Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    ঋজু গাঙ্গুলী এক পাতা গল্প413 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মরণ ঘুম – ২৫

    ২৫

    পরদিন ঘুম থেকে উঠে দেখলাম, একটা ছাইরঙা পর্দার মতো চরাচর ঢেকে রেখেছে বৃষ্টি। ঘুম থেকে উঠেও নিজেকে ক্লান্ত, বিধ্বস্ত লাগছিল। দু-কাপ কড়া কফি খেয়েও মুখ থেকে তেতো ভাবটা সরাতে পারছিলাম না। তাও সাজগোজ সেরে অফিসের উদ্দেশে বেরোলাম। বৃষ্টি মাথায় নিয়ে বেরিয়ে দেখলাম, উলটোদিকের ফুটপাথের পাশে কোনাকুনি, শ-খানেক ফিট দূরে সেই ধূসর রঙা প্লিমাউথ সেডানটা দাঁড়িয়ে আছে। গ্যারেজ থেকে আমার গাড়িটা বের করে রওনা হলাম।

    বৃষ্টির মধ্যে অনুসরণ করতে হচ্ছে বলেই বোধ হয় গাড়ির চালক বেশ সাহসী হয়ে উঠেছিল। পুরো রাস্তাটা আমার কাছাকাছিই রইল গাড়িটা। অফিস যে বাড়িতে তার সামনে আমি গাড়িটা দাঁড় করলাম। উলটোদিকের ফুটপাথের পাশে ওই গাড়িটা দাঁড়াল। কনকনে বৃষ্টির ছাঁট মুখে নিয়েই আমি পেছনদিকে গিয়ে রাস্তা পেরোলাম, তারপর চালকের জানলার পাশে উদয় হলাম।

    কয়েক সেকেন্ডেও কেউ বেরোল না দেখে আমি হ্যাঁচকা টানে দরজা খুলে ভেতরে তাকালাম। একটা বেঁটে লোক স্টিয়ারি-এর পেছনে ঈষৎ কুঁকড়ে ছিল। ওর হাতে ধরা সিগারেটের পাকানো ধোঁয়ার পেছনেও উজ্জ্বল চোখজোড়া দেখা যাচ্ছিল। আমার পিঠে বৃষ্টির ফোঁটাগুলো বিঁধছিল একেবারে। বিরক্ত মুখে আমি জিজ্ঞেস করলাম, ‘কী ঠিক করলেন? নামবেন, না যাবেন?’

    ‘আমি তো আপনাকে চিনি না।’ নীচু, খসখসে গলায় বলল লোকটা।

    ‘আমার নাম মার্লো। গত ক-দিন ধরে আপনি আমাকে অনুসরণ করছেন।’

    ‘কিছু একটা ভুল হচ্ছে আপনার। আমি কাউকে অনুসরণ-টরন করছি না।’

    ‘তাহলে আপনার এই গাড়িটা নিজে নিজেই করছে বোধহয়।’ আমার মাথাটা গরম হচ্ছিল, ‘আপাতত আমি ওই রেস্তরাঁয় ব্রেকফাস্ট করতে যাব। তারপর যাব আমার অফিসে, যেটা আপনার উলটোদিকের বাড়ির সাততলায়। যদি ইচ্ছে হয়, আসতে পারেন।’

    লোকটা চোখ পিটপিট করতে করতে আমার দিকে তাকিয়ে রইল। আমি ব্রেকফাস্ট সেরে মিনিট কুড়ি পর অফিসে ঢুকলাম। যে মহিলা সাফ-সাফাই করেন তিনি বেরিয়ে গেলে ডাকে আসা জিনিসপত্র নিয়ে বসলাম। একটা পুরু খামের ওপর খুব সুন্দর, সেকেলে হাতের লেখায় সরু আর খোঁচানো হরফে আমার নাম-ধাম লেখা ছিল। ওটা খুলে দেখলাম, ভেতরে পাঁচশো ডলারের একটা চেক আছে। তার সঙ্গে একটা সংক্ষিপ্ত নোটও ছিল, যাতে গায় ডে স্টার্নউডের তরফে ভিনসেন্ট নরিস আমাকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছিলেন। মেজাজটা একটু শরিফ হল স্বাভাবিকভাবেই।

    ঘণ্টি শুনে বুঝলাম, অফিসের রিসেপশনে কেউ ঢুকেছে। উঠে দরজা খুলে দেখলাম, প্লিমাউথে বসে থাকা লোকটা ঘরে ঢুকে এদিক-ওদিক চাইছে। দরজা খুলে ওকে ভেতরে আসতে বললাম। লোকটা আমার পাশ কাটিয়ে ঘরে ঢুকে কোট আর টুপি খুলে সতর্কভাবে বসল। অগোছালো পোশাক, কড়া হতে চেয়েও আধখোলা চোখ— এগুলো সবই বুঝিয়ে দিচ্ছিল, লোকটা প্রবল চাপে আছে।

    ‘আমার নাম হ্যারি জোনস।’ এগিয়ে দেওয়া সিগারেটের টিন থেকে একটা তুলে নিয়ে বলল লোকটা, ‘একসময় চোরাই মদের কারবার করতাম। ওই জিনিস সম্বন্ধে বোধ হয় আপনার কোনো ধারণা নেই, তাই না? পুলিশ, অন্য দল, নিজের দল— কাদের সামলাতে হয়নি তখন! এখনও খুচরো দু-একটা কাজ করি, তবে ওইরকম বিপজ্জনক কাজের পর আর কিছু ভালো লাগে না।’

    ‘অ।’ আমি হাবিজাবি চিঠি পড়া, ছেঁড়া আর ডাস্টবিনে ফেলা চালিয়ে যাচ্ছিলাম।

    ‘আপনার বোধ হয় আমার কথা বিশ্বাস হচ্ছে না, তাই না?’ লোকটা কায়দা করে সিগারেটের ছাই ঝাড়তে গিয়ে নিজের টাইয়ে সেটা ফেলল।

    ‘আমার বিশ্বাস-অবিশ্বাসে কী আসে যায়?’ ছাইদানিটা এগিয়ে দিলাম, ‘ব্যাপার হল, গত দু-দিন ধরে আপনি আমাকে অনুসরণ করছেন। কেন? আপনি কি বিমার দালাল? নাকি আপনি জো ব্রোডির চেনা কেউ?’

    ‘আপনি কী করে জানলেন?’ লোকটা সত্যিই চমকে উঠল।

    ‘আমি সাইকিক। আপাতত কাজের কথায় আসুন। আমার কাছে কী চান?’

    লোকটার চোখজোড়া ছোটো হতে-হতে ভ্রূর আড়ালে চলে গেল প্রায়। তারপর ও বলল, ‘আপনাকে আমি কয়েকটা জিনিস বেচতে চাই। বেশি না, শ-দুয়েক ডলার দিলেই হবে। কিন্তু আগে বলুন, ব্রোডি আর আমার কোনো সম্পর্ক আছে— এটা বুঝলেন কীভাবে?’

    ‘আপনি পুলিশ নন। এমনকী এডি মার্সের দলের কেউও আপনি নন— আমি কাল ওঁকে জিজ্ঞেস করেছিলাম। তাহলে রইল বাকি…’

    ‘এডি মার্স!’ লোকটা ফ্যাকাশে হয়ে গেল, ‘আপনি আমার সঙ্গে ঠাট্টা করছেন?’

    ‘একদম।’ আমি আরও গোটাকয়েক চিঠি ডাস্টবিনে ফেললাম, ‘অ্যাগনেস ছাড়া পেয়েছে, তাই না?’

    ‘হ্যাঁ। ও-ই আমাকে বলল, আপনার কাছে আসতে।’

    ‘ও দেখতে শুনতে ভালোই, কিন্তু ঠিক আমার টাইপের নয়।’

    ‘ধুত!’ লোকটা চটে গেল, ‘ওসব নয়। যে রাতে ব্রোডি মারা গেল, সেই রাতে আপনি ওকে আর অ্যাগনেসকে বলেছিলেন, ব্রোডি নিশ্চয় স্টার্নউডদের ব্যাপারে কিছু জানে। নইলে ও ওই ফটো পাঠিয়ে ব্ল্যাকমেইল করার ঝুঁকি নিত না।’

    ‘তাহলে ও সত্যিই কিছু জানত? কী জানত?’

    ‘সেটা জানতে গেলে যে শ-দুয়েক খসাতে হবে, মশাই।’

    আমি আবর্জনা সরিয়ে টেবিল সাফ করলাম। ধীরেসুস্থে একটা সিগারেট ধরালাম। লোকটা ইতিমধ্যে সিটে প্রায় ছটফট করছিল। আর থাকতে না পেরে ও বলেই ফেলল, ‘আমাদের এখান থেকে পালাতে হবে। আমার আর অ্যাগনেসের সব কিছু নতুন করে শুরু করতে গেলে অন্তত ওটুকু চাই। আপনি ব্যাপারটা বোঝার চেষ্টা করুন।’

    ‘বুঝতে পারছি।’ লোকটার চোখে চোখ রেখে বললাম, ‘জিনিসটা কী, তার একটু আভাস দিন।’

    ‘আপনি টাকা দেবেন তো?’

    ‘জিনিসটা আদৌ আমার কাজে লাগবে কি না, সেটা আগে বুঝি।’

    ‘ওটা দিয়ে আপনি রাস্টি রেগানকে খুঁজে পাবেন।’

    ‘আমি রাস্টি রেগানকে খুঁজছি না।’

    ‘আহা! ওটা তো আপনার কথার কথা। এটুকুও কি বুঝি না আমি?’

    ‘তাই নাকি?’ আমি হেসে ফেললাম, ‘তাহলে বলুন। কে জানে, কোথাও-না-কোথাও ব্যাপারটা কাজে লেগে যাবে হয়তো। তবে শ-দুয়েক ডলার দিয়ে অনেক কিছু কেনা যায়— এটা মাথায় রেখে বলবেন।’

    ‘এডি মার্স রাস্টি রেগানকে খুন করিয়েছে।’

    আমি স্থির চোখে লোকটার দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলাম। তারপর দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললাম, ‘এই নিয়ে আপনার সঙ্গে তর্ক করে সময় নষ্ট করব না। আপনি বরং আসুন।’

    হ্যারি জোনস উঠে দাঁড়াল। ওর পাতলা ঠোঁটজোড়া তিরতির করে কাঁপছিল। সিগারেটটা ছাইদানিতে ঘষে ঘষে দুমড়ে দিয়ে বলল বলল, ‘আমি এখানে ইয়ার্কি মারতে আসিনি। যা বলতে এসেছি, সেটা শুনুন।’

    ‘বলুন।’ দীর্ঘশ্বাস ফেলে পেছনে হেলান দিলাম। জোনস বসে পড়ল চেয়ারে।

    ‘আমি রেগানকে চিনতাম। ‘পরানসখা বন্ধু হে আমার’ বলার মতো নয়, কিন্তু চিনতাম। ও ভালো লোক ছিল। রাগী, শক্ত, কিন্তু ভালো। মোনা গ্র্যান্ট বলে একটা মেয়ে বারে গান গাইত। রেগান ওকে পছন্দ করত। তারপর মোনার বিয়ে হয়ে গেল। বিয়ের পর ওর নতুন পদবি হল মার্স। ব্যাপারটা রেগান ঠিক সহজভাবে নেয়নি। ও তার জবাব দিতে গিয়েই এমন এক মহিলাকে বিয়ে করে ফেলল, যাকে আপনি বিলক্ষণ চেনেন। সবাই জানে, ওই মহিলার সঙ্গে শান্তিতে ঘর করা অসম্ভব। সবাই ভাবে, রেগান জেনারেলের টাকার লোভে বিয়েটা করেছে। কিন্তু রেগানের কাছে টাকাপয়সা কোনো ব্যাপারই ছিল না। আমার মতো একটা ফালতু লোক এটা যতটা বেশি বোঝে, আপনি হয়তো ততটা বুঝবেন না। কিন্তু রেগান সম্পত্তি বা ওর ওই বউকে নিয়ে ভাবছিল না। ওর লক্ষ্য ছিল অন্য কিছু, বা অন্য কেউ।’

    মানতে বাধ্য হলাম, লোকটার কথায় কিছু সারবত্তা আছে। সবচেয়ে বড়ো কথা, এগুলো বানিয়ে বানিয়ে বলার মতো বুদ্ধি ওর হবে না। তবে মুখটা ব্যাজার রাখলাম, নইলে ও দর বাড়িয়ে দিত। বললাম, ‘তাহলে রেগান পালিয়ে গেছে?’

    ‘ও পালাতে চেয়েছিল, এটা জানি।’ জোনস বলল, ‘মোনার সঙ্গে মার্সের বিয়েটা ঠিক সুখের হয়নি। ব্যাবসার পাশাপাশি এডি মার্স যেসব কারবার চালায়, জুয়া, ব্ল্যাকমেইল, চোরাই গাড়ি এদিক-ওদিক করা, গুন্ডা-বদমাইশদের আশ্রয় দেওয়া— এগুলো ও মেনে নেয়নি। তাই মোনা আলাদা থাকত। রেগান এগুলো জানত। ও মার্সকে একবার শাসিয়েছিল, যদি মার্সের কোনো দু’নম্বরি কারবারে মোনাকে জড়ানো হয়, তাহলে তার ফল ভালো হবে না।’

    ‘এগুলো অনেকেই জানে হ্যারি।’ আমি কাঁধ ঝাঁকালাম, ‘এর জন্য দু-শো ডলার দেওয়া যাবে না?’

    ‘জানি। আমাকে কথা শেষ করতে দিন। রোজ বিকেলে ভার্ডি-র ওখানে রেগানের সঙ্গে আমার দেখা হত। ও চুপচাপ হুইস্কি খেত। কথা খুব বেশি না বললেও পুরোনো আলাপের খাতিরে আমাকে মাঝেমধ্যে টিপস দিত ও। আমি পাস ওয়ালগ্রিনের হয়ে জুয়াতে টাকা লাগাই তো।’

    ‘অ্যাঁ? আমি তো ওকে বিমার দালাল বলেই জানতাম।’

    ‘সাইনবোর্ডে সেরকম লেখা থাকলেও আসলে ও জুয়াড়ি। যাই হোক, সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি একদিন থেকে রেগানকে আর দেখলাম না। আমি অত ভাবিনি। কিন্তু ক-দিন পরেই লোকেদের বলাবলি করতে শুনলাম, এডি মার্সের বউকে নিয়ে রেগান ভাগলবা হয়েছে। অথচ মার্স এমন ভাব করছে যেন ও বরকর্তা! ব্রোডিও এগুলো শুনেছিল। ওর কিন্তু বেশ বুদ্ধি ছিল।’

    ‘তা তো বটেই।’

    ‘মানে পুলিশি বুদ্ধি নয়, চালাক ভাব যাকে বলে। ব্রোডি ভাবল, এই ব্যাপারটা নিয়ে কিছু জানতে পারলে ও দু’জনের কাছ থেকেই কামাতে পারবে। দু-জন— মানে মার্স আর মিসেস রেগান। ব্রোডি স্টার্নউডদের ব্যাপারে খোঁজখবর রাখত।’

    ‘তাই দিয়েই তো বছরখানেক আগে ও স্টার্নউডদের থেকে পাঁচ হাজার ডলার বাগাল।’

    ‘পাঁচ হাজার?’ হ্যারি জোনস সত্যিই চমকে গেল, ‘দেখেছেন! অ্যাগনেস আমাকে কিচ্ছু বলেনি। যাইহোক, আমি আর ব্রোডি খবরের কাগজ পড়ে কিছুই বের করতে পারলাম না। বুঝলাম, জেনারেল স্টার্নউড ব্যাপারটা ম্যানেজ করে ফেলেছেন। তখনই একদিন ভার্ডি-র পাবে ল্যাশ ক্যানিনো-কে দেখলাম। ওকে চেনেন?’

    আমি মাথা নেড়ে ‘না’ বোঝালাম। জোনস বলে চলল।

    ‘ও এডি মার্সের হয়ে কাজ করে। ‘‘কাজ’’ মানে… যেগুলো ওর রোজকার লোকেরা করতে পারে না, সেগুলো। হাসতে হাসতে মানুষ খুন করতে পারে ও। ক্যানিনো লস এঞ্জেলস-এ থাকে না। ওকে সেদিন দেখে আমার মনে হল, কিছু একটা কাজের জন্য মার্স ওকে আনিয়েছে। ব্যাপারটা ব্রোডিকে বললাম। এবার, আমি যে পিছু নেওয়ার ব্যাপারে একেবারে বেকার, সেটা তো আপনি দেখেইছেন। কিন্তু জো ব্রোডি ওরকম ছিল না। ও জানত, কীভাবে পিছু নিতে হয়। সেভাবেই ও ক-দিন ক্যানিনোর পিছু নিল। এক রাতে ক্যানিনো স্টার্নউডদের বাড়ির বাইরে পৌঁছে গাড়ি পার্ক করল। তখন উলটোদিক থেকে একটা গাড়ি এল। সেটা চালাচ্ছিলেন মিসেস রেগান। তাঁর আর ক্যানিনোর মধ্যে কিছু কথাবার্তা হল। তারপর মিসেস রেগান ক্যানিনো-র হাতে একটা খাম তুলে দিয়ে ঝটপট উধাও হলেন। ক্যানিনো-ও শহরে ফিরে গেল।’

    ‘তো?’

    ‘এর থেকে ব্রোডির আর আমার মনে হয়, ক্যানিনো মার্সের হয়ে নির্ঘাত কোনো কাজ করেছে। সেটা কাজে লাগিয়ে এখন ও স্টার্নউডদের থেকেও কিছু জোগাড় করছে।’

    ‘ক্যানিনোকে দেখতে কেমন?’

    ‘বেঁটে। ভারী শরীর। খয়েরি চুল, খয়েরি চোখ, খয়েরি জামাকাপড়, খয়েরি টুপি, খয়েরি গাড়ি, খয়েরি রেইনকোট— মানে ভিড়ের মধ্যেও চিনে নিতে কোনো সমস্যাই হবে না।’

    ‘বেশ। তারপর কী হল?’

    ‘ওটা মুফতে হবে না। দু-শো ডলার লাগবে।’

    ‘এর জন্য দু-শো ডলার দেওয়া যাবে না, হ্যারি। ব্যাপারটা ভেবে দেখুন। ভিভিয়েন স্টার্নউড রেগানের অতীত পরিচয় জেনেই তাঁকে বিয়ে করেছিলেন। যদি রেগান নিরুদ্দেশ হয়, তাহলে তিনি সবচেয়ে আগে কার কাছে সাহায্য চাইবেন? তাঁর আর এক বন্ধুর কাছে। এখানেই আসছেন এডি মার্স। তাঁর হয়ে গোপনে কোনো খবর পৌঁছে দেওয়ার কাজ কে করতে পারে? ল্যাশ ক্যানিনো! এই জিনিসের জন্য দু-শো ডলার?!’

    ‘মিসেস মার্স এখন কোথায় আছেন, এটা জানার জন্য কি দু-শো ডলার দেওয়া যাবে?’ নীচু গলায় বলল জোনস।

    অনেক চেষ্টা করেও নিজের মুখ থেকে সবটুকু উত্তেজনা সরিয়ে রাখতে পারলাম না। চেয়ারের হাতল দুটো শক্ত করে চেপে ধরে সোজা হয়ে বসলাম।

    ‘যদি মহিলা একাই থেকে থাকেন?’ জোনসের গলায় বিষ মিশে যাচ্ছিল, ‘যদি মহিলা আদৌ রেগানের সঙ্গে পালিয়ে না থাকেন? যদি ওকে এই শহর থেকে চল্লিশ মাইল দূরের একটা ডেরায় লুকিয়ে রাখা হয় স্রেফ পুলিশকে এটা ভাবানোর জন্য, যে উনি রেগানের সঙ্গে পালিয়েছেন? তাহলে? এই খবরের জন্য দু-শো ডলার দেওয়া যাবে, মিস্টার প্রাইভেট ডিটেকটিভ?’

    ‘যাবে।’ শুকনো ঠোঁট চেটে বললাম, ‘কোথায় আছেন উনি?’

    ‘অ্যাগনেস ওকে দেখে ফেলে।’ শক্ত মুখে বলল জোনস, ‘কপালজোর, আর কিচ্ছু নয়। কিন্তু দেখার পর ও মহিলাকে অনুসরণ করে ওই জায়গাটা দেখে এসেছে। জায়গাটার কথা শুধু ও-ই আপনাকে জানাবে, যখন আপনার দেওয়া ওই দু-শো ডলার ওর হাতে থাকবে।’

    ‘আপনি জানাতে পারবেন না?’ আমি বললাম, ‘পরে কিছু হলে অন্তত অ্যাগনেস বেঁচে যেত তাহলে।’

    মুচকি হেসে লোকটা আমার সিগারেটের টিন থেকে একটা সিগারেট বের করল। তারপর বারতিনেকের চেষ্টায় সেটা ধরিয়ে ধোঁয়া ছেড়ে বলল, ‘ভয় দেখাচ্ছেন? না লোভ? আমরা সব্বাই ফালতু লোক, মিস্টার মার্লো। আমাদের কারো কোনো দাম নেই। কিন্তু কথার দাম আছে। আপনি কথা দিচ্ছেন তো?’

    ‘দিচ্ছি।’ আমি মাথা ঝাঁকালাম, ‘এইরকম খবরের জন্য দু-শো ডলার দিতে আমি রাজি আছি। তবে আগে টাকাটা জোগাড় করি।’

    ‘বেশ।’ উঠে দাঁড়াল হ্যারি জোনস, ‘ওয়ালগ্রিনের অফিসটা চেনেন নিশ্চয়? সব বিমার দালাল যেখানে ঘর নেয় সেখানেই ওরও অফিস। ওয়েস্টার্ন আর সান্টা মনিকা ক্রসিং-এ ফুলওয়াইডার বিল্ডিং— চারশো আঠাশ নম্বর ঘর। আপনি ওখানেই আসুন টাকা নিয়ে। তারপর আমি আপনাকে অ্যাগনেসের কাছে নিয়ে যাব।’

    হ্যারি জোনসের পায়ের শব্দ মিলিয়ে গেল। আমি উঠে ব্যাঙ্কে গিয়ে স্টার্নউডের চেকটা জমা দিলাম। তারপর দু-শো ডলার তুলে অফিসে ফিরলাম। বসে বসে ভাবতে থাকলাম, যে গল্পটা আমাকে শোনানো হল, তার কতটা সত্যি, আর কতটা মিথ্যে হতে পারে। মিসেস মার্স যদি সত্যিই শহর থেকে মাত্র চল্লিশ মাইলের মধ্যে লুকিয়ে থাকেন, তাহলে মিসিং পার্সনস ব্যুরো তাঁকে এতদিনে পেয়ে যেত। তারা পায়নি মানে ক্যাপ্টেন গ্রেগরি মাইলসকে পেতে দেওয়া হয়নি। তাঁর ‘বন্ধু’ এডি মার্স কি তাঁকে আটকে দিয়েছে?

    আমি সারাদিন অফিসে বসে এইসব ভাবলাম। কোনো ফোন বাজল না। কেউ এল না। বাইরে বৃষ্টি হয়ে গেল। হয়েই গেল!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী
    Next Article মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }