Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    যে হীরকখণ্ডে ঘুমিয়ে কুকুরদল – কিশোর পাশা ইমন

    কিশোর পাশা ইমন এক পাতা গল্প607 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কুকুরদল – ৫৫

    অধ্যায় ৫৫

    চোখ মেলতেই প্রথম যে অনুভূতিটা শিয়ার হলো, ভারি কিছু দিয়ে চেপে রাখা হয়েছে তার মাথা। দপ দপ করে লাফাচ্ছে একটা শিরা। বরাবর ওপরে একটা এনার্জি বাল্ব জ্বলছে, ওটার আলোর তীব্রতা যন্ত্রণাটা আরও বাড়িয়ে দিলো। গলাও শুকিয়ে খস খস করছে। ভেতরে কেমন যেন ঠাণ্ডা একটা অনুভূতি হলো ওর, সেই সাথে গলার কাছে এসে থামলো উদগত বমির ভাবটা। ঠিক তখনই লক্ষণগুলোকে ধরতে পারলো ও। বিবমিষার দুর্বলতাটা সে একটা ক্ষেত্রেই কাটিয়ে উঠতে পারেনি।

    কেউ একজন তাকে অ্যানাসথেসিয়া দিয়েছে।

    যন্ত্রণার নানাদিক আছে এখানে, ঘাড়ের কাছে অনেকগুলো শিরা টনটন করছে। প্রপোফল ছিল নাকি ড্রাগসে? হতে পারে। শিরদাঁড়া বেয়ে ঠাণ্ডার সঙ্গে আতঙ্কের একটা প্রবাহ টের পেলো এবার। ঠিক তাই। নয়তো এখানে এলো কিভাবে তা মনে করতে পারছে না কেন? প্রপোফলের সঙ্গে সাময়িক স্মৃতি হারানোর ব্যাপারটা আসে। ডাক্তারের চেম্বারে এটা খুব একটা বড় ব্যাপার না। অপারেশন থিয়েটারে রোগি কিভাবে এলো অথবা বাড়ি থেকে কেমন করে হাসপাতালে পৌছালো তা তাদের মনে না করলেও চলে। কিন্তু এই মুহূর্তে শিয়ার জানা প্রয়োজন সে বাসা বা ভার্সিটিতে না থেকে এখানে কি করছে।

    এই মুহূর্তে সে আছেটা কোথায়?

    চারপাশে তাকানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হলো। গলার কাছে আটকে রেখেছে বেল্ট-জাতীয় কিছু দিয়ে। মাথা নড়ানোর বিশেষ উপায় নেই। খুব বেশি কিছু দেখা যাচ্ছে না এখান থেকে। সাদা একটা ছাত, তার থেকেও বেশি সাদা এনার্জি বাল্বটা চোখের ওপর অত্যাচার করছে। একটা সিলিং ফ্যানও দেখা যাচ্ছে ওপরে।

    সর্বশেষ স্মৃতি কোনটা তা মনে করার চেষ্টা করলো শিয়া। মায়ের মাথা ঠিক হয়ে গেছে। হ্যাঁ, ওটাই তো। বাবা বেশ উদ্বেলিত হয়েছিলো এটা নিয়ে। কতোগুলো মাস পর স্বাভাবিক আচরণে ফিরে এসেছে মা। শামসভাইয়ের মৃত্যুর পর শামসভাই!

    লাফ দিয়ে উঠে বসতে চাইলো শিয়া, পারলো না। দু-হাতের কব্জি, গলা আর দুই পা বেল্ট দিয়ে খাটের সঙ্গে আটকে রেখেছে ওরা। কোমরের নিচে একটা কিছু দিয়ে ধনুকের মতো বাঁকা একটা অবস্থানে নিয়ে এসেছে তাকে। এতোক্ষণে আরও একটা বিষয় খেয়াল করলো সে।

    এই অবস্থানে তাকে বেঁধে রাখা হয়েছে সম্পূর্ণ নগ্ন অবস্থায়!

    নিজের শরীর দেখার চেষ্টা করলো শিয়া, গলার বেল্টটার কারণে মাথা ঘোরানো যাচ্ছে না। তবে শরীরের সঙ্গে কোনো পোষাকের স্পর্শ অনুভব করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হলো বার বার। চেতনানাশকের সাইড ইফেক্ট হিসেবে শিরদাঁড়ার ঠাণ্ডা অনুভূতিটা আছে, তার সঙ্গে এসেছিলো ভয়। এবার তাদের পাশাপাশি দাঁড়িয়ে গেলো অস্বস্তি। অচেনা অপরিচিত মানুষদের মধ্যে বন্দি অবস্থায় নগ্ন শুয়ে থাকার মধ্যে স্বস্তিদায়ক কিছু নেই।

    এটা কি তার ট্রেনিংয়ের কোনো একটা অংশ হতে পারে? কে জানে! ছয় মাস পর পর অ্যাসেটদের আচমকা আক্রমণ করা হয় সমিতির পক্ষ থেকে। সেটার জন্য হলেও সব সময় একজন সদস্যকে প্রস্তুত থাকতে হয়। শিয়া কিভাবে স্নায়ু ঢিল দিয়েছিলো?

    এই বন্দিদশা অনুশীলন সমিতির পক্ষ থেকে হলে সবচেয়ে ভালো হয় তার জন্য। তবে সবচেয়ে খারাপ হতে পারে কোন ক্ষেত্রে? শিয়া ভাবার চেষ্টা করলো তার ক্ষতি করার চেষ্টা করতে পারে কারা। প্রথমেই আসবে ওই সংসদ সদস্যের নাম। যাকে তার নিজের বেডরুম সংলগ্ন বাথরুমের ভেতরে গুলি করে হত্যা করেছিলো সে। কাজটা একেবারে নিখুঁত হয়েছিলো। কারও পক্ষেই সেই কাজের সাথে শিয়ার সম্পর্ক বের করে আনা সম্ভব না। আধখাপচা কাজ হয়েছিলো ফাহাদ হিল্লোলের বেলায়। ওটা একেবারেই পরিচ্ছন্ন ছিল না। একেবারেই না।

    সম্ভাবনা যাচাই করতে করতেই পাঁচটা বেল্টের মধ্যে সবচেয়ে দুর্বলটা খুঁজে বের করতে পারলো সে। বাম হাতের বেল্টের নিচে দুটো রিভেট, এদের একটা নড়বড়ে। লম্বা আঙুলগুলো দিয়ে রিভেটটা স্পর্শ করার চেষ্টা করলো, সুবিধা করতে পারলো না। একবার জোরে টান দিয়ে ধরতেই শব্দ করে নড়ে উঠলো রিভেটটা। একটা স্ট্রাকচারে যতো দুর্বলতা ততো বেশি ‘ক্যাঁচকোঁচ’। আরেকবার টান দিতে বেশ জোরে শব্দ হলো। বাম দিকে একটা দরজা খুলে যাওয়ার শব্দ হলো সেই সঙ্গে।

    ঘরের ভেতর এই মাত্র যে প্রবেশ করলো সে একজন পুরুষ। শরীরের ওপর আছড়ে পড়া লোলুপ দৃষ্টি ষষ্ঠ ইন্দ্ৰীয়ে ধরতে পারছে শিয়া। ধীরে ধীরে বন্দি-বিছানার কাছে এগিয়ে আসছে মানুষটা। এনার্জি বাল্বের ঠিক পাশে এসে থামলো একটা মুখ। ঠাণ্ডা আর ঘামে ভেজা পিচ্ছিল একটা হাত আচমকাই চেপে বসলো ওর স্তনে। স্তনবৃত্ত ওপরের দিকে এতো জোরে টেনে ধরলো লোকটা, তীব্র ব্যথায় কুঁকড়ে উঠতে চাইলো শিয়ার শরীর।

    অথচ এক চুলও নড়লো না সে, মুখে এসে পড়েনি যন্ত্রণার কোনো ছাপ। এখনও একদৃষ্টে লকলকে লোভ জমে থাকা পুরুষটির মুখের দিকে তাকিয়ে আছে সে। এই মানুষটাকে ও খুব ভালো মতোই চেনে।

    স্টেট ইউনিভার্সিটিতে গিয়ে এদের সে অনুসরণ করেছিলো।

    মানুষটার নাম রেদোয়ান।

    তার ভাইয়ের গলায় এই মানুষটাই ছুরি চালিয়েছিলো।

    *

    পরীক্ষার হল থেকে বের হওয়ার পর কিছু অলিখিত নিয়ম মেনে চলতে হয়। তাদের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণটি হলো আজিজ মামার টঙে উপস্থিত থাকা পরীক্ষায় ডাহা ফেল মারলো কি ছক্কা, তা কোনো বড় ব্যাপার না। সেমিস্টার ফাইনাল মানেই তিন ঘণ্টার ব্রেইন স্টর্মিং আজাব, আর তা থেকে পরিত্রাণের পর সবাই অতীত ভুলে যেতে চায়। মুহিব-শামীম প্রথম এবং অলঙ্ঘনীয় নিয়মটা মেনে আজিজ মামার টঙে চলে এসেছে। এই দোকানটা অবশ্য ওদের প্রাইভেট আড্ডাখানায় পরিণত হয়েছে। ক্যাম্পাসের মেইনগেট থেকে বেশ খানিকটা দূরে হওয়ায় এখানে ছাত্রদের ভিড় সব সময়ই কম। আশেপাশের মেসে যারা থাকে তাদের সবাই পরীক্ষার ধকল সামলে ক্যাম্পাসের ভেতরের কোনো চায়ের আড্ডায় বসে পড়েছে। এদের মধ্যে অনুপস্থিত থাকবে কেবল কেল্টু সম্প্রদায়। তারা পরের পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিতে এখনই ঘরদোর বন্ধ করে পড়তে বসে গেছে নির্ঘাত।

    নতুন কেনা বেনসনটায় আগুন ধরিয়ে ভক ভক করে ধোঁয়া ছাড়লো শামীম, “একটা বোঝা কমলো।”

    “হুঁ।” অন্যমনস্ক হয়ে বলল মুহিব। গতকাল রাত থেকে তার মাথায় পরীক্ষা ছাড়া আর কিছু ছিল না। তবে এখন বিপদটা কেটে যেতেই আবারও অন্যান্য সব দুশ্চিন্তা ঝাঁপির মতো ঢেকে ফেলেছে ওকে।

    “হুঁ হা করিস না। আজকের দিনটা চিল কর। মাথার ওপর দিয়ে তো আর কম যায় নাই।” আজিজ মামার দেরাজ খুলে আরেকটা বেনসন নিজ হাতে বের করে নিলো সে। পুরাতন কাস্টোমারদের সঙ্গে এই সৌজন্যতার সম্পর্ক আজিজ মামা রাখেন। মুহিবের দিকে বাড়িয়ে ধরলো সে ওটা, “নে, সিগারেট খা।”

    সিগারেটটা নিয়ে ধরালো মুহিব। পরীক্ষা ভালো দিয়ে শামীমের মন খুব ভালো হয়ে আছে। তার সঙ্গে গুরুগম্ভির আলোচনা করে এখন মুড নষ্ট করিয়ে দেওয়ার মানে হয় না। এসব কথা ওকে রাতেও বলা যাবে। শামীম অবশ্য বন্ধুর দুশ্চিন্তার আসল কারণটা ধরতে পেরেছে বলে মনে হচ্ছে না। তার মাথায় এখনও সদ্য ঘটে যাওয়া ঘটনা, সেমিস্টার ফাইনাল নিয়েই নানা রকম গুনগুন করছে সে। মুহিবের ইচ্ছে করলো কেল্টটাকে ধাক্কা দিয়ে বেঞ্চ থেকে ফেলে দিতে।

    “এরপরের পরীক্ষায় পাশ করতে যেয়ে জান বের হয়ে যাবে।” শামীম বলে যাচ্ছে, “দুই ফাঁকিবাজ কোর্স নিলো সবচেয়ে কঠিন কোর্সে। আমার মনে হয় তারাও এটা ভালো পারে না। নাহলে একজন মাত্র ছয়টা আর আরেকজন আটটা ক্লাস নিলো কি করে ছয় মাসে? পালিয়ে থাকার কারণ তো দেখি না।”

    মুহিবের পক্ষে চুপ করে থাকাটা প্রায় অসম্ভব বলে মনে হচ্ছে। অবস্থা অনেকটা এরকম, সে ভাবছে রকেট সায়েন্স নিয়ে আর পাশে বসে থাকা বন্ধুর আলোচনা কম্পিউটার গেমস নিয়ে। সিগারেটের ওপর ঝাল ঝেড়ে শান্ত হতে হলো ওকে। ফিল্টারটা একেবারে চুপসে গেলো এবার।

    “আগামিকাল আমাদের সব চোথাপাতি যোগাড় করে ফেলতে হবে। এবার আমরা পাঁচদিন টানা পড়া দেবো। তারপর দেখি পরীক্ষা কি করে খারাপ হয়!”

    এমন প্রতিজ্ঞা প্রায় সবাই করে থাকে প্রথমদিনে। তারপর দিন গড়াতে থাকলেও প্রতিজ্ঞার প্রতি সুবিচারের লক্ষণ কেউ দেখায় না। শেষে সেই পরীক্ষার আগের দুই রাত পড়ে টেনেটুনে সিলেবাস শেষ করে পরীক্ষার হলে বসা। মুহিবের চিন্তা অবশ্য এতো গভিরে গেলো না। সরাসরি বন্ধুর দিকে তাকালো সে, চোখে বিরক্তি।

    এতোক্ষণে বুঝলো শামীম, তবে বুঝলো ভুলটা। পরীক্ষা দিয়ে বের হওয়ার পর দ্বিতীয় অলঙ্ঘনীয় নিয়ম–পরীক্ষা নিয়ে কথা বলা যাবে না। ফাইট ক্লাবের সেই বিখ্যাত শর্তটা কি করে এসেছিলো তা এখন ওরা জানে।

    “সরি, পরীক্ষা নিয়ে আর একটা শব্দও আমার মুখ থেকে—” কৈফিয়তের ভঙ্গিতে বলা শুরু করেছিলো শামীম, তাকে মাত্র পাঁচটা শব্দ উচ্চারণ করেই থামিয়ে দিলো মুহিব

    “আমি তোফায়েলকে গুলি করতে চাচ্ছি।”

    শামীমের চেহারাটা হয়েছে দেখার মতো। কাতল মাছের মতো হা হয়ে গেছে সে। চোখগুলো যতোটা বড় হয়েছে, কোনোমাত্রার কঠিন সেমিস্টার ফাইনালের প্রশ্ন দেখেই এমনটা হওয়ার কথা নয়।

    “কি বললি তুই?” দ্রুত গলা নামিয়ে ফেললো শামীম।

    “এখানে বসে তসবিহ টিপে একশ বার বলে জিকির করা যায় এমন কিছু বলি নাই। চোরের মতো ফিসুরফাসুর বন্ধ কর।” সিগারেটে আরও জোরে টান দিলো মুহিব, “অনেক আগেই এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছি আমি। এটাই একমাত্র সমাধান। কিন্তু সাহস পাচ্ছি না।”

    “অবশ্যই পাওয়া উচিত না সাহস।” উৎসাহের কমতি নেই এখন শামীমের গলায়, “এসব কি ভাবা শুরু করেছিস? আমাদের দিয়ে এসব হয়? করেছি কখনও আমরা এসব কাজ?”

    মুচকি হাসলো মুহিব, “আগেই বলেছিলাম তোকে এখানে জড়াচ্ছি না আমি। ‘আমরা’র প্রসঙ্গই আসে না। কাজটা করবো আমি। কবে আর কিভাবে কিছুই জানতে পারবি না তুই। অর্থাৎ বাই অ্যানি চান্স যদি ধরা পড়ে যাই আমার অ্যাকমপ্লিস হিসেবে তোকে কেউ আটকাতে পারবে না। কাজটা করবো আমি, একা আমি। শুধু সাহস হচ্ছে না।

    “তুই এটা করতে পারবি না।” মাথা নাড়লো শামীম।”তোর মধ্যে এসব নেই।”

    রেখে-ঢেকে গুড়গুড় করে বলতে হচ্ছে ওদের কথা। মুহিবের ওপর খাপ্পা হয়ে গেলো শামীম হঠাৎ করেই। এমন একটা কাজ করার সিদ্ধান্ত তার বন্ধুটি নিতে পারলো কি করে? নিজেকেও খানিকটা দুষলো না এমন নয়। বন্ধুর সঙ্গে এই মামলার একটা নিষ্পত্তি আনার জন্য বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরেই কি সে চাপ দিয়ে যাচ্ছে না? তারপরও এ কেমন সমাধান বের করেছে মুহিব? ঠাণ্ডা মাথায় সে সিদ্ধান্ত নিয়েছে একজন মানুষকে মেরে ফেলার! তবে তার সঙ্গে তোফায়েলের পার্থক্য কি রইলো?

    “আমার দিকে এভাবে তাকানোর দরকার নেই।” সিগারেটের অবশিষ্টাংশটা মাটিতে ফেলে তাকে পিষে ফেললো মুহিব, “এটা আমি সখের বশে করতে চাইছি না। দোষটা তার, লোকটা আর কোনো রাস্তাই খোলা রাখেনি। আমি এখনও হয়তো নিষ্পত্তির রাস্তা খুঁজতাম, কিন্তু ইলোরার দিকটাও আমাদের ভাবতে হবে।”

    শামীম তবুও বাঁকা করে তাকালো তার দিকে।

    “কি হলো? কিছু বলার থাকলে বলে ফ্যাল। আমার সিদ্ধান্ত তাতে করে পাল্টাবে না। তোকে জানানোটা উচিত মনে হলো তাই জানালাম। নাহলে জানতিও না।”

    “নতুন নতুন প্রেম শুরু করলে সব কিছু জটিলভাবে চিন্তা করে ছেলেরা। তোকেও এমনটা দেখতে হবে ভাবিনি।” দৃষ্টির ব্যাখ্যা দিলো শামীম।

    হাহা করে হাসলো মুহিব, “ভালো বলেছিস। আজিজ মামা, আরও দুটো বেনসন দেন। আর দুটো দুধ চা।”

    চমকের ধাক্কা কেটে গেছে শামীমের। রসিকতা রেখে কাজের কথা শুরু করলো ওরা। বন্ধু একটা সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে, আর মুহিবকে সে চেনে। একবার একটা কিছু করতে চাইলে সেটা না করে পিছিয়ে আসার মতো মানুষ মুহিব নয়। কাজটা করবে বলেছে মানে সে এটা করবেই। শামীম তাকে বারণ করতে গেলে আরও খারাপ হতে পারে পরিস্থিতি। অন্য দিক থেকে আলোচনাটা এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করতে শামীম অবশ্য কোনো কমতি রাখলো না।

    “সাহস পাচ্ছিস না বললি যে, ব্যাপারটা আমার সাথে আলোচনা করতে পারিস।”

    আজিজ মামা চায়ের কাপ দিয়ে গেলে উত্তরটা দিলো মুহিব, “আগে আর পরের ব্যাপারে আমার কোনো ভয় নেই। আমি জানি দুটোই সামলে নিতে পারবো। মানে, কাজটার আগে এবং কাজটা শেষ হওয়ার পর

    মুহিব বিভ্রান্ত হয়ে গেলে এমন ভাঙা ভাঙা বাক্যে কথা বলে, এটা শামীম জানে। তার বক্তব্য বুঝে নিতে অবশ্য সমস্যা হলো না এতে করে।”তুই ভাবছিস যখন সময় হবে, মানে ঠিক তোর সামনে দাঁড়িয়ে থাকবে হারামজাদা, তখন তুই কাজটা করতে পারবি কি না?”

    “ঠিক তাই। এটা খুব বিভ্রান্তির। শেষ মুহূর্তের আগ পর্যন্ত জানা সম্ভব না কিন্তু…তখন যদি আমি টের পাই আমার মধ্যে জিনিসটা আসলেই নেই, তাহলে কি হবে বুঝতে পারছিস? তোফায়েল কিন্তু আমাকে ছেড়ে দেবে না। ওটা হয়ে যাবে একটা ডু অর ডাই সিচুয়েশন। তাছাড়া এখন পর্যন্ত ওরা কেউ জানে না আমরা কতোদূর পর্যন্ত এগিয়ে এসেছি। এটা ওদের জন্য সারপ্রাইজিং এলিমেন্ট পুরোটাই। কিন্তু ওর দিকে যখন আমি তাক করবো, মানে ওটা।”

    অর্ধবাক্যেই বুঝে নিলো শামীম।

    “তখনই শেষ হবে এলিমেন্ট অব সারপ্রাইজ। আমরা কতোখানি জানি তা জেনে যাবে তোফায়েলও। আর আমি যদি কাজটা শেষ করতে না পারি, তাহলে আমাদের সবারই খবর আছে। আমি তো ইতিহাস হয়েই যাবো, তুই, ইলোরা কিংবা শিয়াও বাঁচবে না।”

    চায়ের কাপটা সামনের টেবিলে নামিয়ে রেখে বন্ধুর দিকে সরাসরি তাকালো শামীম, “কাজটা না করলে হয় না, দোস্ত?”

    মাথা নাড়লো মুহিব, “আমাকে একটা সমাধান দেখা। এটা ছাড়া এমন একটা রাস্তা দেখিয়ে দে যেটা ধরে আমি এগিয়ে গেলে ইলোরা রেপড হবে না, আমি জাকিদের মাস্টারপ্ল্যান থেকে রক্ষা পাবো, তোফায়েল বা রেদোয়ান আর আমাদের জন্য হুমকি হয়ে থাকবে না, শিয়া একটা নিরাপদ জীবন পাবে আর শামসভাইয়ের জন্য জাস্টিস আনা যাবে। দেখিয়ে দে সেই পথ? আমি ওটাই অনুসরণ করবো।”

    এরকম কোনো পথ শামীমের জানা ছিল না। একেবারেই চুপ হয়ে গেলো সে। ধীরে ধীরে উপলব্ধি করতে পারছে মুহিবের হাতে আসলেই আর কোনো পথ খোলা নেই। একটা পথ অবশ্যই আছে, তা হলো পৃথিবীটাকে জাহান্নামে যেতে দেওয়া। চোখ কান বন্ধ করে মেসের গর্তে লুকিয়ে থাকা, যেন কিছুই ঘটেনি। শামসভাইয়ের মার্ডারের ব্যাপারে ওরা কেউ কিছু জানে না। যেন মুহিবকে তোফায়েল তাজউদ্দীন বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে গিয়ে ছুরি মারেনি, যেন ইলোরাকে সে যৌন নির্যাতন করেনি কিংবা শিয়ার সঙ্গে ওরা যথেষ্ট জড়িয়ে যায়নি।

    এমন নির্বিকারত্ব দেখানো মুহিবের পক্ষে তো বটেই, এমনকী শামীমের জন্যও অসম্ভব।

    পকেটে একটা ভাইব্রেশন টের পেয়ে চিন্তা সমুদ্র থেকে উঠে এলো শামীম। ডিসপ্লেতে নামটা দেখে অবাকই হলো। এই নাম্বার থেকে এখন ফোন আসার কথা নয়। বেসুরো চিৎকার করে ডেকে উঠলো মুহিবের ফোনটাও। পকেট থেকে যন্ত্রটা বের করলো সে-ও। শামীমের দিকে বিভ্রান্ত হয়ে তাকালো একবার। তারপর মাথা নেড়ে দোকানের বাইরে চলে গেলো ফোন রিসিভ করার জন্য।

    কাঁপা হাতে নিজের ফোন রিসিভ করলো শামীম। অন্যপ্রান্তের কথাগুলো ওর কান বেয়ে ভেতরে ঢুকলেও মস্তিষ্ক পর্যন্ত যেন পৌছাচ্ছে না। হাতের সাথে এখন শরীরটাও কাঁপছে ওর। ফোন রেখে চায়ের কাপটা তুলে নিলো অযথাই, চা খেতে আর ইচ্ছে করছে না। বমি বমি করছে। চায়ের কাপ ধরা হাতটাও যেভাবে কাঁপছে, লোকের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে অনায়াসে। দ্রুত কাপটা নামিয়ে রাখতে গিয়ে উল্টেই ফেললো শামীম। আজিজ মামা হাহাকার ছেড়ে ছুটে আসলেন, উদ্বেগ নিয়ে কিছু একটা বলে যাচ্ছেন তিনি, কিছুই শুনতে পেলো না সে।

    বাইরে থেকে ফিরে আসছে মুহিব, কান থেকে ফোনটা নামিয়ে স্রেফ টেবিলের ওপর ওটাকে ছুঁড়ে মারলো সে। বিকট শব্দে ডিসপ্লেটা ভাঙলো, ওখান থেকে ছিটকে মেঝেতে পড়ে গেলো লেনোভোর স্মার্টফোনটা। দড়াম করে এক লাথি মেরে ওটাকে রাস্তার মাঝখানে পাঠিয়ে দিলো মুহিব। প্রচণ্ড এক ঘুষি মেরে নড়িয়ে দিলো আজিজ মামার দোকানের দেওয়াল।

    দুই বন্ধু এখন একে অন্যের দিকে তাকিয়ে আছে।

    এখনও কেঁপে চলেছে শামীম। মুহিবের চেহারায় অসহায়ত্বের চেয়ে বেশি ফুটে উঠেছে ক্রোধ। এই ক্রোধ কার ওপর সে জানে না। আবারও বাজতে শুরু করেছে শামীমের ফোন। ফোনটা রিসিভ না করে কেটে দিলো সে। মুহিব আর শামীমের ফোনে আজ অসংখ্য কল আসবে। সবাই তাদের একটাই খবর দেওয়ার জন্য ফোন করতে থাকবে।

    একটা দুঃসংবাদ।

    অবশেষে বাক্যটা উচ্চারণ করলো মুহিব। যে মেসেজটা ভিন্ন কলারের মাধ্যমে একটু আগে পেয়েছে ওরা। যে বাক্যটি উচ্চারণ করার জন্য ওরা মানসিকভাবে মোটেও প্রস্তুত ছিল না।

    “আধঘণ্টা আগে মারা গেছে লিটু। আগামিকাল ওর লাশ নিয়ে দেশে আসবে বাদল ভাই।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article আর্সেন লুপাঁ ভার্সেস হার্লক শোমস
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }