Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রবিনহুড – কাজী আনোয়র হোসেন

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প347 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩. আর্থার এ ব্ল্যাণ্ড

    ৩. আর্থার এ ব্ল্যাণ্ড

    বেশ কিছুদিন পরের কথা। দলের সবার প্রিয়পাত্র হয়ে উঠেছে লিটল জন। সবাই মিলে বিপুল বিক্রমে ঠেকিয়ে দিয়েছে শেরিফের একের পর এক বেশ কয়েকটা আক্রমণ। অসম সাহস, কূট রণ-কৌশল আর মহান হৃদয়ের পরিচয় দিয়ে নিজেকে লিটল জন প্রতিষ্ঠা করেছে রবিন হুডের ডান হাত হিসেবে। নেতার প্রতি ভক্তিতেও সে সবার সেরা।

    একদিন মে মাসের বিকেলে নিজেদের আস্তানায় গ্রীনউড গাছের নিচে সবুজ ঘাসের গালিচায় শুয়ে-বসে গল্প করছিলো কয়েকজন, গরমে কেমন একটা আলস্য-আলস্য ভাব সবার শরীরে, হালকা হাসি তামাশায় গুলজার হয়ে উঠেছিল আড্ডা। কাছেই ছোট্ট ঝর্ণাটা বয়ে চলেছে কুলকুল শব্দে, তার সাথে মিশে অপূর্ব সুন্দর এক পরিবেশের সৃষ্টি করেছে কোকিল আর ঘুঘুর উদাস মিষ্টি গান। বিশাল ওকের মস্ত ডালগুলো দুলছে মৃদু মন্দ হাওয়ায়, চিক চিক করছে পাতাগুলো। শেষ বিকেলের রোদে সবুজ ঘাসের ওপর ঝিলমিল করছে আলোছায়ার খেলা।

    দলের বেশির ভাগ লোকই ছোট ছোট উপদলে ভাগ হয়ে নানান কাজে চলে গেছে জঙ্গলের এদিক-ওদিকে। আস্তানা পাহারায় রয়েছে কেবল পাচ-ছয়জন। রবিনের পাশেই শুয়ে আছে লিটল জন মস্ত লাঠিটা কোল বালিশের মত করে ধরে; তার পাশে আধ-শোয়া হয়ে বসে আছে সুশ্রী উইল স্টিউটলি, বুদ্ধিতে যার জুড়ি মেলা ভার; রবিনের আরেক পাশে রয়েছে উইল স্কেদলক, পাকানো দড়ির মত শরীর, চোখে হাউণ্ডের দৃষ্টি-দৌড়ে কেউ পারে না ওর সাথে; তার ওপাশে রয়েছে ডংকাস্টারের ডেভিড-বিশাল ধড়, প্রায় লিটল জনের সমান, তেমনি গায়ের জোর, খুবই অল্প বয়স, দাড়ি গোঁফ মাত্র গজাতে শুরু করেছে।

    হঠাৎ হাঁটুর উপর একটা চাপড় মারলো রবিন। ‘আরে, কাপড়ের কথা তো ভুলেই গেছিলাম! লিংকন গ্রীন শেষ হয়ে গেছে সেই কবে। সামনেই আসছে কাপড় বিলির তারিখ। এক্ষুণি অ্যাংকাস্টারে লোক না পাঠাতে পারলে বেইজ্জতি কারবার হয়ে যাবে।’ ভুরু কুঁচকে চিন্তা করলো এক সেকেণ্ড, তারপর কনুই দিয়ে গুঁতো মারলো লিটল জনের পাঁজরে। শুয়ে-বসে মেদ জমে যাচ্ছে তোমার শরীরে, লিটল জন। একটু হাঁটাহাঁটি করে এসো, যাও। সোজা অ্যাংকাস্টারে গিয়ে হিউ লঙশ্যাংক্সকে বলবে যেন যত শীঘ্রি সম্ভব চারশো গজ লিংকন গ্রীন কাপড় পাঠিয়ে দেয়। বুঝতে পেরেছো?’

    অনিচ্ছাসত্ত্বেও উঠে বসলো লিটল জন। গল্পগুজব ছেড়ে এক্ষুণি উঠে পড়তে বলায় মনটা বেজার হয়ে গেছে তার। উশখুশ করে বলেই ফেললো, ‘এক্ষুণি যেতে হবে? কাল সকালে রওনা দিলে হয় না? সন্ধে হয়ে আসছে…’

    ‘সেজন্যেই রওনা হতে বলছি এখুনি। যে রকম ছোটখাট মানুষটা তুমি, দিনের বেলায় পথ চললে ঠিক চোখে পড়ে যাবে কারও। তোমার জন্যে রাতের অন্ধকারে পথ চলাই নিরাপদ।’

    কথা না বাড়িয়ে আড়মোড়া ভেঙে উঠে দাঁড়ালো লিটল জন, কটিবন্ধ এঁটে নিয়ে হাত পাতলো টাকার জন্যে। কাপড়ের দাম বাবদ যা হয় তার সাথে আরো কিছু হাতখরচের টাকা দিয়ে দিল রবিন। লাঠি হাতে রওনা হয়ে গেল সে।

    জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে সরু আঁকাবাঁকা পথ ধরে এগিয়ে চলেছে লিটল জন। হাঁটছে আর শিস দিচ্ছে। হাঁটতে হাঁটতে অনেক দূর এসে হঠাৎ রাস্তার একটা তেমাথায় থমকে দাঁড়ালো সে। বন্ধ হয়ে গেল শিস। একটা রাস্তা চলে গেছে সোজা বহুদূরের শহর অ্যাংকাস্টারের দিকে, আরেকটা দিয়ে কিছুদূর এগোলেই শেরউডের বিখ্যাত সেই ব্লু বোর সরাইখানা। একবার এপথ আরেকবার ওপথের দিকে বার কয়েক চাইলো সে, তারপর টুপিটা একপাশে কাত করে মাথার পিছনটা চুলকালো। দুই টুকরো হয়ে গেছে মনটা। এক টুকরো বলছেঃ একটু এগোলেই তো ব্লু বোর সরাইখানা। খরচের টাকা রয়েছে পকেটে, কয়েক ঢোক ‘অক্টোবর এল,’ সেইসাথে ভাল কয়েকজন লোক পেলে উফ্, দারুণ জমে যাবে আড্ডা! অপর টুকরো বলছেঃ কোন ধানাইপানাই শুনতে চাই না, সোজা পা বাড়াও অ্যাংকাস্টারের পথে, যে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে সেটা পালন করো।

    কিন্তু পা আর বাড়ে না। কর্তব্য পালনের চেয়ে ফূর্তির আহ্বান অনেক অনেক বেশি আকর্ষণীয়। আকাশের দিকে চাইলো সে। পরিষ্কার নীল আকাশে আলস্যভরে ভাসছে উজ্জ্বল সাদা মেঘের ভেলা, সোয়ালো পাখিরা উড়ছে ঘুরে ঘুরে। হঠাৎ ভুরু কুঁচকে ফেললো সে। ভাবলো, মনে হচ্ছে, বৃষ্টি হবে আজ সন্ধ্যায়। এই বৃষ্টি থেকে বাঁচতে হলে আমার ব্লু বোরে গিয়ে আশ্রয় নেয়া উচিত। যেই থামবে অমনি রওনা হয়ে যাব আবার। কাজ দিয়েছে বটে, কিন্তু বৃষ্টিতে ভিজে জ্বর বাধাই, এটা নিশ্চয়ই চাইবে না রবিন।’ যেমন ভাবা তেমনি কাজ। দীর্ঘ পদক্ষেপে এগোলো সে সরাইখানার দিকে

    বেশ কিছুটা দূর থেকেই সরাইখানার হৈ-হল্লা আর গানের আওয়াজ পেয়ে দ্রুততর হলো ওর চলার গতি। ঢুকেই দেখলো চার পাঁচজনে চমৎকার জমিয়ে তুলেছে আড্ডা, সবার হাতে মদের পাত্র। ওকে দেখে খুশি হয়ে উঠলো সবাই। চমৎকার খাবার এলো, গ্লাসের পর গ্লাস মদ এলো, হাসি-ঠাট্টা-গল্পে রাত হয়ে গেল মেলা। অত রাতে রওনা হওয়ার চিন্তা বাদ দিয়ে সরাইখানাতেই একটা ঘর নিয়ে রাতটা কাটিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিল লিটল জন।

    কাজটা ভাল করলো না সে। কারণ কর্তব্যে অবহেলা করলে কোন না কোন ভাবে তার শাস্তি পেতেই হয়।

    সকালে ঘুম থেকে উঠেই রওনা হয়ে গেল লিটল জন। চারপাশে চেয়ে যখন বৃষ্টির কোন চিহ্নই দেখতে পেল না, শুকনো খটখট করছে মাঠ ঘাট, তখন মনে মনে ভারি লজ্জা পেল সে। সময় কিছুটা পুষিয়ে নেয়ার জন্যে প্রায় দৌড়ের গতিতে ছুটলো সে অ্যাংকাস্টারের পথে।

    .

    ব্লাইদ শহরে বাস করতো আর্থার এ ব্ল্যাণ্ড নামে এক দুর্দান্ত সাহসী লোক। চামড়া রঙ করা ছিল তার পেশা। যেমন সাহস, তেমনি গায়ের জোর ছিল লোকটার। কুস্তি ও লাঠি খেলায় আশেপাশে জুড়ি ছিল না তার। কুস্তিতে পাঁচ বছর ছিল সে মিডকান্ট্রি চ্যাম্পিয়ান। একবার লিংকনের অ্যাডামের সাথে লড়তে গিয়ে পাঁজরের একটা হাড় ভেঙে যাওয়ায় কুস্তি ছেড়ে দিয়ে লাঠিকেই আঁকড়ে ধরেছে সে আরো জোরে শোরে। আজ পর্যন্ত আধঘন্টার বেশি কেউ টিকতে পারেনি ওর সাথে লাঠি খেলায়। লাঠি ছাড়া আর একটি ব্যাপারে ছিল তার দারুণ পারদর্শিতা গভীর চাঁদনি রাতে তীর-ধনুক নিয়ে বেরিয়ে পড়তো সে জঙ্গলে, পায়ের ছাপ দেখে দেখে চিনে বের করতো হরিণের ডেরা, আশেপাশে জঙ্গল-রক্ষী না থাকলে এক-আধটা মেরে নিয়ে যেত বাড়িতে। যদিও ধরতে কোনদিন পারেনি, সন্দেহ ঠিকই করতো, বছরের এই সময়টায় তীক্ষ্ণ নজর রাখতো জঙ্গল রক্ষীরা ওর গতিবিধির ওপর।

    লিটল জন যেদিন কাপড় কিনতে রওনা হলো তার আগের দিন গোটা দশেক গরুর পাকা চামড়া বিক্রি করতে গিয়েছিল আর্থার নটিংহাম শহরে। লিটল জন যেদিন ভোরে উঠে আবার রওনা দিল অ্যাংকাস্টারের পথে, সেদিন সে-ও একই পথ ধরে ফিরছে ব্লাইদ শহরে-হাতে প্রিয় লাঠি, মাথায় ডবল চামড়া দিয়ে তৈরি খুবই শক্ত এক টুপি।

    পথের ওপর এক জায়গায় হরিণের পায়ের ছাপ দেখতে পেয়ে থমকে দাড়ালো আর্থার। ‘সাথে ধনুক অবশ্য নেই,’ মনে মনে বললো সে। কিন্তু শুধু কি মারতেই? ওদের দেখতেও তো মজা।’ এই বলে রাস্তা ছেড়ে পায়ের চিহ্ন অনুসরণ করে জঙ্গলে ঢুকলো সে। এ-ঝোপ ও-ঝোপের আড়ালে উঁকি ঝুঁকি মারতে মারতে পায়ের দাগ ধরে এগোলো আর্থার, মনের মধ্যে আশার পুলক-এই বুঝি দেখা মেলে সুন্দর একপাল হরিণের।

    এদিকে হাঁটছে আর ভোরের প্রাকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করছে লিটল জন, গুন গুন করে গান গাইছে এক-আধ কলি। মে সকালের বাতাসে আজ মিষ্টি বুনো ফুলের সুবাস, ফুলে ফুলে ছেয়ে আছে এখানে-ওখানে দাঁড়িয়ে থাকা ক্র্যাব ট্রী, শিশির ভেজা ঘাসের উপর থেকে লাফিয়ে উঠে শূন্যে ঝুলছে লার্ক পাখি-হলুদ রোদ লেগে ঝলমল করছে পাখা, আকাশ থেকে সুধা বর্ষণ করছে তার মিষ্টি সুরেলা গান। কপাল খারাপ, হাঁটতে হাঁটতে আর্থার এ ব্ল্যাণ্ডের কাছাকাছি এসে পৌঁছলো সে, ঝোপঝাড় নড়ার খশ খশ আওয়াজ পেয়ে থমকে দাঁড়ালো। ভাল করে লক্ষ্য করতেই খয়েরি চামড়ার টুপি দেখতে পেল সে আর্থারের।

    ‘করে কি ব্যাটা!’ বিড় বিড় করে বললো লিটল জন। ‘এরকম উঁকিঝুঁকি মারার কি অর্থ? নিশ্চয়ই ব্যাটা হরিণ-চোর। হাতে নাতে ধরতে হয় তো ব্যাটাকে!’ রাস্তা ছেড়ে জঙ্গলে ঢুকলো সে-ও, অনুসরণ করে চললো আর্থারকে।

    বহুক্ষণ ধরে চললো এই রকম-লিটল জন পিছু নিয়েছে আর্থারের, আর আর্থার পিছু নিয়েছে হরিণের। হঠাৎ একটা শুকনো ডাল মাড়িয়ে ফেললো লিটল জন, মট্ করে ভাঙলো ডালটা। সাথে সাথেই পাঁই করে ঘুরে দাঁড়ালো আর্থার এ ব্ল্যাণ্ড।

    সিধে হয়ে দাঁড়ালো লিটল জন। হেঁড়ে গলায় হাঁক ছাড়লো, ‘অ্যাই! কে তুমি? চোরের মত উকিঝুঁকি মেরে কি করা হচ্ছে? মতলবটা কি? চেহারা দেখে তো মনে হচ্ছে শয়তানের ধাড়ি!’

    কথা শুনে রেগে গেল আর্থার। যদিও হঠাৎ ওর কয়েক হাত পেছনেই এরকম দৈত্যের মত লোক দেখে একটু চমকে গিয়েছিল প্রথমে, কিন্তু সামলে নিল দ্রুত। কারো হাঁক-ডাকে দমবার পাত্র সে নয়। তুমিই বা কি করছো শুনি?’ জানতে চাইলো সে। আর চেহারাটা আমার যেমনই হোক না কেন, জেনে রাখো, তোমাকেও তার চেয়ে ভালো কিছু দেখাচ্ছে না

    ‘বেশি বড় কথা মানাচ্ছে না ছোট মুখে,’ বললো লিটল জন। ‘জঙ্গল রক্ষার দায়িত্ব রয়েছে আমার ওপর। কি করছো এখানে, জবাব দাও। সন্তোষজনক উত্তর দিতে না পারলে পিটিয়ে লাশ করবো আজ তোমাকে।’

    ‘তাই নাকি?’ টিটকারির সুরে জানতে চাইলো আর্থার। তা একা তোমার পক্ষে তো সেটা সম্ভব হবে না, আরো যদি কেউ থাকে, ডেকে নিয়ে এসো তাদের।’

    ‘আমি একাই একশো!’ হাঁক ছাড়লো লিটল জন। ‘তোমাকে পেটাতে কারও সাহায্যের দরকার পড়বে না আমার।’

    ‘পড়বে হে, পড়বে। পিট্টি খেলে বাপ-চাচা যত আছে সবাইকে ডাকতে শুরু করবে তারস্বরে। আশে পাশে তাদের কেউ না থাকলে শেষ পর্যন্ত জানে বাঁচাবে কে তোমাকে? লাঠিটা একবার ধরলে আবার হুঁশ থাকে না আমার।’

    ভুরু কুঁচকে ভয়ঙ্কর চেহারা ধারণ করলো লিটল জন। বললো, ‘পাগল নাকি ব্যাটা! যাই হোক, পাগলই হও আর ছাগলই হও, অনেক বড় কথা উচ্চারণ করে ফেলেছো-আজ তোমার রক্ষা নেই। এমন রাম প্যাদানি দেব আজ, বাপের নাম ভুলে যাবে, ডাকতে গিয়ে দেখবে নাম মনে নেই কারও। ঠিক আছে, ধরো দেখি লাঠি, দেখা যাক কতক্ষণ হুঁশ থাকে।’

    ‘বেশ!’ লাঠি হাতে তৈরি হলো আর্থার। কাজেই পুরুষের পরিচয়, কথা দিয়ে ছুঁচোও মারা যায় না। তবে আগেই সাবধান করে দিচ্ছি তোমাকে, বাপু, আমার নাম আর্থার এ ব্ল্যাণ্ড, হাড়গোড় কিন্তু আস্ত রাখবো না।’

    ‘সে দেখা যাবে!’ রাগে পিত্তিটা জ্বলে গেছে লিটল জনের, কিন্তু তাই বলে লড়াইয়ের নিয়ম ভোলেনি। বললো, দাঁড়াও, তোমার চেয়ে আমার লাঠিটা দেড় ফুট বেশি লম্বা, মাপ দিয়ে আগে কেটে ফেলি বেশিটুকু।

    ‘কোন দরকার নেই তার,’ জবাব দিল আর্থার। আরো দেড় ফুট বড় হলেও আমার কোন অসুবিধে নেই। এসো!’ আর কথা না বাড়িয়ে লাঠির মাঝামাঝি জায়গা দু’হাতে শক্ত করে ধরে ধীর পায়ে এগোল দু’জন দু’জনের দিকে। দুজনের চোখেই ক্রোধের স্ফুলিঙ্গ, পারলে চিবিয়ে খেয়ে ফেলবে একে অপরকে।

    .

    এদিকে রবিন হুডের কানে পৌঁছে গেছে লিটল জনের গাফিলতির কথা। নির্দেশ মত অ্যাংকাস্টারে না গিয়ে ব্লু বোর সরাইখানায় আমোদ-ফুর্তি করে রাত কাটিয়েছে লিটল জন, এই খবর পেয়েই রক্ত চড়ে গেল তার মাথায়। ‘দাঁড়াও, মজা দেখাচ্ছি!’ বলে ভোরবেলাই বেরিয়ে পড়লো সে ব্লু বোরের উদ্দেশে। আজ তোমার একদিন কি আমার একদিন! রাগের মাথায় হন হন করে হাঁটছে, আর মনে মনে কড়া সব বাক্য রচনা করে চলেছে একের পর এক। সামনে পেলে হয়, ধুয়ে ফেলে দেবে আজ সে লিটল জনকে। ব্লু বোরে গিয়ে লিটল জনকে না পেয়ে ছুটলো সে অ্যাংকাস্টারের পথ ধরে। গায়ের ঝাল ঝাড়তে না পারলে কিছুতেই শান্তি আসছে না মনে। বেশ অনেকটা পথ চলার পর জঙ্গলের মধ্যে থেকে চড়া গলার বাকবিতণ্ডা কানে এলো ওর। ঝগড়া করছে দু’জন লোক ধমকের সুরে।

    ‘আরে!’ থমকে দাঁড়ালো রবিন হুড। আমাদের লিটল জনের গলা না?’ কান খাড়া করে শোনার চেষ্টা করলো সে। ‘নাহ, অপর কণ্ঠস্বরটা চেনা যাচ্ছে না। জঙ্গল-রক্ষীদের হাতে পড়লো না তো আবার ব্যাটা? দেখতে হয়!’

    লিটল জন বিপদে পড়েছে ভেবে কর্পূরের মত উবে গেল রবিনের সব রাগ। অতি সন্তর্পণে ঝোপ ঝাড়ের আড়ালে আড়ালে এগিয়ে গেল সে উত্তেজিত কণ্ঠস্বর লক্ষ্য করে। কাছাকাছি এসে আলগোছে একটা ঝোপের কিছু পাতা একপাশে সরাতেই দেখতে পেল সে লাঠি হাতে ধীর পায়ে এগোচ্ছে দু’জন দু’জনের দিকে।

    ‘আচ্ছা!’ মনে মনে বললো রবিন হুড, ‘চমৎকার একটা খেলা জমেছে দেখা যাচ্ছে! কসম খোদার, তিনটে সোনার গিনি দেব আমি লোকটাকে, যদি আচ্ছামত পিট্টি দিতে পারে ওই বদমাশকে। খুবই খুশি হতাম আমি তাহলে, কিন্তু…সেটা কি সম্ভব? এমন একটা ঘটনা চাক্ষুষ করার সৌভাগ্য কি হবে আমার? দেখা যাক, বাগাড়ম্বর দেখে তো মনে হয় এ-ও কম যাবে না।’ এই বলে লম্বা হয়ে শুয়ে পড়লো সে মাটিতে।

    গোল হয়ে ঘুরছে দু’জন একে অপরের চোখে চোখ রেখে, দুজনেই সুযোগ খুঁজছে অপরের অন্যমনস্কতার, সামান্যতম দুর্বলতা পেলেই আঘাত করবে সেখানে। ঘুরতে ঘুরতে হঠাৎ প্রতিপক্ষের পদক্ষেপে সামান্য একটু দুর্বলতার আভাস পেয়ে প্রথম আঘাত হানলো লিটল জন তড়িৎ বেগে। খটাশ করে আটকে দিল আর্থার সে-আঘাত, এবং সাথে সাথেই পাল্টা আঘাত করলো। ব্যাস, শুরু হয়ে গেল যুদ্ধ। লাফিয়ে সামনে যাচ্ছে, পিছনে আসছে, ডাইনে যাচ্ছে, বাঁয়ে আসছে দু’জন; পটাপট লাঠির বাড়ি পড়ছে এত জোরে আর এত দ্রুত যে দূর থেকে কেউ শব্দ শুনলে মনে করবে একসাথে মারামারি করছে এক ডজন লোক। ঝাড়া তিরিশ মিনিট ধরে তুমুল লড়াই করে চললো দু’জন, দাপাদাপিতে চষা জমির মত অবস্থা হলো মাটির, লাঙল টানা বলদের মত ফোঁস ফোঁস শ্বাস পড়ছে। দু’জনই মার খাচ্ছে, সুযোগ পেলে কেউ কাউকে ছাড়ছে না, কিন্তু বেশির ভাগ মার পড়ছে লিটল জনের ভাগে, কারণ গভীর রাত পর্যন্ত জেগে আকণ্ঠ মদ খেয়ে শরীরের অবস্থা তার খুব ভাল নয়, তার ওপর রবিনের ভয়ে খুব ভোরে উঠে কিছু মুখে না দিয়েই বেরিয়ে পড়েছে সে অ্যাংকাস্টারের পথে।

    একটা করে মার খায় লিটল জন, আর হাসি ফুটে ওঠে রবিনের মুখে। এখনো নিশ্চিত সে, শেষ পর্যন্ত জয় হবে লিটল জনেরই। কারণ, নিজেও পাকা লাঠিয়াল রবিন, আর্থারের খেলার মধ্যে ছোটখাট দু’একটা ত্রুটি যখন ওর চোখে ধরা পড়ছে; ও জানে, ওর চেয়ে অনেক গুণে বেশি পাকা লাঠিয়াল লিটল জনের চোখে দোষগুলো ধরা পড়বেই, ঠিক সময় মত সুযোগের সদ্ব্যবহার করবে সে। কিন্তু আরো কিছুক্ষণ দেখার পর টের পেল রবিন, আসলে ওগুলো ত্রুটি নয় আর্থারের, ইচ্ছেকৃত ভাবে তৈরি ফাঁদ। একবার একটা ভুলের সুযোগ নিতে গিয়ে বেমক্কা মার খেয়ে মাটিতে পড়ার দশা হলো লিটল জনের, বহু কষ্টে সামলে নিল সে নিজেকে। মনে মনে হাজারবার বাহবা দিল রবিন আর্থারকে।

    কিন্তু ঝানু লেঠেল লিটল জন, সুযোগ সে ঠিকই বের করে নিল একবার। ফাঁক পেয়ে প্রচণ্ড জোরে শরীরের সর্ব শক্তি দিয়ে আঘাত করলো সে প্রতিপক্ষের মাথায়। ঐ আঘাত খেয়ে তাগড়া জোয়ান ষাঁড়েরও হুমড়ি খেয়ে পড়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু বাঁচিয়ে দিল ওকে ওর মাথার ডবল চামড়ার টুপি। টাল সামলাতে গিয়ে উল্টোপাল্টা পা ফেলে কয়েক হাত পিছনে সরে যেতে হলো আর্থারকে। যদি সাথে সাথে এগিয়ে গিয়ে আরো আঘাত করতো লিটল জন, তাহলে জয় ছিল ওর সুনিশ্চিত, কিন্তু কল্পনাও করতে পারেনি সে এই আঘাতের পরেও দাঁড়িয়ে থাকতে পারে কোন মানুষ। যখন দেখলো দু’পায়ের ওপরই খাড়া আছে লোকটা এখনো, এগিয়ে গেল সে, কিন্তু ততক্ষণে সামলে নিয়েছে আর্থার, লিটল জন কাছে আসতেই কড়াৎ করে মেরে দিলো মোক্ষম মার। মার খেয়ে হুড়মুড় করে পড়ে গেল লিটল জন, হাত ফসকে ছিটকে দূরে চলে গেল লাঠি। এগিয়ে এসে কষে আরেক বাড়ি লাগালো আর্থার ওর পাঁজরে।

    ‘দাঁড়াও!’ চেঁচিয়ে উঠলো লিটল জন। ‘পড়ে যাওয়া মানুষকেও মারবে তুমি?’

    ‘নিশ্চয়,’ আরেক বাড়ি লাগালো আর্থার। ‘পড়ে যাওয়া না বলে বলো ফেলে দেয়া প্রতিপক্ষকে মারবো কিনা। নিশ্চয় মারবো, একশোবার মারবো। তুমি হলেও তাই করতে।

    ‘থামো! থামো, প্লীজ!’ আর্তনাদ করে উঠলো লিটল জন। হার মানছি। হার মেনে নিচ্ছি আমি!’

    ‘পিট্টিটা যথেষ্ট হয়েছে বলে মনে করো?’ খুশি খুশি গলায় জানতে চাইলো আর্থার। আবার তুললো লাঠি।

    ‘যথেষ্ট, যথেষ্ট! সত্যি বলছি, যথেষ্ট হয়েছে।’

    ‘উচিত শিক্ষা হয়েছে তোমার? ঠিক জানো?’ হালকা করে আরেক বাড়ি লাগালো সে লিটল জনের পিঠে।

    ‘হয়েছে। দোহাই তোমার, হার মেনে নিয়েছি আমি।’

    ‘হুম। মেনে নিচ্ছো যে আমি তোমার চেয়ে ভাল লাঠিয়াল?’

    ‘মেনে নিচ্ছি। সর্বান্তঃকরণে। ব্যাটা পাজির পা-ঝাড়া কোথাকার!’ প্রথম অংশটুকু জোরে, শেষের অংশটুকু নিজের দাড়িকে শুনিয়ে বললো লিটল জন।

    ‘ঠিক আছে। এবার সিধে রাস্তায় নিজের কাজে চলে যাও। খোদার কাছে হাজার শোকর করো যে খুবই দয়ালু এক লোকের পাল্লায় পড়েছিলে আজ। যাও, ছেড়ে দিলাম।’

    ‘তোর দয়ার নিকুচি করেছি আমি!’ বিড় বিড় করে বললো লিটল জন।

    ‘কি বললে?’ ভুরু কুঁচকে জানতে চাইলো আর্থার।

    ‘না, বলছিলাম কি, মনে হচ্ছে চুর চুর হয়ে গেছে পাঁজরার হাড়গুলো। আমার ধারণা ছিল গোটা নটিংহামশায়ারে আমার সমান লাঠিয়াল আর একজনও নেই।’

    ‘আমারও তাই ধারণা ছিল,’ বলেই ঝোপের আড়াল থেকে বেরিয়ে এলো রবিন হুড। হাসতে হাসতে পেটে খিল ধরার অবস্থা হয়েছে ওর, পানি এসে গেছে চোখে। ‘বাহবা, বাহবা! কী মার!’ হতভম্ব আর্থারের হাতে তিনটে গিনি গুঁজে দিলো সে। ‘কাজের কাজ করেছো, ভাই, একটা!’ ফিরলো লিটল জনের দিকে। ‘পুরোটা মারপিট প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত দেখেছি আমি ওই ওখানে শুয়ে শুয়ে। বেড়ে মার খেয়েছো, যাই বলো। এক্কেবারে হামাগুড়ি দিইয়ে ছেড়েছে। তোমাকে খুঁজছিলাম আমি কিছুটা ঝাল ঝাড়বো বলে, আমার নির্দেশ অমান্য করার জন্যে নতুন নতুন গালাগালি তৈরি করতে করতে ছুটছিলাম তোমার পিছন পিছন। কিন্তু এই পরম দয়ালু ব্যক্তিটি সব সাধ মিটিয়ে দিয়েছে আমার। তোমার যা পাওনা কড়ায় গণ্ডায়, সুদে আসলে মিটিয়ে আরও কিছু বেশি দিয়ে দিয়েছে।’

    উঠে বসেছে লিটল জন, মুখের চেহারা দেখে মনে হচ্ছে চিরতার পানি খাওয়ানো হয়েছে ওকে দুই গ্লাস। আর্থারের দিকে ফিরলো আবার রবিন হুড। ‘তোমার নামটা কি, ভাই?’

    ‘লোকে আমাকে আর্থার এ ব্যাণ্ড বলে ডাকে,’ বললো আর্থার। ‘তোমার নাম কি? আর এই গিনি দেয়ারই বা কি অর্থ?’

    ‘পুরস্কার বা মজুরী, যাই বলো-ওটা তোমার। একে কষে পিট্টি লাগাতে পারলে তোমাকে দেব বলে ঠিক করেছিলাম মনে মনে,’ ভুরু কুঁচকে চিন্তা করলো রবিন। ‘কি বললে? আর্থার এ ব্ল্যাণ্ড? আরে, তোমাকে তো আমি চিনি বলে মনে হচ্ছে। গত অক্টোবরে ইলির মেলায় তুমি নটিংহামের জকের চাঁদি ফাটিয়ে দিয়েছিলে না? ওই জক হচ্ছে আমাদেরই এক লোক, উইল স্কেদলক। কিন্তু আজ তুমি যা দেখালে তার তুলনা নেই। এই যে ভদ্রলোক, মাটিতে বসে গা-হাত-পা টিপছেন, চেনো একে? আজ একটু বেকায়দায় পেয়ে মারধোর করেছো বটে, কিন্তু সারা ইংল্যাণ্ডে লাঠি খেলায় এর জুড়ি নেই। সত্যিই নেই। এর নাম লিটল জন। আমি রবিন হুড।’

    ‘অ্যা!’ ছানাবড়া হয়ে গেল আর্থারের চোখ দুটো। ‘তু-তুমিই সেই মহান রবিন হুড? আর এ সেই বিখ্যাত লিটল জন-যাকে আমি পীরের মত ভক্তি করি? ছি, ছি, ছি,. ছি! পরিচয়টা আগে জানলে তোমার বিরুদ্ধে লাঠি ধরার দুঃসাহস হতো না আমার,’ ছুটে গেল সে লিটল জনের পাশে। সাহায্য করার জন্যে হাত বাড়ালো। ‘এসো, ভাই লিটল জন, ওঠো, জামা কাপড়ের ধুলো ঝেড়ে দিচ্ছি আমি।’

    ‘থাক, থাক-লাগবে না. আমি নিজেই উঠতে পারবো, ঝাঁঝিয়ে উঠলো লিটল জন। সাবধানে উঠে দাঁড়ালো। এতই সাবধানে, যে দেখে মনে হচ্ছে ওর হাড়গোড় সব কাঁচ দিয়ে তৈরি, ভেঙে যেতে পারে যখন-তখন। ব্যথায় বিকৃত চোখ মুখ। বললো, ‘খেলেছো ভাল, তবে জেনে রাখো, মাথায় ওই চামড়ার টুপিটা না থাকলে কপালে খারাবী ছিল আজ তোমার।’

    লিটল জনের আড়ষ্ট নড়াচড়ার নমুনা দেখে আর এক পেট হাসলো রবিন, তারপর ফিরলো আর্থারের দিকে।

    আমাদের দলে যোগ দেবে, আর্থার? তোমার মত সাহসী লোকের দরকার আছে আমার। আসবে আমাদের সাথে?’

    ‘নেবে আমাকে?’ লাফিয়ে শূন্যে উঠলো আর্থার এ ব্ল্যাণ্ড। ‘যোগ দেব না মানে? একশোবার যোগ দেব। তোমাদের ওই মুক্ত জীবন তো আমার স্বপ্নের জীবন। দুর্গন্ধের মধ্যে বসে চামড়ার কাজ করি, সেটা আমার ভালো লাগে মনে করেছো? মোটেও না। তোমার অনুচর হতে পারা আমার জন্যে পরম সৌভাগ্যের ব্যাপার।

    আবার লিটল জনের দিকে ফিরলো রবিন। মুখে মৃদু হাসি। ‘সোজা অ্যাংকাস্টারের পথে রওনা হয়ে যাও, বাছা। যাতে ডাইনে-বাঁয়ে অন্য কোনদিকে যেতে না পারো সেজন্যে আমিও যাচ্ছি তোমার সাথে। ব্লু বোর ছাড়াও আরো অনেক সরাইখানা আছে শেরউডে। বলা যায় না, সেগুলো হয়তো আবার হাতছানি দিয়ে ডাকবে তোমাকে, তাই একেবারে জঙ্গল পার করে দিয়ে তারপর ফিরবো আমরা ডেরায়।

    রাস্তায় ফিরে এসে হাঁটতে শুরু করলো তিনজন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৬৫ – কাউণ্ট কোবরা
    Next Article মাসুদ রানা ৪৬৮ – স্বর্ণলিপ্সা

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }