Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রবিনহুড – কাজী আনোয়র হোসেন

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প347 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২. লিটল জন

    ২. লিটল জন

    নটিংহামের শেরিফের কানে পৌঁছলো সব কথা। কালবিলম্ব না করে বিরাট এক রক্ষীদল পাঠালেন তিনি দস্যুদের উচিত শিক্ষা দেয়ার জন্যে। লব নামের এক মুচির মুখে এই বিরাট সশস্ত্র বাহিনীর খবর পেয়ে গেল ওরা আগে ভাগেই। এত লোকের সাথে পেরে ওঠা যাবে না বুঝতে পেরে শেরউড ছেড়ে সরে গেল ওরা ইয়র্কশায়ারের জঙ্গলে। সেখানে বেশ কিছুদিন কাটিয়ে যখন জানা গেল বিফল হতোদ্যম হয়ে ফিরে গেছে শেরিফের লোকজন, তখন আবার শেরউডে এসে ডেরা বাঁধলো রবিন হুড।

    এবার দল গঠনে মন দিল রবিন। পরিষ্কার বুঝতে পেরেছে সে, শক্তি অর্জন করতে হবে নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থেই। টিকে থাকতে হলে বাহুবল চাই। কাজেই সাহসী, শক্তিশালী, বিশ্বাসী লোক খুঁজে বের করার কাজে লেগে গেল সে। অনেকেই ওর দলে যোগ দিতে আগ্রহী, কিন্তু ভালমত পরীক্ষা করার পর সন্তুষ্ট না হয়ে কাউকে দলে নিল না সে। উপযুক্ত লোকের খোঁজ পেলে তাকে দলে নেয়ার চেষ্টায় যেমন কোন ত্রুটি করতো না সে, তেমনি অনুপযুক্ত, নির্বোধ লোককে ফিরিয়ে দিতেও দ্বিধা করতো না বিন্দুমাত্র। ফলে ক্রমে ক্রমে অত্যন্ত শক্তিশালী হয়ে উঠলো ওর দলটা, লোকসংখ্যা বাড়তে বাড়তে গিয়ে দাঁড়ালো পাঁচ-কুড়িতে।

    একদিন এক সুন্দর সকালে ঘুম থেকে উঠে চঞ্চল ঝর্ণার পানিতে হাত-মুখ ধুচ্ছে রবিন, গাছের ডালে পাতার আড়ালে বসে মিষ্টি মধুর গান শোনাচ্ছে পাখিরা, চারদিকে ভোরের তাজা একটা ভাব এমনি সময়ে হঠাৎ মনটা বিগড়ে গেল ওর।

    ‘চললাম,’ আস্তানায় ফিরেই ঘোষণা করলো রবিন। ‘দু’-দু’টো সপ্তাহ পেরিয়ে যাচ্ছে, কোন ঘটনা নেই, শিকার নেই, রোমাঞ্চ নেই-একঘেয়ে জীবন আর ভাল্লাগছে না। কেউ যখন কোন মেহমান আনতে পারছে না, আমি বেরোবো। আজ যদি মোটাসোটা কোন অ্যাবট কিংবা ধনী নাইট বা ব্যারনের কোমরে গোঁজা থলি হালকা না করতে পারি, তাহলে আমার নামই নেই।’

    কথা শুনে আরো দু’চারজন তৈরি হচ্ছিল সাথে যাওয়ার জন্যে, হাত তুলে ওদের নিরস্ত করলো রবিন।

    ‘আমি একা যাবো। তৈরি থেকো, যদি কোন বিপদে পড়ি, কিংবা শাঁসালো কোন শিকারের সন্ধান পাই, তিনবার শিঙা বাজাবো। আওয়াজ পেলেই বুঝবে তোমাদের সাহায্য দরকার পড়েছে আমার।’

    হাঁটছে তো হাঁটছেই, হাঁটতে হাঁটতে শেরউডের একেবারে শেষ প্রান্তে এসে হাজির হলো রবিন, কিন্তু এমন কিছুই ঘটলো না যাতে একটু নতুনত্বের স্বাদ পাওয়া যায়। এ- রাস্তা ও-রাস্তা, এ-গলি ও গলি ধরে হাঁটছে সে, মাঝে মাঝে দেখা হচ্ছে মানুষজনের সাথে। কিন্তু সবাই শান্তিপ্রিয় সাধারণ মানুষ। মোটা এক সন্ন্যাসী চলে গেল পাশ কাটিয়ে, ঘোড়ায় চেপে চলে গেল এক মহিলা- মাথার হুড খুলে সম্মান দেখালো তাকে রবিন, একটা অন্ধকার মত বন-পথে দেখা পেল এক পল্লী বালার দু’একটা টুকরো সম্ভাষণের পর রওনা হলো যে-যার পথে, বর্শা আর, ঢাল হাতে এক বর্ম-পরা নাইটের সাক্ষাৎ পাওয়া গেল, লাল উর্দি পরা এক পরিচারক ছুটে চলে গেল পাশ দিয়ে। নাহ্, দিনটাই বুঝি মাটি হয় ভাবতে ভাবতে অন্য পথ ধরলো আবার রবিন। এইভাবে এলোপাতাড়ি ঘুরতে ঘুরতে বেশ বড়সড় একটা ঝর্ণার ধারে এসে পৌছলো সে। একটা গাছের কাণ্ড ফেলে পারাপারের ব্যবস্থা হয়েছে। একজন একজন করে পার হতে হয়, দু’জনের জায়গা হয় না। সেতুর ওপর পা রাখতে যাবে, এমনি সময় দেখতে পেল ওপার থেকে বিশাল চেহারার এক ঢ্যাঙা লোক উঠছে সেতু পেরোবার জন্যে।

    ‘অ্যাই, দাঁড়াও,’ বললো রবিন। ‘পথ ছাড়ো। আমাকে আগে পার হতে দাও।’

    ‘কেন?’ শান্ত গলায় জানতে চাইলো আগন্তুক।

    ‘দেখতে পাচ্ছো না, দু’জন পার হওয়ার জায়গা নেই? সরে দাঁড়াও, আমি আগে পার হবো।’

    ‘কেন? আমি আগে পার হলে ক্ষতি কি? তুমিই একটু সরে দাঁড়াও না।’

    ‘বেশি বকবক করবে না, খবরদার!’ রেগে গেল রবিন। হয় পথ ছাড়ো, নয়তো বুকের মধ্যে সেঁধিয়ে দেব তীর!’ কথাটা বলেই ধনুক নামালো সে কাঁধ থেকে।

    ‘খবরদার!’ গর্জে উঠলো ওপারের লোকটা। ছিলাটা ছুঁয়েছো কি এই লাঠি দিয়ে পিটিয়ে তোমার গায়ের রঙ পাল্টে দেব। দেখেছো লাঠিটা?’

    সাত ফুট লম্বা প্রকাণ্ড লাঠিটার দিকে চাইলো রবিন, তারপর হাসলো। ‘গাধার মত কথা বলছো তুমি, উল্লুক। তিন কদম এগোবার আগেই কলজে ফুটো হয়ে যাবে তোমার।’

    ‘আর তুমি কথা বলছো কাপুরুষের মত, ঘৃণা প্রকাশ পেল লোকটার কণ্ঠে। তীর- ধনুক থাকলে যে-কোন ভীতুর ডিমও ওরকম বড়াই করতে পারে। লজ্জা করে না তোমার সাধারণ এক লাঠির বিরুদ্ধে ধনুকের হুমকি দিতে? কাপুরুষ কোথাকার!’

    ‘তবে রে, ব্যাটা!’ বলেই রেগেমেগে তীর ধনুক নামিয়ে রাখলো রবিন মাটিতে। ‘আমি কাপুরুষ? ঠিক আছে, সাহস থাকে তো দাঁড়াও ওখানে। এক্ষুণি একটা লাঠি কেটে নিয়ে আসছি আমি।’

    ‘বেশ, বেশ,’ বললো দৈত্যের মত লোকটা। মস্ত লাঠিটার ওপর ভর দিয়ে দাঁড়ালো। নিয়ে এসো। খুশি মনে অপেক্ষা করছি আমি।’

    দ্রুত পায়ে ঝোপের আড়ালে অদৃশ্য হয়ে গেল রবিন। সোজা দেখে গ্রাউণ্ড ওকের ঝাড়া ছয় ফুট লম্বা একটা ডাল কেটে নিয়ে ফিরে এলো ছোট ছোট শাখাগুলো ছাঁটতে ছাঁটতে। এদিকে সেই একই ভঙ্গিতে লাঠির ওপর ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে নিশ্চিন্ত মনে শিস দিচ্ছে, আর এদিক-ওদিক তাকাচ্ছে লোকটা। শাখাগুলো ছাঁটার ফাঁকে ফাঁকে আড়চোখে লোকটার পা থেকে মাথা পর্যন্ত লক্ষ্য করছে রবিন, আর ভাবছে এতবড় জোয়ানটার সাথে লাগতে যাওয়া কি ঠিক হলো? এমনিতে রবিন হুড লম্বা, কিন্তু এ লোক তার চেয়েও কমপক্ষে একহাত বেশি লম্বা, সাত ফুটের কম তো নয়ই। নিজের চওড়া কাঁধের জন্যে গর্ব অনুভব করতো রবিন, কিন্তু এ লোকের কাঁধ তার চেয়েও এক বিঘৎ বেশি চওড়া। আর কোমরের বেড় কম করেও পঁয়তাল্লিশ ইঞ্চি।

    ‘যাই হোক,’ মনে মনে বললো রবিন। ‘যত বড় পালোয়ানই হও না কেন, বাছা, পিটিয়ে হাতের সুখ মিটিয়ে নেব আজ।’ মুখে বললো, ‘এই যে ঢ্যাঙা বীরপুরুষ, লাঠিটা দেখতে পাচ্ছো? এগোও দেখি যদি সাহস থাকে। ঝর্ণার মাঝখানে এই গাছের ওপর দাঁড়িয়ে যুদ্ধ হবে, একজন আরেকজনকে পিটিয়ে পানিতে না ফেলা পর্যন্ত চলবে যুদ্ধ, যে জয়ী হবে সেই পার হবে প্রথম।’

    ‘ঠিক আছে, কোন আপত্তি নেই আমার,’ বললো লোকটা। বোঁ করে মাথার ওপর লাঠিটা একপাক ঘুরিয়ে নিয়ে এগোলো সামনে।

    শুরু হলো যুদ্ধ। প্রথম কিছুক্ষণ চললো পাঁয়তারা দু’জনেই লাঠি ঘুরাচ্ছে, একদিকে আঘাত করার ভান করে চট করে অন্যদিকে আঘাত করার চেষ্টা করছে, অপরজন সে- আঘাত ঠেকিয়ে দেয়া মাত্র অন্য ধরনের আক্রমণের প্রস্তুতি নিচ্ছে, বুঝে নেয়ার চেষ্টা করছে একে অন্যের দুর্বলতা। কয়েক মিনিটের মধ্যে দুজনই টের পেয়ে গেল প্রতিপক্ষকে কাবু করা সহজ হবে না, দুজনই ওস্তাদ লাঠিয়াল। প্রথম আঘাতের সুযোগ বের করে নিল রবিনই। মাথায় মারার ভান করলো সে, ঠেকাবার জন্যে প্রতিপক্ষ লাঠিটা উঁচু করে ধরতেই আশ্চর্য দ্রুতবেগ লাঠি ঘুরিয়ে মেরে দিলো ওর পাঁজরে।

    রেগে গিয়ে ছোট্ট একটা গর্জন ছাড়লো দৈত্যটা, তারপর এমন জোরে লাঠি চালালো যে সেটা ঠেকাতে গিয়ে সারা শরীরে তীব্র ঝাঁকুনি অনুভব করলো রবিন। কিন্তু বিন্দুমাত্র বিচলিত না হয়ে দ্বিতীয় আঘাতের আগেই চড়াৎ করে একটা বাড়ি লাগিয়ে দিল লোকটার পিঠে। এই সুযোগেরই অপেক্ষা করছিল লোকটা, বাড়িটা সহ্য করে নিয়েছে সে রবিনের মাথাটা অরক্ষিত অবস্থায় পাওয়ার জন্যেই, অত্যন্ত দক্ষতার সাথে প্রচণ্ড এক আঘাত হানলো সে ওর মাথা লক্ষ্য করে। এই এক আঘাতেই যে-কোন মানুষের চিৎ হয়ে পড়ে যাওয়ার কথা, কিন্তু অবিশ্বাস্য দ্রুততার সাথে ঠেকিয়ে দিল রবিন আঘাতটা, পুরোপুরি সফল হলো না যদিও। তেরছা ভাবে চাঁদি ছুঁয়ে গেল প্রতিপক্ষের লাঠি, কুল কুল করে রক্ত নামলো রবিনের গাল বেয়ে। হাসি ফুটে উঠেছে ঢ্যাঙা দৈত্যের মুখে।

    মার খেয়ে খেপে গেল রবিন। ক্ষিপ্র বেগে বেশ কিছুক্ষণ আঘাতের পর আঘাত করে গেল সে। এই প্রচণ্ড আক্রমণের মুখে সম্পূর্ণ আত্মরক্ষামূলক ভূমিকা নিতে বাধ্য হলো প্রতিপক্ষ, একের পর এক মার ঠেকিয়ে গেল শুধু, মারার সুযোগ পেল না।

    বিদ্যুৎ চমকের মত এদিক-ওদিক থেকে নানা রকম মার মারলো রবিন, কিন্তু আশ্চর্য দক্ষতার সাথে সব রকমের আঘাতই ঠেকিয়ে দিচ্ছে ঢ্যাঙা লোকটা, ফাঁকে ফাঁকে সুযোগ মত একটু আধটু আঘাত করতেও ছাড়ছে না। এইভাবে চললো পুরো একটা ঘন্টা। এক ইঞ্চি পিছালো না দুজনের কেউই, শরীরের শক্তি নিঃশেষ হয়ে আসছে, কিন্তু কেউ একটিবার বললো না-হয়েছে, থাক। ছোটখাট অসংখ্য পিট্টি খেয়েছে দুজনেই, এখানে ওখানে ফুলে গেছে বাড়ি খেয়ে, শরীরে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য লাল-নীল-সবুজ দাগ, কিন্তু হার মানলো না কেউই।

    হঠাৎ এক সুযোগে প্রচণ্ড এক আঘাত হানলো রবিন ঢ্যাঙা লোকটার পাঁজরে, আগে যেখানে মেরেছিল ঠিক সেইখানটায়। পড়ে যাচ্ছিল লোকটা, কিন্তু পড়তে পড়তেও সামলে নিয়ে খটাশ করে বাড়ি লাগিয়ে দিল রবিনের মাথায়, ঠিক আগে যেখানে মেরেছিল সেইখানেই। পর মুহূর্তে সামলে নেয়ার বিন্দুমাত্র সুযোগ না দিয়ে কষে এক বাড়ি লাগিয়ে দিল সে রবিনের পিঠে। আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারলো না রবিন হুড, ধড়াশ করে ডিগবাজি খেয়ে পড়লো পানিতে। কয়েক ঢোক পানি খেয়ে ভেসে উঠলো ওপরে।

    হা-হা করে হেসে উঠলো ঢ্যাঙা দৈত্য। ‘কি খবর, তীরন্দাজ সাহেব! কোথায় হাবুডুবু খাওয়া হচ্ছে?’

    ‘কোথায় আবার-পানিতে,’ বললো রবিন নির্বিকার কণ্ঠে। ডাঙার দিকে এগোলো সে। ‘জিতলে তুমিই। বাপ্‌স, মাথার মধ্যে ভন ভন করছে, যেন জুন-সকালের মৌচাক একটা।’ কথা বলতে বলতে হাঁটু পানিতে চলে এলো রবিন। পায়ের ফাঁক দিয়ে ইতি- উতি পালাচ্ছে ছোট ছোট মাছগুলো। শিঙাটা মুখে তুলে তিনটে ফুঁ দিলো সে, তারপর তীরের একটা ঝোপ আঁকড়ে ধরে উঠে এলো ওপরে।

    ‘জিতেছি বটে,’ বললো দৈত্য, ‘কিন্তু তুমিও কম দেখাওনি, বাপু। লড়েছো বীরের মত। এত দুর্দান্ত লেঠেল আজ পর্যন্ত চোখে পড়েনি আমার।’

    ‘আমারও না,’ বললো রবিন।

    এমনি সময়ে কাছাকাছি শুকনো পাতা মাড়ানোর শব্দ পাওয়া গেল, খশ খশ আওয়াজ আসছে ঝোপ-ঝাড় নড়ার, ‘দু’একটা শুকনো ডাল মট মট করে ভাঙছে যেন কাদের পায়ের চাপে, তারপর প্রায় একসাথে জঙ্গলের আড়াল থেকে উঁকি দিলো বিশ- ত্রিশজন সবুজ পোশাক পরা শক্ত সমর্থ লোক। সবার আগে মাচ, ওয়াট আর উইল

    ‘আরে, ওস্তাদ! ভিজে যে একেবারে চুপসে গেছো দেখছি!’ বললো মাচ।

    ‘ভিখারীর কাথার মত সারা শরীরে এত লাল নীল সবুজ বেগুনি রঙ কেন?’ জানতে চাইলো উইল। ‘এই হাল হলো কি করে তোমার?’

    ‘ওই যে,’ আঙুল তুলে ঢ্যাঙা দৈত্যকে দেখালো রবিন, ‘ওই লোক প্রথমে আচ্ছা মত পিটিয়েছে, তারপর পানিতে ফেলেছে আমাকে।’

    ‘কী! এতবড় সাহস!’ গর্জন করে উঠলো কয়েকজন।

    একসাথে সবাই ঝাঁপিয়ে পড়তে যাচ্ছিল লোকটার ওপর, হাসলো রবিন, একটা আঙুল তুলে থামতে বললো ওদের। ‘ওর গায়ে হাত তুলো না কেউ। সাহসী আর গুণী লোকের ওপর কোন অন্যায় অত্যাচার করি না আমরা। ওর সাথে প্রতিযোগিতায় নেমেছিলাম, হেরে গেছি-ব্যাস, খতম। ওর ওপর কোন রাগ নেই আমার। সত্যিকার বীরের মত লড়াই করে জিতেছে ও।’ লোকটার দিকে ফিরলো এবার রবিন। ‘তোমাকে পেলে খুব খুশি হবো আমরা। আসবে? যোগ দেবে আমাদের দলে?’

    ‘তোমার দলে?’ মাথা নাড়লো ঢ্যাঙা দৈত্য। উঁহুঁ। আমার চেয়ে অযোগ্য কারও নেতৃত্ব আমি মানতে পারি না

    ‘কি দিয়ে মাপ নেবে তুমি যোগ্যতার?’ ভুরু কুঁচকে জানতে চাইলো রবিন, হাত তুলে দলের সবাইকে দেখালো, ‘তুমি কি মনে করো এরা সবাই আমার চেয়ে সবদিক থেকে অযোগ্য? মোটেও না। কেউ বুদ্ধিতে আমার চেয়ে বেশি, কেউ বিদ্যায়; কেউ গায়ের জোরে, কেউ ক্ষিপ্রতায়, কেউ লাঠি খেলায়, কেউ তলোয়ারে, কেউ অভিজ্ঞতায়, কেউ…’

    ‘তাহলে কেন মেনে নিচ্ছে ওরা তোমাকে নেতা হিসেবে?’

    ‘আমি এদের মধ্যে সেরা তীরন্দাজ।’

    ‘তাই বুঝি?’ হেসে উঠলো দৈত্য। তা এসো না, সে ব্যাপারেও হয়ে যাক একহাত?’

    ‘তীর-ধনুকেও ভাল হাত বুঝি তোমার?’

    ‘পরীক্ষা প্রার্থনীয়,’ কপট বিনয়ে পিঠ বাঁকিয়ে মাথা ঝুঁকালো ঢ্যাঙা।

    ‘বেশ,’ মুচকি হাসলো রবিন। আচ্ছা ত্যাদোড় লোক মনে হচ্ছে! ঠিক আছে, উইল, চার আঙুল লম্বা আর চার আঙুল চওড়া এক টুকরো গাছের ছাল কেটে আনো। উল্টো দিকটা যেন সাদা হয়।’ এক মিনিটের মধ্যেই কাছের উইলো গাছ থেকে এক টুকরো ছাল নিয়ে এলো উইল। দূরের একটা ওক গাছের দিকে আঙুল তুললো রবিন। ‘আশি গজ দূরের ঐ ওক গাছের গায়ে সেঁটে দিয়ে এসো ওটা।’ ঢ্যাঙা দৈত্যের দিকে ফিরলো সে, ‘খুব বেশি দূর হয়ে যায় এটা?’

    ‘মোটেও না, মোটেও না,’ উত্তর দিলো সে খুশি মনে। ভাল দেখে একটা ধনুক আর তাঁর দাও, যদি লাগাতে না পারি, ঐধনুকের ছিলা দিয়ে পিটিয়ে আমার পিঠের ছাল তুলে নিয়ো।

    সবার বাড়িয়ে ধরা ধনুকগুলো থেকে নিজের পছন্দসই শক্তপোক্ত একটা ধনুক বেছে নিল লোকটা, অনেক দেখে শুনে বাছাই করলো একটা নিখুঁত সোজা তীর, তারপর দাঁড়ালো গিয়ে দাগের ওপর, যেখান থেকে ছুঁড়তে হবে তীর। বাকি সবাই, কেউ বসে, কেউ নরম ঘাসের গালিচায় শুয়ে অপেক্ষা করছে উইলের ফিরে আসার।

    ফিরে এলো উইল। ডান পা-টা পিছিয়ে নিয়ে দৃঢ় ভঙ্গিতে দাঁড়ালো দৈত্যটা, ধনুকে তীর জুড়ে একটানে কানের পাশে নিয়ে এলো ছিলাটা; লক্ষ্যস্থির করেই ছুঁড়লো তাঁর। আশ্চর্য! সোজা গিয়ে লাগলো তীর ছোট্ট বাকলটার একেবারে কেন্দ্রবিন্দুতে। হা হা করে হেসে উঠলো দৈত্য। ফিরলো রবিনের দিকে, ‘ঠিক কেন্দ্রবিন্দুটা দখল করে নিয়েছি আমি। দেখা যাক তোমার তীর কোথায় লাগে।’

    লোকটার আশ্চর্য হাতের টিপ দেখে প্রশংসার গুঞ্জন উঠলো সবার কণ্ঠে, কেউ কেউ হাততালি দিয়ে উঠলো খুশিতে। কিন্তু রবিনকে দাগের ওপর এসে দাঁড়াতে দেখে মুখ শুকিয়ে গেল সবার। এইবার? পরস্পরের মুখের দিকে চাইলো ওরা। কি করবে রবিন? এর চেয়ে ভাল আর কি করতে পারে সে?

    ধনুকে তীর যোজনা করলো রবিন, অত্যন্ত সতর্কতার সাথে লক্ষ্যস্থির করে ছুঁড়লো তীর। অকল্পনীয় ব্যাপার! রবিনের তীরটা সোজা গিয়ে ঢুকলো কেন্দ্রবিন্দুতে সেঁধিয়ে থাকা তীরের পিছন দিকটায়, চড় চড় করে সেটাকে দু’ফাঁক করে চিরে দিয়ে থামলো গিয়ে ফলার কাছে। লাফিয়ে উঠে দাঁড়ালো সবাই, আকাশ কেঁপে উঠলো ওদের প্রাণখোলা হর্ষধ্বনিতে।

    হাঁ হয়ে গিয়েছিল ঢ্যাঙা দৈত্যের মুখটা। চট্ করে মাথা থেকে টুপি খুলে কুর্নিশের ভঙ্গিতে অভিবাদন করলো সে রবিনকে। ‘আশ্চর্য! সত্যিই আশ্চর্য! এমন কাণ্ড জীবনে দেখিনি আমি! ধনুকের জাদুকর দস্যু রবিনও হার মানবে তোমার কাছে!’

    ‘চেনো তুমি রবিন হুডকে?’ ভুরু কুঁচকে জানতে চাইলো রবিন

    ‘চিনি না। তবে তার নাম শুনেই এসেছি আমি বহুদূর থেকে। খুঁজছি তাকে।’

    ‘কেন খুঁজছো তাকে বলো তো?’

    ‘তার দলে যোগ দেব বলে।’

    খুশিতে উদ্ভাসিত হয়ে উঠলো রবিনের মুখ। একটা হাত বাড়িয়ে দিল সামনে। ‘তুমি পেয়েছো তাকে খুঁজে, লোকটার ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে যাওয়া মুখের দিকে চেয়ে হাসলো সে। ‘রবিন হুডকেই পিটিয়ে পানিতে ফেলেছো তুমি আজ।’

    সাগ্রহে চেপে ধরলো লোকটা রবিনের বাড়িয়ে ধরা হাত। ছি, ছি! আগেই পরিচয় দেয়া উচিত ছিল তোমার।’

    তাহলে কি তোমার গুণের পরিচয় পেতাম? হাড়ে হাড়ে টের পেয়ে গেলাম, সেটাই ভালো হলো না? তোমার মত গুণী লোকের দরকার আছে আমাদের। আজ থেকে তুমি আমাদের একজন হলে, আমাদের সুখ-দুঃখের ভাগীদার। ভাল কথা, কি নামে ডাকবো তোমাকে?’

    ‘আমার নাম জন লিটল।’

    ‘জন লিটল?’ হা হা করে হেসে উঠলো উইল স্টিউটলি। ‘চেহারাটা লিটল-ই বটে।’ আবার হাসলো এক পেট। উঁহু, ও নামে চলবে না। তুমি নতুন ঢুকছো দলে, নতুন ভাবে নামকরণ হবে তোমার। আমি রাখবো তোমার নাম।

    ‘কি নাম রাখবে ভাবছো?’ জানতে চাইলো মাচ।

    ‘উল্টে দেব নামটা। এখন থেকে ওর নাম হবে লিটল জন, মানে, ছোট্ট জন। দেখতে পাচ্ছো না কি রকম ছোটখাট পাহাড়টা?’

    হো হো করে হেসে উঠলো সবাই। এই বিশাল দৈত্যের মত লোকটাকে ‘লিটল জন’ বলে ডাকার কথা ভেবে প্রচুর মজা পেল সকলে। তখনও ওরা কেউ জানে না, রবিন হুডের একান্ত বিশ্বস্ত নির্ভীক অনুচর হিসেবে বিশ্ববিখ্যাত হতে চলেছে এই লিটল জন।

    আজকের মত রোমাঞ্চের সাধ মিটে গেছে রবিনের। সবাই মিলে ফিরে চললো ওরা নিজেদের গুহার দিকে। পথে দুটো হরিণ মেরে সাথে নিল। লিটল জনের সম্মানে ভুরি-ভোজের আয়োজন হবে আজ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৬৫ – কাউণ্ট কোবরা
    Next Article মাসুদ রানা ৪৬৮ – স্বর্ণলিপ্সা

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }