Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    ঋজু গাঙ্গুলী এক পাতা গল্প413 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দুই – পয়জনভিলের পাদশাহ্‌

    ‘মর্নিং হেরাল্ড’ ডোনাল্ড উইলসন ও তার অপমৃত্যুর পেছনে দু-পাতা খরচ করেছিল। ছবির মানুষটিকে দেখে হাসিখুশি, বুদ্ধিদীপ্ত এবং সুদর্শন বলেই মনে হচ্ছিল। রিপোর্ট মোতাবেক হারিকেন স্ট্রিটের এগারোশো নম্বরের ব্লকে, গতরাত দশটা চল্লিশে, ডোনাল্ডের উদ্দেশে .৩২ ক্যালিবারের পিস্তল থেকে মোট ছ-টা গুলি ছোড়া হয়। তার মধ্যে চারটে তার তলপেট, বুক, আর পিঠে ঢোকে, বাকি দু’টো ফসকে পাশের দেওয়ালে লাগে। সেই গুলির গতিপথ হিসেব করে পুলিশ বুঝেছে, গুলি এসেছিল একটু দূরের একটা সরু গলি থেকে। গুলির আওয়াজ পেয়ে ওই ব্লকের বাসিন্দারা বেরিয়ে আসেন। কয়েকজন দেখেন, মানুষটির ওপর ঝুঁকে রয়েছে একটি নারী ও একটি পুরুষ। তাদের চেহারা দেখার মতো আলো ওখানে ছিল না। অন্যরা কাছাকাছি আসার আগেই সেই দু-জন পালিয়ে যায়।

    সম্পাদকীয়-তে ডোনাল্ড উইলসনের কাজকর্মের একটা সংক্ষিপ্ত পরিচয় তুলে ধরা হয়েছিল। একেবারে চাঁচাছোলা ভঙ্গিতে এও বলা হয়েছিল যে সততা আর আইনের হয়ে লড়তে গিয়েই মানুষটির মৃত্যু হল। অতঃপর সেই মানুষটির খুনিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করতে পারলেই বোঝা যাবে, পুলিশ চিফ কাদের পক্ষে আছেন।

    কফি শেষ করে আমি প্রয়াত ডোনাল্ড উইলসনের বাড়ির উদ্দেশে রওনা দিলাম। কিন্তু ওখানে ঢোকার একটু আগেই পরিকল্পনাটা বদলাতে হল। যাকে আমি রাস্তা পার হয়ে ওই বাড়িতে যেতে দেখলাম তাকে চিনতে অসুবিধে হয়নি। লোকটা ম্যাক্স থ্যালার, ওরফে হুইস্পার!

    ডাইরেক্টরি থেকে এলিহু উইলসনের নম্বর পেতে অসুবিধে হল না, তবে ফোনে মানুষটির নাগাল পাওয়া যে বড়োই কঠিন তা টের পেলাম একটু পরেই। শেষ অবধি ওঁর সেক্রেটারিকে বলতেই হল, ডোনাল্ড উইলসন আমাকে এই শহরে ডেকে পাঠিয়েছিলেন। তাঁর মৃত্যু সম্বন্ধে আমি যা জানি তা আমি শুধু তাঁর বাবাকেই বলব। ওতেই চিচিং ফাঁক হল। আমাকে অবিলম্বে ওই ঠিকানায় হাজিরা দিতে বলা হল।

    বয়স্ক মানুষটির নিটোল গোল মাথা, পুঁচকে নাক, চওড়া গলা, চাদর থেকে বেরিয়ে থাকা ছোটো হাতের ভোঁতা আঙুল দেখে কারও মনে হতেই পারে, মানুষটি নিতান্ত নিরীহ। কিন্তু কুতি কুতি নীলচে চোখ জোড়া দেখে আমার মনে হল, লোকটা পাক্কা ডাকাত। মোদ্দা কথা, এলিহু উইলসনের পকেট মারতে গেলে নিজের আঙুলের ওপর অগাধ ভরসা থাকা দরকার।

    ‘আমার ছেলের ব্যাপারে আপনি কী জানেন?’

    কর্কশ গলা, আর মুখের বদলে বুক থেকে বেরোনোর ফলে প্রশ্নটা আমার কানে গর্জনের মতোই শোনাল। বুঝলাম, সময় নষ্ট করে লাভ নেই।

    ‘আমি কন্টিনেন্টাল ডিটেকটিভ এজেন্সির সানফ্রানসিস্কো ব্রাঞ্চের একজন অপারেটিভ।’ সত্যি পরিচয়টাই দিলাম আমি। ‘ক’দিন আগে আপনার ছেলে আমাদের কাছে একটা চেক আর একটা চিঠি পাঠান। চিঠিতে বলা ছিল, কয়েকটা কাজের জন্য তাঁর একজন লোকের দরকার। তেমন কাউকে যেন এখানে পাঠানো হয়। আমিই সেই লোক। উনি আমাকে গতকাল রাতে ওঁর বাড়িতে যেতে বলেন। আমি যাই, কিন্তু উনি ছিলেন না। ফেরার পথে আমি জানতে পারি, উনি খুন হয়েছেন।’

    ‘তো?’ বুড়োর চোখে সন্দেহ ঘন হতে শুরু করল।

    ‘আমি যখন আপনার ছেলের জন্য অপেক্ষা করছিলাম, তখন আপনার পুত্রবধূ একটা ফোন পেয়ে তড়িঘড়ি বেরিয়ে যান। ফোনটা এসেছিল দশটা কুড়িতে। উনি ফিরে আসেন রাত এগারোটা পাঁচে। তখন ওঁর স্লিপারে একটা কিছুর দাগ লেগে ছিল যেটা রক্ত হতে পারে। উনি বলেন, সেই রাতে ওঁর স্বামী বাড়ি ফিরবেন না। আপনার ছেলে খুন হন দশটা চল্লিশে।’

    বুড়ো খাটে একেবারে সিধে হয়ে বসল। তারপর মিসেস উইলসনের উদ্দেশে একরাশ গালাগাল দিল। স্টক মোটামুটি খালি হলে আমার দিকে তাকিয়ে চেঁচাল লোকটা, ‘মেয়েটা কি জেলে আছে?’

    আমার ‘না’ উত্তরটা বুড়োর পছন্দ হল না। আরও একপ্রস্থ বিষাক্ত বাক্যবাণ যত্রতত্র নিক্ষিপ্ত হল, যার শেষে আমার উদ্দেশে একটা প্রশ্ন ছিল, ‘তুমি আর কী পেলে ব্যাপারটা পুলিশকে জানাবে?’

    ‘প্রমাণ।’

    ‘আর কী প্রমাণ চাও তুমি? যা দেখেছ সেটাই তো যথেষ্ট।’

    ‘বাজে বকবেন না।’ কড়া গলায় বলতে বাধ্য হই আমি। ‘আগে আমাকে বোঝান, মিসেস উইলসন আপনার ছেলেকে কেন খুন করবেন?’

    ‘কারণ মেয়েটা নষ্টা! কারণ মেয়েটা…’

    উইলসনের সেক্রেটারি বসের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বগ্নি হয়ে পড়েছিল। সে ভয়ে ভয়ে দরজা দিয়ে ভেতরে মুখ বাড়াতেই পরবর্তী হুংকারটা তার দিকে ধেয়ে গেল, ‘বেরোও!’

    ‘চেঁচাবেন না।’ আমি বললাম, ‘আমার কানের পটহটা বেশ সরেস আছে। আস্তেই বলুন।’

    ‘আমি যত বুড়ো বা রুগ্্ণই হই না কেন,’ বুড়ো চিবিয়ে-চিবিয়ে বলল, ‘ইচ্ছে করছে তোমাকে লাথিয়ে ঘর থেকে বের করে দিই।’

    ‘আপনার পুত্রবধূ কি কোনো কারণে ঈর্ষাকাতর ছিলেন?’ লোকটার কথায় পাত্তা না দিয়ে আমি কথা চালিয়ে গেলাম।

    ‘ছিল।’ শান্ত গলায় বলল বুড়ো। ‘ঈর্ষাকাতর, পায়াভারী, দাম্ভিক, সন্দেহপরায়ণ, লোভী, অভদ্র, স্বার্থপর, চোর… মানে একেবারে জঘন্য টাইপের মেয়ে যাকে বলে!’

    ‘এই ঈর্ষার কি কোনো কারণ ছিল?’

    ‘আমি মনে-প্রাণে চাই যেন তেমন কোনো কারণ, বা কেউ থাকে।’ তেতো গলায় বলল বুড়ো। ‘আমার ছেলে ওইরকম একটি বদ মেয়ের প্রতি বিশ্বস্ত হবে, এটা ভাবলেই গায়ে জ্বালা ধরে। তবে ওর পক্ষে সবই সম্ভব।’

    ‘কিন্তু কেন মহিলা তাঁর স্বামীকে খুন করতে বা করাতে পারেন, সেটা নিয়ে আপনি কিছু জানেন কি?’

    ‘মানে?’ বুড়ো আবার চেঁচাল, ‘এতক্ষণ ধরে আমি কী বলছিলাম তোমাকে? তুমি কি কালা?’

    ‘না। আমি কালা নই। কিন্তু এতক্ষণ আপনি যা বললেন তার মধ্যে কংক্রিট কিছু নেই। ওগুলো শুনলে ছেলেমানুষি বলেই মনে হয়।’

    বুড়ো আর থাকতে পারল না, পায়ের ওপর থেকে কম্বলটা সরিয়ে তারস্বরে চেঁচাল, ‘স্ট্যানলি!’

    দরজা খুলে সেক্রেটারিটি ঢুকল।

    ‘এই হারামজাদাকে ঘাড় ধরে বের করে দাও!’ আমাকে দেখিয়ে আদেশ দিলেন পয়জনভিলের অধিপতি।

    সেক্রেটারি ভ্রূ কুঁচকে আমাকে দেখল। লোকটা আমারই বয়সি, কিন্তু ওজনে হালকা। আমার চেহারায় চর্বি আছে ঠিকই, তবে সবটাই চর্বি নয়। আমি আলতো করে মাথা নেড়ে বললাম, ‘লোক ডাকুন।’ একটা ক্লিষ্ট হাসি উপহার দিয়ে সেক্রেটারি বেরিয়ে গেল। আমি নিজের কথা চালু রাখলাম।

    ‘আমি আজ সকালে আপনার পুত্রবধূর সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ম্যাক্স থ্যালারকে ওই বাড়িতে ঢুকতে দেখে আমি পরিকল্পনা বাতিল করি।’

    এলিহু উইলসন সযত্নে নিজের গলা অবধি কম্বল দিয়ে ঢাকা দিলেন। বালিশে মাথা দিয়ে, সিলিঙের দিকে কিছুক্ষণ চেয়ে বললেন, ‘অ! তাহলে এই ব্যাপার।’

    ‘আপনি এর থেকে কিছু বুঝলেন?’

    ‘এটাই বুঝলাম যে আমার ছেলেকে ওই… মেয়েছেলেটাই খুন করেছে।’

    আমি হল ঘরে পায়ের শব্দ পেলাম। ভারী পায়ের শব্দ। সেক্রেটারির চেয়ে ভারী পা। সেগুলো যখন দরজার ঠিক বাইরে এসে পড়েছে, আমি তখনই প্রশ্নটা শুরু করলাম।

    ‘আপনি আপনার ছেলেকে দিয়ে…’

    ‘দূর হও!’ এবারের গর্জনটা দরজার দিকে ধেয়ে গেল। ‘আর দরজাটা আমি না বলা অবধি যেন বন্ধই থাকে।’

    জ্বলন্ত চোখজোড়া আমার ওপর নিবিষ্ট হল। প্রশ্নও এল, ‘আমি আমার ছেলেকে দিয়ে কী করাচ্ছিলাম?’

    ‘থ্যালার, ইয়ার্ড আর ফিনের বিরুদ্ধে জনমত তৈরি করাচ্ছিলেন।’

    ‘মিথ্যুক!’

    ‘এটা আমার বানানো গপ্পো নয়। গোটা পার্সনভিলে এটা ছড়িয়েছে।’

    ‘সব বানানো। আমি আমার কাগজ দুটো ওকে চালাতে বলেছিলাম। ও যা খুশি তাই করেছে কাগজ নিয়ে।’

    ‘এটা আপনার ‘‘নিজের লোকেদের’’ বোঝানো উচিত ছিল। তারা হয়তো আপনাকে বিশ্বাস করত।’

    ‘তারা কী ভাবল তাতে আমার কিস্সু যায় আসে না। আমি তোমাকে যেটা বলছি সেটাই সত্যি।’

    ‘হয়তো।’ আমি নির্বিকারভাবে বলি, ‘হয়তো আপনি যেমন বলছেন, সেভাবে মিসেস উইলসনই তাঁর স্বামীকে খুন করেছেন বা করিয়েছেন। কিন্তু আপনি পার্সনভিলের রাজনীতি আমার চেয়ে ভালো বোঝেন। আপনার কি মনে হয় না যে এই ব্যাপারটার সবকটা অ্যাঙ্গল খুঁটিয়ে দেখা দরকার?’

    ‘আমার মনে হয়,’ বুড়ো আবার চেবানো গলায় ফিরে গেছিল, ‘তোমাকে আর তোমার মোটা মাথার মোটা তত্ত্বগুলোকে অবিলম্বে বস্তাবন্দি করে সানফ্রানসিস্কোতে ফেরত পাঠানো উচিত।’

    উঠে পড়লাম। তেতো গলায় বললাম, ‘আমি গ্রেট ওয়েস্টার্ন হোটেলে আছি। ঠান্ডা মাথায় কিছু বলার থাকলে খবর পাঠাবেন। নইলে জ্বালাবেন না।’

    ঘর থেকে বেরিয়ে সিঁড়ি দিয়ে নীচে নেমে এলাম। স্ট্যানলি নামের সেক্রেটারিটি আমার দিকে এবার একটা অসহায় হাসি উপহার দিল।

    ‘খেঁকুটে বুড়োর মেজাজটা একদম ফিট অ্যান্ড ফাইন রয়েছে দেখছি!’ আমি বললাম।

    ‘প্রাণশক্তিতে ভরপুর, যাকে বলে।’ মাথা নেড়ে সায় দিল স্ট্যানলি।

    ‘হেরাল্ড’-এর দপ্তরে গিয়ে খুন হওয়া মানুষটির সেক্রেটারিটিকে খুঁজে বের করলাম। বাচ্চা মেয়ে। ছোটোখাটো চেহারা। বয়স উনিশ-কুড়ি হবে। বড়ো বড়ো বাদামি চোখ আর হালকা খয়েরি ঢেউখেলানো চুল মেয়েটার মিষ্টি মুখটাকে আরও সুন্দর করে তুলেছে। নাম লুইস।

    ‘মিস্টার উইলসন আমাকে এই নিয়ে কিচ্ছু বলেননি।’ আমাকে পার্সনভিলে কেন ডেকে আনা হয়েছিল, এই প্রশ্নের উত্তরে বলল লুইস। তারপর একটু ভেবে যোগ করল, ‘তবে উনি সব কিছু একেবারে শেষ মুহূর্ত অবধি গোপন রাখতেই চাইতেন। উনি এখানে কাউকেই পুরোপুরি বিশ্বাস করতেন না।’

    ‘আপনাকেও না?’

    মেয়েটার ফর্সা মুখে লালের ছোঁয়া লাগল। ‘না। তবে উনি এখানে এতই কম সময় হল এসেছিলেন যে আমাদের কাউকেই সেভাবে চেনার সুযোগ পাননি।’

    ‘এর মধ্যে আরও কিছু আছে, লুইস। আপনি জানেন, কিন্তু বলছেন না।’

    মেয়েটা নিজের ঠোঁট কামড়ে বসে রইল কিছুক্ষণ। আনমনে আঙুল দিয়ে টেবিলের ধারগুলো ঘষল। আমি জানতাম, এগুলো কথা বলার প্রস্তুতি। তাই চুপ করে রইলাম। অবশেষে ও বলতে শুরু করল।

    ‘মিস্টার উইলসনের বাবা ডোনাল্ডের এই… এই কাজগুলোকে সমর্থন করছিলেন না। যেহেতু মিস্টার এলিহু উইলসনই কাগজগুলোর মালিক, ডোনাল্ড ভাবতেন, তাঁর কর্মচারীরা তাঁর বদলে এলিহুর প্রতিই বেশি বিশ্বস্ত হবেন। তাই উনি এখানে কাউকেই ঠিক বিশ্বাস করতেন না।’

    ‘এলিহু উইলসন ছেলের ‘‘স্বচ্ছ শহর অভিযান’’-এর সমর্থক ছিলেন না? তাহলে ডোনাল্ডের কাছ থেকে কাগজগুলো নিয়ে নিলেন না কেন?’

    ‘শেষবার এলিহু উইলসন যখন অসুস্থ হন, তখন ডক্টর প্রাইড তাঁকে বলেন, কাগজগুলো চালানোর দায়িত্ব তাঁকে স্বাস্থ্যের কারণেই অন্য কাউকে দিতে হবে। তখন এলিহু ডোনাল্ড আর তাঁর স্ত্রীকে প্যারি থেকে নিয়ে আসেন। ডোনাল্ড ইউরোপে সাংবাদিকতা করেছিলেন, তাই কাগজের দায়িত্ব পেয়ে তিনি দারুণ খুশি হন। প্রথম দিন থেকেই শহরে চলা দুর্নীতি আর অনাচারের বিরুদ্ধে কোমর বেঁধে লেগে পড়েন ডোনাল্ড। আসলে উনি সত্যিটা জানতেন না। জানতেন না যে…’

    মেয়েটার কথা দম ফুরোনো পুতুলের মতো থেমে গেল। আমিই বাক্যটা সম্পূর্ণ করলাম, ‘জানতেন না যে এইসব অকাজ-কুকাজের হোতা তাঁর বাবা নিজেই!’

    মেয়েটা একটু কুঁকড়ে গেল। তারপর বলে চলল, ‘এলিহু আর ডোনাল্ডের মধ্যে বিরাট ঝগড়া হয়। এলিহু হুমকি দিয়েছিলেন, ডোনাল্ড এই অভিযান না থামালে উনি কাগজগুলো ওঁর হাত থেকে সরিয়ে দেবেন। হয়তো দিতেনও, কিন্তু তারপর এলিহু আবার অসুস্থ হয়ে পড়েন। ফলে যেমন চলছিল তেমনই চলতে থাকে।’

    ‘ডোনাল্ড উইলসন আপনাকে বিশ্বাস করতেন না?’

    ‘না।’ প্রায় ফিসফিস করে উত্তরটা এল।

    ‘তাহলে আপনি এসব কীভাবে জানলেন?’

    ‘দেখুন। আমি…’ মেয়েটা ঢোঁক গিলে বলে উঠল, ‘আমি শুধু আপনাকে সাহায্য করতে চাইছি, যাতে ডোনাল্ড উইলসনের খুনি ধরা পড়ে।’

    ‘আর সেটা আপনি সবচেয়ে ভালোভাবে করতে পারবেন যদি আপনি বলেন, কে আপনাকে এসব বলত।’

    ‘আমার বাবা।’ আবার ফিসফিস শুনলাম। ‘উনি এলিহু উইলসনের সেক্রেটারি।’

    ‘গতরাতে ডোনাল্ড উইলসন আমাকে তাঁর বাড়িতে আসতে বলেছিলেন। তাহলে ওইসময় তিনি হারিকেন স্ট্রিটে কী করছিলেন?’

    লুইস জানাল, সে জানে না। আমি ওকে গতদিন আমার ফোন করার পর থেকে যা যা হয়েছিল, সব মনে করতে বললাম।

    ‘আপনি দুটো নাগাদ ফোন করেছিলেন, মানে যদি ওটা আপনিই হয়ে থাকেন। ডোনাল্ড আপনাকে রাত দশটায় ওঁর বাড়ি আসতে বলেছিলেন। তারপর উনি কয়েকটা চিঠি ডিকটেট করলেন, একটা পেপার মিলে, একটা সেনেটর কিফারের উদ্দেশে, পোস্ট অফিসের নতুন নিয়ম নিয়ে। তারপর… ও, হ্যাঁ! তিনটের একটু আগে উনি মিনিট কুড়ির জন্য বেরিয়েছিলেন। তার আগে উনি একটা চেক কেটেছিলেন।’

    ‘কার নামে?’

    ‘জানি না। তবে চেকটা কাটতে দেখেছিলাম।’

    ‘চেকবইটা কোথায়?’

    ‘এই যে।’ ডোনাল্ড উইলসনের টেবিলের একটা ড্রয়ার টেনে বলল লুইস, ‘লকড তো!’

    একটা তার আর ছুরি দিয়ে কারিকুরি করে ড্রয়ারটা খুলে ফেলতে আমার বেশি সময় লাগল না। ফার্স্ট ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের একটা চেকবই ওপরেই ছিল। লিফ থেকে নাম না পেলেও এটুকু বুঝলাম যে চেকটা পাঁচ হাজার ডলারের ছিল।

    ‘চেকটা নিয়ে বেরিয়ে উনি আবার কতক্ষণ পরে ফিরেছিলেন? কুড়ি মিনিট?’

    ‘হ্যাঁ।’ ভ্রূ কুঁচকে বলল লুইস। ‘কিন্তু ব্যাঙ্কে গিয়ে কাজটা সেরে ফিরতে পাঁচ মিনিটের বেশি লাগার কথা নয়।’

    ‘চেকটা লেখার আগে আর কিছু হয়েছিল? আর কিছু এসেছিল? কোনো চিঠি? বা ফোন?’

    ‘দাঁড়ান। উনি ডিকটেশন দিচ্ছিলেন। তখন…’ মনঃসংযোগ করার জন্য বন্ধ করা চোখ জোড়া হঠাৎ খুলে বলল লুইস, ‘একটা ফোন এসেছিল। আমি একতরফের কথাই শুনেছিলাম। উনি বলেছিলেন, ‘হ্যাঁ, আমি দশটায় ওখানে থাকতে পারব। তবে আমাকে তাড়াতাড়ি চলে যেতে হবে।’ অন্য দিকের কথা কিছুক্ষণ শুনে উনি আবার বলেছিলেন, ‘বেশ। তাহলে দশটায়।’ ব্যস, এই বলেছিলেন উনি, মাঝে মাঝে ‘‘হ্যাঁ’’ বলা ছাড়া।’

    ‘ফোনের ওদিকে কে ছিল? কোনো পুরুষ, না মহিলা?’

    ‘আমি কী করে বলব?’

    ‘ভেবে দেখুন। নারী-পুরুষ ভেদে কথা বলার ভঙ্গি বদলে যায় কিন্তু।’

    একটু ভেবে লুইস বলল, ‘তাহলে… কোনো মহিলার ফোনই এসেছিল।’

    ‘আপনাদের মধ্যে কে আগে অফিস থেকে বেরিয়েছিলেন?’

    ‘আমি আগে বেরিয়েছিলাম। এলিহু-র সেক্রেটারি, মানে আমার বাবার সঙ্গে ডোনাল্ডের কিছু আলোচনা ছিল কাগজ নিয়ে। বাবা এলেন পাঁচটার একটু পরে। ওঁদের দু’জনের একসঙ্গে ডিনার করার কথা ছিল। আমি তারপরেই বেরিয়ে যাই।’

    লুইস-এর কাছে এর থেকে বেশি আর কিছু জানা গেল না। হারিকেন স্ট্রিটের এগারোশো নম্বর ব্লকে ডোনাল্ড উইলসনের উপস্থিতির কারণ ওর জানা ছিল না। মিসেস উইলসনের সম্বন্ধেও দেখলাম, ও কিছুই জানে না। আমি টেবিলটা হাতড়ে কিছু পেলাম না। সুইচবোর্ডে বসা মেয়েগুলোকে খুঁচিয়েও ফোন কে করেছিল, সেটা বের করতে পারলাম না। অফিসের বাকি লোকজনের পেছনে ঘণ্টাখানেক বরবাদ করেও শেষ অবধি একটাই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হলাম।

    ডোনাল্ড উইলসন বিশেষ কাউকে বিশ্বাস করতেন না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী
    Next Article মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }