Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    ঋজু গাঙ্গুলী এক পাতা গল্প413 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সতেরো – রেনো’র রাত

    আমাকে ঘরে বসিয়ে ডিনা ঘুরে-ফিরে ওর নতুন ড্রেসটা দেখাল, তার রং আর এটা-সেটা বোঝাল। তারপর জানতে চাইল, ওকে কেমন দেখাচ্ছে।

    ‘আপনাকে সবসময়ই ভালো দেখায়।’ আমি বললাম, ‘আজ বিকেলে লিউ ইয়ার্ড আর পিট দ্য ফিন এলিহুর সঙ্গে দেখা করতে গেছিল।’

    ‘আপনি আমাকে, বা আমি কী পরেছি তাই নিয়ে বিন্দুমাত্র ভাবিত নন।’ মুখ বেঁকিয়ে বলল মেয়েটা, ‘ওরা ওখানে কী করছিল?’

    ‘আলোচনা-টনা করছিল বোধ হয়।’

    ‘আচ্ছা,’ চোখের পাতা বারকয়েক ফেলে ডিনা জিজ্ঞেস করল, ‘আপনি কি সত্যিই জানেন না, ম্যাক্স কোথায় আছে?’

    ‘খুব সম্ভবত উইলসনের বাড়িতে।’ আমাকে মানতেই হল, ‘তবে আমি সত্যিই এটা নিয়ে আগ্রহী নই।’

    ‘পয়জনভিলের হাওয়ায় আপনার মাথা গুবলেট হয়ে গেছে। ম্যাক্স আপনাকে আর আমাকে পছন্দ করে না। ভালো কথা বলি, শুনুন। ওকে চটপট ছবি করে দিন। নইলে আপনার, এবং এই অবলার মেয়াদ ফুরোল বলে।’

    ‘আপনি তো আসল কথাটাই জানেন না।’ আমি হেসে বললাম, ‘নুনানের ভাইকে ম্যাক্স মারেনি। টিম ‘‘ম্যাক্স’’ বলেনি। ও মরার আগে ‘ম্যাকসোয়েন’ বলার চেষ্টা করছিল।’

    ‘কী সর্বনাশ!’ মেয়েটা আমার কলার ধরে ঝাঁকাতে লাগল। ওর গরম নিশ্বাস আমার মুখে আছড়ে পড়ছিল। মুখটা ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়ায় গালের রুজ লাল স্টিকারের মতো দেখাচ্ছিল। দাঁতে দাঁত লাগা অবস্থায় ডিনা বলল, ‘আপনি ওকে ফাঁসিয়েছেন, আর তাতে আমাকে কাজে লাগিয়েছেন। ওকে মারুন! এক্ষুনি!’

    আমি এরকম ব্যবহার পছন্দ করি না। সেই ব্যবহার যদি এমন কোনো মহিলার হয় যাকে রূপকথা থেকে বেরিয়ে আসা কোনো রাগী দেবীর মতো দেখতে লাগছে, তাতেও আমার আপত্তি আছে।

    ‘শান্ত হোন।’ মেয়েটার হাত থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে বললাম, ‘আপনি এখনও বেঁচে আছেন।’

    ‘আছি। কিন্তু আপনি ম্যাক্সকে আমার মতো চেনেন না। তাও যদি ও খুনটা করত! আর সেটা ছাড়াই ওর ওপর… আমি শেষ!’

    ‘এত ভাববেন না।’ আমি উত্তেজিত অবলাটিকে সামলাতে চেষ্টা করলাম, ‘আপনি তৈরি হোন। আমরা বেরোব। হেব্বি খিদে পেয়েছে। খাওয়া-দাওয়া করলেই দেখবেন, মনমেজাজ ফুরফুরে হয়ে যাবে।’

    ‘অসম্ভব। এই অবস্থায় আমি কিছুতেই বেরোব না! তা ছাড়া ড্যান এখনও হাসপাতালে। আপনাকেই এখানে থেকে আমার দেখাশোনা করতে হবে।’

    ‘পারব না। আমার কাজ আছে, সেগুলোর জন্য আমাকে বেরোতেই হবে। আরে, আপনি এত ভাবছেন কেন? চলুন চলুন!’

    ‘আপনি…!’ মেয়েটা আমার মুখের কাছে নিজের মুখ নিয়ে এল। ওর চোখ দেখে মনে হল, আমি মানুষ নই, কোনো দানব-টানব। ‘আপনি জঘন্য একটা…! আপনার কাছে আমি কিচ্ছু না। আমার কী হল, না হল, তাতে আপনার কিচ্ছু যায় আসে না। আপনি শুধু আমাকে ওই ডিনামাইট হিসেবে দেখছেন।’

    ‘আপনি ডিনামাইটই।’ আমি ওকে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করলাম, ‘কিন্তু আপনি যেভাবে দেখছেন সেভাবে নয়। এখন দয়া করে চলুন। আমি খিদেয় দুর্বল বোধ করছি, নইলে আমাকে ওভাবে ঝাঁকাতে পারতেন না।’

    ‘আপনি কোথাও যাচ্ছেন না।’ মেয়েটা শক্ত গলায় বলল, ‘আমরা এখানেই খাব।’

    দেখা গেল, মেয়েটার কথার নড়চড় হয় না, বিশেষত ভয় পেলে। ওই নতুন পোশাক ছেড়ে ও একটা অ্যাপ্রন পরল। তারপর আইসবক্স ঘেঁটে যা ছিল সব বের করল। আমি বেরিয়ে আরও কিছু খাবার জোগাড় করলাম। শেষ অবধি খাওয়ার ঘরে আমরা যখন খাদ্য ও পানীয় নিয়ে গুছিয়ে বসলাম, তখন ওর ভয় অনেকটাই কমেছে। রাঁধুনি হিসেবে ও খুব একটা দড় নয়, তবে আমি সেটা বুঝতে দিইনি। ওসব শেষ হলে মেয়েটার মুড এতটাই ভালো হল যে ও বলল, কোথায় কে ওর ওপর রেগে আছে তাতে ওর বয়ে গেল! ও যা করছে তা না পোষালে সেই লোকটি জলে ঝাঁপ দিতে পারে, গলায় দড়ি দিতে পারে, ইত্যাদি ইত্যাদি।

    শেষ অবধি ডিনা বলল, ‘ও সিলভার অ্যারো-তে রেনো’র পার্টিতে যাবেই যাবে। আমাকেও ওর সঙ্গে যেতে হবে।

    ‘রেনো আবার কে?’

    ‘রেনো স্টার্কি। আলাপ হলে দেখবেন, আপনার ভালো লাগবে ওকে। আমি ওকে বলেছিলাম, ওর পার্টিতে যাব। তাই আমি যাবই!’

    ‘পার্টিটা কী উপলক্ষ্যে?’

    ‘ও আজ জেল থেকে বেরিয়েছে। আচ্ছা, এই অ্যাপ্রনটা আমি খুলতে পারছি না কেন?’

    ‘কারণ যে দড়িগুলো টেনে ওটা খুলতে হয়, সেগুলো ভুলভাল টেনে আপনি গিঁট বাঁধিয়েছেন। ঘুরে দাঁড়িয়ে স্থির হয়ে থাকুন। রেনো জেলে গেছিল কেন?’

    ‘মাসছয়েক আগে ও, পাট কলিন্স, ব্ল্যাকি হোয়ালেন, হ্যাংক ও’মারা, আর দেড়ফুট… একটা খোঁড়া আর বেঁটে লোক, মিলে একটা ডাকাতি করেছিল। টারলক-স জুয়েলারি। লিউ ইয়ার্ড সব সামলে নিত। কিন্তু জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন একেবারে কোমর বেঁধে লেগেছিল। নুনান আর ওর ডিটেকটিভদের কিছু করার ছিল না, ওদের গ্রেফতার করা ছাড়া। তাতে ও জামিন পেয়েছে। এর আগেও গোটাতিনেক কেসে এরকম হয়েছে। আমরা জানি, ওদের আর কিছুই হবে না। এবার আপনি আরেকটা ড্রিঙ্ক বানান, আমি তৈরি হয়ে আসি।’

    সিলভার অ্যারোর অবস্থানটা পার্সনভিল আর মক লেকের মাঝামাঝি জায়গায়। ডিনা ব্র্যান্ডের ছোট্ট গাড়িটা ছোটাচ্ছিলাম আমরা।

    ‘জায়গাটা খারাপ না।’ আমাকে ডিনা বোঝাচ্ছিল, ‘পলি ডি ভোটো ওটা চালায়। ও মোটামুটি ভালো জিনিসই বেচে। আর যতক্ষণ অবধি আপনি হল্লা না করছেন, ওখানে কেউ কিছু বলবে না। ওই যে! আমরা এসে গেছি।’

    গাছপালার মধ্যে দিয়ে দেখা লাল-নীল আলোগুলো কাছে এল। দেখলাম, বাড়িটা একটা কাসলের অনুকরণে বানানো। আলোয় জায়গাটা ঝলমল করছিল। কিন্তু গুলি চলার আওয়াজও একেবারে স্পষ্ট শোনা যাচ্ছিল বেশ কিছুটা দূর থেকেই।

    ‘আপনি যে বললেন, এখানে হল্লা চলে না!’ আমি বললাম, ‘তাহলে এসব কী?’

    ‘কিছু একটা হচ্ছে।’ ঠোঁট কামড়ে মেয়েটা গাড়ি থামাল।

    দু-জন লোক এক মহিলাকে ধরাধরি করে সামনের দরজা দিয়ে বেরোল, তারপর অন্ধকারের আশ্রয় নিল। একটা লোক পাশের দরজা দিয়ে পালাল। গুলির আওয়াজ পেলেও আমি কোনো আগুনের ঝলক দেখতে পাচ্ছিলাম না। পেছনের দরজা দিয়ে আরও একজনকে পালাতে দেখলাম।

    দোতলার জানলা দিয়ে একজন ঝুঁকে পড়ল। তার হাতের বন্দুকটা আমিও দেখতে পেলাম। পাশে ডিনা জোরে জোরে শ্বাস ফেলতে লাগল। রাস্তার ধারের একটা ঝোপ থেকে একটা কমলা ঝলক দেখা গেল। জানলার মানুষটির হেলদোল হল না। সে বন্দুকটা তুলে ঝোপের দিকে গুলি চালাল। ঝোপ থেকে জবাব এল না।

    জানলার মানুষটি এক পা বাইরে বের করল। তারপর গোটা শরীরটা ঝুলিয়ে দিয়ে নীচে ঝাঁপাল। নীচের ঠোঁট কামড়ে ডিনা গাড়ির অ্যাক্সিলারেটরে চাপ দিল। লোকটার পেছনে গাড়িটা নিয়ে গিয়ে ও চেঁচাল, ‘রেনো!’

    লোকটা গা থেকে ধুলো ঝাড়ছিল। ও যতক্ষণে পেছনে ঘুরল ততক্ষণে ডিনা গাড়ির দরজা খুলে ফেলেছে। রেনো সেখানে বসার আগেই ও গাড়িটা চালিয়ে দিল। আমাদের দিকে গুলি চলছিল। তার মধ্যেই আমি কোনোক্রমে লোকটাকে ধরে রাখলাম। কাজটা কঠিন হয়ে যাচ্ছিল, কারণ ওই ঝুলন্ত অবস্থাতেই লোকটা গুলির পালটা জবাব দিচ্ছিল।

    একটু পরেই আমরা সিলভার অ্যারো থেকে দূরে চলে এলাম। পার্সনভিলের উলটো রাস্তা ধরেছিল ডিনা। আমি দেখে নিলাম, নিজের হাত-পা ঠিকঠাক আছে কি না।

    ‘বাঁচালে।’ রেনো বলল, ‘নইলে বেরোতে পারতাম না।’

    ‘সে নাহয় হল।’ ডিনা বলল, ‘তুমি এরকম পার্টি দিচ্ছ নাকি আজকাল?’

    ‘কয়েকজন অনাহূত অতিথি এসে পড়েছিলেন। তুমি ট্যানার রোড চেন?’

    ‘চিনি।’

    ‘ওটা নাও। মাউন্টেন বুলেভার্ড ধরতে পারব তাহলে। ওইদিক দিয়েও শহরে ফেরা যাবে।’

    মাথা ঝাঁকিয়ে সায় দিল ডিনা। নিরাসক্তভাবে বলল, ‘ওই ‘‘অনাহূত অতিথি’’দের কাউকে কি আমি চিনব?’

    ‘ওসব নিয়ে ভেব না। গাড়িটা আরও জোরে যেতে পারে কি না, সেটা দেখলে বেশি কাজ দেবে।’

    গাড়ির স্পিড এবং রাস্তার ঝাঁকুনি, দুটোই এত বেড়ে গেল যে আমরা কেউই তারপর বেশ কিছুক্ষণ কথা বলার অবস্থায় ছিলাম না। একটা ভদ্রগোছের সোজা রাস্তায় উঠে রেনো বলল, ‘তাহলে হুইস্পারের সঙ্গে তোমার ছাড়াছাড়ি হয়ে গেছে?’

    ‘হুঁ।’

    ‘লোকে বলছে, তুমি নাকি পয়সা খেয়ে ওকে ফাঁসিয়েছ?’

    ‘কুছ তো লোগ কহেঙ্গে। কিন্তু তুমি কী ভাবছ রেনো?’

    ‘ওকে ছেড়ে দেওয়াটা ঠিকই ছিল। কিন্তু একজন গোয়েন্দার সঙ্গে ভিড়ে যাওয়া, আর তার কাছে সব বলে দেওয়া… নাহ্‌! এটা কিছুতেই মেনে নেওয়া যায় না।’

    বলার সময় রেনো আমার দিকেই তাকিয়ে ছিল। আমিও ওকে দেখছিলাম। বয়স পঁয়ত্রিশ, বেশ লম্বা, চওড়া কাঁধ, ভারী কিন্তু মজবুত চেহারা। ওই কম আলোতেও লোকটার সাদামাটা, কিন্তু মোটামুটি সুদর্শন মুখ, আর ক্লান্ত বাদামি চোখজোড়া আমার নজর এড়াল না। আমি কিছু বললামও না।

    ‘তুমি সেরকম ভাবলে…’ মেয়েটা কথা শুরু করেছিল। ওকে মাঝপথে থামিয়ে রেনো গর্জাল, ‘সামলে!’

    সামনে রাস্তায় একটা কালো গাড়ি আড়াআড়ি দাঁড়িয়ে একটা ব্যারিকেড তৈরি করেছিল। আমাদের দিকে গুলির পর গুলি ছুটে এল। আমি আর রেনো যথাসাধ্য জবাব দিলাম। ইতিমধ্যে মেয়েটা আমাদের, আর মাঝপথের দুশমনদেরও অবাক করে দিল। রাস্তার বাঁ-দিকে গাড়িটা নিয়ে গেল ও। পাশের উঁচু ঢালে বাঁ-দিকের চাকা তুলে ও এতই স্পিড তুলল যে আমাদের ওজন নিয়েও গাড়িটা সেই ঢালে উঠে গেল। সেভাবেই গাড়িটাকে পাশ কাটিয়ে ও আবার রাস্তায় নামল। যতক্ষণে আমরা এলাকা ছাড়লাম, ততক্ষণে পেছন দিকে গুলিবৃষ্টি করে আমরা বন্দুক ফাঁকা করে ফেলেছি।

    নিজের অটোমেটিকে আরেকটা ক্লিপ ভরে রেনো বলল, ‘সলিড চালালে, মানতেই হবে।’

    আমিও একমত হলাম। ডিনা জিজ্ঞেস করল, ‘এবার?’

    ‘এবার শহর থেকে যথাসম্ভব দূরে যেতে হবে। ফেরার রাস্তায় ওরা আমাদের জন্য অপেক্ষা করবে। সোজা চলো।’

    আমরা আরও দশ-বারো মাইল গেলাম। রাস্তায় গোটা দুই গাড়ি আমাদের পাশ কাটাল। একটা ছোটো ব্রিজ পার হলে রেনো বলল, ‘সামনের টিলার মাথা থেকে ডান দিকে বাঁক নাও।’

    রাস্তা নেই, স্রেফ পাথর আর ঘাসের ওপর দিয়েই মিনিট পাঁচেক সাবধানে গাড়ি চালাল ডিনা। তারপর রেনো আমাদের থামতে বলল। আমরা কিছুই দেখতে পাচ্ছিলাম না। প্রায় আধ ঘণ্টা আমরা ওই অন্ধকারেই বসে রইলাম। তারপর রেনো বলল, ‘এই রাস্তায় আরও মাইলটাক গেলে একটা ফাঁকা ঝুপড়ি টাইপের জায়গা পাবে। ওখানেই আজ রাতের মতো আশ্রয় নিতে হবে।’

    শহরে ফিরতে পারলেই খুশি হতাম, কিন্তু এই প্রস্তাবটা মেনে নিতে হল। খুব আস্তে আস্তে কিছুক্ষণ চলার পর হেডলাইটের আলোয় একটা কোনোক্রমে দাঁড়িয়ে থাকা ঘর নজরে পড়ল।

    ‘এটাই?’ ডিনা রেনোর দিকে ঘুরে জানতে চাইল।

    ‘হুঁ।’ রেনো নেমে দরজার তালাটা খুলল, ভেতরে ঢুকল। তারপর একটা লন্ঠন জ্বালিয়ে আমাদের ভেতরে আসতে বলল। ঘরটায় ঢুকে দেখলাম, বেশ ক-টা খাটিয়া, প্রচুর কম্বল, তাস, গ্যাসবাতি, শেলফে বেশ কিছু শুকনো খাবারের টিন, জল, তেল… মানে অনেক কিছুই আছে সেখানে।

    ‘মন্দ নয়, কী বলেন?’ রেনো আমার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘আপনারা গুছিয়ে বসুন। আমি গাড়িটা লুকিয়ে রেখে আসছি।’

    ডিনা খাটিয়া আর কম্বল পর্যবেক্ষণ করে জানাল, এক রাত ওখানে শুলে ও মারা যাবে না। আমি একটা স্কচভরতি ফ্লাস্ক বের করায় ওর মুড আরও ভালো হল। ওর সঙ্গে আমিও এক ঢোঁক নিলাম। ইতিমধ্যে গাড়ির আওয়াজটা হালকা হয়ে আসছিল।

    বেরিয়ে দেখলাম, হেডলাইটের সাদা আলোগুলো অন্ধকারে হারিয়ে গেল। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে আমি ঘরে ঢুকে মেয়েটাকে বললাম, ‘এখান থেকে কি হেঁটে বাড়ি ফিরবেন?’

    ‘মানে?’

    ‘রেনো গাড়িটা নিয়ে ভাগলবা হয়েছে।’

    ‘কী বজ্জাত পাবলিক! যাকগে, অন্তত রাত্তিরটা আরামে কাটানোর মতো জায়গায় আমাদের ছেড়েছে, এটাই বাঁচোয়া।’

    ‘সে গুড়ে বালি।’

    ‘কেন?’

    ‘এখানে ঢোকার চাবি রেনোর কাছে ছিল। যারা ওর পেছনে লেগেছে, তারা এটার সম্বন্ধে জানবেই। সেজন্যই রেনো আমাদের এখানে রেখে গেছে। যারা এখানে আসবে, আমরা যতক্ষণ তাদের খাতির করব, ততক্ষণে ও আরও দূরে চলে যেতে পারবে।’

    মেয়েটা ক্লান্তভাবে খাটিয়া থেকে উঠল। তারপর রেনো, আমি এবং জগৎসংসারের সব পুরুষের উদ্দেশে বাছাই করা অপশব্দাবলির সঙ্গে অভিশাপ বর্ষণ করল। শেষে তেতো মুখে আমাকে বলল, ‘আপনি তো সবই জানেন বোঝেন। তাহলে আমাদের এখন কী করা উচিত, সেটাও নিশ্চয় জানেন।’

    ‘খোলা আকাশের নীচেই একটা মোটামুটি আরামদায়ক জায়গা বাছতে হবে। সেটা এখান থেকে বেশি দূরে বা কাছে হলে চলবে না। সেখানে আমাদের অপেক্ষা করতে হবে।’

    ‘কম্বলগুলো কিন্তু আমি নিচ্ছি।’

    ‘একটা কম্বল নিলে ক্ষতি নেই। তার বেশি হলে কিন্তু ওরা বুঝে যাবে।’

    ‘বুঝুক গে!’ চেঁচিয়েও মেয়েটা একটা কম্বলই নিল।

    আমি লন্ঠন নিভিয়ে, দরজাটা ভেজিয়ে দিলাম। গাড়ি থেকে একটা ফ্ল্যাশলাইট বের করে নিয়েছিলাম। তার আলোয় পায়ে-চলা পথ ধরে আমরা একটা নীচু জায়গা খুঁজে পেলাম যেখান থেকে রাস্তা, আর ওই ঘর, দুটোই দেখা যাবে। জায়গাটায় গাছপালার আড়াল ছিল, তাই আমরা আলো না জ্বালালে বা দৃষ্টি আকর্ষণ না করলে আমাদের দেখতে পাওয়ার কথা নয়। সেখানে কম্বলটা বিছিয়ে আমরা বসলাম।

    মেয়েটা আমার গায়ে হেলান দিয়ে বলল, মাটিটা ভিজে। তারপর বলল, ফার কোট পরেও ওর ঠান্ডা লাগছে। তারপর বলল, ওর পায়ে ক্র্যাম্প হয়েছে। শেষে বলল, ওর একটা সিগারেট চাই। আমি স্কচের ফ্লাস্কটা দিলাম। মিনিট দশেকের জন্য শান্তি পাওয়া গেল। তারপর আবার শুরু হল।

    ‘আমার ঠান্ডা লেগে যাচ্ছে। যতক্ষণে কেউ আসবে, মানে যদি কেউ আসে, আমি এত জোরে হাঁচব আর কাশব যে শহর থেকেও শোনা যাবে।’

    ‘মাত্র একবার কাশবেন।’ আমি বললাম, ‘তারপরেই আপনাকে গলা টিপে মেরে ফেলা হবে।’

    ‘কম্বলের তলায় একটা ইঁদুর ঘুরঘুর করছে।’

    ‘ইঁদুর না। সাপ-টাপ হবে।’

    ‘আপনার বিয়ে হয়েছে?’

    ‘এই কথাগুলো এখন বলার কোনো মানে আছে?’

    ‘তার মানে হয়েছে?’

    ‘না।’

    ‘মেয়েটা বেঁচে গেছে।’

    এই কথার কী উত্তর হতে পারে, সেটাই ভাবার চেষ্টা করছিলাম। তখনই দূরে একটা আলোর আভা দেখলাম। আমি ‘শশশ’ করে মেয়েটাকে চুপ করালাম, ততক্ষণে সব অন্ধকার হয়ে গেছিল।

    ‘কী হল?’

    ‘একটা আলো দেখলাম। এখন নেই। তার মানে আমাদের অতিথিরা গাড়ি রেখে পদব্রজে বাকিটা আসছেন।’

    অনেকক্ষণ কেটে গেল। মেয়েটা আমার গায়ে গাল ঠেকিয়ে ঠকঠক করে কাঁপছিল। পায়ের শব্দ, অন্ধকার আকাশের পটভূমিতে কয়েকটা ছায়া, এসব থেকে বুঝতে পারছিলাম, ঘরটাকে ঘিরে ফেলা হচ্ছে। একটু পরেই একটা আলো পড়ল ঘরের দরজায়।

    ‘মেয়েটাকে মারব না। ওকে বাইরে পাঠাও।’ একটা ভারী গলা শোনা গেল। ভেতর থেকে কোনো উত্তর এল না। ওই গলাটাই ফের শুধোল, ‘কেউ আসছে?’ এবারও উত্তর এল না, স্বাভাবিকভাবেই।

    গুলির শব্দ নৈঃশব্দ্য ফালা ফালা করে দিল। আমি মেয়েটাকে ফিসফিসিয়ে বললাম, ‘ওরা এই করুক। আমরা বরং ওদের গাড়িটা নিয়ে পালাই।’

    ‘ওদের ছাড়ুন।’ মেয়েটা আমার হাত টেনে আমাকে বসাল, ‘আজ রাতে আর এসব পারব না। বরং এখানে রাত্তিরটুকু কাটিয়ে দিই।’

    মেয়েটাকে আমি রাজি করানোর চেষ্টা করছিলাম। ইতিমধ্যে আমাদের অতিথিরা দরজা লাথিয়ে ভেতরে ঢুকে বুঝে গেছিল, ঘরটায় কেউ নেই। তারা সদলবলে গাড়িতে ফিরে, যে পথে রেনো উধাও হয়েছিল সেই পথেই চলে গেল। আমি গুনেছিলাম, দলে মোট আটজন ছিল।

    ‘আমরা বরং ঘরটাতেই ঢুকি।’ দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললাম আমি, ‘ওরা আজ রাতে আর আসবে না।’

    মেয়েটার হাত ধরে তুললাম। ও জিজ্ঞেস করল, ‘আপনার ফ্লাস্কটা খালি হয়ে যায়নি তো?’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী
    Next Article মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }