Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    ঋজু গাঙ্গুলী এক পাতা গল্প413 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মরণ ঘুম – ২৬

    ২৬

    সন্ধে সাতটা নাগাদ বৃষ্টি ধরে এল। সান্তা মনিকায় জল ড্রেন ছাপিয়ে রাস্তা দিয়েও কলকলিয়ে বইছিল। পেছল ফুটপাথ ধরে সাবধানে হেঁটে আমি ফুলওয়াইডার বিল্ডিং-এর সরু লবিতে ঢুকলাম। অনেকটা ভেতরে একটা আলো জ্বলছিল। নোংরা দেওয়াল, নোংরা সব কিছু, বেশিরভাগ অফিসঘরের পাশে কারো নাম না থাকা, যেগুলো আছে সেগুলোতেও আসলে কী কাজ হয় সেই নিয়ে প্রশ্ন— সব মিলিয়ে বাড়িটাকে এড়িয়ে যেতে পারলেই খুশি হতাম। লিফটের ভেতরে একটা টুলে বসে এক লিফটম্যান মুখ হাঁ করে ঘুমোচ্ছিল। তার পোশাক আর লিফটের অবস্থা— দুটোর কোনোটাই ঠিক ভরসা জাগাল না। নোংরা আর গুমোট সিঁড়ি বেয়ে চারতলায় উঠে শ্বাস নিতে পারলাম।

    আঁশটে গন্ধে ভরা মলিন করিডোর ধরে এগিয়ে কোনার কাছে একটা অফিসে তিনটে দরজা দেখলাম। তার মধ্যে একটা ফ্রস্টেড কাচ বসানো দরজার ওপর ‘এল ডি ওয়ালগ্রিন— বিমা’ লেখা একটা ফলক আঁটা ছিল। একটা গাঢ়রঙা দরজা বন্ধ ছিল। অন্যটার ওপর ‘প্রবেশ’ লেখা আছে দেখে সেটা খুলে ভেতরে ঢুকলাম। রিসেপশনের অংশটা অন্ধকার ছিল। ভেতরের ঘরের দরজা বন্ধ থাকলেও সেখানে জ্বলা উজ্জ্বল আলোয় হ্যারি জোনসের সিল্যুয়েট দেখা যাচ্ছিল। সরু গলায় ও বলছিল, ‘ক্যানিনো? হ্যাঁ, আমি আপনার নাম শুনেছি তো।’

    আমি থমকে গেলাম। এবার অন্য একটা গলা ভেসে এল। একটা খুব শক্তিশালী ইঞ্জিনের শব্দ দেওয়ালের ওপাশ থেকে যেমন শোনাবে, তেমন একটা অদ্ভুত ঘড়ঘড়ে ভঙ্গিতে কেউ বলে উঠল, ‘আমিও তাই ভেবেছিলাম।’

    গলাটাতে একটা দারুণ বিপদের আভাস ছিল। হ্যারির পাশাপাশি এবার আরেকটা মানুষের চেহারা দেখা দিল— বেলুনের মতো, অন্ধকারসর্বস্ব। খেয়াল হল, আমার সঙ্গে কোনো বন্দুক নেই!

    নিঃশব্দে পিছিয়ে এসে ভেতরের ঘরের পাশের অন্য ঘরটায় যাওয়ার চেষ্টা করলাম। সেটার দরজা তালাবন্ধ থাকলেও ফ্রেম থেকে কাঠ একটু আলগা হয়ে ছিল। আমি চাবির হাতলটা যথাসম্ভব জোরে চাপ দিয়ে পেছনে ঠেললাম। তারপর ফ্রেম আর কাঠের মধ্যের ফাঁক দিয়ে আলতো করে আমার ড্রাইভিং লাইসেন্সের ওপরের শক্ত প্লাস্টিকটা ঢুকিয়ে হাতল আর দরজার ফাঁকে রাখলাম। তারপর দরজার হাতলটা ঘোরালাম। বাধা পাওয়ার মতো কিছু না পেয়ে তালাটা খুলে গেল। একটা খুব হালকা কিন্তু স্পষ্ট ‘ক্লিক’ করে আওয়াজ হল। আমি পাথরের মতো স্থির হয়ে রইলাম কিছুক্ষণ। কেউ আমার দিকে ছুটে এল না। আমি দরজাটা নিঃশব্দে খুলে ভেতরে ঢুকলাম। সামনে একটা টেবিল, তার ওপর কালচে স্তূপের মতো একটা টাইপরাইটার, তার ওপাশে পাশের ঘরে যাওয়ার দরজা। আমি সাবধানে সেদিকে এগিয়ে কান পাতলাম।

    ‘আরেকজন লোক কী করছে, কোথায় যাচ্ছে— এগুলো জানার ইচ্ছে সবারই হয়।’ ঘড়ঘড়ে গলাটা আগের চেয়ে মসৃণ শোনাচ্ছিল, ‘তুমি সেভাবেই ওই ডিটেকটিভকে দেখলে কারো কিচ্ছু আসত-যেত না। কিন্তু একটা ভুল করে ফেলেছ, হ্যারি। আজই ওর সঙ্গে দেখা করতে গেলে কেন? কাল রাতেই ও মিস্টার মার্সকে বলেছিল যে কেউ নাকি ওর পিছু নিয়েছে। তাই মিস্টার মার্স কে-কেন-কোথায়— এইসব প্রশ্নের উত্তর জানতে চাইছেন।’

    ‘এর মধ্যে মিস্টার মার্স আসছেন কোত্থেকে?’ জোনসের গলায় একটা চাপা হাসির ভাব মিশে ছিল। লোকটার সত্যিই সাহস আছে!

    ‘সেটা জানা তোমার কাজ নয়, হ্যারি। তুমি আমার প্রশ্নের উত্তর দাও।’

    ‘আমি তো আপনাকে বলেইছি একবার। ঠিক আছে, আবার বলছি। অ্যাগনেস এখান থেকে চলে যেতে চায়। কিন্তু তার জন্য টাকা লাগবে। আমি মার্লোর কাছে গেছিলাম সেটার জোগাড় করতে।’

    ‘আমার ধৈর্যের পরীক্ষা নিয়ো না।’ গলাটা ধারালো হয়ে উঠল, ‘গোয়েন্দারা কাউকে এমনি এমনি টাকা দেয় না। আসল কথাটা বলো।’

    একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে জোনস বলল, ‘যে রাতে ব্রোডি খুন হয়, সেই রাতে মার্লো ওখানে ছিল। ব্রোডি কারমেন স্টার্নউডের একটা ফটো কাজে লাগিয়ে কিছু কামানোর চেষ্টা করছিল। মার্লো সেটা ঠেকাতেই ওখানে গেছিল। ওই সময় কারমেন নিজেও ওখানে যায়, একটা গুলিও চালায়— তবে সেটা কারো গায়ে লাগেনি। এই ব্যাপারটা মার্লো পুলিশের কাছ থেকে বেমালুম চেপে গেছিল ক্লায়েন্টকে বাঁচানোর জন্য। আমি আর অ্যাগনেস ভেবেছিলাম, সেটা নিয়ে আমরাও চুপচাপ থাকার জন্য ওর কাছ থেকে কিছু আদায় করা যাবে।’

    ‘মার্লো এই কথা শুনে কী বলল?’

    ‘ও টাকা দেবে। কাল।’

    ‘তাহলে এর সঙ্গে এডি মার্সের কোনো সম্পর্ক নেই?’

    ‘একেবারেই না।’

    ‘তাহলে মিস্টার মার্সের সঙ্গে একবার এই নিয়ে কথা বলতে হবে। কিন্তু তার আগে বলো, অ্যাগনেস এখন কোথায় আছে?’

    ‘এটা তো বলা যাবে না, ক্যানিনো।’

    ‘এখানে বললে তোমার পক্ষেই ভালো হত। নইলে কথাটা বের করার জন্য তোমাকে যাদের হাতে তুলে দিতে হবে, তাদের ব্যবহার তোমার একেবারেই ভালো লাগবে না।’

    ‘পারব না, ক্যানিনো। এখন অ্যাগনেসের দায়িত্ব আমার ওপর। আমি ওকে এসবের মধ্যে আনতে চাই না।’

    সব কিছু চুপচাপ হয়ে রইল কিছুক্ষণ। বাইরে বৃষ্টির বেগ বেড়েছিল, জানলায় তারই শব্দ পাচ্ছিলাম শুধু। দরজার ফাঁক দিয়ে সিগারেটের কটু গন্ধ আসছিল। আমার খুব কাশি পাচ্ছিল, তাই মরিয়া হয়ে রুমালটা কামড়ে ধরে নিজেকে সামলে নিলাম।

    ‘আমার হাতের জিনিসটা দেখতে পাচ্ছ?’ ঘড়ঘড়ে গলাটা শান্তভাবে বলে উঠল, ‘কেন ছেলেমানুষি করছ? বলে দাও ও কোথায় আছে। আমি কথা বলে নিচ্ছি।’

    ‘ও জিনিস আমি আগেও দেখেছি।’ জোনসের গলাটা ঈষৎ কেঁপে গেল, ‘আপনার যা ইচ্ছে তাই করুন।’

    অদ্ভুত একটা হাসির শব্দ পেলাম দরজার ওপাশ থেকে। তারপর সব চুপচাপ রইল কিছুক্ষণ। জোনস একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, ‘নাহ, আমি নিজেকে যতটা সাহসী ভাবতাম ততটা বোধ হয় নই। বেশ, শুধু কথা বলতে চাইলে… বাংকার হিলের ওপরে আঠাশ নম্বর কোর্ট স্ট্রিট একটা অ্যাপার্টমেন্ট হাউস। তিনশো এক নম্বর ঘরে ও আছে।’

    ‘এই তো।’ ঘড়ঘড়ে গলাটা মসৃণ, স্নেহশীল শোনাচ্ছিল, ‘শুধু শুধু আমাকে চটাচ্ছিলে কেন? তাহলে চলো, আমরা ওখানে গিয়ে অ্যাগনেসের সঙ্গে কথা বলি। আমার মনে হচ্ছে ও মেয়ে তোমাকেও ঘোল খাওয়াচ্ছে। সে তোমার আর ওর ব্যাপার। ইচ্ছে হলে গোয়েন্দাটির মাথায় হাত বুলিয়ে যা কামানোর, সে তুমি কামিয়ে নিয়ো। কিন্তু এখন এই নিয়ে মন খারাপ কোরো না। তোমার কাছে গলা ভেজানোর মতো কিছু আছে?’

    ‘আছে।’ চেয়ার পেছনে ঠেলার শব্দ পেলাম, ‘ওই ড্রয়ারে।’

    ‘বাব্বা!’ যেন খুব মজা পেয়েছে এই ভঙ্গিতে গলাটা বলে উঠল, ‘এই খাইয়ে বিমা করানো হয় বুঝি?’

    তরল ঢেলে দুটো গ্লাস টেবিলে রাখা হল। বড়ো কয়েকটা ঢোঁক গেলার আওয়াজ পেলাম। তারপরেই জোনস কেশে উঠল। ধুপ করে একটা ভারী গ্লাস নীচে পড়ার, তারপর আবার কাশির মতো একটা আওয়াজ পেলাম। নিজের অজান্তেই রেইনকোটটা আঁকড়ে ধরেছিলাম সেই মুহূর্তে— হয়তো নিজেকে স্থির রাখতেই।

    ‘এক চুমুকেই বেহেড হয়ে গেলে, হ্যারি?’ গলাটা বলে উঠল।

    সাড়া এল না। টেনে টেনে শ্বাস নেওয়ার শব্দ কমে গেল একটু পরেই। আবার চেয়ার ঠেলার শব্দ পেলাম। গলাটা বলে উঠল, ‘আসি তাহলে?’

    ক্লিক করে একটা শব্দের পর ঘরটা অন্ধকার হয়ে গেল। দরজা খুলল, বন্ধ হল। তারপর ভারী, নিশ্চিন্ত পায়ের শব্দটা করিডোর হয়ে বাইরে মিলিয়ে গেল।

    আমি নিঃশব্দে পাশের ঘরে ঢুকলাম। টেবিলের ওপাশে একটা চেয়ারে হ্যারি জোনসের শরীরটা অন্ধকারেও দুমড়ে বসে ছিল। সেদিকে না গিয়ে আগে করিডোরের লাগোয়া দরজাটার পাশে গিয়ে দাঁড়ালাম। লিফট নেমে যাওয়ার পিং শব্দটা ভেসে এল।

    হাতে রুমাল জড়িয়ে সুইচ টিপলাম। মাথার ওপর বড়ো আলোটা জ্বলে উঠল। হ্যারি জোনসের শরীরটা আমার দিকে তাকিয়ে রইল। ওর চামড়ার নীলচে রং আর পোশাকে লেগে থাকা বমি বুঝিয়ে দিচ্ছিল, মৃত্যুর কারণ বিষক্রিয়া। মাটিতে পড়ে একদিকে গড়িয়ে যাওয়া গ্লাসটা তুলে খুব সাবধানে শুঁকলাম। বুর্বঁ-র পোড়া পোড়া গন্ধর তলায় বাদামের হালকা গন্ধ বলছিল, বিষটা সায়ানাইড। এক ঝলক এদিক-ওদিক তাকিয়ে দ্বিতীয় গ্লাসটা খুঁজে পেলাম না।

    চেয়ারটাকে পাশ কাটিয়ে টেবিল হাতড়ে টেলিফোন ডাইরেক্টরি বের করলাম। ফোনটা তুলে, টেবিল থেকে যতটা পারা যায় দূরে সরে গেলাম। তারপর ইনফরমেশনে ফোন করে বললাম আঠাশ নম্বর কোর্ট স্ট্রিটের তিনশো এক নম্বর অ্যাপার্টমেন্টের নম্বরটা দিতে। বাদামের তিতকুটে গন্ধটা আমার স্নায়ুতে ছড়িয়ে পড়ছিল। তার মধ্যেই ফোনের ও-প্রান্ত বলে উঠল, ‘বাড়ির নাম গ্লেনডাওয়ার অ্যাপার্টমেন্টস। নম্বর হল ওয়েন্টওয়ার্থ দুই-পাঁচ-দুই-আট।’

    ধন্যবাদ জানিয়েই আমি নম্বরটা ডায়াল করলাম। তিনবার রিং হওয়ার পর কেউ একজন ফোন তুলল। রেডিয়োর চড়া সুর ছাপিয়ে একটা হেঁড়ে গলা শুনতে পেলাম, ‘হ্যালো!’

    ‘অ্যাগনেস আছে?’

    ‘অ্যাগনেস!? কত নম্বর চাইছেন?’

    ‘ওয়েন্টওয়ার্থ দুই-পাঁচ-দুই-আট।’

    ‘নম্বর ঠিক। কিন্তু নারীর বদলে আনাড়ি জুটল যে!’

    লোকটার খ্যাঁক খ্যাঁক শুনতে শুনতে ফোন নামিয়ে রাখলাম। ডাইরেক্টরি হাতড়ে গ্লেনডাওয়ার অ্যাপার্টমেন্টস-এর ম্যানেজারের নম্বর খুঁজে বের করলাম। ডায়াল করতে করতেও বুঝতে পারছিলাম, সময় ফুরিয়ে আসছে। ক্যানিনো-র হাত ধরে মৃত্যু এগিয়ে যাচ্ছে ওই বাড়িটার দিকে।

    ‘গ্লেনডাওয়ার অ্যাপার্টমেন্টস। ম্যানেজার স্কিফ বলছি।’

    ‘আমি পুলিস আইডেন্টিফিকেশন ব্যুরো থেকে ওয়ালিস বলছি। আপনাদের ওখানে অ্যাগনেস বলে কেউ থাকেন?’

    ‘আপনি কে?’

    মাথা ঠান্ডা রেখে ‘পরিচয়’ আর প্রশ্ন— দুটোরই পুনরাবৃত্তি করলাম।

    ‘আপনার নম্বরটা দিন। আমি খোঁজ নিয়ে দেখছি।’

    ‘ইয়ার্কি মারবেন না!’ পাক্কা পুলিশি কায়দায় খিঁচিয়ে উঠলাম, ‘তাড়া আছে বলেই ফোন করছি। ওরকম কেউ আছেন, না নেই?’

    ‘নেই।’ আড়ষ্ট ভঙ্গিতে উত্তর এল।

    ‘তাহলে সোনালি চুলের কোনো মহিলা, যাঁর চোখজোড়া সবুজ…’

    ‘শুনুন!’ এবার স্কিফও গরম হল, ‘এটা কী ধরনের জায়গা বলে আপনি মনে করেছেন? এখানে ভদ্রমহিলা আর ভদ্রলোকেরা থাকেন। তাঁদের সম্বন্ধে এইরকম প্রশ্ন…’

    ‘আমাকে জায়গা চেনাবেন না, মিস্টার স্কিফ।’ আমার গলাটা ঠান্ডা হয়ে গেল, ‘এখনই যদি আপনার ওখানে ভাইস স্কোয়াড পাঠাই তাহলে ক’জন ভদ্রলোক আর ক-জন ভদ্রমহিলা পাওয়া যাবে— তা হাতে গুনে বলা যায়। তারপর আমি আপনাকে চেনাব…’

    ‘চটছেন কেন?’ স্কিফের গলাটা মোলায়েম হয়ে গেল, ‘পুলিশের সঙ্গে সহযোগিতা করাই তো আমাদের কর্তব্য। হ্যাঁ, সোনালি চুলের মহিলা কয়েকজন আছেন ঠিকই, তবে তাঁদের চোখের রং দেখিনি। আপনি যাঁকে খুঁজছেন, তিনি কি একাই থাকেন?’

    ‘একা, তবে একজন সঙ্গীও থাকতে পারেন। তিনি বেঁটেখাটো, চোখগুলো উজ্জ্বল। মুশকিল হল, আমাকে বলা হয়েছিল মহিলা তিনশো এক নম্বরে থাকেন। কিন্তু সেখানে ফোন করে এক হাঁড়িচাচার সঙ্গে আলাপ হল।’

    ‘তিনশো এক-এ এক গাড়ির সেলসম্যান থাকে। ওখানে কোনো মহিলা থাকেন না।’

    ‘তাহলে গিয়েই দেখি।’

    ‘আসুন, তবে দয়া করে ব্যাপারটা চুপচাপ রাখবেন। বোঝেনই তো। সোজা আমার ঘরে চলে আসুন, তারপর খোঁজাখুঁজি করবেন না হয়।’

    স্কিফকে ধন্যবাদ দিয়ে টেবিলের দিকে ফিরলাম। হ্যারি জোনসের উদ্দেশে বললাম, ‘শেষ মুহূর্তেও ধাপ্পাটা ভালোই দিলে হ্যারি। মিথ্যে বললে, তারপর গ্লাসে কী আছে তা জেনেও চুপচাপ খেয়ে নিলে। তোমাকে আর যাই বলি, ফালতু লোক বলতে পারব না কক্ষনো।’

    ওর খানাতল্লাশি নিলাম। কাজটা করতে ভয়ানক খারাপ লাগছিল, কিন্তু আমার কোনো উপায় ছিল না। মিস্টার ল্যাশ ক্যানিনো একজন সাহসী পুরুষ। তিনি অকুস্থলে ফিরে এসে ওকে ঘেঁটে অ্যাগনেসের কোনো সন্ধান পেলে হ্যারি-র মৃত্যুটা অনর্থক হবে। আলো নিভিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছিলাম, ঠিক তখনই ফোনটা বেজে উঠল। আমি নিথর হয়ে দাঁড়িয়ে রইলাম কিছুক্ষণ, তারপর পিছিয়ে এসে, আলো জ্বেলে ফোনটা তুলে বললাম, ‘বলুন।’

    ‘ওখানে হ্যারি আছে?’ এক মহিলা’র গলা পেলাম। গলাটা চিনতে পারলাম।

    ‘না, অ্যাগনেস।’

    কিছুক্ষণ সব চুপচাপ থাকার পর ও প্রান্ত সরব হল, ‘কে বলছেন?’

    ‘মার্লো। ভুলে যাননি তো?’

    ‘হ্যারি কোথায়?’ তীক্ষ্ণ গলায় প্রশ্নটা এল।

    ‘আমি ওকে দু-শো ডলার দিতে এসেছিলাম। বিনিময়ে ওর আমাকে কিছু কথা জানানোর ছিল। সেই প্রস্তাবটা এখনও আছে অ্যাগনেস। টাকা আমার সঙ্গেই আছে। আপনি কোথায় আছেন?’

    ‘ও বলেনি?’

    ‘না।’

    ‘তাহলে ওকেই জিজ্ঞেস করুন।’

    ‘উপায় নেই। আপনি ক্যানিনো বলে কাউকে চেনেন?’

    শিউরে ওঠার শব্দটা ফোনের মধ্যে দিয়েই ভেসে এল। আমি বললাম, ‘আপনার কি দু-শো ডলার দরকার, অ্যাগনেস?’

    ‘দরকার। খুব খুব জরুরি দরকার।’

    ‘তাহলে বলুন, আমাকে কোথায় আসতে হবে।’

    ‘আমি… আমি… হ্যারি কোথায়?’

    ‘এখানে নেই। বোধ হয় পালিয়েছে। আপনি যেখানে বলবেন আমি সেখানেই পৌঁছে যাব টাকা নিয়ে। বলুন, কোথায় আসব আমি?’

    ‘আমি আপনাকে বিশ্বাস করি না। আপনি… ফাঁদ পাতছেন।’

    ‘তাতে আমার লাভ? আমি আপনাদের ফাঁসাতে চাইলে অনেক কিছুই করতে পারতাম। কিন্তু তাতে আমার কী লাভ? ক্যানিনো কোনোভাবে হ্যারি-র খবর পেয়েছে, তাই হ্যারি উধাও হয়েছে। তাই আমাকে আপনার কাছ থেকেই জিনিসটা জানতে হবে। কেন, আপনি কি আমাকে মার্সের দালাল ঠাউরেছেন নাকি?’

    ‘না-আ।’ গলাটা কিছুক্ষণ চুপ করে রইল। হ্যারি জোনস টেবিলের পেছনে বসে রইল। তারপর গলাটা আবার সরব হল, ‘আপনি আধ ঘণ্টার মধ্যে বুলক’স, উইলশায়ারের পার্কিং লটে ঢোকার পুবদিকের গেটের পাশে আসুন।’

    ‘আসছি।’

    ফোনটা নামিয়ে রাখলাম। শুকনো বমি আর বাদামের গন্ধ মেশা বাতাস আমাকে ছুঁয়ে গেল। আলো নিভিয়ে করিডোরে বেরিয়ে এসে দরজা বন্ধ করলাম। শুনশান করিডোর পেরিয়ে লিফটের কাছে গেলাম। বোতাম টিপলাম। লিফট উঠতে শুরু করা মাত্র দ্রুত সিঁড়ি বেয়ে নীচে নেমে এলাম। তারপর বৃষ্টির ছাঁট মুখে নিয়ে গাড়ির দিকে এগোলাম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী
    Next Article মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }