Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    ঋজু গাঙ্গুলী এক পাতা গল্প413 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নয় – ছুরির ধার

    পরদিন সকালে মাথার মধ্যে একটা আইডিয়ার গুঁতোগুঁতি নিয়ে ঘুম ভাঙল। পার্সনভিল মেরেকেটে চল্লিশ হাজার লোকের শহর। সেখানে খবর ছড়াতে বেশি সময় লাগার কথা নয়। দশটার মধ্যেই ফিল্ডে নেমে পড়লাম। শহরের যেকোনো জায়গায় জনা দু-তিন লোক আড্ডা মারছে বা টাইমপাস করছে দেখলেই আমি সেখানে থেমে যাচ্ছিলাম। তারপর যা বলছিলাম তা এরকম,

    ‘দেশলাই আছে?… ধন্যবাদ… আজ রাতের ম্যাচ দেখতে যাচ্ছেন নাকি?… শুনলাম বুশ নাকি ষষ্ঠ রাউন্ডেই কাত হবে… খবরটা জেনুইন হওয়াই উচিত। আমি হুইস্পারের কাছেই শুনলাম… যা বলেছেন! এরা সব এক টাইপের।’

    লোকে ‘ভেতরের খবর’ পছন্দ করে। হুইস্পারের নাম জড়িয়ে থাকলে পার্সনভিল তাকে ভীষণরকম ভেতরের খবর বলেই নেবে। যাদের বললাম তাদের অর্ধেক আমার মতোই নিষ্ঠাভরে খবরটা প্রচার করল স্রেফ এটা বোঝাতে যে তাদের কাছেও গোপন খবর-টবর থাকে। যা হওয়ার তাই হল। আমি কাজ শুরু করার সময় ইকি বুশের পক্ষে দর ছিল সাত-চার। বেলা দুটোর মধ্যে অবস্থা দাঁড়াল যে বুশের পক্ষে টাকা লাগালে লাভ হবে না। সাড়ে তিনটের মধ্যে কিড কুপার দুই-এক মার্জিনে ফেভারিট হয়ে দাঁড়াল।

    একটা লাঞ্চ কাউন্টারে পেট ভরানোর ফাঁকে ওয়েটার আর জনা দুই কাস্টমারকে ‘খবর’ দিয়ে আমি বেরোলাম। একটা লোক দরজার বাইরে আমার জন্য অপেক্ষা করছিল। বেঁকা পা, চিবুকটা ছুঁচোলো। একটা টুথপিক চিবোতে চিবোতে, আড়চোখে আমার দিকে তাকিয়ে লোকটা আমার সঙ্গ নিল। রাস্তার কোণে পৌঁছোনোর পর লোকটা বলল, ‘আমি জানি, আপনার কথাটা ঠিক নয়।’

    ‘কোন কথাটা?’

    ‘ইকি বুশ ফ্লপ করার কথাটা। আমি জানি, কথাটা ঠিক নয়।’

    ‘তাহলে আপনার তো এই নিয়ে মাথা ঘামানোই উচিত নয়। তবে বুদ্ধিমান লোকজন কুপারের ওপর বাজি ধরছে। বুশ সদয় না হলে কি এটা হয়?’

    টুথপিক মুখ থেকে ছিটকে গেল। হলুদ দাঁতগুলো থুতুর সঙ্গে আমার দিকে একপ্রস্থ কথা ছুড়ে দিল।

    ‘ও নিজে আমাকে বলেছে! গত রাতে। কুপার ওর হাতের পুতুল। তারপর এমন কিছু ও করতেই পারে না। অন্তত আমার সঙ্গে তো নয়ই।’

    ‘আপনার বন্ধু বুঝি?’

    ‘বন্ধু নয়। তবে ও জানে… কিন্তু একটা কথা বলুন! হুইস্পার কি সত্যিই আপনাকে কথাটা বলেছে? মানে ইয়ার্কি মেরে নয়, সত্যিই?’

    ‘সত্যি।’

    একপ্রস্থ গালাগাল দিল লোকটা। তারপর বলল, ‘আর আমি কি না ওর কথায় ভরসা করে নিজের শেষ টাকাক’টা ওর ওপর লাগালাম! আমি! যে আমি চাইলে ওকে গারদে ভরার ব্যবস্থা করতে পারি।’

    ‘কীসের জন্য?’

    ‘না।’ লোকটা নিজেকে সামলাল, ‘কিছু না।’

    ‘আপনার কাছে যদি মালমশলা থাকে, তাহলে আমাদের বোধ হয় কথা বলা দরকার।’ আমি লোকটাকে বোঝানোর চেষ্টা করলাম, ‘দেখুন, বুশ জিতলে আমার কোনো অসুবিধে নেই। যদি আপনার কাছে এমন কিছু থাকে যা দিয়ে এটা ম্যানেজ করা যাবে, তাহলে ক্ষতি কী?’

    লোকটা থেমে গেল। নিজের পকেট হাতড়ে আর একটা টুথপিক বের করে দাঁতে গুঁজল। আমাকে আপাদমস্তক দেখে নিয়ে বলল, ‘আপনি কে?’

    আমি ওকে একটা নাম বললাম। হান্টার, হান্ট, হান্টিংটন… এমন কিছু একটা হবে। ওর নাম জানতে চাইলাম। লোকটা বলল, ওর নাম বব ম্যাকসোয়েন, আর সেটা আমি শহরের যাকে-খুশি-তাকে জিজ্ঞেস করে মিলিয়ে নিতে পারি। ওকে বিশ্বাসযোগ্য বলে মেনে নিয়ে আমি জানতে চাইলাম,

    ‘তাহলে কী বলেন? আমরা বুশকে চেপে ধরব?’

    ‘না।’ লোকটা ঢোঁক গিলে বলল, ‘আমি ওরকম লোক নই। আমি কখনো…’

    ‘আপনি কখনো কিছু করেননি, শুধু লোকেরা আপনাকে ঠকালে সেটা মেনে নিয়েছেন। আপনাকে ওর পেছনে লাগতে হবে না মিস্টার ম্যাকসোয়েন। যা বলার আমাকে বলুন। যদি তার জোরে কিছু করা যায়, আমিই করব।’

    লোকটা কিছুক্ষণ ভাবল। ঠোঁট চাটল। ওর মুখ থেকে টুথপিকটা পড়ে শার্টের সামনে লেগে রইল।

    ‘আমি যে আপনাকে এগুলো বলেছি, সেটা আপনি কাউকে বলবেন না তো?’ লোকটা জিজ্ঞেস করল, ‘আমাকে এখানেই থাকতে হবে। এই কথাটা জানাজানি হলে আমার রক্ষে নেই। আর… আপনি ওকে জেলে পাঠাবেন না তো? স্রেফ এটা দেখবেন তো, যে ও আজ লড়বে আর… আর জিতবে?’

    ‘একদম।’

    আমার হাত ঝাঁকিয়ে ও ঈশ্বরের নামে শপথ করাল। তারপর উত্তেজিত হয়ে বলতে শুরু করল,

    ‘ওর আসল নাম অ্যাল কেনেডি। দু-বছর আগে ফিলাডেলফিয়া শহরে কিস্টোন ট্রাস্ট লুঠ হয়েছিল, মনে আছে? তাতে ও জড়িত ছিল। সিজার্স ম্যাগার্টি-র দল দু-জন মেসেঞ্জারকে খুন করেছিল। অ্যাল খুন করেনি, তবে ওই দলে ছিল। বাকিরা ধরা পড়ে। অ্যাল এখানে পালিয়ে আসে। সেইজন্যই ওর ফটো কাগজে ছাপা হয় না। সেজন্যই এত ভালো বক্সার হলেও ওকে লুকিয়ে থাকতে হয়। আপনি বুঝতে পারছেন তো ব্যাপারটা?’

    ‘খুব ভালো বুঝতে পারছি। এবার তাহলে ওর সঙ্গে একবার দেখা করতে হয়। কোথায় পাব ওকে?’

    ‘ইউনিয়ন স্ট্রিট, ম্যাক্সওয়েল হোটেল। ও আজকের ম্যাচের জন্য নিশ্চয় ওখানেই এখন বিশ্রাম নিচ্ছে।’

    ‘কীসের বিশ্রাম? ও থোড়াই লড়বে। তবে হ্যাঁ, আমাদের একটা চেষ্টা তো করতেই হবে।’

    ‘আমাদের!? এই ‘‘আমাদের’’ শব্দটা আপনি পাচ্ছেন কোত্থেকে? আপনি কথা দিয়েছেন আমি এর মধ্যে কোথাও থাকব না। যা করার আপনিই করবেন!’

    ‘তা তো বটেই।’ আমি ওকে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করলাম, ‘ওকে দেখতে কেমন?’

    ‘একমাথা কালো চুল। রোগাটে। একেবারে সোজা ভ্রূ। খাড়া কান। জানি না এই দিয়ে আপনি ওকে চিনতে পারবেন কি না…’

    ‘ওটা আমার ওপর ছেড়ে দিন। আপনাকে পরে কোথায় পাব?’

    ‘মারি’জ। আমি ওখানেই থাকব। কিন্তু আপনি আমার কথা কাউকে বলবেন না! আপনি কথা দিয়েছেন।’

    ম্যাক্সওয়েল হোটেল, ইউনিয়ন স্ট্রিট এই এলাকার আরও একগাদা সস্তা, জীর্ণ, রংচটা হোটেলের মধ্যে একটা। আমি যখন পৌঁছোলাম তখন কাউন্টারে কেউ ছিল না। নোংরা একটা রেজিস্টার উলটে আমি ইকি বুশ, সল্ট লেক সিটি, ২১৪ খুঁজে পেলাম। পেছনের রাকে ওই ঘরের চাবি ঝুলছিল না। আমি সিঁড়ি ভেঙে দোতলায় পৌঁছে দরজা নক করলাম। কেউ খুলল না। বেশ কিছুক্ষণ আওয়াজ তুলেও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে নীচে যাচ্ছিলাম। দেখলাম, সিঁড়ি দিয়ে কেউ উঠে আসছে। আলো কম হলেও লোকটাকে দেখতে পেলাম।

    রোগাটে চেহারা। আর্মি শার্ট, নীল সুট, ধূসর ক্যাপ। ওর চোখের ওপর কালো ভ্রূজোড়া একটা সরলরেখা তৈরি করেছিল।

    আমি বললাম, ‘হ্যালো।’

    ছেলেটা থামল না। স্রেফ মাথা ঝুঁকিয়ে পাশ কাটিয়ে এগিয়ে গেল।

    ‘আজ জিতছেন তো?’ আমি জিজ্ঞেস করলাম।

    ‘আশা করি।’ সংক্ষিপ্ত উত্তর ভেসে এল।

    আমি ওকে আরও চার কদম এগোতে দিলাম। তারপর বললাম, ‘আমিও আশা করছি। তোমাকে ফিলাডেলফিয়া ফেরত নিয়ে যেতে আমার ভালো লাগবে না, অ্যাল।’

    আর এক পা এগিয়ে থেমে গেল ছেলেটা। খুব ধীরে আমার দিকে ঘুরে, আমার দিকে ঢুলু ঢুলু চোখে তাকিয়ে গলার মধ্য থেকে ‘হুঁহ্‌!’ টাইপের একটা আওয়াজ করল ও।

    ‘কিড কুপার বা ওর মতো কোনো ফালতু বক্সারের মার খেয়ে তুমি যদি ছ-নম্বর রাউন্ডেই পড়ে যাও, তাহলে আমার খুব খারাপ লাগবে।’ আমি শান্ত গলায় বললাম, ‘ওসব কোরো না, অ্যাল। তোমাকে ফেরত নিয়ে যাওয়ার কোনো ইচ্ছে নেই আমার।’

    মাথা নীচু করে আমার দিকে এগিয়ে এল ছেলেটা। ওর দু-হাত শরীরের দু-দিকে ঝুলছিল। আমার হাত ওভারকোটের পকেটে ছিল। সেভাবেই বললাম, ‘কথাটা মাথায় রেখো। আজ রাতে ইকি বুশ না জিতলে কাল সকালে অ্যাল কেনেডি পুবমুখো রওনা হবে।’

    ছেলেটা বাঁ-কাঁধ ইঞ্চিখানেক তুলল। আমি পকেটে বন্দুকটা সামান্য নাড়ালাম। সেটুকুই যথেষ্ট ছিল। গজগজ করে বলল ছেলেটা, ‘আমি জিতব না, এসব ফালতু কথা আপনাকে কে বলেছে?’

    ‘শুনতে পেলাম আর কি। আমারও মনে হয়, কথাটা ফালতু, তবে আজকাল কিছুই বলা যায় না।’

    ‘চোয়ালটা ভেঙে দিলে কিছু বলার অবস্থাই থাকবে না আপনার!’

    ‘যা করার তাহলে এখনই করো।’ আমি পরামর্শ দিলাম, ‘আজ রাতে তুমি জিতলে তোমার সঙ্গে আর দেখা হবে না। আজ তুমি হারলে দেখা হবে, তবে তোমার হাত খোলা থাকবে না।’

    মারি’জ নামের একটা ব্রডওয়ে পুল রুমে ম্যাকসোয়েন আমার অপেক্ষায় ছিল।

    ‘ওকে বোঝাতে পারলেন?’

    ‘হ্যাঁ। ওই নিয়ে আর ভাববেন না। সব ঠিক হয়ে গেছে… যদি না ও শহর ছেড়ে পালায়, বা ওর পেছনে যারা আছে তাদের কিছু বলে, বা আমার কথা না শোনে, বা…’

    ‘আপনি বরং সাবধান থাকুন।’ ম্যাকসোয়েন দারুণ নার্ভাস হয়ে বলল, ‘ওরা আপনাকে পথের কাঁটা ঠাওরালে বিপদ আছে। আমি… আমাকে একজনের সঙ্গে দেখা করতে হবে।’

    ও কেটে পড়ল।

    শহরের প্রান্তে একটা পুরোনো অ্যামিউজমেন্ট পার্ক ছিল। তার পরিত্যক্ত ক্যাসিনোটা পয়জনভিলের এক নম্বর বক্সিং রিং হয়ে গেছিল। মোটা টাকা হাতবদল হয় এমন বক্সিং ম্যাচগুলো ওখানেই হত। আমি রাত সাড়ে আটটায় যখন পৌঁছোলাম তখন এমনি আসন তো বটেই, ব্যালকনি আর বেঞ্চও সব ভরতি। আমার বসার জায়গা ছিল রিং থেকে তিন নম্বর সারিতে। কিছুটা দূরের একটা আসনে ড্যান রল্্ফ বসে ছিল। ওর পাশেই ছিল ডিনা ব্র্যান্ড। দেখলাম, মেয়েটা অবশেষে নিজের চুল ছেঁটেছে। একটা ফার কোটে ওকে দেখে বেশ রানি রানি লাগছিল।

    প্রাথমিক ‘ভালো তো?’ বিনিময়ের পরেই ডিনা জানতে চাইল, ‘কুপারের ওপর বাজি ধরেছেন তো?’

    ‘না। আপনি কি ওর ওপরেই সব লাগিয়েছেন নাকি?’

    ‘যতটা লাগাতে চেয়েছিলাম ততটা পারিনি। ভেবেছিলাম দর বাড়বে, কিন্তু সে তো আরও নেমে গেল পরের দিকে!’

    ‘শহরে বোধ হয় আর কেউ বাকি নেই যে বুশের ‘‘শীঘ্রপতন’’ সম্বন্ধে ওয়াকিবহাল নয়।’ আমি গোমড়া মুখে বললাম, ‘কিছুক্ষণ আগেই দেখলাম, কুপারের ওপর চার লাগিয়ে জিতলে এক পাওয়া যাবে এই দরেও মোটা টাকা লাগাল একজন।’

    রল্্ফকে পাশ কাটিয়ে ওপাশে গিয়ে আমি মুখ নীচু করলাম। মুখটা যখন ডিনা-র ফার কোটের কলারের আড়ালে গেল তখন চাপা গলায় বললাম, ‘কেস ঘুরে গেছে। এখনও সময় আছে। নিজের ক্ষতি যতটা পারেন পুষিয়ে নিন।’

    মেয়েটার বড়ো বড়ো লালচে চোখগুলো আরও বড়ো হয়ে গেল। আশঙ্কা, লোভ, কৌতূহল আর সন্দেহ সেগুলো ছাপিয়ে উপচে পড়ছিল।

    ‘সত্যি বলছেন?’ খসখসে, ভারী গলায় বলল মেয়েটা।

    ‘একদম।’

    নিজের লাল ঠোঁটজোড়া কিছুক্ষণ চিবোল মেয়েটা। তারপর আমার উদ্দেশে প্রশ্ন এল, ‘কোত্থেকে জানলেন?’ আমি উত্তর দিলাম না। তখন আবার প্রশ্ন এল, ‘ম্যাক্স জানে?’

    ‘আমি জানি না। ওকে দেখিনি। ও কি এখানে এসেছে?’

    ‘নিশ্চয় এসেছে।’ অন্যমনস্কভাবে বলল মেয়েটা। ওর ফাঁকা চোখ আর নড়তে থাকা ঠোঁট দেখে বুঝলাম ও গভীর হিসেবনিকেশে ডুবে গেছে। দেরি না করে আমি আবার বললাম, ‘আপনি যা ভালো বোঝেন তাই করুন। তবে আমার কথাটা সত্যি।’

    মেয়েটা ধারালো চোখে আমাকে দেখল। দাঁতে দাঁত ঘষে ব্যাগ খুলে নোটের একটা বিশাল মোটা বান্ডিল বের করল। তারপর তার একটা অংশ রলফের দিকে বাড়িয়ে বলল, ‘ড্যান, এটা বুশের ওপর লাগাও তো। এমনিতেও দরের ওঠানামা দেখার জন্য তোমার কাছে ঘণ্টাখানেক আছেই।’

    রল্্ফ উঠে গেল। আমি ওর সিটে বসে পড়লাম। আমার হাতে হাত রেখে মিষ্টি করে বলল মেয়েটা, ‘টাকাটা জলে গেলে আপনাকে কেউ বাঁচাতে পারবে না।’

    বড়ো ম্যাচের আগের লড়াইগুলো হয়ে গেল। আমি থ্যালারকে খুঁজছিলাম, কিন্তু ওকে দেখতে পাচ্ছিলাম না। ডিনাও যে আদৌ খেলায় মন দেয়নি সেটা বুঝতেই পারছিলাম। রিঙের দিকে তাকানোর বদলে আমাকে খোঁচানো আর হুমকি দেওয়াতেই ও ব্যস্ত ছিল। রল্্ফ ফিরে এলে আমি নিজের সিটের দিকে এগোলাম। চোখ কুঁচকে একতাড়া টিকিট দেখার ফাঁকেও ডিনা বলল, ‘শেষ হলে বাইরে আমাদের জন্য অপেক্ষা করবেন।’

    সিটে নিজেকে গুঁজছিলাম, তখনই কিড কুপার রিঙে ঢুকল। ছোকরার চেহারা সলিড, মুখটাও ভাঙাচোরা, কিন্তু ল্যাভেন্ডার রঙা ট্রাঙ্কসের ওপর মাংস বড্ড বেশি মনে হল। সেই তুলনায় উলটো কোণের ইকি বুশ ওরফে অ্যাল কেনেডির চেহারাটা দেখে ভালো লাগল। সরু, খাঁজ কাটা চেহারায় একটা সর্পিল ভাব আছে ছোকরার। তবে ওর মুখ দেখে বুঝলাম, ছেলেটা চিন্তায় আছে।

    ওদের পরিচয় দেওয়া হল। রিঙের মাঝে নিয়ে গিয়ে নিয়ম-টিয়ম বোঝানো হল। আবার কোণে পাঠানো হল দু-জনকেই। সেখানে গিয়ে রোব খুলে দুই প্রতিদ্বন্দ্বী তৈরি হল। ঘণ্টা বাজল। লড়াই শুরু হল।

    কিছুক্ষণের মধ্যেই বুঝলাম, কুপার একটি লজঝড়ে ট্রাক। ওর দু’হাতের সুইং যদি জায়গামতো লাগে তাহলে চাপ আছে। কিন্তু নড়তে-চড়তে পারে এমন যে কেউ ওগুলো এড়িয়ে যাবে। অন্যদিকে বুশ হল জেনুইন আইটেম। দ্রুত সরতে পারে ও। বাঁ-হাত চলে মসৃণভাবে। ডান হাত অনুরাগের ছোঁয়া দিয়েই সরে যায়। এমনিতে বুশ আর কুপার এক রিঙে থাকলে দ্বিতীয়জনের পতন ও মূর্ছা গ্যারান্টিড ছিল। কিন্তু বুশ উলটোটাই করতে যথাসাধ্য চেষ্টা করছিল।

    কুপার রিং জুড়ে ঘুরছিল। ঝুলন্ত লাইট থেকে শুরু করে কোণের পোস্ট, সবই ওর মার খাচ্ছিল। বুশ এগিয়ে-পিছিয়ে কুপারকে মাঝেমধ্যে মারছিল, কিন্তু সেই মারে দম ছিল না। প্রথম রাউন্ডেই দর্শকদের গালাগাল ভেসে আসা শুরু হল। দ্বিতীয় রাউন্ড একইভাবে কাটল। ব্যাপার মোটেই ভালো ঠেকছিল না। আশঙ্কা হচ্ছিল, বুশ আমাকে পাত্তা দেয়নি। চোখের কোণে দেখছিলাম, ডিনা হাত নেড়ে আমার নজর কাড়তে চাইছে। ওর মেজাজ কেমন হতে পারে সেটা বুঝে আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করছিলাম অন্যদিকে তাকাতে।

    তিন নম্বর রাউন্ডেও একই জিনিস চলছিল। দর্শকাসন থেকে ‘দুটোকেই বের করে দাও!’ ‘এত পিরিত যখন, তাহলে চুমু খাচ্ছ না কেন?’ ‘হাত চলছে না বুঝি?’ ইত্যাদি চিৎকার ক্রমেই বাড়ছিল। দুই মুষ্টিযোদ্ধার নাচ তাদের আমার কাছাকাছি নিয়ে এসেছিল। এক মুহূর্তের জন্য চিৎকার থামল। আমি সেই সুযোগে নিজের দু-হাত কাছে এনে একটা চোঙা বানিয়ে চেঁচালাম, ‘ফিলিতে ফেরত অ্যাল!’

    বুশ আমার দিকে পিছন ফিরে ছিল। ও এক ঝটকায় কুপারকে সরিয়ে আমার দিকে ঘুরল। তখনই অন্য কোনো কোণ থেকে চিৎকার ভেসে এল, ‘ফিলিতে ফেরত অ্যাল!’

    হয়তো ম্যাকসোয়েন, হয়তো অন্য কেউ। জানি না। ইয়ার্কি মেরে, বা হতাশা থেকে ভিড়ের মধ্যে অন্য এক মাতালও গলা মিলিয়ে চেঁচাল। লোকে এটাকে কি কোনো ঠাট্টা ভাবল? নাকি বুশকে বিরক্ত হতে দেখে তারা খুশি হল? জানি না। কিন্তু চিৎকারটা ছড়িয়ে গেল বিশাল জায়গাটার এদিক থেকে ওদিকে।

    কালো রেখার মতো ভ্রূ-র নীচে বুশের চোখগুলো ঘুরতে শুরু করল। কুপারের একটা ওজনদার হাত ওর মুখের একপাশে এসে পড়ল। ইকি বুশ মাটিতে লুটিয়ে পড়ল। রেফারি দু-সেকেন্ডে পাঁচ অবধি গুনে ফেলল। কিন্তু তার বেশি এগোল না, কারণ রাউন্ড শেষের ঘণ্টা পড়ে গেল।

    আমি ডিনা ব্র্যান্ডের দিকে তাকিয়ে হেসে উঠলাম। ডিনা হাসল না। ওকেও ড্যান রল্্ফের মতো অসুস্থ দেখাচ্ছিল, তবে ওর চোখজোড়া একেবারে আগুন ঝরাচ্ছিল।

    বুশের লোকেরা আলগাভাবে ওর গা-হাত-পা ঘষে ওকে দাঁড় করাল। বুশ নিজের পা-র দিকে তাকিয়ে সোজা হল। ঘণ্টা বাজল।

    কিড কুপার নিজের ট্রাঙ্কস-এর ইলাস্টিক টেনে রিঙের মাঝে এল। ঠিক সেই মুহূর্তে বুশ ওর দিকে এগিয়ে এল। আমরা দেখতে পাওয়ার আগেই রোগা ছেলেটার বাঁ-হাত কুপারের পেটে ছোবল মারল। কুপার ‘উফ!’ শব্দ তুলে পেট চেপে পিছিয়ে গেল। বুশ ওর মুখের ডানদিকে একটা হালকা গোছের খোঁচা দিল। আবার ‘উফ্‌!’ বলে কুপার টলমল করতে শুরু করল।

    মাথার দু-পাশ দেখে দুটো মার কুপারকে সোজা করে দিল। বাঁ-হাতের একটা মার খেয়ে কুপার সোজা হয়ে ঠিক সেই জায়গায় এসে গেল যেখানে বুশ ওকে পেতে চাইছিল। বুশের ডান হাত ছোবল মারল।

    আমরা, মানে দর্শকরাও পাঞ্চটা টের পেলাম।

    কুপার মেঝেতে আছড়ে পড়ল। একবার লাফাল, তারপর ওখানেই পড়ে রইল। এবার দশ গুনতে রেফারির আধ মিনিট লাগল। আধ ঘণ্টা লাগলেও কিছু আসত-যেত না। কিড কুপারের খেল খতম হয়ে গেছিল। গোনা শেষ হওয়ার পর রেফারি বুশের হাত ওপরে তুলল। দু-জনের কারো মুখ দেখেই মনে হচ্ছিল না তারা খুশি।

    অনেক উঁচুতে কিছু একটা ঝিকমিক করে উঠল। ধারের একটা ছোট্ট ব্যালকনি থেকে একটা রুপোলি ঝলক নেমে এল।

    কোথাও কোনো মহিলা আর্তনাদ করে উঠলেন। রুপোলি ঝলকটা রিঙে এসে, গেঁথে যাওয়ার মতো একটা আওয়াজ তুলে থেমে গেল।

    রেফারির হাত ছাড়িয়ে ইকি বুশ কিড কুপারের ওপর সপাটে পড়ল। ওর ঘাড় থেকে একটা ছুরির কালো হাতল বেরিয়ে ছিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী
    Next Article মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }