতে ছিল দু’জন বডিগার্ড। সব সময় থাকে তারা। এদের প্রত্যেকেই হাইলি ট্রেইনড, এক্স-মিলিটারি। পেপারের খবরটা ভালো মতো পড়েছিস নিশ্চয়? দু’জন দশাসই এক্স-মিলিটারিকে খুন করে ফাহাদ হিল্লোলকে স্ট্রাইক করেছে যারা, তারা আর যাই হোক, সতেরো আঠারো বছরের মেয়ের দল না। এরা অ্যাসাসিন। শিয়ার পক্ষে সম্ভবই না এমন একটা কাজ একা নামানো। একটা পিস্তল যোগাড় করে এদিক ওদিক ঘোরাঘুরি করা এক ব্যাপার আর আর্মির লোকজনের সাথে একা যুদ্ধ করে বেঁচে ফেরা আরেক ব্যাপার।”

    “কিন্তু সে এমন একটা কাজ করে দেখিয়েছে–“

    “অসম্ভব। তোর এসব পাগলামি ভাবনা বাদ দে। পেশাদার খুনিরা হিল্লোলকে খুন করেছে, শিয়ার মতো একজন ফার্স্ট ইয়ার স্টুডেন্ট না।” শীতল কণ্ঠে নিজের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়েছিলো মুহিব, “আর তর্কের খাতিরে ধরা যাক, ফাহাদ হিল্লোলকে খুনটা করেছে শিয়াই। সেইক্ষেত্রে তো আরও ভয়ঙ্কর হলো বিষয়টা। তাকে আর কিছুই জানানো যাবে না। খুন হয়ে যাওয়া ভিক্টিমের আত্মীয়দের ঐ কেসে কাজ করার অনুমতি এমনকি পুলিশ ডিপার্টমেন্টও দেয় না, জানিস? কারণটা বুঝতে পারছিস তো এখন? শিয়া আপন ভাইয়ের কেসে অনেকটা ইনভলভড় হয়েছে, আর কোনোভাবেই তাকে জড়ানো যাবে না। যা করার আমাকে আর তোকে করতে হবে। একটা কেস দাঁড় করাতে হবে, গোলাগুলি করে প্রতিশোধ নেওয়ার চিন্তা বাদ দে। শিয়াকেও এর মধ্যে জড়াবি না।”

    শামীম তার কথা একেবারেই মানতে পারেনি-সেই থেকে শুরু। মুহিব–শামীমের লেগে গিয়েছিলো ওখান থেকে। ধীরে ধীরে এখন মুখ দেখাদেখিও বন্ধ একরকম। শামস হত্যাকাণ্ডের ঝামেলাটা আজীবন বয়ে বেড়াতে রাজি নয় শামীম, তবে মুহিব তাড়াহুড়ো করে কোনো ভুল পদক্ষেপ নিতে নারাজ। রাতে সিগারেট শেষ হয়ে গেলে হয়তো সিগারেট চাওয়া, শামীমের অ্যাশট্রেটা ভালো-ওটা মাঝে মাঝেই মুহিব নিজের রুমে নিয়ে চলে আসে। মুখ দেখাদেখি বন্ধ হলেও শেয়ারিং বন্ধ হয়নি। এসব নিয়ে কোনো নিষেধাজ্ঞা জারি করেনি দু’জনের কেউই। বরং শেয়ারিংয়ের ঘটনাটায় এগিয়ে এসেছিলো শামীম নিজেই।

    তূর্ণার বাড়িতে ঘটে যাওয়া সেদিনের আবিষ্কারের পর খারাপ খবরের তালিকায় আরও একটা যুক্ত হয়েছিলো অচিরেই, যেখানে বাধ্য হয়েই শামীমকে এগিয়ে আসতে হয়েছিলো। ওদের ব্যাচের ছেলেদের হলে সিট দেওয়া হয়ে গেছে তখন, রেজাল্টের ভিত্তিতে অবশ্যই। মুহিব জানে বিভাগে সে বিশ বা বাইশতম। সিট পেলো বিভাগের সত্তরজন, কিন্তু মুহিব পেলো না। ওর পরের পঞ্চাশজন পেলেও সে কেন পেলো না তা নিয়ে প্রশ্ন করার দরকার পড়েনি, ওদের সিট অ্যালোট পড়েছিলো তোফায়েলদের হলে। মুহিবের নাম কাটা পড়ায় কেউ আশ্চর্য হয়নি।

    ছুরি খাওয়ার পর থেকে শামীমের মেসেই থাকছিলো মুহিব, এক রুমে থেকে একে অন্যকে এড়িয়ে চলা কিভাবে সম্ভব তা এদের না দেখলে বাইরের কেউ বুঝতে পারবে না। তবে হলের অ্যালোটিদের নাম প্রকাশ হওয়ার পরদিন অনেকদিন পর মুহিবকে ডেকে নিচে নিয়ে গেছিলো শামীম, একসাথে চা খেয়েছিলো। তারপর প্রস্তাবটা দিয়েছিলো, “আকাশ, লিখন ওরা তো আমার পাশের রুমটা ছেড়ে দিচ্ছে। সব শালার হলে সিট হয়ে গেছে। তুই উঠে পড় ওখানে। বালের মেসটা ছেড়ে দে।”

    মুহিব এই প্রস্তাব পছন্দ করেছিলো। মেসে তার হরিহর আত্মা নেই, লিটু পাশের রুমে ছিল, সে পড়ে আছে ইন্ডিয়ায়। ডাক্তার এই সপ্তাহে বলছেন অবস্থার অবনতি ঘটেছে, তো ঐ সপ্তাহে বলছেন উন্নতি ঘটছে। মুহিব বা শামীমের পাসপোর্টই নেই। ভিসা আদায় করা তো অনেক পরের কথা, চাইলেও বন্ধুকে দেখে আসার উপায় ওদের ছিল না। কাজেই, মেস ছেড়ে দিয়ে শামীমের ফ্ল্যাটে উঠে এসেছে মুহিব। মুখ দেখাদেখি যথারীতি বন্ধ আছে। এমনকি আজও শামীম এসে ওর ঘর থেকে অ্যাসট্রে নিয়ে গেলো, কিন্তু বন্ধুসুলভ আড্ডার প্রশ্নই আসবে না। মুহিবের মনে হয় ঐ ভিডিওটা ওরা খুঁজে না পেলেই ভালো হতো।

    ভিডিওটা খুঁজে পাওয়ার আগ পর্যন্ত নিজেদের সেরাটা দিয়ে ওটা খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছে ওরা সবাই। তখন মনে হচ্ছিলো, “মেমরি কার্ডটা খুঁজে বের করো, এই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। প্রমাণ যোগাড় হয়ে যাবে, জিতে যাবে তোমরা।” তবে বাস্তবতা এতো সহজ নয়, ছিল না কখনও।

    ভিডিও আবিষ্কার হয়ে যাওয়ার পর ইলোরা মনেপ্রাণে ঘৃণা করছে তোফায়েলকে। তার “দেখি ছেলেটা কেমন” নীতি স্রেফ খড়কুটোর মতো উড়ে গেছে। একজন প্রেমিকার জীবন তছনছ করে তোলার জন্য যা যা দরকার ঐ ভিডিওতে ছিল। অথচ তাকে এখনও প্রেমের অভিনয় চালিয়ে যেতে হচ্ছে, কারণ পুরো ব্যাপারটাই গোপনীয়তার দাবিদার। এর চেয়ে খারাপ আর কারও জীবনে ঘটতে পারে না।

    ঐ মেমরি কার্ড খুঁজে পাওয়ার কারণে তুর্ণার জীবনেও এসেছে আমূল পরিবর্তন, সে এখন খুনিদের সবাইকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার মিছিলে শামিল হয়েছে। আগের ভীরু মেয়েটি আর নেই, তোফায়েল বা রেদোয়ান তার কি ক্ষতি করতে পারে তা নিয়ে বেশি ভাবছে না আর।

    আর শামীম-মুহিবের মধ্যে অন্তর্দ্বন্দ্বের শুরুটাও তো ওখান থেকেই। তবে বন্ধু হিসেবে শামীম প্রথম শ্রেণির। ফাহাদ হিল্লোলের মৃত্যুর পর শিয়াকে সে নিজে থেকেও সব বলে দিতে পারতো। কিন্তু মুহিবের কথা ভেবে তেমন কিছু করেনি।

    মুহিবও চায় না এসব নিয়ে চার বছর পার করতে, তবে তাড়াহুড়ায় সে কোনোদিনও সায় দেবে না। একইভাবে প্রতিশোধের নেশায় অন্ধ হয়ে থাকা একজন ভাই হারানো বোনকে তো অবশ্যই সে এধরণের একটা ব্যাপারে জড়াবে না। শিয়াকে একবারই কাজে নামতে দেখেছে সে, পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণহীন একটা বুলেট ওই মেয়েটা। পিস্তল নিয়ে এই মফস্বলের আনাচে কানাচে ঘোরা শুরু করেছিলো, নির্ঝরকে লাথি মেরে অজ্ঞান করেছে, এক মাগিকেও ভাড়া করে কাজ করিয়ে নিয়েছে। এই ধরণের বেপরোয়া মেয়েকে নতুন শিকার দেওয়ার প্রশ্নই আসে না। শামীম বন্ধুত্বের খাতিরে এখনও শিয়াকে কিছু বলেনি, তবে তার ধৈর্যের মেয়াদ কেয়ামত পর্যন্ত থাকার কথা নয়।

    এখনও শিয়া জানে না তার ভাইকে কেন খুন করা হয়েছে। মেমরি কার্ডটা সে উদ্ধার করতে চায়, ভিডিও ক্লিপে কি আছে দেখতে চায়। মুহিবের কাছে ওটা আছে সে এখনও জানে না। এই পাগলাটে মেয়েটা যদি এসব জেনে ফেলে, কি ভয়ঙ্কর প্রতিক্রিয়া সে দেখাবে?

    মাথা ঝাঁকিয়ে সিগারেটটা জানালা দিয়ে বাইরে ফেলে দিলো মুহিব। এর উত্তর জানা দূরে থাকুক, প্রশ্নটাই সে মনের পর্দায় আনতে চায় না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article আর্সেন লুপাঁ ভার্সেস হার্লক শোমস
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }