Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    যে হীরকখণ্ডে ঘুমিয়ে কুকুরদল – কিশোর পাশা ইমন

    কিশোর পাশা ইমন এক পাতা গল্প607 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কুকুরদল – ৮

    অধ্যায় ৮

    একজন হাতকাটা মানুষ।

    ক্লাসরুমে পরিপাটি পোশাকে ঢুকে পড়েছে একজন হাতকাটা মানুষ। মোবাইলে “ওয়ার্ল্ড ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপ টু” খেলা থামিয়ে মুহিবকে সেদিকে তাকাতেই হলো।

    গোল ফ্রেমের চশমা। কপালে কুঞ্চিত ভাঁজ, বাঙালির কপালে এমন ভাঁজ দেখা যায় না সচরাচর। চুলগুলো খুব বড় নয়, স্পাইক করে ওপরের দিকে তোলা। ডান গালে একটা ক্ষতচিহ্ন। অক্ষত ডানহাতে ধরা পরিচিত এক ফাইল। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা এমন ফাইল বহন করেন। ভেতরে অ্যাটেন্ডেন্স শিট থেকে দেখে দেখে বোর্ডে তোলার জন্য ‘চোথা’ (যা শিক্ষকদের একাংশকে হাসির পাত্র করে তুলেছে ইতোমধ্যেই, যারা স্রেফ ওই চোখা দেখে দেখেই বোর্ড ভর্তি করেন আর মোছেন এবং চোথা তোলা শেষ হলে লম্বা পায়ে ক্লাস ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে যান) থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্রই রাখা হয়। এই এক ফাইল দেখেই বিষয়টা স্পষ্ট হলো ওদের কাছে।

    একজন স্পাইক করা চুলের একহাতী সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক।

    আগ্রহোদ্দীপক তো বটেই।

    পাশ থেকে শামীম পর্যন্ত বলে উঠলো, “দিস উইল বি ইন্টারেস্টিং, মাইট!”

    ইদানিং অস্ট্রেলিয় অ্যাকসেন্টের প্রতি বাড়তি দরদ শামীমের। মেট-কে বলছে ‘মাইট’। শিট-কে বলছে ‘শাইট’। শামীমের মন্তব্যটা চুপচাপ হজম করলো মুহিব।

    সশব্দে ডান হাতে ধরে থাকা ফাইলটা ডায়াসের ওপর আছড়ে ফেললেন অদ্ভুত শিক্ষকটি। তারপর তাকালেন ক্লাসের দিকে। দৃঢ়, আত্মবিশ্বাসী দৃষ্টি। যেন ওদের চিড়ে ভেতরটা পর্যন্ত দেখতে পাচ্ছেন।

    “হ্যালো, এভরিওয়ান।” ভরাট কণ্ঠে বললেন, “মাই নেইম ইজ জামান খান। দ্য ডেজিগনেশন ইজ প্রফেসর। বাট ইউ মে কল মি রবিন।”

    “এভরিওয়ান’ যথারীতি চুপ করে বসে থাকলো। শুধুমাত্র তিন নম্বর সারি থেকে ইলোরা বলল, “হ্যালো, মি. রবিন। ওয়েলকাম টু আওয়ার ক্লাস।”

    অনেকেই সভয়ে ইলোরার দিকে তাকালো এবার। একজন শিক্ষককে নাম ধরে ডাকার সাহস এই মেয়ে দেখালো কি করে? এই বিশ্ববিদ্যালয়ে এটা রীতিমতো শাস্তিযোগ্য অপরাধ। শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলার নিয়ম হলো, বাক্যের শুরু, মাঝ এবং শেষে তিন তিরিক্কে নয়বার ‘স্যার’ উচ্চারণ করা। তবে ইলোরা নির্বিকার। কাঁধও একবার ঝাঁকালো বাকিদের উৎসুক দৃষ্টির উদ্দেশ্যে। ভাবনাখানা, “যস্মিন দেশে যদাচার।”

    মি. রবিনের চেহারায় বিরক্তির কোনো লক্ষণ নেই। বরং ইলোরার দিকে তাকিয়ে স্মিত হাসলেন, “হোয়াই, থ্যাংক ইউ, মিস-।”

    “ইলোরা।”

    হাল্কা করে তার উদ্দেশ্যে মাথা নোয়ালেন প্রফেসর।

    বোর্ডের দিকে এগিয়ে গিয়ে সুন্দর হস্তাক্ষরে মার্কার দিয়ে লিখলেন “প্রোডাকশন প্রসেস অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট”।

    “আপনাদের আমি এই কোর্সটা পড়াবো। যদি মনে করেন বাংলায় পড়ালে আপনাদের সুবিধে হবে, আমি বাংলায় পড়াবো। নয়তো ইংরেজিতে।”

    একে অন্যের দিকে আরেকবার বিস্ময়ের সাথে তাকালো ওরা। একজন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ক্লাসে তাদের ‘আপনি’ করে বলছেন! এ তো স্রেফ অবিশ্বাস্য। অসম্ভব!

    “স্বপ্ন দেখছি। আমি স্বপ্ন দেখছি।” বলতে বলতে শামীম নিজের হাতেই নিজে চিমটি বসালো, “ব্যথাও তো লাগে।”

    “স্বপ্ন দেখছিস না।” ঠোঁট কামড়ে ব্যথা পরীক্ষা করতে ব্যস্ত মুহিব বলল, “শিট জাস্ট গট রিয়েল।”

    “এখানে আঠারোর কম কেউ আছেন?” ক্লাসের দিকে তাকিয়ে জানতে চাইলেন প্রফেসর।

    কেউ এর উত্তর দিলো না।

    “তারমানে, নেই।” প্ল্যাটফর্মে পায়চারি করতে করতে বললেন তিনি, “আমার নিয়মটা সাধারণ। আপনাদের সবাই বয়সে যেহেতু আঠারোর উর্ধ্বে, আমি আপনাদের ট্রিট করবো অ্যাডাল্ট হিসেবে। বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর যে দিকটি আমার সবচেয়ে খারাপ লাগে, শিক্ষক মাত্রই ছাত্রকে ছোট করে দেখেন। অথচ তারা ভুলে যান, একসময় ছাত্রজীবন তাদেরও পার করে আসতে হয়েছে। আমার ক্লাসরুমে এরকম কোনো বৈষম্য থাকবে না। কারণ সামনে যারা বসে আছেন, আপনারাই ভবিষ্যতে আমার সমান কিংবা তার থেকেও বেশি যোগ্যতার অধিকারী হবেন। এই বিশ্বাসটা আপনাদের মধ্যে আসাটা জরুরি।”

    “জোস।” বিড়বিড় করে বলে উঠলো মুহিব।

    প্রায় সঙ্গে সঙ্গে পায়চারি থামিয়ে দাঁড়িয়ে গেলেন প্রফেসর, “ফিসফিস করে বলার কিছু নেই, যদি না একান্ত গোপন কোনো কথা হয়ে থাকে। আগেই বলেছি, এটা বিশ্ববিদ্যালয়। স্কুল নয়। কাজেই আপনারা আতঙ্কে সিঁটিয়ে থাকছেন তা দেখতে দৃষ্টিকটু লাগছে। এই মাত্রই কে যেন নিচু গলায় কিছু বললেন। আশা করবো কথাটা আপনি জোরে বলবেন।”

    অগত্যা উঠে দাঁড়াতে হলো মুহিবকে, “স্যার, আমি বলেছিলাম আপনি জোস।”

    ক্লাসজুড়ে হাসির রোল পড়ে গেলো। মৃদু হাসলেন প্রফেসরও, “আপনার নামটা, মি.-?”

    “মুহিব্বুল্লাহ খান। নিকনেম, মুহিব।”

    “মি. মুহিব।” মাথা দুলিয়ে তাকে বসতে ইশারা করলেন তিনি, “আপনাকে ধন্যবাদ। ভবিষ্যতে যে কোনো মন্তব্য আপনি প্রকাশ্যেই করবেন আশা করি। এমনকি সেটা আমার জন্য সুখকর না হলেও।”

    শয়তানি হাসি খেলে গেলো মুহিবের ঠোঁটে, “অর্থাৎ যদি আপনার পড়ানো ভালো না লাগে, তাহলে তাও আমি জানাতে পারবো?”

    মাথা দোলালেন প্রফেসর, “অবশ্যই। অবশ্যই জানাবেন। যদিও আমি জানি আপনারা তেমনটা করেন না। কারণ আমার কলিগরা…” নাক মুখ কুঁচকে বিচ্ছিরি এক মুখভঙ্গি করলেন তিনি, যেন প্রবল ঘেন্না আর অবজ্ঞা মেশানো আছে তাতে, “…অসহিষ্ণু। ওধরণের মন্তব্য আপনারা করলে তাদের পর্বতসম অহমিকায় ঘা পড়ে। যাক সেসব কথা। আমার মুখের ওপর নেগেটিভ মতামত দিতে আপনারা দ্বিধা করবেন না। এতে করে কারও নাম্বার কাটা পড়বে না ফাইনালে। এই কথা আমি আপনাদের দিচ্ছি।”

    একে অন্যের দিকে দ্বিধাভরে তাকালো শামীম আর লিটু।

    “নিজের পরিচয়টা প্রথমে পরিস্কার করি। আমাকে আপনাদের বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গনে আপনারা আগে দেখেননি। কোত্থেকে উড়ে এসে জুড়ে বসলাম, এই প্রশ্ন আপনাদের মনে জাগবার কথা।” ডায়াসের পেছনে গিয়ে দাঁড়ালেন তিনি, “ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির একজন প্রফেসর ছিলাম আমি। সংক্ষেপে একে বলে ক্যালটেক। ঠিক এখানটাতেই আপনাদের প্রশ্ন করার কথা, ওয়ার্ল্ড র‍্যাংকিংয়ে টপ টেনের মধ্যে থাকা একটা বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে আমি কেন এমন এক বিশ্ববিদ্যালয়ে এলাম যেটা বিশ্ব র‍্যাংকিংয়ে বিশ হাজারের মধ্যে নেই?”

    মাথা নাড়লো অনেকেই।

    “দেশপ্রেমের বুলি আমি দিতে পারতাম। তবে কারণ সেটা নয়।” বোর্ডের দিকে একটু ঘুরে গেলেন তিনি, “আজকে আমি আপনাদেরকে ম্যানেজমেন্টের ব্যাসিক কিছু জিনিস নিয়ে বলবো।” ক্লাসের ফার্স্ট বয় তুহিনকে বইয়ের দিকে হাত বাড়াতে দেখে মাথা নাড়লেন, “না না, এজন্য বইয়ের দরকার পড়বে না। আমি কয়েকটা মজার গল্প শোনাবো কেবল, দ্যাটস অল।”

    অনেকখানি হতাশা নিয়ে প্রফেসর রবিনের দিকে তাকালো ওরা। ক্যালটেক ফেলে এই পোড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি কি করছেন তার উত্তর পাওয়া হলো না।

    শামীম এবার খাতায় বড় বড় করে লিখলো, “দিস উইল বি ইন্টারেস্টিং, মাইট! দিস উইল বি।”

    *

    ক্যাফেতে পা রেখেই চেপে রাখা দমটা ছেড়ে দিলো মুহিব, “মার্ভেলাস! মার্ভেলাস। এবার যদি এই ভার্সিটির কিছু পাল্টায়।”

    শামীম মাথা নাড়লো, “নো ওয়ে, ম্যান। তিনি একজন প্রফেসর কেবল। ভাইস চ্যান্সেলর তো আর নন। কিন্তু এমন আর দু’-চারটা প্রফেসর এই ভার্সিটিতে ঢুকলেই কাজ হয়ে যেতো।”

    চোখ নাচালো ইলোরা, “লক্ষণ সেনকে নিজের মাটিতে পরাস্ত করতে একজন ইখতিয়ারউদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজিই যথেষ্ট।”

    মুখ বাঁকালো মুহিব, “বখতিয়ার খিলজি তো ছিল এক ডাকাতদলের সর্দার। হুড়মুড় করে বাংলা দখল করতে হাজির। আরে ব্যাটা তোর সমস্যাটা কি? অন্যের এলাকায় অস্ত্র নিয়ে ঢুকে পড়ার দরকার ছিল কোনো? মেটাফোর হিসেবে তুই যাচ্ছেতাই এক উদাহরণ টানলি, মুখপুড়ি।”

    মুখপুড়ি খেতাবের সাথে ইলোরার গাত্রদাহের সম্পর্ক। কিছু না বললেও একেবারে গোমড়া হয়ে গেলো সে।

    হল ভ্যাকেন্ট হওয়ার পর খুলেছে মাত্র। তিন সপ্তাহ পর ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি শান্ত হয়ে এসেছে অনেকটাই। শামস হত্যার বিষয়টা থিতিয়ে এসেছে অনেকটা। যদিও এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আলোচনা হয় ওই এক ঘটনা নিয়ে, তারপরও আগের মতো নয়। সময় মানুষের সব ধরণের ক্ষত সারানোর ক্ষেত্রে অব্যর্থ এক নিয়ামক। ইলোরা আর লিটু ভুত অভিযানের পরদিনই সরাসরি শামীমদের ফ্ল্যাট থেকে নিজেদের বাসার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলো। থেকে গিয়েছিলো শামীম আর মুহিব, তবে তিন দিনের বেশি সময়ের জন্য নয়।

    শামস হত্যাকাণ্ডের ‘তদন্ত’ যথারীতি চলছে ‘কয়েক সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠনের’ মাধ্যমে। এবং তা চলতেই আছে। মুহিবের নাম এখন পর্যন্ত কোথাও ওঠেনি, বিষয়টা স্বস্তির। অর্থাৎ মুহিব সেরাতে ওখানে ছিল তার সপক্ষে কোনো প্রমাণ কর্তৃপক্ষের হাতে নেই। এমনকী কেউ এখনও জানে না পর্যন্ত বিষয়টি! ধীরে ধীরে মুহিবের জীবনযাত্রা স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে সার্বক্ষণিক সঙ্গ দিচ্ছে তিন বন্ধু।

    ক্যাফেটেরিয়ার একটা টেবিল দখল করে ওরা চারজন ছড়িয়ে ছিটিয়ে বসলো।

    “হাকারবিন।” দীর্ঘ নীরবতা ভেঙে অবশেষে বলল লিটু।

    “কি বিন?” মুহিবকে এড়িয়েই লিটুর দিকে তাকিয়েছে ইলোরা

    “হাত কাটা রবিন। হাকা রবিন। হাকারবিন।” এমনভাবে লিটু বলল যেন এতে করেই সব ব্যাখ্যা দেওয়া হয়ে যাচ্ছে, “জাফর স্যারের কিশোর উপন্যাসিকা।”

    “তাইতো!”

    মুহিবের মতো উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে পারলো না শামীম আর ইলোরা। ওদের মতো বই পোকা নয় তারা। প্রকৌশল বিদ্যা পড়তে আসা ছেলেমেয়েদের মধ্যে খুব অল্পসংখ্যক-ই গ্রন্থভূক হয়ে থাকে।

    “হাত কাটা রবিন। মুহম্মদ জাফর ইকবালের একটা বই। প্রধান চরিত্রদের একজনের নাম রবিন। বেচারার হাত কনুই থেকে কাটা। ঠিক আমাদের প্রফেসর রবিনের মতোই। শুধু বয়সে কম এই যাহ।”

    “হয়তো জাফর স্যারের সময়ে যে ছোট্ট রবিন ছিল সেই বড় হয়ে ক্যালটেকের প্রফেসর হয়েছেন।” চোখ টিপ দিলো ইলোরা।

    “প্রফেসর কি করেন দেখা যাক। এদিকে ন্যাংটামি কিছু যদি কমাতে পারেন ইন্সটিটিউশনটার একটা গতি হলেও হতে পারে।”

    কিসের কথা বলা হচ্ছে তা ওরা সবাই জানে। গত বছর থেকে ওদের বিশ্ববিদ্যালয় একশ’ কোটি টাকা পেয়েছে গবেষণার জন্য। ফাইনাল ইয়ারে আন্ডারগ্র্যাড স্টুডেন্ট এখানে আছে আটশ’জনের মতো। আন্ডারগ্র্যাডে সাধারণত দু-জন করে এক গ্রুপে গবেষণা করে। প্রতিটি গ্রুপেরই রিসার্চ বাবদ খরচ হয় বিশ হাজার থেকে লাখ দুয়েক টাকা। অথচ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তারা পায় মাত্র আড়াই হাজার টাকা। বাকি টাকা যায় নিজেদের পকেট থেকে।

    শেষ বর্ষে রিসার্চ না করে ইঞ্জিনিয়ারের সার্টিফিকেট পাওয়া সম্ভব নয়। কাজেই নিজের পকেট থেকে দিয়ে হলেও গবেষণা তো শেষ করতেই হবে। সবাই তা করেও, তবে প্রশ্নটা আসে অন্যখানে। চারশ’ গ্রুপকে আড়াই হাজার টাকা দেওয়া হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের খরচ হয় দশ লাখ টাকা। গবেষণার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকারি বরাদ্দ একশ’ কোটি টাকা, অথচ ছাত্ররা পাচ্ছে দশ লাখ।

    কোথায় একশ’ কোটি টাকা আর কোথায় দশ লাখ?

    তার থেকেও গুরুত্ব রাখা প্রশ্নটা হলো, তবে নিরানব্বই কোটি নব্বই লাখ টাকা যায় কার পকেটে?

    এই প্রশ্ন করা অবশ্য এখানে নিষিদ্ধ। কেউ ভুল করে প্রশ্নটা করে ফেললে তাকে মুখস্ত উত্তর দেন শিক্ষকরা, অবশ্যই রোল নাম্বার জিজ্ঞেস না করে নয়!

    “আমাদের সময় তো দুই হাজারেই রিসার্চ হতো। চল্লিশ বছর ধরে এতোগুলো ‘সিরিজ’ পারলে তোমাদের বেলায় কেন–”

    এর ওপর কথা তোলার কে আছে? আন্ডারগ্র্যাডের স্টুডেন্টরা খুব বেশি কিছু চায় না। রিসার্চ বাবদ তাদের বরাদ্দটা দশগুণ বাড়ানো হোক, এই তাদের চাওয়া। দুই কোটির ব্যাপার, মোট বাজেটের মাত্র দুই শতাংশ। এতোটুকু না পাওয়া গেলে শিক্ষকদের এই অবিচারকে তারা একটা শব্দ দিয়েই সংজ্ঞায়িত করে।

    ন্যাংটামি।

    “এসব কমবে না। সরকারের উচিত আসলে এসব বাজেট ঘোষণা না করা।” ইলোরা বলল, “অন্য কোনো খাতে টাকাটা দিলেই পারতো। রাজনীতিবিদেরা এই টাকা হজম করে ফেলুক। তাদের আমরা সরকারি টাকা মেরে কেটে খেতে দেখে অভ্যস্ত। শিক্ষক জাতটাকে কোটি কোটি টাকা হাতে তুলে দিয়ে নষ্ট করে ফেললো না? আমাদের চোখে মহৎ পেশাটিকেও চোরদের কাতারে নামিয়ে আনলো না?”

    “সরকার তো বরাদ্দ দেবেনই। সেই টাকা মেরে খেয়ে ফেলাটা যারা চুরি করছে তাদের নিজস্ব সমস্যা। এজন্য পুরো শিক্ষকতা পেশাকে দোষ দেওয়া অন্যায় হবে। সব পেশাতেই কিছু ন্যাংটা থাকে। মক্কাতেও চোর আছে।”

    পক্ষে বিপক্ষে আলাপ চলছে, তবে তাদের সঙ্গে যোগ দিতে পারছে না মুহিব। কাউন্টারের সামনে একটা হট্টগোল হচ্ছে। সেদিকে একপলকে তাকিয়ে আছে সে। হট্টগোলটা যে করছে সে সরকারদলীয় কর্মি। আস্তে করে চেয়ার ঠেলে এগিয়ে গেলো মুহিব।

    তোমার বাপের ক্যাফে না এইটা, ঠিক আছে?” দৃঢ় গলায় বলল কমিটি, “এইখানে এই সব চলবো না।”

    ক্যাফের শাহরিয়ার ভাইয়ের অবস্থা এখন বড়ই করুণ। সরকারদলীয় কর্মীর সঙ্গে লাগতে যাওয়ার ইচ্ছে কি তারও ছিল? না। নেহায়েত পিঠ দেওয়ালে ঠেকে গিয়েছে বলে আপোষে আসার চেষ্টা করতে হচ্ছে তাকে। আরেকবার বোঝানোর চেষ্টা করলো সে, “জহিরভাইরে বিষয়টা ক্লিয়ার করছি তো, ভাই। উনাকে একটা ফোন দিয়ে দেখেন না? নেমকহারামি করার লোক এই শাহরিয়ার না, ভাই।”

    মুহিব বুঝতে পারলো, ঝামেলাটা চাঁদাবাজি সংক্রান্ত। শাহরিয়ার ভাই নেতার চাঁদার টাকা দলের একজন কর্মিকে দিয়ে দিয়েছেন। তবে একই নেতার অপর এক কর্মি আলাদা করে আবারও চেয়ে বসেছে। মাসে দুই বার দেওয়ার মতো অঙ্ক তাদের ধার্য চাঁদার না।

    কমিটি অবশ্য এসব ছেঁদো কথায় কান দিতে রাজি নয়। খপ করে শাহরিয়ারের কলার চেপে ধরলো সে, “বেশি চালাকি করার চেষ্টা করিস না, মাগির পুত—’

    বজ্রাহতের মতো ওখানেই দাঁড়িয়ে গেলো মুহিব। কণ্ঠটা শুনেই নাড়া খেয়েছিলো সে। এখন আর কোনো সন্দেহ নেই।

    এই ছেলেই শামসের গলায় ছুরি চালিয়েছিলো।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article আর্সেন লুপাঁ ভার্সেস হার্লক শোমস
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }