Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    যে হীরকখণ্ডে ঘুমিয়ে কুকুরদল – কিশোর পাশা ইমন

    কিশোর পাশা ইমন এক পাতা গল্প607 Mins Read0
    ⤶

    কুকুরদল – ৬০

    অধ্যায় ৬০

    ধানমন্ডি লেকের পাড়ে বসে আছে একজোড়া তরুণ-তরুণী। সানগ্লাস আর টিশার্টে দারুণ দেখাচ্ছে মুহিবকে, তবে হলুদ ফতুয়া পরে আসা শিয়ার চেহারা পুরোটা দেখা যাচ্ছে না। নাকের ওপর এখনও ব্যান্ডেজ, এক মেকআপ বক্স ঘষেছে মুখের ওপর। তারপরও চোখের পাশে, থুতনির ওপর কালশিটে বেরিয়ে পড়েছে। ওটুকু রঙিন চশমা ঢেকেও কুলোতে পারেনি। তার গায়ে হেলান দিয়ে বসে থাকা মেয়েটার দিকে অপলক তাকিয়ে থাকলো মুহিব। তাকে হলুদ ছাড়া আর কোনো রঙের জামা পরে আসতে দেখেছে কি না মনে করার চেষ্টা করছে। দেখেনি। পছন্দের রঙটা অন্যরকম এই মেয়ের, সচরাচর হলুদকে সবাই বিরক্তির চোখেই দেখে।

    “বকের মতো আমার দিকে তাকিয়ে না থেকে বলে ফেলো কি বলবে।” যান্ত্রিক কণ্ঠে বলল শিয়া, “আগাম সতর্কবার্তা : ইদানিং অল্পতেই মেজাজ খারাপ হয়ে যাচ্ছে আমার।”

    হাসলো মুহিব, “সরি। তোমাকে বাইরে আনার ইচ্ছে ছিল না আমার। বিশ্রাম দরকার এখন তোমার, অনেক ধকল গেছে।”

    মাথা নাড়লো শিয়া, “আমি চাইছিলাম তোমার সাথে একটু কথা বলতে। বাইরে আসাটাই ঠিক আছে, বাসায় এসব নিয়ে কথা বলা যেতো না।”

    এদিকে ওদিকে অনেক কপোত-কপোতী দেখা যাচ্ছে। মুহিব-শিয়াকেও যে কেউ প্রেমিক-প্রেমিকা ভেবেই ভুল করবে। শিয়া মুহিবের গায়ে হেলান দিয়ে বসে আছে। এই ভঙ্গিটার মধ্যে কামের স্থান নেই, আহত শরীর নিয়ে বেশিক্ষণ সোজা হয়ে বসে থাকা মেয়েটির জন্য পরিশ্রমের। মুহিব ভেবে পায় না, এমন অত্যাচারের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসার মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে সে কোন সাহসে বাইরে এলো। আনমনে ফিচার ফোনটা হাতে নাড়াচাড়া করতে শুরু করলো সে। লিটুর মৃত্যুসংবাদ পেয়ে নিজের স্মার্টফোনটা ভেঙে ফেলেছিলো রাগে-ক্ষোভে-বেদনায়। ছাত্রজীবনের চিরন্তন সঙ্গি অর্থসঙ্কট নতুন একটা স্মার্টফোন কেনার সুযোগ তাকে দেয়নি। পরদিনই একটা সস্তা ফিচার ফোন কিনে নিতে হয়েছিলো তাকে। নতুন ফোনে প্রথম ফোনকল ছিল শিয়ার।

    শিয়ার পরিণতির কথা জানার পর মুহিব বুঝতে পেরেছিলো হাতে আর বেশি সময় নেই। ইলোরাকে জোর দিয়েছিলো অভিনয় চালিয়ে যাওয়ার জন্য। লম্পট তোফায়েলকে সুযোগ দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সে গ্রহণ করেছে। সপ্তাহব্যাপী অনুসরণের পর কাজটা করে ফেলেছে মুহিব। প্রায় একটা বছর ধরে টেনে আনা বোঝাটি অবশেষে ওর কাঁধ থেকে নেমে যাবে। শেষ ধাপ হিসেবে শিয়ার সঙ্গে দেখা করে চাবিটা সংগ্রহ করতে এসেছে সে। তারপর মার্ডার উইপনটি আলগোছে রেখে আসবে ছাত্রনেতা রেদোয়ানের তত্ত্বাবধায়নে থাকা বাড়ির ভেতর। পুলিশের চোখে ওটা পড়ার কারণ সৃষ্টি করে দেবে। ব্যালিস্টিকস পরীক্ষা করলেই খুনির ‘পরিচয়’ বেরিয়ে যাবে।

    রেদোয়ানের বাবা দেশ তোলপাড় করে ফেলছেন ছেলেকে খুঁজতে, পিস্তল আবিষ্কারের পর পুলিশ দ্বিগুণ উৎসাহে তাকে খুঁজতে শুরু করবে। তবে তাকে কখনোই পাওয়া যাবে না আর। সেদিন কি ঘটেছে তার সামান্য বর্ণনা শিয়া একটু আগে মুহিবকে দিয়েছে। ধর্ষিতা অবস্থায় সে রেদোয়ানকে খুন করেছিলো। তারপর তার দুর্ভোগ পেয়েছিলো নতুন মাত্রা। তিন হাত-পা বাঁধা অবস্থায় কোলের ওপর এক ওজনদার লাশ নিয়ে আহত শরীরের একটা মেয়ে রাতারাতি পালিয়ে যেতে পারে না। রেদোয়ানের লাশটা এক হাত দিয়েই টেনে খাট থেকে ফেলে দিয়েছিলো সে। তারপর গোটা খাটটা নিয়ে কাত হয়ে পড়েছিলো একপাশে। প্রয়োজনীয় নড়াচড়া সবগুলো ক্ষতমুখ খুলে দিয়েছিলো তখন, প্রবল শারীরিক যন্ত্রণা অগ্রাহ্য করে খাটসহই মেঝেতে হিঁচড়ে চলেছিলো শিয়া। রেদোয়ানের খোলা প্যান্টের পকেট থেকে চাবিটা বের করেছিলো বাম হাতে, তারপর নিজেকে মুক্ত করে প্রথমেই খুঁজেছিলো নিজের পোষাক আর সামগ্রি।

    পাশের ঘরে সব পাওয়া গেছিলো, ফোনটা বের করে সুভাষকে ডেকেছিলো সে। কোথায় বন্দি হয়ে আছে তা জানার জন্য প্রয়োজন ছিল লোকেশন। সবচেয়ে কষ্টকর অংশটি ছিল আহত শরীরে পোষাকগুলো পরে নেওয়া। মুহিবকে বলতে সঙ্কোচ হয়নি, অন্তর্বাসগুলো পরার সাহস সে করতে পারেনি। স্পর্শকাতর প্রতিটি অঙ্গেই অসহ্য যন্ত্রণা নিয়ে দরজা খুলে বেরিয়ে এসেছিলো শিয়া। চূড়ান্তমাত্রার সতর্কতা ধরে রেখে গ্যারেজে বেরিয়ে এসে বুঝতে পারলো পুরো বাড়িতে আর কেউ নেই। গুগল ম্যাপস খুলে নিজের অবস্থান জেনে নিয়ে সুভাষকে আবারও ফোন দিয়েছিলো সে। মিনিট বিশেকের মধ্যে চলে এসেছিলো ভারি ওভারকোট পরা সুভাষ।

    গ্যারেজের ভেতর ঢুকেই দুটো চটপটে চেহারার সাবমেশিনগান দু’হাতে বের করে জানতে চেয়েছিলো বিল্ডিংয়ে আছে কয়জন? শত্রুসংখ্য শুন্য জেনে প্রথমেই বাইরে পার্ক করে রাখা গাড়িটায় শিয়াকে নিয়ে অনুশীলন সমিতির গোপন চিকিৎসালয়গুলোর একটায় পৌছে যায় তারা। সেখানে শিয়ার দায়িত্ব ডাক্তার নিয়ে নিতে আবারও বন্দিশালা বাড়িটায় ফিরে আসে সুভাষ। এবার ট্রাংক থেকে কাভার-আপ টুলস, ব্লিচ, প্লাস্টিক শিট এবং গোলাপি এক বালতি বের করে বেজমেন্টে নেমে যায় সে। আধঘণ্টা পর প্রতিটি ফোঁটা রক্ত স্রেফ উধাও হয়ে যায়। ঝাঁ চকচকে বাড়িটাকে পেছনে ফেলে ট্রাংকে প্লাস্টিক শিট পেঁচানো এক মৃতদেহ নিয়ে ঢাকার ব্যস্ত রাস্তায় মিশে গিয়েছিলো সুভাষ

    রেদোয়ানের লাশ সে ঠিক কিভাবে গায়েব করেছে, তা শিয়া জানতে চায়নি। তবে অনুশীলন সমিতি কোনো লাশ গায়েব করে দিলে তা পরে আর কোথাও আবিষ্কৃত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।

    “আমি চলে যাচ্ছি। আর হয়তো দেখা হবে না।” নিচু গলায় বলল শিয়া পাঁজরে মেয়েটির মেরুদণ্ড অনুভব করলো মুহিব, “কোথায়?”

    “প্রথমে, রাশিয়া। তারপর স্পেন। ওখানে এক ভার্সিটিতে আমার ফুল ফ্রি স্টুডেন্টশিপ নেওয়া হয়ে গেছে।” মুহিবের দিকে তাকানোর চেষ্টা করলো সে, “এগুলো কিন্তু ক্লাসিফায়েড তথ্য। তোমাকে বললাম।”

    মাথা দোলালো মুহিব। মানুষের গোপন কথা সে গোপন রাখতে জানে।”আমাকে সরিয়ে দিচ্ছে ওরা দেশ থেকে।” নিচু কণ্ঠেই বলে চলেছে শিয়া, “আমি কম্প্রোমাইজড। যেমনটা বলে না, মাই কাভার হ্যাজ বিন ব্লোন। সরকারি ছাত্রনেতা নাগাল পেয়ে গেছে, মানে আমাকে দিয়ে এই দেশে আর কাজ হবে না। বড় কোনো শাস্তি হতে পারতো, তবে সুভাষ আমাকে খুঁজে পাওয়ার কারণে রিপোর্টটা সে-ই করেছে। আমি যে ব্যক্তিগত কারণে এসবে জড়িয়েছি সেটা ওর রিপোর্ট পড়ে কেউ বুঝবে না। ছেলেটা অনেক করলো আমার জন্য।”

    “কিন্তু তোমাকে আর দেশে থাকতে দেওয়া হচ্ছে না। স্পেনে করবে কি? অনুশীলন সমিতির কাজ?”

    “হয়তো। মস্কো থেকে যেমনটা বলে। দেখি কি করা যায়। তবে ওখানে আমি নিরাপদে থাকবো। এখানে আমি সব আসলেই ভজঘট পাকিয়ে ফেলেছি। কাজের মধ্যে ব্যক্তিগত স্বার্থ টানলে সেটা কতো ভয়ানক হতে পারে তা তো নিজের চোখেই দেখলাম। রুকি মিসটেক।“

    মেয়েটার হাতে আলতো করে চাপড় দিলো মুহিব, “ভেবো না। সব ভালো তার, শেষ ভালো যার। আর আমাদের শেষটা ভালো হয়েছে। ভাইয়ার খুনিকে তুমি একইভাবে নিকেশ করেছো এটার চেয়ে ভালো খবর আর হয় না। এদিকে আমিও শেষ সূতোটা কেটে বাদ দিয়েছি। আর কেউ আমাদের খুঁজবে না। আমরা এখন সম্পূর্ণ নিরাপদ।”

    অনেকটা যন্ত্রণা নিয়ে সোজা হয়ে বসলো শিয়া। ভালোমতো তাকালো মুহিবের মুখের দিকে, “তোমাকে ধন্যবাদ, মুহিব। তুমি না থাকলে সম্ভব হতো না। ভাইয়াকে আর কোনোদিন দেখতে পাবো না, কিন্তু ওকে যারা মেরেছে তাদের আমরা ছেড়ে দেইনি। তাই না?”

    কেমন যেন আর্দ্র হয়ে উঠেছে শিয়ার চোখজোড়া। মুহিব এই প্রসঙ্গটা আর টানলো না।

    “কি নিয়ে পড়তে যাচ্ছো স্পেন?”

    “কালচার।” আবেগ সংবরণ করে হাসলো শিয়া, “আয়রনিক না?”

    হাসলো মুহিবও, “তুমি ওখানে দারুণ করবে।”

    ঘণ্টাখানেক পর বিদায় নেওয়ার সময় শিয়া মুহিবকে জড়িয়ে ধরেছিলো, শারীরিক সব যন্ত্রণা অগ্রাহ্য করেই। কপালে ছোট্ট করে চুমু খেয়ে বলেছিলো, “আই উইল অলওয়েজ লাভ ইউ লাইক আ ব্রাদার। যে কোনো সমস্যায় পড়লে আমাকে অবশ্যই জানাবে। অবশ্যই।”

    “দেশে এলে আমার সাথে দেখা না করে যেতে পারবে না, এই শর্তে এটা মেনে নেওয়া যায়।” মাথা চুলকিয়ে বলেছিলো মুহিব, “কাকে কিডন্যাপ করতে এলে না মারতে ফিরলে তা আমার জানার দরকার নেই। তুমি দেশে আসলেই আমার সাথে দেখা করে যাবা।”

    একে অন্যকে কথা দিয়ে ওরা যখন বিপরীত দিকে হেঁটে যাচ্ছিলো, দু’জনই মনে মনে স্বীকার করে নিয়েছিলো এই প্রতিশ্রুতি কেবলই মুখের কথা। ওদের আর দেখা হওয়ার সম্ভাবনা নেই। এই জীবনে নয় অন্তত। শোল্ডার হোলস্টারে পিস্তলের ওজন অনুভব করছিলো মুহিব, প্রতি পদক্ষেপেই বেড়ে চলেছিলো তার আত্মবিশ্বাস। অনেক, অনেকদিন পর, ছেলেটা নিজের গন্তব্য কোথায় তা ঠিক ঠিক জানতে পেরেছে। হোলস্টারের স্ট্র্যাপ খোঁচা দিচ্ছে পুরোনো এক ছুরির ক্ষতে, অনুভূতিটাকে সঙ্গি করে গন্তব্যের পথে পা বাড়ালো মুহিব।

    .

    পরিশিষ্ট

    ঘিঞ্জি একটা গলির মাঝে দাঁড়িয়ে আছেন এই শহরের প্রাক্তন এক মেয়র। বিরোধীদলের হয়ে রাজনীতি করার কারণে বর্তমানে তার প্রভাব প্রতিপত্তি শুন্যের কোঠায় বলে যে গুজবটা রয়েছে, তার বিপরীতে সাক্ষ্য দিতেই যেন তাকে ঘিরে দাঁড়িয়ে আছে আট-নয়জন ভয়াল দর্শন যুবক। এদের তিনজনের হাতে পাইপ। দুইজন ধরে আছে শটগান। মফস্বলের কিছু গলিতে এমন ঘটনা ঘটে যায় মাঝে মাঝেই, তেমন কারও নজরে পড়ে না বিষয়টা। এলাকার বাইরে যারা থাকে তারাও জানে এলাকা খারাপ, রাতে এদিকটায় ঘেঁষে না। এলাকার ভেতরে যারা থাকে তাদের জন্য এসব গা সওয়া হয়ে এসেছে। কোনো গলিতে ঢুকতে গিয়ে একটা শটগান নজরে এলে তারা গতিপথ পরিবর্তন করে অন্য গলি ধরে বাড়ি ফেরে।

    রাত প্রায় দুটো। এই গলিতে চাঁদের আলো এসে ঢোকে না। দিনে সূর্যের ছোঁয়াও পায় না তেমন। ঘুটঘুটে অন্ধকারে পাইপধারীরা সপাসপ পাইপ চালিয়ে যেতে থাকলো। থ্যাপ-থপ জাতীয় শব্দ হচ্ছে গলির অন্ধকার থেকে কাশেম মোল্লা শুরুতে একবার “মা গো মা!” করে চিৎকার করে উঠেছিলো, তারপর থেকে দাঁতে দাঁত চেপে মার খেয়ে যাচ্ছে। লিয়াকত হোসেনের হাত অনেক লম্বা। তিনিই এদিকের অলিখিত প্রভু। ক্ষমতায় থাকুন আর না থাকুন, তিনি মারলে চুপচাপ মার খেয়ে যাওয়াটাই নিয়ম। সবখানেই সেরের ওপর সোয়া সের থাকে। লিয়াকত হোসেন মাটির তল দিয়ে চলেন, তিনি আড়াই সের।

    পাইপওয়ালারা মেপে মেপে পেটাতে পেটাতে ক্লান্ত হয়ে এলো খুব সম্ভব। কপালের ঘাম মুছে তাদের একজন কাশেম মোল্লার কলার ধরে দাঁড় করিয়ে দিলো। শটগানওয়ালাদের একজন সঙ্গে সঙ্গে তার গলার নিচে শটগান চেপে ধরে। থুতু দিয়ে দুটো ভাঙা দাঁত নোংরা গলির ওপর ফেলে দিলো কাশেম মোল্লা। এদের ঢঙ দেখতে তার বিরক্তি লাগছে। মেরে ফেলতে চাইলে লিয়াকতসাহেব মেরেই ফেলতে পারতেন। এতো ‘ডলাডলি’র দরকার ছিল না। তিনি একটা তথ্য চাইছেন, কাশেম মোল্লাকে আরেকবার সুযোগ দিলেই তো সে বলে দেয়। প্রাণ আগে না বিশ্বস্ততা আগে? সে বসায়ি মানুষ, তার কাছে প্রাণটাই অগ্রাধিকার পেলো।

    রক্তাক্ত মুখটাকে চুল টেনে আলোর সামনে ধরা হলো। বীভৎস দৃশ্যটির দিকে অপলক তাকিয়ে থেকেই একটা চুরুট বের করে যত্ন করে তাতে আগুন ধরালেন লিয়াকত হোসেন।

    “পাত্তিটা চিনতে পারলা তো? নাকি আরও কয়েক মিনিট আরামে নেওয়া লাগবে?” ভ্রু কুঁচকে প্রশ্নটা করলেন তিনি, গল গল করে ধোঁয়া ছাড়লেন নিচুশ্রেণির অস্ত্রবসায়ির মুখে।

    চ্যালাদের একজন একটা ছবি আবারও বাড়িয়ে ধরলো কাশেম মোল্লার মুখের সামনে। এই ছবিটা সরাসরি এভিডেন্স রুম থেকে এসেছে। আলোচিত তোফায়েল হত্যাকাণ্ডের এভিডেন্স বক্সের ভেতর এভাবেই শুয়ে ছিল অস্ত্রটা। এই অস্ত্রের মালিক রেদোয়ান, অপর প্রভাবশালী ছাত্রনেতা। অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে তারই খালার বাড়ি থেকে। বন্ধুহত্যার পর গত ছয় মাস ধরে ফেরারী আসামীর কাতারে নাম উঠে গেছে রেদোয়ানের। পুলিশ তার টিকিটাও ছুঁতে পারেনি। পুরো গল্পটায় অনেকগুলো ফাঁক আছে। লিয়াকত হোসেনের চোখে এরকম ফাঁক এড়ায় না। নিজের মেয়ে ওই বিশ্ববিদ্যালয়েই পড়াশোনা করছে, এই খবরগুলো খুব কাছ থেকে নজরে রেখেছিলেন তিনি। ফাঁক বোজানোর জন্য সেই তখন থেকে অস্ত্রবসায়ি কাশেম মোল্লাকে ধরে এনে বানানো হচ্ছে। তবে অস্ত্রটা সে বার বার না চেনার ভান করে যাচ্ছে।

    এবার অবশ্য অস্বীকার করলো না লোকটা, “এইটা আমার থেইকা আলাদা কিনছিলো স্টেটের নেতা। একলা আইসা কিন্যা নিয়া গেছিলো।”

    তোতাপাখির গানে সন্তুষ্ট হলেন লিয়াকত হোসেন। নেতারা এসে অস্ত্র কিনবে না কখনোই, এসব নিচুশ্রেণির চ্যালাচামুণ্ডার কাজ। তবে রেদোয়ানকে যদি নিজে এসে অস্ত্র কেনা লাগে, তার অর্থ সে গোপনে একটা কাজ করতে চাইছিলো-যে কাজটা সে তার চ্যালাচামুণ্ডাকে জানাতে চাইছে না। তোফায়েলকে গুলি করার ব্যাপারটা অবশ্যই নিজ সংগঠনের কাউকে জানতে দিতে চাইবে না একই সংগঠনের ছাত্রনেতা। কাজেই গোপনীয়তা অনস্বীকার্য।

    “আমি দেইখাই কইছিলাম স্যার, এইটা ভেজাইল্লা একটা কিছু হইতেছে। নাইলে জাকি ভাই নিজে আইবো ক্যান?” এখনও গান গেয়ে যাচ্ছে কাশেম মোল্লা।

    কোঁচকানো ভ্রু আরও কুঁচকে গেলো লিয়াকতসাহেবের। যতোটা আশা করেছিলেন তার থেকেও চমৎকার রাজনৈতিক রসদ পেয়ে যাচ্ছেন তিনি! আজকের দিনটা দারুণভাবে সৌভাগ্য বয়ে আনতে যাচ্ছে তার জীবনে I অস্ত্রবসায়ি এই মুহূর্তে স্টেট ইউনিভার্সিটির নবনির্বাচিত সভাপতির নাম নিয়েছে। অথচ তিন মাস আগেও সভাপতির পদে জাকি জিতবে–এমনটা বাজি ধরার মতো বোকা কেউ ছিল না। পদটা জেতার জন্য তার দরকার ছিল বড় অঙ্কের টাকা আর একটা মিরাকল! লিয়াকতসাহেব মিরাকলে বিশ্বাস করেন না। ঘটনা তার সামনে এখন স্পষ্ট।

    ইশারা করলেন একবার। সাত-আটজন চ্যালা অস্ত্রবসায়িকে ধরে একটা মাইক্রোতে উঠে পড়লো। এই লোককে হাতছাড়া করা যাবে না। শেকড় থেকে কিছু পরিবর্তন আনতে হবে শহরের ক্ষমতাচক্রে। তাতে এক গুরুত্বপূর্ণ কার্ড হয়ে যাবে একজন নিম্নশ্রেণির অস্ত্রব্যবসায়ি, তা হয়তো আক্কাস মোল্লা ও কোনোদিন কল্পনা করেনি। মাইক্রোটা রাতের অন্ধকারে মিলিয়ে গেলে অবশিষ্ট দু’জনকে নিয়ে নিজের গাড়িতে চেপে বসলেন লিয়াকত হোসেন।

    ড্রাইভার কাম ডানহাত জুলফিকার নীরবতা ভাঙলো অনেকক্ষণ পর।

    “জাকি গ্রুপটারে আন্ডারএস্টিমেট করার দিন এখনও আসে নাই।”

    উত্তর দিলেন না প্রাক্তন মেয়র। জুলফিকারের সঙ্গে তিনি পুরোপুরি একমত।

    ***

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article আর্সেন লুপাঁ ভার্সেস হার্লক শোমস
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }