Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    যে হীরকখণ্ডে ঘুমিয়ে কুকুরদল – কিশোর পাশা ইমন

    কিশোর পাশা ইমন এক পাতা গল্প607 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কুকুরদল – ৫২

    অধ্যায় ৫২

    সাউন্ডবক্স থেকে হলভাঙা আওয়াজ বেরিয়ে আসছে, করিডোর থেকেই শব্দটা শুনতে পেলো রেদোয়ান। নগরবাউলের নাগর আলী কুমকুম, চাককুম, চুককুম। অন্য কোনো ছাত্র এতো জোরে গান বাজালে তাকে এমন ডলা দেওয়া হতো যেন হলে থাকাকালীন আগামি চারটা বছর বাথরুমেও সে গান ধরার সাহস না পায়। তবে এই শব্দটা আসছে রেদোয়ানের নিজের রুম থেকেই। প্রবল বিরক্তিতে ভ্রু কুঁচকে ঘরের দরজায় এসে দাঁড়ালো সে। ভেতর থেকে ধোঁয়া বেরিয়ে আসছে অনর্গল, যেন ভিসুভিয়াসের কোনো এক জ্বালামুখের সামনে হুমড়ি খেয়ে পড়েছে রেদোয়ান। দরজাটা পুরোটা খুলে ভেতরে পা রাখলো সে।

    চরকারই কারণে আমার বউয়ের কানে সোনা রে…

    পেছনে দরজাটা সজোরে বন্ধ করে দিলো প্রতাপশালী ছাত্রনেতা। সিগারেট থেকে মুখ না তুলেই তার দিকে চোখ ফেরালো তোফায়েল।

    “দুনিয়া ওলোট পালোট হইয়া যাইতেছে আর তুমি এইখানে বইসা রঙের গান শুনতেছো, মাগির পুত!” চোখ লাল করে হুঙ্কার ছাড়লো রেদোয়ান, “দুনিয়ার খবর কিছু রাখবা না, বালের নেতা হইছো তুমি।”

    অ্যাশট্রেতে ছাই ঝাড়লো তোফায়েল, “এতো অস্থির হইতেছিস ক্যান? বস আগে। কি হইছে খুইলা বল।”

    “আমার ভাইটারে কোন খানকির পোলা মাইরা ফেলছে তা এখন আমি জানি।” সামনের চেয়ারে একটা লাথি মারলো রেদোয়ান। প্রকাণ্ড লাথিতে একটা পা খুলে গেলো সরকারি চেয়ারের, “খানকিটারে আমরা গুরুত্ব দেই নাই। সব শেষ কইরা দিলো মাগি।”

    বিছানায় সোজা হয়ে বসলো তোফায়েল, “হোয়াট?”

    “সাত আসমান থেকে পড়তেছো, অ্যাঁ? সাক্ষাত ফেরেশতা! তোর উচিত রাজনীতি ছাইড়া দেওয়া। এই দিকটা আমার চোখে আগে পড়লো না ক্যান?”

    উঠে দাঁড়ালো তোফায়েল, “একটু থাম। তুই শামসের বোনের কথা বলতেছিস?”

    “আর কোন খানকি লাগছে আমাদের পিছে? সব কিছু এখন স্পষ্ট।” ধপ করে খাটের ওপর বসে পড়লো রেদোয়ান, “কোন মাতারি আমাদের ফোন দিয়া বালছাল বকতেছে বুঝতেছো এখন? ঐ মাইয়া।”

    “তোর মাথা খারাপ হইয়া গেছে, দোস্ত। জানি হিল্লোল ভাইয়ের ব্যাপারটা অনেক বড় একটা ধাক্কা, জানি আমি। আমার আইডল ছিলেন উনি, দারুণ পার্সোনালিটি। এই রকম একজনরে আমাদের সংগঠন পাইছে সেটা অনেক বড় একটা ব্যাপার ছিল। উনার কেসটা আমার পার্সোনালি দেখার ইচ্ছা ছিল, যদিও উপায় নাই, অনেকগুলা ফোর্স ব্যাপারটা দেখতেছি। আমি আপডেট রাখতেছি রেগুলার। শালারা কিছুই বাইর করতে পারে নাই এখনও খুনি কোনো ক্লু রাইখা যায় নাই। পিউর প্রফেশনাল।”

    অ্যাশট্রেটা হাতে ধাক্কায় মেঝেতে ফেলে দিলো রেদোয়ান, “বালের প্রফেশনাল। কামটা করছে শামসের ছোট্ট বোনটা। ডবকা মাগি একটা।”

    “অ্যাবসার্ড। হিল্লোল ভাইয়ের সাথে দুই দুইজন গার্ড ছিল। এক্স–মিলিটারি। আমি ওদের একজনকে চিনতাম, শালা কঠিন মাল। ওরা দুইটা মিলে চাইলে এক প্ল্যাটুন আর্মির অ্যাটাকও সারারাত ধরে ঠেকায় রাখতে পারবে। শামসের বোন কি ফোর্সে ছিল কখনও, বা অ্যাকাডেমিতে? হিল্লোল ভাইয়ের ফোন পাওয়ার পর আমি খোঁজ নিয়া দেখছিলাম। শিয়া নাম তার, ফার্স্ট ইয়ার স্টুডেন্ট। ঢাকায় পড়াশোনা করে। রেকর্ড নাই কোনো, মাইয়া মানুষ আর কি বালটা রেকর্ড বানাইবো।”

    “সবার চোখেই ধূলা দিয়া ছিল মাগি এতোদিন। কিন্তু এই রেদোয়ানের চোখ এড়ানো এতো সহজ কাম না। ভাইকে ওই খানকিই মারছে।

    “অসম্ভব। তুই লজিকটা বোঝা আমাকে, এটা কি করে সম্ভব?”

    রেদোয়ানকে অনেকটাই শান্ত মনে হয় এবার। পকেট থেকে একটা সিগারেট বের করে তাতে আগুন ধরালো সে, “ভাইয়ের সাথে দেখা করলো যেদিন মাইয়া, সেদিন রাতেই খুন হয় হিল্লোল ভাই। আমি প্রথমে এতো কিছু সন্দেহ করি নাই, তোর মতোই বালছাল ভাবছি। এইটুকু একটা মাইয়ারে সন্দেহ করে কোন পাগলে? সত্যিকারের প্রফেশনালদের কাজ, তোকে আমি নিজেও বলছিলাম এমনটা। বিরোধী দলের চারজনের লিস্ট করে ফালাইছিলাম। এদের একজনকে গান ডাউনও কইরা ফেলছে আমাদের মিলন, ঢাকার সেন্টারে আছে পোলাটা। একই কারণে।”

    “আমি জানি। আমার কান এড়ায় না কিছুই।” নিরুত্তাপ ভঙ্গিতে বলল তোফায়েল।

    জোরে জোরে সিগারেটে কয়েকবার টান দিলো রেদোয়ান, “আমাদের দলের মধ্যেও অনেক গ্যাঞ্জাম চলতেছে ভাইয়ের ঘটনাটার পর। যারা যারা বহিষ্কার হইছিলো তাদের সন্দেহ করা হইছে। এদের মধ্যে দুইজনরে গান ডাউন করছে পলাশ গ্রুপ। তারাও ধইরা নিছিলো কাজটা তাদের করা। এরা আবার কয়েক দিন আগে অস্ত্র কিনছিলো শাফকাত ব্যাপারির কাছ থেইকা। বহুত কাবজাব চলতেছিলো গত কয় সপ্তাহ ধইরাই। এর মধ্যে পুঁচকি একটা মাইয়ার দিকে মনোযোগ দিয়ে টাইম নষ্ট করবো কে?”

    “কিন্তু তুই এখন ভাবতেছিস কাজটা তার করা?”

    মাথা দোলালো রেদোয়ান, “আমি ভাবতেছি না। আমি শিওর।”

    “কেমনে?”

    “মনে আছে, হিল্লোল ভাই ওইদিন ফোন দিয়া যখন মাগির ব্যাপারে বলছিলেন, আনিসরে দায়িত্ব দিসিলাম মাইয়ার ব্যাকগ্রাউন্ড ভালোমতো চেক করতে?”

    তোফায়েল এবার নড়ে উঠলো। নিরেট তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে সেটাকে সে সবসময়ই গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করে, “মনে থাকবে না কেন? আনিস এতোদিন পর রিপোর্ট দিসে?”

    “তাও তো দিতে পারছে। শিয়া মাইয়াটা গার্লস স্কাউট ছিল স্কুলে থাকতে। ওদের ইন্সট্রাক্টর কে ছিল গেস কর্!”

    “কে?”

    “ফরহাদ গাঙ্গুলী।”

    তোফায়েলের অভিব্যক্তিতে চিন্তার ছাপ আরও দুই পোঁচ বেড়ে গেলো নামটা শুনেই। ফরহাদ গাঙ্গুলী একজন স্বঘোষিত শ্রেণিবিরোধী সৈনিক এবং সবপন্থার লোকেদের কাছেই লোকটা এক পরিচিত নাম। আলোচনায় সে এসেছে অনেকবার। প্রথমে নিজের মুসলিম নামের অর্ধেকটা পরিবর্তন করে একটা হিন্দু নাম গ্রহণ করে সে মিডিয়ার সামনে ধর্মিয় সহনশীলতা নিয়ে জ্বালাময়ী এক বক্তব্য দিয়েছিলো। তার বক্তব্যে কোনো ধর্মকে আক্রমণের নমুনা ছিল না। বরং সে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা প্রশ্ন রেখেছিলো, “এতোদিন আমি ছিলাম এই দেশে সংখ্যাগুরু। এখন তো আমাকে মুসলিমরাও পাথর মারবেন, হিন্দুরাও অবিশ্বাসের চোখে দেখবেন। ঠিক কি না? তবে শ্রেণিবৈষম্যের বিষয়টা আপনারা নিজেরাই ভেবে দেখুন।”

    সংবাদ সম্মেলনের পর ঠিকমতোই তার কথা ফলেছিলো। মুসলমানরা আঁতকে উঠেছিলেন, তীব্র সমালোচনা করেছিলেন তার। অনেকেই দাবি জানিয়েছিলেন তাকে ইন্ডিয়ায় খেদিয়ে দেওয়া হোক, প্রসঙ্গক্রমে বার বার এক দেশ বিতাড়িতা লেখিকার কথাও তারা তুলেছিলেন। এমনকি বার ছয়েক তাকে জনসম্মুখেই আক্রমণ করে বসে কতিপয় উৎসাহী জনতা। শেষবার তাকে আক্রমণ করা হয় মসজিদের ভেতর, জুম্মা পড়তে গিয়েছিলো ফরহাদ। এতে করে ফরহাদ গাঙ্গুলীর জনপ্রিয়তা বরং বেড়েছে। গোঁড়া হিন্দুদের একটা দল সে সময় দাবি করতে থাকে ফরহাদ গাঙ্গুলী নাম পাল্টে দুই ধর্মের প্রতি সহনশীলতা দেখালেন, অথচ তিনি জীবনযাপন করেন মুসলিমদের মতো। নামাজ পড়েন মসজিদে, রোজাও নাকি রাখেন, কিন্তু কই মন্দিরে তাকে তো দেখা যায় না। ভণ্ডামির অভিযোগে তাকে জর্জরিত করা হয়েছিলো, ফরহাদ গাঙ্গুলী মুচকি হেসেছিলো কেবল। প্রতিবার তার বিরুদ্ধে করা প্রতিবাদই সেই বক্তব্যকে বার বার সত্য বলে প্রমাণিত করে যাচ্ছিলো। শ্রেণিসংঘাতের যে অর্থনৈতিক দিক ছাড়াও আরও দিক আছে তা তিনি চোখে আঙুল দিয়ে দেখাতে পেরেছিলেন বটে।

    জুম্মার নামাজ পড়তে যাওয়ার অপরাধে ফরহাদ গাঙ্গুলীর ওপর আক্রমণ করার পর থেকেই লোকচক্ষুর অন্তরালে চলে যায় সে। রাজনীতির মাঠে তাকে নিয়ে সবচেয়ে প্রচলিত গুজবটা হলো, এর মধ্যেই মস্কোর সহায়তা নিয়ে বড় একটা অপারেশন শুরু করেছে লোকটা। চরমপন্থী এক দল গড়ে তুলেছে এরই মধ্যে, পুণরুজ্জীবিত করেছে “অনুশীলন সমিতি” (এটাই সেই গুজবের সবচেয়ে আতঙ্ক জাগানিয়া তথ্য)। ফরহাদ গাঙ্গুলীর ব্যাপারে দারুণ চমকপ্রদ যে তথ্যটি শোনা যায় তা হলো, সে তার নতুন এই দলটা খুলে বসেছে বিশ্বাসের গোঁড়ামির বিরুদ্ধে লড়াই করে বিশ্বাসভিত্তিক শ্রেণিসংঘাত ধ্বংস করতে। সেই সঙ্গে সরকারি দুর্নীতিগ্রস্ত নেতাদের সরিয়ে দেওয়ার পণ নিয়েছে এই চরমপন্থী নেতা। গুজব অস্বীকার করার উপায় ছিল না, দুই বছর নীরবতার পর টানা কয়েক মাসে ষোলোটি ‘রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড’ ঘটে গেছে। অনেকেই মনে করেন এই হত্যাকাণ্ডগুলো ফরহাদ গাঙ্গুলীর অঙ্গুলিহেলনেই ঘটছে। ‘অনুশীলন সমিতি’ সবসময়ই ছিল আতঙ্কের অপরনাম। এই শত্রুকে দেখা যায় না। এর থেকে নকশাল বা সর্বহারাধর্মি আন্দোলন অনেক নিরাপদ মূলধারার রাজনীতিকদের জন্য।

    “শিয়া যখন গার্ল স্কাউট, তখন ফরহাদ গাঙ্গুলীর বয়স তো বেশি ছিল না।” হিসেবটা মিলিয়ে দেখলো তোফায়েল।

    “না। সেইটাই তো আমাদের সমস্যা করে দিসে। গুজবগুলো মনে হইতেছে এখন সিরিয়াসলি নেওয়া দরকার। মাথা খারাপ কুত্তাটা হয়তো আসলেই একটা ‘অনুশীলন সমিতি’ খুলে বসেছিলো। এই রিক্রুটগুলো যদি স্কাউট বা ঐধরণের জায়গা থেকে আসে তাহলে সেইটা একটা ভয়ের ব্যাপারই।”

    “সেই সময় ফরহাদ গাঙ্গুলী তো ফরহাদ গাঙ্গুলী হয় নাই। তারে কেউ চিনতো না, সক্রিয় ছিল না সে।”

    “হ, কিন্তু সবাই মনে করে ফরহাদ গাঙ্গুলী অনেক বছর ধরেই এই ধরণের একটা প্ল্যান কইরা রাখছিলো।”

    “মাস্টারমাইন্ড হিসাবে তখনও সে তার থিওরি নিয়ে কাজ করতেছিলো ধইরা নিলাম, তাতে করে শামসের বোন তো আর অনুশীলন সমিতির সদস্য হইয়া যায় না।”

    “হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। ফরহাদ গাঙ্গুলীর হাত ধইরা কমিউনিস্ট পার্টিতে চার বছর আগে কে আইছিলো অনুমান কইরা দ্যাখ।”

    “চার বছর আগে ওই মাইয়ার উদোম গায়ে ঘুইরা বেড়ানির বয়স ছিল। সে কেমনে কমিউনিস্ট পার্টিতে ঢোকে?”

    হাত নেড়ে মাছি তাড়ানোর ভঙ্গি করলো রেদোয়ান, “সে ঢুকতে যাইবো ক্যান? চার বছর আগে পার্টিতে ঢুকছিলো শামস হারামজাদা। তার বোনকে সে পার্টিতে জুটাইছিলো এর দুই বছর পর। বুঝতেছিস এখন বিষয়টা? ফরহাদ গাঙ্গুলীর গ্রুপটা ওদের অনেকদিন ধইরাই চেনে। অনুশীলন সমিতিতে মাইয়াটা জায়গা করে নিলে সেইটা অবাক করার মতো কোনো ঘটনা হইতেছে না।”

    কিছুক্ষণ ভাবলো তোফায়েল, “এইসব তথ্য তুমি পাইতেছো কোথায়?”

    “সময় তো লাগছেই, একদিনে তো আর ম্যানেজ করতে পারে নাই। দেড় মাস হইয়া গেলো। ভিতরের এক লোকরে ম্যানেজ করছে আনিস।”

    “সে এখনও পার্টিতে আছে?”

    মাথা নাড়লো রেদোয়ান, “না। ফরহাদ গাঙ্গুলী আন্ডারগ্রাউন্ডে যাওয়ার আগে একদম সলিড পোলাপান বাদে আর সবাইরে দল থেইকা বাইর কইরা দিছে। সেইখানে আমাদের সোর্সও কাটা পড়ছিলো। কিন্তু সে এইটা নিশ্চিত করছে মাইয়াটা গার্লস স্কাউট করার সময় থেকে তার ভাইয়ের মাধ্যমে কমিউনিস্ট পার্টির সাথে ইনভলভড। কলেজ লাইফে সে তলে তলে অ্যাকটিভ ছিল বলেই ধইরা নেওয়া যায়। এই মাইয়া সলিড জিনিস, এরে আমরা আন্ডারএস্টিমেট করছি।”

    ফ্রিজ থেকে একটা বিয়ারের ক্যান বের করলো তোফায়েল। হিসেব এখন আর মিলছে না। চিন্তিত মুখে ক্যানটা খুলে কয়েকবার চুমুক দিয়ে বন্ধুর দিকে ওটা বাড়িয়ে দিলো সে, একই সাথে কেড়ে নিলো তার সিগারেট। শামসের মতো ধ্বজভঙ্গ ছেলের বোন কি করে অনুশীলন সমিতিতে যায়? তোফায়েল অবশ্য জানে মেয়ে বলে কোনো বিপ্লবীকে ছোটো করে দেখার অবকাশ নেই। প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারকে সবাই চেনে। বরং মেয়েরা এ লাইনে ঢুকে গেলে তাদের মতো বিপজ্জনক আর কেউ হতে পারে না। ভয়ঙ্কর দিকটা ঠিক তখনই তার নজরে এলো।

    “কাজটা যদি ওই মাইয়াই কইরা থাকে, তাইলে সে তার ভাইরে যারা মারছে তাদের সবাইরে মাইরা ফেলতেছে।” চেষ্টা করেও আতঙ্কের ছাপটা কণ্ঠ থেকে লুকাতে পারলো না তোফায়েল, “ফাহাদ হিল্লোল ভাইয়ের মতো একটা মানুষরে যে টার্গেট করতে পারে তার চেয়ে ডেঞ্জারাস আর কিছু নাই। এরপর কি হইতে যাইতেছে তা কি তুই টের পাইতেছিস?”

    মাথা দোলালো রেদোয়ান, “আমাদের সে চেনে।”

    “এবার সে আসবে আমাদের দিকে। এতোদিনেও আসে নাই কেন কে জানে! এইখানে কোনো নেগোশিয়েশন বা বার্গেইনিং চলবো না। মাইয়াটা যদি আমাদের খোঁজা শুরু করে, তার মানে সে আমাদের গুলি করার জন্যই খুঁজতেছে।”

    রেদোয়ান এতোটা হতাশ হলো না অবশ্য, “ক্যাম্পাসে আমাদের কিছু করতে সাহস করবে না মাগি। কিন্তু তার জন্য অপেক্ষা করলে আমাদের চলবে না। আমি কালকে ঢাকা যামু। মাইয়ার একটা ব্যবস্থা না করে ফিরতেছি না। তার বাসার ঠিকানা আমার কাছে আছে। আনিস ভালোই কাজ দেখাইছে।”

    “আমিও যাচ্ছি তোর সাথে। মাইয়া ডেঞ্জারাস।” সিগারেটটা জানালা দিয়ে বাইরে ফেলে দিয়ে বলল তোফায়েল।

    “না। তুই থাকতেছিস। সম্মেলন কাছে চলে আসতেছে। আমাদের দুইজন ঢাকায় চলে গেলে হইবো না। তুই এদিকটা সামলা, আমি ঐ মাগিকে সামলাইতেছি।”

    দশ মিনিট পর ঝড়ের বেগে ঘর ছাড়লো রেদোয়ান। আরও কিছুক্ষণ স্থবিরের মতো বসে বসে সম্ভাবনাগুলো যাচাই করে দেখলো তোফায়েল। একটা ঝামেলায় জড়িয়ে যাচ্ছে ওরা, এমনটাই মনে হচ্ছে তার। দীর্ঘসময় রাজনীতির মাঠে নির্ভীক পথচলার পর এমন একটা দুশ্চিন্তায় মাখা দিন আসবে তা সে আশা করেনি। যাদের ছত্রছায়ায় ওরা নিরাপদে ছিল, তাদেরই আজ নিরাপত্তা নেই। ওদের ধারণা যদি ভুল না হয়, তাহলে অবশ্য বিপদের কিছু নেই আর। রেদোয়ান ঠিক ঠিক ওই শিয়া মেয়েটাকে ধরে ফেলবে। তার পরিণতি হতে যাচ্ছে ওই বেয়াড়া ভাইটির মতোই। ভাবনাটা সাময়িকভাবে শান্ত করে আনলো তোফায়েলের স্নায়ুগুলো।

    ঘর ছাড়লো সে-ও। হলের বাঁধা কর্মচারি জলীল ভাইকে বিচ্ছিরি কয়েকটা গালি দিয়ে রুম পরিস্কার করতে পাঠিয়ে মেয়েদের হলের দিকে বাইক ছোটালো। ইলোরার সাথে গত দুইদিন ধরে দেখা হয়নি। মেয়েটাকে একবার দেখতে খুব ইচ্ছে করছে তার।

    *

    ল্যাপটপের ডালা বন্ধ করে সোজা হয়ে চেয়ারে বসলো মুহিব। দু-হাত ওপরে তুলে আড়মোড়া ভাঙলো। অনেকক্ষণ একটানা পড়ার পর এক অদ্ভুত অবসাদ আঁকড়ে ধরে চারপাশ থেকে। কেল্টদের এমন হয় না, নিয়মিত একটানা পড়াশোনা করার অভ্যাস তাদের আছে। এই অবসাদ কেবল সারা বছর ফাঁকিবাজি করা মুহিবের মতো ছাত্রদের জন্য। সিগারেটের প্যাকেটগুলো খুঁজে দেখলো সে, একটা ফিল্টারও পড়ে নেই কোনোটার ভেতর। টানা ছয় ঘণ্টা অঙ্ক কষার মধ্যেই সবগুলো সিগারেট শেষ হয়ে গেছে। ধীরে ধীরে চেয়ার ছেড়ে দাঁড়ালো মুহিব। অনেকদিন পর কোনো কারণ ছাড়াই এগিয়ে গেলো শামীমের রুমের দিকে। একবার নক করতেই দরজা খুলে গেলো।

    “নিচে চল। চা খেয়ে আসি।” আগের দিনগুলোর মতোই বলল মুহিব।

    শামীম তার সাথে শীতল ব্যবহার শুরু করার পর থেকে এরকম প্রস্তাব সে বেশ কয়েকবার নিয়ে এসেছে। তবে প্রতিবারই তাকে প্রত্যাখ্যান করে দিয়েছে শামীম। এর কারণ অবশ্য এটা নয় যে তার চায়ে অরুচি ধরেছে রাতারাতি। বরং মুহিবের সঙ্গে সে কোথাও যেতে চায় না। বন্ধুর এই বিদ্রোহের পেছনের কারণটা মুহিব বোঝে। তবে কোনোভাবেই সে ভিডিও ক্লিপগুলো শিয়াকে পাঠিয়ে দিচ্ছে না। মেয়েটা সব কিছু জানতে চায়। জেনে ফেললেই সে নতুন কোনো পাগলামি শুরু করবে। বন্দুক হাতে নিয়ে মফস্বলের রাস্তায় রাস্তায় সে তোফায়েল আর রেদোয়ানকে তাড়া করে ফিরছে এমন একটা দৃশ্য মানসপটে ভেসে উঠলো মুহিবের। সঙ্গে সঙ্গে মাথা ঝেড়ে চিন্তাটা দূর করে দিলো সে। প্রশ্নই আসে না এর মধ্যে শিয়াকে জড়ানোর। মেয়েটা রাডারের নিচে আছে, নিরাপদ। তাকে কেউ খুঁজছে না এখনও। কিন্তু এসব নিয়ে আর খানিক ঘাটাঘাটি করলে থলের বেড়াল বেরিয়ে পড়তে পারে। মেয়েটির নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য কেউ এগিয়ে আসবে না তখন। মুহিব ভেতর থেকে জানে, ওর ওই গুরুরা, কমিউনিস্ট পার্টিও তখন নাকটা ডুবিয়ে নিজেদের রক্ষা করবে। মেয়েটা এখনও দুনিয়া বোঝেনি।

    আজ অবশ্য আপত্তি করলো না শামীম। চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়ালো সে, “চল।”

    “পড়ার কি খবর?”

    কাঁধ ঝাঁকিয়ে পকেট থেকে একটা প্যাকেট বের করলো শামীম। একটাই মাত্র সিগারেট আছে ওতে। ফস করে লাইটার জ্বালিয়ে আগুন ধরালো ওতে, “চলতেছে। তুই তো দেখলাম একটা ‘রাম’পড়া দিলি। সকাল থেকে কোপাচ্ছিস।”

    “ম্যাথ করলাম কিছুটা। অনেক শোদোন আছে এবার কপালে। আক্কাস স্যারের সেট করতে করতেই রাত হয়ে যাবে।”

    পরীক্ষা ইত্যাদি নিয়ে কথা বলতে বলতে নিচে নেমে এলো দুই বন্ধু। আজিজ মামার চায়ের দোকানটা শামীমদের ভাড়া করা ফ্ল্যাট থেকেও কাছে। তবে ভিন্ন এক রাস্তা ধরে আসতে হচ্ছে এখন, মুহিবের আগের মেস থেকে এলে সরাসরি মেইন রোড ধরেই এখানে পৌছানো যেতো। দোকানটায় পৌছে মন খারাপ হয়ে গেলো মুহিবের, এখানেই লিটুর সাথে শেষবারের মতো বসা হয়েছিলো ওদের। শামীমের মাথাতেও একই ভাবনা। যেন কথার কথা এভাবে বলল, “সেদিন লিটু হারামজাদাকে দেখে আমরা কি অসন্তুষ্ট হয়েছিলাম মনে আছে? তোফায়েলরে নিয়া কথা বলতেছিলাম। এর মধ্যে ওরে আমরা কেউ আশা করি নাই। জানতাম তো না, ওটাই ওরে সুস্থ অবস্থায় শেষ দেখা হইতে যাইতেছে।”

    শামীমকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করলো না মুহিব। ওরা দু’জনই জানে লিটুর প্রসঙ্গে ভালো ভালো কোনো কথা বলার অবকাশ নেই। ছেলেটার মস্তিষ্ক অনেকখানিই ধ্বংস হয়ে গেছে। এ যাত্রা প্রাণে বেঁচে যাওয়ার প্রসঙ্গে ডাক্তাররা তাকে নিয়ে আশাবাদী। কিন্তু বেঁচে থাকলেও এতোদিনের অর্জিত সব স্মৃতি, জ্ঞান সবই হারিয়ে ফেলার কথা তার। সম্ভাবনা আছে সে কথা বলতে ভুলে যাবে, সংখ্যা দেখলে চিনবে না। এরপর সান্ত্বনা থাকে কেবল ওই বেঁচে ফেরাটাই। শারীরিক অবস্থার উন্নতি ঘটেছে নাকি গত কয়েকদিনে। এই ভালো খবরগুলোও ওদের মনে আনন্দ জাগাতে পারে না। ভেজিটেবল লিটু ভালো না মৃত লিটু ভালো তা একবার ভেবে নিজেকে শাসন করলো মুহিব। ভেজিটেবল হোক, তাও বেঁচে ফিরে আসুক বন্ধু। তার ব্রেনসেল রিকভারের জন্য আলাদা চিকিৎসা দুনিয়ার কোথাও না কোথাও কি থাকবে না?

    “কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারলি?” নীরবতা ভাঙতেই হয়তো প্ৰসঙ্গ পাল্টে ফেললো শামীম।

    “ঐ ব্যাপারে?” আজিজ মামার বাড়িয়ে দেওয়া চায়ের কাপটা নিতে নিতে পাল্টা প্রশ্ন করলো মুহিব।”সিদ্ধান্ত আমি নিয়ে ফেলেছি। শিয়াকে জড়াচ্ছি না এর মধ্যে।”

    মুহিবের শীতল উত্তরে আরও ভোঁতা হয়ে গেলো শামীমের মুখ।

    “তোর কথাও ভেবে রেখেছি আমি।” বলে চললো মুহিব, “তুই এই রেসপন্সিবিলিটি আর নিতে চাইছিস না। এটা আমাকে সরাসরি বললেই পারতি, শামসভাইয়ের কেসটা শেষ পর্যন্ত দেখার চাকরি তো তুই করিস না। এমনকি উইটনেসও না তুই, তোর এখানে কোনো দায়বদ্ধতা নাই। কিন্তু আমার আছে। আর আমার দায়বদ্ধতার জন্যই সিদ্ধান্তগুলো আমি-ই নেবো।”

    “কি করতে চাইছিস তাহলে?”

    “সেটা তোকে বলবো না। এখন থেকে তুই-ও মুক্ত এই কেসটা থেকে ভালো মতো পড়াশোনা কর। পরীক্ষা দে। ঠিকমতো ভার্সিটি লাইফটা শেষ কর। তোকে আমি জড়াচ্ছি না আর।

    লজ্জিত দেখালো শামীমকে, “আমি তেমনটা কখনও মিন করি নাই। আমার এই চুপচাপ বসে থাকা ভালো লাগতেছে না, তার মানে এই না যে ঘটনাটার সাথে আর জড়াতে চাইছি না।”

    মাথা নাড়লো মুহিব, “সেটা বড় কোনো ব্যাপার না। তুই ধৈর্যের শেষ প্রান্তে চলে এসেছিস। এখন আর ইনভলভ থাকিস না। অধৈর্য হয়ে একটা ভুল করবি, ভুগবো সবাই। আপাতত সাইডে সরে যা। আমি দেখছি এই ব্যাপারটা।”

    শামীম আরও কিছুক্ষণ গাঁই-গুঁই করলো। কিন্তু মুহিব তার সিদ্ধান্তে অটল। সে শামীমকে আর জড়াতে দেবে না। এভিডেন্স মেমরি কার্ডটাও নিজের কাছে রেখে দিয়েছে সে, কাজেই বাড়তি ক্ষমতার প্রয়োগ করতে কুণ্ঠাবোধ করলো না সে।

    চায়ের বিল দিয়ে, রাতের জন্য পর্যাপ্ত সিগারেট কিনে ওরা যখন নিজেদের রুমে ফিরে এলো, সন্ধ্যা নেমে গেছে। ওদের ফ্ল্যাটের সামনে অপেক্ষা করছিলো ইলোরা। দু’জনের কাউকেই কোনো প্রশ্ন করার সুযোগ না দিয়ে শুধু বলল, “মুহিবের সাথে কথা আছে আমার।”

    চাবি বের করা দরজা খোলার সময় মুহিব কেবল ভাবতে পারলো, রাতের জন্য যথেষ্ট সিগারেট মনে হয় কেনা হয়নি আজ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article আর্সেন লুপাঁ ভার্সেস হার্লক শোমস
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }