Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    ঋজু গাঙ্গুলী এক পাতা গল্প413 Mins Read0
    ⤶

    সাতাশ – রেডম্যান হাউস

    আমরা রাস্তা ধরে ধীরেসুস্থে এগোচ্ছিলাম। তখন মোটামুটি আলো ফুটেছে। দু-পাশের বাড়িগুলো ভালোভাবেই দেখা যাচ্ছিল। বেশ কিছুটা যাওয়ার পর একটা ময়লা লাল রঙের বাড়ি দেখলাম। ধুলো আর আগাছায় ভরা একটা জমির মাঝে দাঁড়িয়ে ছিল বাড়িটা। অযত্ন আর অবহেলার ছাপ ওটার সর্বাঙ্গে লেগে ছিল। মনে হল, লুকিয়ে থাকার আড্ডা হিসেবে এটা আদর্শ জায়গা বটে।

    ‘সামনের রাস্তার কোণে গাড়িটা দাঁড় করাও।’ আমি মিকিকে বললাম, ‘ওই বাড়িটাই মনে হচ্ছে আমাদের লক্ষ্য। তুমি গাড়িতেই থাকো। আমি জায়গাটা দেখি।’

    দুটো ব্লক হাঁটলাম, যাতে পেছন দিক দিয়ে বাড়িটার কাছে যাওয়া যায়। যথাসম্ভব নিঃশব্দে, কিন্তু চোর বলে মনে না হয় এমনভাবে ফাঁকা জায়গাটা পেরোলাম। দরজাটার কাছে এসে হাতল ঘোরালাম। দরজা খুলল না। একটা জানলার কাছে গিয়ে ভেতরটা দেখলাম। অন্ধকার আর ময়লা কাচের জন্য কিচ্ছু চোখে পড়ল না। ওই জানলাটাও খোলা গেল না।

    আমি দেওয়াল বরাবর এগোতে লাগলাম। একের পর এক জানলা শুধু বন্ধ না, একেবারে জ্যাম হয়ে আছে। উত্তরদিকের একটা জানলা কিছুটা উঠে গেল আমার চাপে। ওপাশে দেখলাম, কেউ ভেতর থেকে পেরেক দিয়ে তক্তা ঠুকে জানলাটা বন্ধ করে দিয়েছে। মনে হল, বিশাল আওয়াজ না তুলে ওগুলো নড়ানো যাবে না। নিজের পোড়া কপালকে গালাগাল দিতে গিয়ে বোর্ডটায় চাপ দিলাম।

    বোর্ডটা নড়ে উঠল।

    আমি লড়ে গেলাম। একটু একটু করে বোর্ডটা সরে গেল, বিনা ঝুটঝামেলায়। জানলার ফ্রেম থেকে বেরিয়ে থাকা পেরেকের ঝকঝকে মাথাগুলো দেখতে পেলাম ওই অল্প আলোতেও। তবে অন্ধকার ছাড়া ভেতরে আর কিছু দেখলাম না।

    জানলা দিয়ে ঘরে ঢুকলাম। এক পা হেঁটে আগে জানলা থেকে নিজেকে দূরে সরালাম। তারপর তক্তাটা যথাসাধ্য ঠেকিয়ে রাখলাম, যাতে আমার ঢোকার ব্যাপারটা চট করে বোঝা না যায়। এক মিনিট দম বন্ধ করে থেকেও বাড়িটায় আর কোনো শব্দ শুনতে পেলাম না। বন্দুকটা হাতে ধরেই আমি ইঞ্চি-বাই-ইঞ্চি এগোলাম। পায়ের নীচে মেঝে, আর বাড়ানো হাতের নাগালে ফাঁকা জায়গা ছাড়া কিচ্ছু পাচ্ছিলাম না। অবশেষে আমার হাত একটা রুক্ষ দেওয়ালে লাগল। দেওয়ালটা ধরে ধরে এগোলাম, যতক্ষণ না একটা জানলা পাই।

    পেলাম। সেটাতে কান পেতে ভেতরে কোনো শব্দ পেলাম না। হাতড়ে দরজার হাতলটা আবিষ্কার করলাম। হাতল ঘুরিয়ে ঘরে ঢুকলাম।

    ‘সাঁই!’ করে একটা আওয়াজ হল। সেটা শোনামাত্র আমি একসঙ্গে চারটে কাজ করলাম।

    হাতলটা ছাড়লাম। লাফালাম। বা-হাতে একটা শক্ত কিছুর সঙ্গে সাংঘাতিক জোরে ধাক্কা খেয়ে সেটা প্রায় অসাড় করে ফেললাম। ডান হাত দিয়ে ট্রিগার টিপলাম।

    উজ্জ্বল আলো আমার চোখ ধাঁধিয়ে দিল। কিন্তু আমি কিছু দেখতে পেলাম না। সেটাই হয়, তবে অনেক সময় চোখের ভুল হয়ে মনে হয় যেন অনেক কিছু দেখে ফেলেছি। আর কী করা যেতে পারে সেটা মাথায় না আসায় আমি আরেকবার গুলি চালালাম। তারপর আরেকবার।

    ‘রক্ষে করো, বাপধন।’ একটা বুড়ো, কাহিল গলায় বলে উঠল অন্ধকারে, ‘আর না!’

    ‘আলো জ্বালান।’ আমি সংক্ষেপে বললাম।

    মেঝের কাছাকাছি একটা দেশলাই জ্বলে উঠল। নিভু নিভু আলোয় একটা বেঁকেচুরে যাওয়া মুখ, আর তারপর পুরো শরীরটা দেখতে পেলাম। বুঝলাম পার্কের বেঞ্চে, রাস্তার পাশের ঝোপে, এমনকী গর্তয় আশ্রয় নিয়ে যারা জীবন কাটায়, সেই প্রজাতির একজনের সঙ্গে মোলাকাত হয়েছে। লোকটা পা ছড়িয়ে মেঝেতে বসে ছিল। ওর গায়ে কোথাও গুলি লেগেছে বলে মনে হয়নি। ওর হাতের কাছে একটা টেবিলের ভাঙা পায়া পড়ে ছিল।

    ‘উঠে দাঁড়ান। একটা বড়ো আলোর ব্যবস্থা করুন।’ আমি কেটে কেটে বললাম, ‘সেটা না হওয়া অবধি একটা-না-একটা দেশলাই জ্বালাতে থাকুন।’

    লোকটা উঠল। আমার কথামতো কাজ করল। একটা তিনঠেঙে টেবিলের ওপর একটা মোমবাতি একটু পরেই জ্বলে উঠে ঘরটাকে মোটামুটি আলোকিত করল।

    আমার হয়তো লোকটাকে কবজায় আনা উচিত ছিল, কিন্তু বাঁ-হাতে তখনও সাড় আসেনি। বন্দুকটা ওর দিকে তাক করেই জানতে চাইলাম, লোকটা এখানে কী করছে। ব্যাখ্যা দিতে অবশ্য বেশি সময় লাগাল না লোকটা। ওকে দু-দিন আগে ইয়েটস নামের কেউ এই বাড়ির পাহারাদার হিসেবে লাগিয়েছে। পাহারা দেওয়ার জিনিস ওই ঘরেই মজুত ছিল। বড়ো বড়ো ক্রেটে ঘরের অর্ধেকটা ভরতি ছিল। সেগুলোর ভেতরে নকল লেবেল লাগানো মদের বোতল থরে থরে সাজানো আছে দেখলাম।

    লোকটাকে বন্দুকের আগায় রেখে সারা বাড়ি ঘুরলাম। লাশ-টাশ কিছু পেলাম না। যতক্ষণে আমরা ওই ঘরে ফিরে এলাম ততক্ষণে বাঁ-হাতে সাড় ফিরেছে। একটা দু-নম্বরি মদের বোতলই পকেটে ভরলাম। লোকটাকে বললাম, ‘একটা সৎ পরামর্শ দিই। এখান থেকে কেটে পড়ুন। পিট দ্য ফিন তার লোকেদের পুলিশে ঢোকানোয় যেসব জায়গা খালি হয়েছিল, তারই একটায় আপনি আছেন এখন। পিট খুন হয়েছে। ওর লোকেরা এখন কে কী করবে, কেউই জানে না। এই সময় এমন কাজে থাকা ঠিক না।’

    জানলার তক্তা সরিয়ে বেরিয়ে আসতে আসতে দেখলাম, লোকটা লুব্ধ দৃষ্টিতে ক্রেটগুলোর দিকে তাকিয়ে বোতলের সংখ্যা গোনার চেষ্টা করছে।

    ‘তারপর?’ আমি গাড়ির কাছে পৌঁছোলে মিকি জানতে চাইল। আমি কোনো কথা না বলে ওই নকল মদের বোতলটাই খুলে, নিজে এক ঢোঁক খেয়ে ওকে দিলাম। ও এক চুমুক মেরে আবার বলল, ‘তারপর?’

    ‘রেডম্যান হাউস খুঁজতে হবে।’ আমি বললাম, ‘চলো।’

    ‘সত্যি!’ মুখ বেঁকাল মিকি, ‘মাঝেমধ্যে মনে হয়, সবাইকে সব কথা বলতে বলতে তোমার মুখটাই না ক্ষয়ে যায়।’

    আরও তিনটে ব্লক পেরোনোর পর আমরা একটা বাড়ির গায়ে ‘রেডম্যান অ্যান্ড কোম্পানি’ লেখা একটা রংচটা সাইনবোর্ড দেখলাম। বাড়িটা সরু, লম্বা, করোগেটেড লোহার ছাদওয়ালা।

    ‘গাড়িটা কোথাও রাখা যাক।’ আমি বললাম, ‘এবার তুমিও আমার সঙ্গে থেকো। একা-একা গতবারের অভিযানটা ঠিক উপভোগ্য হয়নি।’

    একটা গলিতে গাড়িটা রেখে, সেই পথেই এদিক-ওদিক ঘুরে গুদামটার পেছনে এলাম। রাস্তায় কিছু লোক থাকলেও তখনও এলাকার কলকারখানা চালু হওয়ার মতো সময় হয়নি। তাই আমাদের লক্ষ করার মতো কেউ ছিল না।

    গুদামের পেছনে গিয়ে একটা ইন্টারেস্টিং ব্যাপার দেখলাম। পেছনের দরজাটা বন্ধ ছিল। কিন্তু তালার কাছে ফ্রেম আর দরজা, দুটোতেই প্রচুর আঁচড়ের দাগ দেখলাম। কেউ ওটা জোর করে খুলেছিল।

    মিকি দরজাটা ঠেলল। ওটা খুলে গেল। সাবধানে, এক-একবারের ঠেলায় ইঞ্চি ছয়েক করে দরজার পাল্লাটা পিছিয়ে দিলাম আমরা। ফাঁকটা মোটামুটি বড়ো হতেই আমরা ঢুকে পড়লাম। একটা গলার আওয়াজ শুনতে পাচ্ছিলাম দূর থেকে। গলাটা পুরুষের, আর তাতে একটা ঝগড়ুটে ভাব আছে, এটুকুই শুধু বোঝা যাচ্ছিল।

    দরজার গায়ের ক্ষতচিহ্নটা দেখিয়ে মিকি ফিসফিস করল, ‘পুলিশ নয়।’

    আমি জুতোর রবার হিলে ভর দিয়ে এগোলাম। মিকি প্রায় আমার কাঁধে নিশ্বাস ফেলতে ফেলতে পিছু নিল। টেড রাইট বলেছিল, হুইস্পারের আড্ডাটা ছিল দোতলার পেছনদিকের একটা ঘরে। মনে হল, এই আওয়াজটাও ওখান থেকেই আসছে।

    ‘ফ্ল্যাশলাইট?’ আমি নীচু গলায় কথাটা বলে হাত বাড়ালাম। মিকি আমার হাতে একটা আলো গুঁজে দিল। বাঁ-হাতে আলোটা, আর ডান হাতে বন্দুকটা ধরে এগোতে থাকলাম। দরজার ফাঁক দিয়ে আসা আলোয় বাড়ির ভেতরটা মোটামুটি দেখতে পাচ্ছিলাম আমরা। যেখানে দাঁড়িয়ে ছিলাম সেটা একটা করিডোর। তার অন্যপ্রান্তে জমাট অন্ধকার দেখলাম। এক ঝলক আলো বুঝিয়ে দিল, সেখানে একটা দরজা আছে। পেছনের দরজাটা বন্ধ করে আমরা নিঃশব্দে দরজাটার কাছে পৌঁছোলাম। ওটা খুলতেই ওপরে ওঠার সিঁড়ি পাওয়া গেল।

    আমরা এত সন্তর্পণে উঠছিলাম যে মনে হচ্ছিল, একটু অসতর্ক হলে সিঁড়িটাই ভেঙে পড়তে পারে।

    গম্ভীর গলাটা থেমে গেছিল। অন্য কারো আওয়াজ শুনতে পাচ্ছিলাম না, হয়তো খুব আস্তে কথা হচ্ছিল বলে। কিন্তু মনে হল, কিছু একটা ঘটছে।

    ঠিক ন-টা ধাপ পেরিয়েছি তখন আমরা। একটা খুব স্পষ্ট গলা আমাদের মাথার ঠিক ওপরে বলে উঠল, ‘আলবাত। মেয়েটাকে আমিই মেরেছি।’

    উত্তর এল বন্দুকের আওয়াজে। একই কথা চারবার বলা হল সেই ভাষায়। লোহার ছাদের নীচে সেই আওয়াজ শুনে মনে হল, কানের গোড়ায় ষোলো ইঞ্চির রাইফেল ফায়ার করেছে কেউ।

    প্রথম গলাটা বলে উঠল, ‘বেশ।’

    ততক্ষণে আমি আর মিকি বাকি ক-টা সিঁড়ি পেরিয়েছি, একটা দরজা খুলেছি, আর রেনো স্টার্কি-র দুটো হাত হুইস্পারের গলা থেকে সরানোর চেষ্টা করছি। কাজটা কঠিন ছিল, কিছুক্ষণের মধ্যে অর্থহীনই হয়ে গেল। হুইস্পারের শরীরে আর প্রাণ ছিল না।

    রেনো আমাকে চিনতে পেরে হাত সরিয়ে নিল। ওর মুখটা নির্বিকার ছিল। চোখজোড়াও ছিল একইরকম, ভোঁতা।

    জুয়াড়ির লাশটা মিকি বয়ে নিয়ে গেল ঘরের একমাত্র খাটিয়ার কাছে। তারপর ও হুইস্পারকে শুইয়ে রাখল সেখানে। ঘরের দুটো জানলা দিয়ে আসা আলোয় আমি খাটের তলায় ড্যান রল্্ফের লাশটাও দেখতে পেলাম। খাট আর আমাদের মাঝামাঝি জায়গায় একটা কোল্ট অটোমেটিক পড়ে ছিল।

    রেনো কাঁধজোড়া কুঁচকে ঈষৎ টলছিল।

    ‘চোট লেগেছে?’ আমি জিজ্ঞেস করলাম।

    ‘চারটে দানা ঢুকিয়েছে।’ শান্ত গলায়, নিজের পেট চেপে ধরে বলল রেনো।

    ‘ডাক্তার ডাকো!’ আমি মিকিকে বললাম। মিকি ছুটল। আমি রেনোকে একটা চেয়ারে কোনোক্রমে বসিয়ে দিলাম।

    ‘ডাক্তার এলেও লাভ হবে না।’ অল্প অল্প হাঁফাচ্ছিল রেনো, ‘আপনি কি জানতেন যে হুইস্পার মরেনি?’

    ‘না। আমাকে টেড রাইট যা বলেছিল, আমি আপনাকে সেটাই বলেছিলাম।’

    ‘টেড খুঁটিয়ে না দেখেই বেরিয়ে গেছিল।’ রেনো বলল, ‘আমার একটা আশঙ্কা হয়েছিল, তাই দেখতে এসেছিলাম নিজের চোখে। তারপর… সুন্দরভাবে ওর ফাঁদে পড়লাম।’

    ‘হুইস্পারের কি কিছুই হয়নি?’

    ‘হয়েছিল। মরে যাওয়ার মতোই চোট লেগেছিল। কিন্তু কী মনের জোর ভাবুন! নিজেই নিজের ব্যান্ডেজ বেঁধেছে। তারপর অপেক্ষা করেছে, কখন আমি, বা পিট, বা অন্য কেউ ওকে ‘দেখতে’ আসি! তবে…’ রেনোর মুখে হাসি ফুটে উঠল, যেটা আমি তার আগে কখনো দেখিনি, ‘এখন ও এক্কেবারে মরে গেছে।’

    রেনো-র গলার স্বর ভারী হয়ে যাচ্ছিল। ওর চেয়ারের নীচে লাল রঙের তরল জমে উঠছিল। আমি ওকে ছুঁতেও ভয় পাচ্ছিলাম। স্রেফ গায়ের জোরে পেটটা চেপে ধরে সামনে ঝুঁকে ছিল বলেই হয়তো রেনো তখনও কথা বলতে পারছিল। টপ টপ করে ঝরে পড়া রক্তের দিকে চেয়ে রেনো জিজ্ঞেস করল, ‘আপনি কী করে নিশ্চিত হলেন যে আপনি মেয়েটাকে মারেননি?’

    ‘নিশ্চিত আমি হয়েছি সবে কিছুক্ষণ হল।’ আমি সত্যি কথাটাই বললাম, ‘তবে আমার হিসেব বলছিল, খুনটা আপনিই করেছেন।’

    ‘হিসেব?’

    ‘হ্যাঁ। স্বপ্নের হিসেব। সেই রাতে মদ, আফিং, স্নায়ুর চাপ, এইসব মিশে গিয়ে আমি স্বপ্নে অনেক কিছু দেখি। আমার মনে হয়েছিল, ওগুলো ঠিক স্বপ্ন ছিল না। বরং আমার আশেপাশে যা ঘটছে আমি সেগুলোই স্বপ্নের উদ্ভট যুক্তির আলোয় দেখছিলাম।

    আমার যখন ঘুম ভেঙেছিল তখন ঘরের আলো নেভানো ছিল। আমি ডিনাকে খুন করে, আলো নিভিয়ে, তারপর আবার ওই শিকের হাতলটা ধরে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম বা অজ্ঞান হয়েছিলাম– এটা আমার বিশ্বাস হয়নি। তবে খুনটা অনেকেই করে থাকতে পারত। কিন্তু তাদের মধ্যে শুধু আপনি জানতেন, আমি ওই রাতে ওখানে ছিলাম। তাও আপনি এককথায় আমার অ্যালিবাইয়ের বন্দোবস্ত করে দেন। ওটাই আমাকে ভাবাতে শুরু করে।

    ডন আমাকে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করেছিল হেলেন অ্যালবারি-র কথার ভিত্তিতে। পুলিশ যখন ওই একই কথা শোনে, তারা হুইস্পার, রল্্ফ, আমাকে আর আপনাকে একসূত্রে গেঁথে ফেলে। আবার ডন যেখানে খুন হয়েছিল সেখান থেকে অর্ধেক ব্লক আগেই আমি হ্যাংক ও’মারা আর আপনার আরেকজন লোককে দেখেছিলাম। তখনই আমার মনে হয়, ডন আপনাকে ব্ল্যাকমেল করতে গেছিল। কিন্তু কী দিয়ে? তাহলে কি হেলেন অ্যালবারি আমার সম্বন্ধে অন্যদের যা বলেছে, সেটা আপনার সম্বন্ধেও বলা হয়েছে? হুইস্পার আর রলফকে আমি হিসেবে রাখিনি। কিন্তু তাহলে কি সেই রাতে আমার মতো আপনাকেও ওই বাড়িতে ঢুকতে আর বেরোতে দেখেছিল হেলেন অ্যালবারি? আমি ডিনাকে খুন করিনি। তাহলে বাকি থাকেন শুধু আপনি।

    কিন্তু কেন আপনি ওকে মারলেন, সেটা আমি এখনও বুঝিনি।’

    ‘ওর দোষ।’ নিজের ভেতর থেকে কথাগুলো তুলে আনল রেনো, ‘আমি এক বিন্দুও মিথ্যে বলছি না। ও সেই রাতে আমাকে ফোন করল। ডিনা বলল, হুইস্পার ওর সঙ্গে দেখা করতে আসছে। যদি আমি আগেভাগে ওখানে পৌঁছে যাই, তাহলে আমিই হুইস্পারকে খালাস করে দিতে পারব। কথাটা আমার পছন্দ হল। আমি বাইরে ওত পেতে রইলাম।’

    রেনো চুপ করে গেল। বুঝতে পারছিলাম, যন্ত্রণা ওকে থামিয়ে দিয়েছে। কিন্তু আমি এও জানতাম, ও নিজেকে বেশিক্ষণ থামিয়ে রাখতে পারবে না। রেনো স্টার্কি নিজের মতো করেই বাঁচবে, কথা বলবে… মরবে।

    ‘আমি অপেক্ষা করতে-করতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম।’ আবার বলতে শুরু করল ও, ‘শেষে ওর দরজায় ধাক্কালাম। ও দরজা খুলে আমাকে ভেতরে আসতে বলল। আমি ওকে জিজ্ঞেস করলাম, বাড়িতে আর কে আছে। ও বলল, আর কেউ নেই। আমার চিন্তা হচ্ছিল। ওর যা স্বভাব, আমার মনে হচ্ছিল হুইস্পারের বদলে এটা আমার জন্যই পাতা ফাঁদ নয় তো?’

    মিকি ভেতরে ঢুকে বলল, ও অ্যাম্বুলেন্স ডেকেছে। রেনো সেই সময়টুকু দম নিল, তারপর আবার বলতে শুরু করল।

    ‘পরে আমি জেনেছিলাম, হুইস্পার নাকি সত্যিই এসেছিল ওর বাড়িতে, তবে আমি আসার আগে। আপনি তখন বেহুঁশ। তাই ও ভয়ে হুইস্পারকে বাড়িতে ঢুকতে দেয়নি। ডিনা আমাকে ঢুকতে দিয়েছিল, কারণ হুইস্পার ফিরে এলে ওর হাত থেকে বাঁচার জন্য ওর নিরাপত্তা দরকার ছিল। আমি তখন এসব কিছুই জানতাম না। আমার মাথা গরম হয়ে যাচ্ছিল ওর সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে। ভাবলাম, ওকে চড়-থাপ্পড় মেরে ওর কাছ থেকে আসল ব্যাপারটা জানি। সেটা করার পরেই ও ওই বরফ ভাঙার শিকটা তুলে চিৎকার করে আমাকে শাসাতে লাগল। ওর চিৎকারের পরেই আমি ভেতরের ঘর থেকে পায়ের শব্দ পেলাম। আমার মনে হল, আমি ফাঁদে পড়েছি!’

    রেনো খুব আস্তে, থেমে থেমে কথা বলছিল। তাতেও ওর কথাগুলো একটার সঙ্গে আরেকটা মিশে যাচ্ছিল। ওর যে কী যন্ত্রণা হচ্ছিল, সেটা আমি আন্দাজ করছিলাম। কিন্তু নিজের পেট চেপে ধরে রেনো ওর অন্তিম জবানবন্দি দিয়েই যাচ্ছিল।

    ‘আমি ডিনা-র হাত থেকে শিকটা ছিনিয়ে নিয়ে ওর বুকে সেটা গেঁথে দিলাম। ঠিক তখনই আপনি ভেতরের ঘর থেকে, চোখ বন্ধ করে একেবারে ধেয়ে এলেন! আপনি পুরো বেহুঁশ ছিলেন, তবু আপনি ডিনা-র কাছেই এসে পড়েছিলেন। ডিনা আপনার গায়ে ধাক্কা খেল। আপনি পড়ে গেলেন। এদিক-ওদিক কয়েক পাক গড়িয়ে গেলেন। শেষে যখন আপনি স্থির হলেন তখন আপনার হাতটা ওই শিকের হাতলে ধরা। সেই অবস্থাতেই আপনি ঘুমিয়ে পড়লেন। ডিনাও যেন… ঘুমিয়েই পড়ল।

    আমি বুঝতে পারলাম, কী করে ফেলেছি। কিন্তু তখন আর কিছু করার ছিল না। লাইট নিভিয়ে বেরিয়ে গেলাম। পরে যখন আপনি…’

    অ্যাম্বুলেন্স থেকে স্ট্রেচার নিয়ে নামা কয়েকটা লোক ততক্ষণে এসে পড়েছিল ওখানে। ওরাই রেনোকে নিয়ে গেল। ভালোই হল। ওর কথা আমি আর শুনতে পারছিলাম না।

    মিকিকে ঘরের কোণে নিয়ে গিয়ে বললাম, ‘এবার যা করার তোমাকে করতে হবে। আমি আপাতত গা ঢাকা দিচ্ছি। হিসেবমতো আমার মাথার ওপর আর খাঁড়া ঝোলার কথা নয়। তবে পয়জনভিলকে কোনো বিশ্বাস নেই। আমি তোমার গাড়িটা কিছুদূরে রেখে স্টেশন অবধি হেঁটে যাব। সেখান থেকে ওগডেন। রুজভেল্ট হোটেলে আমি পি এফ কিং নামে ঘরভাড়া নিয়ে থাকব। তুমি আমাকে জানিয়ো, কখন আবার নিজের নামটা ব্যবহার করা যাবে। যদি হন্ডুরাসে পালাতে হয়, তাহলে সেটাও বোলো।’

    ওগডেনের হোটেলে বসে আমি রিপোর্ট বানাতে বসলাম। ষষ্ঠ দিনের মাথায় মিকি এসে খবরাখবর দিল।

    রেনো মারা গেছে। আমি আর পুলিশের চোখে সন্দেহভাজন নই। ম্যাকসোয়েন টিম নুনানকে খুনের দায় নিয়েছে। ফার্স্ট ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক লুটের টাকা প্রায় সবটাই উদ্ধার হয়েছে। সর্বোপরি মার্শাল ল জারি হয়ে পার্সনভিল নাকি ক্রমেই একটি নিষ্কণ্টক গোলাপবাগান হয়ে উঠছে।

    আমি আর মিকি সানফ্রানসিস্কো ফিরে গেলাম। গুরুদেব আমার রিপোর্টগুলো মোটামুটি বাজে কাগজের ঝুড়িতে ফেলে দিলেন। বিস্তর কথা শুনিয়ে শেষে বললেন, ‘মানলাম, শহরটার যা অবস্থা ছিল সেটা মেনে নেওয়া সহজ নয়। কিন্তু একা, এইভাবে একটা গোটা শহরের বিরুদ্ধে… কেন আপনি এটা করলেন?’

    লম্বা মেয়েটার শান্ত, প্রায় ঘুমিয়ে থাকা, মোজার সেলাই খুলে যাওয়া চেহারাটা আমার সামনে এক মুহূর্তের জন্য ভেসে উঠল। ছবিটা মুছে ফেলে বললাম, ‘এটা আমার একটা নীতি বলতে পারেন।’

    ***

    মূল কাহিনি- রেড হারভেস্ট, লেখক- ড্যাশেল হ্যামেট; গ্রন্থাকারে প্রথম প্রকাশ- ফেব্রুয়ারি ১৯২৯।

    প্রথম প্রকাশ- ‘ব্ল্যাক মাস্ক’ পত্রিকার নভেম্বর ১৯২৭, ডিসেম্বর ১৯২৭, জানুয়ারি ১৯২৮ এবং

    ফেব্রুয়ারি ১৯২৮ সংখ্যায়।

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী
    Next Article মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }