Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রবিনহুড – কাজী আনোয়র হোসেন

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প347 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৯. রাজা এলেন শেরউডে

    ১৯. রাজা এলেন শেরউডে

    বেশ কিছুদিন পর রবিন হুডের সাথে দেখা করার আশায় রাজা নিজেই চলে এলেন নটিংহাম শহরে। কয়েকজন নাইটকে সাথে নিয়ে জঙ্গলে জঙ্গলে ঘুরে বেড়ালেন রাজা, সবুজ মাঠে চরে বেড়ানো হরিণ দেখলেন, বিশাল ওক-ডালের দোলন দেখলেন, মুগ্ধ হয়ে গেলেন পাখির মিষ্টি গান শুনে, আমোদিত হলেন বুনো ফুলের গাঢ় সুবাসে কিন্তু রবিন হুডকে খুঁজে পাওয়া তো দূরের কথা এক টুকরো লিংকন গ্রীনও দেখতে পেলেন না শেরউডের কোথাও।

    দিনের পর দিন লোক-লস্কর নিয়ে রাজা যান শেরউডে, দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেন রবিন হুডের, ঘুরে ঘুরে বিফল হয়ে ফিরে আসেন নটিংহামে। ‘বড়ই আশ্চর্যের ব্যাপার,’ বললেন একদিন রাজা। ‘শুনেছিলাম এদের চোখ এড়িয়ে জঙ্গলের এইসব রাস্তা দিয়ে একজন ভিখারীরও পার হয়ে যাবার উপায় নেই…কোথায়? গেল কোথায় ওরা? দেখতে পাচ্ছে না আমাদের?’

    রাজা জানেন না, আসলে দেখতে ওরা ঠিকই পাচ্ছে; রবিনের কড়া নির্দেশ দেয়া আছে সবার ওপর, যেন রাজার বিরুদ্ধে কেউ কিছু করে না বসে, যেন আত্মগোপন করে থাকে জঙ্গলের আড়ালে। সিংহ হৃদয় রাজা রিচার্ডকে অত্যন্ত শ্রদ্ধা করে রবিন হুড। প্যালেস্টাইনের যুদ্ধে অত্যন্ত বীরত্বের সঙ্গে মরণপণ লড়াই করে হৃদয় জয় করে নিয়েছেন তিনি রবিনের। নেতার আদেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করছে সবাই; বহুবার দলবলসহ রাজাকে আসতে দেখে চট্ করে সরে গেছে ওরা ঝোপ-ঝাড়ের আড়ালে, হাসিমুখে দেখেছে রাজার খোঁজাখুঁজি, আওতার মধ্যে পেয়েও একটা তীর পরায়নি কেউ ধনুকের ছিলায়।

    একদিন রাজাকে দুঃখ করতে শুনে বুড়ো এক জঙ্গলরক্ষী হেসে বললো, ‘এভাবে খোঁজাখুঁজি করে ভুল করছেন আপনি, ইয়োর ম্যাজেস্টি। ওর সাথে দেখা করার অন্য উপায় আছে।’

    ‘তাই নাকি? কি উপায়?’

    ‘খুবই সহজ উপায়, হুজুর। ধনী মোহান্তের ছদ্মবেশে যদি কয়েকটা মালবাহী ঘোড়া নিয়ে জঙ্গলের রাস্তা দিয়ে যান, দেখবেন মাটি ফুঁড়ে আপনার চারপাশে হাজির হয়ে যাবে দস্যু রবিনের দলবল।’

    কথাটা মনে ধরলো রাজার। এই ধরনের দুঃসাহসিক অভিযানে তাঁর দারুণ উৎসাহ। পরদিনই মোহান্তের ছদ্মবেশ পরে নিলেন তিনি, জনা ছয়েক অনুসারীকে পরতে বললেন সন্ন্যাসীর পোশাক; গোটা দুই ঘোড়ার ওপর মালপত্র চাপিয়ে গোপনে রওনা হয়ে গেলেন শেরউডের উদ্দেশে।

    জঙ্গলের মধ্যে মাইল তিনেক যেতে না যেতেই বাধা পেলেন তিনি। রাস্তার একটা বাঁক নিয়েই দেখলেন ঝোপের আড়াল থেকে বেরিয়ে এলো লিংকন গ্রীনের পোশাক পরা সুদর্শন এক যুবক, হাতে বিশাল এক ধনুক, পিঠে তীর-ভর্তি তূণ। এগিয়ে এসে রাজার ঘোড়ার রাশ ধরলো লোকটা, চকচকে চোখে কৌতুকপূর্ণ দৃষ্টিতে আপাদমস্তক দেখলো তাঁকে, তারপর বিনীত ভঙ্গিতে বললো, ‘স্যার মোহান্ত, কিছু যদি মনে না করেন, আমাদের সাথে একটু খাওয়া-দাওয়া করতে হবে আজ আপনাদের।’ কথাটা বলেই মাথার ওপর ধনুক তুলে ইশারা করলো লোকটা। সাথে সাথেই চারপাশ থেকে এক কুড়ি প্রাণ-চঞ্চল, বলিষ্ঠ যুবক ঘিরে ধরলো রাজার দলটাকে। এদের মধ্যে বিরাট লম্বা-চওড়া দৈত্যের মত এক লোকের ওপর চোখ পড়তেই চিনতে পারলেন রাজা-লিটল জন।

    ‘শাঁসালো শিকার মনে হচ্ছে, ওস্তাদ!’ হাসিমুখে বললো লিটল জন।

    যাকে ওস্তাদ সম্বোধন করে এই কথাটা বলা, সেই প্রথম যুবকের দিকে ফিরলেন রাজা, বুঝতে পারলেন, শেষ পর্যন্ত রবিন হুডের দেখা পেয়েছেন তিনি।

    ‘কে তুমি?’ গুরু গম্ভীর কণ্ঠে জানতে চাইলেন রাজা। আমার পথ আটকেছো কেন?’

    মোহান্তের কণ্ঠে প্রচ্ছন্ন কর্তৃত্বের সুর টের পেয়ে একটু চমকে গিয়ে ভাল করে তাঁর চেহারাটা দেখার চেষ্টা করলো রবিন, কিন্তু মস্ত টুপি আর হুড থাকায় পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে না মুখটা। জবাব দিল, ‘আমরা এই জঙ্গলেই থাকি, গাছের নিচে ঘুমাই, রাজার হরিণ মেরে খাই। টাকা পয়সার বড়ই অভাব আমাদের, তাই আপনাদের মত ধনী মোহান্ত বা সন্ন্যাসী পেলে আদর করে ডেকে নিয়ে যাই আমাদের আস্তানায়। সেখানে ভোজ খাওয়ানো হয় অতিথিদের, সেইসাথে কিছু চিত্ত বিনোদনের ব্যবস্থাও রয়েছে; সব শেষে খরচ-খরচা বাবদ আমরা কিছু পেয়ে থাকি। আমার নাম রবিন হুড।

    ‘কিন্তু আমার কাছে চল্লিশ পাউণ্ডের বেশি যে নেই,’ বললেন রাজা। ‘রাজা রিচার্ড এসেছেন নটিংহামে, শুনেছো নিশ্চয়ই। তাঁর সম্মানে ভোজ দিয়ে আমার সব টাকা শেষ হয়ে গেছে।’

    ‘রাজাকে সত্যিই ভালবাসেন আপনি? মানেন তাঁকে?’ জিজ্ঞেস করলো রবিন।

    ‘আমার সমস্ত মন-প্রাণ দিয়ে ভালবাসি,’ বললেন রাজা রিচার্ড। ‘মেনেও চলি। তাঁর ইচ্ছের বিরুদ্ধে এক কদম ফেলি না ডাইনে বা বাঁয়ে। ‘

    ‘ঠিক আছে, এই এক কথায় অর্ধেক টাকা বেঁচে গেল আপনার, স্যার মোহান্ত। বিশটা পাউণ্ড দিলেই চলবে। চলুন, রওনা হওয়া যাক।’

    একটু অবাক হলেন রাজা। বললেন, ‘রাজাকে ভালবাসি বা তাঁকে মান্য করি, তাতে তোমার কি? তুমি আইন অমান্যকারী দস্যু, তুমি কেন ছেড়ে দেবে অর্ধেক টাকা?’

    ‘চলুন, স্যার মোহান্ত, হাসি মুখে বললো রবিন। ‘চলতে চলতেই আপনার প্রশ্নের উত্তর দেয়ার চেষ্টা করবো।’ মনে মনে গুছিয়ে নিল সে কথাগুলো, কঠিন একটা প্রশ্ন করে বসেছেন আজ আপনি আমাকে। আমি অত্যাচারী শেরিফকে মানি না, তার অন্যায়, অবিচার আর দুঃশাসনে বাধ্য হয়েছি আমরা আইন অমান্য করতে। গরীবের রক্তচোষা, নীচ, ধনী, লোভী ধর্ম-ব্যবসায়ীদের আমি পছন্দ করি না, তাদের টাকা কেড়ে নিয়ে বিলিয়ে দিই গরীব-দুঃখীদের মধ্যে, তাই আমি দস্যু। যাদেরই স্বার্থহানি ঘটছে তারাই আমাকে আইন অমান্যকারী দস্যু বলছে। বলুক। তাতে আমার কিছুই এসে যায় না। কিন্তু আমি নিজের মনের মধ্যে জানি, এদেশে অন্যায় অবিচার অত্যাচার যদি না থাকতো, দস্যু হওয়ার প্রয়োজন পড়তো না আমার। রাজার দোষ দিই না আমি, রাজাকে আমি ভালবাসি, শ্রদ্ধা করি-রাজ্যের খুঁটিনাটি সব কাজ তাঁর পক্ষে দেখা সম্ভব নয়, লোক দিয়ে করাতে হবে; সেই লোকগুলো যদি খারাপ হয়, রাজার খুব একটা দোষ দেয়া যায় না। আমাদের রাজা নিশ্চয়ই চান না তাঁর প্রতিনিধিরা নির্যাতনে জর্জরিত করে তুলুক জনসাধারণকে। কিন্তু এদের মজ্জায় ঢুকে গেছে দুর্নীতি, হুট করে একদিনেই শুধরে দেয়া যায় না সবার অন্তর; এদের নিয়েই চলতে হবে তাঁকে। এদিক থেকে আমি রাজার চেয়েও অনেক স্বাধীন। এদের ওপর আঘাত হানতেও দ্বিধা করছি না, রাজাকে ভালবাসতেও আমার বাধছে না কোথাও। আমাদের মহান রাজা রিচার্ডকে যে সত্যিই ভালবাসে, সে অন্যায় করতে পারে না, সেজন্যে তার কাছ থেকে বেশি টাকা আদায় করার কোন দরকার নেই আমার; শুধু খরচ বাবদ বিশটা পাউণ্ড রাখবো আমরা আপনার কাছ থেকে।’ আশ্চর্য সুন্দর একটুকরো হাসি ফুটে উঠলো রবিনের মুখে। বললো, ‘আমি আমার বক্তব্য পরিষ্কার ভাবে বোঝাতে পেরেছি, স্যার অ্যাবট?’

    অবাক হয়ে রবিনের মুখের দিকে অনেকক্ষণ চেয়ে রইলেন রাজা রিচার্ড, কোন জবাব দিলেন না, গভীর চিন্তায় মগ্ন হয়ে গেলেন কিছুক্ষণের জন্যে। এ কী কথা শুনছেন তিনি সাধারণ এক দস্যুর মুখে? এই লোক দস্যু, না দার্শনিক? এসব কথার আর কোন জের টানলো না রবিন, আস্তানায় পৌঁছেই শিঙা বাজিয়ে সবাইকে ডেকে উৎসব আর ভোজের আয়োজন করার নির্দেশ দিল।

    রাজা দেখলেন, সবাই এসে হাঁটু ভাঁজ করে সৌজন্য প্রকাশ করছে নেতার প্রতি, প্রত্যেকের চেহারায় ফুটে রয়েছে সপ্রতিভ একটা ভাব, সেই সাথে চোখে-মুখে উজ্জ্বল বুদ্ধির দীপ্তি। কই, দূর থেকে এদের সম্বন্ধে যা শুনেছিলেন বা ভেবেছিলেন তা তো নয় এরা! সেনা বাহিনীর শৃঙ্খলা, নিয়মানুবর্তিতা, দায়িত্ববোধ, কর্তব্যপরায়ণতা… কোনটারই তো অভাব দেখা যাচ্ছে না এদের মধ্যে।

    যথেষ্ট সম্মানের সাথে গ্রীনউড গাছের নিচে সবুজ ঘাসের উপর সতরঞ্চি পেতে বসানো হলো অতিথিদের। এদের কুস্তি, লাঠি আর তলোয়ার খেলা দেখে মুগ্ধ হলেন রাজা। এবার শুরু হলো তীর-ধনুকের খেলা। বহুদূরে একটা লাঠি গেড়ে তীরন্দাজদের আদেশ দিল রবিন সেটা চিরে দেখাতে। তারপর আরো দূরে একটা লতাপাতা আর ফুলের তৈরি মালা ঝুলিয়ে দেয়া হলো ওকের শাখায়, ফুল বা পাতা স্পর্শ না করে তীর লাগাতে হবে মালার ভেতর।

    ‘সর্বনাশ!’ বললেন রাজা রিচার্ড, ‘দেখছি অসম্ভবকে সম্ভব করার চেষ্টা করছো তোমরা! আমার মনে হচ্ছে টার্গেটটা পঞ্চাশ কদম কাছে টাঙানো উচিত ছিল।

    ‘সহজ টার্গেট প্র্যাকটিস করে কি লাভ?’ হাসলো রবিন। অতদূরেই দেখবেন ঠিক লক্ষ্য-ভেদ করবে এরা। চড়ের ভয় আছে না?’

    ‘চড়ের ভয়? মানে?’

    তিনটে করে তীর ছুঁড়বে প্রত্যেকে। একটা তীর যার মালার বাইরে লাগবে প্রচণ্ড এক থাবড়া খেতে হবে তাকে।’

    ‘এই ধরনের শাস্তির ফলে তোমার লোকজনের মধ্যে কোন বিরূপ প্রতিক্রিয়া হয় না?’

    ‘হতে পারতো, হাসলো রবিন। কিন্তু হয় না। আসলে এটাকে খোদার মার মনে করে এরা।

    ‘কি রকম?’

    ‘চাপড়টা খেতে হয় আমাদের হোলি ফাদার সন্ন্যাসী টাকের হাতে। এতে কেউ কিছু মনে করে না। ফাদার টাক, তৈরি হয়ে দাঁড়ান, শুরু হচ্ছে খেলা।’

    প্রথমে তীর ছুঁড়লো ডংকাস্টারের ডেভিড। তিনটে তাঁরই জায়গা মত বিঁধলো। ‘বাহ্, ভাল মেরেছো ডেভিড!’ বললো রবিন। রোজ তোমাকে দিয়েই শুরু হয়, আজ বড় বাঁচা বেঁচে গেলে!’ এরপর মারলো মিজ দ্য মিলার। সে-ও উতরে গেল সহি সালামতেই। এরপর মার্চের পালা; দুটো তীর ঠিকমতই লাগলো, কিন্তু তৃতীয় তীর লাগলো গিয়ে মালার বাইরে। অপরাধীর ভঙ্গিতে সন্ন্যাসী টাকের সামনে এসে দাঁড়ালো মাচ, চোখ-মুখ এমন ভাবে কুঁচকে রেখেছে, যেন এখনই ভোঁ-ভোঁ করছে কাটা। আস্তিন গুটালো সন্ন্যাসী টাক, পেশীবহুল হাতটা দেখে মনে হচ্ছে যেন জায়গায় জায়গায় গিঠ পড়া প্রাচীন ওকের গুঁড়ি। চড়াৎ করে পড়লো চড়। কয়েক ডিগবাজি খেয়ে উঠে বসলো মার্চ ঘাসের উপর, এক হাতে কান ডলছে, মিটমিট করছে চোখ, দেখে মনে হচ্ছে এইমাত্র আকাশ থেকে পড়েছে সে, কোথায় পড়েছে জানে না। হো হো করে হেসে উঠলো সবাই।

    হাসতে হাসতে চোখ দিয়ে পানি বেরিয়ে গেল রাজার। একের পর এক আসছে তীরন্দাজ, কেউ বেকসুর খালাস পাচ্ছে, কেউ বা থাবড়া খেয়ে গড়াচ্ছে মাটিতে। কপাল খারাপ লিটল জনের, প্রথম তীরটাই তার আজ হঠাৎ হাত খানেক বাইরে গিয়ে পড়লো মালা থেকে। তীর-ধনুক ফেলে পালাবার তাল করছিল লিটল জন, সবাই মিলে ঠেসে ধরে নিয়ে এলো ওকে সন্ন্যাসী টাকের সামনে। অতবড় দৈত্যটা যখন চড় খেয়ে সটান শুয়ে পড়লো মাটিতে, হাসিতে ফেটে পড়লো সবাই। সবশেষে রবিনের পালা। সবাই জানে, কোনদিন হয়নি, আজও একটা তীরও লক্ষ্যভ্রষ্ট হবে না রবিনের। কিন্তু তারও তৃতীয় তীরটা যখন কাঁপতে কাঁপতে গিয়ে মালার এক ইঞ্চি বাইরে লাগলো, তুমুল হর্ষধ্বনিতে কেঁপে উঠলো জঙ্গল। যারা দাঁড়িয়ে ছিল, হাসতে হাসতে বসে পড়লো, যারা বসে ছিল তারা মাটিতে গড়াগড়ি খাচ্ছে হাসির দমকে।

    যুক্তিতর্ক দেখাবার চেষ্টা করলো রবিন, বোঝাবার চেষ্টা করলো যে ত্রুটি ছিল তীরটায়, কিন্তু কে শোনে কার কথা, ঠেসে ধরে নিয়ে আসা হলো তাকে সন্ন্যাসী টাকের সামনে।

    যদি খোদার তরফ থেকে শাস্তি পেতেই হয়,’ বললো রবিন হাসতে হাসতে। ‘ধর্মীয় পোশাক পরা আরো মানুষ আজ উপস্থিত আছেন এখানে, আমাকে অন্ততঃ বাছাই করার সুযোগ দেয়া উচিত। আমার শাস্তিটা আমি স্যার মোহান্তের হাত থেকে নিতে চাই।’

    ওসব ধানাই-পানাই ছাড়ো, বস!’ হাতের তালুতে খানিক থুতু দিয়ে দুই হাত ঘষে নিল সন্ন্যাসী টাক। লক্ষ্মী ছেলের মতো এখানে এসে দাঁড়াও। ওই মোটা মোহান্ত কি মারবে? চড় মারতে গিয়ে নিজের হাতটাই ভেঙে বসবে শেষে। ও তো ননীর পুতুল!’

    অত বড়াই করো না, ফ্রায়ার,’ বললেন রাজা রিচার্ড। ‘তোমার চেয়ে কম জোর নেই আমার গায়ে।

    ‘বলে কি ব্যাটা!’ বিচিত্র মুখভঙ্গি করলো সন্ন্যাসী টাক। ‘তোমার চড় খেলে আমি তো টেরই পাব না মেরেছো কি মারোনি।’

    ‘তাই নাকি!’ উঠে দাঁড়ালেন রাজা। ‘বেশ তো, দেখা যাক তুমি আমাকে মাটিতে গড়াগড়ি খাওয়াতে পারো, নাকি আমি পারি তোমাকে।’

    আগে আমাকে মারতে দেবে তো?’ উদগ্রীর কণ্ঠে জানতে চাইলো সন্ন্যাসী টাক।

    ‘বেশ, তুমিই মারো আগে।’

    খুশিতে বাগে বাগ হয়ে তৈরি হয়ে দাঁড়ালো সন্ন্যাসী টাক। ছদ্মবেশী মোহান্ত এসে দাঁড়ালেন তার সামনে। চারপাশে গোল হয়ে দাঁড়ালো আর সবাই মজা দেখার জন্যে। দড়াম করে প্রাণপণ শক্তিতে মারলো সন্ন্যাসী টাক। আশ্চর্য! যেমন ছিলেন, পাথরের মূর্তির মত তেমনি দাঁড়িয়ে রইলেন মোহান্ত মাথা থেকে টুপিটা শুধু ছিটকে গিয়ে পড়লো বিশ গজ দূরে।

    হৈ-হৈ করে উঠলো সমস্ত লোকজন, পঞ্চমুখ হয়ে উঠলো প্রশংসায়। এই প্রথম একজন লোক সন্ন্যাসী টাকের ভয়ংকর চাপড় খেয়েও দু’পায়ে খাড়া রইলো। হাঁ হয়ে গেছে সন্ন্যাসী টাকের মুখটা। ‘এবার আমার দান, ব্রাদার,’ বললেন মোহান্ত। বিনা বাক ব্যয়ে সামনে এসে দুই পা ফাঁক করে শক্ত হয়ে দাঁড়ালো সন্ন্যাসী টাক।

    রাজা যখন আস্তিন গুটালেন, তাঁর হাতের থোকা থোকা পেশী দেখে বিস্ময়ের গুঞ্জ উঠলো সবার মধ্যে। চাপড় যখন পড়লো, বাজ পড়লো যেন-চড়াৎ আওয়াজের সাথে সাথেই বিশাল মোটা সন্ন্যাসী টাক তিন ডিগবাজি খেয়ে চিৎ হয়ে পড়লো মাটিতে। হা হা করে হেসে উঠলো সবাই, বিশেষ করে যারা এতদিন সন্ন্যাসী টাকের হাতে চাপড় খেয়েছে তাদের আন্তরিক উল্লাসে কোন খাদ নেই আনন্দে নাচতে শুরু করেছে তারা। হাসি নেই শুধু রবিনের মুখে।

    ‘এবার তুমি এসো,’ তর্জনী নেড়ে ডাকলেন রাজা রবিনকে।

    ‘কি ভুলটাই যে করলাম!’ বিড়বিড় করে বললো সে। এ দেখছি হোলি ফাদারের চেয়ে দ্বিগুণ ভয়ংকর!’ মোহান্তের সামনে দাঁড়িয়ে দাঁতে দাঁত চেপে চোখ-মুখ বিকৃত করে ফেললো সে। বাবা রে…!’

    শরীরটাকে মোচড় দিয়ে ঘুরিয়ে গায়ের সমস্ত শক্তি দিয়ে মারলেন রাজা। এতই জোরে মারলেন যে তাঁর মাথার হুডটা সরে গেল পিছনে। বলা বাহুল্য, ততক্ষণে ঘাসের উপর সটান শুয়ে নিজের দৈর্ঘ্য মাপছে রবিন হুড। উঠে বসে ফ্যাল ফ্যাল করে চাইলো চারপাশে। হো হো করে হাসছে সবাই, কিন্তু কিছু শুনতে পাচ্ছে না ও। চোখের সামনে ঝিলমিল করছে অসংখ্য নক্ষত্র। কানটা একবার ছুঁয়ে দেখলো সত্যিই ওটা জায়গা মত আছে কিনা। তারপর উঠে দাঁড়ালো। এতক্ষণে অনুচরদের হাসির আওয়াজ কিছু কিছু কানে আসছে তার।

    স্যার মোহান্তের দিকে চাইলো রবিন। অপূর্ব সুন্দর দেখতে মানুষটা, নীল চোখ দুটো দেখলে বোঝা যায় দুর্দান্ত সাহস রয়েছে এঁর বুকে, ঠোঁটের কোণে লেগে রয়েছে ছোঁয়াচে হাসি দেখলে হাসি এসে যায় নিজের মুখেও। অবাক হয়ে ভাবলো সে, এই রকম একজন সুপুরুষ কি সত্যিই কোন মঠের মোহান্ত হতে পারে? আরও অবাক হলো সে, যখন দেখলো ছুটে গিয়ে হাঁটু মুড়ে বসে পড়েছে লিটল জন স্যার মোহান্তের সামনে।

    ‘ক্ষমা, ক্ষমা চাই, হুজুর!’ বলছে লিটল জন।

    ‘কিসের ক্ষমা, লিটল জন?’ এগিয়ে এলো রবিন। ‘তোমার শাস্তি তো হয়ে গেছে সন্ন্যাসী টাকের হাতেই। আবার এঁর হাতে চাপড় খেতে হবে, সেই ভয় পাচ্ছো? না, না, সে-ভয় নেই।

    রবিনের কথা লিটল জনের কানে ঢুকলো কিনা বোঝা গেল না, আবার চেঁচিয়ে উঠলো সে, ‘আমাদের সবার হয়ে ক্ষমা চাইছি আমি, মাই লর্ড!’

    ওর এই বিচিত্র ব্যবহারে অবাক হলো সবাই। বোকা হয়ে চেয়ে রয়েছে লিটল জন আর মোহান্তের দিকে। হঠাৎ দেখা গেল ঘোড়ায় চেপে এইদিকেই আসছেন লী-র স্যার রিচার্ড। কাছাকাছি এসেই মোহান্তকে দেখে রাশ টেনে ঘোড়া থামালেন তিনি, তারপর এক লাফে ঘোড়া থেকে নেমে হাঁটু মুড়ে বসে পড়লেন লিটল জনের পাশে।

    ‘মহামান্য রাজার অনুগত নাইটের প্রতি কোন আদেশ থাকলে শুধু মুখে একটু উচ্চারণ করুন, মাই লর্ড! আপনার যে-কোন আদেশ আমার শিরোধার্য।’

    ‘রাজা!’ অবাক হয়ে গেল রবিন হুড।

    ‘সত্যিই তো!’ চেঁচিয়ে উঠলো মাচ, ‘ইনিই তো মহামান্য রাজা রিচার্ড!’

    মুহূর্ত মাত্র বিলম্ব না করে রাজা রিচার্ডের সামনে হাঁটু মুড়ে বসে পড়লো রবিন, দেখাদেখি তার সাতকুড়ি অনুচর। মাথা হেঁট করে বললো রবিন, আপনার দয়া প্রার্থনা করছি আমি, মহামান্য লর্ড! আমাদের সবার হয়ে আপনার ক্ষমা প্রার্থনা করছি!’

    ‘বেশ। ক্ষমা করে দিলাম,’ বললেন রাজা রিচার্ড। ‘তোমাদের মত সাহসী, সুশৃঙ্খল একদল যুবককে আবিষ্কার করবো এখানে, তা আমি কল্পনাও করতে পারিনি। কি বলো, রবিন হুড? তোমার লোকজন নিয়ে যোগ দেবে আমার সেনাদলে? তোমাদের পেলে আমি খুবই খুশি হবো।’

    ‘আপনার আদেশ শিরোধার্য, ইয়োর ম্যাজেস্টি,’ বললো রবিন হুড। ‘আজ থেকে আমরা যোগ দিলাম আপনার সশস্ত্র বাহিনীতে। আশা করি, আমাদের যোগ্যতা প্রমাণ করে সন্তুষ্ট করতে পারবো আপনাকে।

    সবাই সমস্বরে সমর্থন করলো রবিনের ঘোষণা।

    ‘বেশ,’ হাসলেন রাজা। কিন্তু তোমাদের ভোজের কতদূর? খিদেয় যে নাড়ীভুঁড়ি হজম হয়ে যাবার জোগাড় হয়েছে!’ রবিনকে ব্যস্ত হয়ে উঠতে দেখে বললেন, আর শোনো, এই পুরোহিতের পোশাক বড়ই বিচ্ছিরি লাগছে, বাড়তি লিংকন গ্রীন আছে তোমাদের কাছে?’

    ‘অনেক, অনেক আছে, মাই লর্ড! আমি এক্ষুণি ব্যবস্থা করছি।’

    ছুটলো রবিন। জঙ্গলের সবুজ রঙের পোশাক পরানো হলো রাজাকে, দারুণ লাগছে দেখতে। দস্তরখান বিছানো হতেই খেতে বসলো সবাই মিলে। পেট পুরে খেলেন রাজা, উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করলেন ওদের প্রিয় অক্টোবর এল-এর। খাওয়াদাওয়া শেষ হতেই বিশ্রামের ব্যবস্থা হলো রাজার। মুগ্ধ হয়ে গেলেন রাজা অ্যালান-এ-ডেলের অপূর্ব কণ্ঠে প্রেম, বীরত্ব আর মহিমার গান শুনে।

    বিকেলে রাজার পিছন পিছন জয়ধ্বনি দিতে দিতে রওনা হয়ে গেল সবাই নটিংহামের দিকে।

    শেরিফ প্রথমে ভেবেছিলেন, রাজাকে হত্যা করে নটিংহাম শহর দখল করে নিতে আসছে রবিন হুড তার দলবল নিয়ে। যখন আসল ঘটনা জানলেন, মুখটা কালো হয়ে গেল তাঁর রবিন হুডের সাথে রাজার সখ্যতা দেখে। সেই রাতে মস্ত এক ব্যাংকোয়েটের আয়োজন করলেন রাজা রিচার্ড শেরউডের দস্যুদের সম্মানে। চমৎকার খাওয়াদাওয়া হলো। অ্যালান-এ-ভেলের গান শুনে পানি এসে গেল নিষ্ঠুর শেরিফের চোখেও। ছোট্ট একটা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উপাধি দেয়া হলো রবিন হুডকে আর্ল অফ হান্টিংডন।

    দলবল সহ চলে গেল রবিন হুত রাজার সাথে লণ্ডনে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৬৫ – কাউণ্ট কোবরা
    Next Article মাসুদ রানা ৪৬৮ – স্বর্ণলিপ্সা

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }