Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রবিন হুড – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমার রায় এক পাতা গল্প167 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রবিন হুড – ১১

    এগারো

    আগের ঘটনার কিছুদিন পরে, একদিন রবিন হুড ছদ্মবেশ ধরে শিকারের উদ্দেশ্যে বেরোলেন। সকাল। চারদিক চুপচাপ, কেমন যেন একটা শান্তির ভাব। তাঁর সেই অতীত শৈশবের কথা মনে পড়ে গেল। ম্যারিয়ানকে সঙ্গে নিয়ে এইসব পথে তিনি কতবার চলেছেন। সেদিন কি আর ফিরে আসবে? ম্যারিয়ানকে কি আর কখনও দেখতে পাবেন? এলান-আ-ডেলের বিয়ের এবং উইল স্কারলেট তাঁর দলভুক্ত হওয়ার পর থেকেই, ম্যারিয়ানের কথা সবসময়ই তাঁর মনে হত। সেদিনও তাঁর মন খারাপ হয়ে গেল, মাথা নীচু করে ভাবতে-ভাবতে চলতে লাগলেন।

    হঠাৎ সামনের খোলা ময়দানে একটি হরিণ এসে হাজির! কোথায় বা গেল রবিনের চিন্তা, কোথায় বা গেল ম্যারিয়ানের স্মৃতি— চোখের নিমেষে ধনুকে তির জুড়ে ছাড়বেন, এমন সময় দেখলেন, হরিণটা হঠাৎ অপর কোনও ব্যক্তির তিরবিদ্ধ হয়ে মাটিতে পড়ে গেল এবং সঙ্গে-সঙ্গে একটি সুন্দর বালক চাকর, বনের ভেতর থেকে বার হয়ে হরিণটার দিকে ছুটে আসল। হাতে তার ধনুক, পাশে তলোয়ার, বয়স খুব কম। তাকে দেখেই রবিন হুড বুঝতে পারলেন যে, এই বালকই হরিণটাকে মেরেছে।

    রবিন হুড তখন হরিণটার কাছে এসে, কর্কশ স্বরে বালককে বললেন,–’কে হে তুমি, রাজার হরিণ মারলে যে? তোমার সাহস তো কম নয়।’

    বালক বলল,–’তুমি জিজ্ঞাসা করবার কে? হরিণ মারবার অধিকার রাজার যেমন আছে, আমারও ঠিক তেমনই আছে।’

    বালকের গলা শুনে রবিনের মন তোলপাড় হয়ে উঠল। তখন একটু ভদ্রভাবে জিজ্ঞাসা করলেন,–’তুমি কে হে ছোকরা?’

    বালক বলল,–’আমাকে ছোকরা-ছোকরা করতে হবে না, আমার নামে তোমার দরকার কী? ‘

    রবিন বললেন,—’চটে যাও কেন, বালক মহাশয়! তোমাকে দেখছি একটু আদবকায়দা শেখানো দরকার।’

    রবিন হুডের কথা শুনে বালকটি তার তলোয়ার খুলে বলল, ‘বটে! বনজঙ্গলে থাকো, তোমার এতবড় আস্পর্ধা, যে আমায় আদবকায়দা শেখাবে? খোলো তোমার তলোয়ার, দেখি কে কাকে আদবকায়দা শেখায়।

    রবিন হুড দেখলেন বেগতিক, তলোয়ার খোলা ছাড়া অন্য উপায় নেই। বালকটি তাঁকে আক্রমণ করল—হাত একেবারে কাঁচা নয়, খেলার নানারকমের কায়দাও তার জানা আছে। বালকের ওপর রবিন আর কী খেলা দেখাবেন, তিনি শুধু আত্মরক্ষারই চেষ্টা করতে লাগলেন। মিনিট পনেরো পরেই বালক ক্লান্ত হয়ে পড়ল, তার মুখ লাল হয়ে উঠল।

    তার অবস্থা দেখে, রবিন হুড যুদ্ধ থামিয়ে দেওয়ার জন্য ইচ্ছা করেই একটু অসতর্ক হলেন। তখন বালকের একটি আঘাত তাঁর হাতে পড়ে সামান্য একটু কেটে গেল।

    ক্ষতস্থান থেকে রক্ত পড়তে দেখে বালক জিজ্ঞাসা করল, ‘কেমন, এখন হয়েছে তো?’

    রবিন বললেন,–’তা হয়েছে। আচ্ছা, এখন তোমার নামটি কী বলো তো?’

    বালক বলল,–’আমার নাম রিচার্ড পার্টিংটন, আমি রানি ইলিনরের চাকর!’

    বালকের স্বর শুনে রবিন হুডের মনটা আবার যেন কেমন করে উঠল। তিনি জিগ্যেস করলেন,–তুমি একলা সারউড বনে কেন এসেছ মাস্টার পার্টিংটন?’

    পকেট থেকে লেস-দেওয়া রুমাল বের করে, তলোয়ার মুছতে মুছতে বালক উত্তর করল,—’ ‘দ্যাখো। তুমি রাজার লোক হও আর না হও, তাতে কিছু আসে যায় না—রবিন হুড নামে একজন দস্যু আছে, তাকে আমি খুঁজছি; রানির কাছ থেকে তার জন্য ক্ষমা-পত্ৰ নিয়ে এসেছি। তার খবর আমায় বলতে পার কী?’ রবিন হুডের উত্তরের প্রতীক্ষা করে বালক যখন তার রুমাল শার্টের মধ্যে গুঁজছিল, তখন রবিন হঠাৎ সার্টের ভেতরে একটা চকচকে সোনার জিনিস দেখতে পেয়ে, আহ্লাদে চিৎকার করে বালকের দিকে অগ্রসর হলেন। এবং বললেন,—’ হাঁ। এখন তোমাকে চিনতে পেরেছি। ওই সোনার তিরটি দেখে ধরে ফেলেছি। শেরিফের টুর্নামেন্টে ওই তির পুরস্কার পেয়ে, আমি তোমাকে দিয়েছিলাম—তুমি নিশ্চয় ম্যারিয়ান।’

    বালক বলল,—’কী? তাহলে তুমিই রবিন হুড?

    রবিন বললেন,–’হাঁ, আমিই রবিন হুড!

    এটা শুনে ম্যারিয়ান যেমন বিস্ময়ে অবাক হলেন, তেমনই তাঁর আহ্লাদেরও সীমা রইল না!

    তখন তিনি বললেন,—’—তাই তো রবিন! আমি তোমাকে তো একেবারেই চিনতে পারিনি। না জেনে বড়ই অভদ্র ব্যবহার করেছি, তোমাকে আঘাত পর্যন্ত করেছি।’

    এই বলে ম্যারিয়ান তাড়াতাড়ি রুমাল বের করে রবিনের ক্ষতস্থান বেঁধে দিয়ে বললেন,–’যাও, এবারে নিশ্চয় সেরে যাবে।’ রবিন হুডও বুঝতে পারলেন যে, তাঁর আঘাত শিগগির সেরে যাবে। এতদিন পরে রবিন হুডের সঙ্গে দেখা হওয়ায়, ম্যারিয়ানের মনে খুবই আহ্লাদ হয়েছিল বটে, কিন্তু কেমন যেন একটু লজ্জাও হচ্ছিল।

    রবিন হুড প্রথমে লজ্জার কারণ কিছুই বুঝতে পারলেন না। তারপর হঠাৎ তার মনে হল, ম্যারিয়ান বালকের পোশাক পরে আছেন। তখন হাসতে-হাসতে তাঁর ছিন্নবিচ্ছিন্ন লম্বা কোটটি ম্যারিয়ানকে পরতে দিলেন–লজ্জায় ম্যারিয়ানের মুখ লাল হয়ে উঠল; ধীরে-ধীরে রবিন হুডের হাত থেকে কোটটি নিয়ে পরলেন। তারপর দুজনে মিলে মনের আনন্দে কত দিনের কত ঘটনা, কত কথা বলতে লাগলেন, তা আর ফুরোয় না। গল্প করতে-করতে বেলা প্রায় শেষ হয়ে এল, তাদের খেয়ালই নেই।

    হঠাৎ রবিন হুডের সংবিত ফিরে এল। বললেন,—’ তাই তো ম্যারিয়ান! আমার তো বড় অন্যায় হয়েছে। আমার উচিত আদরযত্ন করে তোমাকে আমার বাড়ি নিয়ে যাওয়া, আর আমি কি না সে কথা একেবারে ভুলে গেছি।’

    ম্যারিয়ান বলল,–’আমারও বড় অন্যায় হয়েছে রবিন! আমি যে রিচার্ড পার্টিংটন ইলিনরের কাছ থেকে তোমার জন্য খবর এনেছি, সে কথা আমি একেবারে ভুলে গেছি।’

    এর পর রবিন হুড ম্যারিয়ানকে নিয়ে আড্ডায় রওনা হলেন। পথে যেতে-যেতে ম্যারিয়ান বলতে লাগলেন,–’তোমার সব কথা ইলিনরের কানে পৌঁছেছে। রানি ইলিনর তোমাকে দেখতে চান। তোমার আশ্চর্য তির চালানো তিনি স্বচক্ষে দেখবেন। রাজা হেনরি আগামী সপ্তাহে একটি টুর্নামেন্টের বন্দোবস্ত করবেন; সেখানে তাঁর প্রসিদ্ধ তিরন্দাজ তিরের খেলা দেখাবে। রানি জানতে চেয়েছেন, তুমি তোমার ভালো-ভালো চারজন তিরন্দাজ নিয়ে সেই টুর্নামেন্টে যেতে পারবে কি না? তোমাদের কোনও ভয় নাই, তিনি অভয় দিয়েছেন কোনও মুশকিলে পড়তে হবে না।’

    আমি যখন শুনতে পেলাম রানি নিজে তোমাদের দেখতে চান, তখন রানিকে বললাম,—’ আমাকে ছুটি দিন, আমি গিয়ে রবিন হুডকে নিয়ে আসব। এক সময়ে তাঁর সঙ্গে আমার বেশ জানাশোনা ছিল।’ রানি খুব খুশি হয়ে আমাকে আসতে বললেন, আর তাঁর হাতের এই আংটিটি দিয়েছেন, এটি সঙ্গে থাকলে তোমাদের কোনওরকম বিপদ হবে না।’

    রবিন হুড ম্যারিয়ানের হাত থেকে আংটি নিয়ে চুম্বন করলেন এবং মাথা নীচু করে রানির উদ্দেশে সম্মান জানালেন।

    কথা বলতে-বলতে তাঁরা রবিনের বাসস্থানে এসে পৌঁছলেন। তখন ম্যারিয়ানকে দলের সবার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিলে, দস্যুরা সকলেই তাঁকে খুব সম্মানের সঙ্গে অভ্যর্থনা করল। অনেক দিন পর শৈশবের সেই পুরোনো বন্ধুকে দেখে উইল স্কারলেট তো মহা খুশি। এদিকে এলান-আ-ডেল ও তার স্ত্রী, তাদের ছোট কুঁড়ে ঘরটিকে ম্যারিয়ানের বাসের উপযোগী করবার জন্য ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়ল।

    রাত্রে খুব খাওয়াদাওয়া! মাচ্চ স্বয়ং বাবুর্চি! ম্যারিয়ান যে হরিণটি মেরেছিলেন, সেটিই রান্না হল। খাওয়াদাওয়া পর এলান-আ-ডেলের সুমধুর গান শুনে ম্যারিয়ান মুগ্ধ হয়ে গেলেন। খানিকক্ষণ আমোদ আহ্লাদের পর রবিন হুড, রানির পাঠানো খবর সকলের সাক্ষাতে বলবার জন্য ম্যারিয়ানকে অনুরোধ করলেন।

    ম্যারিয়ান গম্ভীরভাবে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত সমস্ত বিষয় বর্ণনা করার পর, রবিন হুড দস্যুদলকে সম্বোধন করে বললেন,–’রানি যে আমাদের ডেকে পাঠিয়েছেন, তা তো তোমরা শুনলে। এখন চারজন ভালো তিরন্দাজকে আমার সঙ্গে যেতে হবে! আমার মনে হয়, লিটল জন, উইল স্টাটলি, আমার ভাই উইল স্কারলেট আর আমার গায়ক এলান-আ-ডেল এই চার জন গেলেই সবচেয়ে ভালো হয়। মিসেস এলানও অবশ্য তাঁর স্বামীর সঙ্গেই যাবেন। আমরা তাহলে খুব ভোরে রওনা হব। এখন যাওয়ার বন্দোবস্ত করা উচিত। শুধু যে ভালো কাপড়চোপড় পরলেই হবে তা নয়, তোমাদের অস্ত্রশস্ত্রগুলিও যেন খুব চকচকে ঝকঝকে হয়। আমরা রানির লোক হয়ে যাচ্ছি, তাঁর যাতে ইজ্জত বজায় থাকে, আর সঙ্গে-সঙ্গে আমাদের সারউড বনের কোনওরকম নিন্দা না হয়, এটা দেখা দরকার। আর আমরা ফিরে না আসা পর্যন্ত মাচ্চ, উইল, লেস্টার ও জন এই চারজন দলের লোকদের দেখবে শুনবে। ফ্রায়ার টাক প্রতি রবিবারে তোমাদের নিয়ে ভগবানের নাম করবেন।’

    রবিন হুডের এই প্রস্তাব শুনে দলের সকলে আনন্দে জয়ধ্বনি করে উঠল। তারপর যাত্রার আয়োজন শেষ করে, রাত অনেক হওয়ায়, সকলে শুতে গেলেন।

    পরদিন সকাল বেলা রবিন হুড়েরা সাত জন রওনা হলেন। রবিন হুডের পোশাক টুকটুকে লাল, আর সকলের পরনে লিঙ্কন গ্রিন। প্রত্যেকের মাথায় কালো টুপি, তাতে ধপধপে সাদা পালক গোঁজা–তাঁদেরকে বড় সুন্দর দেখাচ্ছিল।

    গোটা পথ তাঁরা নির্বিঘ্নেই অতিক্রম করলেন। রবিন হুডের কাছে রানির সেই আংটি! ভয়ই বা কাকে? লন্ডনে পৌঁছবার পর, শহরের দরজায় আংটিটা দেখালে প্রহরী পথ ছেড়ে দিল। ম্যারিয়ান তাঁদেরকে রানির প্রাসাদে নিয়ে গেলেন।

    লন্ডন শহরের কাছেই একটি ময়দানে টুর্নামেন্ট হবে। টুর্নামেন্টের কেমন বন্দোবস্ত হয়েছে তা দেখবার জন্য রাজা স্বয়ং সেদিন ময়দানে গিয়েছিলেন। শুধু টুর্নামেন্টের বন্দোবস্ত দেখাই রাজার উদ্দেশ ছিল না। তাঁর কয়েকজন তিরন্দাজকেও দেখবেন। তিরন্দাজ কটি রাজার বড়ই প্রিয়। তাঁর দৃঢ় বিশ্বাস ছিল, যে, টুর্নামেন্টে তাঁর তিরন্দাজেরাই জয়লাভ করবে। সকলের কাছে রাজা খুব অহংকার করে সে কথা বলতেনও!

    রাজার এরকম অহঙ্কার রানির ভালো লাগত না। তিনি গোপনে ঠিক করেছিলেন যে রাজার সঙ্গে বাজি রাখবেন এবং তাঁকে তিরন্দাজিতে হারিয়ে বাজি জিতে নেবেন। রানি শুনেছিলেন, রবিন হুড এবং তাঁর দলের লোকেরা তির-খেলায় অদ্বিতীয়। তার ওপর ম্যারিয়ানও রানির কাছে দস্যুদলের অনেক সুখ্যাতি করায়, তাদেরকে এনে বাজি জিততে রানির ইচ্ছা হয়। ম্যারিয়ান তাদেরকে আনতে পারেন শুনে, রানি তাঁকে সারউড বনে পাঠিয়েছিলেন।

    রবিন হুডেরা যখন লন্ডনে রানির প্রাসাদে এলেন, তখন রানি তাঁর দরবারে বসে সহচরীদের সঙ্গে কথাবার্তা বলছিলেন। হঠাৎ ম্যারিয়ান এসে সেখানে উপস্থিত হলেন। এখন তাঁর সহচরীর বেশ, তিনি ‘রানিকে নমস্কার করে দাঁড়ালেন।

    সুমিষ্ট হাসি হেসে রানি জিগ্যেস করলেন,–’কে গো! এ কি আমার সখী ম্যারিয়ান, না আমার পেজ রিচার্ড পার্টিংটন?’

    ‘আজ্ঞে, আমি রিচার্ড পার্টিংটন এবং ম্যারিয়ান দুজনেই। আপনি যাঁর জন্য পাঠিয়েছিলেন, রিচার্ড পার্টিংটন বেশে তাঁকে খুঁজে ধরেছি, আর ম্যারিয়ানের বেশে তাঁকে নিয়ে এসেছি।’

    রানি বললেন,–’সত্যি? কোথায় এনেছ?’

    আজ্ঞে, এই আপনাদের প্রসাদেই এনেছি। আপনার সঙ্গে দেখা করবার আদেশের জন্য রবিন হুড ও তাঁর দলের অন্য চারজন লোক এই প্রসাদেই অপেক্ষা করছেন। তাঁদের সঙ্গে একজন মহিলাও আছেন, তাঁর বিয়ের গল্পটা বড় মজার। আপনাকে এক সময় বলব।’

    রানি বললেন,–’ম্যারিয়ান! তাদের এখনই আমার কাছে আনো।’ রানির হুকুম পেয়ে ম্যারিয়ান তখনই একজন লোক পাঠিয়ে দিলেন। একটু পরেই সে ব্যক্তি, রবিন হুড ও তাঁর সঙ্গীদেরকে এনে রানির কাছে হাজির করল।

    রানি মনে করেছিলেন, রবিন হুডেরা বনের দস্যু, তাহাদের চেহারাও বুনো, অদ্ভুত হবে। কিন্তু দস্যুদেরকে স্বচক্ষে দেখে তাঁহার সে ভুল দূর হল। তিনি হঠাৎ চমকে উঠলেন। কেবল রানি নয়, হাজির সহচরীরা সকলেই রবিন হুডদের সৌন্দর্য এবং পোশাকের পারিপাট্য দেখে অবাক হয়ে গেলেন। টুকটুকে লাল ভেলভেটের জামাতে রবিন হুডকে বেশ মানিয়েছিল। রাজদরবারে তাঁর চেয়ে সুপুরুষ কেউ ছিলেন কি না সন্দেহ! উইল স্কারলেটকে তো আমরা আগেই দেখেছি, ইচ্ছা করলেই সে কেমন ফুটফুটে বাবুটির মতো সাজত। এলান-আ-ডেলও কম সুন্দর ছিল না। লিটল জনের অসুরের মতো বিশাল দেহ, উইল স্টাটলিরও বীরপুরুষের মতোই চেহারা। তাঁদের পোশাকের তেমন বাহার না থাকলেও চেহারাতে সব মানিয়ে গেল। এলানের স্ত্রীও খুবই সুন্দরী ছিলেন। আর রানির সাক্ষাতে এসে তাঁকে যেন আরও সুন্দর দেখাতে লাগল।

    রবিন হুড সসম্ভ্রমে হাঁটু মুড়ে, রানিকে নমস্কার করে বললেন, —’রানি! আমিই রবিন হুড, চারজন লোক নিয়ে আপনার হুকুমে এসেছি। আপনার আংটি আমার কাছেই আছে।’

    রানি বললেন,—’লকলি! আমার কথায় তুমি এসেছ দেখে আমি বড় খুশি হয়েছি।’

    তারপর রবিন একে একে সকলকেই রানির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিলেন। মিসেস ডেলকে রানি আদর করে চুম্বন করলেন এবং যতদিন তিনি শহরে থাকবেন, ততদিন প্রাসাদেই তাঁর সহচরীদের সঙ্গে বাস করতে অনুরোধ করলেন।

    তারপর সকলে বিশ্রাম করলে, রানি টুর্নামেন্টের কথা উল্লেখ করে রবিন হুডকে বললেন,—’ ‘আমার ইচ্ছা, তোমরা আমার হয়ে এই টুর্নামেন্টের রাজার লোকদের সঙ্গে তিরের খেলা দেখাও। কিন্তু টুর্নামেন্টের আগে, খবরদার! কেউ যেন তোমাদের কথা জানতে না পারে।’

    এরপর রানি এবং তাঁর সহচরীদের অনুরোধে, রবিন তাঁদেরকে কয়েকটি সাহস এবং বীরত্বপূর্ণ কৌতুকজনক গল্প শোনালেন। দস্যুদলের কাহিনি রানি ইলিনর এর আগেই কিছু শুনতে পেয়েছিলেন; এখন রবিনের মুখে সেই সমস্ত ঘটনা শুনে তিনি খুব সন্তুষ্ট হলেন। তখন ম্যারিয়ান প্লিম্পটন গির্জায় এলানের স্ত্রীর সেই বিয়ের ঘটনা এমন রসিয়ে বর্ণনা করলেন যে তা শুনে হাসতে হাসতে রানি ইলিনরের বুকে ব্যথা ধরে গেল।

    এরপর রানি এলান-আ-ডেলের দিকে চেয়ে বললেন, এই বুঝি সেই গায়ক? এর কথা যেন আগেও শুনেছি বলে মনে হয়। আচ্ছা, তুমি আমাদের একটা গান শোনাবে কি?’

    তখন বীণা আনানো হল। এলান রানিকে নমস্কার করে বীণা বাজিয়ে গান ধরল। কী মিষ্টি গলা, কী মিষ্টি গান। এলানের সংগীতে প্রাসাদ সুরময় উঠল। রানি এবং তাঁর সহচরীরা মুগ্ধ হয়ে গেলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজয়তু জয়ন্ত – হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Next Article রহস্য-রোমাঞ্চ সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    Related Articles

    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    মানুষের গড়া দৈত্য – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমারের গল্প – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রহস্য-রোমাঞ্চ সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    জয়তু জয়ন্ত – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    ঐতিহাসিক সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    কিশোর রহস্য উপন্যাস – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }