Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    ঋজু গাঙ্গুলী এক পাতা গল্প413 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মরণ ঘুম – ২৭

    ২৭

    ‘টাকাটা দিন।’

    প্লিমাউথের ইঞ্জিনের গজরানি আর গাড়ির ছাদে বৃষ্টির আছড়ে পড়ার শব্দ ছাপিয়ে অ্যাগনেসের গলা আমার কানে এসে পৌঁছোল। বুলক’স বিল্ডিং-এর মাথায় জ্বলানেভা বেগুনি আলোটা অনেক উঁচুতে দপদপ করছিল। তবু জানলা দিয়ে বেরিয়ে আসা কালো দস্তানা-পরা হাতটা দেখতে আমার অসুবিধে হল না। দু-শো ডলার গুঁজে দিলাম তাতে।

    মেয়েটা ঘাড় গুঁজে টাকাগুলো গুনল, তারপর সেগুলো ব্যাগে ভরল। মুখ তুলে আমার চোখে চোখ রেখে বলল, ‘আমি চলে যাচ্ছি। এখনই। আপনি এটা না দিলে খুব বিপদে পড়তাম। হ্যারি কোথায়?’

    ‘পালিয়েছে। ক্যানিনো যে ওর পেছনে লেগেছে, এটা ও টের পেয়েছিল। কিন্তু যে খবরের জন্য আমি টাকাগুলো দিলাম, সেটা পাব না?’

    ‘পাবেন।’ দাঁতের ফাঁক দিয়ে একটা শ্বাস ছাড়ল অ্যাগনেস, ‘গত রোববারের আগের রোববার আমি আর জো ফুটহিল বুলেহার্ড দিয়ে যাচ্ছিলাম। তখন সবে সন্ধে হচ্ছে, আলোগুলো জ্বলে উঠছে একে একে। ওই সময় ওই জায়গাটায় মারাত্মক জ্যাম হয়, সেদিনও তাই হয়েছিল। তার মধ্যে আমরা একটা খয়েরিরঙা গাড়ির পাশে এসে পড়েছিলাম। গাড়িটা যে মহিলা চালাচ্ছিলেন, তাঁকে আমি চিনি— মিসেস মোনা মার্স। তাঁর পাশেই বসে ছিল ওই খয়েরি রঙের পোশাক পরা লোকটা, ক্যানিনো! জো গাড়িটার সামনে-পেছনে থেকে ওটাকে অনুসরণ করে। রিয়াল্টো থেকে পুবদিকে মাইলটাক গেলে রাস্তাটা বেঁকে পাহাড়ের দিকে চলে যায়। ওদিকে একটা সায়ানাইড প্ল্যান্ট আছে— যেখানে ওই জীবাণুনাশক-টাশক বানানো হয়। সেটা পেরিয়ে গেলে একটা গ্যারেজ পড়ে। ওটা চালায় আর্ট হাক নামে একজন, আসলে গাড়ি মেরামতের আড়ালে ওটা চোরাই গাড়ি পাচারের জায়গা। তার লাগোয়া একটেরে ফার্মহাউস গোছের একটা বাড়ি আছে। জো ওসব ছাড়িয়ে অরেঞ্জ কাউন্টির দিকে গাড়ি নিয়ে গেছিল। পরে একপাক ঘুরে ও যখন গাড়িটা ওই রাস্তায় ফিরিয়ে আনল, তখন খয়েরি রঙের গাড়িটা ওই বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে ছিল। আমরা কিছুটা ওপরে উঠে একটা ক্রসিং-এর কাছে অপেক্ষা করি। আরও বেশ কয়েকটা গাড়ি যাতায়াত করলেও ওই বাড়িতে আর কেউ আসেনি, খয়েরি গাড়িটাও আর বেরোয়নি। রাত নামলে জো চুপিচুপি ওই বাড়িটার কাছে গেছিল। ফিরে এসে ও আমাকে বলেছিল, ভেতরে আলো জ্বলছে আর রেডিয়ো চলছে— ব্যস।’

    ‘এতদিনে বোধ হয় ওঁকে অন্য কোথাও সরিয়ে দিয়েছে।’ আমি বললাম, ‘আপনি নিশ্চিত যে ওটা মিসেস মার্সই ছিলেন?’

    ‘ওই মহিলাকে একবার দেখলে আপনি ভুলবেন না।’ জানলার কাচ তুলতে তুলতে বলল অ্যাগনেস, ‘আমার কপালটা একেবারে ফাটা, বুঝলেন! এখানে থাকলে আর কী কী হবে, জানি না। আসি তাহলে?’

    আমি প্লিমাউথের চলে যাওয়া দেখতে দেখতে একটাই কথা ভাবলাম। গাইগার, ব্রোডি, জোনস— এরা সব গতাসু হয়ে গেল। আর শরীরে একটিও আঁচড় না লাগিয়ে, ব্যাগে দু-শো ডলার ভরে, গাড়ি চেপে বৃষ্টির মধ্যে রওনা হওয়া মেয়েটা বলছে, তার কপাল ফাটা!

    একটা রেস্তরাঁয় গিয়ে পেট আর মন ভরিয়ে ডিনার করলাম। একে তো বৃষ্টি মাথায় নিয়ে চল্লিশ মাইল যাওয়া মানেই বিশাল হ্যাপা, তার ওপর এইরকম অ্যাডভেঞ্চার করার আগে মনে অতৃপ্তি থাকা উচিত নয়।

    নদী পেরিয়ে পাসাডেনায় ঢুকলাম। একটু পরেই অরেঞ্জ কাউন্টি শুরু হয়ে গেল। মুষলধার বৃষ্টিতে চরাচর সাদা হয়ে ছিল। ওয়াইপারগুলো আপ্রাণ চেষ্টা করেও সামনের কাচটা পরিষ্কার রাখতে পারছিল না। উলটোদিক থেকে আসা গাড়িগুলো নোংরা জলের ছিটে তুলে হুশ করে বেরিয়ে যাচ্ছিল। রাস্তার দু-ধারে সারি সারি কমলার বাগান শেষ হয়ে প্রথমে একটা নোংরা শহর, তারপর রেললাইন আর রাস্তার চোর-পুলিশ খেলা, তারপরেই নিয়ন ঝলসানো একটা দৈত্যাকৃতি হোর্ডিং দেখা দিল। সেটা রিয়্যাল্টোয় আমাকে স্বাগত জানাচ্ছিল। ছাড়া ছাড়া বাড়ি, কিছু দোকানপাট, একটা ব্যাঙ্কের সামনে দাঁড়িয়ে উত্তেজিতভাবে আলোচনা করা ক-জন মানুষ— এসব ছাড়িয়ে আমি এগিয়ে চললাম। বুঝতে পারছিলাম না, ঠিক কোথায় সেই গ্যারেজ আর তার লাগোয়া বাড়ি দেখেছিল জো ব্রোডি আর অ্যাগনেস। ভয় হচ্ছিল, যদি এই বৃষ্টিতে আমি বাড়িটাই খুঁজে না পাই?

    কপাল আর কাকে বলে! রিয়্যাল্টো ছাড়িয়ে মাইলটাক এগোনোর পরে রাস্তাটা বাঁক নিল। বৃষ্টি আর আলো মিশে আমার হিসেবটা একটু গুলিয়ে দিল, ফলে গাড়িটা রাস্তার একেবারে ধারে চলে গেল। সামনের ডান দিকের টায়ারটা ফাটল তৎক্ষণাৎ। আমি ব্রেক কষার আগেই পেছনের চাকাটাও ওখান দিয়ে পার হয়ে জবাব দিল। বেসামাল গাড়িটাকে দাঁড় করিয়ে, বৃষ্টি মাথায় নিয়ে টর্চ হাতে নামলাম। দুটো জিনিস বুঝতে পারলাম।

    প্রথমত, রাস্তার ধারে একগাদা ভারী আর মজবুত পেরেক ছড়িয়ে আছে।

    দ্বিতীয়ত, আমার গাড়ির দুটো টায়ার গেছে, অথচ স্পেয়ার আছে মাত্র একটা।

    মুষলধার বৃষ্টির মধ্যেও দেখতে পেলাম, একটা টাল-খাওয়া জীর্ণ ঘরগোছের জিনিস রয়েছে রাস্তা থেকে শ-খানেক গজ দূরে। টর্চ নিভিয়ে দেখলাম, ওটার স্কাইলাইটে আলোর আভাস পাওয়া যাচ্ছে। মনে হল, হতেই পারে যে ওই ঘরটা গ্যারেজ, সেটা হয়তো আর্ট হাক নামের কেউ চালায়। আর সেক্ষেত্রে তার পেছনেই থাকতে পারে সেই বাড়িটা, যেখানে এডি মার্স বিনা কারণে লুকিয়ে আছেন।

    গাড়ির স্টিয়ারিং-এর নীচে একটা জীর্ণ টুলব্যাগ রাখা ছিল। তাতে গাড়িতে লাগে এমন ক-টা জিনিসের সঙ্গে দুটো বন্দুকও ছিল— একটা আমার, একটা মার্সের ওই গুন্ডা লেনি-র। ভাবলাম, লেনি-র অস্ত্রটা আমার চেয়ে বেশিই ব্যবহার করা হয় হয়তো। ওটাকেই পকেটে ভরে, টর্চ হাতে এগোলাম।

    রাস্তা থেকে ঘরটার একপাশের দেওয়াল দেখা যাচ্ছিল। সামনে গিয়ে টর্চের আলো জ্বালতেই দুটো জিনিস দেখতে পেলাম।

    এক, দরজার ওপর একটা রংচটা বোর্ডে লেখা ছিল, ‘আর্ট হাক— গাড়ি সারাই।’ দরজাটা বন্ধ থাকলেও তার ফাঁক দিয়ে আলোর একটা রেখা বাইরের কাদামাটিতে এসে পড়েছিল।

    দুই, ওখান থেকে কিছুটা দূরেই রয়েছে একটা ফার্মহাউস। সেটার দুটো জানলার পেছনে আলো জ্বলছে। বাড়িটার সামনে একটা খয়েরি রঙের গাড়ি দাঁড়িয়ে ছিল, যেটার মালিককে আমি বিলক্ষণ চিনি।

    টর্চের পেছনদিকটা দিয়ে দরজায় দুমাদ্দুম পেটালাম। কিছুক্ষণ কোনো সাড়াশব্দ পেলাম না, তবে ভেতরের আলোটা নিভে গেল। কপাল বেয়ে নামা বৃষ্টির ফোঁটাগুলো সরাতে সরাতে বুঝতে পারছিলাম, আমি একদম ঠিক জায়গায় এসেছি। টর্চ জ্বালিয়ে তার আলোটা দরজার মাঝামাঝি জায়গায় স্থির করলাম।

    ‘কী চাই?’ একটা বিরক্ত গলা এল ভেতর থেকে।

    ‘হাইওয়েতে আমার গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে। দুটো টায়ার গেছে। কিছু করুন, প্লিজ।’

    ‘মাফ করবেন। আমাদের গ্যারেজ এখন বন্ধ। মাইলটাক গেলেই রিয়্যাল্টো, ওখানে চেষ্টা করুন।’

    কথাটা শুনতে মোটেই ভালো লাগল না। আমি দরজাটা পেটালাম, লাথালাম, মানে আওয়াজ করেই চললাম। তারপর ভেতর থেকে একটা ভারী, ঘড়ঘড়ে, দানাদার গলা ভেসে এল, ‘ভদ্রলোক বড়ো অধীর হয়ে পড়েছেন দেখছি। দরজা খুলে দাও আর্ট।’

    দরজাটা সামান্য ফাঁক হল। এক মুহূর্তের জন্য একটা সরু, বিরক্ত মুখ আমার টর্চের আলোয় উদ্ভাসিত হল। তারপরেই একটা চকচকে কিছু ওপর থেকে নেমে এসে এক ধাক্কায় টর্চটা নীচে ফেলে দিল।

    ‘আলোটা নেভান।’ বিরক্ত গলাটা বলে উঠল। দেখলাম, একটা বন্দুকের নলের ধাক্কায় আমার টর্চ ধরাশায়ী হয়েছে। নীচু হয়ে টর্চটা নেভালাম। দরজাটা আরেকটু ফাঁক হল। এবার গ্যারেজের ভেতরের আলোটা জ্বলে উঠল। ওভার-অল পরা একটা রোগা, খেঁকুটে চেহারার লোক আমার দিকে বন্দুক তুলে বলল, ‘ভেতরে এসে দরজাটা বন্ধ করুন।’

    চুপচাপ ভেতরে ঢুকে দরজাটা বন্ধ করলাম। গাড়ির রঙের গন্ধে ভেতরের বাতাস ভারী হয়ে ছিল। একটু দূরে অন্ধকার ওয়ার্কবেঞ্চের ওপর কেউ একজন কোলকুঁজো হয়ে বসে ছিল। আমি তার দিকে না তাকিয়ে সামনের ওই খেঁকুটে লোকটার দিকে তাকিয়ে বললাম, ‘আমার গাড়িটা…?’

    ‘আপনার কি মাথা খারাপ হয়েছে?’ লোকটা খিঁচিয়ে উঠল, ‘আজ সন্ধেতেই রিয়্যাল্টোতে একটা ব্যাঙ্ক লুঠ হয়েছে। তার লোকজন এখনও ধরা পড়েনি। এই অবস্থায় অন্ধকারে আপনি কোত্থেকে উদয় হলেন?’

    আমার খেয়াল হল, একটা ব্যাঙ্কের সামনে ভিড় দেখেছিলাম বটে। বললাম, ‘আমি এসবের কিছুই জানি না। আমি এখানকার লোক নই।’

    ‘লোকে বলছে, কয়েকটা বদ ছোঁড়া এইসব কীর্তি করে এদিকেই লুকিয়েছে নাকি।’ লোকটা গজগজ করল।

    ‘তাহলে তাদের ফেলে যাওয়া পেরেকেই গাড়ির এই অবস্থা হয়েছে!’ ব্যাপারটা বুঝলাম, ‘আমি তো ভেবেছিলাম, ব্যাবসাপত্র বাড়ানোর জন্য আপনিই ওই কম্মোটি করেছেন।’

    ‘আপনার কি মার খাওয়ার সাধ হয়েছে?’ লোকটার গলাটা বিরক্তি থেকে রাগের দিকে বেঁকল।

    ‘ছাড়ো তো, আর্ট।’ অন্ধকার থেকে দাপুটে, ঘড়ঘড়ে গলাটা বলে উঠল, ‘তুমি গ্যারেজ চালাও। ভদ্রলোক বিপদে পড়েছেন। ওঁকে সাহায্য করো বরং।’

    ‘ধন্যবাদ।’ আমি ওদিকে না তাকিয়েই বললাম। আর্ট নামের লোকটা বিরক্ত মুখে নিজের ঢোলা আলখাল্লার বেল্ট টাইট করে যন্ত্রপাতি খুঁজতে লাগল। এইবার গ্যারেজটা দেখলাম ভালো করে।

    অনেকটা বড়ো জায়গা জুড়ে যন্ত্রপাতি ছড়িয়ে আছে। পেছনে, আলোর বৃত্তর বাইরে একটা নতুন সেডান দাঁড়িয়ে আছে। সেটার ফেন্ডারে একটা স্প্রে-গান রাখা আছে। ওই রঙের গন্ধই ছড়িয়ে আছে গ্যারেজের ভেতরে। তার পাশে বেঞ্চে হেলান দিয়ে বসে আছে একটা ছোটোখাটো চেহারার, চওড়া কাঁধের, গঁাট্টাগোট্টা লোক। তার পরনে একটা বৃষ্টিভেজা খয়েরি রেইনকোট। মাথার খয়েরি টুপিটা কাত হয়ে আছে। লোকটার কালো দু-চোখের ঠান্ডা, নিষ্পৃহ দৃষ্টি আমাকে মাপছিল।

    একটা সিগারেট ধরিয়ে লোকটা বলল, ‘একসঙ্গে দুটো টায়ার গেল? কপাল খুব খারাপ বলতে হবে। কিন্তু রাস্তাটা সাফ করা হয়েছিল বলে শুনলাম যেন কার থেকে।’

    ‘পেরেকগুলো সরানো হয়েছিল।’ আমি মানলাম, ‘কিন্তু আমি একটু পিছলে গেছিলাম বাঁকের মুখে।’

    ‘আপনি এখানে নতুন? কোথায় যাচ্ছিলেন?’

    ‘লস এঞ্জেলস। এখান থেকে কত দূরে হবে?’

    ‘চল্লিশ মাইল, তবে বৃষ্টি মাথায় নিয়ে চালানোর সময় অনেক বেশি দূর বলে মনে হবে। আপনি আসছেন কোত্থেকে?’

    ‘সান্তা রোসা।’

    ‘সে তো অনেক দূর! কোন পথে এলেন?’

    ‘রেনো হয়ে কারসন সিটি।’

    ‘অনেকটা পথ সেটাও।’

    ‘ওই পথে চলা বারণ আছে বুঝি? জানতাম না তো।’

    ‘আরে না না!’ গলাটা ঘড়ঘড় করে উঠল, ‘আপনি ভাবছেন, আমরা এমনি এমনি নাক গলাচ্ছি আপনার ব্যাপারে? আসলে এই ব্যাঙ্ক ডাকাতগুলো এখনও ধরা পড়েনি তো। তাই সাবধানে থাকা আর কি। আর্ট, ওঁর গাড়ির টায়ারগুলোর ব্যবস্থা করো।’

    ‘পারছি না।’ দাঁত খিঁচিয়ে বলল আর্ট, ‘এই রং করার কাজটা আজকের মধ্যে সারতেই হবে।’

    ‘এই আবহাওয়ায় রং শুকোবে না। বরং দুটো জ্যাক নিয়ে গিয়ে দেখো ওঁর গাড়ির কী অবস্থা।’

    ‘ডান দিকের চাকা— সামনে আর পেছনে, দু-জায়গাতেই।’ আমি যোগ করলাম।

    ‘বাইরে তুমুল বৃষ্টি হচ্ছে!’ আর্ট ঘাঁড় গোঁজ করে বলল, ‘এখন আমি ওসব পারব না।’

    বেঞ্চে বসা লোকটা কিচ্ছু বলল না, শুধু আর্টের দিকে তাকিয়ে একটা চাপা দীর্ঘশ্বাস ফেলল। আমার মনে হল, আর্ট একটা ইলেকট্রিক শক খেল যেন। আর একটা কথাও না বাড়িয়ে, জিনিসপত্র নিয়ে, ও ওই বৃষ্টির মধ্যে বেরিয়ে গেল।

    দরজাটা খোলা রেখেই বেরিয়ে গেছিল আর্ট। বৃষ্টির জল আর কনকনে হাওয়া ঢুকছিল ঘরটায়। লোকটা উঠে দরজাটা বন্ধ করে বেঞ্চে আবার এসে বসল। আমার দিকে কিছুক্ষণ স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল ও। তারপর সিগারেটটা মাটিতে পিষে বলে উঠল, ‘এই আবহাওয়ায় এক পাত্তর চড়ালে মন্দ হয় না, কী বলেন?’

    পেছন থেকে একটা বোতল নিয়ে দুটো গ্লাসে ও অনেকটা করে তরল ঢেলে একটা এগিয়ে ধরল। আমি পুতুলের মতো হেঁটে গিয়ে গ্লাসটা নিলাম। শুঁকে বাদামের গন্ধ পেলাম না। লোকটা কয়েকটা চুমুক দিল। ওকে দেখে আমিও সামান্য অংশ নিয়ে মুখে এদিক-ওদিক করে বুঝলাম, এতে সায়ানাইড নেই। গ্লাস খালি করে ওটা সামনের বেঞ্চে নামিয়ে রেখে আমি নিজের জায়গায় ফিরে গেলাম।

    ‘আর্ট হল টিপিক্যাল মেকানিক, বুঝলেন।’ খয়েরি মানুষটা বলে উঠল, ‘যে কাজটা ওর গত সপ্তাহে করার কথা, সেটা ও এখন করছে। তা আপনি কি কোনো কাজে বেরিয়েছিলেন, না এমনিই?’

    ‘কাজই বলতে পারেন।’ আমার কথা বলতে ভালো লাগছিল না। অর্ধেক রং হওয়া সেডানটার পাশে গিয়ে দাঁড়ালাম। বাইরে থেকে বৃষ্টির শব্দ আর আর্টের চোখা চোখা গালাগাল ভেসে আসছিল। আমি গাড়িটাকে দেখছিলাম।

    ‘প্রথমে একটু-আধটু মেরামত করতে বলেছিল গাড়ির মালিক।’ পেছন থেকে খয়েরি লোকটা ঘড়ঘড়ে গলায় বলছিল, ‘কিন্তু তারপর আর একটু বেশি পয়সা দিল। বলল, একেবারে অন্যরকম করে দিতে। বোঝেনই তো।’

    ‘বুঝি।’ মাথা নাড়লাম আমি, ‘সবচেয়ে পুরোনো পেশার মধ্যে দ্বিতীয়টাই তো চুরি।’

    ঘরের অন্যদিকে দাঁড়িয়ে থাকা খয়েরি মানুষটা আর আমার মাঝে অদৃশ্য হয়ে বসে থাকা হ্যারি জোনসের কথা ভেবে গলাটা শুকনো ঠেকছিল। একটা সিগারেট ধরিয়ে আর্টের জন্য অপেক্ষা করতে থাকলাম। একটু পরেই দরজা খুলে দুটো কাদামাখা ফ্ল্যাট টায়ার ঠেলতে ঠেলতে আর্ট ঢুকল।

    ‘টায়ার ফাটানোর জন্য আপনি জায়গাও বেছেছিলেন বটে!’ একটা তেলচিটে কাপড় দিয়ে মাথা মুছতে মুছতে বলল আর্ট।

    ‘কঠিন কাজটা তো করেই ফেলেছ।’ পকেট থেকে একটা সরু নল বের করে বলল খয়েরি মানুষটা, ‘আর ঘ্যানঘ্যান না করে এবার টায়ারগুলো সারিয়ে ফেলো দেখি।’

    আমি লোকটার হাতের নলের মধ্যে একগাদা নানা রঙের খুচরোর মসৃণ ওঠানামার দিকে তাকিয়ে ছিলাম। আর্ট ইতিমধ্যে রিম বরাবর টায়ারগুলো খুলে ফেলছিল। একটা বালতিতে রাখা নোংরা জল ছেঁচড়ে এনে তার ভেতরে টিউবটা চুবিয়ে ও এদিক-ওদিক তাকাল। উঠল, দেওয়ালে টাঙানো হাওয়া ভরার পাইপটা নিয়ে বালতির দিকে এগিয়ে এল। তারপর আমি বুঝলাম এডি মার্সের লোকজন কতটা পেশাদারি দক্ষতায় কাজ করে।

    এক লাফে আমার পেছনে এল আর্ট। সেই একই ভঙ্গিতে পাইপটা আমার ওপর ফেলে ও নিজের পুরো ওজনটা তাতে ছেড়ে হ্যাঁচকা টান দিল। আমার হাত দুটো শরীরের সঙ্গে লেগে গেল, বন্দুকটা বের করার কোনো উপায় রইল না। এবার খয়েরি মানুষটা প্রায় নাচের ভঙ্গিতে আমার দিকে এগিয়ে এল। আমি সামনে ঝুঁকে আর্টকে সরানোর চেষ্টা করলাম।

    টিউবটা সপাটে নেমে এল আমার মাথায়। এক ঝটকায় আমার চোখের সামনে সব কিছু ঝাপসা হয়ে গেল। তখনও আমি দেখতে পাচ্ছিলাম। টিউবটা আবার উঠল আর নামল। আলোটা হঠাৎ ভীষণ উজ্জ্বল হয়ে উঠল। তারপর সব অন্ধকার হয়ে গেল। অন্ধকার, আর হু-হু বাতাসের শব্দে ভরে গেল আমার পৃথিবী।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী
    Next Article মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }