Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    ঋজু গাঙ্গুলী এক পাতা গল্প413 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বারো – পরের রাউন্ড

    ম্যাকসোয়েনের সন্ধানে বেরোলাম। ফোনবুক বা ডাইরেক্টরি থেকে কিছু জানা গেল না। পুলরুম, চুরুট স্টোর, মদ্যপানের আসর… কোনো জায়গা বাদ দিলাম না। দেখতে না পেয়ে সাবধানি প্রশ্নও করলাম জায়গা বুঝে। কিন্তু কিছুতেই কিছু হল না। শেষে ঠিক করলাম, হোটেলে ফিরে ঘুমোব। তারপর রাতে আবার লোকটাকে খুঁজব। হোটেলে ঢুকতেই দেখলাম, লবির কোণে খবরের কাগজের আড়ালে লুকিয়ে থাকা লোকটা উঠে দাঁড়িয়ে আমার দিকে আসছে।

    বব ম্যাকসোয়েন।

    আমি যে উৎকণ্ঠ তাহার লাগি প্রতীক্ষিয়া ছিলাম, সেটা বুঝতে দিলাম না। আলগাভাবে নড্‌ করে এলিভেটরের দিকে এগোলাম। লোকটা আমার সঙ্গেই এগোল।

    ‘ইয়ে… আপনার একটু সময় হবে?’

    ‘হবে।’ আমি আলগাভাবেই ঘুরলাম, ‘তবে বেশিক্ষণ থাকতে পারব না।’

    ‘একটু আড়ালে গেলে ভালো হয়।’ বুঝলাম, লোকটা ভালোমতোই নার্ভাস হয়ে আছে। আমি ওকে নিজের ঘরে নিয়ে গেলাম। একটা চেয়ারে বসে, মুখে একটা দেশলাই কাঠি ভরে কিছুক্ষণ সেটা চিবোল ও। তারপর বলল, ‘দেখুন, আমি বলতে চাইছি যে…’

    ‘যে, কাল আমার সঙ্গে দেখা করার আগেই আপনি জানতেন আমি কে। যে, বুশ আদৌ আপনাকে কোথায় বাজি ধরা উচিত সেই নিয়ে কিছু বলেনি। যে, ওর ইতিহাস আপনি জানতেন নিজে এককালে পুলিশ ছিলেন বলে। যে, আপনি ভেবেছিলেন আমাকে দিয়ে বুশকে নাড়িয়ে-চাড়িয়ে নিজে একটা দাঁও মারবেন। তাই তো?’

    ‘অত কিছু বলব ভাবিনি।’ ম্যাকসোয়েনের মুখে একটা ক্লিষ্ট হাসি ফুটল, ‘তবে বলাই যখন হয়ে গেছে, তখন সবকটারই শেষে ‘হ্যাঁ’ বসিয়ে নিন।’

    ‘কাল কত কামালেন?’

    ‘আমি ছ-শো কামালাম।’ টুপিটা সরিয়ে নিজের চিবোনো দেশলাই কাঠিটা দিয়ে কপাল চুলকোল ম্যাকসোয়েন, ‘তারপর সেটা, আর আরও দু-শো ডলার তাসে হারলাম। শেষে ব্রেকফাস্টের জন্য লোকের কাছে হাত পাততে হল। ভাবতে পারেন!’

    ‘জীবন এইরকমই’ টাইপের কিছু একটা ফাঁপা উত্তর দিলাম। তার উত্তরে ও বলল, ‘সেজন্যই আমি ভাবলাম আপনার কাছে আসি। দেখুন, আমিও তো এককালে এই লাইনে ছিলাম। আমি জানি এখানে…’

    ‘আপনাকে নুনান তাড়িয়েছিল কেন?’

    ‘তাড়িয়েছিল! মোটেই না। আমার স্ত্রী গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা গেছিলেন। সেই বিমার টাকা নিয়ে আমি চাকরি ছেড়ে দিই। ওসব আর ভালো লাগছিল না।’

    ‘আমি যে শুনলাম, ওর ভাইয়ের আত্মহত্যার পরেই নুনান আপনাকে বের করে দেয়!’

    ‘ভুল শুনেছেন। চাইলে আপনি নুনানকেই জিজ্ঞেস করতে পারেন।’

    ‘তার কোনো দরকার নেই। তা আপনি কী যেন বলছিলেন?’

    ‘বলছিলাম যে আমি একদম পথে, বা তারও নীচে বসে গেছি। তবে আপনি এই শহরে কী করছেন, সেটা আমি ভালোই বুঝতে পারছি। আমাকেও দলে নিন না! আমি যা জানি, তা আপনাকে আর কেউ বলতে পারবে না।’

    ‘আপনি আমার খোঁচড় হতে চান?’

    লোকটা সোজা আমার চোখে চোখ রেখে শান্ত গলায় বলল, ‘সব কিছুকে আজেবাজে নাম দেওয়াটা কাজের কথা নয়।’

    ‘আমি আপনাকে একটা কাজ দিচ্ছি ম্যাকসোয়েন।’ আমি পকেট থেকে মির্টল জেনিসনের সই করা কাগজটা বের করে ওকে দিলাম, ‘এই ব্যাপারটা আমাকে একটু বিশদে বলুন তো।’

    শব্দগুলো রীতিমতো উচ্চারণ করে, তবে নিঃশব্দে পড়ল ম্যাকসোয়েন। ওর ঠোঁটের কোণে দেশলাই কাঠিটা ওপর-নীচ করছিল তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে। পড়া হয়ে যাওয়ার পর কাগজটা আমার খাটের পাশে রেখে ও কিছুক্ষণ ভ্রূ কুঁচকে সেদিকে তাকিয়ে রইল। তারপর গম্ভীরভাবে বলল, ‘আগে আমাকে একটা ব্যাপার জানতে হবে। আপনি একটু অপেক্ষা করুন। আমি কিছুক্ষণের মধ্যেই ফিরছি।’

    আমি হেসে ফেললাম। বললাম, ‘আপনি আমাকে কতটা বোকা ভাবেন? আপনি জানেন, এত সহজে এখান থেকে বেরোতে পারবেন না আপনি।’

    ‘উঁহু। আমি জানি না।’ গম্ভীরভাবেই মাথা নাড়ল ম্যাকসোয়েন, ‘আপনিও জানেন না। হ্যাঁ, আপনি এটুকু জানেন যে আপনি আমাকে আটকাতে চেষ্টা করবেন।’

    ‘ঠিক।’ কথাটা বলতে বলতেও আমি পরিস্থিতিটা নিয়ে ভাবছিলাম। ম্যাকসোয়েন বয়সে আমার চেয়ে বছর ছ-সাতেকের ছোটো। লোকটা এখনও শক্তপোক্ত আছে। হয়তো ওর ফিটনেসও আমার চেয়ে ভালো। তবে ভেবে যখন ফেলেইছি…!

    খাটের পাশে দাঁড়িয়ে নিবিষ্টচিত্তে আমাকে দেখছিল ম্যাকসোয়েন। পা ঝুলিয়ে বসে আমিও ওকে একইভাবে দেখছিলাম। এভাবে মিনিট তিনেক কাটল। সেই সময়টায় আমি ভাবছিলাম, ও আমার ওপর ঝাঁপালে বন্দুক বের করা যাবে না। আমরা বড্ড কাছে আছি। তার বদলে চিত হয়ে, কোমরে ভর দিয়ে যদি ওকে একটা লাথি কষানো যায় তাহলে কী হতে পারে? এইসব ভাবার মধ্যেই ম্যাকসোয়েন বলে উঠল, ‘ওই আংটিটা মোটেই হাজার ডলারের ছিল না। আমি ওটা বেচে শ’দুয়েক ডলার পেয়েছিলাম।’

    ‘আপনি বসুন। তারপর আমাকে সবটা বলুন।’

    মাথা নাড়িয়ে ও আমাকে বলল, ‘তার আগে আপনি বলুন, এসব জেনে আপনি কী করবেন?’

    ‘হুইস্পারকে ফাঁসাব।’

    ‘সেটা নয়। আমাকে নিয়ে কী করবেন?’

    ‘আপনাকে আমার সঙ্গে সিটি হল যেতে হবে।’

    ‘মাত্তা খারাপ!’

    ‘কেন? আপনি তো শুধু সাক্ষী হবেন।’

    ‘নুনান ঘুস নেওয়ার দায়ে আমাকে প্রথমে ফাঁসাবে। তারপর সাব্যস্ত করবে, আমিও খুনির সঙ্গে ছিলাম। কোনো লাভ না থাকলেও ও এটা করবেই।’

    আমি দেখলাম, এভাবে কিছু হবে না। বলতে বাধ্য হলাম, ‘দেখুন, যাই হোক না কেন, নুনানের সঙ্গে আপনাকে দেখা করতেই হবে। চলুন আমার সঙ্গে।’

    ‘নিয়ে যেতে চেষ্টা করুন।’

    আমি সোজা হয়ে বসে পেছন দিকে হাত বাড়ালাম। ও আমার দিকে ঝাঁপ দিল। আমি প্ল্যানমাফিক চিত হয়ে গোড়ালিটা ওর দিকে ছুড়লাম। দুঃখের বিষয়, তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে ম্যাকসোয়েন খাটে ধাক্কা খেয়েছিল। এতে খাটটাই সরে গেছিল বলে আমি গড়িয়ে মেঝেতে পড়ে গেলাম। তখনও আমি বন্দুকটা বের করার চেষ্টা করছিলাম। এদিকে ম্যাকসোয়েন তখনও থামেনি। খাটের ওপর ঝুঁকে, প্রায় ডিগবাজি খেয়ে ও আমার পাশেই এসে পড়ল।

    আমি বন্দুকটা এতক্ষণে বের করতে পারলাম। ওর বাঁ-চোখের ঠিক ওপরে সেটা চেপে ধরে বললাম, ‘আর না। যথেষ্ট নাটক হয়েছে। এবার শান্ত হয়ে থাকুন, নইলে আপনার মাথাটা অন্যরকম দেখতে হয়ে যাবে।’

    নিজে উঠে দাঁড়িয়ে কাগজটা পকেটে ভরলাম। তারপর ম্যাকসোয়েনকে দাঁড় করিয়ে ওর তল্লাশি নিলাম। অস্ত্রশস্ত্র কিছু পেলাম না। বললাম, ‘টুপিটা ঠিকঠাক করুন। টাইটা সোজা করে পরুন। এবার চলুন, যাতে লোকে না ভাবে যে আপনাকে মারধর করে নিয়ে যেতে হচ্ছে। তবে এটা মাথায় রাখবেন, আমার ওভারকোটের পকেটে কিছু একটা আপনার দিকে মুখ করে থাকবে। আমার একটা হাত সেখানেই থাকবে।’

    ম্যাকসোয়েন হাল ছেড়ে দিয়েছিল। নিজেকে যথাসাধ্য ফিটফাট করে ও বলল, ‘আমি পালাব না। বরং স্বেচ্ছায় এসেছি এটা জানলে হয়তো নুনান আমাকে… ইয়ে, আপনি কিছু মনে করেননি তো?’

    ‘মোটেই না।’

    নুনান খেতে বেরিয়েছিল। ওর অফিসের বাইরের ঘরে আমাদের আধ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হল। ঢুকে ও আমাকে যথারীতি ‘কেমন আছেন?… যা বলেছেন… সে তো বটেই…’ এসব দিয়ে স্বাগত জানাল। ম্যাকসোয়েনের সঙ্গে ও কোনো কথা বলল না, শুধু খরচোখে ওকে একবার মেপে নিল। ওর চেম্বারে ঢুকলাম। আমার জন্য একটা চেয়ার টেনে নিজেও বসল নুনান। ম্যাকসোয়েন দাঁড়িয়েই রইল।

    আমি নুনানকে কাগজটা দিলাম। নুনান কাগজটায় চোখ বোলাল। তারপর এক লাফে উঠে এসে ম্যাকসোয়েনের মুখে একটা ঘুসি মারল। ঘুসিটায় দম ছিল। ম্যাকসোয়েন প্রায় ঠিকরে গিয়ে পেছনের দেওয়ালে পড়ল। দেওয়ালটা কেঁপে উঠল। নুনান আর শহরের হোমরাচোমরাদের একটা ফ্রেম করা ফটোগ্রাফ দেওয়ালে ঝুলছিল, সেটাও ম্যাকসোয়েনের পাশে মেঝেতে পড়ল। নুনান উঠে দেওয়ালের কাছে গেল। ফটোফ্রেমটা তুলে ও সেটা ম্যাকসোয়েনের মাথা আর কাঁধে ততক্ষণ ধরে আছড়াল যতক্ষণ না জিনিসটা একেবারে চুর চুর হয়ে যায়।

    ‘ওর মতো বজ্জাত এই শহরে খুব একটা পাবেন না।’ নিজের সিটে ফিরে এসে হাসিমুখে বলল নুনান।

    ম্যাকসোয়েন সোজা হয়ে বসল। ওর নাক, মুখ, এমনকী মাথা থেকেও রক্ত পড়ছিল। নুনান ওর উদ্দেশে একটা হুংকার ছাড়ল, ‘এখানে এসো।’

    ‘হ্যাঁ, স্যার।’ বলে ম্যাকসোয়েন উঠে দাঁড়িয়ে প্রায় দৌড়ে ডেস্কের কাছে গেল।

    ‘এবার সব সত্যি বলবে। নইলে…!’

    ‘হ্যাঁ, স্যার। মেয়েটা যা লিখেছে, তেমনই হয়েছিল। তবে হিরেটা একদম জালি ছিল। স্রেফ দু-শো ডলারের জন্য আমি তখন চুপ করে ছিলাম, স্যার। আমি যখন টিমের কাছে পৌঁছোলাম তখন মেয়েটা সবে ওকে জিজ্ঞেস করেছে, ‘‘কে গুলি করেছে তোমাকে?’’ টিম তার উত্তরে ‘‘ম্যাক্স!’’ বলে উঠল। জোরে। যেন ও চাইছিল, কথাটা অন্যরা জানুক। কিন্তু বিশ্বাস করুন, হিরেটা একদম…’

    ‘নিকুচি করেছে হিরের!’ নুনান গর্জে উঠল, ‘রক্ত ফেলে আমার ঘরের কার্পেট নষ্ট করবে না।’

    পকেট হাতড়ে একটা নোংরা রুমাল বের করল ম্যাকসোয়েন। সেটা নাকে চেপে ও বলে চলল, ‘এটাই সত্যি। আমি আর কিছু লুকোইনি। জানি, আমার তখনই কথাটা বলা উচিত ছিল। কিন্তু বলিনি কারণ…’

    ‘চোপ!’ আবার হুংকার ছাড়ল নুনান। ও একটা বোতাম টিপল। একজন ইউনিফর্ম পরা পুলিশ ভেতরে ঢুকল। নুনান তাকে বলল, ‘এই বজ্জাতটাকে আমাদের অতিথি বানানোর ব্যবস্থা করো। তবে তার আগে বাকিদের বলো, ওর ওপর যেন হাতের সুখ করে নেয়।’

    ‘কিন্তু চিফ…! আমি তো…’ ওর কাতর আর্তনাদ দূরে সরে গেল।

    নুনান একটা চুরুট বের করে আমাকে দিল। নিজেও একটা ধরাল। তারপর কাগজটা দেখিয়ে বলল, ‘এই মেয়েটাকে কোথায় পাব?’

    ‘হাসপাতালে। মুমূর্ষু অবস্থায়।’ আমি বললাম, ‘আমি যেভাবে এটা ম্যানেজ করেছি সেটা আদালত মানবে না। আপনাকে বেশি খাটতে হবে। ভালো কথা, শুনলাম পিক মারি এখন আর হুইস্পারের জিগরি দোস্ত নয়। ও হুইস্পারের অন্যতম অ্যালিবাই ছিল, তাই না?’

    ‘ছিল।’ ফোন তুলে চিবিয়ে চিবিয়ে বলল নুনান, ‘ম্যাকগ্র, পিক মারিকে এখানে আসতে বলো। আর ওই ছুরি মারার কেসে টোনি আগস্তিকে তোলো।’

    উঠে দাঁড়িয়ে বেশ কিছুক্ষণ চুরুট টানল নুনান। ওর চারপাশে ধোঁয়ার একটা আস্তরণ তৈরি হল। ও বলল, ‘এই ক-দিন আপনার সঙ্গে আমার ব্যবহারটা ঠিক… ঠিকমতো হয়নি।’

    মনে মনে বললাম, এর চেয়ে কমিয়ে বলা যেত না বোধ হয়। মুখ বন্ধই রাখলাম। নুনান ভাষণ দিল।

    ‘আপনি জানেন, এসব ক্ষেত্রে কী হয়। আমি পুলিশ চিফ মানেই সব ব্যাপারের চিফ নই। আমাকে অনেকের মন জুগিয়ে চলতে হয়। বিশেষ করে সেইসব লোকের, যারা আমাকে এক হাটে কিনে অন্য হাটে বেচতে পারে। তবে এই ব্যাপারটা তাদের মধ্যে পড়ে না। এটা… অন্যরকম। মা যখন মারা যায়, তখন টিম ছোটো। ‘‘ওকে দেখিস জন।’’ মা আমাকে শুধু এটুকু বলে যেতে পেরেছিল। আর সেই টিমকে, ওই মেয়েটার জন্য, হুইস্পার মেরে দিল!’

    আমার হাতটা নিজের মুঠোয় নিয়ে নুনান বলল, ‘দেড় বছর আগে এটা হয়েছে। আর এতদিনে, আপনি আমাকে প্রথম একটা সলিড জিনিস দিলেন যা দিয়ে আমি হুইস্পারের সঙ্গে হিসেবটা মেটাতে পারি। আজকের পর পার্সনভিলে আপনার পেছনে লাগতে এলে এবার আমার সঙ্গেও লাগতে হবে। পাক্কা।’

    কথাগুলো শুনে খুশি হলাম। আমাদের বিশ্রম্ভালাপ চলার মাঝে একটা রোগা, লম্বা লোক ঘরে ঢুকল। লোকটার গোল, ব্রণর দাগে ভরা মুখের বদলে কুঁচকে থাকা নাকটাই আগে নজরে পড়ে। জানলাম, এই হল পিক মারি।

    ‘আমরা টিমের মৃত্যুর সময়টা নিয়ে কথা বলছিলাম।’ মারিকে চেয়ারে বসিয়ে, চুরুট দিয়ে আপ্যায়ন করে নুনান বলল, ‘তুমি তো সেই রাতে লেকেই ছিলে, তাই না?’

    ‘ছিলাম।’ মারি-র নাকটা আরও কুঁচকে গেল।

    ‘হুইস্পারের সঙ্গে?’

    ‘সবসময়ের জন্য নয়।’

    ‘গুলি যখন চলে তখন তুমি ওর সঙ্গে ছিলে?’

    ‘না।’

    চিফ নুনানের সবজেটে চোখগুলো ছোটো, কিন্তু আরও জ্বলজ্বলে হয়ে উঠল। নরম গলায় ও বলল, ‘সেই সময় হুইস্পার কোথায় ছিল, তুমি জান?’

    ‘না।’

    ‘কিন্তু পিক,’ গভীর তৃপ্তির একটা শ্বাস ফেলে, চেয়ারে হেলান দিয়ে নুনান বলল, ‘আগেরবার যে তুমি বললে, তখন তুমি হুইস্পারের সঙ্গে বারে বসে ছিলে।’

    ‘বলেছিলাম।’ মেনে নিল পিক, ‘কিন্তু সেটা ছিল বন্ধুকৃত্য।’

    ‘অ। বন্ধুর জন্য তুমি আদালতকে মিথ্যে বলবে?’

    ‘বাজে কথা বলবেন না!’ মারি-র মুখ থেকে থুতু ছিটকে এল, ‘আমি আদালতে দাঁড়িয়ে কিচ্ছু বলিনি।’

    ‘জেরি, জর্জ কেলি, ও’ব্রায়েন… এরাও কি বন্ধুকে সাহায্য করার জন্য মিথ্যে বলেছিল?’

    ‘ও’ব্রায়েন বলেছিল। বাকিদের কথা বলতে পারব না। সেই রাতে আমি বার থেকে বেরিয়েই যাচ্ছিলাম। তখনই হুইস্পার, কেলি আর জর্জের সঙ্গে আমার দেখা হয়। ওদের সঙ্গ দেব বলে আমি ফিরে গিয়ে আরেকবার বসি। কেলি বলল, টিম খতম। হুইস্পার বলল, ‘‘এইরকম সময়ে অ্যালিবাই রেখে দিলে কাজ দেয়। আমরা সবাই এখানেই ছিলাম, পুরো সময়টা। তাই তো?’’ হুইস্পার ও’ব্রায়েনের দিকে তাকাল। ও বলল, ‘‘একদম।’’ আমার দিকে তাকালে আমিও তাই বললাম। কিন্তু এখন আমি তোতাপাখির মতো করে ওরকম কিছু বলব না।’

    ‘কেলি ঠিক কী বলেছিল? টিম ‘‘খতম’’? ‘‘মারা গেছে’’ বা ‘‘মৃতদেহ পাওয়া গেছে’’ এরকম কিছু নয়? তুমি নিশ্চিত?’

    ‘আমি নিশ্চিত যে ও ‘‘খতম’’ কথাটাই বলেছিল।’

    ‘হুঁ। ধন্যবাদ পিক।’ একটা বড়ো শ্বাস ফেলে বলল নুনান, ‘তখন মিথ্যে বলে তুমি ঠিক করনি। তবে ওই নিয়ে তো আর কিছু করার নেই। যা হওয়ার হয়ে গেছে। তা বাচ্চারা কেমন আছে?’

    মারি জানাল, বাচ্চারা ভালোই আছে।

    নুনান প্রসিকিউটিং অ্যাটর্নির অফিসে ফোন করে ডার্ট আর একজন স্টেনোগ্রাফারকে ডেকে পাঠাল। পিকের কথা টাইপ ও সই হলে তবে সে ছাড়া পেল। নুনান, ডার্ট আর স্টেনোগ্রাফার এবার হাসপাতালের দিকে রওনা হল মির্টলের কথা লিখবে বলে। আমি ওদের সঙ্গে গেলাম না। নুনানের সঙ্গে পরে দেখা করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আমি হোটেলে ফিরলাম ঘুমের আশায়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী
    Next Article মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }