Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রবিনহুড – কাজী আনোয়র হোসেন

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প347 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৮. শেরউডের ভোজ

    ৮. শেরউডের ভোজ

    শেরিফটাকে ভাল মত একটু শায়েস্তা করা দরকার, মনে মনে ভাবলো রবিন। ‘একের পর এক আমার বিরুদ্ধে যা খুশি তাই করে চলেছে লোকটা, চুপচাপ হজম করে গেলে করতেই থাকবে, থামবে না। কোনও ছুতোয় ওকে ধরে এনে শেরউডের ভোজ খাওয়ালে কেমন হয়?’

    কথাটা মনে আসতেই হো হো করে হেসে উঠলো রবিন হুড। কোন ব্যারন বা জমিদার, অথবা মোটাসোটা মোহান্ত বা বিশপকে ধরতে পারলে সরাসরি টাকাকড়ি কেড়ে নেয় না রবিন কখনো; খুবই সমাদর করে ডেকে নিয়ে আসে তাদেরকে নিজেদের ডেরায়, পেট পুরে ভোজ খাইয়ে তারপর তাদের থলি হালকা করে। সত্যিই, শেরিফকে একদিন ডেকে আনতে পারলে মন্দ হতো না।

    উইল স্টিউটলিকে উদ্ধার করে আনার পর বেশ কিছুদিন চুপচাপ কাটালো রবিন ও তার দলবল। চুপচাপ থাকা মানে নিষ্ক্রিয় থাকা নয়, হাসি-ঠাট্টা, গল্প-গুজব, গান-বাজনা তো আছেই, প্রত্যেকদিন সবাইকে অংশগ্রহণ করতে হয় কুস্তি, তলোয়ার ও লাঠিখেলা আর তীর-ধনুকের লক্ষ্যভেদ প্রতিযোগিতায়। এইভাবে দিন দিন আরো দক্ষতা অর্জন করে নিচ্ছে ওরা, নতুন নতুন কৌশল শিখে নিচ্ছে একে অপরের কাছ থেকে।

    কিন্তু অল্পদিনেই বিরক্ত হয়ে উঠলো দুঃসাহসী রবিন। রোমাঞ্চ বিবর্জিত সাদামাঠা জীবন ভাল লাগে না তার। গা ঝাড়া দিয়ে উঠে দাঁড়ালো সেদিন- নাহ, একটু ঘুরে ফিরে আসতে হয়। কাউকে কিছু না বলে লিংকন গ্রীন ছেড়ে সাধারণ পোশাক পরে নিল সে, তারপর হাঁটতে হাঁটতে শেরউডের ধার ঘেঁষে যাওয়া একটা রাস্তার কাছে এসে থামলো। এদিক-ওদিক চেয়ে সেই রাস্তা ধরে হাঁটতে শুরু করলো সে নটিংহামের দিকে। কিছুদূর গিয়ে গাড়ির শব্দে পিছন ফিরে তাকালো রবিন, দেখলো অল্প-বয়েসী এক মাংস- বিক্রেতা গাড়ি-ভর্তি মাংস নিয়ে খুশি মনে চলেছে নটিংহাম শহরের দিকে।

    ‘সুপ্রভাত,’ বললো তাকে রবিন। ‘খুব খুশি মনে হচ্ছে যে আজ তোমাকে?’

    ‘নিশ্চয়ই!’ জবাব দিল তরুণ। ‘কেন খুশি হবো না বলো। দিনটা চমৎকার, শরীরটা ভাল আছে, টাকা-পয়সার অভাব নেই, যাকে ভালবাসি তাকে বিয়ে করতে যাচ্ছি আগামী বৃহস্পতিবার-দুঃখ করার কোন কারণ আছে আমার? গোটা লকলি শহরে আমার মত সুখী কে আছে আর?’

    ‘লকলি শহরে বাড়ি বুঝি তোমার?’ বললো রবিন। ‘আমারও জন্ম ওই শহরেই। ওখানকার প্রতিটা ঝোপঝাড়, জঙ্গল, পাখির বাসা, ঝর্ণা, এমন কি ঝর্ণার ছোট ছোট মাছগুলো পর্যন্ত আমার চেনা। তা মাংস নিয়ে কোথায় চলেছো তুমি?’

    ‘চলেছি নটিংহামের বাজারে। সত্যিই লকলি শহরে জন্ম তোমার? নাম কি?’

    ‘আমার নাম রবিন হুড।’

    ‘ওরে সব্বোনাশ!’ ভয় পেয়ে গেল তরুণ। ‘তোমার কথা অনেক শুনেছি আমি। আমাদের ওখানে লোকের মুখে মুখে তোমার নাম। কিন্তু আমাকে ধরেছো কেন, আমি তো কারো ওপর কখনও কোন অন্যায় করিনি। শুনেছি নিরপরাধ কাউকে রবিন কিচ্ছু বলে না।’

    ‘ঠিকই শুনেছো,’ হাসলো রবিন। ‘তোমার কাছ থেকে কিছুই কেড়ে নেব না আমি। তোমাকে ভাল লাগলো তাই দু’টো কথা শুধাচ্ছি। স্যাক্সন তরুণের উজ্জ্বল হাসি-মাখা মুখ আমি ভালবাসি, আরো ভালবাসি যদি সে লকগুলি শহরের ছেলে হয়, তার চেয়েও বেশি ভালবাসি যদি জানতে পারি আগামী বৃহস্পতিবার সে বিয়ে করতে যাচ্ছে তার ভাল-লাগা মেয়েটিকে। কিন্তু সেটা আসল কথা নয়, আসল কথা হচ্ছে তোমাকে দেখে একটা মতলব ঢুকেছে আমার মাথায়। বলো দেখি, কত পেলে গাড়ি, ঘোড়া, মাংস আর তোমার গায়ের ওই অ্যাপ্রন বিক্রি করবে আমার কাছে?’

    ‘সব মিলে চার মার্ক দাম হয়, ভেবে চিন্তে বললো তরুণ। অবশ্য যদি সব মাংস বিক্রি করতে পারি তবেই।’

    কটিবন্ধে গোঁজা একটা থলে টেনে বের করলো রবিন, বাড়িয়ে দিল তরুণের দিকে। ‘ছয় মার্ক আছে এতে। আজকের জন্যে কসাই সেজে নটিংহাম শহরে যাওয়ার খুব ইচ্ছে হয়েছে আমার। এই ছয় মার্কের বিনিময়ে বেচবে এসব আমার কাছে?’

    এক লাফে গাড়ি থেকে নেমে খুশি মনে থলিটা নিল তরুণ। বললো, ‘অসংখ্য ধন্যবাদ। গাড়ি, ঘোড়া, মাংস আর এই অ্যাপ্রন এখন তোমার।’

    ‘গুনে নাও টাকাটা,’ অ্যাপ্রনটা গায়ে আঁটতে আঁটতে বললো রবিন 1

    ‘গোনা লাগবে না,’ জবার দিল তরুণ। ‘স্বয়ং রবিন হুডের হাত থেকে পেয়েছি এই থলে, আমি জানি, ছয় মার্কের একটা পয়সা কম নেই এতে।’

    তরুণ মাংস-বিক্রেতাকে বিদায় দিয়ে গাড়ি হাঁকিয়ে দিল রবিন নটিংহামের উদ্দেশে। বাজারে পৌঁছে কসাইদের জন্যে নির্দিষ্ট এলাকায় দোকান সাজিয়ে ফেললো সে ঝপট্। তারপর হাঁক ছাড়লোঃ ‘মাংস নেবে… মাংস? খাসী গরু যার যা খুশি। চলে এসো।’ চট্ করে একটা ছড়াও বানিয়ে ফেললো সে, গানের মত করে আবৃত্তি করছে সেটা বার বারঃ

    ‘তিন পেনির মাংস যদি
    এক পেনিতে কিনতে চাও,
    জলদি এসো আমার কাছে
    যার যা লাগে নিয়ে যাও।’

    আবৃত্তি শেষ করেই ঝন ঝন আওয়াজ করে সে ছুরি দিয়ে, তারপর আবার হাঁক ছাড়ে, ‘কই, কে নেবে, চলে এসো। তিন পেনির মাংস মোহান্ত বা বিশপের জন্যে ছয় পেনি, শহরের মান্যগণ্যদের জন্যে তিন পেনি, মোটাসোটা গিন্নীদের জন্যে এক পেনি, আর সুন্দরী তরুণীদের জন্যে বিনা পয়সায় যদি একটা চুমো দেয় আমার গালে। কই, কে নেবে, চলে এসো।’

    ক্রমে ভিড় জমে উঠছে ওর দোকানে। যারা কথা শুনে হাসছিল, মনে করেছিল ঠাট্টা, তারা অবাক হয়ে দেখলো মুখে যা বলছে কাজেও ঠিক তাই করছে লোকটা। গৃহিণীদের এক পেনিতে দিয়ে দিচ্ছে তিন পেনির মাংস, হাসিখুশি সুন্দরী তরুণী যদি একটা চুমো দিচ্ছে তাহলে বিনা পয়সায় পেয়ে যাচ্ছে বড়সড় এক চাকা মাংস। তাছাড়া গরীব বা বিধবা স্ত্রীলোক মাংস কিনতে এলে একটা পয়সাও নিচ্ছে না লোকটা। হুড়োহুড়ি লেগে গেল ক্রেতাদের মধ্যে, কে কার আগে কিনবে তাই নিয়ে প্রতিযোগিতা। অল্পক্ষণেই শেষ হয়ে গেল সব মাংস।

    আশেপাশের মাংস-বিক্রেতারা নিজেদের মধ্যে কানাঘুষো শুরু করলো রবিনকে নিয়ে। কেউ বলছে, লোকটা নিশ্চয়ই চোর, কারো মাংস ভর্তি গাড়ি চুরি করে নিয়ে এসেছে। অন্যজন বলছে, আরে দূর, চোর হলে এমন খোলামেলা হাসিখুশি ভাব থাকতো না, আমার মনে হয়, ব্যাটা কোন বড়লোকের উড়নচণ্ডী সন্তান, বাপের জমিজমা বেচে টাকা ওড়াচ্ছে ফুর্তি করে। দেখা গেল, বেশির ভাগ মাংস-বিক্রেতারই ধারণা লোকটা কোন ধনী কৃষকের বখে যাওয়া সন্তান।

    কয়েকজন এগিয়ে এলো আলাপ পরিচয় করতে। রবিনকে নিমন্ত্রণ করলো একজন, ‘এসো না ভাই, আজ আমাদের কসাই-সমিতির পক্ষ থেকে গিল্ড হলে একটা ভোজ আছে, মাননীয় শেরিফ আয়োজন করেছেন এই ভোজের। আমাদের নতুন সদস্য হিসেবে তুমিও চলো সেখানে। ভাল খানাপিনার ব্যবস্থা করা হয়েছে, খারাপ লাগবে না তোমার।’

    ‘বেশ তো, যাব না হয়,’ জবাব দিল রবিন। প্রথম দিনই তোমাদের সাথে ভোজ খাওয়ার সুযোগ পেয়ে গেলাম, এটা আমার পরম সৌভাগ্য। দাঁড়াও, দোকানটা গুটিয়ে নিই আগে।’ একটু ভেবে আবার বললো, ‘ঘোড়াটা আমার দরকার, কিন্তু বাকি যা আছে সব বেচে দিতে চাই, লাগবে নাকি তোমাদের কারো?’

    ঘোড়াটা রেখে বাকি যা ছিল পানির দামে বেচে দিল রবিন, তারপর খুশি মনে রওনা হলো ভোজ সভায় অংশ নিতে। শেরিফ সেখানে পৌঁছে গেছেন আগেই। হাসিখুশি রবিনকে ঢুকতে দেখে একজন কসাই তাঁর কানে কানে বললো, ‘ওই যে লোকটা ঢুকছে দেখছেন…একেবারে বদ্ধ উন্মাদ! তিন পেনির মাংস আজ বেচে দিয়েছে এক পেনিতে। অনেককে বিলিয়ে দিয়েছে বিনা পয়সায়।’

    ‘তাই নাকি?’ ভুরু কুঁচকে রবিনকে লক্ষ্য করলেন শেরিফ। কিন্তু কসাইয়ের বিচিত্র বেশ পরে থাকায় চিনতে পারলেন না। ‘কে লোকটা?’

    ‘মনে হয় কোন ধনী গৃহস্থের উড়নচণ্ডী বখাটে সন্তান। দু’হাতে ওড়াচ্ছে টাকা।’

    এই কথা শুনে রবিনকে কাছে ডেকে বসালেন শেরিফ; কারণ, ধনী লোকের স্বল্পবুদ্ধি উড়নচণ্ডী ছেলে-পিলে তাঁর খুব পছন্দ বিশেষ করে যদি সে ছেলের পকেট হালকা করার কোন সম্ভাবনা থাকে। খাওয়ার সাথে সাথে হাসি ঠাট্টা গল্প-গুজবে মেতে উঠলো রবিন। ওর রসিকতায় সবার আগে হেসে উঠছেন শেরিফ, চেষ্টা করছেন কথাবার্তার মাধ্যমে আরো ঘনিষ্ঠ হতে, মাঝে মাঝে বাহবার চাপড়ও মেরে বসছেন ওর পিঠে।

    ইতিমধ্যেই ঘোষণা করে দিয়েছে রবিন, আজকের এই ভোজের সমস্ত খরচ বহন করবে সে নিজে, কেউ যেন প্রাণ ভরে খেতে বা পান করতে কোনরকম কার্পণ্য না করে। রবিনের কানের কাছে মুখ নিয়ে এলেন শেরিফ। ‘যে দামে মাংস বিক্রি করেছো শুনলাম… অনেক গরু-ছাগল আছে বুঝি তোমাদের? জায়গা-জমি?’

    ‘ঠিক কত একর যে আছে আমি নিজেও জানি না,’ বললো রবিন হাসতে হাসতে। ‘ওসব হিসেব রাখতো বুড়ো বাপ। অত হিসেব নিকেশ করতে গিয়েই তো মারা পড়লো বেচারা। জমি…তা কয়েকশো একরের কম হবে না, এটুকু আমি জানি। শিংওয়ালা পশু রয়েছে আমার পাঁচশোর ওপর। কিন্তু হলে কি হবে, ওসব দিয়ে আমি কি করবো, আমার দরকার নগদ টাকা।’

    লোভে চকচক করে উঠলো শেরিফের দু’চোখ। মনে মনে স্থির করে ফেললেন, এই অপব্যয়ী ছোকরার পকেট থেকে কিছু খসাতেই হবে, তা না পারলে দুঃখ থেকে যাবে আজীবন। ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞেস করলেন, ‘এখনো বিক্রি হয়নি সে-সব?’

    ‘নাহ্, খরিদ্দার পাইনি। সত্যি কথা বলতে কি, খরিদ্দার আসলে খুঁজিওনি আমি এর আগে। এবার ভাবছি খুঁজতে হবে। খুব সস্তাতেই বেচে দেব আমি সব।’

    ‘কত?’ সামনে ঝুঁকে এলেন শেরিফ, ‘কত হলে বেচবে?’

    ঘরের ছাদের দিকে চেয়ে মনে মনে হিসেবের ভান করলো রবিন, তারপর বললো, ‘আমার ভাইদের সাথে আলাপ না করে জমির কথা বলতে পারছি না, তবে পশুগুলো বেচে দিতে পারি আমি যখন তখন। ওগুলোর ন্যায্য দাম, আমার বিশ্বাস, কমপক্ষে সাড়ে সাতশো পাউণ্ড। তবে পাঁচশো পেলেই ছড়ে দেব আমি খুশি মনে।’

    ‘পাঁ-চ-শো!’ ভুরুজোড়া কপালে তুললেন শেরিফ। কিছু বলতে যাচ্ছিল কসাইদের একজন, চট্ করে হাত তুলে থামিয়ে দিলেন তাকে, তারপর বললেন, ‘নাহ্, অনেক বেশি দাম চাইছো। তাছাড়া অত টাকা নেইও আমার কাছে। যদি তিনশো পাউণ্ডে হয় তো আমি কিনতে পারি।

    ‘ঠকা হয়ে যায়,’ বললো রবিন। লক্ষ্য করলো দূর থেকে বেশ কয়েকজন মাথা নেড়ে বারণ করছে ওকে, যেন শেরিফকে কোন কথা দিয়ে না ফেলে। কাছাকাছি একজন ছটফট করে কিছু বলে উঠতে যাচ্ছিল, কিন্তু থেমে গেল শেরিফের ভ্রুকুটি দেখে। যেন এসব কোনদিকে খেয়াল নেই, এমন ভঙ্গিতে রবিন বললো, ‘কি যে করি! নগদ টাকাটাও দরকার খুবই। আচ্ছা ঠিক আছে, যান, তিনশো পাউণ্ডই সই। আমি রাজি।’

    ‘ঠিক তো?’ হাত বাড়িয়ে দিলেন শেরিফ। সেই হাতের উপর চাপড় মারলো রবিন।

    ‘ঠিক। কিন্তু টাকাটা সাথে করে নিতে হবে আপনার। বাকি বকেয়া…’

    ‘আরে, না, না!’ হেসে উঠলেন শেরিফ। নগদ তিনশো পাউণ্ড সাথে নিয়ে যাব আমি তোমার সাথে। নামটা কি তোমার, ভাই?’

    ‘লকস্‌লির রবার্ট বলে ডাকে আমাকে সবাই।’

    ‘ঠিক আছে, রবার্ট, তাহলে এই কথাই থাকলো। আজই বিকেলে তোমার সাথে যাচ্ছি আমি, জিনিস পছন্দ হলে টাকা দিয়ে কিনে রেখে আসবো, কাল আমার লোক গিয়ে নিয়ে আসবে ওগুলো। কেমন?’

    ‘কোন আপত্তি নেই,’ বললো রবিন। সবাইকে তাড়া দিল, ‘কই, হাঁ করে রয়েছো কেন তোমরা সব? চালাও হাত চালাও, মুখ চালাও।’

    ভোজ শেষ হলো। সবাই বলাবলি শুরু করলো, কাজটা শেরিফের উচিত হলো না। এমন ভাবে ঠকানো ঠিক হলো না হাসিখুশি, অপব্যয়ী, নির্বোধ ছেলেটাকে।

    যাই হোক, বিকেল হতেই রওনা হয়ে গেল দু’জন ঘোড়ায় চেপে। শেরউড জঙ্গলের কাছাকাছি এসেই কেমন যেন ভয়-ভয় করতে লাগলো শেরিফের, চমকে চমকে তাকাতে শুরু করলেন তিনি এদিক ওদিক। জঙ্গলের ভিতরে ঢুকে কথাবার্তা কমিয়ে দিলেন তিনি, রবিনের কথার উত্তরে হুঁ-হাঁ করেন শুধু, তাও আবার নিচু গলায়।

    ‘একটু আস্তে কথা বলো,’ আরো কিছুদূর এগিয়ে পরামর্শ দিলেন তিনি রবিনকে। ‘এই জঙ্গলেই বাস করে ভয়ঙ্কর দস্যু রবিন হুড! ওর হাতে পড়লে আর রক্ষা নেই।’

    জোরে হেসে উঠলো রবিন এই কথা শুনে। ‘আপনি নিশ্চিন্ত থাকুন, মিস্টার শেরিফ। ভাল করেই চিনি আমি রবিন হুডকে। অযথা ভয় পাবেন না। আমার মত নিরীহ একজন লোককে দিয়ে যতটুকু ভয়, তার চেয়ে বেশি ভয় নেই আজ আপনার রবিন হুডকে দিয়ে।’

    চট্ করে রবিনের মুখের দিকে চাইলেন শেরিফ। মনে মনে বললেন, ‘রবিন হুডের সাথে তোমার এত খাতির থাকাটা তো মোটেই পছন্দ হচ্ছে না আমার, ছোকরা। শেরউড থেকে বেরোতে পারলে বেঁচে যাই।’

    কিন্তু এগোতেই থাকলো রবিন। গভীর থেকে গভীরতর জঙ্গলে ঢুকছে আঁকাবাঁকা পথ ধরে। পাথরের মূর্তির মত এক্কেবারে চুপ হয়ে গেছেন শেরিফ। হঠাৎ একটা মোড়ে এসে ঘোড়ার রাশ টেনে ধরলো রবিন। বেশ কিছুটা দূরে একদল হরিণ পার হয়ে যাচ্ছে রাস্তা। হাত তুলে দেখালো সে শেরিফকে, ‘ওই দেখুন আমার শিংওয়ালা পশু। কেমন তাজা আর মোটাসোটা! পছন্দ হয়েছে আপনার?’

    কথা শুনে ভুরুজোড়া কুঁচকে উঠলো শেরিফের। ভর্ৎসনার দৃষ্টিতে চাইলেন তিনি রবিনের মুখের দিকে। ‘তামাশা করার জন্যে নিয়ে এসেছো তুমি আমাকে এতদূর? তোমার সঙ্গে আর এক কদম সামনে এগোচ্ছি না আমি! চললাম! তুমিও সিধে চলে যাও নিজের রাস্তায়!’

    হেসে উঠলো রবিন। ‘রাগ করছেন কেন, স্যার শেরিফ? আমার ভাইদের সাথে দেখা না করেই চলে যাবেন, তা কি হয়?’ চট্ করে এক হাতে চেপে ধরলো সে শেরিফের ঘোড়ার লাগাম, অপর হাতে শিঙাটা মুখে তুলে তিনটে ফুঁ দিল তাতে।

    চারপাশ থেকে ছুটে এলো পাঁচ-কুড়ি সবুজ পোশাক পরা তাগড়া জোয়ান, সবার আগে রয়েছে লিটল জন।

    ‘আজ্ঞা করুন, প্রভু!’ বিনয়ের অবতার সেজে মাথা ঝুঁকালো লিটল জন রবিনের উদ্দেশে।

    ‘লাগামটা ধরো, লিটল জন,’ বললো রবিন। দেখতে পাচ্ছো না, আমাদের আজকের ভোজে প্রধান অতিথি হিসেবে কে এসেছেন? ছি, ছি, চিনতে পারছো না এঁকে? আমাদের প্রিয় আইন রক্ষক নটিংহামের মাননীয় শেরিফের চেহারাটা ভুলে গেছো এরই মধ্যে? আমাদের দাওয়াত কবুল করে ধন্য করেছেন তিনি আজ আমাদের।’

    সম্মান প্রদর্শনের জন্যে সবাই খুলে ফেললো মাথার টুপি। কারো মুখে বিন্দুমাত্র হাসির আভাস নেই। এক হাতে লাগাম ধরে অত্যন্ত সম্মানের সঙ্গে পথ দেখিয়ে নিয়ে চললো লিটল জন শেরিফের ঘোড়াটাকে। সবাই চললো পিছন পিছন

    একটি কথাও বেরোলো না শেরিফের মুখ থেকে। বিস্ফারিত দৃষ্টিতে চারপাশে চাইছেন—যেন হঠাৎ জেগে উঠেছেন ঘুম থেকে। জঙ্গলের আরো গভীরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে দেখে মনটা একেবারে দমে গেল তাঁর। তিনশো পাউণ্ড তো যাবেই, প্রাণটা থাকবে কিনা তাতেও যথেষ্ট সন্দেহ আছে। কারণ, একবার নয়, পর পর বহুবার এদের প্রাণনাশের চেষ্টা করেছেন তিনি। যখন দেখলেন, সসম্ভ্রমে নিয়ে চলেছে ওরা তাঁকে, কেউ কোন রকম হুমকি দিচ্ছে না, তখন আরো ভয় পেয়ে গেলেন তিনি, টেনে ছেড়ে দেয়া ধনুকের ছিলার মত কাঁপতে শুরু করলো তাঁর বুকের ভেতরটা।

    বিশাল এক ওক গাছের নিচে এসে থামলো রবিন, সবুজ ঘাসের ওপর বসে শেরিফকে বসালো তার ডান পাশে। ‘জলদি!’ হুকুম করলো সে, ‘জলদি করে খানাপিনার ব্যবস্থা করো। ভাল ভাল যা কিছু আছে নিয়ে এসো সব। আমাদের পরম পূজণীয় মহাত্মা শেরিফ আজ আমাকে নটিংহামের গিল্ড হলে দাওয়াত খাইয়েছেন…যদিও পয়সাটা দিতে হয়েছে আমাকেই… আমাদের এখানে পদার্পণ করে শুধু মুখে তিনি ফিরে যাবেন, সেটা হতেই পারে না।’

    টাকা-পয়সার কথা একবারও উল্লেখ করা হলো না দেখে কিছুটা সামলে নিলেন শেরিফ। মনে মনে বললেন, হয়তো ভুলেই গেছে রবিন হুড যে তিনশো পাউণ্ড রয়েছে আমার কাছে।

    শেরিফের সম্মানে লাঠি খেলার আয়োজন করা হলো। এদিকে বাতাসে ভেসে আসছে গনগনে আগুনে হরিণের মাংস আর খাসি-মোরগের রোস্ট, সেই সাথে মাংসের পিঠে ঝলসানোর জিভে পানি আসা গন্ধ। খুশি হয়ে উঠলো শেরিফের মন। লাঠি খেলার চমৎকার কৌশল দেখে নিজের অজান্তেই হাততালি দিয়ে উঠছেন তিনি, চেঁচিয়ে উঠছেন, ‘বাহ! বেড়ে মেরেছো হে, কালো দাড়ি!’ এই লোকটাই যে তাঁর কাছ থেকে রবিন হুডের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা নিয়ে শেরউডে আসা সেই ঝালাইকার, তা তিনি ঘুণাক্ষরেও টের পেলেন না।

    এবার শুরু হলো তীর-ধনুকের খেলা। একশো ষাট গজ দূরের লক্ষ্য ভেদ করছে একজনের পর একজন তুখোড় তীরন্দাজ। কিন্তু এসব দেখে আনন্দিত না হয়ে বরং বিমর্ষ হয়ে পড়লেন শেরিফ। কারণ, কিছুদিন আগেই তাঁকে বোকা বানিয়ে আশ্চর্য পারদর্শিতা দেখিয়ে পুরস্কার জিতে নিয়ে এসেছে রবিন নটিংহাম থেকে, সেই সোনার তীরটা দেখতে পাচ্ছেন তিনি, ঝুলছে গাছের ডালে। তাঁর মনের ভাব টের পেয়ে এই খেলা বন্ধ করে দিল রবিন। তলোয়ারের খেলা দেখতে হলে আরো খারাপ লাগবে শেরিফের, মনে পড়ে যাবে উইল স্টিউটলিকে উদ্ধার করার সেই দৃশ্য, তাই সেটাও বাদ দিয়ে গানবাজনার আয়োজন করতে বললো সে অনুচরদের। চমৎকার জমে উঠলো গানের আসর, হার্পের সুরলহরী সৃষ্টি করলো অপূর্ব পরিবেশ।

    খাবার তৈরি হয়ে যেতেই কয়েকজন এসে ঘাসের উপর বিছিয়ে দিল দস্তরখান, কয়েকজন নিয়ে এলো পিপে ভর্তি নানান জাতের সুপেয় মদ। দস্তরখানের দুই পাশে লাইন করে বসে গেল সবাই। শুরু হলো পরিবেশন। তৃপ্তির সাথে পেট পুরে খেল সবাই, মদ খেল আকণ্ঠ। খাওয়া যখন শেষ হলো, অস্ত গেছে সূর্য, আধখানা ফ্যাকাসে চাঁদ ম্লান আলো দিচ্ছে পাতার ফাঁক দিয়ে।

    খাওয়া শেষ করে ঢেকুর তুললেন শেরিফ, তারপর উঠে দাঁড়ালেন। ‘তোমাদের সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ,’ বললেন তিনি। ‘প্রাণ ভরে খেলাম আজ। তোমাদের ব্যবহারেও আন্তরিকতার স্পর্শ পেয়ে সত্যিই মুগ্ধ হয়েছি আমি। আমি এবার উঠতে চাই। সাঁঝ হয়ে এলো, আর দেরি করলে রাত হয়ে যাবে, পথ হারিয়ে ফেলবো জঙ্গলে।

    রবিন হুডও উঠে দাঁড়ালো, তার সাথে সাথে আর সবাই। ‘আপনাকে যেতে যখন হবেই, আটকাবো না,’ বললো রবিন। হাসলো। তবে মনে হয় কিছু একটা বোধহয় ভুলে যাচ্ছেন আপনি।

    ‘কই, না তো! কিছুই তো ভুলে ফেলে যাচ্ছি না!’ মুখে কথাটা বললেন বটে কিন্তু মনটা দমে গেল শেরিফের।

    ‘ফেলে যাচ্ছেন না, ভুলে নিয়ে চলে যাচ্ছেন, মাননীয় শেরিফ!’ বললো রবিন ‘আমাদের এই শেরউডের সরাইখানায় যাঁরাই অতিথি হন তাঁদের ভোজের খরচটা দিয়ে যাওয়াই নিয়ম।’

    ‘ও, এই কথা!’ হা হা করে প্রাণহীন ফাঁকা হাসি হেসে উঠলেন শেরিফ। ‘তোমাদের সঙ্গে চমৎকার কাটলো সময়টা। চাওয়ার আগেই ঠিক করে রেখেছিলাম, বিশটা পাউণ্ড দিয়ে যাবো আমি তোমাদের।’

    ‘এ কথা বলে দয়া করে লজ্জা দেবেন না,’ বললো রবিন। ‘আপনি মাত্র বিশটা পাউণ্ড দিলে মুখ দেখাতে পারবো না আমি আর কোনদিন কারো কাছে। সবাই ছি ছি করবে আমাকে কিপ্টে অতিথি ডেকে আনার জন্যে। তাছাড়া আপনি এতবড় একজন রাজ-কর্মচারী, এই সামান্য টাকা দেয়া কি আপনার সাজে? আমার মনে হয় শ তিনেক পাউণ্ড দিলে মানায়-কি বলো তোমরা?’

    ‘নিশ্চয়, নিশ্চয়!’ চেঁচিয়ে উঠলো সবাই।

    ‘তিনশো পাউণ্ড!’ আঁৎকে উঠলেন শেরিফ। তুমি কি মনে করো তোমার এই ফকিরী খানার দাম তিন পাউণ্ডের চেয়ে এক পেনি বেশি হবে?’

    ‘অত কড়া কথা বলবেন না, স্যার শেরিফ’ গম্ভীর হয়ে উঠলো রবিন। ‘যদিও আমাকেই দামটা দিতে হয়েছে, তবু আজকের ওই গিল্ড হলের ভোজের জন্যে আপনাকে আমি ভালবেসে ফেলেছি। কিন্তু আমাদের মধ্যে এমন কেউ কেউ আছে যারা আপনাকে অতটা ভালবাসে না। এই যেমন ধরুন, উইল স্টিউটলির কথা-কদিন আগে যাকে ফাঁসীকাঠে ঝোলাতে যাচ্ছিলেন, কিংবা ধরুন আরো দু’জনের কথা-ক’দিন আগে নটিংহামের খণ্ডযুদ্ধে যারা আহত হয়েছিল, তাদের মধ্যে আপনার প্রতি তেমন কোন ভালবাসার লক্ষণ দেখতে পাচ্ছি না, বরং কেমন একটা আক্রমণাত্মক ভাব লক্ষ্য করছি। ওদেরকে একটু ঠাণ্ডা করার জন্যে যদি কিছু বেশি খরচ হয়ে যায়, সেটা আপনার নিজের মঙ্গলের জন্যেই হবে।’

    এই কথা শুনে রক্তশূন্য ফ্যাকাসে হয়ে গেল শেরিফের মুখটা, মাটির দিকে চেয়ে কি যেন ভাবলেন কিছুক্ষণ, তারপর কোন কথা না বলে ধীরে ধীরে কোমরে গোঁজা থলিটা বের করে ছুঁড়ে দিলেন দস্তরখানের উপর।

    ‘গুনে দেখো, লিটল জন,’ বললো রবিন হুড। আমরাও দেখি। কম-টম থাকলে কে যাবে আবার নটিংহামে বাকিটুকু চেয়ে আনতে?’

    গুনতে শুরু করলো লিটল জন। টুং-টাং আওয়াজ হচ্ছে আর কানের ভিতর যেন শেল ঢুকছে শেরিফের। স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রায় ঠিক তিনশো পাউণ্ডই পাওয়া গেল থলিতে। গোণা শেষ হতেই মুদ্রাগুলোর উপর থেকে চোখ সরিয়ে নিলেন শেরিফ, নীরবে এগিয়ে গিয়ে উঠে বসলেন নিজের ঘোড়ায়।

    ‘চলুন, স্যার শেরিফ, আপনাকে কিছুদূর এগিয়ে দিয়ে আসি,’ বলে ঘোড়ার লাগামটা হাতে নিল রবিন। রাস্তা পর্যন্ত পৌঁছে দিয়ে বললো, ‘এরপর আর কাউকে সর্বস্বান্ত করার আগে দয়া করে আজকের ঘটনাটা একটু স্মরণ করবেন। বিদায়, স্যার শেরিফ। হয়তো আবার দেখা হবে কোনদিন।’ এই বলে ঘোড়ার পিঠে জোরে একটা চাপড় দিল রবিন।

    ছুটতে শুরু করলো ঘোড়া নটিংহামের পথে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৬৫ – কাউণ্ট কোবরা
    Next Article মাসুদ রানা ৪৬৮ – স্বর্ণলিপ্সা

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }