Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রবিন হুড – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমার রায় এক পাতা গল্প167 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রবিন হুড – ১০

    দশ

    এই ঘটনার পর কয়েক সপ্তাহ ধরে শেরিফ মহাশয় রবিন হুডের দলকে ধরবার জন্য ক্রমাগত চেষ্টা করলেন। কিন্তু কিছুতেই কিছু করে উঠতে পারলেন না। রবিন হুডের কথা ক্রমে রাজার কানে গিয়ে পৌঁছল। রাজার কাছ থেকে শেরিফের ওপর কড়া হুকুম এল, ‘যে ভাবেই হোক রবিন হুডের দলকে ধরতেই হবে। তা না হলে, তোমাকে বরখাস্ত করব।’ শেরিফ তো মহা মুশকিলে পড়লেন। কতরকমের ফন্দি আঁটলেন, কিন্তু ফল কিছুই হল না। শেষে দ্বিগুণ পুরস্কার ঘোষণা করে দিলেন, যদি কেউ লোভে পড়ে কোনওভাবে সফল হয়।

    গাই-অব-জিসবোর্ন নামে রাজার সৈন্য-দলে একজন নাইট এই পুরস্কারের কথা শুনতে পেলেন। এই স্যার গাই খুব প্রসিদ্ধ তিরন্দাজ ও অসি-যোদ্ধা কিন্তু তাঁর মনটা খুব নীচ ছিল। তিনি রাজার অনুমতি নিলেন এবং একটুকরো কাগজে হুকুম লিখিয়ে নিয়ে নটিংহাম শহরের শেরিফের কাছে এসে বললেন,–’শেরিফ মশাই! আমি সেই প্ৰসিদ্ধ রবিন হুডকে ধরতে এসেছি—আপনাকে আমায় একটু সাহায্য করতে হবে।

    শেরিফ বললেন,–’নিশ্চয়ই করব, স্যার গাই! রাজার হুকুম না নিয়ে এলেও আমি খুব খুশি হয়ে সাহায্য করতাম। এখন বলুন দেখি আপনার ক’জন লোকের দরকার।

    স্যার গাই বললেন,—’ ‘আজ্ঞে! লোকজনের আমার কিছু দরকার নেই। রবিন হুডকে ধরা অনেক লোকের কাজ নয়। আমি একাই চেষ্টা করব। আপনি এক কাজ করবেন, কতকগুলো লোককে বার্নস ডেলে প্রস্তুত রাখবেন, আমার এই রূপোর শিঙাটির আওয়াজ শুনলেই যেন তারা গিয়ে হাজির হয়।’

    শেরিফ বললেন, ‘বেশ, তাই হবে।’

    তারপর স্যার গাই ছদ্মবেশ ধরে তাঁর কাজে বের হয়ে গেলেন।

    এদিকে উইল স্কারলেট আর লিটল জন ঠিক সেই দিনই দলের লোকদের পোশাক কিনতে বার্নস ডেলে এসেছিল। শহরের কাছে এসে তারা ভাবল—দুজন যদি একসঙ্গে ধরা পড়ি? তার চেয়ে বরং একজন বাইরে থাকি, একজন শহরে ঢুকি।’ এরকম পরামর্শ করে উইল শহরে প্রবেশ করল, জন বাইরে পাহাড়ের ওপর অপেক্ষা করতে লাগল।

    খানিকক্ষণ অপেক্ষা করবার পরই জন দেখল, উইল স্কারলেট ঊর্ধ্বশ্বাসে দৌড়ে শহরের বাইরে এসেছে, আর পঞ্চাশ-ষাট জন লোক নিয়ে শেরিফ তার পিছন-পিছন তাড়া করেছেন। খানা, গর্ত, ঝোপ, সব ডিঙিয়ে উইল ছুটছে। শেরিফের লোকেরা হোঁচট খেয়ে গর্তে পড়ল, কারও-বা পা ভেঙে গেল, কারও বা ঘাড় মটকে গেল, আবার কেউ-কেউ ক্লান্ত হয়ে রাস্তার ধারে বসে হাঁপাতে লাগল।

    পাহাড়ের ওপর থেকে এই ব্যাপার দেখে প্রথমে তো লিটল জন হেসেই খুন। তারপর তার মনে ভয় হল—’আচ্ছা, উইল যদি হোঁচট খেয়ে পড়ে যায়।’ ঠিক এই সময় জন দেখল, শেরিফের একজন লোক উইলের খুব কাছে এসে পড়েছে। লোকটিকে দেখে লিটল জন চিনতে পারল। শেরিফের দলে তার মতো কেউ-ই ছুটতে পারত না। স্কারলেটের বিপদ দেখে, জন লোকটিকে লক্ষ করে একটি তির ছুড়ল। কী কুক্ষণেই বেচারি উইলকে তাড়া করেছিল। বুকে তির লেগে সে যে উপুড় হয়ে মাটিতে পড়ল, আর উঠল না।

    হঠাৎ এই ব্যাপার দেখে শেরিফের লোকেরা ভয়ে খানিকক্ষণ আর এগোল না। কিন্তু ওপরের দিকে চেয়ে যখন দেখল, শত্রুপক্ষ মোটে একজন এবং সে লিটল জন, তখন তারা উৎসাহে চিৎকার করে লিটল জনকেই তাড়া করল। এদিকে উইল স্কারলেট পাহাড় পার হয়ে অদৃশ্য হয়ে পড়েছে। লিটল জনও যদি তখন চলে যায়, তা হলে কোনও গোলই হয় না। কিন্তু তার দুর্বুদ্ধি, সে মনে করল, দাঁড়াও, আর এক বেটাকে শেষ না করে যাচ্ছি না’–এই বলে যেই তির ছুড়তে যাবে অমনি মটাৎ করে তার ধনুকটি দুই ভাগ হয়ে ভেঙে গেল। এদিকে শেরিফের কতকগুলো লোক একেবারে তার সমনে এসে হাজির হলে, লিটল জনের বজ্রমুষ্টি খেয়ে দেখতে-দেখতে জনা দশেক লোক মাটিতে পড়ে গেল।

    তখন শেরিফের কয়েকজন তিরন্দাজ একসঙ্গে লিটল জনকে লক্ষ করেছে দেখে, শেরিফ বললেন, ‘আর কেন বাপু! লিটল জনই হও আর গ্রিনলিফই হও, এবার ধরা পড়েছ।’

    জন বলল,–’বাঃ, শেরিফ মহাশয়! আপনার কথাগুলো বড় মিষ্টি লাগছে। তা কী আর করব, আমার বরাত নেহাত মন্দ দেখছি। তবে আর দেরি কেন, ধরুন আমাকে।’

    তখন শেরিফের লোকেরা লিটল জনকে ধরে দড়ি দিয়ে আচ্ছা করে বাঁধল! শেরিফ মহা আহ্লাদে বললেন,—’ ‘ব্যাটা! তুমি রূপোর প্লেটগুলো চুরি করেছিলে, এবারে তার শোধটা পাবে এখন। আজ‍ই তোমাকে বার্নস ডেলের পাহাড়ের ওপর ফাঁসি দেব।’

    জন বলল,–’ফাঁসি দাও আর যাই করো, বেশি বড়াই কোরো না। ভগবানের ইচ্ছা হলে এখনও তোমাকে ফাঁকি দিতে পারি।’

    সে কথা আর কে গ্রাহ্য করে? লিটল জনকে নিয়ে সকলে তাড়াতাড়ি বার্নস ডেলে চলল। মনে ভয়ও আছে, পাছে দস্যু দল হঠাৎ এসে জনকে উদ্ধার করে নেয়।

    বার্নস ডেলে পৌঁছেই ফাঁসিকাঠ খাড়া করে তাতে নতুন দড়ি লাগানো হল। শেরিফ লিটল জনকে বললেন,–’আর দ্যাখো কী বাছাধন? যাও, এখন ফাঁসিকাঠে চড়ো।’

    লিটল জনের উদ্ধারের আর কোনও আশাই নেই। রবিন হুডের শিঙাটা তার কাছে থাকলে, তবু না হয় একবার ফুঁকে দেখত। দড়ির ফাঁস গলায় পরিয়ে লোকজন তৈরি। শেরিফ হুকুম করলেই দড়ি টানবে।

    তখন শেরিফ জিজ্ঞাসা করলেন,–’সব ঠিক? তবে তৈরি হও এক–দুই,’–তিন বলবার আগেই দূর থেকে শিঙার অস্পষ্ট আওয়াজ তাঁর কানে এসে পৌঁছল। আর অমনই তিনি বলে উঠলেন, ‘এ কী! শিঙার আওয়াজ যে শুনলাম! এ স্যার গাই-এর শিঙার আওয়াজ! তিনি যে বলে গিয়েছিলেন, শিঙার ফুঁ শুনলে তখনই লোকজন নিয়ে যেতে! নিশ্চয়ই তিনি রবিন হুডকে পাকড়াও করেছেন।’

    একজন লোক বলল,—’হুজুর! বেয়াদপি মাপ করবেন। স্যার গাই যদি রবিন হুডকে ধরে থাকেন, তাহলে তো মজাই হয়েছে। এ লোকটার ফাঁসি এখন রেখে দিন, সে সর্দার বেটাকেও এনে দুজনকে এক সঙ্গেই ঝোলানো যাবে।’

    শেরিফ বললেন,–’বেশ কথা বলেছ! তাহলে এক কাজ করো—বেটাকে ফাঁসিকাঠের সঙ্গে বেঁধে রেখে, চলো আমরা সে বেটাকেও গিয়ে নিয়ে আসি।’

    পাঠক পাঠিকা! চলো এখন আমরা লিটল জন ও শেরিফের কথা রেখে, একবার রবিন হুডের কী হল দেখে আসি।

    লিটল জন যে দিন ধরা পড়ে, ঠিক সেই দিন সকাল বেলা রবিন হুড জনের সঙ্গে বনের পথে চলতে চলতে দেখতে পেলেন, কিম্ভূতকিমাকার চেহারার একটা তিরন্দাজ আসছে। তখন একই সময়ে দুজনেরই ইচ্ছা, লোকটার তিরের হাত কেমন একবার পরীক্ষা করে দেখেন। রবিন হুড কিন্তু কিছুতেই লিটল জনকে সেটা করতে দেবেন না! তিনি নিজেই পরীক্ষা করবেন। কাজেই লিটল জন একটু বিরক্ত হল, এবং সেই রাগেই সে উইল স্কারলেটের সঙ্গে বার্নস ডেলে গিয়েছিল।

    লিটল জন বিরক্ত হয়ে চলে গেলে পর, রবিন হুড সেই লোকটির দিকে এগোলেন। লোকটিকে দেখে হঠাৎ রবিনের মনে হল যেন তার তিনটি পা। কিন্তু আরও কাছে গিয়ে দেখলেন, যে, তা নয়—মাথা, চুল এবং লেজ সমেতে একটা আস্ত ঘোড়ার চামড়া দিয়ে লোকটি তার সমস্ত গা ঢেকেছে—ঘোড়ার মাথাটায় বেশ হেলমেট হয়েছে এবং লেজটি পিছনের দিকে ঝুলে থাকায় হঠাৎ তিন পা বলেই মনে হয়।

    লোকটির কাছে এসে রবিন হুড বললেন,–’নমস্কার দাদা! তোমার ধনুকটি দেখলে মনে হয়, তুমি একজন পাকা তিরন্দাজ।’

    লোকটি বলল,—’হ্যাঁ ভাই! তির ছোঁড়ার অভ্যাসটা আমার আছে বটে, কিন্তু আমি সে কথা ভাবছি না। পথটা হারিয়ে ফেলেছি, আবার কী করে খুঁজে বার করি তাই ভাবছি।’

    লোকটির কথা শুনে রবিনের হাসি পেল। তিনি মনে মনে ভাবলেন,—’রাস্তা তো নয়, বুদ্ধিটাই বোধ করি হারিয়ে ফেলেছে।’ প্রকাশ্যে বললেন,–’আচ্ছা ভাই! আমি তোমাকে পথ দেখিয়ে দিচ্ছি। এখন বলো দেখি, এখানে কেন এসেছ?’

    লোকটি বলল,—’তুমি কে হে বাপু, যে তোমাকে কাজের হিসাব দেব?’

    রবিন বললেন,–’আরে চটে যাও কেন দাদা? বুঝতে পারছ না, আমি হচ্ছি রাজার বনের পাহারাওয়ালা, বিদঘুটে চেহরার কোনও লোক এসে রাজার হরিণ না মারে, সেটা দেখাই হচ্ছে আমার কাজ।’

    লোকটি বলল,–’তা ভাই, আমার চেহারাটা খারাপ হতে পারে কিন্তু তা বলে মনে কোরো না যে, আমি খামোখা এখানে ঘুরে বেড়াচ্ছি! আচ্ছা, তুমি বলছ তুমি রাজার লোক, আমিও রাজার কাছেই এসেছি। রবিন হুড বলে একজন ডাকাত আছে, তাকেই আমি খুঁজছি, তুমি কি তার দলের লোক?’

    রবিন বললেন,–’না দাদা! ডাকাত টাকাতের আমি ধার ধারি না। রবিন হুডকে দিয়ে তোমার কী দরকার?’

    লোকটি বলল,—’তা যাই হোক না কেন, তবে কিনা সেই দস্যুটার সঙ্গে আমাকে দেখা করতেই হবে।

    রবিন হুড বুঝতে পারলেন ব্যাপারটা কী। তখন তিনি বললেন,–’এসো ভাই তিরন্দাজ। আমার সঙ্গে এসো, আর একটু বেলা হলে তোমাকে আমি রবিন হুডের আড্ডা দেখিয়ে দিতে পারব। ততক্ষণ চলো, কে বেশি ভালো তির চালাতে পারে তারই একবার পরীক্ষা হোক।’ এই বলে রবিন উইলো গাছের একটা সরু ডাল প্রায় ষাট গজ দূরে মাটিতে পুঁতে বললেন, ‘আচ্ছা ওই ডালটাতে তির লাগাও দেখি! তুমিই আগে মারো।’

    লোকটি বলল, ‘না ভাই, আমি আগে নয়। তুমিই আগে মারো।’

    তখন রবিন হুড ধনুকে গুণ পরিয়ে তির ছুড়লেন—প্রায় এক ইঞ্চির জন্য তাঁর তির ডালে লাগল না। তারপর অপরিচিত লোকটি খুব হুঁশিয়ার হয়েই তির চালাল, কিন্তু ডাল থেকে প্রায় তিন আঙুল দূর দিয়ে চলে গেল।

    দ্বিতীয় বার অপরিচিত লোকটিরই আগে পালা। এবারে তার তির, ডালের ডগায় ছোট একটি মালা ছিল, তার মধ্য দিয়ে চলে গেল। তারপর রবিন মারলেন। তাঁর তির সেই ডালটিকে ঠিক মাঝখানে কেটে দু-ভাগ করে ফেলল।

    এই দেখে লোকটি বলল, —শাব্বাশ ভাই! তোমার খাসা হাত এমন ওস্তাদি আমি কখনও দেখিনি, তোমার হাত বোধ করি রবিন হুডের চেয়েও পরিষ্কার। আচ্ছা, তোমার নামটি কী ভাই?’

    রবিন বললেন,–’তোমার নামটি কী আগে বলো, তারপর আমার নাম বলব।’

    লোকটি বলল,—’আমার নাম গাই-অব-জিসবোর্ন। রবিন হুডকে ধরব বলে প্রতিজ্ঞা করে বেরিয়েছি।’

    রবিন হুড বললেন,–’কী! তোমার নাম গাই-অব-জিসবোর্ন? তাই তো, তোমার কথা যেন শুনেছি বলে মনে হয়। আচ্ছা, তুমিই না লোকদের ফাঁসিকাঠে ঝুলিয়ে পয়সা রোজগার করো?’

    স্যার গাই বললেন,–’হাঁ তা করি বটে, তবে কি না সকলের বেলা নয়। শুধু রবিন হুডের মতো ডাকাতের বেলা।

    রবিন বললেন,—’বাবা! তুমি দেখছি রবিন হুডের ওপর বড় চটা। কেন বাপু, সে তোমার কী করেছে?’

    স্যার গাই বললেন,–’কিছু করবার কথা হচ্ছে না, সে ব্যাটা যে ভীষণ ডাকাত!

    রবিন বললেন,–’হলই বা ডাকাত! সে তো আর যার তার ওপর জুলুম করে না! বড় লোকের টাকাকড়ি নিয়ে, যারা গরিব দুঃখী, খেতে পায় না, তাদের দেয়। তার অপরাধের মধ্যে দেখছি, সে যখন খেতে পায় না, তখন মাঝে-মাঝে রাজার এক আধটা হরিণ মারে

    স্যার গাই বললেন,–’আরে থামো বাপু! তুমি দেখছি রবিন হুডের বড় ভক্ত। এক একবার মনে হয় তুমি রবিন হুডেরই লোক।’ রবিন বললেন,–’আগেই তো বলেছি আমি তা নই। যাক বাজে কথা, এখন বলো দেখি, রবিন হুডকে ধরবার মতলবটা কী ঠাওরেছ?’ স্যার গাই বললেন,—’মতলবটা ঠাওরেছি এই, আমার হাতে এই যে রূপোর শিঙাটি রয়েছে, যদি রবিনকে ধরতে পারি, তবে এটি ফুঁকব আর তখনই দলবল নিয়ে শেরিফ এসে হাজির হবেন। এখন তুমি যদি রবিন হুডকে দেখিয়ে দিতে পারো, তাহলে আমার বকশিশের অর্ধেকটা তোমাকে দেব।’

    রবিন বললেন,–’বটে! তুমি মনে করছ টাকার লোভে আমি একটা লোককে ফাঁসির জন্য ধরিয়ে দেব? অবশ্য রবিন হুডকে দেখিয়ে দেব তা ঠিক, কিন্তু আমার এই তলোয়ারের গুঁতোয় যা বকশিশ আদায় করতে পারি, শুধু তারই জন্য তাকে দেখাব। এই আমিই হচ্ছি সারউড বনের সেই দস্যু রবিন হুড।’

    ‘তবে রে ব্যাটা, এই নাও বকশিশ!’ হঠাৎ এই বলে বিদ্যুদ্বেগে স্যার গাই রবিন হুডকে আক্রমণ করল।

    রবিন মোটেই প্রস্তুত ছিলেন না, হঠাৎ অন্যায়ভাবে আক্রান্ত হয়ে একটু মুশকিলে পড়লেন। গাইয়ের আঘাতগুলো নানারকমে বিফল করে দিয়ে বললেন,–’তুমি তো ভারী ছোট লোক হে! সামান্য ভদ্রতাটুকুও জানো না? না বলে কয়ে হঠাৎ তলোয়ার চালাতে আরম্ভ করলে?’

    কিন্তু চোরা না শোনে ধর্মের কাহিনি! স্যার গাই ক্ষান্ত হল না। কাজেই দুজনে ভীষণ তলোয়ারযুদ্ধ শুরু হয়ে গেল। দুর্ভাগ্যবশত হঠাৎ হোঁচট খেয়ে রবিন হুড পড়ে গেলেন। ভালো যোদ্ধা মাত্রেই এমন সময়ে তলোয়ার নামিয়ে অপেক্ষা করে থাকে। কিন্তু স্যার গাই পতিত রবিন হুডকে তাঁর বাঁ-পায়ে আঘাত করল। ক্ষণকালের জন্য রবিন হুড মনে-মনে ঈশ্বর স্মরণ করলেন। আবার তখনই চট করে লাফিয়ে উঠে, তরবারি দিয়ে স্যার গাইকে এমন আঘাত করলেন, যে গোঁ-গোঁ শব্দ করে সে মাটিতে পড়ে গেল—আর উঠল না!

    স্যার গাইকে বধ করে রবিন হুড়ের মনে বড়ই দুঃখ হল। একেবারে মেরে ফেলার ইচ্ছা তাঁর মোটেই ছিল না—কিন্তু কী আর করবেন, স্যার গাই-এর নিজের দোষেই তার এই শাস্তি!

    তখন তাঁর নিজের আঘাতের দিকে রবিন হুডের নজর পড়ল; দেখলেন, আঘাত তেমন গুরুতর নয়। সামান্য চেষ্টাতেই রক্ত পড়া বন্ধ হয়ে গেল—ক্ষতস্থানটি রুমাল দিয়ে বেঁধে ফেললেন। তারপর স্যার গাইয়ের মৃতদেহ টেনে একটা ঝোপের ভিতর নিয়ে গিয়ে, তার সেই ঘোড়ার চামড়া নিজের গায়ে পরলেন এবং নিজের জামা স্যার গাইকে পরিয়ে, তলোয়ার দিয়ে তার মুখটাকে এমনভাবে বিকৃত করে দিলেন যেন দেখলে ভুল হয় যে, সে–রবিন হুড। স্যার গাইয়ের মুখের আকৃতি অনেকটা রবিন হুডের মতোই ছিল।

    তারপর ঘোড়ার চামড়াটা টেনে নিজের মুখটাকে কতকটা ঢেকে, সেই রূপোর শিঙাটি বাজালেন। এই শিঙার আওয়াজই বার্নস ডেলে লিটল জনের প্রাণ বাঁচাল। সে কথা আমরা এর আগেই জানতে পেরেছি। শেরিফ মহাশয় এই শব্দ শুনেই, ফাঁসি থামিয়ে দিয়ে লোকজন নিয়ে বার হয়েছিলেন।

    রবিন হুড শিঙা বাজাবার মিনিট কুড়ি পরেই শেরিফ বাছা বাছা জনা কুড়ি তিরন্দাজ নিয়ে এসে হাজির। রবিন হুডকে স্যার গাই মনে করে তিনি জিগ্যেস করলেন,–স্যার গাই! আপনি কি শিঙা বাজিয়ে আমাদের সংকেত করেছেন? ‘

    রবিন বললেন, ‘হ্যাঁ, আমিই শিঙা বাজিয়েছি।’

    তখন শেরিফ ব্যস্ত হয়ে জিগ্যেস করলেন,—’ ‘স্যার গাই! খবর কী শিগগির বলুন?’

    রবিন বললেন,–’খবর আর কী! রবিন হুডের সঙ্গে আমার লড়াই হয়—আর ওই দেখুন ঝোপের ভেতর রবিন হুড পড়ে আছে। শেরিফ উৎসাহে বলে উঠলেন—’বাহবা, ক্যা বাৎ ক্যা বাৎ! এমন চমৎকার খবর এ জন্মেও শুনিনি। ব্যাটাকে যদি জীবন্ত ধরতে পারতেন, তাহলে দুটো ফাঁসি একসঙ্গেই দিতাম।’

    রবিন বললেন,—’দুটো ফাঁসি! আর একটা কার ফাঁসি, শেরিফ মশাই?’

    শেরিফ বললেন,–’আ রে স্যার গাই! বলব কী, আজ আমাদের বরাত খুলে গিয়েছে। আপনি চলে এলে পর, আর একটু হলেই একটা ব্যাটা দস্যুকে ধরেছিলাম, তার নাম বোধ করি উইল স্কারলেট। সে ব্যাটা তো পালিয়ে গেল। কিন্তু তার সঙ্গে যে ছিল, তাকে ধরে আমরা ফাঁসি দিচ্ছিলাম। ঠিক সেই সময়ে আপনার শিঙার আওয়াজ শোনা গেল।’

    রবিন বললেন,–’লোকটা কে? কাকে ধরে ফাঁসি দিচ্ছিলেন?’

    শেরিফ বললেন,–’লোকটা আর কেউ নয়, সারউড বনের সব চেয়ে ওস্তাদ দস্যু, রবিন হুড়ের পরেই সে! তার নাম লিটল জন।’

    ‘লিটল জন’ নাম শুনেই রবিন হুড চমকে উঠলেন। মনে-মনে ভাবতে লাগলেন, তাহলে তো দেখছি ঠিক সময়েই শিঙা বাজিয়েছিলাম!

    সকলে মিলে তখন লিটল জনকে ফাঁসি দেওয়ার জন্য বার্নস ডেলে চলল। রবিন হুডের মন চিন্তায় পূর্ণ, কী করে লিটল জনকে উদ্ধার করবেন। কিন্তু বাইরে চিন্তার ভাব যাতে প্রকাশ না পায়, তাই শেরিফের সঙ্গে খুব গল্প জুড়ে দিলেন। ক্রমে তাঁর শহরের দরজার কাছে হাজির হলেন। রবিন হুড, শেরিফকে বললেন,–শেরিফ মশাই! আমার একটা কথা রাখবেন কি?

    শেরিফ বললেন,—’কী কথা স্যার গাই? আপনার কথা রাখব না তো কার কথা রাখব —বলুন।’

    রবিন বললেন,–’কথাটা হচ্ছে কী জানেন, আমি বকশিশ কিছু চাই না। তবে কি না, সর্দারকে যখন বধ করেছি, তখন তার চেলাটাকেও আমার হাতে দিন, আমি তাকে বধ করি। লোকে বলবে, —স্যার গাই খুব বাহাদুর বটে! দস্যুর সর্দার দুটোকে এক দিনেই শেষ করেছেন।’ শেরিফ বললেন,–’তা বেশ তো। আপনি যা চাইবেন, তাই হবে। তবে কিনা পুরস্কারটাও আপনার পাওয়া উচিত—রবিন হুডকে মারা তো আর সহজ কাজ নয়!’

    এরকম কথা বলতে-বলতে শহরে এসে ছদ্মবেশী রবিন লিটল জনের কাছে গেলেন। লিটল জন তখন ফাঁসিকাঠেই বাঁধা ছিল। স্যার গাই-এর বেশধারী রবিন হুড শেরিফের লোকদেরকে বললেন, ‘তোমরা একটু সরে দাঁড়াও দেখি! আমি এই ডাকাতটাকে একটু ভগবানের নাম শুনিয়ে দিই।’

    এই কথা বলে তিনি নীচু হয়ে লিটল জনের বাঁধন দড়ি কেটে দিলেন। স্যার গাই-এর তিরধনুক বুদ্ধি করে সঙ্গেই এনেছিলেন, সেই তিরধনুক লিটল জনের হাতে দিয়ে, তার কানে ফিসফিস করে বলে দিলেন——জন! আমি রবিন হুড।’ লিটল জন কিন্তু এর আগেই তাঁকে চিনতে পেরেছিল, এবং এটাও বুঝেছিল যে, আজ আর তার ফাঁসিটা হল না।

    রবিন হুড তখন শিঙাটা বাজিয়ে, দুজনে মিলে শেরিফের লোকদের ওপর তির চালাতে আরম্ভ করে দিলেন। শেরিফের লোকেরা হতবুদ্ধি হয়ে দাঁড়িয়ে রইল, অস্ত্র চালাবারও খেয়াল হল না। এর ওপর আবার নতুন বিপদ! হঠাৎ অন্য এক দিক থেকে শেরিফের লোকেদের ওপর ঝাঁকে-ঝাঁকে তির এসে পড়তে লাগল! শেরিফ যখন ছদ্মবেশধারী রবিনকে নিয়ে শহরে ঢুকেছিলেন, তখন থেকে উইল স্টাটলি এবং উইল স্কারলেট, লিটল জনকে উদ্ধার করবার জন্য উপায় বার করছিল, এ তাদের দলের তির। শেরিফের লোকজন তখন ভয়ে ঊর্ধ্বশ্বাসে পলাল। রবিন হুড ও লিটল জন দলের সঙ্গে মিলে সারউড বনে চলে এলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজয়তু জয়ন্ত – হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Next Article রহস্য-রোমাঞ্চ সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    Related Articles

    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    মানুষের গড়া দৈত্য – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমারের গল্প – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রহস্য-রোমাঞ্চ সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    জয়তু জয়ন্ত – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    ঐতিহাসিক সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    কিশোর রহস্য উপন্যাস – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }