Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    ঋজু গাঙ্গুলী এক পাতা গল্প413 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মরণ ঘুম – ৩০

    ৩০

    রোদ ঝলমলে দিনটা জানলা দিয়ে মুখ বাড়িয়ে হাসছিল। মিসিং পার্সনস ব্যুরো-র ক্যাপ্টেন গ্রেগরি মাইলসের মুখে অবশ্য হাসি ছিল না। ভোঁতা আঙুলগুলো দিয়ে পাইপটা বন্দুকের মতো বাগিয়ে, একটা বড়ো শ্বাস ফেলে আজকের আলাপ শুরু করলেন ভদ্রলোক।

    ‘তাহলে আরও একটা ঝামেলায় জড়িয়েছিলেন এর মধ্যেই?’

    ‘আপনি শুনেছেন?’

    ‘হেহ!’ ধূর্ত চোখজোড়ার নীচে একটা ভোঁতা হাসির ভাব ফুটে উঠল এবার, ‘লোকে ভাবে, আমার বুদ্ধিশুদ্ধি কিচ্ছু নেই। সে না থাকতেই পারে, কিন্তু চোখ-কান ঠিকঠাক আছে। ক্যানিনোকে যা করেছেন, বেশ করেছেন। তবে হোমিসাইডের ছেলেপুলে এবার আপনার ওপর চটে যাচ্ছে।’

    ‘আমার চারপাশে দনাদ্দন লাশ পড়ছে, সে তো দেখতেই পাচ্ছি। কিন্তু আমি ওই একটিই…’

    হাসলেন মাইলস্‌, তারপর বললেন, ‘ওই মহিলা যে এডি মার্সের বউ— এটা আপনাকে কে বলল?’

    আমি সবটাই বললাম। পাইপ টানার ফাঁকে ধৈর্য ধরে সবটা শুনলেন ভদ্রলোক। তারপর বললেন, ‘আপনি নির্ঘাত ভাবছেন, আমি কেন মহিলাকে খুঁজে পাইনি?’

    ‘ভাবছি ক্যাপ্টেন।’

    ‘আমাকে অপদার্থ ভাবছেন। বা ভাবছেন,’ বুড়ো আঙুল আর তর্জনী আমার নাকের সামনে ঘষলেন মাইলস, ‘আমি এডি মার্সের পোষা আর পাঁচটা পুলিশের মতোই একজন।’

    ‘না।’ আমি সত্যি করেই ভাবলাম, ‘এডি-র বউকে খুঁজে বের না করার অন্য কোনো কারণ থাকতেই পারে। কিন্তু আপনি ওর পয়সা খেয়ে চুপচাপ ছিলেন— এমনটা আমি ভাবিনি।’

    মাথা ঝাঁকিয়ে ধোঁয়া ওড়ালেন মাইলস। তারপর বললেন, ‘এই লাইনে যতটা সৎ থাকা যায়, আমি ততটাই সৎ মিস্টার মার্লো। খুচরো ক-টা লোককে জেলে পুরে বা মেরে আমাদের বোঝানো হবে যে আইন জিতছে, এদিকে আসলে এডি মার্সের মতো লোকেরাই জিতবে বার বার— এটা আমি হজম করতে পারি না। আমি আজ আপনাকে ডেকেছি এই কথাটা বলার জন্যই।’

    কিছু না বলে চুপচাপ রইলাম। এগুলোর কোনোটাই আমার কাছে নতুন নয়। মাইলস বলে চললেন।

    ‘তবু বলব, রাস্টি রেগানকে এডি মার্স খুন করেনি, বা করায়নি। কাল রাতে ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি ওকে গরম তাওয়ায় সেঁকার পর আমি আমার মতো করেও একটু সওয়াল-জবাব চালিয়েছিলাম। মার্স অনেক কিছুই বলেছে। ও বলেছে যে আলাদা-থাকা বউকে লুকিয়ে রেগানের নিরুদ্দেশকে একটা অন্যরকম অ্যাঙ্গল দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। মার্সের দাবি, ল্যাশ ক্যানিনোকে ও স্রেফ ওর বউয়ের দেহরক্ষী হিসেবে আর লোকজনকে ভয় দেখানোর জন্য কাজে লাগিয়েছিল। ও স্বীকার করেছে যে ও গাইগারকে চিনত, কিন্তু ওর ব্যাবসার সঙ্গে নাকি ওর কোনো যোগাযোগ ছিল না। ব্রোডিকে ও চিনত না। হ্যারি জোনসের ব্যাপারটা ও একেবারেই জানত না। আপনি এগুলো সবই জানেন হয়তো।’

    ‘জানি।’ সংক্ষেপে বললাম।

    ‘রিয়্যাল্টোতে পুলিশকে সব বলে আপনি বুদ্ধিমানের কাজ করেছেন।’ পাইপটা ঠুকে ছাই ঝাড়তে ঝাড়তে বললেন মাইলস, ‘লোকে বন্দুকের সঙ্গে গুলি মিলিয়ে দেখে আজকাল। পরে আবার গুলি-টুলি চালাতে হলে আপনি বিপদে পড়ে যেতেন।’

    ‘আমি বুদ্ধিমান।’ এর বেশি বলার ইচ্ছে হল না। মাইলস আমাকে আড়চোখে দেখলেন। তারপর জিজ্ঞেস করলেন, ‘মহিলার এখন খবর কী?’

    ‘জানি না।’ আমি সত্যি কথাই বললাম, ‘ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি, রিয়্যাল্টোর শেরিফ, আর হোমিসাইড— এই তিনজনের জন্য আমাদের দু’জনকেই মোট তিন সেট বয়ান দিতে হয়েছিল। সেসবে সইসাবুদ হয়ে যাওয়ার পর থেকে আমি আর মহিলাকে দেখিনি।’

    ‘মহিলাকে দেখে তো ভালোই মনে হয়।’ চিন্তিত মুখে বাইরে তাকিয়ে বললেন ভদ্রলোক।

    ‘মহিলা ভালোই।’ এর বেশি কিছু বলার পেলাম না। মাইলস আবার আমার দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলেন। তারপর দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, ‘শুনুন, আপনার ওপর যত লোকের যতই রাগ থাকুক না কেন, আমার ধারণা আপনি একটি সত্যিকারের ভদ্রলোক। কিন্তু আপনি যেখানেই হাত দেন, সেখানেই কেঁচো খুঁড়তে কেউটে বেরোয়। একটা কথা বলব? আপনি যদি সত্যিই স্টার্নউডদের ভালো চান, ওদের থেকে দূরে থাকুন।’

    ‘ঠিক বলেছেন, ক্যাপ্টেন।’ আমি উঠে দাঁড়িয়ে দরজার দিকে হাঁটা দিলাম। দরজার হাতলটা ধরে প্রায় মোচড় দিয়েই ফেলেছি, তখনই পেছন থেকে মাইলসের গলাটা আবার ভেসে এল, ‘কথা বলাটাই পণ্ডশ্রম হল, তাই না? আপনি এখনও ভাবছেন, আমরা রেগানকে পাওয়ার আগে আপনি ওকে খুঁজে পাবেন?’

    ‘না, ক্যাপ্টেন।’ আমি ঘুরে ভদ্রলোকের চোখে চোখ রেখে বললাম, ‘আমি জানি, আমি রেগানকে খুঁজে পাব না। আমি ওকে খোঁজার চেষ্টাই করব না। তাহলে হবে তো?’

    ‘এর উত্তরে আমার কী বলা উচিত, মার্লো?’ মৃদু হেসে মাথাটা ঝাঁকালেন মাইলস, ‘দরকার-টরকার হলে বলবেন। ভালো থাকবেন।’

    ভদ্রলোককে ধন্যবাদ দিয়ে বেরিয়ে এলাম।

    সিটি হল থেকে বেরিয়ে নিজের গাড়িটা নিলাম, তারপর ঘরে ফিরলাম। একটা পাইপ ধরিয়ে নিজেকেই বললাম, ‘লোকটা কিছু একটা জানে, কিন্তু বলছে না।’

    পাইপ শেষ হয়ে গেল। আমি বাইরের পোশাক পরেই বিছানায় লম্বা হলাম, কিন্তু ঘুম এল না। বরং আগের রাতে যা যা করেছিলাম সেই দৃশ্যগুলোই আবার ভিড় করে এল চোখের সামনে।

    তুমুল বৃষ্টির মধ্যে আমি গাড়ি চালাচ্ছিলাম। এককোণে চুপ করে বসে ছিলেন রুপোলি পরচুলা পরা মহিলা। পুরো রাস্তা আমরা একটাও কথা বলিনি, ফলে লস এঞ্জেলস পৌঁছোতে পৌঁছোতে আমরা দু’জনেই আবার অচেনা হয়ে গেছিলাম। ওখানেই একটা দোকান খোলা পেয়ে আমি বার্টি ওল্্স-কে ফোন করে বলেছিলাম, আমি রিয়্যাল্টোতে একজনকে খুন করেছি, আর তখন মিসেস মার্সকে নিয়ে ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি-র বাড়ি যাচ্ছি। ওল্্সের ফোন জায়গামতো চলে গেছিল। ডিএ ওয়াইল্ড মুখে একটা তিক্ত হাসি ঝুলিয়ে, হাতে সিগার নিয়ে আমাকে অভ্যর্থনা করেছিলেন। ওল্্স ছিলেন, শেরিফের অফিসের একজন ছিলেন, আর ছিল হোমিসাইডের দু-জন। আমি সব বলেছিলাম। মিসেস মার্স চুপচাপ ঘরের এককোণে বসে ছিলেন। ফোনের-পর-ফোন গেছিল এদিকে-ওদিকে। তারপর আমি আবার গাড়িতে বসেছিলাম, এবার হোমিসাইডের একজন আমার সঙ্গেই ছিল। ফুলওয়াইডার বিল্ডিং-এর সেই ঘরটায় শুকনো বমি আর বাদামের গন্ধ, আর হ্যারি জোনসের চোখ ঠিকরে বেরিয়ে আসা শরীরটা আমাদের স্বাগত জানিয়েছিল। তারপর মেডিক্যাল এগজামিনারের অফিস থেকে একজন এল। এল এক ফিংগারপ্রিন্ট এক্সপার্ট। তার সৌজন্যেই ড্রয়ারের একধার থেকে পাওয়া গেল ক্যানিনো-র আঙুলের ছাপ। তারপর আমরা আবার ফিরে এলাম ওয়াইল্ডের বাড়িতে। সেখানে বয়ান টাইপ করা হল। আমি সই করলাম। তখনই, একটা চকচকে কালো সুট পরে, একদম ঝকঝকে চেহারায় ঘরে ঢুকেছিলেন এডি মার্স।

    ঘরের কোণে মোনা মার্সকে দেখে এডি-র মুখের হাসিটা একদম খাঁটি ছিল— এটা আমাকে মানতেই হবে। সেভাবেই উনি বলেছিলেন, ‘আরে! এখানে কতক্ষণ?’

    মহিলা উত্তর দেননি। তারপর সব্বাই বেরিয়ে গেল ঘর থেকে, শুধু রয়ে গেলাম আমরা দু-জন— ড্রেসিং গাউন পরে, হাতে নিভন্ত চুরুট ধরা এক ক্রুদ্ধ ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি, আর এক অতি সামান্য প্রাইভেট ডিটেকটিভ।

    ‘এই শেষবার, মার্লো।’ দাঁতে দাঁত ঘষে বলেছিলেন ওয়াইল্ড, ‘আর একবার এইরকম কীর্তি করলে আমি হোমিসাইডকে বলব আপনাকে নিয়ে যা খুশি করতে। তাতে কার কত দুঃখ হবে, তাতে আমার কিস্সু যাবে-আসবে না! কথাটা বুঝতে পেরেছেন?’

    পেরেছি কি? যদি পেরেই থাকি, তাহলে ক্লান্ত, কালশিটে-পড়া শরীরটা ঘুমোচ্ছে না কেন? কেন এই ছবিগুলো আমার চোখের সামনে ঘুরপাক খাচ্ছে? তখনই ফোনটা বেজে উঠল। নরিস ওপাশ থেকে ঠান্ডা, পালিশ-করা গলায় বললেন, ‘বাড়িতে ফোন করতে হল বলে ক্ষমা চাইছি, মিস্টার মার্লো। আসলে কাল সন্ধে থেকে আপনাকে অফিসে ধরার চেষ্টা করেও পাইনি। আপনি কি আজ সকালে জেনারেলের সঙ্গে একবার দেখা করতে পারবেন?’

    ‘আমি কাল থেকে বাইরেই ছিলাম।’ আমি বললাম, ‘জেনারেল কেমন আছেন?’

    ‘আজ উনি অনেকটা ভালো আছেন। তাহলে আপনি কি আসছেন?’

    ‘আসছি।’ বলে আমি উঠে পড়লাম।

    স্নান করে তৈরি হলাম। সাজগোজ করার সময় কারমেনের ছোট্ট পিস্তলটাও পকেটে ভরে নিলাম। সোয়া এগারোটা নাগাদ স্টার্নউডদের বাড়ির ঘণ্টি বাজানোর সময় হঠাৎ একটা জিনিস খেয়াল হল। মাত্র পাঁচ দিন আগে আমি প্রথমবার এই ঘণ্টিটা বাজিয়েছিলাম, কিন্তু এর মধ্যেই মনে হচ্ছে যেন আমি জীবনভর এই বাড়ির চারপাশেই চক্কর কেটে চলছি।

    এক পরিচারিকা দরজা খুলে দিল। আমি সেই ঘোরানো সিঁড়িওলা ঘরটায় গিয়ে পোর্ট্রেটগুলোকে দেখে কিছুটা সময় কাটালাম। তারপর নরিস এসে আমাকে নিয়ে সিঁড়ি দিয়ে উঠতে শুরু করলেন। ঈর্ষাতুর দৃষ্টিতে ভদ্রলোককে দেখছিলাম। মনে হচ্ছিল, এই পাঁচদিন বিশ্রাম-টিশ্রাম নিয়ে ওঁর বয়স বছর কুড়ি কমে গেছে। সেখানে আমি যেন একেবারে বুড়িয়ে গেছি।

    ভিভিয়েনের ঘরের উলটোদিকে কিছুটা এগোতে একটা বিশাল দরজা পড়ল। নিঃশব্দে সেটা খুলে নরিস আমাকে ভেতরে যেতে বললেন। জেনারেল স্টার্নউড বালিশে ভর দিয়ে বিছানায় আধশোয়া হয়ে ছিলেন। আমাকে দেখে দুর্বল, কিন্তু স্থির গলায় ভদ্রলোক বললেন, ‘বসুন, মিস্টার মার্লো।’

    খাটের পাশে একটা চেয়ার টেনে বসলাম আমি। নরিস নিঃশব্দে দরজাটা বন্ধ করে দিয়ে বেরিয়ে গেলেন। বন্ধ, বদ্ধ ঘরটার ভেতরে ছড়িয়ে ছিল বয়স, অসুখ, ওষুধ মেশানো একটা হালকা গন্ধ।

    অনেকক্ষণ আমার দিকে তাকিয়ে রইলেন জেনারেল স্টার্নউড। একটা হাত তুলে সেদিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলেন— হয়তো নিজেকে এটা বোঝাতে যে উনি হাত-পা নাড়াতে পারেন, তারপর সেটা আবার নামিয়ে আনলেন। অবশেষে ভদ্রলোক বললেন, ‘আমি আপনাকে আমার জামাইকে খোঁজার ভার দিইনি, মিস্টার মার্লো।’

    ‘কিন্তু আপনি চেয়েছিলেন যে আমি খুঁজি।’

    ‘আমি আপনাকে এমন কিচ্ছু বলিনি। তা সত্ত্বেও আপনি এই কথাটা ধরে নিলেন?’

    আমি কিছু বললাম না। জেনারেল সেই নীচু, স্থির গলায় বলে চললেন, ‘আপনার বকেয়া মিটিয়ে দেওয়া হয়েছে। ওই টাকায় কিছু যায়-আসে না। কিন্তু আমার ধারণা, ইচ্ছেয় হোক বা অনিচ্ছেয়, আপনি আমার বিশ্বাসভঙ্গ করেছেন।’

    ভদ্রলোক চোখ বন্ধ করলেন। আমি বললাম, ‘এইজন্য আমাকে ডেকেছিলেন?’

    ধীরে, খুব ধীরে চোখ খুললেন ভদ্রলোক। মনে হল, ওঁর চোখের পাতাজোড়া বোধ হয় সিসে দিয়ে বানানো। আস্তে আস্তে ভদ্রলোক বললেন, ‘আপনি কি আমার কথায় অসন্তুষ্ট হলেন?’

    ‘আপনি বরং টাকাটা ফেরত নিয়ে নিন, জেনারেল।’ আমি মাথা নেড়ে বললাম, ‘আপনার কাছে ওই টাকার কোনো মূল্য নেই। আমার কাছে আছে, তবু আমি ওটা ফেরত দিতে পারব। তাতে এটাই বুঝব যে কাজটা যেভাবে হওয়া উচিত ছিল, সেভাবে করতে পারিনি আমি।’

    ‘এমন ‘‘অসন্তোষজনক’’ কাজ আপনি প্রায়ই করেন বুঝি?’

    ‘মাঝে মাঝে। সবারই হয়।’

    ‘ক্যাপ্টেন গ্রেগরির কাছে কেন গেছিলেন আপনি?’

    চেয়ারে হেলান দিয়ে ভদ্রলোকের মুখের দিকে তাকিয়ে রইলাম। বোঝার চেষ্টা করছিলাম, ঠিক কী উত্তর দিলে মানুষটাকে আরও আঘাত পাওয়ার হাত থেকে বাঁচানো যায়। বললাম, ‘আমি জানতাম যে গাইগারের ওই চিঠি আর নোটগুলো আপনি আমাকে দিয়েছেন একটা পরীক্ষা হিসেবে। আপনার আশঙ্কা ছিল, হয়তো রেগান এই ব্ল্যাকমেইলিং-এর ব্যাপারটায় জড়িত থাকতে পারেন। ক্যাপ্টেন গ্রেগরির সঙ্গে কথা না বললে আমি রাস্টি রেগান সম্বন্ধে নিশ্চিত হতে পারতাম না। ওঁর সঙ্গে কথা বলেই আমি বুঝি, রেগান ওইরকম লোক নন।’

    ‘এটা আমার প্রশ্নের উত্তর নয়।’ জেনারেলের চোখগুলো আমার মুখের ওপর স্থির হয়ে ছিল।

    ‘প্রথম যেদিন আপনি আমাকে ডেকে পাঠিয়েছিলেন, সেদিন আপনার সঙ্গে দেখা করে গ্রিনহাউস থেকে বেরিয়ে আসার পরেই মিসেস রেগান আমাকে ডেকে পাঠিয়েছিলেন। ওঁর ধারণা ছিল, আপনি আমাকে দিয়ে রাস্টি রেগানকে খুঁজে বের করতে চাইছেন। সেটা উনি চাইছিলেন না। তবে কথায় কথায় উনি বলেন যে ‘ওরা’ রেগানের গাড়িটা খুঁজে পেয়েছিল। এই ‘‘ওরা’’ একমাত্র পুলিশ হতে পারে। আপনি পুলিশকে জড়াতে না চাইলেও গাড়িটা যদি ওদের হাতে আসে তাহলে ওরা খোঁজ নেবেই। আপনাদের ড্রাইভারের নামের পাশে যেহেতু একটা দাগ আগে থেকেই ছিল, তাই ওরা এতে নাক গলাবেই। তখনই আমি মিসিং পার্সনস ব্যুরোর ব্যাপারটা ভাবি, কারণ রেগানের ব্যাপারে খোঁজাখুঁজি করতে হলে ওরাই করবে। তা ছাড়া…’

    ‘তা ছাড়া?’

    ‘ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির বাড়িতে গাইগারকে নিয়ে সেই রাতে একটা ছোটোখাটো কনফারেন্সই হয়েছিল। তার ফাঁকে মিস্টার ওয়াইল্ড আমাকে নিভৃতে জিজ্ঞেস করেছিলেন, আপনি যে রেগানকে খুঁজছেন সেটা আমি জানি কি না। আমি বলেছিলাম, আপনি এটা জানতে পারলে খুশি হতেন যে রেগান কোথায় আছেন। এতে মিস্টার ওয়াইল্ড যেভাবে আমার দিকে তাকিয়েছিলেন তাতে স্পষ্ট বুঝতে পেরেছিলাম যে ইতিমধ্যেই পুলিশ, অর্থাৎ মিসিং পার্সনস ব্যুরো রেগানকে খুঁজছে। তাই আমি ক্যাপ্টেন গ্রেগরির সঙ্গে দেখা করি। তখনও আমি ওঁকে এমন কিছুই বলিনি যা উনি জানেন না।’

    ‘আপনি কি গ্রেগরিকে বুঝিয়েছিলেন যে আপনি রেগানকে খুঁজেছিলেন?’

    ‘বলিনি। তবে হ্যাঁ, আমার আচরণ থেকে উনি সেটাই বুঝেছিলেন।’

    ‘এই আচরণটা কি ন্যায়সংগত হয়েছিল বলে আপনার মনে হয়?’

    ‘হ্যাঁ।’ আমি স্পষ্ট গলায় বললাম, ‘মনে হয়।’

    ‘আমি আপনার কথা বুঝতে পারলাম না, মিস্টার মার্লো।’ জেনারেল গায় স্টার্নউডের চোখজোড়া কালো আগুনের মতো আমার দিকে চেয়ে রইল।

    ‘আপনি কি আমায় ক্যাপ্টেন গ্রেগরির কাছে যেতে বারণ করেছিলেন, জেনারেল?’

    ‘না।’ বুড়োর মুখে একটা খুব খুব হালকা হাসির আভাস দেখা দিল, ‘সেটা করা বোধ হয় সহজ ছিল না, তাই না?’

    ‘আপনার বাটলার তথা আপ্তসহায়ক নরিস ভেবেছিলেন যে গাইগারের মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে মামলা শেষ হয়ে গেছে। কিন্তু আমার সেটা আদৌ মনে হয়নি। গাইগার কে? একটি গোলমেলে চরিত্র, যে আরও কয়েকটি গোলমেলে চরিত্র আর কিছু দুর্নীতিগ্রস্ত পুলিশের ছায়ায় থেকে কারবার চালায়। আপনার কাছে প্রমিসরি নোট আর চিঠি পাঠিয়ে টাকা চাইবার সাহস তার হয় কীভাবে? এর অর্থ একটাই হয়। গাইগার জল মাপছিল। ও বুঝতে চাইছিল, আর কেউ ইতিমধ্যেই আপনার ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে কি না। যদি আপনি চাপে থাকতেন, হয়তো টাকা দিয়ে দিতেন। যদি এমন কোনো চাপ না থাকত, আপনি টাকা দিতেন না। কিন্তু আপনি চাপে ছিলেন। রাস্টি রেগান আপনার আপনজন হয়ে উঠেছিলেন বলেই আপনি ভাবছিলেন, যদি আসলে তিনি অন্যরকমের মানুষ হন।’

    ভদ্রলোক কিছু বলতে গেলেন। আমি ওঁকে থামিয়ে বললাম, ‘আপনার কাছে ওই ক’টা টাকার মূল্য ছিল না, এখনও নেই। এমনকী নিজের মেয়েদেরও আপনি মোটামুটি খরচের খাতায় ফেলে দিয়েছেন। কিন্তু রাস্টি রেগান আপনার কাছে স্পেশাল। সেজন্যই গাইগারের এই চিঠির পেছনে আরও কিছু আছে কি না জানতে চেয়ে আপনি আমাকে কাজে লাগিয়েছিলেন।’

    ‘আপনি বড়ো বেশি কথা বলেন, মিস্টার মার্লো।’ তিতকুটে গলায় বললেন ভদ্রলোক, ‘তাহলে এখন আপনি কী করবেন? রেগানের খোঁজ চালিয়ে যাবেন?’

    ‘না।’ আমি স্পষ্টভাবে বললাম, ‘আমাকে বারণ করে দেওয়া হয়েছে। হোমিসাইড আমাকে নিয়ে উত্ত্যক্ত হয়ে গেছে। তাদের ধারণা আমি হাত বাড়ালেই লাশ পড়ে। সেজন্যই বলছি, আপনি বরং টাকাটা ফেরত নিয়ে নিন। আমি কাজটা ঠিকমতো শেষ করতে পারিনি।’

    ‘তাহলে এবার কাজটা শেষ করুন।’ বুড়োর নীচু গলায় একটা অদ্ভুত ধার এসে গেছিল, ‘আমি আপনাকে আরও হাজার ডলার দেব, মিস্টার মার্লো। রাস্টিকে ফিরে আসতে হবে না। এমনকী ও কোথায় আছে, এটাও আমাকে জানাতে হবে না। আমি বুঝি, এই বাড়ি থেকে যদি ওর মন উঠে গিয়ে থাকে তাহলে নিজের মতো করে বাঁচার পুরো অধিকার ওর আছে। শুধু আমাকে এটুকু জানান যে ও যেখানেই থাকুক, ভালো আছে। আর হ্যাঁ, যদি ওর টাকার দরকার হয়, তাহলে আমি ওকে টাকা দেব— যা লাগে, যেভাবে লাগে। আপনার কাজটা বুঝতে পেরেছেন তো?’

    ‘হ্যাঁ, জেনারেল।’

    কিছুক্ষণ চুপ করে রইলেন ভদ্রলোক। তারপর আমার দিকে যখন তাকালেন তখন মানুষটার চোখে অনন্ত ক্লান্তির ছায়া ছাড়া কিচ্ছু দেখতে পাচ্ছিলাম না। সেভাবেই ভদ্রলোক বললেন, ‘আমি জানি আপনি কী ভাবছেন। আপনি ভাবছেন, বুড়ো এই বয়সে এসে এত সেন্টিমেন্টাল হয়ে পড়েছে যে সব ছেড়ে এক অজ্ঞাতকুলশীলকে খুঁজে পেতে চাইছে। হ্যাঁ, মিস্টার মার্লো, আমার জন্যই আপনি রাস্টি রেগানকে খুঁজে বের করুন। পারবেন তো?’

    ‘হ্যাঁ, জেনারেল। এখন দয়া করে ঘুমোন।’

    বেরিয়ে আসার সময় দরজাটা ভেজাতে গিয়ে আরেকবার খাটের দিকে তাকালাম। দেখলাম, মানুষটা এর মধ্যেই ঘুমিয়ে পড়েছে!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী
    Next Article মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }