Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    যে হীরকখণ্ডে ঘুমিয়ে কুকুরদল – কিশোর পাশা ইমন

    কিশোর পাশা ইমন এক পাতা গল্প607 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কুকুরদল – ৫৮

    অধ্যায় ৫৮

    একপাশে নদীর তীর, অপরপাশে চর। মাঝে ভেসে চলছে ছইতোলা এক নৌকা। গলুইয়ের কাছে বসে থাকতে খারাপ লাগতো না ইলোরার, যদি না গা ঘেঁষে বসে থাকতো অনাকাঙ্খিত পুরুষ। তোফায়েল ওর কোমর জড়িয়ে রেখেছে এক হাতে, যেন তাকে যখন ইচ্ছে ধরতে পারা তার জন্মগত অধিকার। কোনোদিন প্রেমের প্রস্তাব আদান-প্রদান হয়েছিলো কি না মনে করার চেষ্টা করলো ইলোরা। তেমন কিছু ঘটেনি ওদের মাঝে, তবে আর যে কোনো ছেলের মতোই তোফায়েল পরিচয়ের কয়েক মাসের মধ্যে ওর গায়ে হাত দেওয়া শুরু করেছে। এই মুহূর্তে পেটে ছেলেটার স্পর্শ অনুভব করে ইলোরার শরীর ঘৃণায় ঘিন ঘিন করে উঠলো।

    “সময়টাই যাইতেছে খারাপ।” স্বভাববিরুদ্ধ এক কণ্ঠে বলল তোফায়েল, “প্রথমে তোমার ওই বন্ধুটা, তারপর রেদোয়ান।”

    রেদোয়ানের নামটা কানে ঢুকতে ঘিনঘিনে ভাবটা আরও বেড়ে গেলো ইলোরার। তোফায়েলের হাতের স্পর্শটিকে এখন মনে হচ্ছে বৃশ্চিকের পদচারণা। ওকে ধরে রেখে লোকটার সাহস হলো কি করে রেদোয়ানের নাম মুখে নেওয়ার? ইলোরা দাঁতে দাঁত চেপে গলুইয়ে বসে রইলো।

    “আমি তো ভাবছিলাম তোমার বন্ধু ভালো হইয়া যাইবো। ইন্ডিয়া নিয়া গেলো যখন, খোঁজ নিয়া দেখছি আমি। নারায়ণ হেলথ ক্লিনিকে এই রোগের ট্রিটমেন্টের পর নাকি কোনো রোগি মারা যায় নাই। কিন্তু হইলো উল্টাটা।”

    লিটুর কথা মনে করার ইচ্ছে ইলোরার ছিল না। ছেলেটার ওপর প্রচণ্ড ক্ষেপে আছে সে, ওরা সবাই। হারামজাদা মরলো কোন সাহসে? এটা সে কি করে করতে পারলো? দুঃখবোধের চেয়ে ক্রোধটা বেশি হচ্ছে কেন ইলোরা জানে না। ওরা ধরেই নিয়েছিলো বন্ধুকে ফিরে আসতে হবে। আসতেই হবে। তা না করে যেন কথার খেলাপ করেছে লিটু। তার জন্য দুঃখ পাওয়ার প্রশ্নই আসে না। হাতের কাছে আরেকবার পেলে তাকে কেমন পেটান যে পেটাতো ইলোরা, রাগে ওর হাতের মুঠো শক্ত হয়ে যায়।

    “রেদোয়ান ভাইয়ের কি হয়েছে আবার?” প্রসঙ্গটা পাল্টাতে প্রশ্নটা করা, তোফায়েলের মতো একটা মানুষের মুখে লিটুর ব্যাপারে আলোচনা শোনার কোনো ইচ্ছে তার নেই।

    ফোঁস করে দীর্ঘশ্বাস ফেললো তোফায়েল। তার আবেগ দেখে পিত্তি জ্বলে গেলো ইলোরার, তবুও প্রেমে মরে যাচ্ছি ধরণের একটা মুখ নিয়ে বসে থাকতে হলো ওকে গলুইয়ে। আবেগের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে কোমরে চেপে থাকা তোফায়েলের হাতের ওপর কোমলভাবে একটা হাতও রাখলো। ওদের প্রেম দেখে মাঝি ছোকরাটা পেছনের গলুইয়ে দাঁড়িয়ে মুচকি হাসলো। ভাগ্যিস মানুষ অন্যদের মনের কথা পড়তে জানে না!

    “একটা মিটিংয়ে ঢাকা গেছিলো। সেখান থেকে সে নিখোঁজ। তারে পাওয়া যাইতেছে না কয়েকদিন ধরে।” ইলোরার কাঁধে থুতনি রাখলো ছাত্রনেতা। পাতলা জামা ভেদ করে তার খোঁচা খোঁচা দাড়িগুলো কাঁধের চামড়ায় পিন ফোটালো যেন।”আমারে রেদোয়ান মিটিংয়ে আসতে বলল। ঢাকা গেলাম যে গত সপ্তাহে, ঐ দিনের কথা। আমি গিয়া দেখি ওখানে কেউ নাই। ঘটনা বুঝলাম না।”

    “কেউ নাই মানে কি?” তোফায়েলের দিকে মুখ ঘোরাতে গিয়ে তার গালে ইলোরার গাল ঘষে গেলো।

    “বুঝলাম না সেটাই। পুরা পরিস্কার দেখলাম বাড়িটা। কারও কোনো চিহ্ন নাই।” পেছনে একবার তাকিয়ে মাঝিকে দেখে নিলো তোফায়েল, “গোপন একটা মিটিং ছিল। বিরোধীদলের এক ইনফর্মার আমাদের কিছু ইনফরমেশন শেয়ার করতে রাজি হইছিলো। রেদোয়ানের খালার বাড়ির বেজমেন্টে মিটিং ঠিক করলাম আমরা। খালা সপরিবারে অস্ট্রেলিয়া থাকেন, কারও জানার কথা না যে ওখানে আমরা দেখা করতেছি। এর মধ্যে রেদোয়ানের কি হইলো বুঝলাম না।”

    অস্ট্রেলিয়া প্রবাসি খালার বাড়ির চাবি রেদোয়ানের হাতে থাকতেই পারে। কিন্তু তোফায়েল সেই বাড়িতে ঢুকে ‘সবকিছু ফাঁকা’ দেখলো কি করে? চাবি পেলো কোথায়? এধরণের প্রশ্ন করে তাকে বিব্রত করলো না ইলোরা। এসব প্রশ্নের উত্তর তার এমনিতেই জানা আছে। ভিডিওগুলো সে দেখেছে। ওসব করার জন্য প্রবাসি আত্মীয়ের পরিত্যক্ত বাড়িই তো দরকার!

    গোপন মিটিং তো ছিলই! মনে মনে ভাবলো ইলোরা। গোয়া মাইরা বেড়াইতেছিলা! তবে মুখে বাক্য দুটো উচ্চারণ করার মতো সাহস করতে পারলো না। মুহিবের নিষেধ, কোনোভাবেই এখন তোফায়েলকে চটানো যাবে না। ছেলেটা কি করতে চাইছে কে জানে! তূর্ণার বাসা থেকে বের হয়ে আসার পর থেকে সবকিছু থেকে ওদের অফিশিয়ালি অব্যহতি দিয়েছে।

    “আজকের পর থেকে শামসভাইয়ের কেসটায় তোরা আর কেউ সরাসরি ইনভলভড হবি না।” ভিডিওটা দেখার পর মুহিব বলেছিলো, “এটা খুব বেশি সেনসিটিভ। যতো কম লোক কাজ করবে ততোই ভালো।”

    শামীম যথারীতি গোয়ারের মতো গাঁ-গাঁ করে উঠেছিলো, “আর কাজ করার জন্য তুই কিভাবে নির্বাচিত হলি? আমি নই কেন? ইলোরা কেন নয়?”

    একটা মাত্র বাক্যে তার মুখ থামিয়ে দিয়েছিলো মুহিব, “এসব নিয়ে ঘাটাঘাটি করতে গেলে মাথাটা কার কাটা পড়বে শুনি? তোর, না ইলোরার? সেই রাতে সাক্ষী ছিল কে জানি? আমার মাথার নিরাপত্তার দায়িত্ব তোকে বা ইলোরাকে দিয়ে আমি নিশ্চিন্ত হতে পারবো না।”

    অকাট্য যুক্তি। এর ওপর কথা বলার উপায় ওদের ছিল না। মেনে নিতে কষ্ট হয়েছে ইলোরার, তবে শামীমের মুখের দিকে তাকিয়ে সে মেনে নিয়েছে। শামীম যে গোঁয়ার, সে-ই যখন ফুঁসতে ফুঁসতে মেনে নিলো তখন আর প্রতিবাদ করে লাভ কি? মুহিব এর পর আর কোনো অভিযানে গিয়েছে কি না তা ওরা জানে না। শিয়ার সঙ্গেও কোনো যোগাযোগ নেই। রেদোয়ানের হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার সঙ্গে শামস মার্ডারের কোনো যোগসূত্র আছে কি না তাও ইলোরা জানে না। তার জানার বিশেষ ইচ্ছেও নেই। ছেলেগুলোর ওপর অসম্ভব বিরক্ত সে।

    মুহিব তাকে জেনেশুনে একটা খুনি-ধর্ষকের সঙ্গে ঘোরাফেরা করার অনুরোধ করলো কি করে? ইলোরার মাঝে মাঝে এতো রাগ হয়! সেদিন তাকে আরও বেশি মারা উচিত ছিল। বাকিটা মনে পড়তে খোলা নদীর বুকে লজ্জায় লাল হয়ে গেলো ইলোরা। তোফায়েল এখনও তার কাঁধে থুতনি ঘষছে, সে এসবের কিছুই খেয়াল করলো না। ক্ষতিপূরণ হিসেবেই হয়তো, খুনিটার হাতের ওপর আবারও হাত বুলিয়ে দিলো ইলোরা।

    তোফায়েল এখনও কি কি নিয়ে যেন কথা বলে যাচ্ছে, তার কথায় মন ছিল না ইলোরার। চরের কাশফুলগুলো এখান থেকে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। নৌকা ধীরে ধীরে চরের দিকে যাবে এখন। তোফায়েল এই ধরণের ঘোরাঘুরি ইদানিং রুটিন মেনে করছে। বাইকে করে ওকে হল থেকে নিয়ে আসে। নদীর পাড়ে এসে নৌকা ভাড়া করে। চরে নেমে ওর শরীরের জানোয়ারের মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে। ‘টেপাটেপি’র জন্য নদীর ছই খুব একটা প্রাইভেট না বলে দাবি করেছিলো প্রথমদিন, সেই থেকে চালাচ্ছে। এখনও চূড়ান্ত পর্যায়ে তাকে যেতে দেয়নি ইলোরা। চার দেওয়ালের ভেতর যে কোনো ধরণের ডেট বাদ দিয়েছে।

    মুহিব পুরোটাই শুনেছে সে রাতে, তারপরও ওকে ধৈর্য ধরতে বলেছে সে। বলেছে আর কয়েকটা দিন এমনটা চালিয়ে যেতে। ইলোরা জানে না বেশিদিন সে চালাতে পারবে কি না! চরের দিকে তাকিয়ে থাকলো সে। আরও কাছে চলে এসেছে কাশফুলগুলো। আর কিছুক্ষণ পর ওখানে নামতে হবে ভাবতেই রোমকূপগুলোয় ঘৃণার তীব্রতা বেড়ে গেলো।

    *

    ছোট্ট বাইনোকুলারটা চোখ থেকে নামিয়ে গলায় ঝুলিয়ে রাখলো মুহিব। হাতের সিগারেটের ফিল্টারটা পকেট থেকে বের করে আনা প্যাকেটের মধ্যেই ফেললো। সিগারেট আর তার ফিল্টার নিয়ে মাত্র কয়েক মাস আগেই বেশ জঘন্য অভিজ্ঞতা হয়ে গেছে তার। এই অভিজ্ঞতার পূণরাবৃত্তি আর ঘটবে না। দুটো প্যাকেট নিয়ে এখানে সময় কাটিয়েছে সে। একটা প্যাকেটে সিগারেট রেখেছে, আরেক প্যাকেটকে করেছে অ্যাশট্রে। একটা ফিল্টারও আজ এখানে ওখানে পড়ে থাকবে না।

    আরেকটা সিগারেট ধরিয়ে ঘন কাশবনের ভেতর ঢুকে গেলো মুহিব। কাশবনের ভেতর খুব সাবধানে চলাফেরা করতে হয়। চরের কাশবনে চলার সময় কানজোড়াকে অবশ্যই খাড়া করে রাখা লাগবে। নারীকণ্ঠের শীৎকার আর পুরুষকণ্ঠের গোঙানি যেদিক থেকে আসবে সেদিকে পা বাড়ানো যাবে না। নয়তো অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব নয়। থলথলে পেট আর চর্বির দলা দেখে সপ্তাহখানেকের জন্য চা খাওয়ার রুচি হারাতে হতে পারে।

    এমন একটা শীৎকারধ্বনি খানিক বাম থেকে ভেসে এলো। ওটাকে সচেতনভাবে এড়িয়ে এগিয়ে গেলো মুহিব। কাশবনের মাঝে এসে দাঁড়ালে মনে হয় শুরু আছে, শেষ নেই। স্থানে স্থানে উঁচুনিচু ভূমি। চরের জমি নিয়েও মারামারি করে স্থানীয়রা। অনেকটা দূরে গিয়ে কাশবন শেষ, ফসলের জমি শুরু। স্থায়ী চরে চাষবাস ভালোই হয়। মফস্বল শহরটির খাদ্যচাহিদা সম্পূর্ণভাবে মেটাতে সক্ষম এই এক চর। বর্ডার বেশি দূরে না হওয়ায় গাঁজার গুদামও আছে এখানে। চরের চারপাশে পানিতে স্পিডবোট নিয়ে বিজিবি টহল দিলেও, ডাঙায় গাঁজার ভাণ্ডার সম্পূর্ণ নিরাপদ।

    কাশবন ঠেলে চাষের জমির এক প্রান্তে বেরিয়ে এলো মুহিব। খানিক দূরে একটা জটলা। স্থানীয় সাত-আটজন ছেলে গোল হয়ে বসে আছে। উৎকট গন্ধ থেকেই বোঝা গেলো গাঁজা টানছে। মুহিবের দিকে কেউ কেউ তাকালো, তবে বিশেষ গুরুত্ব দিলো না। সরাসরি জটলার দিকে তাকালো না মুহিব, সিগারেটে কয়েকবার জোরে জোরে টান দিয়ে সরে এলো ওখান থেকে।

    চাষের জমিগুলো শেষ হয়েছে পাঁচ কিংবা সাতশ’ মিটার সামনে। তার ওপাড়ে আরেকদফা উঠে গেছে কাশবন। বাইনোকুলারটা গলা থেকে তুলে সেদিকে আরেকবার তাকালো মুহিব। তোফায়েল ইলোরার হাত ধরে নিয়ে যাচ্ছে, নির্জনতার দিকে একটা মেয়েকে টেনে নিয়ে যাওয়ার মুহূর্তটা ছাত্রনেতা উপভোগ করছে তা মুহিবের বাইনোকুলারেও পরিস্কার দেখা গেলো। চকচকে ধর্ষক-চোখজোড়া শেষবারের মতো দেখে নিলো মুহিব। বাইনোকুলারটা আরও একবার বুকের ওপর ঝুলিয়ে দিয়ে আইল ধরে জমির ওপর দিয়ে হাঁটা শুরু করলো সে।

    অনেকটা দূরে বামদিকে একটা মাচায় কয়েকজন শুয়ে আছে। ফসলের দেখভাল হয়তো তারাই করছে। তাদের নিয়ে মুহিব ভাবছে না, ওকে নিয়েও তারা বিশেষ আগ্রহ দেখালো না-গাঁজাখোরদের মতোই। বাইনোকুলার আর ক্যামেরা ঝোলানো অনেক ছেলেই এদিকে প্রতিদিন আসে। পাখি দেখে নয়তো পাখির ছবি তোলে। দৃশ্যটা এতোই সাধারণ আর পুরাতন, বাড়তি মনোযোগের যোগ্য বলে স্থানীয়রা মনে করছে না। মুহিব অবশ্য এমনটাই আশা করেছিলো। এর আগেও তিনদিন চরে এসেছে সে, তোফায়েল আর ইলোরাকে ঘোরাফেরা করতে দেখেছে। ইলোরার শরীরে তখন হয়তো পড়েছে নতুন নতুন দাগ, তবে এটুকু মুহিবকে মেনে নিতে হয়েছে।

    আগুন না নিভিয়েই সিগারেটের গোড়াটা ‘অ্যাশট্রে প্যাকেটে’ ঢুকিয়ে মুখ বন্ধ করে দিলো মুহিব। ভেতরের অক্সিজেন শেষ হয়ে গেলে এমনিতেও নিভে যাবে। তাড়াহুড়ো না করে আরেকটা সিগারেট বের করলো তারপর।

    “এগুলো কোনো ব্যাপার না।” নিজেকেই শোনালো যেন।

    কোনোরকম ঝামেলা ছাড়াই আইল বেয়ে ওপাশের কাশবনে পৌছে গেলো সে। মুহিব যখন চাষের জমির মাঝখানে আইল ধরে হাঁটছিলো, তোফায়েল-ইলোরা ওপাড়ের কাশবনে ঢুকে পড়েছে। তাদের খুঁজে বের করার জন্য ব্যস্ত হলো না মুহিব। কাশবনের সামনে দাঁড়িয়ে শান্তভঙ্গিতে সিগারেটটা শেষ করলো সে, তারপর ফিল্টারটা যত্ন করে রেখে দিলো ‘অ্যাশট্রে প্যাকেট’-এর ভেতর।

    দুলকি চালে হেঁটে কাশবনের ভেতর ঢুকলো তারপর। মুহিব জানে, কোনদিকে যেতে হবে। গত তিনদিনই ওরা এদিকে এসেছে। গন্তব্যের দিকে আরও কয়েক পা এগিয়ে যেতে শুনতে পেলো ইলোরার কামার্ত চাপা চিৎকার। কিছুটা যন্ত্রণাও মিশে আছে যেন তাতে।

    ওদিকে কাশবনের একটা অংশে আলোড়ন উঠছে

    আরও কাছে চলে এসেছে এখন মুহিব। দু’জন মানুষের হাঁফানোর শব্দ ও শুনতে পেলো এবার। মৃদু ধ্বস্তাধ্বস্তি হচ্ছে কাশবনের ভেতর। আলোড়নটা বেড়েছে কিছুটা। শেষ ক’টা কাশফুলের পর্দা পার করে জায়গাটার মাঝে এসে থামলো মুহিব।

    তোফায়েল ইলোরাকে মাটির সঙ্গে চেপে রেখেছে, পাগলের মতো মেয়েটিকে চুমু খাচ্ছে সে। চুমুর চেয়ে বেশি খাচ্ছে কামড়। ইলোরার ওপরের ঠোঁট কেটে ফেলেছে এরই মধ্যে, রক্তের ছাপ মুহিব পরিস্কার দেখতে পেলো। লম্পট ছাত্রনেতার এক হাত মুহিবের সবচেয়ে কাছের বান্ধবির উরুসন্ধিতে, অপর হাতটা মেয়েটার বুকের ওপর যেন আশ্রয় খুঁজে বেড়াচ্ছে।

    “ডু ইট, র‍্যাড!” ভরাট গলায় বলে উঠলো মুহিব।

    ধ্বস্তাধ্বস্তি থেমে গেলো। কাশবনের আলোড়ন স্তিমিত হয়ে আসছে ধীরে ধীরে। ইলোরার ওপর থেকেই মুখ ঘুরিয়ে মুহিবের দিকে তাকালো ছাত্রনেতা। পুরো দৃশ্যটা বোঝার জন্য তার সময় লাগলো ঝাড়া পাঁচ সেকেন্ড, তারপর গত একটা বছর যেন সূর্যস্নাত দিনের মতোই ফকফকা হয়ে উঠলো তার কাছে। সব অজানা প্রশ্নের জবাব দিয়ে দিয়েছে মুহিবের উদ্ধৃত বাক্যটা। ইলোরা যখন ছাত্রনেতাকে জোরে ধাক্কা দিয়ে নিজের শরীর থেকে নামিয়ে দিচ্ছে, তখনও বিহ্বলের মতো মুহিবের দিতে তাকিয়ে ছিল সে।

    দুই পা ছড়িয়ে দাঁড়িয়েছে সাধারণ এক ছাত্র, যাকে সে নিজের ক্ষমতাবলে সরকারি হলে উঠতে দেয়নি। ঈর্ষার বিষে জড়িয়ে যাকে সে পাশের বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে গিয়ে ছুরি মেরেছে। সাধারণ এই ছাত্রটিকে তোফায়েল কখনোই হুমকি বলে মনে করেনি। সাধারণ সেই ছাত্রটির ছড়ানো পা আর একই সরলরেখায় ডান হাতে ধরে থাকা বিম্রিদর্শন পিস্তলটা তার ‘সাধারণ’ পরিচয়টিকে নাকচ করে দিচ্ছে। পড়ন্ত বিকেলের আলোয় ছেলেটির মুখে কয়েক সপ্তাহ পুরোনো কিছু ক্ষতচিহ্ন স্পষ্ট দেখা যায়।

    “তুমি!” অবিশ্বাস ভরা গলায় বলে উঠলো তোফায়েল, “সেই রাতে–”

    “আমিই। শামসভাইকে আপনারা আমারই চোখের সামনে খুন করেছিলেন।” মিষ্টি হাসিতে ভরে গেলো মুহিবের মুখ, ট্রিগারে চেপে বসছে আঙুল, “প্রকৃতি আজ ভারসাম্য রক্ষা করবে। এটা শামসভাইয়ের জন্য।”

    ইলোরা তখনও হামাগুড়ি দিয়ে তোফায়েলের শরীর থেকে দূরে সরে যাওয়ার চেষ্টা করছে, খপ করে ওর একটা হাত ধরে ফেললো ছাত্রনেতা। চমকের প্রথম ধাক্কাটা কেটে যেতেই করণীয় ঠিক করে ফেলেছে সে। এই মুহূর্তে মেয়েটিকে টেনে নিজের শরীরের ওপর নিয়ে আসার চেষ্টা করছে, মানব-বর্মের পেছনে থেকে নিজেকে রক্ষা করার চেষ্টা।

    তার থেকে কয়েক আলোকবর্ষ এগিয়ে ছিল মুহিব। পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে ট্রিগার টেনে ধরলো সে।

    কানে তালা ধরানো শব্দে গুলি বেরিয়ে গেলো পিস্তল থেকে। একবার, দুইবার, অসংখ্যবার।

    ম্যাগাজিনের রাউন্ডগুলো ফুরিয়ে যেতে স্লাইড ছিটকে গেলো একসময়।

    নিস্তব্ধতা নেমে এলো চরের বুকে, এক সেকেন্ডের জন্য। তারপর ইলোরার গগণবিদারী চিৎকার ভেঙে দিলো সেই নীরবতা। সাদা জামার এখানে ওখানে মেখে গেছে তোফায়েলের রক্ত, মুখের ওপর স্প্রের মতো ছিটকে গেছে খানিকটা। আটটা বুলেট চরের মাটিতে একেবারে গেঁথে ফেলেছে প্রতাপশালী ছাত্রনেতাকে। এখনও বাম হাতটা ধীরে ধীরে নড়ছে তার।

    গোঙানির ফাঁকে কেবল বলতে পারলো, “পানি!”

    এই একটা শব্দ উচ্চারণ করতে তোফায়েলকে যেন সর্বশক্তি খরচ করতে হলো। ইলোরার চিৎকারের ফাঁকে কোনোমতে শোনা গেলো আর্তনাদটুকু।

    পেছনে কাশবনের বাইরে চাষের জমি থেকে নতুন এক ধরণের হট্টগোল শোনা যায়। এদিকেই ছুটে আসছে চরের বাসিন্দারা। মুহিবের মনের পর্দায় চর অধিবাসিদের নিয়ে যতো ভয়ানক বর্ণনা পড়েছে জীবনে, সব ভেসে ওঠার কথা ছিল। তবে তেমন কিছু ঘটলো না আজ। সদ্য উদ্ভুত হট্টগোলটা তাকে স্পর্শই করছে না যেন। সহজাত শান্ত ভঙ্গিতে ম্যাগাজিন রিলিজ করে শার্টের ভেতরের শোল্ডার হোলস্টার থেকে আরেকটা বের করে নিলো। সেমি–অটোমেটিকটা রিলোড হয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যুপথযাত্রী ছাত্রনেতার দিকে আরও একবার অস্ত্রটা তাক করলো মুহিব। দস্তনাজোড়ায় সূর্যের আলো প্রতিফলিত হচ্ছিলো তখন।

    ইলোরার চিৎকার আর পেছনের জমির হট্টগোল, দুটোই থেমে গেলো পিস্তলের বেসুরো গর্জনে। অষ্টমবারের মতো হাতের তালুয় পিস্তলটার ধাক্কা অনুভব করতেই নড়ে উঠলো মুহিব। স্লাইডটা বেরিয়ে যাওয়ার আগেই ছুটতে শুরু করেছে কাশবন ভেঙে সামনের দিকে।

    নতুন করে পাওয়া গুলির শব্দের সঙ্গে পেছনের হট্টগোল দশ সেকেন্ডের মতো থেমে গিয়েছিলো, টলে উঠেছিলো চরের বীরপুরুষদের সাহসিকতা। তবে গুলির শব্দ থেমে যেতে আরও একবার গর্জে উঠলো ওরা। পাতলা জ্যাকেটে ঢেকে রাখা শোল্ডার হোলস্টারে তখন পিস্তলটা গুঁজে নিচ্ছে মুহিব। দৌড়ের তালে তালে তার গলায় ঝুলে থাকা বাইনোকুলারজোড়া প্রবল বাতাসে অবাধ্য কাশফুলের মতোই লাফাচ্ছে। কোমরের কাছে আটকে থাকা ক্যাপটা মাথায় চাপাতে চাপাতে চরের উঁচুনিচু জমি ধরে প্রাণপণে ছুটতে থাকলো মুহিব।

    স্পিডবোটটা একেবারে চরের সঙ্গে লেগে ছিল, অস্ত্রসহ সরাসরি ওটার গায়েই আছড়ে পড়লো মুহিব। বোটের পাশে বড় করে লাল কালিতে লিখা নামটা পড়তে পারলো অনায়াসে।

    বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি)।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article আর্সেন লুপাঁ ভার্সেস হার্লক শোমস
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }