Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    ঋজু গাঙ্গুলী এক পাতা গল্প413 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মরণ ঘুম – ২

    ২

    গ্যারেজের পাশ দিয়ে একটা সরু রাস্তা ধরে গ্রিনহাউসের দিকে যেতে হয়। ততক্ষণে ড্রাইভার ছোকরা একটা বিশাল সেডান বের করে সেটার ঝাড়পোঁছ শুরু করে দিয়েছিল। গ্রিনহাউসের দরজাটা খুলে আমরা একটা সরু করিডোর গোছের অংশে ঢুকলাম। তৎক্ষণাৎ মনে হল, কেউ আমাকে ঢিমে আঁচে সেদ্ধ করছে। বাটলার বাইরের দরজাটা বন্ধ করে অন্য প্রান্তের দরজাটা খুললেন। ওটা দিয়ে আমি মূল গ্রিনহাউসে ঢুকলাম।

    জলীয় বাষ্প আর নানা অর্কিডের গন্ধে বাতাস ভারী হয়ে ছিল। কাচের ছাদ আর দেওয়াল সেই বাষ্পে ঢাকা পড়ে গেছিল। সর্বত্র বাষ্প জমে জলের দানা হয়ে টলমল করছিল। সূর্যের আলোও সবজেটে ঠেকছিল ওই গাছের ভিড়ে। মনে হচ্ছিল, যেন রেইন-ফরেস্টে ঢুকে পড়েছি। বাটলার আমাকে ওই গাছপালার মোটা মোটা পাতা আর ডালের ঝাপট থেকে যথাসাধ্য বাঁচিয়ে ভেতরদিকে নিয়ে গেলেন। দেখলাম, কিছুটা জায়গা ফাঁকা– যেন জঙ্গল সাফ করা হয়েছে। ওখানে একটা পুরোনো লাল টার্কিশ কার্পেট পাতা ছিল। তার ওপরে একটা হুইলচেয়ারে বসে ছিলেন এক মৃত্যুপথযাত্রী বৃদ্ধ।

    ভদ্রলোকের লম্বা আর শীর্ণ চেহারা, মাথায় লেপটে থাকা ক-গাছি সাদা চুল, ফ্যাকাশে মুখ, ধারালো নাক, শুকনো ঠোঁটজোড়া, নীচু কপাল, চ্যাটালো কানের লতি – এগুলো সবই একঝলকে আমার চোখে ধরা পড়ল। তবে দেখার মতো জিনিস ছিল মানুষটির চোখজোড়া। হ্যাঁ, ম্যান্টলের ওপরের ওই পোর্ট্রেইটের মানুষটির চোখজোড়া এঁর মুখেও দেখলাম। তার আগুন অনেকটাই নিভে গেছে, কিন্তু সত্যির মুখোমুখি হওয়ার সাহস সেখানে এখনও আছে। এই মারাত্মক ভ্যাপসা গরমে ভদ্রলোক একটা রংচটা বাথরোব আর তার ওপরে একটা গাউন-গোছের পোশাক পরে ছিলেন। সরু আঙুলগুলো পোশাকটাকে খামচে ধরে ছিল।

    বাটলার মানুষটির সামনে দাঁড়িয়ে বললেন, ‘মিস্টার মার্লো এসেছেন, জেনারেল।’

    বৃদ্ধ কিচ্ছু বললেন না, এমনকী মাথাটুকুও হেলালেন না। উনি স্রেফ আমার দিকে নিষ্প্রাণ ভঙ্গিতে তাকালেন। বাটলার একটা হালকা চেয়ার আমার পেছনে রেখে দিলেন। আমি তাতে বসে পড়লাম।

    ‘ব্র্যান্ডি, নরিস।’ এবার কথা বললেন বৃদ্ধ। মনে হল, যেন একটা অন্ধকার কুয়োর তলা থেকে আওয়াজটা আসছে। এবার আমার দিকে প্রশ্ন এল, ‘আপনি কীরকম ব্র্যান্ডি পছন্দ করেন?’

    ‘দিলেই হল।’ আমি বললাম।

    নরিস ওই জঙ্গল ভেদ করে বেরিয়ে গেলেন। জেনারেল থেমে থেমে, নিজের গলার আর গায়ের জোর বাঁচিয়ে বললেন, ‘আমি একসময় শ্যাম্পেনের সঙ্গে মিশিয়ে ব্র্যান্ডি নিতাম। যাই হোক, আপনি চাইলে কোট খুলে বসতে পারেন। শিরায় রক্ত-টক্ত আছে এমন মানুষের পক্ষে এই জায়গাটা বড়ো বেশি গরম।’

    আমি কোট খুলে রুমাল দিয়ে মুখ আর ঘাড়-গলা মুছলাম। বাস রে! অগাস্ট মাসের সেন্ট লুইসও বোধ হয় হার মেনে যাবে এর কাছে। আপনা থেকেই আমার হাত সিগারেটের প্যাকেটের দিকে এগোল। তারপর খেয়াল হল, কার সামনে বসে আছি। তবে আমার ভঙ্গিটা বৃদ্ধের নজর এড়ায়নি। তাঁর মুখে একটা হালকা হাসি ফুটে উঠল।

    ‘আপনি চাইলে ধূমপান করতে পারেন। টোব্যাকোর গন্ধ আমার ভালো লাগে।’

    আমি সিগারেট ধরিয়ে একগাদা ধোঁয়া ছাড়লাম। বুভুক্ষুর মতো সেই ধোঁয়াটা প্রায় শুষে নিলেন বৃদ্ধ। ওঁর মুখে হাসির রেখাগুলো আরেকটু স্পষ্ট হল।

    ‘অবস্থা কতটা খারাপ বুঝতে পারছেন?’ শুকনো গলায় বললেন ভদ্রলোক, ‘আমাকে নেশাও করতে হচ্ছে অন্যের মাধ্যমে! আপনি আসলে কোনো মানুষকে নয়, বরং তার ধ্বংসস্তূপটি দেখছেন। আমার দুটো পা আর তলপেট অসাড়। প্রায় কিছুই খেতে পারি না। ঘুম এতই সামান্য যে তার অস্তিত্ব টের পাওয়া যায় না। আমি বেঁচে থাকি শুধু একটু উষ্ণতার জন্য। তাই এই গ্রিনহাউস।’

    আমি চুপ করে ছিলাম। বৃদ্ধ নিজের মাথাটা খুব সাবধানে দোলাচ্ছিলেন। আশঙ্কা হচ্ছিল, দুলুনির জোর বাড়লে ঘাড় থেকে মুন্ডুটা খুলে যেতে পারে। ভেজা, ভারী, গরম বাতাস একটা পুরু কম্বলের মতো আমার শরীর ছাপিয়ে মনের ওপরেও চেপে বসছিল। তখনই দেখলাম বাটলার একটা টি-ওয়াগন ঠেলে নিয়ে আসছেন ওই জঙ্গলের মধ্য দিয়ে। আমাদের ব্র্যান্ডি আর সোডা দিয়ে, ভেজা কাপড় জড়ানো আইস বাকেটটা টেবিলে রেখে নরিস চলে গেলেন। আমি আবার দরজা খোলার আর বন্ধ হওয়ার শব্দ পেলাম।

    গ্লাসে চুমুক দিলাম। বৃদ্ধ নিজের ঠোঁটে জিভ বোলানোর ফাঁকে আমাকে দেখছিলেন। এবার উনি বললেন, ‘আমাকে আপনার সম্বন্ধে কিছু বলুন, মিস্টার মার্লো। ওটুকু জানতে চাওয়ার এক্তিয়ার নিশ্চয় আমার আছে।’

    ‘আছে, তবে আমার বলার মতো বিশেষ কিছু নেই। আমার বয়স তেত্রিশ। শিক্ষাদীক্ষা আছে, তবে আমার পেশায় ও সব খুব একটা কাজে দেয় না। একসময় ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি মিস্টার ওয়াইল্ডের কাছে কাজ করেছি। ওঁর চিফ ইনভেস্টিগেটর বার্নি ওলস আমাকে ডেকে বললেন, আপনি আমার সঙ্গে দেখা করতে চাইছেন। আমি বিয়ে করিনি।’

    ‘আর আপনি সামান্য হলেও সিনিক।’ বৃদ্ধর মুখে হাসি ফুটল, ‘ওয়াইল্ডের সঙ্গে কাজ করতে ভালো লাগেনি আপনার?’

    ‘আমাকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। আমি ওঁর কথামতো কাজ করতাম না। কারো আজ্ঞাবহ হয়ে থাকতে আমার একটু সমস্যা হয়, জেনারেল।’

    ‘আমারও। আচ্ছা, আপনি আমার পরিবার সম্বন্ধে কী জানেন?’

    ‘আপনি বিপত্নীক। আপনার দুই মেয়েই কমবয়সি, সুন্দরী, উড়নচণ্ডী। তাদের মধ্যে একজনের এর মধ্যেই তিনবার বিয়ে হয়েছে। ওই তিনজন বরের মধ্যে একজন আবার মদের চোরাচালান করত একসময়। তার নাম ছিল রাস্টি রেগান। ব্যস, এটুকুই আমার পুঁজি।’

    ‘এর মধ্যে কোন জিনিসটা আপনার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বলে মনে হচ্ছে?’

    ‘ওই রাস্টি রেগানের ব্যাপারটা। তবে মদের চোরাচালান যারা করে, তাদের আমি একটু প্রশ্রয়ই দিই।’

    ‘আমিও।’ বৃদ্ধর মুখে ক্ষীণ হাসিটা ফিরে এল, ‘আমি রাস্টিকে খুব খুব পছন্দ করি। একমাথা কোঁকড়া চুলের ওই বিশালবপু আইরিশ ছোকরাকে আমি নিজের ছেলে বা তার চেয়েও বেশি কিছু ভাবতাম। তবে হ্যাঁ, প্রথম দর্শনে ওর সম্বন্ধে আমার ভাবনাও আপনার মতোই ছিল– এক ধান্দাবাজ যে একটা বড়ো দাঁও মেরেছে।’

    ‘আপনি যে ওকে পছন্দ করতেন, সেটা বোঝাই যাচ্ছে।’ আমি বললাম।

    ‘রাস্টি আমার কাছে অক্সিজেন হয়ে এসেছিল।’ বৃদ্ধর নীরক্ত আঙুলগুলো আবার পোশাকটা খামচে ধরল, ‘ও আমার সঙ্গে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটাত। ব্র্যান্ডি গিলত। আইরিশ বিপ্লবের গল্প শোনাত। ও আইরিশ রিপাবলিকান আর্মিতে অফিসার ছিল। রাস্টি আর আমার মেয়ের বিয়েটা টিকবে না– এটা বুঝে গেছিলাম। বিয়েটা টেকেওনি। এগুলো কিন্তু আমাদের পরিবারের একান্ত গোপন তথ্য, মিস্টার মার্লো।’

    ‘ওগুলো গোপনই থাকবে।’ আমি বললাম, ‘রাস্টির কী হল?’

    ‘এক মাস আগে ও চলে গেছে।’ কাঠ কাঠ ভঙ্গিতে বললেন বৃদ্ধ, ‘কাউকে কিচ্ছু বলেনি। এমনকী আমাকেও না। খারাপ লেগেছিল। তবে বুঝি, ওর বেড়ে ওঠাটা তো ঠিক স্বাভাবিক ছিল না। জানি, ও একদিন আমার সঙ্গে আবার যোগাযোগ করবে। ইতিমধ্যে আমাকে আবার ব্ল্যাকমেইল করা হচ্ছে।’

    ‘আবার?’

    ‘যদ্দিন রাস্টি ছিল, তদ্দিন আমাকে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করার পরিণাম ভয়ানক হত।’ বৃদ্ধ গাউনের পকেট থেকে একটা খয়েরি খাম বের করলেন, ‘ও আসার আগে, এই ধরুন ন-দশ মাস আগে, আমি জো ব্রোডি নামের একজনকে পাঁচ হাজার ডলার দিতে বাধ্য হয়েছিলাম– যাতে সে আমার ছোটোমেয়ে কারমেনের পেছনে না লাগে।’

    ‘অ।’

    ‘তার মানে?’ মানুষটির সরু ভুরুজোড়া কুঁচকে গেল।

    ‘কিছু না।’

    আমার দিকে কিছুক্ষণ ওভাবেই তাকিয়ে রইলেন বৃদ্ধ। তারপর বললেন, ‘খাম আর তার ভেতরে কাগজগুলো দেখুন। আর ব্র্যান্ডিটা শেষ করুন।’

    আমি হাত মুছে খাম খুললাম। খামের ওপর কারসিভ ধাঁচে বড়ো হরফে লেখা ছিল – জেনারেল গায় স্টার্নউড, ৩৭৬৫ অল্টা ব্রিয়া ক্রেসেন্ট, ওয়েস্ট হলিউড, ক্যালিফোর্নিয়া। খামের ভেতর থেকে একটা খয়েরি রঙের কার্ড আর তিনটে শক্ত মোটা কাগজ বেরোল। হালকা বাদামি লিনেনের কার্ডের ওপর সোনালি রঙে লেখা ছিল– মিস্টার আর্থার গুইন গাইগার। কোনো ঠিকানা ছিল না, তবে বাঁ-দিকে নীচে খুব ছোটো ছোটো করে এটুকু ছিল – দুর্লভ বই আর ডিলুক্স সংস্করণ বেচাকেনা করা হয়। আমি কার্ডটা উলটে দেখলাম। পেছনে হেলানো হস্তাক্ষরে লেখা ছিল, ‘প্রিয় মহাশয়, সঙ্গে যে কাগজগুলো পাঠাচ্ছি সেগুলো নিয়ে আদালতে যাওয়া যাবে না। খোলাখুলিই লিখি, জুয়ার দেনা মেটানোর জন্য টাকা ধার নিতে গিয়ে ওগুলোতে সই করা হয়েছে। আশা করি আপনি কাগজগুলোর গুরুত্ব বুঝবেন। সশ্রদ্ধ, এ জি গাইগার।’

    কাগজগুলো ছিল সেপ্টেম্বর মাসের আলাদা আলাদা তারিখের তিনটে প্রমিসরি নোট। ওতে লেখা ছিল, ‘আর্থার গুইন গাইগার চাইলে আমি তাকে বিনা সুদে এক হাজার ডলার দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হলাম। বিনিময়ে ওই টাকা আমি পেয়ে গেছি। —কারমেন স্টারউড।’

    ‘কী বুঝলেন?’ জেনারেল জিজ্ঞেস করলেন।

    ‘এখনও কিছু বুঝিনি। এই আর্থার গুইন গাইগার কে?’ আমি কাগজগুলো সরিয়ে রেখে জানতে চাইলাম।

    ‘আমার কোনো ধারণাই নেই।’

    ‘কারমেনের কী বক্তব্য?’

    ‘আমি ওকে জিজ্ঞেস করিনি। করবও না। ওর কাছে কিছু জানতে চাইলে ও নিজের বুড়ো আঙুলটা কামড়াবে আর টেরিয়ে টেরিয়ে তাকাবে শুধু।’

    ‘আমার সঙ্গে ওঁর হলে দেখা হয়েছিল।’ আমি বললাম, ‘আমার সঙ্গেও উনি ওই করেছিলেন। তারপর উনি আরেকটু ঘনিষ্ঠ হয়ে পড়েছিলেন।’

    বৃদ্ধ কিছুই বললেন না। ওই গরমে আমি সেদ্ধ হচ্ছিলাম। কিন্তু উনি শান্তভাবে বসে আমার দিকে তাকিয়ে ছিলেন শুধু।

    ‘আমাকে কি ভদ্রভাবে কথা বলতে হবে?’ আমি জানতে চাইলাম, ‘নাকি আমি যেভাবে কথা বলি, সেভাবেই বলব?’

    ‘আপনার তো এই ধরনের দ্বিধা থাকার কথা নয় মিস্টার মার্লো।’

    ‘আপনার দুই মেয়ে কি একইসঙ্গে লীলাখেলা করে?’

    ‘উঁহু। নরকের দিকে যাওয়ার জন্য ওরা আলাদা রাস্তা নিয়েছে। ভিভিয়েন হচ্ছে শৌখিন, প্রশ্রয়ে বখে যাওয়া, বুদ্ধিমতী আর নিষ্ঠুর। কারমেন সেই তুলনায় এক শিশু যে মাছি ধরে তার একটা একটা করে ডানা ছিঁড়তে ভালোবাসে। নীতিবোধ বলে ওদের কিচ্ছু নেই। আমারও নেই। কোনো স্টার্নউডেরই কোনোকালে ছিল না।’

    ‘ওদের পড়াশোনা কদ্দূর হয়েছে? কী করছে সেটুকু বোঝার ক্ষমতা নিশ্চয় ওদের আছে?’

    ‘ভিভিয়েন নামকরা স্কুল-কলেজে পড়েছে।’ ধীরে ধীরে বললেন মানুষটি, ‘কারমেন হাফ ডজন স্কুলে পড়েছে, কিন্তু তার পরেও ওর বিদ্যাবুদ্ধি খুব একটা বাড়েনি। চরিত্রদোষ বলতে আমরা যা যা বুঝি তার সবই ওদের আছে। আর হ্যাঁ, ভ্রূ কোঁচকানোর আগে একটা কথা জেনে রাখুন। আমি নীতিবাগীশ নই। তা ছাড়া যে লোক চুয়ান্ন বছর বয়সে এসে বাবা হয়, তার কপালে এ-ই জোটে।’

    আমি কথা না বাড়িয়ে ব্র্যান্ডিতে চুমুক দিলাম। বৃদ্ধর গলার কাছে সরু শিরাটা খুব ধীর লয়ে ওঠানামা করছিল। আশপাশটা চুপচাপ হয়ে ছিল। কিছুক্ষণ পর উনি বলে উঠলেন, ‘তাহলে এখন আমার কী করা উচিত, মিস্টার মার্লো?’

    ‘আমি হলে টাকাটা দিয়ে দিতাম।’

    ‘কেন?’

    ‘এই ক’টা টাকার জন্য কেন ঝামেলা করবেন? মানছি যে এই কাগজগুলোর পেছনে অন্য কোনো গল্প আছে। কিন্তু তাতে কী? আপনার মেয়েদের সম্বন্ধে আপনি নতুন করে আর কী জানবেন, বলুন? এইভাবে আপনার কাছে কেউ-না-কেউ আসবেই। তাতে আপনার বিষয়-আশয় তেমন টসকাবে না।’

    ‘আমি এত সহজে হার মানার লোক নই।’

    ‘বুঝলাম। আচ্ছা, ওই জো ব্রোডি কে ছিল, যাকে আপনি পাঁচ হাজার ডলার দিয়েছিলেন?’

    ‘একজন জুয়াড়ি। আমার ভালো মনে নেই। নরিস, মানে আমার বাটলার জানবে।’

    ‘আপনার মেয়েদের নিজস্ব সম্পত্তি আছে নিশ্চয়?’

    ‘ভিভিয়ানের আছে, তবে খুব বেশি নয়। কারমেন এখনও ছোটো, তাই ওর মা-র উইল অনুযায়ী টাকা ও এখনও পায়নি। আমি দু’জনকেই ভালোরকম হাতখরচ দিই।’

    ‘আপনি চাইলে আমি এই কাজটা করতে পারি।’ আমি বললাম, ‘আমার রেট খুবই কম– দিনে পঁচিশ ডলার, প্লাস খরচাপাতি। তার ওপর আপনাকে এই গাইগারের সঙ্গে বোঝাপড়ার জন্য আরও কিছু দিতে হবে, এই আর কি।’

    ‘বেশ। কারো পিঠে ফোঁড়া পেকে ব্যথা হলে সেগুলো কেটে বাদ দেওয়ার জন্য এটুকু দেওয়াই যায়। তবে আপনি খুব বেশি রক্তপাত ঘটাবেন না নিশ্চয়? ওটা বাদ দিয়ে, আপনার যা ভালো মনে হবে, তাই করবেন। এখন আমি বিশ্রাম নেব।’

    ভদ্রলোক হুইলচেয়ারের লাগোয়া একটা বোতাম টিপলেন। দেখলাম, ওখান থেকে বেরিয়ে একটা তার অর্কিডের ঘন জঙ্গলের মধ্য দিয়ে কোথাও চলে গেছে। আমার দিকে উজ্জ্বল চোখ মেলে একবার তাকালেন জেনারেল, তারপর চোখ বুজলেন।

    আমি চেয়ারের পিঠ থেকে নিজের কোটটা নিয়ে বনবাদাড় পেরিয়ে গেটের দিকে এগোলাম। দুটো দরজা খুলে বাইরে এসে আগে বড়ো বড়ো গোটাকয়েক শ্বাস নিয়ে নিজের ভেতরে অক্সিজেন চালান করলাম। গ্যারেজের সামনে ড্রাইভার ছেলেটিকে দেখলাম না। নরিস আমার কাছে এসে গম্ভীর গলায় বললেন, ‘আপনি যাওয়ার আগে মিসেস রেগান আপনার সঙ্গে কথা বলতে চাইছেন, স্যার। আর জেনারেল বলেছেন, আপনার খরচাপাতির জন্য যা দরকার সেই অঙ্কের একটা চেক যেন আপনাকে লিখে দিই।’

    ‘জেনারেল বলেছেন? কখন?’

    নরিসের চোখে বিস্ময় ফুটল, তারপর সেটা হালকা হাসির চেহারা নিল, ‘ওঁর হুইলচেয়ারে একটা ঘণ্টা আছে, সেটা টিপেই উনি আমাকে নির্দেশ দিয়েছিলেন।’

    ‘ওঁর চেক আপনি লিখবেন?’

    ‘সেই অধিকারটুকু উনি আমাকে দিয়েছেন।’

    ‘অ। তা ভালো, তবে এই মুহূর্তে আমাকে কিছু দিতে হবে না। মিসেস রেগানের আবার আমার সঙ্গে কী দরকার পড়ল?’

    ‘আপনার আসার কারণ নিয়ে ওঁর কিছু বক্তব্য আছে।’ মসৃণ গলায় বললেন নরিস।

    ‘আমি এসেছি, এটাই-বা ওঁকে কে বলল?’

    ‘ওঁর জানলা দিয়ে গ্রিনহাউস দেখা যায়। উনি আমাদের ঢুকতে দেখেছিলেন। মিসেস রেগান আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন আপনার ব্যাপারে। আমি আপনার পরিচয় দিতে বাধ্য হয়েছি।’

    ‘কাজটা ভালো করেননি।’

    ‘তার মানে?’ নরিসের নীল চোখ বরফশীতল হয়ে গেল, ‘আপনি আমাকে আমার কাজ শেখাচ্ছেন?’

    ‘না। তবে আপনার কাজগুলো ঠিক কী কী, সেটা কল্পনা করে আমি প্রচুর আনন্দ পাচ্ছি।’

    আমরা একে অপরের দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলাম। তারপর রাগত ভঙ্গিতে নরিস বাড়ির দিকে এগোলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী
    Next Article মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }