Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রবিনহুড – কাজী আনোয়র হোসেন

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প347 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৪. উইল স্কারলেট

    ৪. উইল স্কারলেট

    বেশ বেলা হয়ে গেছে। রোদ-ঝলমল রাস্তা ধরে এগিয়ে চলেছে ওরা তিনজন-

    রবিন হুড, লিটল জন আর আর্থার এ ব্ল্যাণ্ড। পথচারী অনেকে থমকে দাঁড়িয়ে দেখছে ওদের। চওড়া কাঁধ, এমন সুন্দর স্বাস্থ্য, আর কী দৃঢ়, বলিষ্ঠ পদক্ষেপ-একসাথে এরকম তিনজন যুবকের সাক্ষাৎ সচরাচর মেলে না।

    ‘আচ্ছা লিটল জন,‘ হঠাৎ নীরবতা ভঙ্গ করলো রবিন, ‘সোজা অ্যাংকাস্টারে না গিয়ে কি মনে করে ব্লুবোরে রয়ে গেলে তুমি কাল? আমার কথা শুনলে আজকে আর এই বিপদে পড়তে হতো না

    ‘বৃষ্টির ভয়ে,’ বিমর্ষ কণ্ঠে বললো লিটল জন। রবিনের হাতে ধরা পড়ে যাওয়ায়, এবং প্রচুর বকাঝকা আর টিটকারি হজম করতে হওয়ায় মেজাজটা খিঁচড়ে আছে ওর। এছাড়া বেদম পিট্টি খেয়ে শরীরের নানান জায়গায় কম-বেশি বিভিন্ন ধরনের ব্যথা তো আছেই।

    ‘বৃষ্টি!’ পথের ওপর থমকে দাঁড়িয়ে পড়লো রবিন হুড। বিস্মিত দৃষ্টিতে চাইলো লিটল জনের মুখের দিকে। ‘ওরে উল্লুক, বৃষ্টি কোথায় পেলে? একটা ফোঁটা বৃষ্টি পড়েনি গত তিন দিন। বৃষ্টি কেন, কালো মেঘের আভাসও দেখা যায়নি এ তল্লাটে।’

    ‘বৃষ্টি হয়নি ঠিক, কিন্তু হতে তো পারতো,’ মুখ আঁধার করে বললো লিটল জন। ‘দেবতার ইচ্ছায় বৃষ্টি। ইচ্ছে করলে তিনি পরিষ্কার আকাশ থেকেও বৃষ্টি ঝরাতে পারেন। যদি হতো, তাহলে ভিজে জ্বর আসতো না? তুমি কি তাই চাও?’

    কথা শুনে অট্টহাসিতে ফেটে পড়লো রবিন। ‘ওরে শয়তান! ভেবে ভেবে কী অপূর্ব [ক্তি খাড়া করা হয়েছে! এর সাথে বেশিক্ষণ রাগ করে থাকে কার সাধ্য!’

    অসহায় ভঙ্গিতে এপাশ ওপাশ মাথা নেড়ে আবার পা বাড়ালো রবিন হাসিমুখে। ওনা হয়ে গেল সবাই। বেশ কিছুদূর এগিয়ে তেষ্টা পেল রবিনের। গরম হয়ে উঠছে নিটা। পথের ধুলো খেয়ে শুকিয়ে গেছে গলা। একটা বেড়া-ঝোপের ওপাশে ছোট্ট একটা ফোয়ারা দেখে দাঁড়িয়ে পড়লো ওরা, বেড়া ডিঙাবার সিঁড়ি টপকে চলে গেল পারে। শ্যাওলা ধরা একটা পাথরের নিচ থেকে বেরোচ্ছে বরফের মত ঠাণ্ডা পানি। চুপ্তির সাথে আঁজলা ভরে ভরে পানি খেল ওরা, তারপর একটা ছায়া দেখে শুয়ে পড়লো ধানিক বিশ্রাম নিয়ে নেয়ার উদ্দেশ্যে।

    বেড়ার ওপাশে বহুদূর পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে রাস্তাটা, অন্য পাশে শষ্যের খেতে কচি বুজ পাতার ওপর রোদের মমতা, মাথার ওপর বীচ গাছের পাতায় মৃদু ঝিরঝির াতাসে বুনো থাইম আর বেগুনী ভায়োলেট ফুলের হালকা মিষ্টি গন্ধ। ফোয়ারার অস্পষ্ট লকুল। নিস্তব্ধ, নিঝুম একটা সুন্দর পরিবেশ। মাঝে মাঝে অখণ্ড নীরবতা ভাঙছে হুদূর থেকে ভেসে আসা মোরগের বাঁক, কিংবা এক ফুল থেকে আরেক ফুলে উড়ে াওয়া ভ্রমরের গুঞ্জন, অথবা কাছের কোন গেরস্ত বাড়ি থেকে ব্যস্ত গৃহিণীর উচ্চৈঃস্বর। অনেকক্ষণ একটি কথাও বললো না ওরা, নীরবে আকণ্ঠ পান করে নিচ্ছে যেন স্বর্গের শান্তিধারা। চুপচাপ শুয়ে পাতার ফাঁক দিয়ে দেখছে অসীম নীল আকাশ। অনেকক্ষণ পর পাশ ফিরলো রবিন, তারপর আস্তে করে কনুই দিয়ে গুঁতো দিল লিটল জনের পাঁজরে।

    ‘দেখো, দেখো। ননীর পুতুল একটা! এইদিকেই আসছে মক্কেল।’

    সবাই দেখলো রাস্তা দিয়ে ধীর পায়ে হেঁটে আসছে এক যুবক। দূর থেকেই বোঝা যাচ্ছে, সৌখিন লোক। উজ্জ্বল লাল রঙের সিল্কের কাপড় তার পরনে, লাল মোজা, মাথায় পরা ভেলভেটের টুপিটাও লাল। বড়সড় একটা সাদা পালক গোঁজা রয়েছে এক চানের পাশে টুপিতে। যুবকের লম্বা, কোঁকড়া, হলুদ চুল নেমে এসেছে কাঁধ পর্যন্ত কি হাতে একটা গোলাপ-মাঝে মাঝে নাকের কাছে নিয়ে শুঁকছে।

    ‘আহা! কী মিষ্টি!’ হেসে উঠলো রবিন। যেন সোনার ময়না পাখি! দেখে নাও, টিল জন, ভাল করে দেখে চক্ষু জুড়িয়ে নাও। এমন মেয়েলী ব্যাটাছেলে টাকায় ম্বালটা মেলে না।’

    ‘রঙের বাহার একটু বেশিই মনে হচ্ছে আমার কাছে,’ বললো আর্থার। তবে ঠিক নীর পুতুল বলা যাবে না একে। কাঁধ দুটো দেখেছো? যেমন চওড়া কাঁধ, তেমনি সরু কামর। তাছাড়া হাত দুটো লক্ষ্য করো-ল্যাগব্যাগ করে ঝুলছে না, রীতিমত শক্ত, নুইয়ের কাছে আবার একটু বাঁকা। উঁহু, দুধের বাচ্চা না; সৌখিন হতে পারে, কিন্তু ময়েলী বলা যায় না কিছুতেই। আমার বিশ্বাস, ওই ঝলমলে পোশাকের নিচে পেটা কটা শরীর রয়েছে লোকটার।

    ‘আমারও তাই মনে হচ্ছে,’ বললো লিটল জন। ‘ঠিকই বলেছে আর্থার। দেখে তটা মনে হয় ততটা ফুলের পাপড়ি নয় ছোকরা।’

    ‘আরে, দূর!’ বললো রবিন হুড। এইসব কোমল পেলব পুরুষ দেখলে গা-টা ঘিন ন করে ওঠে আমার। ফুলটা ধরেছে কিভাবে দেখো না, আহা-হা! ওটা দিয়ে এক ড়ি দিলেই যেন লুটিয়ে পড়বে ধুলায়। নাহ্, ভুল হয়েছে তোমাদের দুজনেরই। সামনে ড়িয়ে একটা ধমক দাও, দেখবে ইঁদুরের মত কিচ কিচ আওয়াজ তুলে গর্ত খুঁজবে; ‘ চংবা বলা যায় না, সোজা মূর্ছা যাবে। ভাবছি, কে হতে পারে লোকটা?’

    ‘কোন বিরাট ব্যারনের আদরের দুলাল, সন্দেহ নেই,’ বললো লিটল জন। ‘ওর লিতে চকচকে কিছু মুদ্রা আশা করা অন্যায় হবে না।’

    ‘ঠিক বলেছো, বললো রবিন। ‘এইসব বিলাসপ্রিয় ধনীর দুলাল দেখলে পিত্তি জ্বলে যায় আমার। যখন ভাবি এইসব অকর্মণ্য, অযোগ্য নর্মানদের তর্জনীর ইঙ্গিতে ওদের ইচ্ছেমত উঠতে বসতে হচ্ছে হাজার হাজার স্যাক্সন প্রজাকে, যাদের মাথার ঘাম পায়ে ফেলা টাকা চুষে নিয়ে সুন্দর সুন্দর কাপড় পরে ফুর্তি করে বেড়াচ্ছে এরা, অথচ যাদের পায়ের কড়ে আঙুলের যোগ্যতা নেই এদের; তাদেরই জমিজমা কেড়ে নিয়ে…

    ‘হয়েছে, হয়েছে,’ হেসে ফেললো লিটল জন। ওর থলেটা খানিক হালকা করার জন্যে এত গরম বক্তৃতার দরকার নেই। তবে, মনে হচ্ছে, ভুল হচ্ছে তোমার কোথাও। নর্মানদের তুলনায় অনেক হালকা ওর চুল, আমাদের মত সাচ্চা স্যাক্সন হওয়াও বিচিত্র নয়। খুব সম্ভব অপাত্রে বর্ষণ হচ্ছে…

    ‘বাজি রাখো,’ বললো রবিন। মানুষ চিনতে আমার ভুল হয় না। যাই হোক, একটু পরেই জানা যাবে আসল সত্য। তোমার কথা যদি সত্যি হয়, একটা কানাকড়িও নেব না, কিন্তু যদি আমার কথাই ঠিক হয়, ওর গা থেকে ছাল ছাড়িয়ে নিতে কেবল বাকি রাখবো। তোমরা বলছো ওর কাপড়ের নিচে পেশী বলে কিছু আছে, বেশ, চুপচাপ এখানে শুয়ে শুয়ে দেখো কিরকম পিট্টি লাগাই।’ এই বলে বেড়া ডিঙিয়ে রাস্তায় গিয়ে দাঁড়ালো রবিন, দুই কোমরে হাত রেখে তাচ্ছিল্যের ভঙ্গিতে দেখছে আগন্তুককে।

    কাছে এসে পড়েছে যুবক। ধীর পায়ে হাঁটছে, মাঝে মাঝে গোলাপটা নাকের কাছে নিয়ে শুঁকছে, এদিক তাকাচ্ছে, ওদিক তাকাচ্ছে কিন্তু রবিন হুড বলে যে একটা লোক দুনিয়ায় আছে, লক্ষ্যই করছে না। রাস্তার মাঝখানে গিয়ে দাঁড়ালো রবিন, তবু ভূক্ষেপ করলো না যুবক, চলার গতি বাড়লো না, কিংবা কমলো না; যেমন আসছিল, আসতেই থাকলো।

    ‘দাঁড়াও!’ হুঙ্কার ছাড়লো রবিন। ‘যেখানে আছো, দাঁড়িয়ে পড়ো। এক পা সামনে বাড়াবে না!’

    ‘কেন, ভাই?’ মৃদু নরম গলায় জানতে চাইলো সুশ্রী যুবক। ‘কেন এক পা সামনে বাড়াবো না? আচ্ছা, ঠিক আছে। বলছো যখন, কিছুক্ষণের জন্যে থেমে না হয় শুনেই যাই তোমার কথা। ‘

    ‘বেশ,’ বললো রবিন। তুমি যখন আমার কথামত কাজ করছো, নরম, ভদ্র ভাষায় কথা বলছো; ভদ্রতা দেখাতে আমিও কসুর করবো না। আমি হচ্ছি সাধু উইলফ্রেডের পবিত্র প্রতিনিধি। এই পথে যারাই যায়, আমি তাদের কাছ থেকে টোল আদায় করি এবং সে-টাকা ভাল কাজে ব্যয় করি। কাজেই তোমার থলেটা বের করে একটু দেখাতে হবে আমাকে। যদি মনে করি তোমার কাছে যতটা থাকা উচিত তার চেয়ে বেশি আছে, তাহলে বেশিটুকু রেখে দেয়াই আমাদের নিয়ম। সাথে বেশি টাকা রাখা তোমার নিজের জন্যেও খুব একটা মঙ্গলজনক বা নিরাপদ নয়।’

    হাসি হাসি মুখ করে রবিনের কথাগুলো শুনছিল আর দু’আঙুলে গোলাপের বোঁটা ধরে সুগন্ধ নিচ্ছিল যুবক, রবিন থামতেই মিষ্টি করে হাসলো। ‘বেশ লাগছে কিন্তু,‘ বললো সে, ‘তোমার কথা শুনতে ভালই লাগছে আমার। আরো কিছু বলার থাকলে বলো, ভাই। হাতে আরো কিছুক্ষণ দাঁড়াবার সময় আছে আমার।’

    ‘যা বলার বলেছি,’ গম্ভীর স্বরে বললো রবিন। এবার বের করে ফেল থলিটা। কথা দিচ্ছি, যদি বেশি কিছু না থাকে, একটা পয়সাও নেব না তোমার থেকে। নির্বিঘ্নে চলে যেতে পারবে নিজের পথে।

    ‘আমি খুবই দুঃখিত,’ নরম গলায় বললো যুবক। ‘তোমাকে দেয়ার মত তেমন কিছুই নেই আমার। এবার তাহলে আমি আসি? নিশ্চয়ই বাধা দেবে না তুমি আমাকে, কারণ, তোমার তো কোন ক্ষতি করিনি আমি।

    পা বাড়াতে যাচ্ছিল যুবক, হাত তুলে বাধা দিল রবিন। ‘খবরদার! থলে না দেখিয়ে যেতে পারবে না তুমি।’

    ‘দেখো, বন্ধু, অত্যন্ত বিনয়ের সাথে বললো যুবক। ‘বিশেষ একটা কাজ আছে আমার। তোমাকে যথেষ্ট সময় দিয়েছি, ধৈর্য ধরে সব কথা শুনেছি তোমার, এবার দয়া করে আমাকে নিজের কাজে যেতে দাও। ঝগড়া-ঝাঁটি করে লাভ আছে কিছু?’

    ‘তোমার নেই, কিন্তু আমার আছে!’ দৃঢ় কণ্ঠে বললো রবিন। ‘আমার হুকুম অমান্য করে এক পা-ও এগোতে পারবে না তুমি!’ বলেই মস্ত লাঠিটা তুললো সে মাথার উপর।

    ‘খুবই দুঃখের বিষয়,’ এপাশ ওপাশ মাথা নেড়ে বিষণ্ণ কণ্ঠে বললো যুবক। ‘এরকম একটা ঘটনা না ঘটলেও পারতো। কিন্তু এখন তোমাকে হত্যা করা ছাড়া আর কোন উপায় দেখছি না।’ বলেই সোনালী কারুকাজ করা চামড়ার খাপ থেকে সড়াৎ করে এক টানে বের করলো সে তলোয়ারটা।

    ‘তলোয়ার রাখো,’ বললো রবিন। ‘ওক-ডালের লাঠির সাথে তলোয়ার দিয়ে কিছুই করতে পারবে না তুমি, এক বাড়িতে দু’টুকরো হয়ে যাবে তোমার খেলনা। তারচেয়ে, এই দেখো, ওখানে অনেকগুলো ওকের চারা দেখা যাচ্ছে, পছন্দসই একটা লাঠি কেটে নিয়ে এসোগে যাও। অবশ্য,’ যোগ করলো রবিন, ‘যদি পিট্টি খেতে আপত্তি না থাকে।’

    রবিনের পা থেকে মাথা পর্যন্ত নজর বুলালো যুবক, লাঠিটা দেখলো, তারপর বললো, ‘ঠিকই বলেছো তুমি। ওই লাঠির কাছে কিছুই না এই তরবারী। ঠিক আছে, একটু অপেক্ষা করো, আমি এক্ষুণি নিয়ে আসছি লাঠি। কথাটা বলে শেষবারের মত ঘ্রাণ নিয়ে ছুঁড়ে ফেলে দিল যুবক ফুলটা, তরবারী খাপে পুরে এগিয়ে গেল ওকের চারাগুলোর দিকে। রবিন লক্ষ্য করলো হাঁটার ছন্দ সম্পূর্ণ বদলে গেছে যুবকের, ধীর- স্থির, ঢিলেঢালা ভাবটা অদৃশ্য হয়ে গেছে বেমালুম। পছন্দ মত চারা খুঁজে পেতে দেরি হলো না যুবকের। কাটলো না সেটা, আস্তিন দুটো একটু গুটিয়ে নিয়ে দুই হাতে জড়িয়ে ধরলো গাছটার গোড়ার দিকে, তারপর পায়ের গোড়ালি দুটো শক্ত করে মাটিতে গেড়ে হ্যাঁচকা এক টানে তুলে আনলো সেটাকে শিকড় সহ। তারপর, যেন এমন কোন বিস্ময়কর কাজ করেনি সে, এমনি ভঙ্গিতে, তলোয়ার দিয়ে শিকড় আর ছোট ছোট শাখা-প্রশাখা ছাঁটতে ছাঁটতে শান্ত পদক্ষেপে ফিরে এলো।

    চুপচাপ শুয়ে শুয়ে সব দেখছিল আর্থার আর লিটল জন। গোটা একটা ওকের চারা শিকড় ছিঁড়ে উপড়ে তুলতে দেখে ঠোঁট দুটো শিস দেয়ার ভঙ্গিতে গোল করে লম্বা করে বাতাস টানলো আর্থার। মুখটা হাঁ হয়ে গিয়েছিল লিটল জনেরও, সংবিৎ ফিরে পেয়ে নড়েচড়ে উঠলো। ‘সব্বোনাশ! দেখলে, আর্থার? মনে হচ্ছে বারোটা বাজবে আজ ওস্তাদের। মাই গড! মড়মড়িয়ে তুলে ফেললো আস্ত গাছটা!’

    রবিনের মনের ভিতর কি চলছে বোঝা গেল না, তবে দেখা গেল, পিছু হটবার লক্ষণ নেই তার মধ্যে। মুখোমুখি দাঁড়াল এসে মিষ্টভাষী যুবক। শুরু হলো লড়াই।

    অল্পক্ষণেই টের পেয়ে গেল লিটল জন আর আর্থার, গায়ে যে কেবল অসুরের শক্তিই রয়েছে তা নয়, লাঠি খেলার সব কৌশলই জানা আছে যুবকের বিলক্ষণ রবিনের কলা-কৌশল যদিও আগন্তুকের চেয়ে অনেক উন্নত মানের, ক্ষিপ্রতায়ও তার তুলনা হয় না, কিন্তু কৌশল আর ক্ষিপ্রতা দিয়ে কতক্ষণ ঠেকিয়ে রাখতে পারবে সে প্রচণ্ড আসুরিক শক্তিকে? দু’জনের দাপাদাপিতে ধুলোর মেঘ সৃষ্টি হলো রাস্তার উপর মাঝে মাঝে দেখা যাচ্ছে ওদের। মাঝে মাঝে শুধু শোনা যাচ্ছে খটাখট অদৃশ্য লাঠির ঠোকাঠুকির আওয়াজ। সুযোগ মত তিনটে বাড়ি কষিয়ে দিয়েছে রবিন ইতিমধ্যেইঃ দু’বার পাঁজরে, একবার হাতের উপর। অনেক চেষ্টা করেও একটিবারও রবিনের শরীর স্পর্শ করতে পারেনি যুবকের লাঠি। কপাল ভাল, প্রতিটা আঘাত ঠেকিয়ে দিতে পেরেছে রবিন; কারণ, যে কোন একটা আঘাতই ওকে ধরাশায়ী করার জন্যে যথেষ্ট ছিল। যুবক যখন দেখলো কৌশলে কিছুতেই এঁটে ওঠা যাবে না রবিনের সাথে, তখন গায়ের জোর খাটিয়ে ওকে পরাস্ত করার সিদ্ধান্ত নিলো সে। প্রচণ্ড জোরে মারলো সে রবিনের লাঠির মাঝ বরাবর; এতই জোরে, যে থতমত খেয়ে গেল রবিন, লাঠিটা আঁকড়ে ধরে রাখাও মুশকিল হয়ে পড়লো ওর পক্ষে। সামলে নেয়ার বিন্দুমাত্র সময় না দিয়ে আবারও মারলো যুবক। বাঁকা হয়ে গেল রবিনের শরীরটা সে আঘাত ঠেকাতে গিয়ে। সাথে সাথেই এলো তৃতীয় আঘাত। মড়াৎ করে মাঝখান থেকে দু’টুকরো হয়ে গেল রবিনের লাঠি, কিন্তু তাতেও আঘাতের গতি কমলো না, দড়াম করে বাড়ি পড়লো রবিনের কাঁধে, ধরাশায়ী হলো সে।

    ‘থামো!’ যুবককে আবারও লাঠি তুলতে দেখে চেঁচিয়ে উঠলো রবিন। ‘থামো, হার মানছি আমি।’

    ‘থামো।’ হেঁড়ে গলায় চিৎকার করে উঠলো লিটল জনও। একলাফে বেড়া ডিঙিয়ে লাঠি হাতে ছুটলো সে ওদের দিকে, পিছনে আর্থার। আবার চেঁচিয়ে উঠলো, ‘থামো! থামো বলছি!’

    ‘না।’ মারমুখো দুইজন ষণ্ডা চেহারার লোক দেখেও বিন্দুমাত্র ঘাবড়ালো না যুবক। শান্ত গলায় বললো, ‘আরো লোক থাকলে ডেকে আনো তাদেরকে। আমার সাধ্যমত যুঝবো আমি সবার সাথে।’

    ‘দাঁড়াও, দাঁড়াও, দুই পাশ থেকে আর্থার আর লিটল জনকে লাঠি তুলতে দেখে চেঁচিয়ে উঠলো রবিন। হাত তুলে এগোতে নিষেধ করলো সঙ্গীদের। আর মারামারি নয়। দেখা যাচ্ছে দিনটা তোমার-আমার কারো জন্যেই ভালো যাচ্ছে না। বাপরে বাপ! হাতের আঙুল থেকে কাঁধ পর্যন্ত অবশ হয়ে গেছে। এত জোরও থাকে মানুষের গায়ে!’

    রবিনের দিকে ফিরলো লিটল জন। ‘আহা-হা, খুব ব্যথা লেগেছে বুঝি, ওস্তাদ? সত্যিই বড় দুঃখজনক ব্যাপার। ধুলো-টুলো লেগে জামা-কাপড় এক্কেবারে শেষ। উঠে পড়ো, আমার হাতটা ধরে উঠে পড়ো।’

    ‘কুণ্ঠ হোক তোর হাতে! রেগে মেগে বললো রবিন। ‘লাগবে না, আমি নিজেই উঠতে পারবো।’

    ‘বেশ, উঠে দাঁড়াও, তোমার কোটটা অন্ততঃ ঝেড়ে দেয়া উচিত আমার। আহা! এখনও কি ঝনঝন করছে হাড়গোড়গুলো?’ সমবেদনার সুরে বললো লিটল জন, কিন্তু ওর চোখ দুটো চিক চিক করছে দেখে খেপে গেল রবিন।

    ‘থামবে তুমি, লিটল জন? টিটকারি মারার আর সময় পেলে না?’ কথাটা বলেই হাসি হাসি হলো রবিনের মুখটা। যা ঝাড়ার ঝেড়ে দিয়েছে এই ছোকরা।’ লাল পোশাক পরা যুবকের দিকে ফিরলো এবার সে, ‘তোমার নামটা জানতে পারি?’,

    ‘আমার নাম গ্যামওয়েল,’ বললো যুবক।

    ‘তাই নাকি? আরে!’ ভুরু কুঁচকে উঠলো রবিনের। ওই নামের নিকটাত্মীয় আছে আমার। বাড়ি কোথায় তোমার, বলো তো?’

    ‘ম্যাক্সফিল্ড শহর থেকে আসছি আমি,’ বললো যুবক। ওখানেই জন্ম, ওখানেই মানুষ। এখানে এসেছি আমার মামাকে খুঁজতে।

    ‘মামা?’

    ‘হ্যাঁ। আমার মায়ের ছোট ভাই। লোকে তাকে ডাকে রবিন হুড বলে। যদি তোমরা কেউ বলতে পার কোনদিকে গেলে তার দেখা…’

    ‘আরে! উইল গ্যামওয়েল!’ বিস্ময়ে বিস্ফারিত হয়ে গেল রবিনের দুই চোখ। দুই হাতে চেপে ধরলো যুবকের দুই কাঁধ। ‘তাই তো! সে-ই তো দেখছি! তোমার ওই সুন্দর মেয়েদের মত চুল দেখেই চিনতে পারা উচিত ছিল আমার। তাছাড়া হাঁটার ভঙ্গিটাও মনে পড়ছে এখন। হাসিটাও চিনতে পারছি। ওরে শয়তান! চিনতে পারছিস আমাকে? ভাল করে দ্যাখ তো চেয়ে?’

    ‘সত্যিই তো!’ এবার অবাক হবার পালা যুবকের। তুমিই তো রবিন মামা!’ এই বলে দুই হাতে জড়িয়ে ধরলো সে মামাকে, চুমো খেলো দুই গালে।

    খুশিতে চিকচিক করছে রবিনের চোখ। যুবকের গালে কপালে চুমো খেয়ে বললো, ‘আশ্চর্য! আট-দশ বছর আগে কি দেখেছিলাম, এখন কি!’ যুবকের আপাদমস্তক দেখলো সে চোখ বুলিয়ে। ‘এত বড় হয়ে গেছিস! মনে আছে, কিভাবে তীর-ধনুক ছুঁড়তে হয়, কিভাবে লাঠি ধরতে হয় শিখিয়েছিলাম আমি তোকে?’

    ‘সব মনে আছে,’ বললো উইল। ‘ছোটবেলা থেকে তোমাকেই দুনিয়ার সেরা বীরপুরুষ বলে জেনে আসছি। সত্যিই, তোমার পরিচয় জানলে তোমার বিরুদ্ধে লাঠি ধরার সাহস হতো না আমার আজ। খুব বেশি ব্যথা লাগেনি তো, মামা?’

    ‘আরে না, না,’ চট করে আড়চোখে লিটল জনকে দেখে নিয়ে বললো রবিন, ‘কিচ্ছু লাগেনি। ওসব কথা থাক। তবে, প্রার্থনা করি, ওরকম প্রচণ্ড মার ঠেকানোর মন্দ ভাগ্য যেন জীবনে আর না হয়। ওরেব্বাপ, আঙুলের মাথা থেকে কনুই পর্যন্ত কনকন করছে এখনও! আমারই আপন ভাগনের গায়ে এত জোর দেখে গর্ব হচ্ছে এখন, কিন্তু তখন হাত-পা পেটের ভেতর সেঁধিয়ে যাওয়ার দশা হয়েছিল, ওকের চারা টেনে উপড়ে আনতে দেখে শুকিয়ে গিয়েছিল কলজেটা। যাই হোক, স্যার এডওয়ার্ড আর তোর মাকে ছেড়ে চলে এলি যে?’

    ‘খুনের অপরাধে খোঁজা হচ্ছে আমাকে, তাই পালিয়ে এসেছি। আমাদের স্টুয়ার্ড গ্রিমকে মনে আছে তোমার?’

    ‘মনে আছে। খুবই পাজি লোক। ওকে যদি মেরে থাকো, আমার ধারণা ঠিক কাজই করেছো।

    ‘শোনোই না,’ বললো উইল। ‘আমাদের প্রতিবেশী ব্যারন ডি লেসির অনেকদিন থেকেই চোখ ছিল আমাদের জমি-জমার ওপর। এগুলো দখল করতে পারলে বিরাট এক এস্টেটের মালিক হতে পারবে সে। বাবা বুড়ো হয়ে গেছেন, একমাত্র সন্তান আমি, কাজেই আমাকে খুন করতে পারলে উত্তরাধিকারীর অভাবে আমাদের সবকিছু চলে যাবে তার হাতে। এই ভেবে টাকা পয়সা দিয়ে হাত করে গ্রিমকে লাগিয়েছিল সে আমার পেছনে।‘

    গম্ভীর ভাবে মাথা ঝাঁকালো রবিন। ‘তারপর?’

    ‘একদিন শিকারে গেছি, গ্রিমও সাথে এলো। ওর উদ্দেশ্য সম্পর্কে কোন রকম সন্দেহ জাগেনি আমার মনে। একটা ফাঁকা জায়গার কাছাকাছি অপেক্ষা করছি, হরিণ দেখা গেলেই তীর ছুঁড়বো, হঠাৎ কেমন যেন একটা শিরশিরে অনুভূতি হলো। নিজের অজান্তেই পিছন ফিরলাম। দেখি, ধনুকে তীর লাগিয়ে টেনে ছিলাটা কানের পাশে নিয়ে গেছে গ্রিম-তীরের লক্ষ্যস্থল আমি। এক লাফে সরে গিয়ে ওকে লক্ষ্যভ্রষ্ট করার চেষ্টা করলাম, আর সেই একই সঙ্গে চট্ করে একটা তীর জুড়ে ফেললাম ধনুকে। একই সাথে তীর ছুঁড়লাম দুজন। ওরটা আমার ডাবলেট (এক ধরনের প্রাচীন আঁটো পোশাক) ভেদ করে সামান্য আহত করলো আমাকে, কিন্তু আমারটা সোজা গিয়ে বিধলো ওর বুকে-পাঁচ মিনিটের মধ্যেই মারা গেল গ্রিম। মরার আগে ডি লেসির নীচ চক্রান্তের কথা সব স্বীকার করে গেছে ও।’

    ‘তারপর?’

    ‘গ্রিমের মৃত্যুর সংবাদ পাওয়া মাত্র শেরিফকে লেলিয়ে দিল ডি লেসি আমার পেছনে। গ্রেফতারী পরোয়ানা নিয়ে শেরিফের লোক রওনা হয়েছে জানতে পেরে পালিয়ে এসেছি আমি তোমার কাছে।’

    ‘ভাল করেছো,’ বললো রবিন। ‘কিন্তু ওই কি পালাবার নমুনা? আমরা তো ভেবেছিলাম বেড়াতে বেরিয়েছে কোনো বড়লোকের বখে যাওয়া বিলাসী নন্দন। অমন ধীরেসুস্থে…’

    আমার শরীরের অস্বাভাবিক শক্তিই হয়তো এর কারণ,’ বললো উইল। ‘তাড়াতাড়ি নড়তে চড়তে পারি না। এই দেখো না, একটু আগে তিন তিনবার মেরেছো তুমি আমাকে, অথচ আমি একবারও একটা বাড়ি লাগাতে পারিনি তোমার গায়ে, শেষ পর্যন্ত কৌশল বা ক্ষিপ্রতায় না পেরে গায়ের জোরে মারতে মারতে….’

    ‘থাক, থাক,’ ব্যস্ত কণ্ঠে বললো রবিন। ‘ওসব কথা থাক। তোমাকে পেয়ে খুবই খুশি হয়েছি আমি। দলের সবাই খুশি, হবে তোমাকে দেখে। কিন্তু, আইনের লোক যখন খুঁজছে তোমাকে, তোমার নামটা একটু পরিবর্তন করে নেয়া ভালো। এখন থেকে তোমাকে ডাকবো আমরা উইল স্কারলেট বলে। কেমন?’

    ‘উইল স্কারলেট,’ এগিয়ে এলো লিটল জন করমর্দনের জন্যে হাত বাড়িয়ে, ‘বাহ্, চমৎকার হয়েছে নামটা। স্কারলেট রঙের পোশাক পরে এসেছো তুমি, তাই তোমার নাম উইল স্কারলেট। আমি লিটল জন। আর এ হচ্ছে তোমারই মত রবিন হুডের নতুন অনুচর, আর্থার এ-ব্ল্যাও। আমি বলে দিচ্ছি, দারুণ নাম করবে তুমি উইল, তোমাকে নিয়ে গাথা রচনা করবে এই অঞ্চলের কবিরা, ঘরে ঘরে বয়ান হবে তোমার কাহিনী, চারণ কবিরা গাইবে গান। সবাই হাসবে, বড়াই করে বীরত্ব দেখাতে গিয়ে কিরকম পিট্টি খেয়েছিল দস্যু রবিন হুড তার আপন ভাগ্নের হাতে, সেই উপাখ্যান শুনে।’

    ‘এই, না, লক্ষ্মী জন,’ মিনতির সুরে বললো রবিন, এসব নিয়ে কাউকে কিছু বলার কি দরকার? তোমাকে নিয়েও তো হাসবে লোকে। তারচেয়ে আজকের এই সামান্য ঘটনাগুলো আমরা নিজেদের মধ্যে চেপে রাখলেই তো পারি। কি বলো?’

    ‘নিশ্চয়ই, নিশ্চয়ই,’ বললো লিটল জন। ‘বারণ করলে কাউকে কিচ্ছুটি বলবো না। আমি ভেবেছিলাম হাসির গল্প বুঝি খুব পছন্দ করো তুমি। এই যেমন খানিক আগে বলছিলে আর্থারের হাতে আমার পিট্টি খাওয়ার গল্পটা দারুণ জমবে, মনে মনে সাজাচ্ছিলে কি রকম ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে বলবে কাহিনীটা সবাইকে।’

    ‘না, না। ভুলে যাও। ওসব সামান্য কথা। কাউকে বলবো না আমি, কথা দিচ্ছি।’

    ‘কাল সন্ধ্যার সেই মেঘের ব্যাপারটা নিয়েও কি কি সব রসিকতা যেন আসছিল তোমার মাথায়, আর…’

    ‘কিসের রসিকতা?’ ঝাঁঝালো গলায় বললো রবিন। আসলে ভুল হয়েছিল আমারই। এখন স্পষ্ট মনে পড়ছে, মেঘ ছিল আকাশে, ঝড়-তুফানের খুবই আশঙ্কা ছিল কাল।’

    এক গাল হাসলো লিটল জন। ‘আমারও তাই মনে হয়েছিল। তার মানে, তুমি স্বীকার করছো ওই ঝড়-তুফানের মধ্যে ভিজে অ্যাংকাস্টারের দিকে না গিয়ে ব্লু-বোরে রাত কাটিয়ে ভালই করেছি, তাই না?’

    ‘মর তুই, ব্যাটা!’ সরোষে বললো রবিন। হ্যাঁ, হ্যাঁ, ভালই করেছিলে।’

    ‘ঠিক আছে, ওস্তাদ,’ বললো লিটল জন। ‘আজকে কিচ্ছু দেখিনি আমি। তোমাকে মার খেতে দেখিনি, ডিগবাজী খেয়ে ধুলোয় গড়াগড়ি করতে দেখিনি, আরো পিট্টির ভয়ে কাকুতি-মিনতি করে হার মানতে দেখিনি। যদি কোন দুষ্ট লোক এই ধরনের কোন বানোয়াট মিথ্যা কথা বলে, আমার নাম লিটল জন, টেনে ছিঁড়ে ফেলে দেবো তার জিভ!’

    খুক খুক করে হেসে উঠলো সবাই, কিন্তু রবিন গম্ভীর। ‘চলো,’ বললো সে, ‘আর এগোবো না আমরা আজ। অ্যাংকাস্টারে আরেক সময় গেলেই হবে। শেরউডে ফিরবো আমরা এখন।’

    এই বলে কারও দিকে না চেয়ে ভ্রু কুঁচকে পা বাড়ালো সে ফিরতি পথে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৬৫ – কাউণ্ট কোবরা
    Next Article মাসুদ রানা ৪৬৮ – স্বর্ণলিপ্সা

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }