Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রবিনহুড – কাজী আনোয়র হোসেন

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প347 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১০. অ্যালান-এ-ডেল

    ১০. অ্যালান-এ-ডেল

    লিটল জন ফিরে আসার বেশ কিছুদিন পরের কথা। শেরউডে ভোজের জন্যে অতিথি পাওয়া যাচ্ছে না। এদিক-ওদিক লোক পাঠিয়ে যখন তেমন সুবিধে হচ্ছে না, শুকনো মুখে ফিরে আসছে সবাই, তখন একদিন রবিন ঠিক করলো নিজেই বেরোবে সে। শাঁসালো কোন মক্কেল সঙ্গে না নিয়ে ফিরবে না। সবাইকে বলে গেল, ‘ভোজের আয়োজন সম্পূর্ণ করে রাখো, আমি ফিরলেই চড়িয়ে দেবে রান্না।’

    আস্তানা থেকে অনেকদূর সরে এসে রাস্তার ধারের জঙ্গলে একটা জুতসই ঝোপ বেছে নিয়ে তার আড়ালে বসে রইলো সে। সেকেণ্ড গড়িয়ে মিনিট হচ্ছে, মিনিট গড়িয়ে ঘন্টা কিন্তু ভাল কোন শিকারের দেখা আর মেলেই না। বিরক্ত হয়ে উঠলো সে মনে মনে। এক দুই করে ঘন্টার সংখ্যাও বেড়ে চললো। রাস্তা দিয়ে লোকজন আসছে যাচ্ছে, কিন্তু সবই খেটে-খাওয়া কৃষক বা শ্রমিক। একবার যদিও বা একটা ঘোড়াগাড়ির সাক্ষাৎ পাওয়া গিয়েছিল, মহিলা যাত্রী দেখে এগোয়নি সে। দুপুর গড়িয়ে বিকেল হলো, তবু দেখা নেই কোন মক্কেলের। অনুচরদের টিটকারি কিভাবে সামাল দেবে সেই চিন্তায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়লো রবিন।

    এমনি সময়ে অপূর্ব মিষ্টি একটা সুর কানে এলো ওর। গান গাইতে গাইতে এগিয়ে আসছে কে যেন। সাথে টুং টাং হার্পের তারে নিপুণ টোকার শব্দ। কে লোকটা? বড় আশ্চর্য গলা তো! ঝোপের আড়াল থেকে মুখ বের করে রাস্তার দিকে চাইলো রবিন।

    চমৎকার দেখতে এক যুবক, কাঁধ পর্যন্ত লম্বা সোনালী চুল, মাথায় ছোট একটা টুপি, টুপির একপাশে গোঁজা রয়েছে মোরগের পালক, পরনে উজ্জ্বল লাল রঙের সুন্দর পোশাক; হাঁটছে, মৃদু আঙুল বুলাচ্ছে হার্পের তারে, সেইসাথে গাইছে অপূর্ব এক উচ্ছল প্রেমের গান। এত ভাল লাগলো গানটা যে রবিনের মনে হলো গোটা জঙ্গলটা কাঁপছে খুশির কাঁপনে। জাদু বুঝি একেই বলে! আনন্দের জোয়ার যেন এসে পৌঁছেছে শেরউড জঙ্গলে। বুকের ভিতরটা কাঁপছে রবিনের। কী অদ্ভুত গলা! কী আশ্চর্য গান!

    পাথরের মূর্তির মত দাঁড়িয়ে রইলো রবিন, সামনে দিয়ে হেঁটে চলে গেল ভ্রাম্যমাণ চারণ-যেন মধু বর্ষণ করে গেল। যতক্ষণ শোনা গেল, কান পেতে শুনলো রবিন; ঠায় দাঁড়িয়ে রইলো যতক্ষণ না অস্পষ্ট হতে হতে মিলিয়ে গেল গানটা অনেক দূরে। আহা, এত মিষ্টি গান জীবনে শোনেনি সে আর কোন দিন।

    পুবদিকে চাইলো রবিন। দেখলো দূরের জঙ্গলে সন্ধ্যার ছায়া নামছে। নাহ্, আজ আর কেউ যাবে না এই পথে। ফিরে চললো সে আস্তানার দিকে অপটু কণ্ঠে একটু আগে শোনা গানের কলি ভাঁজতে ভাঁজতে 1

    ওকে একা ফিরে আসতে দেখে কনুই দিয়ে পাশের জনকে ধাক্কা মারলো কেউ কেউ, দেখেও দেখলো না রবিন। সবিনয়ে জানতে চাইলো কেউ কেউ, ভোজের আয়োজন হয়েছে, রান্নাটা চড়িয়ে দেবে কিনা, শুনেও শুনলো না রবিন। মনটা আজ ভরে আছে খুশির গানে, গায়ে মাখলো না সে কারও কোন টিটকারি, চুপচাপ খেয়ে নিয়ে ঘুম দিল সেঁটে।

    পরদিন সকাল দশটার দিকে বুড়ো ওকের গায়ে হেলান দিয়ে বসে আছে রবিন, ওর একপাশে মাথার নিচে দু’হাত রেখে চিত হয়ে শুয়ে আকাশ দেখছে উইল স্কারলেট, আরেক পাশে বসে ছুরি দিয়ে চেঁছে ক্র্যাবটীর ডাল দিয়ে একটা লাঠি তৈরি করছে লিটল জন, ওদের চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে শুয়ে-বসে আছে আরো কয়েকজন সবাই গল্প শুনছে উইল স্কেদলকের মুখে। ইনিয়ে-বিনিয়ে চমৎকার গল্প বলে স্কেদলক, পুরানো কালের রাজা-বাদশা আর নাইটদের কত কাহিনী যে ওর মুখস্থ আছে, সে-হিসেব ওর নিজেরও জানা নেই। আজকের কাহিনী রাজা আর্থারের সময়কার এক ন্যায়নিষ্ঠ নাইট স্যার ক্যারোডকের বীরত্ব, ত্যাগ ও মহানুভবতা; একটি মেয়ের প্রতি তাঁর গভীর প্রেম; এবং তাঁরা একে অপরের জন্যে কী অপরিসীম কষ্ট স্বীকার করেছেন তাই নিয়ে। গল্প শুনতে শুনতে মস্ত বড় দীর্ঘশ্বাস ছাড়ছে কয়েকজন, চোখে পানি এসে যাচ্ছে কারও কারও।

    ‘মানুষের মনটাকে অনেক বড় করে দেয় এইসব গল্প,’ কাহিনী’ শেষ হতে মন্তব্য করলো রবিন। ‘এইসব মহান পুরুষদের আত্মত্যাগের কথা শুনলে মনে হয় আমরাও আমাদের ছোট্ট গণ্ডীর বাইরে বেরিয়ে তাদের মতো মহৎ কিছু করি। আমাদের মতো সাধারণ মানুষের পক্ষে অবশ্য অতটা বড় হওয়া সম্ভব নয়, কিন্তু চেষ্টা করলে কিছুটা তো হওয়া যায়। চাঁদ ধরার জন্যে যে শূন্যে লাফিয়ে ওঠে, চাঁদকে সে পায় না, তবে যে-লোক কাদা থেকে একটা পয়সা তোলার জন্যে ঝুঁকে রয়েছে নিচে, তার চেয়ে তো অনেক ওপরে উঠতে পারে।

    ‘তা ঠিক, সাথে সাথে বললো বাস্তববাদী উইল স্টিউটলি। ‘তবে একজন একটা পয়সা পাচ্ছে, অপরজন ক্যাঁচকলা। পয়সা ছাড়া খালি পেটে থাকতে হচ্ছে ভাববাদীকে। এসব গল্প শুনতেই ভাল, আমার মনে হয় এইসব মহান নায়কদের পদাংক অনুসরণ করতে যাওয়া নেহায়েতই বোকামি।’

    ‘কী পদের মানুষ রে বাবা!’ ভুরু কুঁচকে বললো রবিন। সব সময় আকাশ-ছোঁয়া ভাবনাগুলো ধরে টেনে এনে ধুলোয় নাক ঘষায়! যাই হোক, তোমার সঙ্গে এইসব চুলচেরা তর্কে পারবো না আমি; টেনে যখন বাস্তব দুনিয়ায় নামিয়েছো, তখন রওনা হয়ে যাও, বাছা, বাস্তব কাজে। সম্মানীয় অতিথি ছাড়া আর কদিন বাদেই আমাদের টাকা-পয়সার টান পড়বে। জনা ছয়েক লোক নিয়ে ফস্ ওয়ের দিকে রওনা হয়ে যাও, বা যেদিক খুশি যাও, সন্ধের সময় আজ আমার একজন অতিথি চাই-ই চাই।’

    ‘বেশ তো, যাচ্ছি,’ বললো উইল স্টিউটলি। গল্প-গুজব থেকে এইভাবে উঠিয়ে দেয়ায় ক্ষুণ্ন হয়েছে সে। মিষ্টি হেসে বললো, ‘ছয় জনের মধ্যে মিজ দ্য মিলার আর আর্থার এ ব্যাণ্ড—এই দুজনকে নেব ভাবছি, কারণ, তুমি তো ভাল করেই জানো, লাঠি- পেটা করায় ওদের জুড়ি নেই। ঠিক বলিনি, লিটল জন?’

    রবিন আর লিটল জন ছাড়া বাকি সবাই হো হো করে হেসে উঠলো। লিটল জনের দিকে একবার তাকিয়ে নিয়ে রবিন বললো, ওদের একজনের কথা আমি বলতে পারি। দু’জন সম্পর্কেই ওয়াকিফহাল, এমন আমাদের মধ্যে শুধু একজনই আছেন…নাম বলতে চাই না।’

    আবার একচোট হাসির হুল্লোড় উঠলো, তাতে যোগ দিল না একমাত্র লিটল জন। ভুরু কুঁচকে দূরের দিকে চেয়ে রয়েছে সে, যেন কতই চিন্তামগ্ন।

    উইল স্টিউটলির বাছাই করা ছয়জন তৈরি হয়ে রওনা দেবে, ঠিক এমনি সময়ে দূর থেকে ভেসে এলো একটা গানের সুর। গান গাইতে গাইতে এগিয়ে আসছে কে যেন। চট করে গত কালকের সেই কোকিল-কণ্ঠি যুবকের কথা মনে পড়ে গেল রবিনের। কিন্তু সুরের এ কী আশ্চর্য পরিবর্তন! সেই যুবক, নাকি এ অন্য কোন গায়ক? গলাটা তো সেই ছেলেটিরই মনে হচ্ছে! আজ এত করুণ গান কেন ওর কণ্ঠে?

    একটু পরেই দেখা গেল যুবকটিকে। সত্যিই, চেহারাতেও আশ্চর্য পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। ধীর ক্লান্ত পায়ে হাঁটছে যুবক, মাথাটা নুয়ে আছে সামনে, চলার ভঙ্গিতে মনে হচ্ছে কেউ যেন এক ফুঁয়ে উড়িয়ে দিয়েছে ওর জীবন থেকে সব আনন্দ-উচ্ছ্বাস। ভাবাই যায় না, এই ছেলেটিই কাল গোটা জঙ্গলকে প্রাণতরঙ্গে নাচিয়ে দিয়ে, চারদিকে খুশির বন্যা বইয়ে দিয়ে হেঁটে গিয়েছিল এই রাস্তা ধরে। আর আজ মনে হচ্ছে শেরউডের বিশাল ওকগুলোও যেন স্তব্ধ হয়ে শুনছে বিলাপ, গোটা জঙ্গল কাঁদছে যুবকের দুঃখে। অদ্ভুত করুণ সুরের মূর্ছনায় ডুকরে উঠছে যেন বিশ্ব চরাচর। চোখে পানি এসে গেল বিশাল দৈত্য লিটল জনের। মাথাটা এপাশ-ওপাশ নেড়ে বললো, ‘আহা! এত দুঃখ কেন ছেলেটার?’

    ‘অথচ গতকাল দেখেছি আমি একে, সম্পূর্ণ অন্য রকম,’ বললো রবিন। ‘কিছু একটা হয়েছে ওর। যাও তো, চট করে ডেকে নিয়ে এসো ওকে। কি হয়েছে শোনা দরকার।

    লিটল জন আর মাচ এগিয়ে গেল। দেখা গেল, বিষণ্ণবদনে করুণ গান গাইছে বটে, কিন্তু মোটেও কাপুরুষ নয় যুবক, হেঁড়ে গলায় থেমে দাঁড়াবার নির্দেশ আসতেই ঝট্ করে ফিরলো সে লিটল জন আর মার্চের দিকে। চট্ করে একটা তীর যোজনা করলো ধনুকে, প্রয়োজন হলে আত্মরক্ষা করবে।

    একটা হাত তুললো লিটল জন। কোন ভয় নেই, হে। তোমার কোন ক্ষতি করতে আসিনি। ওই দেখো, বসে রয়েছে আমার দলপতি, তোমার সাথে কথা বলতে চায়।’

    খুবই আদর করে কাছে বসালো ওকে রবিন। অত্যন্ত ভদ্রভাবে বললো, ‘বুঝতেই পারছো, আমরা ডাকাত। দিয়ে যাবার মত বাড়তি কিছু পয়সা-কড়ি আছে তোমার কাছে?’

    ‘পাঁচ শিলিং আর এই আংটি ছাড়া আর কিছুই নেই আমার কাছে।’ পকেট থেকে যা ছিল সব বের করে দিল সে রবিনের হাতে।

    বিয়ের আংটি মনে হচ্ছে?’ জিজ্ঞেস করলো রবিন

    ‘হ্যাঁ,’ মাথা নিচু করে ফেললো যুবক। ‘সাত বছর ধরে সাথে সাথে রেখেছিলাম ওটা, ভেবেছিলাম কাজে লাগবে আজ। নাহ্! এখন আর আমার কাছে কোন দাম নেই ওটার, যার খুশি নিতে পারো।’

    ‘দাম নেই কেন?’

    ‘মেয়েটাকে কেড়ে নিয়েছে ওরা আমার কাছ থেকে।’

    ‘তাই তো বলি, কাল যাকে দেখলাম খুশির বন্যা তুলে লাফিয়ে চলছে, আজ এই আশ্চর্য পরিবর্তন কেন তার! কি হয়েছে খুলে বলো দেখি?’

    কি? তুমি দেখেছিলে কাল আমাকে? ঠিকই বলেছো, কাল খুশি মনে চলেছিলাম আমি অপূর্ব মিষ্টি, দুনিয়ার সেরা সুন্দরী এক মেয়েকে বিয়ে করবো বলে। দীর্ঘশ্বাস ছাড়লো যুবক। হলো না! চুরমার হয়ে গেছে কলজেটা। আমার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে বুড়ো এক ধনী নাইটের সাথে বিয়ে দেয়া হচ্ছে তার।

    ‘হঠাৎ বুঝি মত পাল্টেছে মেয়েটা?’

    ‘না, না!’ প্রায় চেঁচিয়ে উঠলো যুবক। ও মত পাল্টাবে কেন? ও তো আমাকে ভালবাসে। কিন্তু ওর আত্মীয়স্বজন ওকে বিয়ে দেবে না আমার সাথে। টাকা-পয়সা, জমি-জমা, বাড়ি-ঘর কিছুই তো নেই আমার। তাই আজ ওর ইচ্ছের বিরুদ্ধে এক বুড়ো নাইটের সাথে বিয়ে হচ্ছে ওর। চলে যাচ্ছি আমি।’

    ‘কি নাম তোমার?’ জানতে চাইলো রবিন।

    ‘আমার নাম অ্যালান-এ-ডেল।’

    ‘আরে! তোমার নাম তো আমি শুনেছি! তাহলে তুমিই সেই বিখ্যাত গায়ক, ফুলের সুবাসের মত যার সুনাম ছড়িয়ে পড়ছে চারদিকে! রদারস্ট্রীমের অ্যালান না তুমি?’

    মাথা ঝাঁকিয়ে সায় দিল যুবক। ওর কাঁধে হাত রাখলো রবিন। বয়স কত তোমার?’

    ‘বিশ বছর।’

    ‘মেয়েটিকে সত্যিই তুমি ভালবাসো?’

    ‘নিজের প্রাণের চেয়েও।’

    এসব কথা বলবে আমাদের? মনটা অনেক হালকা হয়ে যাবে তাহলে,’ নরম গলায় বললো রবিন।

    অবাক হয়ে চাইলো যুবক রবিনের মুখের দিকে। ‘তোমাকে দস্যু মনে হচ্ছে না আমার। মনে হচ্ছে, তোমার মত ভাল মানুষ আর হয় না। ঠিক আছে, শোনো তাহলে…’ গড় গড় করে বলে গেল অ্যালান, কিভাবে পরিচয় হলো ওর এলেনের সাথে, কিভাবে পরস্পরকে ভালবাসলো ওরা, কিভাবে মন জানাজানি হলো, গোপনে দেখা হলো, সৃষ্টি হলো কত মধুর স্মৃতির।

    ভালবাসার এক অপূর্ব কাহিনী মন দিয়ে শুনলো ওরা চুপচাপ। শুনতে শুনতে গলার কাছে কি যেন ঠেকে গেছে বলে মনে হলো লিটল জনের। এত গভীর দুঃখের কথা এমন সহজ সরল ভাষায় বর্ণনা করে গেল যুবক যে চোখের পানি ধরে রাখা কষ্টকর হয়ে পড়লো উইল স্কারলেটের পক্ষেও। ‘বাবা-মার অবাধ্য সে হবে না,’ সবশেষে বললো অ্যালান-এ-ডেল, ‘হয়তো বিয়ে সে করবে বুড়ো নাইটকে, কিন্তু আমি জানি, দাউ দাউ করে জ্বলবে ওর হৃদয়টা। আমার জন্যে ও…আমি-’ আর কোন কথা বলতে পারলো না যুবক। বসে রইলো মাথা নিচু করে।

    অনেকক্ষণ পর আবার ওর কাঁধে হাত রাখলো রবিন। ‘আচ্ছা, অ্যালান-এ-ডেল, আমি যদি তোমাকে সাহায্য করি, যেমন করে হোক ব্যবস্থা করতে পারি তোমাদের বিয়ের, তাহলে কি দেবে তুমি আমাকে?’

    টাকা নেই আমার যে দেব,’ বললো অ্যালান। কিন্তু সত্যিই পারবে তুমি? পারলে বাকি জীবন তোমার কেনা গোলাম হয়ে থাকবো আমি। তুমি যা বলবে তাই করবো।’

    ‘কেনা গোলাম হওয়ার দরকার নেই। কিন্তু আমি যদি বলি, তোমার গান আমার খুব ভাল লাগে, থাকবে তুমি আমাদের সাথে এই শেরউড জঙ্গলে?’

    এলেনকে পেলে আমি দুনিয়ার যে কোন জায়গাতেই থাকতে পারবো মনের আনন্দে।’

    ‘বেশ। এবার বলো দেখি বিয়েটা কোথায় হতে যাচ্ছে?’

    ‘এখান থেকে মাইল পাঁচেক দূরের একটা গির্জায়। এই জঙ্গল থেকে বেরিয়ে…’

    ‘চিনতে পেরেছি, আর বলতে হবে না। ঠিক সময় মতো পৌঁছে যাব আমি।’ একটু চিন্তা করে হাত বাড়ালো রবিন অ্যালানের দিকে, ‘তোমার হাপটা ধার দিতে হবে আমাকে।’

    সমস্ত অস্ত্র খুলে লিটল জনের হাতে দিল রবিন, হাপটা হাতে তুলে নিয়ে একটু দূরে ডেকে নিয়ে গেল তাকে। লিটল জনের কানে কানে কিছু নির্দেশ দিয়ে দ্রুত পায়ে হেঁটে চলে গেল গির্জার পথ ধরে, একা।

    গির্জার কাছাকাছি এসে টুং টাং মিষ্টি আওয়াজ তুললো রবিন হার্পে। শব্দ শুনে দরজায় এসে দাঁড়ালেন দামী পোশাক পরা একজন বিশপ। বললেন, ‘ও, তুমি! আমি ভেবেছিলাম বিয়ে-পার্টির লোকজন এসে গেছে বুঝি। তা, কি করছো তুমি এখানে? ‘কে তুমি?’

    মাথা থেকে টুপিটা খুলে লম্বা করে কুর্নিশ করলো রবিন বিশপকে। বললো, ‘আমি একজন ভবঘুরে হার্প-বাদক, হুজুর। লোকে বলে, আমার চেয়ে ভাল বাদক নাকি এদিকের গোটা অঞ্চলে আর নেই। শুনলাম আপনার এক বাল্যবন্ধুর বিয়ে পড়াবেন আজ আপনি। এই খুশির দিনে বাজনা শুনিয়ে যদি দু’চারটে পয়সা···

    ‘বেশ তো,’ খুশি হলেন বিশপ। ‘ভিতরে এসো। বাজাও দেখি, শোনা যাক তোমার বাজনা

    ‘এখন বাজানো কি ঠিক হবে?’ বললো রবিন। গুরুজনরা বলেন, বর-কনে এসে পৌঁছবার আগে বাজনা বাজালে অমঙ্গল হয়। হুজুর যদি বলেন, আমি শুরু করতে পারি এক্ষুণি, কিন্তু আমাদের ওদিকে একটা কথা আছে-

    ‘থাক, থাক। অমঙ্গল হলে এক্ষুণি শুরু করার দরকার নেই। তবে চট্ করে তৈরি হয়ে নাও, ওদের আসার দেরিও নেই বিশেষ।’

    কিছুক্ষণের মধ্যেই এসে পৌঁছলো বুড়ো বর, তার পিছনে পরমা সুন্দরী এক তরুণী।

    বিয়ের অনুষ্ঠান দেখবার জন্যে প্রচুর লোক জড়ো হয়েছিল গির্জায়, বর-কনেকে ঢুকতে দেখে পরস্পরের মুখ চাওয়াচাওয়ি শুরু করলো তারা। এত বুড়ো একটা লোকের সঙ্গে অমন ফুটফুটে সুন্দর বাচ্চা এক মেয়ের বিয়ে হতে যাচ্ছে দেখে অসমর্থনের একটা মৃদু গুঞ্জন উঠলো দর্শকদের মধ্যে। কারণ, পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে, নাইটটি কেবল থুথুড়ে বুড়োই নয়, বাম কাঁধে তার মস্ত এক কুঁজ, তার ওপর একটা চোখ আবার কানা। অথচ নিষ্পাপ তাজা গোলাপের মত দেখাচ্ছে মেয়েটিকে।

    কিন্তু জোব্বা পরা ধর্মযাজক আর ধনী নাইটের পোশাকের জাঁকজমক দেখে কেউ জোরে কিছু বলতে সাহস পেল না। সবার মনের কথা বেরিয়ে এলো রবিনের বিস্মিত উচ্চকণ্ঠ থেকে।

    ‘আশ্চর্য!’ বলে উঠলো সে। ‘অনেক অনেক বিয়ে দেখেছি, বাবা; কিন্তু এমন বেমানান জোড়া তো আর দেখিনি!’

    ‘চুপ করো!’ ধমকে উঠলেন বিশপ। ‘বর-কনে হাজির হয়ে গেছে, এক্ষুণি শুরু হবে বিয়ের অনুষ্ঠান।’

    তা হোক,’ বললো রবিন, ‘কিন্তু এই বুড়ো হাবড়ার সঙ্গে না। পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে, বাধ্য হয়ে এই বিদঘুটে বিয়েতে রাজি হয়েছে কনে। তাকে নিজের পছন্দ মত বর বেছে নেয়ার সুযোগ দেয়া উচিত।’

    ‘আবার বক বক করে!’ রেগে উঠলেন বিশপ। ‘বকশিশ যদি পেতে হয়, বক বক বন্ধ করে বাজনা শুরু করো। এক্ষুণি বেদির দিকে পা বাড়াবে কনে।

    ‘বাজনা?’ হেসে উঠলো রবিন হুড। ঠিকই বলেছেন, হুজুর, এখন বাজনা বাজানোই উচিত। তবে, সত্যি বলতে কি, হার্পের চেয়ে শিঙাটাই আমি বেশি ভাল বাজাতে পারি।’ এই বলে কাপড়ের নিচ থেকে বিউগলটা বের করে মুখে তুললো সে।

    তীক্ষ্ণ তিনটে আওয়াজ বেরোলো শিঙা থেকে। পরমুহূর্তে কোত্থেকে দৌড়ে এসে হুড়মুড় করে গির্জায় ঢুকলো চব্বিশ জন সশস্ত্র তীরন্দাজ। তাদের পুরোভাগে অ্যালান-এ-ডেল।

    মহা হৈ-হট্টগোল রেধে গেল গির্জার ভিতর। রাগে নীল হয়ে গেছেন বিশপ। রাগে কাঁপছে বুড়ো নাইটও। কারণ, অ্যালান-এ-ডেলকে দেখামাত্র ছুটে গিয়ে তার বুকে ঝাঁপিয়ে পড়েছে কনে। এগোতে গিয়ে সামলে নিল নিজেকে নাইট, অ্যালানের দলবলের চেহারা-সুরত দেখে সাহস হলো না কিছু করতে। গোটা গির্জার উপস্থিত সবাই এবার ফিরলো রহস্যময় হার্প-বাদকের দিকে যার শিঙাধ্বনি ডেকে এনেছে অবস্থার এই আশ্চর্য পরিবর্তন।

    একটা হাত মাথার উপরে তুলে সবাইকে চুপ করার নির্দেশ দিল রবিন। মুহূর্তে স্তব্ধ হয়ে গেল শোরগোল। সবাই শুনতে চায় কি বলার আছে ওই রহস্যময় যুবকটির।

    ‘অ্যালান-এ-ডেল,’ উঁচু গলায় জানতে চাইলো রবিন, ‘তুমি এলেনকে ভালবাসো?’

    ‘সমস্ত অন্তর দিয়ে ভালবাসি,’ জবাব দিল অ্যালান, ‘চিরকাল বাসবো।’

    ‘বেশ,’ বললো রবিন, ‘এবার এলেনের বক্তব্য শোনা যাক। এলেন, তুমি অ্যালান-এ-ডেলকে ভালবাসো?’

    ‘বাসি!’ ছোট্ট করে জবাব দিল এলেন।

    ‘তোমরা পরস্পরকে বিয়ে করতে রাজি আছো?’ আবার জানতে চাইলো রবিন।

    ‘আছি,’ সমস্বরে বললো দু’জন।

    ‘বেশ। এবার আমার দু’টো কথা শুনুন, উপস্থিত দর্শক ও সুধিবৃন্দ!’ গলার স্বর আরও একটু চড়িয়ে দিল রবিন। আমরা সবাই জানতে পারলাম, এই দুটি তরুণ- তরুণী পরস্পরকে ভালবাসে। ইচ্ছের বিরুদ্ধে জোর করে মেয়েটিকে বিয়ে দেয়া হচ্ছে এক ধনকুবের, কুৎসিত, বৃদ্ধ নাইটের সাথে। আমি মনে করি, টাকার জোরে নিষ্পাপ এক প্রেমকে পায়ের তলায় পিষে মারার, দু’টি তরুণ জীবনকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়ার মত এমন নির্মমতা, এত বড় নিষ্ঠুর অধর্ম আর হয় না। আমি প্রস্তাব করছিঃ বুড়ো পাত্রকে বাদ দিয়ে আজই অ্যালানের সাথে এলেনের বিয়েটা সর্বসমক্ষে সুসম্পন্ন হয়ে যাক।’ বিশপের দিকে ফিরলো সে, ‘নিন, শুরু করুন।’

    ‘কে রে ব্যাটা তুই!’ রেগেমেগে হুঙ্কার ছাড়লেন বিশপ, ‘বাজনা বাদকের ছদ্মবেশে গির্জায় ঢুকে এখন রাজার মত হুকুম করা হচ্ছে!’

    ‘ঠিকই বলেছেন, বিশপ, শান্ত গলায় বললো রবিন। সাত-কুড়ি দুর্ধর্ষ, দুঃসাহসী যুবক আমাকে রাজার সম্মান দিয়ে থাকে। আমি রবিন হুড।’

    রবিন হুড! নামটা শুনে বিস্ময়ে বোবা হয়ে গেল গির্জার সবাই। দু’চোখ ভরে দেখে নিচ্ছে সবাই লোকের মুখে মুখে বিখ্যাত হয়ে ওঠা স্বনামধন্য দুর্দান্ত যুবকটিকে। ভয়ে অন্তরাত্মা শুকিয়ে গেল নাইটের, ঠক ঠক করে কাঁপতে লেগেছেন বিশপও।

    ‘এইবার, বিশপ,’ মৃদু হেসে বললো রবিন, ‘বিয়েটা পড়িয়ে দিন।’

    ‘না,’ দুই হাঁটু ঠকাঠক বাড়ি খাচ্ছে বিশপের, কিন্তু মুখে একটা একগুঁয়ে ভাব বজায় রাখার চেষ্টা করছেন তিনি।

    ‘কেন নয়, জানতে পারি?’

    ‘এ দেশের আইন অনুযায়ী তিনবার জানতে হবে এ বিয়েতে কারও কোন আপত্তি আছে কিনা,’ বললেন বিশপ। তা নইলে সিদ্ধ হবে না বিয়ে।’

    ‘বেশ তো, চট্‌ করে জিজ্ঞেস করে ফেলুন তিনবার।’

    ‘না। পবিত্র গির্জার মধ্যে তুমি জোর করে ঢুকে গায়ের জোরে যা খুশি তাই…’

    ‘পবিত্র গির্জার মধ্যে যা খুশি তাই অধর্মের কাজ করার অধিকার আপনিই বা কোথায় পেয়েছেন, বিশপ?’ রেগে গেল এবার রবিন। শুনুন, গায়ে আমার অনেক জোর আছে, কিন্তু সেটা আপনার মত দুর্বলের ওপর প্রয়োগ করতে চাই না। খুবই ছোট মনের মানুষ আপনি, লোকে মানছে আপনাকে শুধু ওই পোশাকটার জন্যে। আপনি রাজি না হলে টেনে খুলে নেয়া হবে আপনার ওই পোশাক, আমার লোক সেটা গায়ে চড়িয়ে নিয়ে যা করার করবে।’

    দ্বিধায় পড়ে গেছেন বিশপ। তাই দেখে মৃদু হাসলো রবিন। বুঝলো, আর একটু ভয় না দেখালে কাজ হবে না। চোখের ইঙ্গিতে নির্দেশ দিল সে। সাথে সাথে দু’জন এগিয়ে এসে খুলে ফেললো বিশপের জোব্বা। উঁচু গলায় হাঁক ছাড়লো রবিন, ‘লিটল জন, এদিকে এসো। এই কাপড় পরে বিশপ হয়ে যাও দেখি!’

    একগাল হেসে আলখেল্লাটা গায়ে চড়ালো লিটল জন। ওকে ওই পোশাকে এমন বিদঘুটে লাগলো দেখতে যে গোটা গির্জার সবাই হাসতে শুরু করলো। কিন্তু লিটল জন গম্ভীর। অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নিয়েছে সে কাজটা। বিশপের জায়গায় বিশপের পোশাকে বিশপের গাম্ভীর্য নিয়ে কাজ শুরু করলো সে। হাসতে হাসতে খুন হয়ে যাচ্ছে সবাই, সেদিকে খেয়াল নেই, তিনবার যদি যথেষ্ট না হয়, সেই ভয়ে সাতবারের আগে থামলো না সে, তাও থামতো না, রবিন যদি হাঁক ছেড়ে থামতে না বলতো।

    এইবার বিশপের দিকে ফিরলো রবিন হুড। ‘বিয়েটা ভালোয় ভলোয় পড়িয়ে দেবেন,’ জানতে চাইলো সে, ‘না, বন্দী হয়ে শেরউডে যাবেন আমাদের সাথে? চটপট ভেবে বলুন, কোন্‌টা করবেন।

    শেরউডে ধরে নিয়ে যাওয়ার কথা শুনে পিলে চমকে গেল বিশপের। শিউরে উঠলেন তিনি। চট্ করে রাজি হয়ে গেলেন বিয়ে পড়াতে। আলখেল্লা খুলে দিল লিটল জন। শুরু হলো অনুষ্ঠান।

    কনে সম্প্রদানের প্রশ্ন উঠতেই এগিয়ে এলো রবিন হুড।

    ‘আমি সম্প্রদান করছি এলেনকে অ্যালান-এ-ডেলের হাতে। তোমরা সুখী হও, এই আমার কামনা। যদি কেউ তোমাদের সুখের পথে কাঁটা হয়, কেউ কোনো গোলমাল করতে চায়, আগে বোঝাপড়া করতে হবে তাকে আমার সাথে।’

    তুমুল হর্ষধ্বনির মধ্য দিয়ে শেষ হলো বিয়ের অনুষ্ঠান। যেমন এসেছিল, তেমনি ঝড়ের মত বেরিয়ে গেল দস্যুদল গির্জা থেকে তাদের সাথে শেরউডের পথে পা বাড়ালো নব-দম্পতি।

    চলতে চলতে এক সময় রবিনের পাশে চলে এলো অ্যালান-এ-ডেল, ওর একটা হাত তুলে নিয়ে আলতো করে চুমো খেলো তাতে। কৃতজ্ঞ, মৃদুকণ্ঠে বললো, ‘ধন্যবাদ!’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৬৫ – কাউণ্ট কোবরা
    Next Article মাসুদ রানা ৪৬৮ – স্বর্ণলিপ্সা

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }