Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    ঋজু গাঙ্গুলী এক পাতা গল্প413 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সাত – হত্যাকারী কে?

    তখন সাড়ে পাঁচটা। যেখানে নেমেছিলাম সেখান থেকে বেশ কয়েকটা ব্লক হেঁটে তবে একটা মনের মতো, ছোটোখাটো হোটেল পাওয়া গেল। ‘হোটেল ক্রফোর্ড’-এর একটা মলিন ঘরে বন্দুকটা সঙ্গে নিয়ে চোখ বুজলাম, তবে বেশিক্ষণের জন্য নয়।

    সকাল দশটায় উঠে সাজগোজ করলাম। ফার্স্ট ন্যাশনাল ব্যােঙ্ক গিয়ে প্রথম কাজ ছিল অ্যাসিস্ট্যান্ট ক্যাশিয়ার অ্যালবারিকে ধরা। এলিহু উইলসনের দশ হাজারি চেকটা ওকে সার্টিফাই করতে বললাম। ও আমাকে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করাল। ছোকরা নির্ঘাত বুড়োর বাড়িতে ফোন করে বোঝার চেষ্টা করছিল আমি চেকটা নিয়মমতো আদায় করেছি কি না! অবশেষে সইসাবুদ করা চেকটা পেলাম। সেটাকে খামে ভরে, স্ট্যাম্প লাগিয়ে এজেন্সির সানফ্রানসিস্কো অফিসের ঠিকানায় পোস্ট করে ব্যাঙ্কে ফিরলাম। তারপর অ্যালবারিকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘এবার বলো, লোকটাকে মারলে কেন?’

    ‘কাকে?’ অ্যালবারি হেসে বলল, ‘প্রেসিডেন্ট লিঙ্কনকে?’

    ‘তুমি এটা মানবে না যে তুমিই ডোনাল্ড উইলসনকে খুন করেছ?’

    ‘আপনার সঙ্গে ঝামেলা পাকাতে চাই না, সত্যি বলছি।’ হাসিমুখেই বলল ছোকরা, ‘তবে এটা আমি মানব না।’

    ‘এহ! মেনে নিলেই হত। আমরা এখানে তর্কবিতর্ক করলে লোকে নাক গলাবে।’ আমি অভিযোগ করলাম, ‘ভালো কথা, ওই হেল্্থ টনিকের বিজ্ঞাপনটি কে?’

    ‘মিস্টার ড্রিটন, ক্যাশিয়ার।’ অ্যালবারির মুখে অস্বস্তি ফুটে উঠল।

    ‘আমার সঙ্গে আলাপ করিয়ে দাও।’

    অস্বস্তি অগ্রাহ্য করে ছোকরা ক্যাশিয়ারকে ডাকল। বিপুলদেহী ড্রিটন তাঁর মসৃণ গোলাপি মুখ, গোলাপি টাক ঘিরে রাখা ক-গাছি সাদা চুল, আর রিমলেস চশমা নিয়ে আমাদের দিকে এগিয়ে এলেন। অ্যালবারি জড়ানো গলায় আমার কী পরিচয় দিল তা ও-ই জানে। আমি ছোকরার থেকে নজর না সরিয়েই ড্রিটনের হাত ঝাঁকিয়ে বললাম, ‘আমি এইমাত্র ওকে বলছিলাম, আমাদের একটা শান্ত, নিরিবিলি জায়গা দরকার জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য। নইলে ওর স্বীকারোক্তি আদায় করা যাবে না। আর আমি চাই না ব্যাঙ্কসুদ্ধ লোক আমার চিৎকার শুনুক।’

    ‘স্বীকারোক্তি?’ ড্রিটনের মুখ হাঁ হয়ে গেল।

    ‘ঠিক তাই।’ আমি নিজের মুখ, কণ্ঠস্বর, মায় দাঁড়ানোর ভঙ্গিটাও নির্বিকার রাখলাম, অনেকটা নুনানের মতো, ‘আপনি জানেন না, অ্যালবারিই ডোনাল্ড উইলসনকে খুন করেছে?’

    আমি একটা গাধাসুলভ রসিকতা করছি ভেবে ক্যাশিয়ারের চশমার পেছনে একটা মোলায়েম হাসি জন্মাতে শুরু করল। কিন্তু নিজের অ্যাসিস্ট্যান্টের দিকে তাকিয়ে সেটা মাঝপথে থেমে গেল। অ্যালবারি’র মুখ লাল হয়ে উঠেছিল। ওর হাসিটা দেখলে তো লোকে ভয়ই পাবে।

    জোরে গলাখাকারি দিয়ে ড্রিটন বললেন, ‘ক-দিন আমরা কিন্তু দারুণ আবহাওয়া পাচ্ছি, কি বলেন?’

    ‘কিন্তু একটা প্রাইভেট চেম্বার টাইপের কিছু পাওয়া কি একান্তই অসম্ভব?’ আমি নড়ার লক্ষণ দেখালাম না।

    ‘এ…সব কী?’ ড্রিটন নার্ভাস হয়ে অ্যালবারির দিকে ঘুরে বললেন। অ্যালবারি তার উত্তরে কী বলল, তা আমরা কেউই শুনতে পেলাম না। আমিই বললাম, ‘সেরকম কোনো জায়গা না থাকলে আমাকে ওকে নিয়ে সিটি হল যেতে হবে।’

    নাকের ওপর দিয়ে হড়কে নামা চশমাটা চেপে ধরে ড্রিটন কোনোক্রমে নিজেকে সামলালেন। তারপর আমাদের বললেন, ‘এদিকে আসুন।’

    লবি পেরিয়ে আমরা ‘প্রেসিডেন্ট’ তকমা-আঁটা একটা ঘরের সামনে পৌঁছোলাম। বুঝলাম, এটাও এলিহু উইলসনের একটা বসার জায়গা। ঘরটা স্বাভাবিকভাবেই ফাঁকা ছিল। আমি একটা চেয়ারে অ্যালবারিকে বসিয়ে নিজেও তার পাশে বসলাম। ড্রিটন কিছুক্ষণ উদ্ভ্রান্তের মতো এদিক-ওদিক তাকিয়ে অবশেষে আমাকেই বললেন, ‘কী হয়েছে একটু খুলে বলুন তো।’

    ‘বলছি।’ আমি অ্যালবারির দিকে ঘুরলাম, ‘তুমি ডিনা-র প্রাক্তন বয়ফ্রেন্ডদের একজন। তাদের মধ্যে তুমিই একমাত্র লোক যে সার্টিফায়েড চেকের ব্যাপারটা জেনে সময়মতো মিসেস উইলসন আর থ্যালার, দু-জনকেই ফোন করতে পারতে। উইলসন একটা .৩২ ক্যালিবার বন্দুকের গুলি খেয়েছিল। ব্যাঙ্কে নিরাপত্তার জন্য ওই জিনিসই ব্যবহার করার রেওয়াজ আছে। হতেই পারে যে তুমি ব্যাঙ্কের বদলে নিজের বন্দুক ব্যবহার করেছিলে। তবে আমার মনে হয়, তুমি ব্যাঙ্কের বন্দুকই কাজে লাগিয়েছিলে। মোদ্দা কথা, একজন বিশেষজ্ঞকে দিয়ে গুলিগুলো ব্যাঙ্কের নামে ইসু হওয়া বন্দুকের সঙ্গে মেলালেই ব্যাপারটা স্পষ্ট হয়ে যাবে।’

    অ্যালবারি কিছু বলল না। আমি অন্য রাস্তা ধরলাম।

    ‘মেয়েটার প্রেমে একেবারে মজে গেছিলে তুমি। মনে আছে, তুমিই বলেছিলে, ডিনা মেনে নেয়নি বলেই তোমরা…’

    ‘না!’ ছেলেটার মুখ লাল হয়ে গেছিল, ‘আর না!’

    আমি ঠোঁট বেঁকিয়ে ওর দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলাম। তারপর বললাম, ‘তোমাদের মতো শখের অপরাধীদের এটাই ভুল হয়। জীবন খাতার প্রতি পাতায় তোমরা কী হিসেবনিকেশ করেছ, তার কতটা আমাদের সামনে তুলে ধরা যায়, আর কতটা নয়, সেটা তোমরা জান না। তাই সৎ সাজতে গিয়ে তোমরা সব বলে দাও।’

    অ্যালবারি নিজের হাতের দিকে তাকিয়ে বসে রইল। আমি আবার বললাম, ‘তুমি জান, তুমি খুনি। যদি তুমি ব্যাঙ্কের বন্দুক ব্যবহার করে থাক, তাহলে তোমার ধরা পড়া স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। যদি তা নাও হয়, তুমি জান যে আমি তোমাকে ধরবই। তবে এখানে অন্য একটা ব্যাপারও আছে।

    নুনান এই খুনের জন্য থ্যালারকে ফাঁসাতে চেষ্টা করছে। ও জানে, আদালতে এই চার্জ টিকবে না। তাই ও থ্যালারকে মেরেই ফেলবে। কিং স্ট্রিটে ওর আড্ডায় ঢুকতে পারেনি নুনান। কিন্তু অন্য কোথাও সেই সুযোগ আসতেই পারে। তুমি যদি দোষ স্বীকার না করে আরও একজনের অকারণ মৃত্যুর দায় নিজের কাঁধে নিতে চাও, সেটা তোমার ব্যাপার।’

    ‘আমি…’ গলাটা শুনে মনে হচ্ছিল, ছেলেটার বয়স কয়েক যুগ বেড়ে গেছে, ‘আমি…’

    ‘বন্দুকটা কোথায়?’ আমি জানতে চাইলাম।

    ‘হার্পার-এর খাঁচায়।’

    আমি ক্যাশিয়ারের দিকে ভ্রূ কুঁচকে তাকিয়ে বললাম, ‘বন্দুকটা নিয়ে আসবেন?’ ভদ্রলোক বেরোলেন না পালালেন, বোঝা গেল না।

    ‘আমি ওকে মারতে চাইনি।’ ছেলেটা ভাঙা গলায় বলল, ‘সত্যি বলছি।’

    আমি সহানুভূতির ভাব মুখে ফুটিয়ে মাথা ঝাঁকালাম।

    ‘আমি বলছি, ওকে মারার কোনো ইচ্ছে আমার ছিল না।’ অ্যালবারি বলে চলল, ‘তবে বন্দুকটা সঙ্গে নিয়েই গেছিলাম। আ…আপনি ঠিকই বলেছিলেন। আমি ডিনা-র ওপর ফিদা ছিলাম। আসলে রোজ একরকম লাগত না। কোনো কোনোদিন খুব খারাপ লাগত। উইলসন যেদিন চেকটা সার্টিফাই করাতে এসেছিলেন, সেদিন একটা খারাপ লাগার দিন ছিল। আমার শুধু মনে হচ্ছিল, আমি ডিনাকে পাইনি আমার টাকাপয়সা নেই বলে। আর এই লোকটা ওকে পাঁচ হাজার ডলার দিচ্ছে! আমি ডিনা আর থ্যালারের ব্যাপারটা জানতাম। তাও, উইলসন আর ডিনার মধ্যে কিছু হলেও আমি মাথা ঘামাতাম না হয়তো। কিন্তু ওই চেকটাই আমার মাথায় সব কেমন গোলমাল করে দিল।

    আমি সেই রাতে ডিনা-র বাড়ির ওপর নজর রেখেছিলাম। ডোনাল্ড উইলসনকে ঢুকতে দেখলাম। আমার খুব ভয় করছিল। পকেটে বন্দুকটার অস্তিত্ব টের পাচ্ছিলাম। মনে হচ্ছিল, এমন একটা মানসিক অবস্থায় বড়ো কিছু হয়ে যেতে পারে। মনে হল, মিসেস উইলসনকে ফোন করে ব্যাপারটা বলি। কেন মনে হল…? জানি না। কোণের একটা ওষুধের দোকানে গিয়ে আমি প্রথমে মিসেস উইলসনকে, তারপর থ্যালারকে ফোন করলাম।’

    ‘থ্যালারকে কেন ফোন করলে?’

    ‘আমার মনে হচ্ছিল, ডিনা আর উইলসনের সঙ্গে যুক্ত সব্বার ওখানে থাকা দরকার। আর কারো কথা মাথায় এলে আমি তাদেরও ফোন করতাম।’

    ‘তারপর?’

    ‘আমি আবার নজরদারি শুরু করলাম। মিসেস উইলসন এলেন, তারপর থ্যালার। কেউই কিচ্ছু করল না, শুধু চুপচাপ অপেক্ষা করল। বেশ খানিকক্ষণ পর ডোনাল্ড উইলসন বেরিয়ে রাস্তা ধরে হাঁটতে শুরু করলেন। আমি আবার মিসেস উইলসনের গাড়ির দিকে তাকালাম, কিন্তু উনি নামলেন না। থ্যালারও নড়ল না। তখন, ঠিক সেই মুহূর্তে আমি বুঝলাম, কেন আমি ওদের ওখানে চেয়েছিলাম। যাতে ওরাই কিছু করে! যাতে আমাকে কিছু করতে না হয়! ওদের মধ্যে যদি একজনও ওকে অনুসরণ করত, বা কাছে গিয়ে কিছু বলত, আমি বোধ হয়…!

    কিন্তু ওরা কিচ্ছু করল না। আমার মনে আছে, পকেট থেকে বন্দুকটা বের করলাম। চোখের সামনে সব কেমন ঝাপসা লাগছিল। আমি কি কাঁদছিলাম? হতে পারে। গুলি করাটা আমার মনে নেই। মানে ঠিক কখন আমি নিশানা স্থির করলাম, কখন গুলি করলাম… এগুলো মনে নেই। তবে গুলির আওয়াজ মনে আছে। এও মনে আছে যে আওয়াজটা বেরোচ্ছিল আমার হাতে ধরা বন্দুক থেকেই। তারপর উইলসন কী করল, কীভাবে পড়ল, সেগুলো কিচ্ছু মনে নেই। আর কিছু হওয়ার আগেই আমি গলি ধরে পেছনে ছুটি। বাড়িতে আসি। বন্দুকটা সাফ করে তাতে আবার গুলি ভরি। পরদিন সকালে পেমেন্ট টেলারের খাঁচার পেছনে বন্দুকটা আবার রেখে দিই।’

    সিটি হল যাওয়ার পথে আমি ছেলেটার কাছে মাফ চাইলাম। বললাম, ‘ও-সব বলে তোমার ওই জবরদস্ত অভিনেতার মুখোশটা না সরালে এই কথাগুলো বের করতে পারতাম না।’

    ছেলেটা একটু কুঁকড়ে গেল। তারপর ধীরে ধীরে বলল, ‘পুরোটা কিন্তু অভিনয় ছিল না। এই ব্যাপারটা সত্যিই তত গভীরে যায়নি বোধ হয় আমার। তবে ডিনা…! আমার নিজেরই এখন সবটা এত তুচ্ছ মনে হচ্ছে, কী বলব!’

    আমি, ‘‘ওর’ম মনে হয়,’ ছাড়া কী বলব বুঝে পেলাম না। চিফের অফিসে আগের রাতের ‘অভিযান’-এ আমার সঙ্গী হওয়া, বিড্্ল নামের এক পুলিশকে খুঁজে পেলাম। আমাকে দেখে তার চোখ ছানাবড়া আকার পেলেও কিং স্ট্রিটের ব্যাপার নিয়ে সে কিছু বলল না। আমার কাছ থেকে ব্যাপারটা শুনে সে প্রসিকিউটিং অ্যাটর্নির অফিস থেকে ডার্ট নামের এক তরুণ উকিলকে জোগাড় করল। অ্যালবারি যখন বিড্্ল, ডার্ট, আর এক স্টেনোগ্রাফারের সামনে আবার ইতিহাস-ভূগোল ব্যাখ্যা করছে, তখন নুনান সদ্য ঘুমভাঙা চেহারায় এসে পৌঁছোল।

    ‘আরেহ্‌! আপনি এখানে?’ আমাকে দেখে দারুণ খুশি হয়েছে এমন ভঙ্গিতে হাত ঝাঁকিয়ে, পিঠ চাপড়ে নুনান বলল, ‘আমি তো ভেবেছিলাম বদমাইশগুলো কাল রাতেই আপনাকে পেড়ে ফেলেছে। উফ! জোর বাঁচা বেঁচেছেন আপনি। দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে দেখি, সব ফর্সা। আচ্ছা, ওরা বেরোল কীভাবে?’

    ‘আপনার দু-জন লোক পেছনের দরজা খুলে দিয়েছিল। তারপর এ বাড়ি, সে-গলি হয়ে পুলিশেরই একটা গাড়িতে ওদের চড়িয়ে বিদায় করেছিল। আমি যাতে আপনাকে কিছু বলতে না পারি সেজন্য ওরা আমাকে সঙ্গে নিয়ে গেছিল।’

    ‘আমার দু-জন লোক?’ নুনানের মুখ দেখে মনে হল ও বিন্দুমাত্র অবাক হয়নি, ‘একটু বর্ণনা দিন তো।’

    আমি বর্ণনা দিলাম। নুনান বলল, ‘শোর আর রিওর্ডান। না, আমি খুব একটা অবাক হচ্ছি না। তা… এসব কী ব্যাপার?’

    আমি ব্যাপারটা সংক্ষেপে বললাম। অ্যালবারি তখন ওর স্টেটমেন্ট দিচ্ছিল। শুনে নুনানের মুখে মুচকি হাসিটা ফিরে এল।

    ‘এহেহে! আমি তো হুইস্পারের সঙ্গে বড্ড অন্যায় করে ফেলছিলাম আর একটু হলেই। ওর সঙ্গে দেখা হলে ব্যাপারটা বুঝিয়ে বলতে হবে। আপনিই তাহলে কেসটা সল্্ভ করে ফেললেন?’ আরেকপ্রস্থ করমর্দনের পর শুনতে হল, ‘তাহলে এবার আপনি শহর ছেড়ে যাচ্ছেন নিশ্চয়?’

    ‘এখনই না।’

    ‘কোনো তাড়া নেই।’ আমাকে অভয় দিল নুনান। আমি বেরিয়ে ব্রেকফাস্ট সারলাম। চুল-দাড়ির কিঞ্চিৎ যত্ন নিলাম। তারপর এজেন্সিতে একটা টেলিগ্রাম পাঠিয়ে ডিক ফোলি আর মিকি লিঞ্চান-কে পার্সনভিল পাঠাতে লিখলাম। নিজের ঘরে ফিরে, পোশাক বদলে আমি ক্লায়েন্টের বাড়ির উদ্দেশে রওনা হলাম।

    এলিহু উইলসন একটা রোদ-ঝলমল জানালায় কম্বল মুড়ি দিয়ে বসে ছিলেন। আমার হাতটা ঝাঁকিয়ে ভদ্রলোক আমাকে তাঁর ছেলের হত্যাকারীকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানালেন। একটা ভদ্রগোছের উত্তর দিলাম। কীভাবে এলিহু খবরটা পেলেন, সেটা নিয়ে প্রশ্ন করিনি আমি।

    ‘কাল রাতে তোমাকে যে চেকটা দিয়েছি,’ এলিহু বললেন, ‘সেটা তোমার কাজের পক্ষে যথেষ্ট নিশ্চয়?’

    ‘আপনার ছেলে যে চেকটা আগে পাঠিয়েছিলেন, সেটাই এর পক্ষে যথেষ্ট।’

    ‘তাহলে আমারটা বোনাস ধরে নাও।’

    ‘নীতিগতভাবে কন্টিনেন্টাল বোনাস বা পুরস্কার নেওয়ার বিরোধী।’

    ‘জাহান্নমে যাক তোমাদের…’ বুড়োর মুখ লাল হয়ে উঠছিল।

    ‘আপনি চেকটা দিয়েছিলেন পার্সনভিলে অপরাধ আর দুর্নীতি নিয়ে তদন্তের জন্য। কথাটা কি আপনি ভুলে গেছেন?’

    ‘ওগুলো ফালতু কথা।’ বুড়ো বিরক্ত হল, ‘কাল রাতে আমরা সবাই উত্তেজিত ছিলাম। ওরকম কোনো তদন্ত করতে হবে না।’

    ‘মানতে পারলাম না।’

    বুড়ো প্রচুর গালাগাল দিয়ে বলল, ‘ওটা আমার টাকা। আমি এইসব আলতু-ফালতু কাজে ওই টাকা বরবাদ করব না। যা করেছ তার জন্য যদি ওই টাকা নিতে না পার, তাহলে আমার টাকা ফেরত দাও।’

    ‘চেঁচাবেন না।’ আমি বললাম, ‘আমি স্বচ্ছ শহর অভিযান চালাব। তার বেশি না, কমও না। আপনি এটাই চেয়েছিলেন, এটাই পাবেন। এখন আপনি জানেন, আপনার ছেলেকে আপনার ইয়ারদোস্তরা নয়, অ্যালবারি মেরেছিল। তারা জানে, থ্যালার আপনার সঙ্গে হাত মিলিয়ে ওদের ফাঁসাচ্ছিল না। আপনার ছেলে মারা গেছে। এখন আপনিও আপনার বন্ধুদের বোঝাতে পারবেন, তাদের বিরুদ্ধে কেউ জেহাদ ঘোষণা করবে না। পার্সনভিল আবার আপনার হাতের খেলনা হয়ে যাবে।

    কাল রাতেই আপনাকে বলেছিলাম, আমি জানতাম এমন কিছুই হবে। সেজন্যই আমি এই কেসটা এমনভাবে নিয়েছি যাতে ব্যাপারটা আপনার মেজাজমর্জির ওপর আর নির্ভর না করে। চেকটা আর আটকানো যাবে না। হ্যাঁ, একটা চুক্তির তুলনায় ওই চিঠিটা হয়তো একটু কমজোরি হবে। তবে তার জন্য আপনি আদালতে গেলে আমিও দেখব, প্রেসের হাতে খোরাক হতে আপনার কেমন লাগে।

    আপনার পুলিশ চিফ কাল রাতে আমাকে মারার চেষ্টা করেছিল। ব্যাপারটা আমার ভালো লাগেনি। তাই এবার আমি একটু হিসেব বরাবর করব। আপনার টাকা দিয়েই আমি পয়জনভিলকে ফালা ফালা করে বের করব, এখানে কে কী করছে। আর হ্যাঁ, আপনি যাতে নিয়মিত রিপোর্ট পান, সেটাও আমি দেখব। দেখবেন, ওগুলো পড়ে আপনারও ভালো লাগবে।’

    বুড়োর গালাগালে ভনভন করা ঘর ছেড়ে আমি বেরিয়ে এলাম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী
    Next Article মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }