Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    ঋজু গাঙ্গুলী এক পাতা গল্প413 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বাইশ – সুলুকসন্ধান

    আমি সোজা পুলিশের সদর দফতরে হানা দিলাম। চিফের ডেস্কে বসে ম্যাকগ্র ভ্রূকুটিকুটিল চোখে আমাকে মাপল। দেখলাম ওর মুখের চামড়ায় ভাঁজগুলো আরও গভীর হয়ে গেছে।

    ‘আপনি ডিনা ব্র্যান্ডকে শেষ কখন দেখেছিলেন?’ ম্যাকগ্র সোজা কাজের কথায় এল।

    ‘কাল রাত দশটা চল্লিশ নাগাদ।’ আমি বললাম, ‘কেন?’

    ‘কোথায়?’

    ‘ওর বাড়িতে।’

    ‘ওখানে কতক্ষণ ছিলেন?’

    ‘দশ মিনিট, পনেরোও হতে পারে।’

    ‘কেন?’

    ‘কেন মানে?’

    ‘তার থেকে বেশিক্ষণ থাকেননি কেন?’

    ‘তাতে…’ ও আমাকে বসতে না বললেও একটা চেয়ার টেনে নিয়ে গুছিয়ে বসলাম, ‘আপনার কী?’

    আমার দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে দম নিয়ে নিল ম্যাকগ্র। তারপর চিৎকার করে বলল, ‘খুন!’

    আমি হেসে বললাম, ‘আপনি কি নুনানের খুনে ওর হাত দেখছেন?’

    ম্যাকগ্র আমার দিকে তাকিয়ে ছিল। পোড়খাওয়া পুলিশেরা শরীরের ভাষা পড়তে পারে। তাই সিগারেট খেতে ইচ্ছে হলেও আমি খাচ্ছিলাম না। বরং গ্যাঁট হয়ে বসে আমি সরল মুখে ওর দিকেই তাকিয়ে ছিলাম।

    বেশ কিছুক্ষণ আমার চোখ-মুখে খানাতল্লাশি করেও যখন কিছু পাওয়া গেল না, তখন ম্যাকগ্র জানতে চাইল, ‘কেন নয়?’

    আমি বুঝলাম, প্রথম রাউন্ডে জিতে গেছি। পকেট থেকে সিগারেট বের করে ওকে একটা দিলাম, নিজেও একটা ধরিয়ে বললাম, ‘আমার ধারণা, খুনটা হুইস্পার করেছে।’

    ‘হুইস্পার ওখানে ছিল?’ ম্যাকগ্র’র গলা শুনে বুঝলাম, মাছ টোপ গিলেছে।

    ‘কোথায়?’

    ‘ব্র্যান্ডের বাড়িতে?’

    ‘না।’ আমি ভ্রূ কুঁচকে বললাম, ‘কিন্তু ও সেখানে থাকবেই-বা কেন? ও নির্ঘাত তখন নুনানকে…’

    ‘নিকুচি করেছে নুনানের!’ গর্জে উঠল ম্যাকগ্র, ‘আপনি সব কথায় নুনানকে টানছেন কেন?’

    আমি ম্যাকগ্রর দিকে এমন করে তাকালাম যেন শতাব্দীর সবচেয়ে অর্থহীন কথাটা ও বলে ফেলেছে। বাধ্য হয়ে ম্যাকগ্র বলল, ‘ডিনা ব্র্যান্ড কাল রাতে খুন হয়েছে।’

    ‘তাই নাকি?’ আমি জানতে চাইলাম।

    ‘এবার তাহলে আমার প্রশ্নের উত্তরগুলো দেবেন?’

    ‘অবশ্যই। আমি উইলসনের ওখানে ছিলাম। নুনান আর … বাকিরাও ওখানে ছিল। ওখান থেকে বেরিয়ে সাড়ে দশটা নাগাদ আমি ডিনা-র বাড়ি যাই। আমি ট্যানারের হোটেলে চলে যাচ্ছি, এই কথাটা ওকে জানানো দরকার ছিল। আমি ওর বাড়িতে দশ বা পনেরো মিনিট মতো ছিলাম, যতটা সময়ে একবার গ্লাস খালি করা যায়। তখন ওখানে আর কেউ ছিল না। অন্তত আমি আর কাউকে দেখিনি ওখানে।

    কিন্তু ও কখন খুন হল? কীভাবেই-বা হল খুনটা?’

    ম্যাকগ্র জানাল, ও সেদিন সকালে দু-জন ডিটেকটিভকে ডিনার সঙ্গে কথা বলার জন্য পাঠিয়েছিল। ও চাইছিল, যদি কোনোভাবে ডিনার কথার ভিত্তিতে হুইস্পারকে নুনানের খুনের জন্য ধরা যায়। শেপ আর ভ্যানামান নামের সেই দু-জন সকাল সাড়ে ন-টায় ডিনা-র বাড়ি পৌঁছোয়। কলিং বেল বাজালেও কেউ এসে দরজা খোলেনি। সদর দরজা খোলা ছিল। ওরা বাড়িতে ঢুকে দেখে, মেয়েটা খাওয়ার ঘরের মেঝেতে চিত হয়ে পড়ে আছে। মৃত। বুকে একটা ধারালো জিনিস ঢুকে যাওয়ার ক্ষত ছিল।

    ডাক্তার দেহ পরীক্ষা করে জানায়, ডিনা রাত তিনটে নাগাদ খুন হয়েছে। অস্ত্র হিসেবে একটা সরু, গোল মুখের কিন্তু ধারালো, ইঞ্চি ছয়েক লম্বা কিছু ব্যবহার করা হয়েছিল। বাড়ির প্রতিটি আসবাব লণ্ডভণ্ড করা হয়েছে। মেয়েটির হ্যান্ডব্যাগে টাকাপয়সা কিচ্ছু পাওয়া যায়নি। ওর ড্রেসিং টেবিলে রাখা গয়নার বাক্সটা ফাঁকা ছিল। মেয়েটার হাতের আঙুলে দুটো হিরের আংটি ছিল।

    পুলিশ এখনও খুনের অস্ত্রটা খুঁজে পায়নি। হাতের ছাপ পাওয়া যায়নি। কিচেনে রাখা গ্লাস থেকে মনে হয়েছে, মেয়েটি এক বা একাধিক লোকের সঙ্গে সেই রাতে ড্রিঙ্ক করেছিল।

    ‘সরু, গোল মুখের কিন্তু ধারালো, ইঞ্চি ছয়েক লম্বা কিছু…’ আমি বিবরণটা আরেকবার আওড়ালাম, ‘শুনে বরফ ভাঙার শিকটার কথা মনে পড়ছে।’

    ম্যাকগ্র ফোন করে দুই ডিটেকটিভকে ডেকে পাঠাল। আমার সঙ্গে আলাপ হওয়ার পর আমি ওদের শিকটার কথা বললাম। দু-জনেই জোর গলায় বলল, ওটা বাড়িতে পাওয়া যায়নি।

    ‘কাল রাতে ওটা ছিল?’ ম্যাকগ্র জানতে চাইছিল।

    ‘আমার সামনেই ওটা দিয়ে ডিনা বরফ ভেঙে গ্লাসে দিয়েছিল।’ আমি বললাম।

    ম্যাকগ্র ওদের শিকটা নতুন করে খুঁজতে বলে বিদায় করল। তারপর আমাকে বলল, ‘আপনি মেয়েটাকে চিনতেন। আপনার কী মনে হয়? খুনটা কে করেছে?’

    ‘এখনও কিছু মাথায় আসছে না।’ আমি প্রশ্নটা এড়িয়ে গেলাম, ‘একটু ভাবতে হবে। আপনার কী মনে হয়?’

    ‘আমার আবার কী মনে হবে?’ গজগজ করল ম্যাকগ্র। ওর আর কোনো প্রশ্ন নেই দেখে আমি বেরিয়ে এলাম। মনে হল, ও ঠিক করেই ফেলেছে যে এই খুনটাও হুইস্পার করেছে। সেই ভেবে পয়জনভিলের পুলিশ হুইস্পারকে ধরলে সেটা ন্যায়বিচার হবে না হয়তো। তবে নুনানকে যে হুইস্পারই খুন করিয়েছে এটা নিয়ে কারো মনে কোনো সংশয় নেই। খুন একটাই হোক বা দুটো, ফাঁসি হুইস্পারের একবারই হবে।

    ম্যাকগ্র-র ঘর থেকে বেরিয়ে এসে করিডোর পার হতে গিয়ে প্রচুর লোক দেখলাম। তাদের মধ্যে অনেকেই একেবারে কমবয়সি, বাচ্চাই বলা চলে। বেশ ক’জনকে দেখে বিদেশি মনে হল। তবে সব্বাইকে দেখেই একেবারে পোড়খাওয়া লোক মনে হল। রাস্তায় বেরোনোর মুখে আমার সঙ্গে ডোনার নামে এক ডিটেকটিভের দেখা হল। ডোনার আমার সঙ্গে সেডার হিল অভিযানে ছিল বলেই ওর সঙ্গে আলাপ হয়েছিল।

    ‘কী খবর?’ আমি জানতে চাইলাম, ‘এরা কারা?’

    ‘এরা আমাদের স্পেশাল ফোর্স।’ নির্বিকার মুখে বলল ডোনার, ‘পুলিশের সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে শহরে। যা দিনকাল!’

    ওকে অভিনন্দন জানিয়ে আমি বেরিয়ে পড়লাম। মারি’জ-এ গিয়ে বসলাম। কিছুক্ষণের মধ্যেই মারি আমার কাছে এল।

    ‘যদি এর মধ্যে রেনোর সঙ্গে দেখা হয়,’ আমি বললাম, ‘ওকে একটা কথা বলে দেবেন। পিট দ্য ফিন ওর লোকেদের পুলিশে স্পেশাল ফোর্স হিসেবে ঢুকিয়ে দিয়েছে।’

    ‘দেখা হতে পারে।’ চিন্তিত ভঙ্গিতে বলল মারি।

    হোটেলে গিয়ে দেখি মিকি লিনেহান আমার জন্য বসে আছে। ঘরে ঢুকেই ও মুখ খুলল।

    ‘তোমার ড্যান রল্্ফ কাল মাঝরাতের পর কোনো এক সময়ে হাসপাতাল থেকে কেটে পড়েছে। পুলিশের লোকজন এতে রেগে আগুন হয়ে আছে। ওদের প্ল্যান ছিল আজ ওর ওপর নরম-গরম মালিশের ব্যবস্থা করে ওর কাছ থেকে কিছু খবর বের করা। এখন আর সেসব…

    হুইস্পার কোথায় আছে, আমরা জানতে পারিনি। ডিক বিল কুইন্টের খবর নেওয়ার চেষ্টা করছে। কিন্তু ডিনা বলে মেয়েটার খুন নিয়ে কী-সব শুনছি? ডিক বলছিল, তুমি নাকি পুলিশেরও আগে ব্যাপারটা জেনেছিলে?’

    ‘আমি…’ আর কিছু বলার আগেই ফোন বাজল। ওপাশ থেকে একটি পুরুষকণ্ঠ খুব স্পষ্ট উচ্চারণে আমার নাম বলে শেষে একটা প্রশ্নচিহ্ন গুঁজে দিল।

    ‘হ্যাঁ।’ বললাম আমি।

    ‘আমি চার্লস প্রক্টর ডন বলছি।’ গলাটা বলে চলল, ‘আমার ধারণা, আমার সঙ্গে যত দ্রুত সম্ভব দেখা হলে আপনার পক্ষে সেটা ভালো হবে।’

    ‘তাই নাকি? আপনি কে?’

    ‘আমি একজন অ্যাটর্নি। আমি ৩১০ গ্রিন স্ট্রিটের রুটলেজ ব্লকে আছি। আমার সঙ্গে দেখা করলে আপনি জানতে পারবেন…’

    ‘কী জানতে পারব সেটা নিয়ে একটু ধারণা দিলে সুবিধা হত।’ আমি জিজ্ঞেস করলাম।

    ‘ওসব কথা ফোনে বলা যায় না। আপনি দেখা করলেই বুঝবেন।’

    ‘ঠিক আছে।’ আমি হাল ছেড়ে দিই, ‘আজ বিকেলে আমি আপনার সঙ্গে দেখা করব, যদি সুযোগ পাই।’

    ‘অবশ্যই করবেন।’ গলাটা বলল, ‘আপনার জন্য এটা অত্যন্ত জরুরি।’

    ফোন রেখে নিজের চেয়ারে ফেরামাত্র মিকি শুরু করল, ‘তুমি বলতে যাচ্ছিলে, কীভাবে তুমি ডিনার খুনের ব্যাপারটা পুলিশের আগে জেনেছ।’

    ‘উহুঁ।’ আমি বললাম, ‘আমি বলতে যাচ্ছিলাম, ড্যান রলফের যা অবস্থা তাতে ওকে ধরে ফেলাটা কোনো ব্যাপার না। তুমি হারিকেন স্ট্রিটের আশেপাশে একটু খুঁজে দেখো। যদি ওকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া যায়, তাহলে সেটা তো সৎ নাগরিকের কর্তব্যই হবে। তাই না?’

    ‘ঠিকাছে।’ মিকি মুখজোড়া একটা হাসি উপহার দিয়ে উঠে দাঁড়াল। বেরোবার আগে বলল, ‘আমাকে কিছু বলার দরকার নেই। আমি তো স্রেফ হুকুমের চাকর।’

    মিকি বেরিয়ে যাওয়ার পর আমি বিছানায় লম্বা হয়ে একটার পর একটা সিগারেট খেয়ে চললাম। আমি ভাবছিলাম। কাল রাতে আমার মানসিক অবস্থা, প্রায় অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, তারপরের ওই স্বপ্নগুলো, শেষে যেভাবে ঘুম ভাঙল… ভাবনাগুলো যেদিকে যাচ্ছিল সেটা বড়োই ভয়ংকর। ভাগ্যিস তখনই বাধা পড়ল।

    কেউ একজন আমার দরজায় নক করছিল।

    আমি দরজা খুললাম। যে লোকটা দাঁড়িয়ে ছিল তাকে আমি আগে দেখিনি। কমবয়সি, রোগা, একটু উগ্র সাজপোশাক পরা। লোকটা লাজুক স্বভাবের নয়, কিন্তু মুখ-চোখ দেখে ওকে বিলক্ষণ নার্ভাস লাগল।

    ‘আমি টেড রাইট।’ লোকটা আমার দিকে যেভাবে হাত বাড়িয়ে দিল তাতে মনে হল, আমার বোধ হয় ওর সঙ্গে করমর্দন করে খুশি হওয়া উচিত, ‘হুইস্পার আমার ব্যাপারে আপনাকে কিছু বলেছে বোধ হয়।’

    আমি ওর হাত ঝাঁকালাম। ওকে ঘরে ঢুকিয়ে দরজা বন্ধ করলাম। ঘুরে জিজ্ঞেস করলাম, ‘আপনি কি হুইস্পারের বন্ধু?’

    ‘একদম জিগরি দোস্ত।’ লোকটা বলল।

    আমি কিছু বললাম না। নার্ভাস একটা হাসি মুখে ফুটিয়ে লোকটা ঘরের এদিক-ওদিক দেখল। তারপর বাথরুমের দরজা খুলে ভেতরটা দেখে নিশ্চিন্ত হল যে ওর কথা আর কেউ শুনছে না। ঠোঁট চাটল, তারপর বলল, ‘আপনি চাইলে আমি হাজার ডলার নিয়ে ওকে নিকেশ করে দেব।’

    ‘হুইস্পারকে?’

    ‘হ্যাঁ। আর এর চেয়ে ভালো দর আপনি কোত্থাও পাবেন না।’

    ‘আমি হঠাৎ ওকে খুন করাতে চাইব কেন?’

    ‘ও আপনার বান্ধবীকে মেরেছে, তাই না?’

    ‘তাই নাকি?’

    ‘বোকা সাজবেন না!’

    আমার মাথায় একটা ধারণা জমাট বাঁধতে শুরু করল। একটু সময় নেওয়ার জন্য আমি বললাম, ‘আপনি বসুন। এসব কথা একটু ধীরেসুস্থে হওয়া দরকার।’

    ‘তার কোনো দরকার নেই।’ লোকটা দাঁড়িয়েই বলল, ‘আপনি হয় ওকে খুন করাতে চান, নইলে চান না।’

    ‘তাহলে… চাই না।’

    লোকটা গলার ভেতরে কী বলল শুনতে পেলাম না। কিন্তু ও দরজা অবধি পৌঁছোনোর আগে আমি ওকে আটকালাম।

    ‘তাহলে হুইস্পার শেষ?’

    লোকটা এক পা পিছিয়ে পিঠের দিকে হাত বাড়াল। আমি ওর চোয়ালে সপাটে এক ঘা দিলাম। লোকটা সোজা ভূমিশয্যা নিল। আমি লোকটার কবজি ধরে ওকে টেনে তুললাম। ওর মুখের কাছে নিজের মুখ নিয়ে গিয়ে দাঁতে দাঁত চেপে বললাম, ‘কেসটা কী, ওস্তাদ? বলে ফেলো ঝটপট। আমার ধৈর্য কম।’

    ‘আমি আপনার কিচ্ছু করিনি!’

    ‘সে গল্প পরে হবে। হুইস্পারকে কে মারল?’

    ‘আমি কিচ্ছু জানি না! সত্যি…’

    আমি লোকটার এক হাত ছেড়ে এক গালে থাপ্পড় মারলাম। তারপর অন্য হাত ছেড়ে অন্য গালে। যখন দু-গাল একসঙ্গে চড়ানোর কথা ভাবছি তখন লোকটা প্রায় ডুকরে উঠল।

    ‘ড্যান রল্্ফ! ও হুইস্পারের একদম কাছে গিয়ে ওকে সেটা দিয়েই মারল, যা দিয়ে হুইস্পার মেয়েটাকে মেরেছিল।’

    ‘ওটা দিয়েই হুইস্পার মেয়েটাকে মেরেছিল, এটা কী করে বুঝলে?’

    ‘ড্যান সেটাই বলছিল তো!’

    ‘আর হুইস্পার কী বলছিল?’

    ‘কিচ্ছু না। ওকে দেখে মনে হল, ও ভীষণ অবাক হয়েছে। ওকে দেখে হাসিই পাচ্ছিল। পিঠ থেকে ওই শিকটা বেরিয়ে ছিল তো! ড্যানকেও দেখে হাস্যকর লাগছিল। সারা মাথায় ব্যান্ডেজ। গায়েও! সেগুলো সব রক্তে মাখামাখি। তারপরেই হুইস্পার বন্দুক বের করে ড্যানের গায়ে দুটো দানা ভরে দিল। তারপর দু-জনেই পড়ে গেল।’

    ‘তারপর?’

    ‘তারপর আর কী? আমি দু’জনের বডিই নাড়িয়েচাড়িয়ে দেখলাম। দু’জনেই গেছে!’

    ‘ওখানে আর কে ছিল?’

    ‘কেউ না। সত্যি বলছি। হুইস্পার লুকিয়ে ছিল। খুব কম লোক, মানে হুইস্পারের খাস দোস্ত ছাড়া ওর ওই ডেরাটার কথা কেউ জানে না। আমি ওর হয়ে দলের লোকেদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলাম। নুনানকে ও নিজে হাতে মেরেছিল। তাই ও অন্তত কয়েকদিনের জন্য সবার নাগালের বাইরে থাকতে চেয়েছিল। ওখানে শুধু আমি ছিলাম।’

    ‘তাই তুমি, বুদ্ধিমান লোকের মতো, এই সুযোগে হুইস্পারের শত্রুদের কাছ থেকে পয়সা বাগানোর তালে ছিলে?’

    ‘আমি কিচ্ছু করিনি! তা ছাড়া হুইস্পারের বন্ধুদের পক্ষে এখন এই শহরে থাকাটা নেহাত বিপজ্জনক।’ লোকটা কুঁই কুঁই করল, ‘আমাকে তো পালানোর রসদটুকু জোটাতে হবে, নাকি?’

    ‘তা, কত কামালে এখন অবধি?’

    ‘আমি পিটের কাছ থেকে এক-শো পেয়েছি। পিক মারি রেনোর হয়ে দেড়শো দিয়েছে। দু’জনেই বলেছে, কাজ হয়ে যাওয়ার পর আরও দেবে!’ লোকটার গলায় দম্ভ ফুটে উঠল, ‘আমি ম্যাকগ্র’র কাছ থেকেও কিছু বাগাতে পারব। আপনার কাছ থেকেও অন্তত পঞ্চাশ ডলার পাব ভেবেছিলাম।’

    ‘বাব্বা! এই রেটে লোকজন টাকা ওড়াচ্ছে? তাও আবার এমন একটা ফালতু…’

    ‘অত ফালতু নয় কিন্তু।’ লোকটার গলাটা আবার স্বাভাবিক হল, ‘আমাকে একটা সুযোগ দিন, স্যার। আপনি এটা দয়া করে কাউকে বলবেন না। আমি আপনাকে পঞ্চাশ ডলার এখনই দিচ্ছি। ম্যাকগ্রর থেকে আমি যা পাব, তার থেকেও আপনাকে ভাগ দেব। আপনি শুধু আমাকে কামিয়ে নেওয়ার সুযোগটা দিন।’

    ‘হুইস্পার কোথায় আছে, এটা তুমি ছাড়া আর কে জানে?’

    ‘কেউ না! মানে ড্যান ছাড়া, তবে ও তো…!’

    ‘কোথায় আছে ওরা?’

    ‘পোর্টার স্ট্রিটের পুরোনো গুদাম, রেডম্যান হাউসে। পেছনের দরজা দিয়ে ঢুকে দোতলায়। ওই ঘরটায় একটা বিছানা, স্টোভ, কিছু খাবার– এটাই ছিল হুইস্পারের থাকার জায়গা। আপনি পঞ্চাশ ডলার নিয়ে আমাকে যেতে দিন, প্লিজ।’

    ‘টাকা লাগবে না।’ আমি লোকটার কবজি ছেড়ে দিলাম, ‘তোমাকে ঘণ্টাদুয়েক সময় দিলাম। তারপর আমি মুখ খুলব।’

    ‘তাতেই হবে স্যার!’ লোকটা দরজা খুলে প্রায় দৌড়োল।

    আমি কোট আর টুপি চড়িয়ে বেরিয়ে পড়লাম। গ্রিন স্ট্রিট খুঁজে সেখানে রুটলেজ ব্লক বের করতে সময় লাগল না। পুরোনো, মলিন একটা বাড়ি। তিনতলায় একটা সুট চার্লস প্রক্টর ডন ভাড়া নিয়েছিলেন। আমি সিঁড়ি দিয়ে দোতলায় গেলাম। সুট মানে দুটো ছোটো ছোটো, নোংরা, প্রায়ান্ধকার ঘর। আমি বাইরের ঘরে বসলাম। একজন ক্লার্ক আমার নাম লেখা কাগজ নিয়ে ভেতরে গেল। আধ মিনিটের মধ্যে আমার ডাক পড়ল।

    মিস্টার চার্লস প্রক্টর ডনের বয়স বছর পঞ্চাশ হবে। ভদ্রলোক বেঁটে এবং মোটা। মাংসল মুখ, ভোঁতা নাক, ঝুঁপো গোঁফের আড়ালে পুরু ঠোঁট, একটা অযত্নলালিত দাড়ি, গাঢ় রঙের পোশাক– এসবের চেয়েও বেশি করে আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করল দুটো জিনিস। এক, ভদ্রলোকের হালকা রঙের চোখের লুব্ধ দৃষ্টি। দুই, উনি আমাকে স্বাগত জানাতে উঠে দাঁড়াননি, বরং আমার সঙ্গে কথা বলার পুরো সময়টা ওঁর ডান হাত ডান দিকের একটা আধখোলা দেরাজে রাখা ছিল।

    ‘যাক।’ ফোনে যেমন শুনেছিলাম তার চেয়েও বেশি সাজিয়ে-গুছিয়ে বললেন ভদ্রলোক, ‘আমার সঙ্গে দেখা করার মতো সুবুদ্ধি আপনি দেখিয়েছেন দেখে বড়োই খুশি হলাম।’

    আমি কিছু বললাম না। তাতেও ভদ্রলোক যেভাবে মাথা নাড়লেন তাতে এটাই মনে হয় যে মুখ বন্ধ রেখে আমি বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়েছি।

    ‘আপনি জানবেন, আমার পরামর্শ মানাই এই মুহূর্তে আপনার পক্ষে সবচেয়ে জরুরি। কথাটা আমি কোনো অনাবশ্যক দম্ভের বশে বলছি না। বরং বাস্তব পরিস্থিতিকে আমি যেভাবে দেখছি তাতে এটাই আপনার পক্ষে শুধু সবচেয়ে ভালো নয়, বরং একমাত্র রাস্তা।’

    ভদ্রলোক এই মর্মে প্রচুর বকলেন। আমি সুযোগ পেয়ে জানতে চাইলাম, ‘এতে খরচাপাতি কীরকম?’

    ‘ওটা গুরুত্বপূর্ণ নয়।’ ভদ্রলোক চরম ঔদার্য দেখালেন, ‘তবে পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝলে আপনি হয়তো হাজার ডলারের কম কিছু দিতে চাইবেন না।’

    আমি বললাম, ওই পরিমাণ টাকা আমার সঙ্গে নেই। তাতে একই ভঙ্গিতে ভদ্রলোক বললেন, ‘সে তো বটেই। ওটা কোনো ব্যাপার না। কাল সকাল দশটার মধ্যে ওই টাকাটা পেলেই আমার চলবে।’

    ‘কাল সকাল দশটায়।’ আমিও একমত হলাম, ‘শুধু আমাকে এটুকু বলুন, আমার হঠাৎ একজন ল-ইয়ার নিযুক্ত করার দরকার পড়বে কেন?’

    ‘এটা পরিহাসের বিষয় নয়।’ নরম গলায় আমাকে শাসালেন ডন। আমি অনেক কষ্টে তাঁকে বোঝালাম, আমি মোটেই ইয়ার্কি মারছি না। তার উত্তরে গম্ভীর গলায় ভদ্রলোক বললেন, ‘আপনি বোধ হয় নিজের অবস্থাটা নিয়ে তলিয়ে ভাবেননি। অতি সাম্প্রতিক কিছু ঘটনার ফলে আপনি যে ধরনের আইনি সমস্যায় পড়তে চলেছেন, সেটা আপনি বোঝেননি, এটা পরিষ্কার। আমি গতরাতের কথা বলছি। তবে এখন আর এই নিয়ে আলোচনার অবকাশ নেই। আমাকে জাজ লেফনারের সঙ্গে দেখা করতে হবে। আপনি কাল সকাল দশটায় টাকা নিয়ে আসুন। আমি প্রতিটি খুঁটিনাটি নিয়ে আপনার সঙ্গে আলোচনা করব।’

    আমি প্রতিশ্রুতি দিয়ে বেরিয়ে এলাম। হোটেলে নিজের ঘরে ফিরে হুইস্কি গিললাম। মিকি আর ড্যানের রিপোর্টের আশায় বসে রইলাম। হুইস্কির স্বাদ জঘন্য ঠেকল। রিপোর্ট এল না। একরাশ ভাবনায় ডুবে রইলাম। অবশেষে মাঝরাত নাগাদ দু-চোখে ঘুম নামল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী
    Next Article মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }