Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    ঋজু গাঙ্গুলী এক পাতা গল্প413 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    এক – ধূসর আর লাল

    হিকি ডিউয়ি-র মুখে আমি প্রথমবার ‘পয়জনভিল’ কথাটা শুনি। হিকি ‘পোত্তেক’ কথাই ‘পোশকার’ করে বলে। ভেবেছিলাম পার্সনভিল শহরের নামটা শুধু ওর মুখেই ওরকম হয়েছে। পরে, যাঁরা ‘র’ উচ্চারণ করতে পারেন তেমন কয়েকজনের মুখেও শুনে আমি ভেবেছিলাম, শহরটার এহেন নামকরণ নেহাত বদরসিকতা। কিন্তু বছরকয়েক পর আমি নিজেই পার্সনভিলে গিয়ে নতুন নামের সার্থকতা বুঝি।

    ওখানে নেমে স্টেশনের ফোন থেকেই ‘হেরাল্ড’-এর দফতরে ডোনাল্ড উইলসনকে চাইলাম। তিনি অন্য প্রান্তে এলে আমি নিজের পরিচয় দিয়ে বললাম, ‘এসে গেছি।’

    ‘আপনি আজ রাতে, এই ধরুন দশটা নাগাদ, আমার বাড়িতে আসতে পারবেন?’ ভদ্রলোকের গলাটা বেশ লাগছিল ফোনে। মার্জিত, স্পষ্ট, নীচু। ‘২১০১ মাউন্টেন বুলেভার্ড। একটা ব্রডওয়ে কার ধরে লরেল অ্যাভিনিউ। সেখান থেকে পশ্চিমদিকে দুটো ব্লক। ব্যস।’

    আমি রাজি হলাম। গ্রেট ওয়েস্টার্ন হোটেলে চেক-ইন করে, ব্যাগ রেখে, শহরটা দেখতে বেরোলাম।

    শহরটা বাজে দেখতে। বেশিরভাগ বাড়ি একসময় হয়তো জেল্লাদার ছিল, কিন্তু দক্ষিণ দিকের গাদাগাদা কারখানার হলুদ ধোঁয়া আর লোহা-মেশানো ধুলো সেগুলোকে কুচ্ছিত করে ফেলেছে। এর সঙ্গে যোগ করা যাক খনির কাজের জন্য খুঁড়ে দফারফা করে দেওয়া দু-পাশের দুটো পাহাড়, আর মাথার ওপর একটা ময়লাটে আকাশ। সব মিলিয়ে মেজাজ খারাপ করে দেওয়ার পক্ষে আদর্শ জায়গা।

    প্রথম যে পুলিশটিকে দেখলাম, তার একমুখ দাঁড়িগোফ। দ্বিতীয়জনের নোংরা ইউনিফর্মের বেশ ক’টা বোতাম নেই। তৃতীয়জন ব্রডওয়ে আর ইউনিয়ন স্ট্রিটের ক্রসিং-এ দাঁড়িয়ে ট্র্যাফিক সামলাতে গিয়েও ঠোঁটে চুরুট গুঁজে রেখেছিল। এরপর আমি আর আইনরক্ষকদের ‘অবস্থা’ বোঝার চেষ্টা করিনি।

    সাড়ে ন-টায় ডোনাল্ড উইলসনের বাড়ির উদ্দেশে রওনা হলাম। ওঁর দেওয়া নির্দেশমাফিক, ছিমছাম লনে ঘেরা একটা বাড়িতে যখন পৌঁছোলাম তখন রাত দশটা। একটি কাজের মেয়ে দরজা খুলল। আমার প্রশ্নের উত্তরে মেয়েটি জানাল, ডোনাল্ড উইলসন বাড়িতে নেই। আমি যখন মেয়েটিকে বোঝানোর চেষ্টা করছি যে আমার অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়া আছে, তখনই এক মহিলা ঢুকলেন। তন্বী, স্বর্ণকেশী, অনূর্ধ্ব-ত্রিশ। আমার দিকে তাকিয়ে হাসার সময়েও মহিলার নীল চোখ দুটো পাথুরেই রয়ে গেল। আমি আবার বললাম, কেন এসেছি।

    ‘আমার স্বামী এখন বাড়িতে নেই।’ মহিলার উচ্চারণে ‘স’-গুলো একটু পিছল হয়ে বেরোচ্ছিল, ‘তবে উনি আপনাকে যখন এই সময়েই আসতে বলেছেন, তাহলে শিগগিরি এসে পড়বেন।’

    আমাকে দোতলায়, রাস্তার দিকে মুখ করা একটা ঘরে বসানো হল। উলটোদিকের একটা চেয়ারে বসে মহিলা শুরু করলেন আমার আসার কারণ জানতে চেয়ে তাঁর খোঁড়াখুঁড়ি।

    ‘আপনি কি পার্সনভিলেই থাকেন?’

    ‘আজ্ঞে না। সানফ্রানসিস্কো।’

    ‘এর আগেও নিশ্চয় এসেছেন এখানে?’

    ‘না। এই প্রথম।’

    ‘তাই নাকি? তা কেমন লাগছে আমাদের শহরটা?’

    ‘আমি এখনও সেভাবে দেখে উঠতে পারিনি।’ ভদ্রতার খাতিরে কথায় জল মেশাতে হল। ‘আসলে, আমি আজ বিকেলেই এসে পৌঁছেছি।’

    ‘আপনার ভালো লাগবে না শহরটা।’ মহিলার চোখ দুটো এক লহমার জন্য জ্বলে উঠল, ‘তবে খনি এলাকার সব শহরই বোধ হয় এরকম হয়। আপনিও কি খনির সঙ্গে যুক্ত?’

    ‘আজ্ঞে না।’

    ‘এটা ডোনাল্ড ঠিক করেনি, জানেন।’ ঘড়ির দিকে তাকিয়ে বললেন মহিলা, ‘এমন একটা সময়ে আপনাকে ডেকে পাঠিয়ে এইভাবে বসিয়ে রাখা…’

    ‘এমনটা হতেই পারে।’

    ‘আপনার আসার কারণটা কি ব্যাবসা-সংক্রান্ত?’

    আমি চুপ করে রইলাম। মহিলা কাশি আর হাসির মাঝামাঝি একটা আওয়াজ করে বললেন, ‘আমি কিন্তু সবাইকে এভাবে জেরা করি না। আসলে আপনি কিছুই বলছেন না বলেই আমার কৌতূহল বেড়ে যাচ্ছে। আচ্ছা, আপনি ডোনাল্ডকে বিশেষ কিছু সাপ্লাই-টাপ্লাই…?’

    আমি মুচকি হেসে চুপ করে রইলাম। মহিলা যা খুশি ভাবতে পারেন।

    নীচ থেকে ফোনের আওয়াজ ভেসে এল। মিসেস উইলসন সবুজ স্লিপার-পরা পা-জোড়া চুল্লির দিকে বাড়িয়ে ভান করলেন, যেন তিনি আওয়াজটা শুনতেই পাননি। তবে তিনি ‘আমাকে এবার…’ বলে আবার কথা শুরু করেই থামতে বাধ্য হলেন, কারণ কাজের মেয়েটি দরজায় এসে দাঁড়িয়েছিল।

    মেয়েটি বলল, মিসেস উইলসনের জন্য ফোন এসেছে। নীচে না গিয়ে, বরং ঘরের বাইরে একটা এক্সটেনশন থেকেই মহিলা ফোনটা রিসিভ করায় অন্তত একপক্ষের কথা শুনতে আমার কোনো সমস্যা হল না।

    ‘হ্যালো… আমি মিসেস উইলসন বলছি… হ্যাঁ… মাফ করবেন, কিন্তু আপনার কথা শোনাই যাচ্ছে না। একটু জোরে বলবেন?… হ্যাঁ… হ্যাঁ? কী?… কে বলছেন?… হ্যালো! হ্যালো!’

    খটাস্‌ করে ফোনটা নামিয়ে রাখার, আর তারপর দ্রুত হেঁটে যাওয়ার আওয়াজ পেলাম। একটা সিগারেট ধরিয়ে অপেক্ষা করলাম, যতক্ষণ না সিঁড়ি দিয়ে নীচে নামার আওয়াজটা পাই। সেটা পেতেই আমি জানলার ধারে গিয়ে দাঁড়ালাম। পর্দার একটা কোণ সরাতেই লরেল অ্যাভিনিউ, আর সেদিকে মুখ করে থাকা এবাড়ির ছোট্ট গ্যারেজটা দেখতে পেলাম। একটা গাঢ় রঙা কোট আর টুপি পরে মিসেস উইলসন হনহনিয়ে গ্যারেজে ঢুকলেন। তারপর একটা ছোটো ব্যুইক গাড়ি চালিয়ে তিনি বেরিয়ে গেলেন। আমি চেয়ারে বসে আবার শুরু করলাম শবরীর প্রতীক্ষা।

    পঁয়তাল্লিশ মিনিট পেরোল। ঠিক এগারোটা বেজে পাঁচ মিনিটে বাইরে গাড়ির ব্রেকের ‘ক্যাঁচ’ আওয়াজটা শুনলাম। দু-মিনিট পর মিসেস উইলসন ঘরে ঢুকলেন। তাঁর পরনে কোট বা টুপি ছিল না। মুখটা ছিল ফ্যাকাসে, আর চোখজোড়া নীলের বদলে কালোই ঠেকছিল।

    ‘আমি অত্যন্ত দুঃখিত।’ হোঁচট খাওয়ার মতো করে কথাটা বললেন মহিলা, ‘আমি বেকার আপনাকে এতক্ষণ অপেক্ষা করালাম। আমার স্বামী আজ রাতে বাড়ি ফিরবেন না।’

    আমি উঠে দাঁড়িয়ে বললাম, ‘‘হেরাল্ড’-এর অফিসেই আমি ডোনাল্ড উইলসনের সঙ্গে দেখা করব।’ বেশিক্ষণ তাকাইনি, তবু বেরোনোর সময় মনে হল, মিসেস উইলসনের স্লিপারে বাঁ-পায়ের বুড়ো আঙুলের কাছটা কালচে আর ভেজা দেখাচ্ছিল।

    রক্ত লাগলে যেমন দেখায়।

    ফেরার পথে আমার হোটেলের তিনটে ব্লক উত্তরেই ব্রডওয়ে কার থেকে নামতে হল। সিটি হলের ‘পুলিশ বিভাগ’ সাইনবোর্ড লাগানো দরজার বাইরে জনা চল্লিশ লোকের ভিড়টা কেন গজিয়েছে, সেটা জানার ইচ্ছে প্রবল হয়ে উঠেছিল। ভিড়ের চেহারা দেখে বুঝলাম, উপস্থিত জনতার বেশিরভাগই খনি বা কারখানার শ্রমিক। তারা ছাড়া ওই ভিড়ে ছিল ঘোলাটে চোখের ক-জন ভদ্রলোক, তেমনই চোখের ক-টি ভদ্রমহিলা, আর নিশিপদ্মের কারবারি কয়েকটি মেয়ে।

    ওই ভিড়ের বাইরের দিকে একটি মানুষের গা ঘেঁষে দাঁড়ালাম। লোকটির বয়স ত্রিশের বেশি হবে না। চওড়া চেহারার ওপর বসানো মুখটা থলথলে নয়, বরং বুদ্ধিদীপ্ত। কিন্তু লোকটার ঠোঁট, মুখের ভাব, গায়ের দোমড়ানো পোশাক, সবই ছাইরঙা। মনে হচ্ছিল, লোকটার জীবনে একমাত্র রঙিন জিনিস বোধ হয় ওর লাল টাই-টা।

    ‘এত ভিড় কীসের?’ আমি জিজ্ঞেস করলাম।

    লোকটা ছাই ছাই, অথচ ধারালো চোখে আমার আপাদমস্তক দেখল। তারপর অনেক ভেবে বলল, ‘ডন উইলসন পরলোকের পথে যাত্রা করেছেন। তবে তাঁর গায়ে গুলির গর্তগুলো দেখতে তাঁর সহযাত্রীদের কেমন লাগবে, বলা কঠিন।’

    ‘গুলি কে করল?’

    ঘাড় চুলকে লোকটা বলল, ‘এমন কেউ, যার কাছে বন্দুক ছিল।’

    মাথা গরম হল। অন্য কেউ হলে পালটা খোঁচানো যেত, কিন্তু লাল টাই-টা আমার কাছে ইন্টারেস্টিং মনে হচ্ছিল। আমি লোকটাকে বললাম, ‘রক্ষে করুন। এইরকম উত্তর না দিয়ে একটু স্পষ্ট করে, ঠিক কী হয়েছিল সেটা বলতে কি খুব অসুবিধে হচ্ছে?’

    ‘কিছুক্ষণ আগেই ‘‘মর্নিং’’ ও ‘‘ইভনিং হেরাল্ড’’ পত্রিকার প্রকাশক শ্রীডোনাল্ড উইলসনকে হারিকেন স্ট্রিটে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া গেছে। শ্রীউইলসন মৃত। হত্যাকারী অজ্ঞাত।’ সুর করে কথাগুলো বলে লোকটা জানতে চাইল, ‘এবার ঠিক আছে?’

    ‘ইয়্যাকদম!’ আমি টাই-টার দিকে আঙুল তুলে বললাম, ‘এটা কি ফ্যাশন, না বিশেষ কোনো কারণে পরা?’

    ‘আমি বিল কুইন্ট।’

    ‘তাই নাকি?’ আমার খেয়াল হল, গোটা দেশেই ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অ্যাসোশিয়েশনের অন্যতম মাথা এই লোকটা। ‘আপনার সঙ্গে আলাপ হয়ে খুব ভালো লাগল।’

    খুঁজেপেতে একটা লাল কার্ড বের করলাম। কার্ডটা হেনরি এফ নিল নামক এক সক্ষম নাবিক তথা শ্রমিক সংগঠনের মূল্যবান সদস্য-র। কুইন্ট সেটা খুঁটিয়ে পড়ল, আমাকে খুঁটিয়ে দেখল, তারপর গলায় কিলো কিলো সন্দেহ মিশিয়ে বলল, ‘আপনি তো নাবিক? তা এখানে কেন?’

    ‘আমি নাবিক? এটা আপনার মনে হল কেন?’

    ‘এই কার্ডে তো তাই লেখা আছে।’

    ‘আমি আপনাকে এখনই একটা কার্ড দিতে পারি যেটা বলবে যে আমি কাঠের কারবারি। যদি চান তাহলে কালকেই আমি একটা কার্ড দিয়ে প্রমাণ করব, আমি লোহা গলাই।’

    ‘ওই কার্ড শুধু আমি ইসু করি।’ আপত্তি জানাল কুইন্ট। ‘আপনার মতলবটা কী?’

    ‘এখানে কোথাও একটু বসা যায় না?’

    একটা রেস্তরাঁর ওপরে বারে, মোটামুটি নিভৃত একটা কোণ দখল করা গেল। পরবর্তী দু-ঘণ্টা হুইস্কি আর কথায় কাটল। কুইন্টের মতে ওইভাবে ‘দু-নম্বরি’ কার্ড দিয়ে নিজেকে কোথাও ফিট করানোর চেষ্টা অন্যায়, এবং ও এটা অন্যদের বলবেই। তাতে আমার কোনো মাথাব্যথা ছিল না। আমার কৌতূহল ছিল পার্সনভিলের হাল-হকিকত নিয়ে। কুইন্টের কাছ থেকে যা জানলাম তা মোটামুটি এরকম।

    চল্লিশ বছর ধরে পার্সনভিলের একচ্ছত্র অধিপতি হলেন এলিহু উইলসন। সদ্যপ্রয়াত ডোনাল্ড উইলসনের বাবা এই মানুষটি পার্সনভিল মাইনিং কর্পোরেশন, ফার্স্ট ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক, মর্নিং ও ইভনিং হেরাল্ড এবং এই শহরের প্রায় সবকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাবসার হয় মালিক, নয় নিয়ন্ত্রক। রাজনৈতিক মহলেও বিপুল প্রভাব থাকায় শহর নয়, রাজ্যটাই চলে এলিহু উইলসনের অঙ্গুলিহেলনে।

    যুদ্ধের সময় শ্রমিক সংগঠনের রবরবা ছিল প্রচুর। তাদের থেকে কাজ আদায় করানোর জন্য এলিহু যেসব চুক্তি-টুক্তি করতে বাধ্য হয়েছিলেন, যুদ্ধ শেষের পর টানাটানি শুরু হতেই তিনি সেগুলো বাতিল করেন। শ্রমিকরা যাতে পড়ে পড়ে মার না খেয়ে প্রতিবাদ করতে পারে, সেটা নিশ্চিত করার জন্য কুইন্টকে পাঠানো হয় এই শহরে। কুইন্ট চেয়েছিল, শ্রমিকরা কাজ কমিয়ে দিয়ে সাবোতাজ করুক। কিন্তু স্থানীয় নেতারা চেয়েছিলেন ইতিহাস গড়তে। তঁারা স্ট্রাইক করেন। আট মাস ধরে চলা ওই স্ট্রাইক ভেঙে নিজের মতো ব্যবস্থা কায়েম করতে সফল হন এলিহু। তবে তার জন্য এলিহুকে চড়া দাম দিতে হয়।

    ‘কীরকম?’ জানতে চেয়েছিলাম আমি।

    ‘ইতিহাসের শিক্ষাটা মাথায় রাখেননি এলিহু উইলসন।’ কুইন্ট গ্লাসের তরল গলায় ঢেলে মুখ কুঁচকে বুঝিয়েছিল, ‘যেসব গুন্ডা আর মস্তানকে দিয়ে যথেচ্ছাচার চালিয়ে এই স্ট্রাইক ভাঙা হয়েছিল, তারা ততদিনে রক্তের স্বাদ পেয়ে গেছে। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বা নেওয়াতে গেলে তারা এলিহু সম্বন্ধে এমন অনেক কিছু জিনিস সামনে আনতে পারে যা এলিহু-র পক্ষে মারাত্মক হবে। তাই তাদের দাবি মেনে বেশ কয়েকটা ব্যাবসায় নিজের নিয়ন্ত্রণ ছাড়তে বাধ্য হন এলিহু।

    শহরে সোমরসের জোগান দেওয়ার ব্যাবসা এখন পিট দ্য ফিন-এর হাতে। পার্কার স্ট্রিটের একটা লোন শপের মাধ্যমে গোটা শহর জুড়ে তেজারতি কারবার, আর বেইল বন্ডের ব্যাবসার আড়ালে চোরাই মালের বাঁটোয়ারা করে লিউ ইয়ার্ড। পুলিশ চিফ নুনানের সঙ্গে লিউয়ের বন্ধুত্বর কথা সবাই জানে। আর আছে ম্যাক্স থ্যালার। জুয়াড়ি, গলায় কিছু একটা সমস্যার জন্য ফিসফিসিয়ে কথা বলে বলে লোকে ওকে হুইস্পার বলেই পরিচয় দেয়। ওরও ‘‘বন্ধুবান্ধব’’-এর অভাব নেই। এই তিনজন আর নুনান এলিহু-কে শহরটা চালাতে ‘‘সাহায্য’’ করে। এদিকে ওই ‘‘সাহায্য’’ না নিয়েও এলিহুর উপায় নেই।’

    আমি ব্যাপারটা বুঝতে পারছিলাম, কিন্তু একটা জিনিস খচখচ করছিল। কুইন্ট-কে জিজ্ঞেস করলাম, ‘আজ যে মারা গেল, মানে ডোনাল্ড উইলসন, সে এই খেলায় কোন ভূমিকায় ছিল?’

    ‘বোড়ে।’

    ‘মানে? কার বোড়ে?’

    ‘ডন উইলসন মাত্র কিছুদিন হল দেশে ফিরেছিল।’ একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল কুইন্ট। ‘ওকে, আর ওর ফরাসি বউকে প্যারি থেকে দেশে ফিরিয়ে এনেছিল এলিহু। তারপর ডনকে ও কাগজের দায়িত্ব দিয়েছিল। আদর্শবাদী, সৎ ছেলেটাকে এটা বোঝাতে নিশ্চয় খুব একটা কষ্ট হয়নি যে শহরে দুর্নীতি আর নোংরামির রাজত্ব চলছে। ব্যস! বাবা-র পাতা ফাঁদে সুন্দরভাবে পা দিয়ে সে ছেলে ‘‘স্বচ্ছ শহর অভিযান’’ শুরু করে দেয়। এলিহু চেয়েছিল, এভাবেই শহরের অপরাধীদের বিরুদ্ধে একটা জনমত তৈরি হয়ে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। তাহলে সাপও মরত, লাঠিও ভাঙত না। কিন্তু পিট, লিউ, হুইস্পার, নুনান… এরা এসব কদ্দিন হজম করবে?’

    ‘বুঝলাম। তবে,’ জঘন্য হুইস্কির গুঁতোয় ভারী হয়ে আসা মাথা ঝাঁকিয়ে বললাম, ‘ব্যাপারটা এত সহজ নয়। এর মধ্যে আরও কিছু আছে। কিছু একটা গোলমাল…!’

    ‘এই শহরের ব্যাপার, আর তাতে গোলমাল থাকবে না?’ টেবিল ছেড়ে উঠে দাঁড়াল কুইন্ট।

    কুইন্ট যেখানে থাকে সেই মাইনার্স হোটেল ফরেস্ট স্ট্রিটে, গ্রেট ওয়েস্টার্ন-এর দু-ব্লক পরে। আমরা একসঙ্গেই ফিরছিলাম। আমার হোটেলের সামনে একটা ওজনদার চেহারার লোককে দেখেই বুঝলাম, এ পুলিশের সাদা পোশাকের লোক না হয়ে যায় না। রাস্তার ধারে ফুটপাথে দাঁড়িয়ে স্টাটজ্‌ ট্যুরিং কারে বসা একজনের সঙ্গে কথা বলছিল লোকটা।

    ‘গাড়িতে হুইস্পার বসে আছে।’ চাপা স্বরে বলল কুইন্ট।

    আমি থ্যালারকে পাশ থেকেই যথাসম্ভব ভালোভাবে দেখে নিলাম। কমবয়সি, ছোটোখাটো, চাপা রঙের ধারালো চেহারার লোকটাকে দেখে আমার মুখ থেকে বেরিয়েই গেল, ‘ছোকরাকে বেশ কিউট দেখতে কিন্তু!’

    ‘হুঁ।’ নির্বিকার গলায় বলল কুইন্ট। ‘ডায়নামাইটও ওর’ম দেখতে হয়।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী
    Next Article মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }