Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    ঋজু গাঙ্গুলী এক পাতা গল্প413 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মরণ ঘুম – ১৬

    ১৬

    যে জানলাটার কাচে গুলি লেগেছিল, সেটাকে কাছ থেকে দেখলাম। কাচটা ছ্যঁাদা করে গুলি বেরোয়নি, বরং ওই অংশটাই চুরমার হয়েছে। পাশের প্লাস্টারে একটা ছোটো গর্ত দেখে বুঝলাম, গুলিটা ওখান দিয়ে বেরিয়ে গেছে। ঝটপট পর্দা টেনে জায়গাটা ঢেকে দিলাম। কারমেনের পিস্তলটা বের করে দেখলাম। একটা .২২ ক্যালিবারের ব্যাংকার্স স্পেশাল, হলো পয়েন্ট কার্ট্রিজের জন্যই বানানো। বাঁটে একটা ছোট্ট রুপোলি প্লেটে লেখা ছিল, ‘কারমেনকে দিলাম, ওয়েন’।

    মেয়েটা কারো মাথা চিবোতে বাকি রাখেনি বোধ হয়!

    আমি ব্রোডির কাছে বসে ওর মুখের দিকে খানিকক্ষণ তাকিয়ে রইলাম। অ্যাগনেস একটা ছোট্ট আয়নায় নিজের মুখের চেহারা ঠিকঠাক করছিল তখন। ব্রোডি হতাশ ভঙ্গিতে বলল, ‘আর কী জানতে চান?’

    ‘টাকা জোগাড়ের জন্য বুড়োর বদলে মিসেস রেগানকে ধরেছিলেন কেন?’

    ‘মাস ছ-সাত আগে বুড়োর কাছ থেকে কিছু টাকা জোগাড় করেছিলাম। আবার ওঁর কাছে যেতে সাহস হয়নি। যদি পুলিশ ডাকেন…’

    ‘মিসেস রেগান ওঁর বাবাকে ব্যাপারটা বলতে পারেন— এটা একবারও মনে হয়নি?’

    কিছুক্ষণ চুপ করে রইল ব্রোডি। তারপর বলল, ‘আপনি মিসেস রেগানকে কতটা চেনেন?’

    ‘এখনও অবধি মোটে দু’বার ওঁর সঙ্গে কথা বলার সৌভাগ্য হয়েছে। বুঝতে পারছি, আপনি ওঁকে আমার চেয়ে ভালো চেনেন।’

    ‘মহিলার স্বভাবটা একটু উড়ু উড়ু টাইপের। আমি ভেবেছিলাম, কয়েকটা জিনিস উনি নিজের বাবাকে জানাতে চাইবেন না। তা ছাড়া পাঁচ হাজার ডলার তুলতে ওঁর খুব একটা কষ্ট হওয়ার কথা নয়।’

    ‘ব্যাখ্যাটা আপাতত মেনে নিতেই হচ্ছে। ভালো কথা, আপনি কী করেন? মানে এসব নয়, কী করে পেট চালান?’

    ‘বিমার দালালি। ওয়েস্টার্ন আর সান্তা মনিকা ক্রসিং-এর ফুলওয়াইডার বিল্ডিং-এ আমার অফিস। কিন্তু গত মাস দুয়েক আমি কোনো কাজকর্ম পাইনি। কীভাবে যে চালিয়েছি…!’

    ‘বইগুলো কি আপনার অ্যাপার্টমেন্টেই আছে?’

    ‘মাথা খারাপ!’ ওর আচরণে আত্মবিশ্বাস ফিরে আসছিল পুরোদমে, ‘ওগুলো গুদামে রাখা আছে। গাইগারের দোকান থেকে সরাসরি আমার অ্যাপার্টমেন্টে ওই জিনিস এলে লোকে পাঁচকথা বলবেই।’

    ‘আপনার বুদ্ধি আছে।’ মন থেকেই বললাম, ‘ওই ফটোর প্লেট পেলেন কীভাবে?’

    ‘এই শুনুন!’ এবার সোজা হয়ে বসল ব্রোডি, ‘আপনি যা চেয়েছিলেন, তা পেয়েছেন। সেও আবার কোনোরকম খরচাপাতি না করেই পেয়েছেন। এবার বিদেয় হোন। আপনার ক্লায়েন্টকে গিয়ে যা খুশি বোঝান। আমার আর কিচ্ছু বলার নেই।’

    আমি ব্রোডিকে খুঁটিয়ে দেখলাম। ওর মুখ নির্বিকার থাকলেও হাত কাঁপছিল। বললাম, ‘এখানে ঠিক কী হয়েছিল সেই নিয়ে আমাদের সবাইকে একটাই গল্প বানাতে হবে কিন্তু। যেমন ধরুন, কারমেন এখানে আসেনি। ওটা একটা দিবাস্বপ্ন ছিল।’

    ‘দিবা দুঃস্বপ্ন!’ ব্রোডি খিঁচিয়ে উঠল, ‘বেশ। তাই হবে, তবে…’

    দু-আঙুল জুড়ে ও যে ভঙ্গিটা করল সেটা বিশ্বসুদ্ধ সবাই চেনে। উত্তরে সবাই যা বলে, আমিও তাই বললাম, ‘কিছু পাবেন। হাজার-ফাজার নয়, তবে পাবেন। এবার বলুন তো, প্লেটটা কোত্থেকে পেলেন?’

    ‘একজন আমাকে দিয়েছে।’

    ‘তাই নাকি?’ আমি হাসলাম, ‘যে দিয়েছে, তাকে আপনি নিশ্চয় আগে কখনো দেখেননি। আবার দেখা হলে চিনতেও পারবেন না— তাই তো?’

    ‘লোকটার পকেট থেকে ওটা পড়ে গেছিল।’ ব্রোডি চোখ সরু করে বলল।

    ‘চমৎকার। কাল রাতে কোথায় ছিলেন সেই ব্যাপারে অ্যালিবাই আছে তো?’

    ‘আলবাত। আমি এখানেই ছিলাম। অ্যাগনেস আমার সঙ্গে ছিল, তাই তো অ্যাগনেস?’

    অ্যাগনেস যেভাবে ব্রোডি-র দিকে তাকাল সেটা দেখে আমি আর নিজেকে সামলাতে পারলাম না। হো হো করে হেসে আমি উঠে দাঁড়ালাম। তারপর ব্রোডিকে বললাম, ‘নিজের গলায় যে দড়িটা পরাচ্ছেন সেটার মাপ, রং, দাম— এগুলোও ভেবে রাখুন। ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির সুবিধেই হবে।’

    বড়ো ডেস্কটার পাশে দাঁড়িয়ে পকেট থেকে ব্রোডি-র দুটো বন্দুকই বের করলাম। সেগুলো সুন্দরভাবে টেবিলের ওপর সাজিয়ে আমি সোফা থেকে নিজের টুপিটা নিয়ে মাথায় চড়ালাম। তারপর দরজার কাছে গেলাম।

    ‘শুনুন!’ পেছন থেকে ব্রোডি আর্তনাদ করল। আমি ওর দিকে ফিরলাম। ব্রোডি আর অ্যাগনেস যেভাবে আমার দিকে তাকিয়ে ছিল, সেই দৃষ্টিটা আমি হাড়ে হাড়ে চিনি। ধূর্ততা, ভয়, আর অসহায় রাগের ককটেল ওটা। অ্যাগনেস নিজের মাথা থেকে একটা চুল টেনে ছিঁড়ল।

    ‘আপনি আদৌ পুলিশের কাছে যাবেন না।’ ব্রোডি কড়া গলায় বলে উঠল, ‘আপনি স্টার্নউডদের হয়ে কাজ করছেন, তাই না? আমার কাছে ওদের ব্যাপারে যা সব জিনিস আছে তাতে ওরা আমাকে ছুঁতেও পারবে না। যা খুশি তাই করুন!’

    ‘আপনি বরং ভেবে দেখুন কী বলবেন।’ আমি বিরক্ত হওয়ার ভাব ফুটিয়ে বললাম, ‘একবার বললেন আমাকে বিদায় হতে। যখন বেরিয়ে যাচ্ছি, তখন আবার এ সব শোনাচ্ছেন। আপনি আমার কাছে ঠিক কী চাইছেন?’

    ‘আপনি আমার কিস্সু করতে পারবেন না!’ ব্রোডির মুখ লাল হয়ে উঠছিল।

    ‘মাত্র দুটো খুন আপনার ওপরে চাপানো যাবে।’ আমি বললাম, ‘আপনার কাছে বোধ হয় ওটা খুব একটা বড়ো ব্যাপার নয়। তাহলে আসি?’

    ব্রোডি লাফিয়ে উঠল। বেশি নয়, হয়তো ইঞ্চিখানেক। কিন্তু ওই পরিবেশে আমাদের মনে হল, ও বোধ হয় ছাদ ছুঁয়ে ফেলবে। ওর মুখ কেমন যেন সবুজ আর ছাই রঙের মাঝামাঝি হয়ে গেছিল। অ্যাগনেস সোফার হাতলে মুখ গুঁজে একটা আর্ত চিৎকার করে উঠল। আমি চুপচাপ দাঁড়িয়ে রইলাম।

    ‘আপনি বসুন।’ ব্রোডি ঠোঁট ভিজিয়ে বলল, ‘এর মধ্যে দুটো খুন কোত্থেকে এল?’

    আমি দরজায় হেলান দিয়ে বললাম, ‘কাল রাতে সাড়ে সাতটা নাগাদ আপনি কোথায় ছিলেন?’

    কিছুক্ষণ চুপ করে রইল ব্রোডি। তারপর নীচু গলায় বলল, ‘আমি একটা লোকের ওপর নজর রাখছিলাম।’

    ‘কার ওপর?’

    ‘গাইগার। ওর ব্যাবসায় পার্টনার হয়ে ঢুকতে চাইছিলাম আমি। ভেবেছিলাম, এখানকার কোন মহারথী-র আশীর্বাদ ওর মাথায় আছে, সেটা জানতে পারলে ওকে চাপ দেওয়া সহজ হবে। কিন্তু ক-দিন ধরেই দেখেছি, মেয়েরা ছাড়া কেউ ওর বাড়িতে আসে না।’

    ‘ভুল দেখেছিলেন। যাইহোক, কাল রাতে কী হল?’

    ‘তুমুল বৃষ্টি হচ্ছিল। গাইগারের বাড়ির সামনে ওর গাড়িটা ছিল। সেখান থেকে একটু সামনে আরেকটা গাড়ি রাখা ছিল। গাইগারের বাড়ির পেছনে, কিছুটা নীচে যে রাস্তাটা আছে, আমি সেখানেই নিজের গাড়িতে বসে ছিলাম। আমার গাড়ি থেকে কিছুটা এগিয়ে ওই রাস্তাতেই একটা বড়ো গাড়ি পার্ক করা ছিল। গাড়িতে কেউ ছিল না। কিন্তু বৃষ্টির মধ্যেও বেরিয়ে জানলার কাচে আলো ফেলে বুঝেছিলাম, গাড়িটা ভিভিয়েন রেগানের নামে রেজিস্টার করা। বেশ কিছুক্ষণ ওখানে রইলাম। কিছুই হল না। আমি কেটে পড়লাম— ব্যস।’

    ‘হতে পারে।’ আমি সায় দিলাম, ‘ওই গাড়িটা এখন কোথায় জানেন?’

    ‘আমি কী করে জানব?’

    ‘শেরিফের গ্যারেজে। লিডো-র মাছধরার জেটির নীচে, প্রায় বারো ফুট গভীর জলের মধ্যে থেকে গাড়িটা তোলা হয়েছে। তাতে একটি লোকের মৃতদেহও পাওয়া গেছে। লোকটাকে কিছু দিয়ে জোরে মারা হয়েছিল। ওর থ্রটলটাও অর্ধেক নামানো ছিল।’

    ‘এটা…’ ব্রোডি ঘন ঘন শ্বাস ফেলছিল, ‘এটা আপনি আমার ঘাড়ে চাপাতে পারবেন না।’

    ‘কেন পারব না? গাড়িটা মিসেস রেগানের। উনি কাল রাতে ওখানে ছিলেন না— তার সাক্ষী আছে। গাড়িটা চালাচ্ছিল স্টার্নউডদের ড্রাইভার ওয়েন টেলর। ওয়েন কারমেনকে ভালোবাসত। ও গাইগারের বাড়িতে গেছিল গাইগারকে ভয় দেখাতে, যাতে গাইগার কারমেনের সঙ্গে উলটোপালটা কিছু না করে। পেছনের একটা দরজা খুলে ও ভেতরে ঢুকে দেখল, গাইগার কারমেনের ওই বিশেষ পোজে ফটো তুলছে। ওয়েনের হাতে বন্দুক ছিল। এইসব অবস্থায় যা হয়, তাই হল। গুলি চলল। গাইগার খুন হল। ওয়েন ফটোর প্লেট নিয়ে পালাল। আপনি ওর পিছু নিয়ে ওর কাছ থেকে প্লেট জোগাড় করলেন। এ ছাড়া অন্য কোনো উপায়ে তো আপনার পক্ষে ওটা পাওয়া সম্ভব নয়।’

    ‘ঠিক।’ ব্রোডি খসখসে গলায় বলল, ‘কিন্তু ওকে আমি মারিনি। কেন মারব? আমি গুলির আওয়াজ শুনেছিলাম। গুলি যে চালিয়েছে তাকে পেছনের সিঁড়ি দিয়ে নেমে গাড়িতে বসে গাড়ি চালিয়ে বেরিয়ে যেতেও দেখেছিলাম। আমি ওর পিছু নিলাম। বিভারলি হিলস পেরিয়ে যাওয়ার পর ভেজা রাস্তায় ওর গাড়ির চাকা স্কিড করছিল। বাধ্য হয়ে ও একধারে গাড়ি থামাল। আমি ওর কাছে গিয়ে পুলিশ সাজলাম। ছোকরা বন্দুক বের করেছিল। কিন্তু ও এতটাই নার্ভাস ছিল যে এক ঝটকায় ওর বন্দুকটা নীচে ফেলে দিতে আমার সমস্যা হয়নি। ওর মাথায় ব্ল্যাকজ্যাকের এক ঘা দিতেই ও অজ্ঞান হয়ে গেল। আমি ওর তল্লাশি নিয়ে বুঝলাম ও কে। তখনই প্লেটহোল্ডারটা আমি দেখি। সেটা বের করেও নিই।’

    ‘তারপর?’ আমি সোফায় বসে বললাম।

    ‘ড্রাইভারের পরিচয় পেয়ে আর প্লেটটা দেখে আমার সব ঘেঁটে গেল। বোঝার চেষ্টা করছিলাম, ঠিক কী হয়েছে গাইগারের বাড়িতে। তখনই ছোকরার জ্ঞান ফিরল। আমাকে এক ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিয়ে ও অন্ধের মতো গাড়িটা চালিয়ে দিল। কোথায় গেল, কীভাবে গেল— আমি আর কিছুই জানি না।’

    ‘ও-ই যে গাইগারকে মেরেছে, এটা কখন বুঝলেন?’

    ‘গুলির শব্দ শুনেই মনে হয়েছিল। প্লেটটা ডেভেলপ করার পর দুয়ে দুয়ে চার করেছিলাম আমিও— ওই যেভাবে আপনি বললেন। আজ সকালে যখন গাইগার ওর দোকানে গেল না, এমনকী ফোনও ধরল না, তখন নিশ্চিত হয়ে গেলাম। ঠিক করে ফেললাম, ওর বইগুলো এই তালে সরিয়ে ফেলা যাক। স্টার্নউডদের সঙ্গে আমার পেয়ার-মোহব্বত অনেকদিনের। ভাবলাম, এই সুযোগে ওদের কাছ থেকেও কিছু কামিয়ে নেওয়া যাক।’

    ‘এই অবধি তো ঠিকই আছে।’ আমি মাথা নেড়ে সায় দিলাম, ‘গাইগারের লাশ কখন সরালেন?’

    ‘আপনি খেপেছেন!’ ব্রোডি আবার লাফিয়ে উঠল, ‘ওই জায়গায় তো পুলিশের থিকথিক করার কথা তখন। আমি সেখানে গিয়ে লাশ গায়েব করব?’

    ‘কেউ একজন লাশটা সরিয়েছে।’

    ব্রোডি-র মুখ দেখে স্পষ্ট বুঝতে পারছিলাম, ও আমার কথা বিশ্বাস করছে না। নির্বিকার ভঙ্গিতে ও আমার দিকে তাকিয়ে ছিল। তখনই আবার দরজার ঘণ্টিটা বাজতে শুরু করল। ব্রোডি উঠে দাঁড়িয়ে ডেস্কে রাখা বন্দুক দুটোর দিকে তাকাল। তারপর দাঁতে দাঁত ঘষে বলল, ‘আবার এসেছে!’

    ‘যদি এসেও থাকে,’ আমি ওকে সান্ত্বনা দিলাম, ‘এখন ওর কাছে আর কোনো বন্দুক নেই। কিন্তু আপনার কোনো বন্ধুও তো এসে থাকতে পারে, তাই না?’

    ‘চুলোয় যাক!’ লম্বা লম্বা পা ফেলে টেবিল থেকে কোল্টটা তুলে নিল ব্রোডি, ‘আমি এ জিনিস আর সহ্য করতে পারছি না।’

    কোল্টটা নিজের ডান হাতে নিয়ে, সেটাকে থাইয়ে চেপে ধরে বাঁ-হাত দিয়ে দরজার হাতল ঘোরাল ব্রোডি। দরজাটা ফুটখানেক ফাঁক হল। ওই ফাঁকে নিজের শরীরের ভর কিছুটা ছেড়ে ব্রোডি সামনে ঝুঁকল।

    একটা অস্ফুট প্রশ্ন শুনলাম, ‘ব্রোডি?’

    ব্রোডি কী বলল, সেটা আমি শুনতে পাইনি। পরের দুটো আওয়াজ ভোঁতা শোনাল, মানে বন্দুকটা ওর শরীরে ঠেকিয়েই গুলি চালানো হয়েছিল। ব্রোডি এবার শরীরের পুরো ভার দরজার ওপর ছেড়ে দিল। ওই ভারে দরজাটা সপাটে বন্ধ হল। ওর শরীরটা দরজা বেয়ে ঘষটে নেমে এল। পায়ের ধাক্কায় কার্পেটটা একটু পিছিয়ে গেল। ওর মাথাটা দরজার ধারে আটকে ছিল। ও নড়ছিল না। কোল্টটা তখনও ওর ডান হাতে ধরা ছিল।

    প্রায় এক লাফে আমি দরজার কাছে পৌঁছোলাম। ব্রোডি-র শরীরটা গড়িয়ে একপাশে সরালাম, যাতে দরজা খোলা যায়। বেরিয়ে করিডোরে এলাম। উলটোদিকে একটু দূরের একটা ঘরের দরজা খোলা ছিল। সেখানে দাঁড়িয়ে এক বয়স্ক মহিলা ভয়ে থরথর করে কাঁপছিলেন। হাত তুলে তিনি হলের সোজাসুজি দিকটা দেখিয়ে দিলেন। আমি ওদিকে ছুটলাম। শুনতে পাচ্ছিলাম, ধুপ ধাপ করে কেউ দ্রুত সিঁড়ি দিয়ে নেমে যাচ্ছে। আমি যখন নীচে লবিতে পৌঁছোলাম, তখন সামনের দরজাটা বন্ধ হচ্ছে। দ্রুত সরে যাওয়া পায়ের শব্দ পাচ্ছিলাম। দরজা খুলে একলাফে বাড়ির বাইরে এসে পড়লাম।

    লেদার জার্কিন পরা একটা লম্বা লোক কোনাকুনি দৌড়ে পার্ক করা গাড়িগুলোর মাঝের জায়গাটা পার হচ্ছিল। লোকটা আমার দিকে ঘুরল। আমি আগুনের ঝলক দেখলাম। পাশের দেওয়াল থেকে পরপর দুটো ভারী আওয়াজ এল।

    এক স্থানীয় ভদ্রলোক আমাকে ওভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে চেঁচিয়ে উঠলেন, ‘কী হচ্ছে এখানে?’

    ‘গুলি চলছে।’

    ‘বাপরে!’ বলে ভদ্রলোক প্রায় গুলির মতোই অ্যাপার্টমেন্ট হাউসে ঢুকে পড়লেন। আমি নিজের গাড়ি অবধি হেঁটে গিয়ে স্টার্ট দিলাম। তারপর গাড়ি চালিয়ে ধীরেসুস্থে টিলা বেয়ে নীচে নামলাম। অন্য কোনো গাড়ি স্টার্ট নেওয়ার শব্দ পাইনি বলে লোকটাকে ধরার একটা প্ল্যান ছকে ফেলেছিলাম। সেই অনুযায়ী প্রায় দেড় ব্লক গিয়ে আমি একটা ক্রসিং-এ আবার গাড়ি ঘুরিয়ে এদিকেই এলাম। দুটো গাড়ির মধ্যে পার্ক করার জায়গা খুঁজে নিয়ে আমি নীচু হয়ে অপেক্ষা করতে লাগলাম। কারমেনের রিভলভারটাই বাধ্য হয়ে হাতে নিয়েছিলাম। হালকা শিসের শব্দ কানে আসছিল। শিস্‌ দেওয়া মানুষটির পায়ের শব্দ একদম কাছে এলে আমি সোজা হয়ে তার কাছে পৌঁছে বললাম, ‘দেশলাই আছে?’

    লোকটা… না, ছেলেটা বিদ্যুদ্্বেগে পেছন ফিরল। প্রায় সঙ্গেসঙ্গেই ওর ডান হাত জার্কিনের মধ্যে ঢুকল। তবে আমার হাতও ফাঁকা নেই দেখে ও নিজের হাতটা সাবধানে বের করে আনল।

    রাস্তা থেকে ছলকে আসা আলোতেও ছেলেটার চোখজোড়া ভারি সুন্দর লাগছিল। শুধু চোখ নয়, ঈষৎ ফ্যাকাশে কিন্তু ধারালো মুখ, কোঁকড়ানো একমাথা চুল, ছিপছিপে চেহারা দেখে ওই ‘সুন্দর’ বিশেষণটা ওর সম্বন্ধে নির্দ্বিধায় প্রয়োগ করা যায় – এটা আমাকে মানতেই হল।

    গাইগারের দোকানের সেই ছেলেটা!

    ‘বড্ড ভালোবাসতে ওকে, তাই না?’ আমি বললাম।

    মুখের একটা পেশিও না কাঁপিয়ে আমাকে কয়েকটা গালাগাল দিল ছেলেটা। আমরা ওখানেই দাঁড়িয়ে রইলাম স্টেজের সেটিং-এর মতো। দূর থেকে সাইরেনের শব্দ ভেসে এল। ছেলেটা একটু চঞ্চল হয়ে উঠল। আমি সেই সুযোগে ওর গায়ের একদম কাছে গিয়ে রিভলভারটা ওর পেটে ঠেকিয়ে বললাম, ‘পুলিশ, না আমি?’

    ছেলেটা সামান্য টলে গেল। তারপর দাঁত খিঁচিয়ে বলল, ‘আপনি কে?’

    ‘গাইগারের বন্ধু।’

    ‘দূর হও, হতভাগা!’

    ‘এই বন্দুকটা ছোটো।’ আমি ধীরে ধীরে বোঝালাম, ‘কিন্তু এটা দিয়েও তোমার নাভিতে গুলি করলে হাঁটার অবস্থায় ফিরতে তিন মাস লাগবে। তারপর না হয় গ্যাস চেম্বার অবধি রাস্তাটা হেঁটে যেয়ো।’

    আবার আমাকে গালাগাল দিয়ে ছেলেটা জার্কিনে হাত ঢোকাতে গেছিল। আমি নলটা ওর পেটেই প্রায় ঢুকিয়ে দিলাম। দীর্ঘশ্বাস ফেলে হাতটা আবার বের করে নিল ছেলেটা। নীচু গলায় জিজ্ঞেস করল, ‘আপনি কী চান?’

    আমি ওর জার্কিনে হাত ঢুকিয়ে অটোমেটিকটা বের করে নিলাম। তারপর রিভলভারের ইশারায় ওকে আমার গাড়িটা দেখিয়ে বললাম, ‘চলো।’

    ছেলেটা গাড়ির পেছনের দরজা খুলছিল। আমি ওকে বললাম, ‘স্টিয়ারিং-এর পেছনে যাও। তোমাকে চালাতে হবে।’ ছেলেটা ড্রাইভারের জায়গায় বসল। আমি ওর পাশে বসে বললাম, ‘ধীরে ধীরে গাড়িটাকে চালাও। পুলিশের গাড়িটাকে পাশ দিয়ে যেতে দাও, যাতে ওরা ভাবে আমরা সাইরেনের শব্দ পেয়ে ওদের সাইড দিচ্ছি।’

    ছেলেটা সেভাবেই চালাল। আমি কারমেনের বন্দুক সরিয়ে রেখে অটোমেটিকটা বের করে ওর পাঁজরে ঠেকিয়ে রাখলাম। পুলিশের গাড়ি দুটো প্রচুর আলো আর আওয়াজ ছড়িয়ে আমাদের ছাড়িয়ে এগিয়ে গেল। পরের ক্রসিং-এ পৌঁছেই আমি বললাম, ‘এবার গাড়ি ঘুরিয়ে বাড়ি চলো। তোমার বাড়ি। লাভার্ন টেরেস।’

    ছেলেটা কোনো কথা না বলে গাড়ি ঘোরাল। আমি জিজ্ঞেস করলাম, ‘তোমার নাম কী?’

    ‘ক্যারল লুন্ডগ্রেন।’ নিষ্প্রাণ ভঙ্গিতে বলল ছেলেটা।

    ‘তুমি ভুল লোককে গুলি করলে ক্যারল। জো ব্রোডি গাইগারকে মারেনি কিন্তু।’

    ছেলেটা আমার উদ্দেশে ওর অতি প্রিয় কয়েকটা গালি ওইরকম নিষ্প্রাণ ভঙ্গিতেই আবার ছুড়ে দিল। আমরা লাভার্ন টেরেসের দিকে চললাম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী
    Next Article মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }