Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    যে হীরকখণ্ডে ঘুমিয়ে কুকুরদল – কিশোর পাশা ইমন

    কিশোর পাশা ইমন এক পাতা গল্প607 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কুকুরদল – ৫১

    অধ্যায় ৫১

    নতুন খোলা এই রেস্তোরাটি খুব অল্প সময়েই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এখানকার প্রধান আকর্ষণ লবস্টার আর লাইভ মিউজিক। মিউজিকের চেয়ে মিউজিশিয়ানের প্রতিই খাদকদের মনোযোগ দেখা যায়, মিহিকা নামে একটা মেয়ে এখানে গিটার বাজায়। স্বল্পবসনাদের মর্যাদা সর্বকালের তরুণসমাজই দিয়েছে, এখানেও তার ব্যতিক্রম হওয়ার উপায় নেই। সব সময় ভিড় লেগেই আছে ‘উই রান দ্য নাইট’-এ।

    মুহিবের বর্তমান মাথাব্যথার কারণ যে মেয়েটি, সে টেবিলের অন্যপ্রান্তে বসে আছে। ওপরের গোলাপি আলোয় মেয়েটির হলুদ ফতুয়াকে কমলা দেখাচ্ছে। ছেলেদের পাগল করার জন্য যথেষ্ট আকর্ষণীয় চুলগুলো তার একটা চোখ ঢেকে রেখেছে, অপর চোখটা জ্বলজ্বল করছে তার। মুহিবের কল্পনাশক্তির প্রয়োজন পড়লো না, নিজের অবয়বেই পরিস্কার অনুভব করলো তেজস্ক্রিয়তা। মাথাগরম, মাথা খারাপ একটা মানুষ। প্রথমে মুখ খোলার চেষ্টাও করলো না মুহিব।

    “আশা করছি ভালো একটা খবর দিতে এতোদূর এসেছো।” অবশেষে শুরু করলো শিয়া, “ভিডিও ক্লিপ নিয়ে কোনো আপডেট পেয়েছো? গত কয়েকটা সপ্তাহ অসংখ্য চ্যানেল ব্যবহার করে খুঁজেছি ওটা-কোনো সুবিধা করতে পারিনি।”

    একটু আগে আলাভোলা চেহারার ওয়েটার এক মগ কফি দিয়ে গেছে, ওতেই নির্বিকার ভঙ্গিতে চুমুক দিলো মুহিব। শিয়ার প্রশ্ন যেন কানে ঢোকেনি তার, চোখ স্টেজের ওপর থেকে ঘুরে আসলো একবার। সুন্দরি গিটারিস্ট নিচু শব্দে একটা সুর তুলছে। চিনতে পারলো মুহিব, বাখের ‘মিনুয়েট’। মাথা নাড়লো সে, মেয়েটা আসলেই দারুণ বাজায়। যৌনতা না খুঁজেও এই রেস্তোঁরায় নিয়মিত আসা যায়, সঙ্গিত চেনার মতো কান থাকলেই হলো। মুহিবের বাসা থেকে খুব বেশি দূরেও না এই নতুন রেস্তোঁরা। আরও কয়েক বছর ঢাকায় ফিরতে পারবে না ভাবতেই মন খারাপ হয়ে যায় মুহিবের।

    “কিছু বলছো না কেন?” কর্তৃত্বপরায়ণ কণ্ঠে জানতে চাইলো শিয়া। কফিতে আরেকবার ধীরস্থির ভঙ্গিতে চুমুক দিলো মুহিব। তারপর মেয়েটার দিকে সরাসরি তাকালো সে, “তোমাকে কিছু কথা বলতে এসেছি আমি এখানে। শুনতে তোমার ভালো নাও লাগতে পারে।”

    “আচ্ছা?” সতর্ক হয়ে উঠলো মেয়েটা।

    “আমাদের সেমিস্টার ফাইনাল শুরু হবে আগামি সপ্তাহে।” নিচু গলায় কিন্তু প্রতিটা শব্দ স্পষ্ট করে উচ্চারণ করে বলল মুহিব, “এর মধ্যে আমি ঢাকা এসেছি তোমার সাথে দেখা করতে। সত্যি বলতে খুনিদের নিয়ে কথা বলার জন্য এই দৌড়াদৌড়ি করিনি। এই তাড়াহুড়োর কারণ একটাই, আমি তোমার ব্যাপারে কথা বলতে এসেছি।”

    “কার সাথে?”

    “তোমার সাথে, অবশ্যই।”

    “হোয়াটস দ্য পয়েন্ট?”

    “কোনো পয়েন্ট মেক করতে আসিনি আমি। দুনিয়ার সবাই কি কারণে এমনটা মনে করে বলো তো? একটা কিছু করতে হলে তা কোনো একটা পয়েন্ট মেক করার জন্যই করতে হবে, এমনটাই যেন সবার চিন্তা। একজন মুভিমেকাউকে দেখো, সে যদি মনের মতো একটা ছবি বানায়, যে ছবিতে কোনো পয়েন্ট নেই, নিজের গল্পটা বলে গেছে শুধু তো দর্শক হলে গিয়ে গালাগালি করে আসবে তাকে। সাধারণ একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকেই ধরো, তাকে গিয়ে বলে আসো সেমিস্টার ফাইনাল আর দিতে হবে না, আজ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো পরীক্ষা নেই, অ্যাটেন্ডেন্সে কোনো আলাদা মার্কস নেই। সবাইকে সমান গ্রেড দেওয়া হবে আজকে থেকে। ক্লাসরুমে কয়জন যাবে? পড়তে বসবে কয়জন? কারণ ঐ একটাই। কোনো পয়েন্ট মেকিং করার দিক এখানে আর নেই। তোমাকে আজ থেকে মাসে পঞ্চাশ হাজার টাকা বেতন দেওয়া হলে তুমি কি চাকরি খোঁজার কষ্টে নামবে? কারণ, তোমার তো আর লাগছে না। হোয়াটস দ্য পয়েন্ট?”

    “মুহিব, কাজের কথায় আসো।” চাপা গলায় বলল শিয়া, “জানি তুমি গল্প-টল্প লিখো, তাই বলে সবখানে রূপকের প্রয়োগ করার দরকার দেখি না। সরাসরি বলো যা বলার, একটু আগে যেমনটা বললে।”

    “আমি বলতে চাইছি, এখন যা যা বলবো তার সঙ্গে তোমাকে সংশ্লিষ্ট প্রসঙ্গগুলো টেনে আনতে হবে না। এটা স্রেফ আমার ব্যক্তিগত উদ্বেগ বলে ধরে নিতে পারো।”

    “কোনটা, ঠিক করে বললে?”

    “যখন আমাদের ক্যাম্পাসে এলে, তুমি একটা গান ক্যারি করছিলে। নির্ঝর ভাইয়ের সঙ্গে তোমার দেখা হওয়ার ঘটনাটাও খুব শ্রুতিমধুর কিছু না।”

    “সো?”

    “সাধারণ একটা মেয়ে পিস্তল নিয়ে এভাবে ঘুরে বেড়ায় না। তারা রাত বিরেতে একা একটা বেশ্যাখানায় ঢুকে পড়ার সাহস রাখে না। তারা এক লাথিতে কাউকে অজ্ঞান করার নিয়ম জানে না।”

    “সেলফ ডিফেন্সের কোর্স করা আছে আমার, এটা তোমাদের আগেও বলেছি। ঢাকার অনেক মেয়েই এই ধরণের কোর্স করছে আজকাল, খবর রাখো না হয়তো তুমি।” হতাশার ভঙ্গি করে বলল শিয়া, “ওসব এমন কোনো কঠিন কাজ ছিল না। তাছাড়া, তুমি যেটাকে পিস্তল বলছো, ওটা একটা রিভলভার ছিল। যে কোনো ভার্সিটিতে কিছু হ্যডম থাকে, তাদের সাথে যোগাযোগ থাকলে এসব যোগাড় করা কারও জন্যই কঠিন না।”

    তার ভার্সিটির ‘হ্যাডম’রা মুহিবের জন্য শপিং করে মনমতো একটা পিস্তল কিনে এনেছে, সেই কথা অবশ্য শিয়াকে জানালো না সে। প্রসঙ্গে ফিরে এলো সে, “সাধারণ একটা মেয়ে আরেক শহরে অভিযানে পিস্তল নিয়ে যাচ্ছে না রিভলভার, তা নিয়ে ভাবে না।”

    “সিরিয়াসলি?” ঘাড় বাঁকা করে তার দিকে তাকালো শিয়া, “এই পুরো কাজটাই বিপজ্জনক। আমি নিজের নিরাপত্তা নিয়ে ভাববো না তো কে ভাববে? তুমি?”

    “মেনে নিলাম। তুমি অনেক কিছুই বলবে সেটা জানতাম। কিন্তু সত্যটা বলবে না সেটাও জানা ছিল। এটা সমস্যা না, আমাকে সব কিছু পরিস্কারভাবে বলার দায়বদ্ধতা তোমার নেই। কিন্তু যেভাবে তুমি আমার কাছে তথ্য গোপন করছো, তাতে করে আমি তোমাকে বিশ্বাস করতে পারছি না। সেন্সিটিভ ইনফরমেশন যদি পেয়েও থাকি, তোমাকে তা কেন দেবো?”

    “কারণ,” সামনে ঝুঁকে এলো শিয়া, “ওরা আমার ভাইকে মেরে ফেলেছে। তোমার কিছু আসে যায় না, মুহিব। ভাইয়ার খুনিরা ধরা পড়লো কি মারা গেলো তা নিয়ে তোমার মাথাব্যথা নাই। তোমার কেউ ছিল না ভাইয়া। কোনো ইনফরমেশন যদি থাকে তোমার কাছে, সেটা জানার অধিকার আমার আছে। শুধু আমার।“

    দীর্ঘশ্বাস ফেললো মুহিব।

    “এসব নিয়ে আলোচনা করে লাভটা কি? কোনো উপসংহারে পৌছুতে পারবে? তুমিও পারবে না, আমিও না।”

    “উপসংহার?” কফিতে আরেকবার চুমুক দিলো মুহিব, “তাতে আমি দেড় মাস আগেই পৌঁছে গেছি।”

    “সেটা কি?”

    “শামসভাইয়ের মার্ডার কেসটা আমি দেখছি। আমি, একা। তুমি ভাইয়ার আপন বোন হতে পারো, এখন থেকে তোমাকে এর সাথে আমি আর ইনভলভ করবো না। খুনিদের সঙ্গে ডিল করবো আমি, তাদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিবো আমি, যা করা লাগে সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য, সেটাও করবো আমিই। তুমি এখন আউটসাইডার। তুমি থাকছ সবকিছুর বাইরে।”

    এক সেকেন্ডের মধ্যেই হিংস্র হয়ে উঠলো শিয়ার মুখটা, “মানে?”

    “ইউ আর আউট। একা একা যা মন চায় করো, কিন্তু আমি অনেকগুলো প্রমাণ জোগাড় করে ফেলেছি রেদোয়ানদের বিরুদ্ধে। তুমি আমাকে ছাড়া কোথাও যেতে পারবে বলে মনে করি না।”

    “প্রমাণ?”

    “হ্যাঁ, ওরা খুনটা কেন করেছে তা আমি এখন জানি।” এক মুহূর্ত তার দিকে তাকিয়ে থাকলো মুহিব, “ভিডিও ক্লিপটা দেখেছি আমি।”

    *

    প্রশ্নপত্র জমা দিতে এসে প্রফেসর রবিন লক্ষ্য করলেন আজ ইউসুফ স্বভাবসুলভ হাসিটি হাসলো না। হাত বাড়িয়ে কাগজগুলো নিলো, বার দুই ‘স্যার, স্যার’-ও করলো। প্রফেসর কেন নিজ হাতে এই কাগজের তাড়াগুলো দিতে আসেন তা নিয়ে ইউসুফ গতবারের মতো আপত্তি তোলার চেষ্টা করছে না আজ, এ নিয়ে ওদের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। প্রফেসর যুক্তিবাদী মানুষ, তবে হিউম্যান এরর নিয়ে তিনি যথেষ্টর বেশি কুসংস্কারাচ্ছন্ন কিংবা অতিসতর্ক। সেমিস্টার ফাইনালের প্রশ্ন তিনি অন্য কারও হাত দিয়ে জমা দিতে চান না, এর পেছনে একশ’ একটা কারণ আছে। তবে ইউসুফ বরাবরই প্রাণখোলা একজন মানুষ, এই মরা ক্যাম্পাসে যে কয়জন হাসিমুখে কথা বলতে পারে তাদের একজন সে। এটা মোটেও হাল্কা করে দেখার মতো বিষয় না। খুব কম মানুষই এখানে হাসিমুখে কথা বলে। যেন সরকার উচ্চহারে কর বসিয়েছে হাসির ওপর! অথচ বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজগুলো সবচেয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ কাজগুলোর মধ্যে একটা। এখানে বয়লার বিস্ফোরণের ভয় নেই, অত্যাধিক শব্দের মধ্যে বছরের পর বছর থেকে কানের বারোটা বাজিয়ে ফেলার ভয় নেই, তেজস্ক্রিয়তায় ক্যান্সার হয়ে মরার ঝুঁকি নেই, সন্ত্রাসীর গুলিতে মরার ভয় নেই, সিভিল ইউনিয়নের ককটেলে প্রাণ হারানোর ভয় নেই। গোমড়ামুখে থাকার দরকার কি তোদের, ব্যাটা? মনে মনেই কর্মকর্তা, কর্মচারী আর শিক্ষকদের এই প্রশ্ন করে এসেছেন প্রফেসর। রামগড় রের ছানা হয়ে থাকা তো আর অন্যায় নয় যে প্রতিবাদ, মিছিল, র‍্যালি ইত্যাদি করা যাবে সে উপলক্ষ্যে।

    ইউসুফ কেমন যেন এড়িয়ে গেলো সব সম্ভাষণ। যেন নব্য রামগড়ুর। হাসতে তার মানা। প্রফেসরের মনে খটকা লেগেছে শুরুতেই, তিনি প্রশ্নটা না করে থাকতে পারলেন না, “কি খবর ইউসুফ? বাসায় সব ভালো তো?”

    ইউসুফ অনেক কষ্টে হাসলো এবার, যাকে বলে কাষ্ঠ হাসি, “জি, স্যার। সব ভালো, সব ভালো।”

    “তোমাকে চিন্তিত মনে হচ্ছে। কোনো সমস্যা? আমাকে বলতে পারো কিন্তু। যে কোনো

    “না স্যার। সমস্যা নেই, সমস্যা নেই।”

    অত্যন্ত সন্দেহজনক। আড়চোখে এই প্রতিষ্ঠানে তার প্রিয় কর্মচারিটির দিকে তাকাতে তাকাতেই পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ কক্ষ ছাড়লেন প্রফেসর রবিন। এক কথা সে দুইবার করে বলবে কেন? মোটেও স্বাভাবিক না লোকটার আজকের আচরণ।

    বাইরের ঝলমলে রোদে বেরিয়ে এসে মন ভালো হয়ে গেলো তার। এখানে ওখানে ছেলেমেয়েদের খুচরো খুচরো সব দল। অনেকেই ক্লাসে যাচ্ছে, ল্যাব থেকে ফিরছে। দুটো ব্যাচের সেমিস্টার ফাইনাল চলছে, তিনটে ব্যাচের ক্লাস। এক সঙ্গে সবগুলো ব্যাচের পরীক্ষা নেওয়া হয় না এখানে। প্রশাসনিক ভবন থেকে যন্ত্রকৌশল ভবন পর্যন্ত আসতে আসতেই তিনি ছয়টি খুচরো গ্রুপের পাশ কাটালেন, এদের মধ্যে তিনটির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় কেউ না কেউ “হোগামারা” শব্দটা ব্যবহার করলো। মুচকি একটা হাসি মুখে ঝুলিয়ে যন্ত্রকৌশল ভবনে পা রাখলেন তিনি, ছেলেমেয়েরা বর্তমান জীবন নিয়ে কতোটা বিতৃষ্ণ, তা এদের শব্দ চয়ন থেকেই অনায়াসে বোঝা যায়। তারা চায় সত্যিকারের কিছু করতে। প্রকৌশলী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছেলেমেয়েরা ভর্তি হয়ই একটা সত্যিকারের পার্থক্য গড়ে দিতে, টু মেক আ রিয়েল ডিফরেন্স। তবে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সঙ্গে প্রায়োগিক দিকগুলো এখানে দেখানো হয় না। শব্দচয়ন একেবারে ঠিক আছে তাদের দৃষ্টিকোণ থেকে। এদেশের শিক্ষাব্যবস্থা তাদের এর থেকে ভালো কিছু উপহার দিতে পারছে না। অনেকে হয়তো বাইরে গিয়ে কর্মক্ষেত্রে এসে বুঝতে পারবে, এখানকার জীবনটার প্রয়োজন ছিল। কিন্তু তাতে এই মুহূর্তে তাদের কি এসে যায়?

    ধার্মিকও জানতে চায় সে একটা ইবাদত কেন করবে। এখানে ছাত্রদের কেউ প্রতিটা জ্ঞানের প্রায়োগিক দিক বা সম্ভাবনার কথা জানায় না। শিক্ষকগণ সিলেবাস শেষ করে দেয় কোনো একভাবে, তারপর সেমিস্টার ফাইনালের প্রশ্ন জমা দিতে যায়, যেমনটা প্রফেসর রবিন মাত্র করলেন। প্রশ্ন বানানোর সময় লক্ষ্য করা হয় সেটা যেন এতো কঠিন না হয় যে সবাই ডাহা ফেল মারবে, অথবা এতো সহজও যেন না হয় যে সবাই পাবে ফোর আউট অব ফোর, এসব বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কখগঘ। কিন্তু যা পড়ানো হচ্ছে তা কেন পড়ানো হচ্ছে সে প্রসঙ্গে আগ্রহোদ্দীপক কথা বলার মানুষ এখানে কম। ক্যাম্পাস লাইফ মানেই এজন্য ছাত্রদের কাছে হোগামারা। ল্যাব হোগামারা। ক্লাস হোগামারা। ক্লাসটেস্ট হোগামারা। তারা শব্দচয়নে ভুল করছে না, কারণ কপাল খারাপ থাকলে আর কোনো কোর্সে শাহাবুজ্জামানের মতো শিক্ষক পড়লে সেই সেমিস্টারে সিলেবাস শেষ হওয়ার সম্ভাবনাও শুন্য।

    কমনরুমে যাওয়ার সময় নিচতলার ল্যাবে ভিড় করা একদল ছেলেমেয়ের সামনে পড়ে গেলেন তিনি। শোরগোল চলছিলো, অনেকেই চুপ হয়ে গেলো তাকে দেখে। অন্যান্য শিক্ষকদের সামনে পড়ে গেলে হট্টগোল থেমে যায়, তবে কখনোই তার সঙ্গে এমন প্রতিক্রিয়া কেউ দেখায় না বরং আধডজন ছেলেমেয়ে চলে আসে কুশল বিনিময় করতে। যে অধ্যাপক তাদের সাথে সিগারেট শেয়ার করে খায় তাকে কেউ কর্তৃপক্ষ ভাবে না, বন্ধুত্বের পর্যায়েই ফেলা যায় তার সঙ্গে ছাত্রদের সম্পর্ক। ভালোমতো ছাত্রছাত্রিদের মুখের দিকে তাকালেন তিনি। আজ তাদের চোখেমুখে ভয়। অস্বস্তি। তার দিকে এভাবে তাকানোর মানে কি? তিনি তো কারও সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেননি কখনও। সিঁড়ি বেয়ে ওঠার সময় পিঠের ওপর অনেকের দৃষ্টি অনুভব করলেন তিনি। তাতে মিশে আছে বিচারের ছোঁয়া।

    কমন রুমের দরজার কাছে পৌঁছে একটু থমকালেন প্রফেসর রবিন। ছেলেগুলোর চোখে কি ছিল? আতঙ্ক?

    না সুতীব্র ঘৃণা আর অবিশ্বাস?

    *

    “ভিডিও ক্লিপে কি ছিল?”

    শিয়াকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করলো মুহিব। খাবার নিয়ে ওয়েটার চলে এসেছে, তাকে টেবিল সাজাতে দিলো তার মতো করে। কান পেতে স্টেজের মেয়েটার বাজানো শুনলো এই ফাঁকে। তাকে গিটার কুইন টাইটল দিতে এখন মুহিবের আর কোনো আপত্তি নেই, ঐ বাদ্যযন্ত্র দিয়েই সে বিথোভেনের নাইনথ সিম্ফনি তুলছে। অপূর্ব।

    “আই সেইড—”

    একটা হাত তুলে তাকে থামালো মুহিব, “বললাম তো, আমি জানি সেটা। কিন্তু তোমাকে বলবো না।”

    একটা বোমার মতোই বসে থাকলো শিয়া। চোখ মুখ লাল হয়ে আসছে তার। লবস্টার মুখ পুড়ে তার দিকে তাকিয়ে চিবুতে শুরু করলো মুহিব। কোনো তাড়াহুড়ো নেই তার কাজে। মেয়েটা কোনো কায়িক পরিশ্রম ছাড়াই হাঁফাচ্ছে, সম্ভবত প্রচণ্ড ক্রোধে।

    “তুমি ঠিক কি তা আমি জানি না। সম্ভাবনা আছে কিছু, আন্দাজে ঢিল মারতে পারি। হয়তো সমাজতান্ত্রিক ফ্রন্টের কমরেড, নয়তো অনুশীলন সমিতি। তোমার মতো একটা বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া মেয়ের হাতে রিভলভার দেখলেই যদি বলে দেওয়া যায় ওটা ব্যবহারের ট্রেনিং তার আছে, তখন বাকিটা অনুমান করে নেওয়া কঠিন কিছু না।”

    শিয়া এবারও কিছু বলল না। নতুন কোনো অভিব্যক্তির চিহ্নও পড়ছে না তার মুখে, বরং একটু আগের রাগত ভঙ্গিটা সে আশ্চর্য দক্ষতায় লুকিয়ে ফেললো। একটা ভ্রু উঁচু করে ব্যাপারটা পর্যবেক্ষণ করলো মুহিব।

    “ডিফেন্স মেকানিজম খারাপ না তোমার। যাকগে, তোমার ব্যপারটা আমি বুঝি। দেশকে উদ্ধার করছো। কঠোর গোপনীয়তা বজায় রাখতে হবে, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য ইত্যাদি ইত্যাদি। সরকারের চোখে তোমরা সন্ত্রাসী ছাড়া আর তো কিছু নও। আরেকটা নকশাল আন্দোলন বাঁধাবে তোমরা খুব সম্ভব। তা তোমাদের লড়াই, আমি এখানে কোনো মন্তব্য করবো না। তোমাদের মতাদর্শের সাথে আমার মতবিরোধ আছে। কিন্তু সেসব নিয়ে আলোচনার জন্য আমি আসিনি এখানে। আজকে আমি এখানে বসে আছি কারণ তোমার ব্যাপারে আমি কেয়ার করি, চাই না তুমি বড় কোনো বিপদে পড়ে যাও। আর তোমার সামনে এখন তেমনই এক বিপদ, শিয়া।”

    “হাহ!” এতোটুকুই বলল এবার মেয়েটা। বলল না বলে বরং বলা যায় দুর্বোধ্য এক শব্দ করলো।

    “পয়েন্টটা কি, তাই জানতে চাইছিলে তুমি।” শান্তভঙ্গিতেই বলে গেলো মুহিব, “দ্য পয়েন্ট ইজ, আমি একজন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং স্টুডেন্ট। এবার দ্বিতীয় বর্ষে উঠবো কেবল। কয়েকদিন আগে কলেজে পড়তাম। আঠারোই হলো এই তো কয়েক মাস আগে। আমার কথাটা কি তুমি বুঝতে পারছো?”

    শিয়াকে এবার সত্যই বিভ্রান্ত দেখায়।

    “আমার মতো গতকাল চোখ ফোটা, কৌমার্য না হারানো একটা ছেলে যদি বুঝতে পারে তোমার এরকম একটা ব্যাকগ্রাউন্ড আছে, তাহলে তোমার জন্য যারা বিপদের কারণ তারা অনায়াসেই তোমাকে চিনতে পারবে। ওরা তোমাকে দেখতে পাবে দশ মাইল দূর থেকে। তারপর সম্ভাবনা আছে বাকি জীবন জেলে কাটানোর, কিংবা ফাঁসির দড়িতে সুন্দরমতো লটকে যাওয়ার।“

    “আমি ফাঁসির কথা ভাববো কেন?”

    কাঁধ ঝাঁকালো মুহিব, “ফাহাদ হিল্লোলকে খুন করার অপরাধে। গড নোজ এর আগে আর কতোজনকে শুইয়েছো তুমি।”

    নিমেষেই শিয়ার চেহারায় ফুটে উঠলো নিখাদ আতঙ্ক। বাঁ হাতটা চট করে নামিয়ে নিচ্ছিলো উরুর দিকে, শেষ মুহূর্তে নিজেকে সামলে ফেললো সে। আরও একবার আশ্চর্য দক্ষতায় নির্লিপ্ত এক চাহনি ধারণ করলো সে। স্রেফ ধারণার ওপর ভিত্তি করে এসব ফালতু কথা বলবে বলেই কি ডেকে এনেছো?”

    নিরুপায় একটা ভঙ্গি করলো মুহিব, “আমি ডিবির লোক না যে তোমাকে স্বীকার করানোর জন্য প্রাণান্ত চেষ্টা করতে থাকবো। কিন্তু আমি মাত্র মায়ের দুধ ছেড়ে আসা একটা ছেলে, আমার বয়স এখনও বিশ হয়নি, দুনিয়া চিনি না। সেই আমি ঘটনাটার সাথে তোমার সংযোগ ধরতে পারছি। ডিবির লোকেরা কেন পারবে না? তোমার ভালো চাই আমি, শিয়া। নাহলে এভাবে দেখা করে এমন সব কথা বলার দরকার ছিল না যা বলা আমার জন্য ব্রিতকর আর শোনা তোমার জন্য।”

    “তোমার সাজেশন কি? হাত পা গুটিয়ে বসে থাকা? ভাইয়ার সাথে যা হয়েছে তা আমি কখনোই ভুলতে পারবো না যতোদিন না এটার একটা শেষ দেখছি।”

    “শামসভাইয়ের ব্যাপারটার শেষ না দেখে আমিও ছাড়ছি না। সেটা নিয়ে তুমি এখন যতো ইচ্ছে ভাবতে পারো, তবে আমি চাই না এই ‘শেষ দেখাদেখি’র জন্য তুমি ঐসব করে বেড়াও। ফাদারের ব্যাপারটা বলছি, মানে, হিল্লোল।”

    চোখ টিপ দিয়ে বাকিটা বুঝিয়ে দিতে হলো মুহিবকে। তার আশঙ্কা সত্য প্রমাণ করতেই যেন এবার এটা নিয়ে কোনো প্রতিবাদ করার চেষ্টাও করলো না শিয়া। এই এক মৌনতাতেই মেয়েটির সম্মতির ব্যাপারটা পরিস্কার হয়ে গেলো। সেলেব্রিটি রাজনীতিককে তাহলে শিয়াই হত্যা করেছে! মুহিবের ভেতরটা অদ্ভুত এক আশঙ্কায় ঠাণ্ডা হয়ে গেলো।

    বলে চললো সে, “এটা একটা হাই প্রোফাইল কেস হয়ে গেছে। তোমার জন্য এটা বিপজ্জনক হবে, সবগুলো গোয়েন্দা সংস্থা নিজেদের সর্বোচ্চটা দিয়ে তোমাকে খুঁজছে এখন। ফাঁসি খুবই স্বাভাবিক একটা পরিণতি। এটাই তোমাকে বার বার বোঝানোর চেষ্টা করছি আমি, শিয়া। জানি তোমাকে ওরা ট্রেনিং দিয়েছে, মৃত্যুর ভয় তোমার নেই। তবে আমি আশা করেছিলাম তোমার মতো স্মার্ট একটা মেয়ে বিগার পিকচারটা দেখতে পাবে এখানে। আংকেল আন্টি একটা ছেলেকে হারিয়েছে, তাদের বেঁচে থাকার অবলম্বন এখন তুমি। তোমাকে কেউ দেশ আর নিজের স্বার্থে যুদ্ধক্ষেত্রে বুক পেতে দিতে বলছে না।”

    “লিসেন-”

    মুহিব তাকে এবার বলার সুযোগই দিলো না, “আমাকে ছাতামাথা বুঝিয়ে তোমার লাভ নেই তো। আমার কাছে ইনফরমেশন আছে আর তা আমি তোমাকে দিচ্ছি না। যে সংগঠনের সঙ্গেই জড়িত থাকো তুমি, তারা তোমার বিপদের কারণ নয়। হয়তো রাজনীতিবিদদের তোমরা এখানে ওখানে খুন করে বেড়াচ্ছো, কিন্তু তাতে করে কেউ তোমাদের সন্দেহ করতে পারছে বলে আমার মনে হয় না। চরমপন্থী সমাজতান্ত্রিক দল আর চরমপন্থী ইসলামিস্ট গ্রুপগুলোর মধ্যে এই একটা মিল আছে।” একটু হাসলো মুহিব, “এই এক কারণে দুটোকেই ঘৃণা করি আমি। ইউ আর আ বাঞ্চ অব কাওয়ার্ডস। ঢাকার মেয়রকে মেরে গেলো পঞ্চগড়ের এক আলাভোলা মেয়ে, কোন শার্লক হোমস ধরতে পারবে খুনিকে? মেয়রকে ওই মেয়ে দেখেনি কখনও, এক পার্টিতে আসেনি, এক এলাকায় ছিল না, মেয়র মেয়েটির কোনো ক্ষতি করেনি, পরিচয়ও হয়নি তাদের মধ্যে। কোনো মোটিভ নেই, কানেকশন নেই। আবার দেখো, ব্লগার মেরে ফেলে রাখছে যারা, ভিক্টিম আর মার্ডারারের মধ্যে কোনো সম্পর্ক নেই। কোনোদিন একবারও নিজেদের মধ্যে কথা হয়নি তাদের। মোটিভ, কানেকশন না থাকলে তুমি খুনিকে কিভাবে ধরবে? হাল্কা ট্রেনিং পাওয়ার পর এরা ক্রাইম সিনে কিছু ফেলেও আসে না। যেমনটা তোমরা করো আরকি।” একটু কাশলো মুহিব, “কিন্তু এই একটা কাজ করতে গিয়ে তুমি ধরা পড়ে যাচ্ছো বলে আমার মনে হয়। কারণটা কি বলতে পারবে?”

    শিয়া এবার কিছু বলল না।

    “কারণ, তুমি একটা ব্যক্তিগত কাজে তোমার ট্রেনিং ব্যবহার করছো। এতে করে কি হচ্ছে? তোমার মোটিভ থাকছে, কানেকশন থাকছে। বড় ধরণের একটা বোকামি করছো তুমি। ইউ আর মেকিং ইট পার্সোনাল। আমি তোমার থেকে আরও খানিকটা স্মার্টনেস আশা করেছিলাম। এখন থেকে, তোমার আর সবার ভালোর জন্যই, এসব থেকে দূরে থাকছো তুমি।” টিস্যু দিয়ে মুখ মুছলো মুহিব, পূর্ণ কর্তৃত্ব স্থাপন করেছে ছোট্ট এই টেবিলটায়, “আর এটাই চূড়ান্ত থাকলো। শামসভাইয়ের ব্যাপারটা আমি দেখছি। ট্রাস্ট মি অন দিস।”

    মুহিবকে প্রথম যেদিন দেখে সেদিনের কথা মনে করার চেষ্টা করলো শিয়া। অনেক সাধাসিধে একটা ছেলে ছিল, বন্ধুদের ছাড়া আর কিছু বোঝে না। সাংবাদিকতায় ঝোঁক আছে, মানবতাপূর্ণ একটা হৃদয় আছে। সেই ছেলেটা অনেকখানি পাল্টে গেছে। বিপদের সঙ্গে চলাফেরা করলে বয়স নাকি দুই মাসে বছর বাড়ে। মুহিবের সঙ্গেও তেমনটা ঘটেছে, ছেলেটা এখন অনেকটাই পরিণত। টেবিল ছেড়ে তার চলে যাওয়া চুপচাপ দেখলো শিয়া, পুরো ব্যাপারটাই ওর পছন্দ হচ্ছে না। কিন্তু প্রতিবাদ করার জায়গাও এখানে নেই, মুহিব ভুল কিছু বলেনি। সবার ভালোর জন্য ওর বাইরে থাকাই উচিত। ছেলেটা কিছু একটা লুকাচ্ছে এবং সেটা স্বীকার করেও গেছে, একেবারে মুখোমুখি। এমন মানুষগুলোকে সে পছন্দ করে।

    বিলটা টেবিলে রেখে উঠে দাঁড়ালো শিয়া, ওদের ছোট্ট গ্রুপটাকে দুটো মাস দিয়ে দেখা যেতেই পারে। ছেলেগুলোকে যতোটা আন্ডারএস্টিমেট করেছিলো তার চেয়েও বেশি কিছু ওরা ডিজার্ভ করে। রেস্তোঁরা ছাড়ার সময় গিটার হাতে সুন্দরির দিকে ঈর্ষার দৃষ্টিতে তাকালো একবার, গিটারটা শেখা হয়নি ওর। মেয়েটা এখন মনোযোগ দিয়ে বিথোভেনের ফার এলিস বাজাচ্ছে।

    সুরটা শিস দিয়ে ভাজতে ভাজতে রেস্তোঁরা থেকে বেরিয়ে গেলো শিয়া।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article আর্সেন লুপাঁ ভার্সেস হার্লক শোমস
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }