Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    ঋজু গাঙ্গুলী এক পাতা গল্প413 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    তিন – ডিনা ব্র্যান্ড

    ফার্স্ট ন্যাশনাল ব্যাঙ্কে অ্যালবারি নামের এক অ্যাসিস্ট্যান্ট ক্যাশিয়ারকে পাকড়াও করা গেল। আমি কী কাজ করি এবং কেন এসব জানতে চাই সেটা বুঝিয়ে বলায় ছেলেটি মুখ খুলল।

    ‘উইলসনের চেকটা আমিই সার্টিফাই করেছিলাম। পাঁচ হাজার ডলার। ডিনা ব্র্যান্ডের নামে।’

    ‘সে কে?’

    ‘সে অনেক কথা। কিন্তু এখন অত সময় আমার হাতে নেই যে।’

    সেদিন সন্ধে সাতটায় অ্যালবারিকে আমার সঙ্গে ডিনার করার ব্যাপারে রাজি করিয়ে, বিনিময়ে ‘অনেক’ কথা শুনতে পাওয়ার প্রতিশ্রুতি আদায় করে আমি সিটি হলের দিকে এগোলাম। তবে অ্যালবারির কাছ থেকে পাওয়া একটা তথ্য আমার মাথায় গেঁথে গেছিল।

    ডিনা ব্র্যান্ডের ঠিকানা ১২৩২ হারিকেন স্ট্রিট।

    পুলিশ চিফ নুনানের স্থূল শরীর, থলথলে মুখ, সবজেটে চোখ, এসব দেখে লোকটাকে বেশ হাসিখুশিই মনে হল। তবে দেখাটাই যদি সব হত…! আমার পরিচয় এবং উদ্দেশ্য জেনে করমর্দন করে নুনান বলল, ‘তাহলে বলুন তো, কাজটা কে করেছে।’

    ‘ওইরকম গোপন তথ্য কি সবার সঙ্গে ভাগ করা যায়?’

    ‘নিশ্চিন্ত থাকুন।’ হাত তুলে আমাকে আশ্বস্ত করতে চাইল নুনান, ‘আপনার আন্দাজ যাই হোক না কেন, আমি আর কাউকে সেটা বলব না।’

    ‘আমি আন্দাজের ব্যাপারে রীতিমতো কাঁচা, তার ওপর তথ্যও তো সব জানি না।’

    ‘যা জানেন না সেটা জানাতে বেশিক্ষণ লাগবে না।’ নুনান বলে চলল, ‘গতকাল ব্যাঙ্ক বন্ধ হওয়ার ঠিক আগেই উইলসন ডিনা ব্র্যান্ডের নামে কাটা পাঁচ হাজার ডলারের একটা চেক সার্টিফাই করান। গতরাতে ডিনা ব্র্যান্ডের বাড়ি থেকে এক ব্লকেরও কম দূরত্বে উইলসন চারটে গুলি খেয়ে ধরাধাম ত্যাগ করেন। আজ সকালে ব্যাঙ্ক খোলামাত্র ডিনা ব্র্যান্ড নিজের অ্যাকাউন্টে চেকটা জমা করে। এর থেকে কী বুঝলেন?’

    ‘ডিনা ব্র্যান্ড কে?’

    ডেস্কের মাঝে রাখা অ্যাশট্রেতে সিগারের ছাই ঝাড়ল নুনান। তারপর বলল, ‘একটি লক্কা পায়রা। ‘যেখানে দেখিবে সোনা, খুঁজে দেখো প্রতি কোনা’ নীতিতে বিশ্বাসী। ছেলেদের মাথা চিবিয়ে মালকড়ি কামানোয় ওস্তাদ একেবারে।’

    ‘এর বিরুদ্ধে কিছু ব্যবস্থা নিয়েছেন?’

    ‘না। তার আগে কয়েকটা ব্যাপার একটু দেখেশুনে নিতে হবে, নইলে কপালে ভোগান্তি আছে। আপনাকেও যা বললাম, সেটা দয়া করে কাউকে বলবেন না।’

    ‘বেশ। এবার আমার গপ্পোটা শুনুন।’ বলে আমি গতরাতে ডোনাল্ড উইলসনের বাড়ি গিয়ে দেখা-শোনা সব কিছু নুনানকে জানালাম।

    আমার কথা শুনে নুনান নড়েচড়ে বসল। তারপর বলল, ‘ইন্টারেস্টিং! তাহলে আপনি বলছেন, মিসেস উইলসনের স্লিপারে রক্ত লেগে ছিল? আর উনি বলেছিলেন যে ওঁর স্বামী সেই রাতে বাড়ি ফিরবেন না?’

    ‘প্রথম প্রশ্নের উত্তর, আমার তাই মনে হয়েছিল। দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তর, হ্যাঁ।’

    ‘মহিলার সঙ্গে তারপর আর কথা হয়েছে আপনার?’

    ‘সেরকম ইচ্ছে ছিল। কিন্তু আজ সকালে ওই বাড়িতে আমার আগেই ম্যাক্স থ্যালার নামের এক নওজোয়ানকে ঢুকতে দেখে ইচ্ছেটা বাতিল করতে হল।’

    ‘মানে?!’ নুনান চেয়ার ছেড়ে, ওই বিশাল চেহারা নিয়েও, প্রায় লাফিয়ে উঠল। ‘আপনি বলছেন, হুইস্পার ওখানে ছিল?’

    ‘আজ্ঞে হ্যাঁ।’

    ‘আপনি তো কামাল করে দিয়েছেন!’ বেড়ালের আদুরে ঘড়ঘড়ের মতো আওয়াজ তুলে বলল নুনান। ‘হুইস্পারের ‘‘একান্ত আপন’’ হল ডিনা ব্র্যান্ড। অথচ সে মিসেস উইলসনের সঙ্গে দেখা করতে গেছিল! চলুন, স্রেফ আপনি আর আমি মিলে স্বামীহারা অসহায় মহিলাটিকে একটু সান্ত্বনা দিয়ে আসি।’

    ডোনাল্ড… না, আপাতত শুধু মিসেস উইলসনের বাড়ির দরজার সামনে নুনান একটু থমকে গেল। কলিং বেলের পাশে ঝোলানো কালো ক্রেপটা আমাদের দু-জনেরই নজরে পড়েছিল। তারপর নুনান হয়তো নিজেকেই বলল, ‘এসব ভেবে লাভ নেই। কাজটা সেরে ফেলাই ভালো।’

    গৃহকর্ত্রী আমাদের সঙ্গে দেখা করতে চাইছিলেন না। কিন্তু পুলিশ চিফ জোরাজুরি করলে, আর নুনান বিলক্ষণ জোরাজুরি করেছিল, ‘না’ বলাটা কঠিন হয়ে যায়। লাইব্রেরিতে বসে আমরা মুখোমুখি হলাম। মিসেস উইলসনের কালো পোশাক আর বরফের মতো ঠান্ডা চোখ জোড়া আমাদের বেরিয়ে যেতে বলছিল। কিন্তু এসব কাজে গায়ের চামড়া একটু মোটা না হলে চলে না। জড়ানো গলায় শোকজ্ঞাপন করেই নুনান কাজের কথায় এল।

    ‘আমাদের কয়েকটা প্রশ্ন আছে। যেমন, কাল রাতে আপনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে কোথায় গেছিলেন?’

    আমার দিকে একটা জ্বালাময়ী দৃষ্টি দিয়ে নুনানের দিকে ফিরলেন মিসেস উইলসন, তারপর বললেন, ‘জানতে পারি কি, কেন আমায় এভাবে জেরা করা হচ্ছে?’

    মনে মনে ভাবলাম, আজ অবধি কতবার এই প্রশ্নটা, অবিকল এক সুরে, একইরকম মুখে, কতজনের মুখে শুনেছি, তার লেখাজোখা নেই। ইতিমধ্যে নুনান প্রশ্নটাকে পাশ কাটিয়ে, খুব নরম গলায় বলল, ‘তারপর ধরুন, আপনার জুতোয় কিছু একটার দাগও লেগেছিল। কীসের দাগ ছিল বলুন তো ওটা?’

    মহিলার ঠোঁটের কোণে একটা পেশি তিরতির করে কাঁপতে শুরু করল। তার মধ্যেও মহিলা বললেন, ‘আর কিছু?’

    ‘আর কিছু?’ আমার দিকে ঘুরে প্রশ্নটা করল নুনান। আমি উত্তর দেওয়ার আগেই ও ঘুরে মহিলার দিকে তাকিয়ে, মুচকি হাসি মিশিয়ে বলল, ‘ও, হ্যাঁ। ভুলেই গেছিলাম প্রায়। আপনি কীভাবে জেনেছিলেন যে আপনার স্বামী গতরাতে বাড়ি ফিরবেন না?’

    মহিলা উঠে দাঁড়ালেন। টলমল করতে করতে চেয়ারের পেছনটা ধরে বললেন, ‘মাফ করবেন। আমি আজ ঠিক…’

    নুনান খুব দরাজ ভঙ্গিতে হাত নেড়ে বলল, ‘অবশ্যই। আমরা স্রেফ এই ক’টা জিনিস জেনেই চলে যাব। আপনি কোথায় গেছিলেন? আপনার জুতোয় কীসের দাগ লেগেছিল? আপনি কীভাবে জানলেন যে আপনার স্বামী কাল রাতে বাড়ি ফিরবেন না? আর… হ্যাঁ, আরও একটা প্রশ্ন। ম্যাক্স থ্যালার আজ সকালে এখানে কী করছিল?’

    মিসেস উইলসন চেয়ারটায় আবার বসে পড়লেন। একটু পর, তাঁর কাঁধের পাথুরে ভাবটা একটু কমলে, চেহারাটা আবার একটু ঝুঁকে পড়লে, আমি যথাসাধ্য নরমভাবে বললাম, ‘আপনি দয়া করে প্রশ্নগুলোর উত্তর দিন। এগুলো স্পষ্ট না করলে বিপদ আছে।’

    ‘আপনারা কী মনে করেন? আমার কিছু লুকোনোর আছে?’ কেটে কেটে বলছিলেন মহিলা, ‘আমি বেরিয়েছিলাম। আমার জুতোয় রক্তের দাগ লেগেছিল। আমি জানতাম, আমার স্বামী আর বেঁচে নেই। ম্যাক্স থ্যালার আজ সকালে আমার সঙ্গে আমার স্বামীর ব্যাপারে কথা বলতে এসেছিল। হয়েছে?’

    ‘হয়নি।’ আমি বলতে বাধ্য হলাম, ‘এগুলো সবই আমরা জানি। আমরা এদের ব্যাখ্যা চাই।’

    মহিলা আবার উঠে দাঁড়ালেন। ক্রুদ্ধ কণ্ঠে বললেন, ‘আপনাদের আচরণ অত্যন্ত অভদ্র ঠেকছে আমার। এইসব প্রশ্নের উত্তর দিতে আমি বাধ্য নই।’

    ‘তাতে আমাদের কোনো দ্বিমত নেই, মিসেস উইলসন।’ শান্ত গলায় বলল নুনান, ‘তবে সেক্ষেত্রে আপনাকে আমাদের সঙ্গে সিটি হলে যেতে হবে।’

    মিসেস উইলসন আবার বসে পড়লেন। তারপর আমার দিকে ঘুরে, প্রায় থুতু ছেটানোর মতো করে উগরে দিলেন কথাগুলো।

    ‘কাল রাতে আমরা যখন ডোনাল্ডের জন্য অপেক্ষা করছিলাম, তখন আমি একটা ফোন পাই। যে ফোন করেছিল সে পুরুষ। নিজের নাম বলেনি। তার বক্তব্য ছিল, ডোনাল্ড পাঁচ হাজার ডলারের একটা চেক নিয়ে ডিনা ব্র্যান্ড নামের একটি মেয়ের কাছে গেছে। লোকটা আমাকে একটা ঠিকানা দিয়ে সেখানে যেতে বলে। আমি সেই ঠিকানায় গিয়ে, কিছুটা দূরে গাড়িতে বসেই ডোনাল্ডের জন্য অপেক্ষা করছিলাম।

    কিছুক্ষণ পর আমি ম্যাক্স থ্যালারকে দেখি। আমি ওকে আগেও দেখেছি, তাই চিনতাম। থ্যালার ওই মেয়েটির বাড়ির কাছে গেল, কিন্তু ভেতরে ঢুকল না, বরং বেরিয়ে গেল। একটু পরেই ডোনাল্ড বেরিয়ে এসে রাস্তা ধরে হাঁটতে লাগল। ও আমাকে দেখেনি। আমিও নজরের আড়ালে থাকতে চাইছিলাম। আমার ইচ্ছে ছিল ও বাড়ি ফেরার আগেই ফিরে আসা। সবে গাড়িতে স্টার্ট দিয়েছি, তখনই গুলির শব্দ শুনে চোখ তুললাম। আমার সামনেই ডোনাল্ড পড়ে গেল। আমি গাড়ি থেকে নেমে ওর কাছে ছুটে গেলাম। বুঝতে পারলাম, ও মারা গেছে। আমি উদ্ভ্রান্ত হয়ে পড়েছিলাম, কী করব বুঝতে পারছিলাম না। তখনই থ্যালার ওখানে এল। ও আমাকে বোঝাল, পুলিশ ওখানে এসে আমাকে পেলে বলবে, আমিই ডোনাল্ডকে খুন করেছি! ওর কথাতেই আমি শেষ অবধি নিজেকে একটু সামলে নিয়ে, গাড়ি চালিয়ে, বাড়িতে ফিরে আসি।’

    মহিলার চোখ সজল হয়ে উঠেছিল। মুশকিল হল, আমি বুঝতে পারছিলাম, চোখের জলের মধ্য দিয়েও মিসেস উইলসন আমাদের প্রতিক্রিয়া বোঝার চেষ্টা করছেন। তাই আমিও চুপচাপ ছিলাম।

    ‘আপনারা কি এটাই শুনতে চেয়েছিলেন?’

    ‘প্রায়।’ নুনান মহিলার পাশে এসে দাঁড়িয়েছিল, ‘আজ থ্যালার কী বলল?’

    ‘থ্যালার বলল, আমি যেন মুখ না খুলি।’ মহিলার গলার আওয়াজটা ক্রমেই কমে আসছিল, ‘ও বলল, ডোনাল্ড যেহেতু ওই মহিলাকে টাকা দিয়ে ফেরার পথে খুন হয়েছিল, আমরা ওখানে ছিলাম জানলে পুলিশ আমাদের দু-জনকেই সন্দেহ করবে।’

    ‘গুলি কোত্থেকে এসেছিল, দেখেছিলেন?’

    ‘আমি জানি না। আমি কিছু দেখিনি। শুধু… ডোনাল্ডকে পড়ে যেতে দেখেছিলাম।’

    ‘গুলি কি থ্যালার চালিয়েছিল?’

    ‘না।’ খুব চটজলদি, মানে না ভেবে কিছু বলার সময় আমাদের যতটুকু সময় লাগে ততটুকু নিয়েই বললেন মিসেস উইলসন। তবে তারপরেই তিনি থমকে গেলেন। থেমে থেমে বললেন, ‘আমি জানি না। আমার মনে হয়, না। থ্যালার কোথায় ছিল আমি জানি না। কিন্তু আমার মনে হয়… আমি জানি না!’

    আমার দিকে তাকিয়ে চোখ টিপল নুনান। তারপর মিসেস উইলসনকে জিজ্ঞেস করল, ‘আপনাকে কে ফোন করেছিল, আপনি জানেন?’

    ‘লোকটা তার নাম বলেনি।’

    ‘আওয়াজটা চিনতে পেরেছিলেন?’

    ‘না।’

    ‘কীরকম আওয়াজ ছিল লোকটার?’

    ‘নীচু স্বরে কথা বলছিল লোকটা। মনে হচ্ছিল, লোকটা ভয় পাচ্ছে যে ওর কথাগুলো কেউ শুনে নেবে। আমাকে খুব কষ্ট করে ওর কথাগুলো বুঝতে হচ্ছিল।’

    ‘লোকটা কি ফিসফিস করে কথা বলছিল?’ নুনানের চোখের তারায় লোভ ঝকমকিয়ে উঠল।

    ‘হ্যাঁ। একটা খসখসে, অথচ নীচু আওয়াজ।’

    নুনান মুখ খুলেও বন্ধ করে ফেলল। নিজের কথাগুলো গুছিয়ে নিয়ে বলল, ‘আপনি তো ম্যাক্স থ্যালারের আওয়াজ শুনেছেন, তাই না?’

    মহিলা চমকে উঠলেন। বিস্ফারিত চোখে আমাদের দু-জনকে দেখে বললেন, ‘ওই ছিল! ফোনটা করেছিল ম্যাক্স থ্যালার।’

    গ্রেট ওয়েস্টার্ন হোটেলে ফিরে দেখলাম, ফার্স্ট ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের অ্যাসিস্ট্যান্ট ক্যাশিয়ার রবার্ট অ্যালবারি লবিতে বসে আমার জন্য অপেক্ষা করছে। আমার ঘরেই বসা গেল। অনুপান সহযোগে পানীয়র গ্লাস অ্যালবারির হাতে তুলে বললাম, ‘এইবার আমাকে মহিলাটির সম্বন্ধে ‘‘অনেক’’ কথা শোনাও।’

    ‘আপনি কি মহিলাকে দেখেছেন?’ জানতে চাইল অ্যালবারি।

    ‘এখনও না।’

    ‘তাঁর সম্বন্ধে কিছু শুনেছেন?’

    ‘এটুকুই যে মহিলা নিজের লাইনে একজন এক্সপার্ট।’

    ‘সত্যবচন।’ ও একমত হল। ‘আপনি যখন মহিলাকে প্রথম দেখবেন, বেশ হতাশ হবেন। তারপর, একদম ‘কী হইতে কী হইয়া গেল’ স্টাইলে আপনি আবিষ্কার করবেন, আপনার জীবনের যাবতীয় কথা, ব্যথা, ইতিহাস, ভূগোল, আপনি ওকে বলতে শুরু করেছেন। আর সেই যে আপনি ফাঁসলেন…!’

    ‘সাবধানবাণীর জন্য ধন্যবাদ। কিন্তু, তুমি এত কথা কীভাবে জানলে?’

    লাজুক মুখে হাসল অ্যালবারি। তারপর স্বীকার করল, ‘আমিও মহিলার হাতে বরবাদ হওয়া এক হতভাগ্য।’

    ‘কতটা বরবাদ? যা শুনেছি তাতে মনে হয় মহিলা প্লেটে কিছু অবশিষ্ট রাখেন না।’

    ‘ঠিকই শুনেছেন। তবে ওটা ফ্যাক্টর নয়। শুনতে অদ্ভুত লাগবে, কিন্তু ওর ওই লোভী আর চশমখোরি দিকটা ও লুকোনোর চেষ্টাই করত না, তাই আমারও খারাপ লাগত না।’

    ‘তাহলে?’

    ‘আমার যা কিছু ছিল, সব ফুরিয়ে গেল একসময়।’

    ‘ডিনা’র কাছে তুমি তখনই পুরোনো খেলনা হয়ে গেলে বুঝি?’

    ‘না।’ অ্যালবারির মুখ লাল হয়ে উঠল। ‘এটা আপনাকে বলছি, কারণ ডিনা’র চরিত্রের এই দিকটা কম লোকই জানে। আমার নিজের টাকাপয়সা ফুরিয়ে গেছিল বলে আমি ব্যাঙ্ক থেকে… নিইনি, কিন্তু ভাবছিলাম। ডিনা সেটা বুঝে ফেলে। ওর কাছ থেকে কিচ্ছু লুকোনো যেত না। বুঝতে পেরেই ও আমার সঙ্গে সব সম্পর্ক শেষ করে দেয়।’

    ‘সেটা কি শুধুই নীতিগত কারণে?’ ছোকরার রোমান্টিক হাবভাব আমার গায়ে জ্বালা ধরাচ্ছিল। ‘হয়তো ডিনা ভেবেছিল, তুমি ওর জন্য ব্যাঙ্কের তহবিল তছরুপ করলে ওর কপালেও দুঃখ আছে।’

    ‘হতে পারে।’ অ্যালবারি একমত হল। ‘তবে সেটাই একমাত্র কারণ নয়।’

    ‘তাই কি? আমি তো শুনেছি, ডিনা-র দরবারে কঠোরভাবে ‘‘ফেলো কড়ি, মাখো তেল’’-ই একমাত্র নীতি।’

    ‘আপনি ড্যান রল্্ফ-এর নাম শুনেছেন?’

    ‘না। সে কে?’

    ‘ডিনা’র ভাই, বা সৎ ভাই, বা ওইরকম কিছু বলে লোকে ভাবে। আদতে লোকটা ওর কেউ নয়, কিন্তু ডিনা ওকে আশ্রয় দিয়েছে।’

    ‘আর কেউ?’

    ‘এক ইউনিয়ন লিডারের সঙ্গে মাঝে ও বেশ কিছুদিন ঘোরাঘুরি করেছে। তার কাছ থেকে পয়সা পাওয়ার কোনো আশাই ছিল না।’

    ‘ইউনিয়ন লিডার?’

    ‘হ্যাঁ। বাইরে থেকে এসেছে। কুইন্ট। লোকে বলে, ডিনা-র টানেই ও ফিরে যায়নি। এখানেই থেকে গেছে।’

    ‘অ। ওদের দু-জনের মধ্যে মাখো মাখো ব্যাপারটা এখনও আছে বুঝি?’

    ‘না। ডিনা আমাকে বলেছিল, ও কুইন্টকে ভয় পায়। কুইন্ট নাকি ওকে শাসিয়েছিল, বেচাল দেখলে মেরে দেবে!’

    ‘বাব্বা! এ মেয়ে তো শহরের মোটামুটি সবাইকেই কখনো-না-কখনো নাকে দড়ি দিয়ে ঘুরিয়েছে মনে হচ্ছে। এর লেটেস্ট ‘‘শিকার’’ কে ছিল? ডোনাল্ড উইলসন?’

    ‘জানি না।’ চিন্তিত মুখে বলল অ্যালবারি, ‘পুলিশ চিফ আমাদের বলেছিলেন খুঁজে দেখতে, এর আগে উইলসন ডিনা-র নামে আর কোনো চেক কেটেছিল কি না। কিন্তু আমরা কিচ্ছু পাইনি।’

    ‘বেশ। তুমি যতটুকু জান তার ভিত্তিতেই বলো, ডিনা-র শেষ কাস্টমার, বা আশিক, কে ছিল?’

    ‘ম্যাক্স থ্যালার। এই শহরে বেশ কয়েকটা জুয়ার আড্ডা চালায় ও। লোকে ওকে ‘‘হুইস্পার’’ বলে ডাকে। আপনি হয়তো ওর কথা শুনেছেন।’

    রাত সাড়ে আটটায় অ্যালবারি ঘরমুখো হল। আমি ফরেস্ট স্ট্রিটে মাইনার্স হোটেলের দিকে হাঁটলাম। হোটেল থেকে কিছুটা আগেই বিল কুইন্টের সঙ্গে দেখা হল।

    ‘কী খবর?’ আমি ওকে ডাকলাম। ‘আমি আপনার সঙ্গে দেখা করতেই যাচ্ছিলাম তো।’

    ‘আপনি টিকটিকি?’ আমার সর্বাঙ্গে চোখ বুলিয়ে কাশি আর গর্জনের মাঝামাঝি গলায় বলল কুইন্ট।

    ‘কোনো মানে হয়!’ আমি হতাশ হওয়ার অভিনয় করলাম। ‘আমি আপনাকে ঠকানোর জন্য কত কিছু ভেবে এলাম, আর আপনি তার আগেই সব ধরে ফেললেন?’

    ‘আপনি আমার কাছে কী জন্য আসছিলেন?’

    ‘ডোনাল্ড উইলসন। আপনি তো তাকে ভালোই চিনতেন, তাই না?’

    ‘ভালো না। চিনতাম।’

    ‘কেমন ছিল মানুষটা?’

    ছাই-রঙা ঠোঁটের ফাঁক দিয়ে ফস্‌ করে কিছুটা বাতাস ছেড়ে কুইন্ট উত্তর দিল, ‘একটা ফালতু লিবারাল।’

    ‘ডিনা ব্র্যান্ডকে চেনেন?’

    ‘চিনি।’ কুইন্টের চেহারাটা আগের দিনের চেয়ে ঘাড়ে-গর্দানে ঠেকছিল। চোখের ভুল নয়। আমি বুঝলাম, ও আমার সঙ্গে হাতাহাতির মওকা খুঁজছে।

    ‘আপনার কী মনে হয়? উইলসনকে ওই খুন করেছে?’

    ‘অবশ্যই।’

    ‘আপনি খুনটা করেননি তাহলে?’

    ‘অবশ্যই করেছি।’ আমার দিকে এক পা এগিয়ে বলল কুইন্ট। ‘আমরা দু-জনে মিলেই তো খুনটা করলাম। আপনার আর কোনো প্রশ্ন আছে?’

    ‘আছে। তবে,’ আমি ব্রডওয়ের দিকে ঘুরে বললাম, ‘আপনাকে সেগুলো জিজ্ঞেস করা বৃথা। আপনি এখন শুধুই মিথ্যে বলবেন।’

    ব্রডওয়েতে এসে আমি একটা ট্যাক্সি নিয়ে ড্রাইভারকে গন্তব্যের ঠিকানাটা বললাম। ১২৩২ হারিকেন স্ট্রিট।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী
    Next Article মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }