Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রবিনহুড – কাজী আনোয়র হোসেন

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প347 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৩. সুন্দরী মেরিয়ান

    ১৩. সুন্দরী মেরিয়ান

    মাঝে মাঝেই মন খারাপ হয়ে যায় রবিনের।

    দলবল নিয়ে রোমাঞ্চ আর আনন্দের মাঝে বেশ আছে সে শেরউড জঙ্গলে, কারো তোয়াক্কা রাখতে হয় না, কাউকে পরোয়া করতে হয় না; যা খুশি করছে, যেমন খুশি চলছে; কিন্তু তবু কি যেন অপূর্ণ রয়ে গেছে তার জীবনে, মনে হয় কী হলে যেন আরও ভাল হতো। মনটা ছেয়ে যায় বিষাদে।

    এই রকম দুর্বল মুহূর্তে একজনের মুখের ছবি বার বার ভেসে ওঠে ওর মনের পর্দায়। একটি মেয়ে। সেই ছেলেবেলা থেকে একসাথে বড় হয়েছে ওরা। পাশের বাড়ির একজন সৎ লোকের একমাত্র মেয়ে, সুন্দরী মেরিয়ান। গভীর বন্ধুত্ব ছিল ওদের দু’জনে সেই শৈশব থেকে কৈশোর ছাড়িয়ে তারুণ্য পর্যন্ত। একসাথে খেলেছে, পাখির বাসা খুঁজেছে, ছিপ ফেলেছে ঝর্ণার জলে, গাছে উঠেছে, দৌড়ের পাল্লা ধরেছে বড় বড় ঘাসে ছাওয়া বিস্তীর্ণ ময়দানে। বিশেষ করে মনে পড়ে ওর তারুণ্যের সেই সব দিনের কথা, যখন হঠাৎ ছোঁয়াছুঁয়ি হয়ে গেলে কেমন যেন লাল হয়ে উঠেছে দু’জনের মুখ।

    তারপর তো জঙ্গল রক্ষীদের চক্রান্তে দস্যু হয়ে গেল রবিন হুড। ছাড়াছাড়ি হয়ে গেল দু’জনের। সেই থেকে আর দেখা হয়নি ওদের। একজন দস্যু হিসেবে মেরিয়ানের বা তার বাবার সামনে গিয়ে দাঁড়াবার সাহস হয়নি ওর কোনদিন। বার বার শয়নে স্বপনে ওর মনের পর্দায় ভেসে উঠেছে মেরিয়ানের অপূর্ব সুন্দর মুখটা, মাথা ঝাঁকিয়ে সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেছে সে ভাবনাটা। নাহ্, সে-সুখ নেই ওর কপালে।

    এদিকে রবিনের চলে যাওয়ার পর একে একে অনেকগুলো দুর্ঘটনা ঘটে গেছে মেরিয়ানের জীবনেও। অনেক পরিবর্তন হয়ে গেছে অবস্থার। বাবা-মা মারা গেছেন, আত্মীয়স্বজনের নিষ্ঠুরতা প্রকাশ পাচ্ছে প্রতিপদে, এসেছে যৌবন, সেই সাথে পাড়া- প্রতিবেশীদের সুযোগ গ্রহণের অপচেষ্টা। বার বার মনে পড়ে ওর রবিনের কথা, সেই দুর্দান্ত সাহসী ছেলেটা, যার হাতে প্রাণ-মন সঁপে দিয়েছিল সে কৈশোরে, ও থাকলে আজ কিছুতেই চুপ করে থাকতে পারতো না, ওর এই দুরবস্থা দেখে কিছু একটা ব্যবস্থা করতোই। কিন্তু হঠাৎ একদিন কোথায় যে হারিয়ে গেল মানুষটা। সেই যে গেল, আর কোন খবরই পাওয়া গেল না রবিনের।

    ইদানীং কিছুদিন ধরে দস্যু রবিন হুডের কথা শোনা যাচ্ছে লোকের মুখে মুখে। ওর বীরত্ব ও কীর্তি-কাহিনীর কথা গান বেঁধে গাইছে চারণেরা, সন্ধ্যায় উনুনের ধারে বসে আলাপ করছে মানুষ। রবিন হুডের মহত্ত্ব আর দুঃসাহসের গল্প শুনে পরিষ্কার বুঝতে পারলো মেরিয়ান যে এ লোক আর কেউ নয়, ওর শৈশবের বন্ধু—সেই রবিন। মনে মনে স্থির করে ফেললো, এই নির্বান্ধব, দুঃসহ পরিবেশ ত্যাগ করে শৈরউডে গিয়ে খুঁজে বের করবে সে রবিনকে, দেখবে এখনও ওকে মনে রেখেছে কিনা সে। কিন্তু কাজটা একজন মহিলার, বিশেষ করে যুবতীর জন্যে অত্যন্ত বিপজ্জনক, তাই অনেক ভেবেচিন্তে ছদ্মবেশ গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিল সে। একদিন বালক-ভূত্যের উর্দি পরে তীর-ধনুক আর ঢাল-তলোয়ার নিয়ে বেরিয়ে পড়লো সে রবিনের খোঁজে। হাঁটতে হাঁটতে পা ব্যথা হয়ে গেল, তবু থামলো না।

    শেরউডে পৌঁছে বিশাল ওকের ছায়ায়, ছায়ায় হাঁটছে আর চারপাশে তাকাচ্ছে মেরিয়ান, কাউকে দেখলেই জিজ্ঞেস করবে কোনদিকে রবিন হুডের আস্তানা।

    এদিকে সেদিনই সকালে আস্তানা ছেড়ে ছদ্মবেশে বেরিয়েছে রবিন হুড খবর সংগ্রহের জন্যে। শোনা যাচ্ছে হেরিফোর্ডের বিশপ নাকি নটিংহামে পৌছে কড়া শাসানী দিয়েছেন শেরিফকে, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির আশু উন্নতি করতে না পারলে স্বয়ং রাজার কানে তুলবেন তিনি রবিন হুডের বাড়াবাড়ি এবং শেরিফের অক্ষমতার কথা। এ ব্যাপারে শেরিফ কি করতে যাচ্ছেন সেটা আগেভাগেই ওর জানা দরকার, তাই এক চোখে একটা ঠুলি বেঁধে নিয়ে অসংখ্য তালি দেয়া ভিখারীর পোশাক গায়ে চাপিয়ে নিয়েছে সে, মাথায় পরেছে বড়সড় একখানা তোবড়ানো টুপি— সামনের দিকে টেনে নামিয়ে দিয়েছে টুপিটা, যাতে সহজে চেনা না যায়।

    ঘন্টাখানেক চলার পর ছিমছাম, সুন্দর চেহারার এক বালক-ভৃত্যকে দেখতে পেল সে; জঙ্গল-পথ ধরে সোজা হেঁটে আসছে ওর দিকে। একলাফে রাস্তা থেকে সরে একটা ঝোপের আড়ালে গিয়ে দাঁড়ালো রবিন। কে ছেলেটা, কোত্থেকে আসছে, কোথায় যাচ্ছে জানা দরকার। কিন্তু তার আগে জানা দরকার ছোকরা একা কিনা। এতদিনে বহু লোকের শত্রুতা অর্জন করেছে সে, এটা তাদেরই কারো ফাঁদ হওয়া বিচিত্র নয়। আড়াল থেকে লক্ষ্য রাখলো সে ছেলেটার ওপর। নির্ভীক পদক্ষেপে এগিয়ে আসছে ছেলেটা। বোঝা যাচ্ছে সাথে আর কোন লোক নেই। কাছাকাছি আসতেই এক লাফে রাস্তার মাঝখানে গিয়ে দাঁড়ালো রবিন, কর্কশ কণ্ঠে হুকুম করলো থামার জন্যে।

    থমকে দাঁড়িয়ে পড়লো ছেলেটা। জিজ্ঞেস করলো রবিন, ‘কে তুমি? কি চাও তুমি শেরউডে?’

    ছেলেটা আসলে ছদ্মবেশী মেরিয়ান। দারুণ ভয় পেয়েছে সে ভিতরে ভিতরে ডাকাতের মত লোকটাকে দেখে, কিন্তু মুখের ভাবে সেটা প্রকাশ পেতে দিল না। লাফ দিয়ে পিছিয়ে গেল সে খানিকটা, ডান হাতটা চলে এসেছে ওর তরবারীর বাঁটে। পরিষ্কার বুঝতে পেরেছে সে, এ লোক রবিনের দলের কেউ হতেই পারে না, এখন দৃঢ় মনোভাব না দেখালে নাস্তানাবুদ হতে হবে এর হাতে। মুখে বললো, ‘খবরদার, ভাল হবে না বলে দিচ্ছি! সরে দাঁড়াও, নইলে বাধ্য হবো তলোয়ার বের করতে। কে আমি, কি চাই সেটা তোমার না জানলেও চলবে।’

    ‘চলবে না,’ এপাশ ওপাশ মাথা দোলালো রবিন। ‘হয় আমাকে বলবে কোথায় কেন চলেছো, নয়তো এখান থেকেই ফিরে যেতে হবে তোমাকে যে-পথে এসেছো সেই পথে।’

    ‘ফিরে যেতে হবে?’ ভুরু কুঁচকে ভয়ঙ্কর মূর্তি ধারণ করার চেষ্টা করলো মেরিয়ান। ‘ফেরাও দেখি কতবড় সাধ্য তোমার!’

    ‘বাহ্! দারুণ বীর মনে হচ্ছে, ছোকরা!’ হাসলো রবিন। ‘ওই খেলনা তলোয়ার দেখিয়ে কাকে ভয় দেখাবার চেষ্টা করছো তুমি? আমি কি এখনো তোমার মত দুধের বাচ্চা রয়েছি নাকি হে?’

    ‘এই খেলনার ধারই সহ্য করা মুশকিল হয়ে যাবে তোমার পক্ষে,’ বলেই সড়াৎ করে টান দিয়ে বের করে আনলো মেরিয়ান তলোয়ারটা। ‘পথ ছাড়ো, নইলে কপালে খারাবি আছে আজ তোমার!’

    ‘কোথায় যাচ্ছো বলবে না?’

    ‘না। যেমন করে পারি জঙ্গলের মাঝখানে পৌঁছতেই হবে আমার।’

    সন্দেহ আরও বেড়ে গেল রবিনের। স্পাই নয় তো? আমার আস্তানার খবর নিতে পাঠিয়েছে হয়তো একে শেরিফ। সিদ্ধান্ত নিল, কিছুতেই একে আর এক পা সামনে বাড়তে দেয়া উচিত হবে না। বললো, ‘আমি বারণ করছি তোমাকে। ভালো চাও তো মানে মানে ফিরে যাও, নইলে আমিও বাধ্য হবো তলোয়ার বের করতে।’

    ‘বের করো না,’ বললো মেরিয়ান। ‘কিছু দিয়েই ঠেকাতে পারবে না আমাকে।’

    মস্ত একখানা তলোয়ার বের করলেই ছোকরা ঘাবড়ে যাবে, এই ভেবে এক টানে বের করলো রবিন ওর বিশাল ক্ষুরধার তরবারী, তারপর ভয়ঙ্কর আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে লাফ দিয়ে এগিয়ে এলো সামনে। কিন্তু বিন্দুমাত্র ঘাবড়ালো না ছেলেটা, ঝনাৎ করে ঠেকিয়ে দিল প্রথম আক্রমণ। অবাক হলো রবিন পরিচারকের পারদর্শিতা দেখে। সমানে সমান লড়ে চলেছে সে সাহসের সাথে।

    ঝন ঝন আওয়াজ হচ্ছে তরবারীর ঠোকাঠুকিতে। নিজের পুরো শক্তি বা কৌশল প্রয়োগ করছে না রবিন, একটা কচি ছেলের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক আক্রমণ চালাতে মন সায় দিচ্ছে না। ফলে অনেকক্ষণ ধরে চললো লড়াই। একবার অরক্ষিত অবস্থায় বেকায়দায় পড়ে গেল রবিন, সামান্য একটু কেটে গেল ওর গাল। মনে মনে প্রশংসা করলো সে ছেলেটার সাহস ও নৈপুণ্যের, শান্তিপূর্ণ একটা মীমাংসায় আসার জন্যে একটা হাত তুলে থামতে বললো ওকে।

    ‘দাঁড়াও। নিজের পরিচয় দেবে না তুমি, ফিরেও যাবে না, কেন কোথায় চলেছো তাও বলবে না-বুঝলাম, এবার অন্য একটা প্রশ্নের জবাব দাও দেখি : আমি তোমার সাথে গেলে কোন আপত্তি আছে?’

    ‘নেই, যদি তুমি আমাকে পথ দেখিয়ে নিয়ে যেতে পারো রবিন হুডের আস্তানায়, ‘ জবাব দিল ছেলেটা।

    ‘রবিন হুডের আস্তানায়!’ অবাক হয়ে গেল রবিন। ‘রবিন হুডের কাছে চলেছো তুমি?’

    ‘হ্যাঁ। পারবে তুমি আমাকে ওর কাছে নিয়ে যেতে?’ আকুল আবেদন ফুটে উঠলো ছেলেটার কণ্ঠে।

    ‘পারবো,’ বললো রবিন, ‘কিন্তু ওর কোন ক্ষতি হোক সেটা আমি চাই না। তোমার উদ্দেশ্য জানতে না পারলে কি করে তোমাকে নিয়ে যাই তার কাছে, বলো?’

    তুমি রবিন হুডের লোক?’ জিজ্ঞেস করলো ছেলেটা।

    ‘খুবই প্রিয় লোক,’ জবাব দিল রবিন। আমি তার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধু।’

    ‘ওহ্! তাই নাকি?’ দুঃখ প্রকাশ পেল ছেলেটির কণ্ঠে। ‘তাহলে তো ভারি অন্যায় হয়ে গেছে! আগেই পরিচয় দাওনি কেন? তোমার গাল কেটে যাওয়ায় আমি সত্যিই দুঃখিত।’

    ‘ও কিছু না,’ বললো রবিন। ‘কিন্তু এখনও তুমি বলোনি কেন দেখা করতে চলেছো রবিন হুডের সাথে।’

    ধীরে ধীরে লজ্জায় লাল হয়ে উঠলো মেরিয়ানের গাল দুটো। চোখের দৃষ্টি নেমে গেল মাটির দিকে। মৃদুকণ্ঠে বললো, ‘আমি ওকে ভালবাসি।’

    ‘তুমি ওকে ভালবাসো!’ কপালের মাঝামাঝি জায়গায় উঠে গেল রবিনের ভুরুজোড়া, ছানাবড়া হয়ে গেছে দুই চোখ। ‘তুমি…’

    ‘ছেলের ছদ্মবেশে আছি,’ বললো মেরিয়ান। ‘আসলে আমি মেয়ে। সেই ছোটবেলা থেকে ভালবাসি আমি ওকে। একসাথে খেলেছি, একসাথে বড় হয়েছি আমরা। তোমার কাছে আমার অনুরোধ থাকলো, আমার গোপন কথাটা ওকে বলে দিয়ো না। আমি দেখতে এসেছি এখনও আমাকে ওর মনে আছে কিনা, এখনও ও আমাকে ভালবাসে কিনা। যদি দেখি ও আমাকে ভুলে গেছে, তাহলে চুপচাপ সরে পড়বো আমি, পুরনো কথা মনে পড়িয়ে দিয়ে ওর ঘাড়ে বোঝা হয়ে চাপবো না। আমাকে নিয়ে যাবে তুমি ওর কাছে?’

    বিস্ময়ে বিস্ফারিত দৃষ্টিতে অনেকক্ষণ চেয়ে রাইলো রবিন মেরিয়ানের মুখের দিকে চিনতে পারলো অবশেষে। দুকূল ছাপিয়ে বন্যার মত ভিড় করে আসতে চাইছে ওর মনের মধ্যে অসংখ্য স্মৃতি। কিন্তু সামলে নিল সে নিজেকে। মৃদু হেসে বললো, ‘বেশ, তোমার গোপন কথাটা ওকে বলে দেব না। চলো রওনা হয়ে যাই

    হাঁটতে হাঁটতে একটা ঝর্ণার পাশে পৌঁছে থেমে দাঁড়ালো রবিন। বললো, ‘এসো, এখানে বসে একটু জিরিয়ে নেয়া যাক।’

    বসলো ওরা। ঝর্ণার কুলকুল, পাখির গান, রোদ আর এলোমেলো হাওয়া আজ অদ্ভুত ভাল লাগছে রবিনের; বিশাল ওকের গুঁড়ি, ঝোপ-ঝাড়, ঘাস, পাতা যা চোখে পড়ছে সবই মনে হচ্ছে অপূর্ব সুন্দর। ঘুরেফিরে মেরিয়ানের অনিন্দ্যসুন্দর মুখের ওপর স্থির হতে চাইছে ওর দৃষ্টিটা বার বার। খুক খুক করে একটু কেশে নিয়ে বললো, ‘তুমি যখন তোমার মনের কথা আমাকে বললে, আমারটাও তোমাকে বলা উচিত। আমিও একটা মেয়েকে ভালবাসি। সেই ছোটবেলা থেকে। ওকে ছাড়া দুনিয়ার আর কিছুই ভাল লাগে না আমার। একসাথে খেলেছি, পাখির বাসা পেড়েছি, ঝর্ণার ধারে মাছ ধরেছি, মস্ত মাঠে দৌড়ে উধাও হয়ে গিয়েছি দু’জন হাত ধরাধরি করে। আমাদের বাড়ির কাছেই ছিল ওদের বাড়ি। ওর বাবা ছিলেন এক মস্ত ধার্মিক, মহৎ মানুষ। ফুলের মত কোমল ছিল মেয়েটির মন, গোলাপের মত ছিল ওর মুখটা। এত সৌন্দর্য আর কোথাও খুঁজে পাইনি আমি। আজও চোখ বুজলেই দেখতে পাই আমি ওকে পরিষ্কার।

    ‘মিলন হয়নি?’ জানতে চাইলো মেরিয়ান। ‘ওকে বিয়ে করোনি কেন?’

    ‘ওকে যে ভালবাসি একথা জানাবার আগেই তো হঠাৎ করে দস্যু হয়ে যেতে হলো আমাকে। যদি আমাকে ফিরিয়ে দেয়, এই ভয়ে আর আমি যেতে পারিনি ওর কাছে।’

    ‘কিন্তু যাওয়া উচিত ছিল,’ বললো মেরিয়ান। হয়তো মেয়েটা এখনও অপেক্ষা করছে তোমার জন্যে, আমি যেমন অপেক্ষা করেছি রবিনের জন্যে। মেয়েটার জন্যে বড় দুঃখ হচ্ছে আমার।

    ‘ঠিক আছে, তুমি যখন ভরসা দিচ্ছো, যাব আমি। কিন্তু তোমার কাছে অনুরোধ থাকলো, ওকে আবার বলে দিয়ো না। আজও ওকে ছাড়া আর কাউকে ভাল লাগে না আমার, কত বিনিদ্র রাত যে আমার কেটেছে ওর কথা ভেবে। অসহ্য যন্ত্রণায় ছটফট করেছি। ভেবেছি, ওকে পেলে জীবনটা পরিপূর্ণ হয়ে যেতো আমার।’

    ‘হিংসে লাগছে মেয়েটার কপাল দেখে। কি নাম ওর?’

    ‘ওর নাম মেরিয়ান।’

    ‘আশ্চর্য! আমার নামও তো মেরিয়ান!’

    ‘আর আমার নাম রবিন হুড।’

    এবার কপালে চোখ ওঠার পালা মেরিয়ানের। চোখের ঠুলি খুলে ফেললো রবিন, টুপিটা নামালো মাথা থেকে।

    পরিষ্কার চিনতে পারলো এবার ওকে মেরিয়ান। উড়ে এসে ঝাঁপিয়ে পড়লো ওর বুকে।

    ‘রবিন! আমার রবিন!’

    ‘আমার মেরিয়ান!’ হাসলো রবিন, ‘কথা দিচ্ছি, তোমার গোপন কথা জানিয়ে দেব ‘না রবিনকে।’

    ‘পাজি কোথাকার!’ কিল দিল মেরিয়ান রবিনের পিঠে। ‘তোমার কথাও আমি জানি!’

    সুখ-দুঃখের অনেক কথা হলো দুই বন্ধুতে। তারপর উঠে দাঁড়ালো রবিন। ‘চলো, তোমাকে পরিচয় করিয়ে দিই সবার সাথে।’

    আস্তানায় ফিরে অ্যালান-এ-ডেলের স্ত্রী এলেনের হাতে ছেড়ে দিল রবিন মেরিয়ানকে। দু’হাত বাড়িয়ে জড়িয়ে ধরলো ওকে এলেন। সন্ধের সময় সবাই যখন ফিরলো ডেরায়, এলেনের পোশাক পরা মেরিয়ানকে নিয়ে গেল রবিন দলের সবার সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে। পরিচয় পর্ব শেষ হতেই বিশাল ভুঁড়ি নিয়ে হেলে-দুলে সামনে এসে দাঁড়ালো সন্ন্যাসী টাক। তৈরি হয়ে নাও, বৎস! শুভস্য শীঘ্রম!’

    ‘তার মানে?’ অবাক হলো রবিন।

    ‘মানে আর কিছুই নয়, তোমাদের বিয়েটা আজই পড়িয়ে দিতে চাই। কতদিন আর বাঁচবো বলো? দেখছো না, কত শুকিয়ে গেছি! ভোজের সংখ্যা যেমন দিন দিন কমে আসছে, না খেয়েই মারা যাবে এই সন্ন্যাসী বেচারা। বিয়ের ছুতোয় একটা যদি ভোজ- টোজ…’

    লিটল জন আর উইল স্কারলেট ছুটলো হরিণ মেরে আনতে, জনা দশেক অনুচর লেগে গেল মস্ত এক ভোজের আয়োজনে, হৈ-চৈ পড়ে গেল গোটা দলের মধ্যে, এক বাক্যে সায় দিল সবাই সন্ন্যাসী টাকের প্রস্তাবে।

    মহা ধুমধামের সাথে বিয়ে হয়ে গেল রবিনের সাথে মেরিয়ানের। আমোদ-ফূর্তি, গান-বাজনা, গল্প-হাসি-তামাশা, হরিণের মাংস দিয়ে ভুরিভোজন চললো অনেক রাত পর্যন্ত; সেই সাথে চললো গ্লাসের পর গ্লাস অকটোবর এল। মস্ত চাঁদটা পশ্চিম আকাশে হেলে না পড়া পর্যন্ত ঘুমাতে গেল না কেউ।

    এইভাবে বরণ করে নিল ওরা সুন্দরী মেরিয়ানকে শেরউডের রানী হিসেবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৬৫ – কাউণ্ট কোবরা
    Next Article মাসুদ রানা ৪৬৮ – স্বর্ণলিপ্সা

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }