Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রজনী – হুমায়ূন আহমেদ

    হুমায়ূন আহমেদ এক পাতা গল্প79 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৮. মাসুম মুখ লম্বা করে বসে আছে

    মাসুম মুখ লম্বা করে বসে আছে। আমাকে দেখে উঠে এল না। যেভাবে বসেছিল সেভাবেই বসে রইল। তার সামনে চায়ের কাপ। চায়ে চুমুক দেয় নি। ভরা কাপে দুতিনটা সিগারেটের টুকরো ভাসছে। আমি তার সামনের চেয়ারে বসতে বসতে বললাম, তুই তো বিখ্যাত হয়ে গেলি! ফ্রন্ট পেইজে ছবি চলে এসেছে।

    মাসুম ফিক করে হেসে ফেলল। যেন আমার কথায় মজা পেয়ে গেছে। সে হাসিমুখেই বলল, পাকেচক্রে আটকে পড়ে গেলামরে দোস্ত। ভিক্টোরিয়া পার্কে ব্যাপারটা ঘটল। আমি দরদাম কী করে হয় ঐটা দাঁড়িয়ে-দাঁড়িয়ে দেখছি। ইন্টারেস্টিং ব্যাপার। দুই ধরনের মেয়ে আছে। এক ধরনের মেয়েদের হচ্ছে ফিক্সড় প্রাইস, অন্য আরেক ধরন আছে মাছের দামের মতো। দরাদরি হতে থাকে। আমি হাঁ করে দেখছি। ফট করে এসে পড়ল পুলিশ। কুড়িটা টাকা পকেটে থাকলে পুলিশের হাতে দিয়ে চলে আসতে পারতাম, কিন্তু এমনই কপাল, পকেটে পয়সা ছিল না।

    আমি বললাম, পুলিশ কি তোকে ধোলাই দিল নাকি?

    তেমন না। অল্পস্বল্প। পেটে একটা মাইন্ড ঘুসি। মুখেও দুএকটা মারলস ধরনের।

    ঠোঁট তো মনে হচ্ছে ফাটিয়ে দিয়েছে। হাসতে এখন বোধহয় অসুবিধা হয়। হয় না?

    তুই শালা রসিক আছিস। চা খাবি?

    না।

    এরা আফিং দিয়ে চা বানায়—খেয়ে দেখ এক কাপ। নেশা লেগে যাবে।

    আফিং দিয়ে চা বানায় মানে?

    কী-একটা যেন দেয়, খালি খেতে ইচ্ছা করে। আমি একবার পরপর আট কাপ চা খেয়েছি। তারপর দেখি মাথা ঘুরছে।

    আবার মিথ্যা কথা বলছিস?

    মিথ্যা বলব কেন?

    তোর সামনেই তো এক কাপ চা পড়ে আছে। মুখেই তুলিস নি বলে মনে হচ্ছে।

    মনটা ভালো নেই দোস্ত। মলিনার জন্যে খারাপ লাগছে। খুবই খারাপ লাগছে।

    মলিনা কে?

    ধরা পড়েছে আমাদের সাথে। বড় ভালো মেয়ে। কী রকম ঠাণ্ডা চেহারা। চোখগুলির উপর ছায়া পড়ে আছে, এরকম মনে হয়। আর গলার স্বর কী যে অদ্ভুত। শুধু শুনতে ইচ্ছে করে। অল্প কিছুক্ষণ ওর কথা শুনলে নেশা ধরে যায়, মনে হয় খালি কথাই শুনি।

    তুই তো দূরে দাঁড়িয়ে দরদাম করা দেখছিলি। এত কথা শুনলি কখন?

    হাজতে কথা হয়েছে।

    হাজতে তো যতদূর জানি ছেলেদের আর মেয়েদের আলাদা-আলাদা রাখে।

    মাসুম চুপ করে রইল। ফোঁস করে একটা নিঃশ্বাস ফেলল।

    উঠি রে মাসুম। বাসায় যা, তোর মামা মনে হচ্ছে পেরেশান। বাসায় গিয়ে ভাতটাত খা।

    মাসুম আমার সঙ্গে-সঙ্গে এল। নিচু গলায় বলল, এই কদিন আর কোথাও বেরুবটেরুব না। ভাইভার ডেট দিলে জানাবি। শিগগির দেবে নাকি?

    দিয়ে দিয়েছে।

    দিয়ে দিয়েছে মানে?

    দিয়ে দিয়েছে মানে দিয়ে দিয়েছে। সাত, আট, নয়।

    সে কী? তাহলে তো আন্দোলন করতে হয়।

    কি আন্দোলন?

    পরীক্ষা পেছানোর অন্দোলন। পাশ করে করবটা কী? বেকার হবার চেয়ে ছাত্র থাকা ভালো না? কত রকম ফেসিলিটি।

    কি ফেসিলিটি?

    মাসুম জবাব দিল না। বাস-স্ট্যান্ডে দুজন খানিকক্ষণ চুপচাপ দাঁড়িয়ে রইলাম। মোটামুটি ফাঁকা বাস একটা দাঁড়িয়েছিল। সেটায় উঠলাম না। কেন উঠলাম না কে জানে। পরের বাসটায় হয়তো গাদাগাদি ভিড় থাকবে। ঠেলাঠেলি করে তাতেই উঠব। আমরা সবাই কেমন অন্যরকম হয়ে গেছি। শুধু উল্টো কাজ করতে ইচ্ছা করে।

    একটা মিছিল যাচ্ছে। নির্জীব ধরনের মিছিল। কোনোরকম উৎসাহ-উত্তেজনা নেই। কার চামড়া যেন তুলে নিতে চাচ্ছে, কিন্তু এমনভাবে বলছে যেন চামড়া তুলে নেয়াটা একটা আরামদায়ক ব্যাপার। মিছিলের পেছনে-পেছনে একটা পুলিশের গাড়ি। গাড়ির জানালায় মোটাসোটা একজন পুলিশ অফিসারের মুখ। ভদ্রলোককে খুবই ক্লান্ত মনে হচ্ছে। হাই তুলছেন।

    মাসুম।

    বল।

    এশার সঙ্গে কি তোর ইদানীং দেখা হয়েছে?

    পরশু হয়েছে।

    ওর খবর কি বল তো?

    খবর কিছু জানি না। সিরাজের সঙ্গে খুব খাতির জমিয়েছে।

    সিরাজটা কে?

    মালদার পার্টি, এশার একটা কবিতার বই বের করে দিয়েছে।

    তাই নাকি?

    হুঁ। আমার কাছে এক কপি বেচতে নিয়ে এসেছিল। পুশিং সেল। আমি বললাম–মাগনা দিলেও আমি এই বই নেব না।

    সত্যি বই বের করেছে?

    হুঁ।

    আমার তো মনে হয় তুই আবার মিথ্যা কথা বলছিস।

    মাঝে-মাঝে সত্যি কথাও বলি।

    বইটার নাম কি?

    নাম জানি না। আমার কোনো ইন্টারেস্ট নেই।

    মাসুম আগ্রহ নিয়ে মিছিলের দিকে তাকাচ্ছে। মিছিল দেখলেই সে এক ধরনের উত্তেজনা অনুভব করে। এখনো করছে সম্ভবত। ভাবভঙ্গি দেখে মনে হচ্ছে ঢুকে পড়বে।

    মাসুম পিচ করে এক দল থুথু ফেলে বলল, মাদি মার্কা একটা মিছিল বের করেছে। নেতাটাকে দেখছিস? পান খাচ্ছে, আঙুলে আবার চুন। এই শালা মিছিল করবে। কি? কিছু একটা করা দরকার বীরু।

    কী করবি?

    পুলিশের জীপে দুটা ইটের চাক্কা মারলেই খেল জমে যাবে। আয় না!

    পাগল।

    দেশটা কেমন ঝিম মেরে গেছে। উত্তেজনা নেই। ফায়ার নেই। ঐ শালা নেতার দিকে তাকিয়ে দে হারামজাদা এখন সিগারেট ধরাচ্ছে—দাঁড়া খেল জমিয়ে দিই। ভেলকি লাগিয়ে দেব। পটকা-ফটকা থাকলে ভালো হত।

    আমি উদ্বিগ্ন গলায় বললাম, আমি বাসে উঠে বিদায় হয়ে নিই, তারপর যা ইচ্ছা করিস।

    তাড়াতাড়ি চলে যা। হেভি গ্যাঞ্জাম লাগিয়ে দেব।

    আমি দ্রুত বাসে উঠে পড়লাম। মাসুম চোখমুখ শক্ত করে দাঁড়িয়ে আছে। বোঝাই যাচ্ছে কাণ্ড কিছু একটা করবে। আমার বাস চলে না-যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবে কি না কে জানে। আমি বাসের জানালা গলে হাত নাড়লাম। মাসুম দেখল কি না বুঝলাম না, মুখ শক্ত করে আগের মতোই দাঁড়িয়ে রইল। বাস ছেড়ে দিল। দেখতে দেখতে ঝড়ের গতি। প্রতিটি বাস এবং ট্রাকের ড্রাইভাররা সম্ভবত নিয়তিবাদী। যা হবার হবে এই রকম একটা ভাব করে এক্সিলেটার চাপতে থাকে। সামনে বড় রকমের জটলা থাকলে হয়তোবা চোখ বন্ধ করে ফেলে। মতি মিয়া নামের একজন ট্র্যাক ড্রাইভারের সঙ্গে আমার খানিকটা আলাপ আছে। তার কাছে শুনেছি, ঢাকা শহর নাকি একজন কামেল আদমির কন্ট্রোলে আছে। সেই কামেল আদমির হুকুম ছাড়া কিছু হবার উপায় নেই। কাজেই সাবধান হয়ে ট্রাক চালালে যে-কথা, অসাবধান হয়ে চালালেও সেই একই কথা। আকসিডেন্ট হবার হলে হবেই।

    সেই কামেল আদমির ঠিকানাও মতি মিয়া জানে। একদিন আমাকে নিয়ে যাবে, এরকম কথা আছে। ভেবে রেখেছি যাব। দেখে আসব। পৃথিবীতে দেখার জিনিসের শেষ নেই। অনেক কিছুই তো দেখলাম, একজন কামেল আদমিও দেখে আসি। মনে-মনে ভদ্রলোকের একটা চেহারাও কল্পনা করে রেখেছি। তিন মণের মধ্যে ওজন (এখন পর্যন্ত কোনো রোগা পীর আমার চোখে পড়ে নি। ঐশ্বরিক ব্যাপার-স্যাপার এবং শরীরের মেদ—এই দুয়ের মধ্যে একটা সম্পর্ক আছে বলে আমার ধারণা)। ভদ্রলোকের গা থেকে নিশ্চয়ই ভুরভুর করে আতরের গন্ধ বেরুচ্ছে। চোখে সুৰ্মা দেওয়ায় চোখ দুটি দেখাবে কোমল। ভদ্রলোকের কণ্ঠস্বরও হবে মোলায়েম যাকে বলে সিকি ভয়েস। এঁদের সব কিছুই মোলায়েম থাকে। গলার স্বর মোলায়েম, কথাবার্তা মোলায়েম, শরীর মোলায়েম—শুধু অন্তরটি কঠিন। একাত্তুরে তাই দেখা গেছে।

    বাস বড় রকমের একটা ঝাঁকুনি খেয়ে হঠাৎ চলতে শুরু করল, আর ঠিক তখন এশাকে দেখলাম। রাস্তা পার হচ্ছে। তার রাস্তা পার হবার টেকনিকটি চমৎকার। ডান-বাম কোনো দিকেই তাকাবে না। মাথা নিচু করে ছোট-ঘোট পা ফেলবে। ভাব দেখে মনে হবে সে অন্ধ এবং বধির। গাড়ির হর্ন, রিকশার টুনটুন কিছুই তাকে স্পর্শ করবে না। একদিন রাগ করে বলেছিলাম, কী সব ছেলেমানুষী করা কোনো অসাবধান ড্রাইভার যদি তোমার উপর গাড়ি তুলে দেয়, তখন?

    তুলবে না।

    তুলবে না। এ রকম মনে করার কারণ কি?

    কারণ হচ্ছে, ওরা যখন দেখবে খুবই অসাবধান একটি মেয়ে রাস্তা পার হচ্ছে, তখনি সাবধান হয়ে যাবে।

    ওরা নাও তো দেখতে পারে।

    উঁহু দেখবেই। কারণ আমি একজন রূপবতী মেয়ে। রূপবতী একটি মেয়েকে দেখবে না, তা কি হয়! আর যদি গাড়ি তুলেই দেয়, রাস্তায় মরে পড়ে থাকব। বিখ্যাত একজন কবি রাস্তায় মরে পড়েছিলেন। তাঁর সঙ্গে একটা মিল পাওয়া যাবে।

    বিখ্যাত কবিটা কে?

    জীবনানন্দ দাশ।

    আমি অবলীলায় বললাম, সে আবার কে? এশা আহত গলায় বলল, ঠাট্টা করছ?

    না, ঠাট্টা করব কেন? নাম শুনি নি।

    সত্যি নাম শোন নি?

    উঁহু।

    একজন শিক্ষিত ছেলে হয়ে তুমি এসব কী বলছ?

    আমি শিক্ষিত—এই কথাটা তোমাকে বলল কে?

    এশা ফোঁস করে বলল, আমার হাত ছাড়।

    আমি হাসিমুখে বললাম, আমি তোমার হতে ধরে নেই। হাত ছাড়ার কথা উঠছে। কেন? এশা একটু যেন লজ্জা পেল। আর আমার মনটা হল খারাপ। এশা যেভাবে বলল, আমার হাত ছাড়—তা থেকে মনে হয় অনেকেই নিশ্চয়ই এশার মন খারাপ করে দেবার মতো কিছু কথাবার্তা তার হাত ধরে রেখেই বলে। তখন এশা বলে, আমার হাত ছাড়। বলতে-বলতে এটা তার অভ্যেস হয়ে গেছে।

    যে-কেউ এশার হাত ধরতে পারে। এশা তাতে কিছুই মনে করে না।

    জীবনানন্দ দাশের নাম আমি কেন শুনব না? আমাদের কাজই হচ্ছে বিখ্যাত লোকদের নাম শোনা। প্রতিভাবান ব্যক্তিদের প্রতিভা দেখে মুগ্ধ হওয়া। দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলে ভাবা, আহা রে—আমি কেন এরকম হতে পারলাম না! ঈশ্বরের সঙ্গে কথাবার্তা বলার সুযোেগ যদি কখনো হয়, তাহলে অবশ্যই তাঁকে জিজ্ঞেস করতে হবে জনাব, আপনি অল্প কিছু মানুষকে প্রতিভা দিয়ে পাঠালেন আর আমাদের বানালেন ভেজিটেবল। এই কাজটি উচিত হল? সাম্যবাদী স্পিরিট আপনার মধ্যে কেন এল না বলুন তো?

    এশাকে অবাক করে দেবার জন্যে জীবনানন্দের দুটা কবিতা মুখস্থ করে ফেললাম। তেমন কোন সুযোগ পেলে আবৃত্তি করা যাবে। তিন মাসের মধ্যে কোনো সুযোগ পাওয়া গেল না! এশার সঙ্গে বেশ কয়েক বার দেখা হল। দুবার গুলিস্তানের মোড়ে, এক বার এলিফেন্ট রোডে, বেশ কয়েক বার মধুর ক্যান্টিনে। এইসব জায়গায় নিশ্চয় বলা যায় না

    ঘুমায়ে পড়িব আমি একদিন তোমাদের নক্ষত্রের রাতে
    শিয়রে বৈশাখ মেঘশাদা শাদা যেন কড়ি শঙ্খের পাহাড়
    নদীর ওপার থেকে চেয়ে রবে–কোন এক শঙ্খবালিকার
    ধূসর রূপের কথা মনে হবে……..

    অবশ্যি একবার কবিতা শোনাবার সুযোগ তৈরি হল। এশার সঙ্গে রিকশা করে যাচ্ছি। মেঘলা দুপুর। মোটামুটি ফাঁকা রাস্তা। রিকশাওয়ালাও বুড়ো—আমাদের কথাবার্তা কিছু শুনছে বলে মনে হচ্ছে না। এশার মন খুব তরল অবস্থায় আছে বলেও মনে হল। আমি কবিতাটা মনে-মনে এক বার আবৃত্তি করে নিলাম, যাতে ঠিক সময়ে আটকে না যায়

    ঘুমায়ে পড়িব আমি একদিন তোমাদের নক্ষত্রের রাতে
    শিয়রে…………।

    দ্বিতীয় লাইনে গণ্ডগোল হয়ে গেল। শিয়রে কী, তাই ভুলে গেলাম। বৈশাখ মাস, নাকি ভাদ্র মাস? মনে হচ্ছে শিয়রে খুব সম্ভবত আষাঢ় মাস। কারণ এই মাসটা নিয়েই কবিদের মাতামাতি বেশি।

    এশাকে কবিতা শোনানো হল না। ভালোই হল-হয়তো সে হেসে ফেলত। তার পক্ষে সেটাই স্বাভাবিক। মুনিরুজ্জামান নামের এক ছোকরা অধ্যাপক একবার এশাকে প্রেম নিবেদন করেছিল। গদগদ গলায় বলেছিল, এশা, আমি তোমাকে ভালবাসি।

    এশা তৎক্ষণাৎ বলেছে, আমিও আপনাকে ভালবাসি। কাজেই শোধবোধ হয়ে গেল। এখন আর ঐ নিয়ে কথা বলবেন না।

    মুনিরুজ্জামান পরবর্তী সময়ে এশাকে নিয়ে অনেক আজেবাজে কথা রটিয়েছিল। এশা তাতে খুব মজা পেয়েছে।

    এত কাছ দিয়ে এশা চলে গেল, অথচ তাকে ডাকা গেল না। আমি তাকিয়ে তাকিয়ে দেখলাম। সারাদিন তাকে খুঁজছি, এখন দেখা পেলাম অথচ ডাকতে ইচ্ছা হল না। আমরা বড় অদ্ভুত প্রাণী।

    বাসায় ফিরলাম পাঁচটায়।

    ধীরেন কাকু বারান্দায় মুখ শুকনো করে বসে আছেন। বারান্দায় ডাক্তার বসে থাকা মানেই কিছু-একটা ঝামেলা হয়েছে। মার সেই ব্যথা কিংবা বাবার কাশি। তবে গুরুতর কিছু নয়। সেরকম হলে ডাক্তার বারান্দায় বসে চুকচুক করে চা খেত না। ধীরেন কাকু বললেন বীরু, কোথায় ছিলে সারাদিন?

    একটা ইনটারভ্যু ছিল কাকা।

    তোমার বাবাও তাই বলছিলেন, এদিকে তো যমে-মানুষে টানাটানি হচ্ছিল। তোমার বাবার কথা বলছি। হঠাৎ কাশি–সেই কাশির সঙ্গে হলুদ রঙের ডিসচার্জ কিছু ব্লডও আছে।

    বলেন কী?

    এখন একটু ভালো, ঘুমুচ্ছেন। শোন বীরু, আমার তো মনে হয় তাঁকে হাসপাতালে ট্রান্সফার করা দরকার। তোমার চেনাজানা কেউ আছে?

    জ্বি-না।

    ধরাধরি ছাড়া তো কিছু হবে না। হাসপাতালের গিয়ে একটু খোঁজ নিয়ে দেখ। অনেক সময় টাকাপয়সা দিয়েও কাজ হয়। যাও, ভেতরে যাও। আমি আছি কিছুক্ষণ। ঘুম ভাঙুক। ভয়ের কিছু নেই।

    আমি পা টিপে-টিপে ভেতরে ঢুকলাম। আমি ভেবেছিলাম মা এবং পারুল দু জনেই আমাকে দেখামাত্র মুখ কঠিন করে ফেলবে। এমন একটা ভঙ্গি করবে, যেন মহা পাষণ্ড এইমাত্র বাড়ি ফিরছে—যার বাবা মারা যাচ্ছে, অথচ এ নিয়ে যার কোনো মাথা ব্যথা নেই, বুকে ফুঁ দিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। বাস্তবে তা হল না। মা আমাকে দেখে অসম্ভব খুশি হয়ে গেলেন। আনন্দে তাঁর মুখ ঝলমল করতে লাগল। এই আনন্দ ভরসা ফিরে পাওয়ার আনন্দ। আমাকে হাত ধরে রান্নাঘরে টেনে নিয়ে গেলেন। ফিসফিস করে বললেন, এখন ভালো। খুব ভালো। ঘুমাচ্ছে।

    শুরু হল কখন?

    তুই যাওয়ার পরপরই। পানি খেতে চাইলেন, পানি দিলাম। পানি খাওয়া শেষ করেই কাশি। প্রথমে অল্প, তারপর চোখটোখ উল্টে যাবার মতো অবস্থা।

    বল কী।

    যা ভয় পেয়েছিলাম না বীরু।

    ভয়ের কী আছে? মানুষের অসুখ হয় না? অসুখ হয়, চিকিৎসা করলে সুস্থ হয়। তুই যা, তোর বাবাকে দেখে আয়। শব্দ করি না, উঠে পড়বে।

    আমি পা টিপে-টিপে বাবার ঘরে ঢুকলাম। গা কেমন যেন শিরশির করছে। খুব জ্বর আসবার আগে যেমন হয়, তেমন। গলা বুক শুকিয়ে কাঠ।

    বাবাকে পরিষ্কার দেখা গেল না। ঘর অন্ধকার। বাবার উপর একটা মশারি ফেলে দেওয়া। মাছির উপদ্রব থেকে রক্ষার জন্যে এই ব্যবস্থা। দিনের বেলা ঘুমালেও বাবা মশারি ফেলে দেন। পারুল, হাতপাখা নিয়ে মশারির ভেতর বসে আছে। ক্ৰমাগত হাওয়া করছে। কতক্ষণ ধরে করছে কে জানে। এ-ঘরে একটা সিলিং-ফ্যান আছে। কয়েল পুড়ে যাওয়ায় ফ্যান ঘুরছে না। সামান্য কটা টাকা হলেই কয়েল ঠিক করা যায়। টাকাটার ব্যবস্থা বাবা সম্ভবত করে উঠতে পারছেন না। আমি পা টিপে-টিপে রান্নাঘরে চলে এলাম।

    মা রান্না চাপিয়েছেন। হাঁড়িতে ভাত ফুটছে। তিনি অতি দ্রুত বেগুন কুটছেন। ক্লান্ত গলায় বললেন, আজ দুপুরে কারো খাওয়া হয় নি, বুঝলি। কী যে ঝামেলা গিয়েছে। মুনিরের মাকে দিয়ে একটা মুরগীর বাচ্চা আনিয়ে ছদকা দিলাম। জানের বদলে জান।

    ভালো করেছ।

    ডাক্তারবাবু যা করেছেন বলার না! তুই এটা খুব খেয়াল রাখবি বীরু। উনার কোনো বিপদ হলে জান দিয়ে পড়বি।

    মা চোখ মুছলেন। লোকটা যা করেছে—কেউ কারো জন্যে এরকম করে না।

    খারাপ ডাক্তাররা মানুষ হিসেবে ভাল হয় মা।

    ছিঃ, এটা কী রকম কথা! খারাপ ডাক্তার হবে কী জন্যে?

    এমনি বলছি। ঠাট্টা করছি।

    এরকম ঠাট্টা আর কবি না বীরু।

    আর করব না।

    ডাক্তারবাবুকে এখন বল চলে যেতে। কতক্ষণ বেচারা বসে থাকবে। তার বাবার ঘুম ভাঙলে খবর দিয়ে নিয়ে আসবি।

    ধীরেন কাকু ঝিমুচ্ছিলেন। আমার কথা শুনে বাসায় চলে যেতে রাজি হলেন। শুকনো গলায় বললেন, হাসপাতালের ব্যবস্থাটা কর। আমি অবস্থা ভালো দেখছি না। হার্টের বিট রেগুলার না, ইরেগুলার। মাঝে-মাঝে কেমন যেন থেমে-থেমে যাচ্ছে।

    সন্ধ্যা পর্যন্ত বাবা ঘুমুলেন। এই সময়টার মধ্যে আমি মার কাছে অন্য একটা খবর পেলাম।

    তোর কাছে একটা মেয়ে এসেছিল রোগা-পাতলা, খুবই মিষ্টি চেহারা।

    কখন এসেছিল?

    তোর বাবাকে নিয়ে যখন যমে-মানুষে টানাটানি হচ্ছে তখন। কোনো কথাই বলতে পারি নি। কথা আর কি বলব বল, আমার নিজের কি তখন হুশ-জ্ঞান আছে? বাড়িওয়ালার বৌ এসেছিল, সে বলছে-আপা মাথা উত্তর-দক্ষিণ করে দিন।

    মাথা উত্তর-দক্ষিণ করে দিতে হবে কেন?

    মরবার সময় তাই করার নিয়ম।

    এই অবস্থা হয়েছিল নাকি?

    হয়েছিল।

    সন্ধ্যা মিলাবার আগেই মা এবং পারুল ভাত নিয়ে বসে গেল। দেখেই বোঝা যাচ্ছে তারা অসম্ভব ক্ষুধার্ত। আমি বাবার ঘরে ঢুকে বাতি জ্বালালাম, বাবা জেগে উঠে বললেন, কে?

    বাবা, আমি। আমি বীরু।

    বাতি নিভিয়ে দে।

    বাতি নিভিয়ে খাটের কাছে এগুতে গিয়ে কিসের সঙ্গে যেন ধাক্কা খেলাম। ঝনঝন শব্দে কী যেন নিচে পড়ল।

    বাবা ভারি গলায় বললেন, কে, বীরু?

    হুঁ।

    ইন্টারভ্যু কেমন হয়েছে রে?

    ভালো।

    কী রকম ভালো?

    বেশ ভালো। মনে হচ্ছে লেগে যাবে।

    পেরেছিলি সব?

    হ্যাঁ। দু একটা মিস হয়েছে।

    আশ্চৰ্য মিথ্যা কথা বলতে আমার মোটেও আটকাচ্ছে না। অবলীলায় মিথ্যা বলছি। মনে হচ্ছে মাসুমের চেয়েও ভালো বলছি। মিথ্যাটাকে আমার নিজের কাছেই সত্যি বলে মনে হচ্ছে।

    কোনটা পারিস নি?

    রবীন্দ্রনাথের মৃত্যুর তারিখ জিজ্ঞেস করল, ঐটা পারি নি।

    ২২শে শ্রাবণ। পারিস নি কেন? মনে ছিল না বাবা।

    খুব অন্যায়। গ্রেটম্যানদের মৃত্যুর তারিখ জন্মের তারিখ সব মুখস্থ থাকা দরকার।

    অন্য সব পেরেছি। ইন্টার ববার্ডের চেয়ারম্যান জিজ্ঞেস করলেন মফস্বলে পোস্টিং দিলে আপনার আপত্তি আছে?

    তুই কী বললি?

    বললাম–না।

    খুব ভালো করেছি। পোস্টিং একবার হলে ট্রান্সফার করা কঠিন না।

    তা ঠিক।

    বাবা খানিকক্ষণ চুপ করে থেকে বললেন, তোর আজকের ইন্টারন্যু ভালো হবে জানতাম। সব খারাপ জিনিসের সাথে একটা ভাল জিনিস থাকে। অসুখটা যখন খুব বেড়ে গেল, তখনি বুঝলাম তোর ইন্টার ভালো হচ্ছে।

    বাবা আবার ঘুমিয়ে পড়লেন। আমি পা টিপে-টিপে আমার নিজের ঘরে চলে এলাম। পারুল কিছুক্ষণ পর চা নিয়ে ঢুকল। সে খুব ভয় পেয়েছে। মুখ শুকিয়ে এতটুকু হয়ে আছে। সে টেবিলে চা নামিয়ে রেখে বলল, ভাইয়া ঐ মেয়েটা বলে গেছে আজ সন্ধ্যাবেলা নিউমার্কেটে বইয়ের দোকানগুলোর সামনে তুমি যেন যাও। খুব নাকি দরকার।

    কী দরকার কিছু বলে নি?

    না। কিন্তু ভাইয়া, তুমি ঘরে ছেড়ে যাবে না। বাবার অবস্থা খুবই খারাপ। তুমি আগে দেখ নি, তাই কিছু বুঝতে পারছ না। বুঝলে?

    হ্যাঁ, বুঝলাম।

    মেয়েটা কে?

    আমাদের সঙ্গে পড়ে।

    মেয়েটার সঙ্গে কোনো কথাই বলতে পারি নি। তাকে আরেক দিন আসতে বলবে?

    আমি হ্যাঁ-না কিছু না-বলে শার্ট গায়ে দিলাম। পারুল তীক্ষ্ণ গলায় বলল, কোথায় যাচ্ছ?

    ধীরেন কাকু বলেছেন হাসপাতালে একটু খোঁজ নিতে, সিট পাওয়া যায় কি না।

    পারুল আমার কথা বিশ্বাস করল না। তার চোখ দিয়ে ঘৃণা ফুটে বেরুচ্ছে। আমার ইচ্ছা করছে প্রচণ্ড একটা চড় বসিয়ে দিতে। কারণ আমি সত্যি-সত্যি হাসপাতালেই যাচ্ছি। যাবার আগে দু এক মিনিটের জন্যে নিউমার্কেটে হয়তো থামব। সেটা বিরাট কোনো অন্যায় নিশ্চয়ই হবে না।

     

    টুকু লম্বা-লম্বা পা ফেলে এগিয়ে আসছে।

    যখন কারো সঙ্গেই কথা বলতে ইচ্ছ করে না তখনই টুকুর সঙ্গে দেখা হয়। তার হাত থেকে সহজ নিস্কৃতি বলে কোন কথা নেই। গায়ের সঙ্গে গা লাগিয়ে কথা বলবে। চলে যেতে চাইলে হাত চেপে ধরবে। পেছনে পেছনে আসবে।

    টুকু সরু গলায় ডাকল, দোস্ত। আমি না শোনার ভান করলাম।

    দোস্ত একটা কথা শুনে যা।

    আমার কাছে টাকা-পয়সা নেইরে টুকু। দোস্ত-দোস্ত বললে কোন লাভ হবে না।

    টাকাপয়সার দরকার নেই। আল্লাহর কসম। বিশ্বাস কর আমার পকেটভর্তি টাকা। দরকার হলে তুই কিছু নে সত্যি বলছি নে।

    টুকু একগাদা এক শ টাকার নোট বের করল। চকচকে নোট। আমি হকচকিয়ে গেলাম।

    দোস্ত তুই নে। কত লাগবে বল?

    লাগবে না কিছু।

    লাগবে লাগবে। চাচাজানের কথা শুনেছি। পানির মতো টাকা খরচ হবে। ডাক্তার ফাক্তার কত হাঙ্গামা। তার উপর ধর-আল্লাহু না করুক সত্যি-সত্যি যদি কিছু হয় তখন তো…..

    আমি বহু কষ্টে নিজেকে সামলালাম। টুকুর উপর রাগ করা অর্থহীন। কেন রাগ করছি তা বোঝার ক্ষমতা তার নেই। আমি কঠিন স্বরে বললাম, পথ ছাড় টুকু, কাজ আছে।

    এক মিনিট দোস্ত। জাস্ট ওয়ান মিনিট। একটা খুবই জরুরি কথা। তোর পায়ে ধরছি দোস্ত, শুনে যা।

    টুকু সত্যি-সত্যি নিচু হয়ে আমার পা চেপে ধরল।

    বল কী বলবি।

    টাকা কীভাবে পেয়েছি সেটা বলব।

    বলার দরকার নেই। বুঝতে পারছি।

    তুই যা ভাবছি, তা না দোস্ত। আপঅন গড। মজুমদার সাহেব আমাকে টাকাটা দিয়েছেন। সন্ধ্যাবেলা ডাকিয়ে নিয়ে গেলেন। তারপর একটা খামের মধ্যে করে দিয়ে দিলেন। তিন হাজার এক শ টাকা।

    কেন দিল?

    সেটা বলে নি। বলেছে—টুকু, আমাকে একটা কাজ করে দিতে হবে। আমি বললাম–দেব। তখন মজুমদার সাহেব খামটা দিলেন।

    কাজটা কি?

    সেটা তো দোস্ত বলে নি। পরে বলবে। অ্যাডভান্স পেমেন্ট। রাত আটটার সময়। যেতে বলেছে।

    ভালোই তো, যা।

    কিন্তু দোস্ত মনটা খারাপ। কী কাজ কে জানে!

    মানুষ-মারা কাজ। কাউকে মেরে ফেলতে বলবে।

    টুকু হাঁ করে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। আমি বললাম, পথ ছাড়। কাজ আছে। টাকাটা কি ফিরিয়ে দেব দোস্ত?

    তোর ইচ্ছা।

    ফেরত দেব কীভাবে? হাজার টাকার মতো খরচ হয়ে গেছে। একটা গরম শাল কিনলাম।

    ভালোই করেছিস, অস্ত্রপাতি লুকিয়ে রাখার জন্যে শাল হচ্ছে চমৎকার জিনিস।

    টুকু ছোট করে নিঃশ্বাস ফেলল। নিচু গলায় বলল, তুই কিছু টাকা রেখে দে দোস্ত। তোর কাছ থেকে এক টাকা দুটাকা করে মেলা নিয়েছি।

    আমার লাগবে না। যাই রে টুকু।

    টুকু আমার সঙ্গে-সঙ্গে আসতে লাগল। সে আসবেই। রিকশায় না-ওঠা পর্যন্ত সে আসবে। রিকশায় ওঠার পরও সে অনেকক্ষণ রিকশা ধরে দাঁড়িয়ে থাকবে।

    দোস্ত একটা বুদ্ধি দে। কী করব যাব মজুমদারের কাছে?

    টাকা নিয়েছি, যাবি না মানে? না গেলে মজুমদার তোকে ছাড়বে?

    যদি সত্যি-সত্যি মানুষ মারার কথা বলে, তখন কী করব?

    একটা লম্বা ছুরি সাথে করে নিয়ে যা। তোর নতুন শালের আড়ালে লুকিয়ে রাখবি। মানুষ মারার কথা বললে ছুরিটা বের করে ওর ভুড়ির মধ্যে বসিয়ে দিবি।

    ঠাট্টা করছিস কেন রে দোস্ত? একটা সিরিয়াস প্রবলেম।

    ঠাট্টা করছি তোকে বলল কে? ওকে মারতে পারলে তোর আগের সব পাপ কাটা যাবে।

    টুকু ফ্যাকাসেভাবে হাসতে লাগল। তার কপালে বিন্দু-বিন্দু ঘাম। থরথর করে ঠোঁট কাপছে। একটা হাত প্যান্টের পকেটে। এক শ টাকার চকচকে নোটগুলি সে নিশ্চয়ই এই হাতে ধরে আছে। নতুন নোটের স্পর্শের মতো আরামদায়ক আর কিছুই নেই। আমি ক্লান্ত গলায় বললাম, চলি রে টুকু।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleছায়াসঙ্গী – হুমায়ূন আহমেদ
    Next Article রুমালী – হুমায়ূন আহমেদ

    Related Articles

    হুমায়ূন আহমেদ

    বোতল ভূত – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    রং পেন্সিল – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    বিবিধ / অগ্রন্থিত লেখা – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    আজ হিমুর বিয়ে – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    কৃষ্ণপক্ষ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }