Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রবিন হুড – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমার রায় এক পাতা গল্প167 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রবিন হুড – ১২

    বারো

    লন্ডন শহরের কাছে একটি ময়দান ছিল, তার নাম ফিন্সবারি ফিল্ড। এই ময়দানেই রাজা টুর্নামেন্টের ব্যবস্থা করেছিলেন। আজ টুর্নামেন্টের দিন, শহরের সমস্ত লোকজন ভোর হতে না হতেই যেন উৎসাহে মেতে উঠল। দলে-দলে লোক এসে, ফিন্সবারি ফিল্ডে হাজির হতে লাগল। ময়দানের তিনদিক ঘিরে সার্কাসের মতো গ্যালারি, সেখানে বসবার জায়গা। গ্যালারির ঠিক মাঝখানে রাজারানির আসন।

    ময়দানের চারদিকে রাজার ভিন্ন-ভিন্ন তিরন্দাজ দলের জন্য তাঁবু খাটানো ছিল। এক-এক দলের পতাকা এক-এক রঙের। রঙ্গভূমিতে প্রথম আসল বেগুনি-রং এর পতাকা নিয়ে টিপাসের দল। এই টিপাসই রাজার সবচেয়ে সেরা তিরন্দাজ। টিপাসের দলের পর হলুদ রঙের পতাকা নিয়ে ক্লিফটনের দল এল। ক্লিফটনের পর নীল রঙের পতাকা নিয়ে গিলবার্টের দল, তারপর সবুজ পতাকা নিয়ে এলউইনের দল। এলউইনের দলের পর সাদা পতাকা নিয়ে রবার্টের দল এসে হাজির হল। এরপর আরও পাঁচজন প্রসিদ্ধ তিরন্দাজ এল। রাজা সকলের কাছেই এইসব তিরন্দাজের বড়াই করতেন। তাদের আশ্চর্য কৌশল দেখিয়ে সকলকে অবাক করে দেওয়ার জন্যই, তিনি এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করেছিলেন।

    নির্দিষ্ট সময়ে সদর দরজা খুলে, বিগল বাজাতে-বাজাতে একজন দূত প্রবেশ করল। তার পিছনে রাজপতাকাধারী ছয়জন ঘোড়সওয়ার তার পর রাজা দেখা দিলেন। রাজার সঙ্গে রানি ইলিনর, দুইজন রাজকুমার এবং অনেক সম্ভ্রান্ত ভদ্রলোক ও ভদ্রমহিলা এলেন। রাজারানি ঘোড়া থেকে নেমে নির্দিষ্ট সিংহাসনে বসলেন। তারপর সকলে নিজের-নিজের আসনে বসলেন।

    তারপর রাজা তাঁর প্রিয় তিরন্দাজ টিপাসকে ডেকে জিজ্ঞাসা করলেন,—’ ‘টিপাস! বলো দেখি টার্গেট কত দূরে রাখা যাবে?’

    এই সময়ে রানি রাজাকে জিজ্ঞাসা করলেন—’মহারাজ! কী পুরস্কার দেবেন ঠিক করা হয়েছে কি?

    রাজা বললেন,—’প্রথম পুরস্কার হল চল্লিশটি সোনার মোহর ভরা একটি ব্যাগ; দ্বিতীয় পুরস্কার চল্লিশটি রূপোর মুদ্রায় ভরা ব্যাগ; তৃতীয় পুরস্কার একটা রূপোর বিউগল।’

    রানির কথার উত্তর দিয়ে রাজা টিপাসকে আবার বললেন,–’টিপাস! এক কাজ করো, টার্গেটগুলো একশো গজ দূরে রাখো।’

    রাজার আদেশ মতো টিপাস দশটি টার্গেট একশো গজ দূরে রাখল। তিরন্দাজদের দশটি দল। প্রত্যেক তিরন্দাজ তাদের জন্য নির্দিষ্ট টার্গেট লক্ষ করে তির ছুড়বে। যার সবচেয়ে বেশি তির কেন্দ্ৰস্থানে (বুলস আই) বিদ্ধ হবে, সে-ই প্রথম। তারপর কেন্দ্রে বিদ্ধ তিরের সংখ্যা অনুসারে দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ ব্যক্তি নির্দিষ্ট হইবে। দূত এই সব নিয়ম ঘোষণা করার পর, পরীক্ষা শুরু হল। এই পরীক্ষায় টিপাস সর্বপ্রথম, গিলবার্ট দ্বিতীয় এবং ক্লিফটন তৃতীয় স্থান অধিকার করল।

    এবার টার্গেট একশো বিশ গজ দূরে। এই পরীক্ষা কেবল মাত্র রাজার তিরন্দাজদের জন্য নয়, যে-কোনও তিরন্দাজ এই পরীক্ষা দিতে পারবে। কিন্তু এবার ব্যাপার বড় সহজ নয়। কেবল মাত্র দশ বারো জন বাইরের লোক পরীক্ষা দেওয়ার জন্য তৈরি হল।

    তাদেরকে দেখে রাজা বললেন—’এদের তো দেখছি আস্পর্ধা কম নয়! আমার তিরন্দাজদের সঙ্গে পরীক্ষা দেওয়ার ইচ্ছা!’

    রাজার এরকম অহংকার রানি ইলিনরের সহ্য হল না, তিনি বললেন,—’ ‘মহারাজ! আপনি কি মনে করেন, আপনার এই দশজন তিরন্দাজই ইংল্যান্ডের মধ্যে সবচেয়ে ভালো?’

    রাজা বললেন,—’হাঁ রানি। শুধু ইংল্যান্ডে কেন, সমস্ত পৃথিবীতে এদের সমান কেউ আছে কিনা সন্দেহ। আমার তিরন্দাজদের কেউ হারাতে পারবে না। আমি পাঁচশো পাউন্ড বাজি রাখতে পারি!’

    রানি বললেন,–’বটে! আচ্ছা মহারাজ, আমিও বাজি রাখছি, আপনার লোকদের হারাবার মতো তিরন্দাজ এখানেই আমি জোগাড় করব। তবে কি না আপনাকে এক বিষয়ে প্রতিজ্ঞা করতে হবে।’

    রাজা,—’ ‘কী প্রতিজ্ঞা করব রানি?’

    রানি,—’—আমি পাঁচজন তিরন্দাজ আনব, তারা আপনার দশজন লোককে হারিয়ে দেবে। কিন্তু মহারাজ! আপনি প্রতিজ্ঞা করুন, তাদের কোনও শাস্তি দেবেন না।’

    রানি ইলিনরের কথা শুনে রাজার বড় কৌতূহল হল। তিনি বললেন,–’ঠিক আছে রানি। তোমার লোকদের কোনও অনিষ্ট করব না, আমি অভয় দিলাম। কিন্তু তোমাকে সাবধান করে দিচ্ছি, বাজি রাখলে ঠকতে হবে! আমার টিপাস, ক্লিফটন ও গিলবার্টের মতো তিরন্দাজ কোথাও নেই।’

    রানি বললেন,–’সে দেখা যাবে! আগে আমি দেখি পাঁচজন লোক পাই কিনা।’ তখন রানি একজন বালক ভৃত্যকে বললেন, যাও তো ছোকরা! স্যার রিচার্ড অব-দি-লি এবং হারফোর্ডের বিশপ মহাশয় ওই যে বসে আছেন, তাঁদের ডেকে নিয়ে এসো তো!’

    স্যার রিচার্ড ও বিশপ আসার পর রানি স্যার রিচার্ডকে জিগ্যেস করলেন,–আচ্ছা স্যার রিচার্ড! আমি রাজার সঙ্গে বাজি রাখতে চাই—টিপাস, ক্লিফটন ও গিলবার্টের মতো পাঁচজন তিরন্দাজ জোগাড় করব, আপনি কী বলেন?’

    স্যার রিচার্ড রানিকে নমস্কার করে বললেন,–’না রানি! আমি বাজি রাখতে আপনাকে পরামর্শ দিই না, রাজার লোকদের সমান ওস্তাদ কেউ নেই।’ এই বলে চুপিচুপি বললেন,–’তবে কি না আমি শুনেছি, সারউড বনে না কি এমন সব লোক আছে, যারা অতি অদ্ভুত তিরের খেলা জানে।’

    স্যার রিচার্ডের কথা শুনে রানি ইলিনর হাসলেন এবং তাঁকে বিদায় দিয়ে বিশপ মহাশয়কে জিজ্ঞাসা করলেন,–’আচ্ছা বিশপ মহাশয়! আমি রাজার সঙ্গে বাজি রাখতে চাই, আপনি কিছু টাকা ধার দিতে পারেন?’

    বিশপ বললেন,–’না রানি! আমাকে ক্ষমা করবেন। আমার বিশ্বাস রাজার তিরন্দাজদের মতো ওস্তাদ কোথাও নেই।

    রানি বললেন,–’আচ্ছা বিশপ মহাশয়! মনে করুন, আমি যদি এমন লোক পাই, যাদের আপনিও খুব ভালো করে জানেন, তাহলে? আমি শুনেছি, নটিংহাম এবং প্লিম্পটন শহরে নাকি অনেক ভালো–ভালো তিরন্দাজ আছে।’

    বিশপ বড়ই মুশকিলে পড়লেন। তাঁর ভয় হল, হয়তো বা রবিন হুড দলবল নিয়ে কাছেই আছে। আবার মনে-মনে ভাবলেন–’কী মুশকিল! প্লিম্পটন গির্জার হ্যাঙ্গাম দেখছি রানির কানেও এসেছে। যা হোক এখন ঘাবড়ালে চলবে না।’

    মনে-মনে এরকম ঠিক করে বিশপ রানিকে বললেন,–’আমাকে ক্ষমা করবেন রানি! আপনি যা শুনেছেন, এসব বাজে গল্প! অনেক বাড়াবাড়ি। বাজি রাখতে তো আমি আপনাকে পরামর্শ দিই-ই না, বরং রাজা যা বাজি রেখেছেন, তার ওপর আমি আরও কিছু বাড়াতে পারি।’

    রানি বললেন,—’—সে আপনার খুশি। আচ্ছা, আপনি কতটা বাড়াতে পারেন?’

    বিশপ বললেন,–’কতটা বাড়াতে পারি? এই নিন আমার ব্যাগ—এতে একশোটা মোহর আছে।’

    রানি বললেন—আচ্ছা তাই দিন।’ এই বলে ইলিনর বিশপের হাত থেকে ব্যাগটি নিয়ে, তাঁকে বিদায় দিলেন এবং রাজাকে বললেন,—’ ‘মহারাজ! আপনার সঙ্গে তাহলে আমি সত্যি-সত্যিই বাজি রাখলাম!’

    রাজা হাসতে-হাসতে বললেন,–’তা বেশ! কিন্তু তোমার যে দেখছি হঠাৎ খেলার দিকে বড় ঝোঁক পড়ে গেল। ব্যাপারটা কী? ‘ রানি বললেন,–’ব্যাপার আর কী হবে? আমি পাঁচজন লোক পেয়েছি, আপনি যাদের সঙ্গে বলবেন তাদের সঙ্গেই তারা পরীক্ষা দিতে তৈরি।’

    রাজা বললেন,–’সত্যি রানি? তাহলে তোমার পাঁচজন লোককে এখনই পরীক্ষা করে দেখব। আচ্ছা এই খেলাটা শেষ হতে দাও, এদের মধ্যে যে পাঁচজন সবচেয়ে ভালো হবে, তাদের সঙ্গেই তোমার পাঁচজনের পরীক্ষা করব।’

    ‘ঠিক আছে মহারাজ। তাই হোক।’—এই বলে রানি ইলিনর ম্যারিয়ানকে সংকেত করলেন। ম্যারিয়ান উঠে আসার পর, রানি তাঁর কানে-কানে কী বললেন। ম্যারিয়ান চলে গেলেন।

    এবারের পরীক্ষায়, গিলবার্ট ও টিপাস সমান সমান হল; এলউইন তৃতীয় ও জিওফ্রে নামক একজন বাইরের তিরন্দাজ চতুর্থ ও ক্লিফটন পঞ্চম স্থান অধিকার করল।

    এখন সর্বশেষ পরীক্ষা হবে। রাজা দর্শকদেরকে সম্বোধন করে বললেন,—’এবারে গিলবার্ট, টিপাস, এলউইন, জিওফ্রে ও ক্লিফটন এই পাঁচজনের সঙ্গে রানির পাঁচজন নতুন তিরন্দাজের তিরের প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুরু হবে।

    রাজার কথা শুনে চারদিকে সকলেই একেবারে অবাক হয়ে গেল। ‘রানির লোক কারা?’ সকলের মুখে এই কথা, সকলেই মহা উৎসুক। তখন দেখা গেল যে রঙ্গস্থলের অন্য দিকের দরজা দিয়ে পাঁচজন লোক প্রবেশ করল, তাদের সঙ্গে ঘোড়ায় চড়ে একজন মহিলা। মহিলাটিকে দেখে সকলেই চিনতে পারল তিনি ম্যারিয়ান। কিন্তু লোক পাঁচটিকে কেউই চিনতে পারল না।

    তাদের চারজনের লিঙ্কান গ্রিন পরা এবং পঞ্চম ব্যক্তির (তাকে দেখলেই দলপতি বলে মনে হয়) পরিধানে লাল টুকটুকে পোশাক। প্রত্যেকের মাথায় লাল টুপি, তাতে সাদা ধপধপে পালক। সকলেরই হাতে ধনুক, পিঠে তুণ এবং পাশে শিকারিদের মতো ছুরি ঝোলানো।

    এই ছোট্ট দল রাজাসনের সামনে এসে, টুপি খুলে রাজা-রানিকে নমস্কার করল। ম্যারিয়ান বললেন,–’মহারানি! আপনি যাদের আনতে পাঠিয়েছিলেন, এরাই তারা। আপনার হয়ে টুর্নামেন্টে তির ছুড়বে।’

    রানি তখন তাদের প্রত্যেককে সোনালি এবং সবুজ রঙের এক একটি গলাবন্ধ দিয়ে মধুর স্বরে বললেন,–’লকলি! তোমরা যে আমার কাজ করতে রাজি হয়েছ, তার জন্য তোমাদের ধন্যবাদ দিচ্ছি। আমি কিন্তু রাজার সঙ্গে বাজি রেখেছি, তোমরা তাঁর সবচেয়ে ওস্তাদ তিরন্দাজ পাঁচ জনকে হারাবে। দেখো আমার যেন সম্মানটা থাকে।’ এই পাঁচজন তিরন্দাজকে দেখে, রাজা রানিকে জিজ্ঞাসা করলেন,–এঁরা কারা রানি?’

    রানি রাজার প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আগেই হারফোর্ডের বিশপ মহাশয় বলে উঠলেন—দোহাই মহারাজ! এরা পাঁচজন সারউড বনের দস্যু! লাল পোশাক পরা লোকটা স্বয়ং রবিন হুড, আর ওরা হচ্ছে লিটল জন, উইল স্টাটলি, উইল স্কারলেট আর এলান-আ-ডেল। কুখ্যাত ডাকাত এরা মহারাজ! এদের উৎপাতে সমস্ত উত্তর দেশ অস্থির হয়ে পড়েছে।’

    রানি ইলিনর ঠাট্টা করে বললেন,–হাঁ, ঠিক! বিশপ মহাশয় নিজেই এদের খুব ভালো করে জানেন।

    রাজা কিন্তু বিশপের কথা শুনে মুখ গম্ভীর করলেন। রবিন হুডের কথা তিনিও তো শুনেছেন!

    তখন রাজা ইলিনরকে জিজ্ঞাসা করলেন, রানি! এ কথা কি সত্যি?

    রানি বললেন,—’মহারাজ! কথাটা ঠিকই, কিন্তু প্রতিজ্ঞা ভুলবেন না। আপনি কথা দিয়েছেন এদের কোনও অনিষ্ট করবেন না।’

    -সে জন্য তোমায় ভাবতে হবে না, কিন্তু মনে রেখো,—’আমার প্রতিজ্ঞা কেবল চল্লিশ দিনের জন্য, তারপর থেকে যেন তোমার এই অসমসাহসী দস্যুরা হুঁশিয়ার হয়।

    রানি ইলিনরকে এই কথা বলে, রাজা তাঁর পাঁচজন তিরন্দাজকে বলল,–তোমরা নিশ্চয়ই শুনেছ, রানির সঙ্গে আমি বাজি রেখেছি। তিনি সারউড বনের পাঁচজন তিরন্দাজ জোগাড় করেছেন, তাদের সঙ্গে তোমাদের পরীক্ষা করা হবে। তোমরা হুঁশিয়ার হও। যদি তাদের হারাতে পারো, তবে তোমাদের টুপি বোঝাই করে টাকা দেব, এবং যে প্ৰথম হবে তাকে নাইট করে দেব।

    তখন আগের মতো সেই একশো কুড়ি গজ দূরে একটি টার্গেট রাখা হল। দু-দলের প্রত্যেকে এই টার্গেট লক্ষ করে তির ছুড়বে। গিলবার্ট এবং রবিন লটারি করে ঠিক করলেন, রাজার লোকেরাই প্রথম শুরু করবে এবং সকলের আগে ক্লিফটনের পালা। ক্লিফটন আগের পরীক্ষায় পঞ্চম হওয়ায় একটু লজ্জিত হয়েছিল, তাই এবারে খুব হুঁশিয়ার হয়েই তির চালাল। তার দুটি তির কেন্দ্রে মধ্যস্থিত কালো রং-এর দাগে (বুলস আই) লাগল, অবশ্য ঠিক মাঝখানে না হলেও দাগের ভেতরে বটে। তার তৃতীয় তিরটি বেঁকে গিয়ে দুই আঙুল বাইরে লাগল। মোটের ওপর ফল মন্দ হল না।

    ক্লিফটনের পর উইল স্কারলেটের পালা। রবিন হুড তাকে সর্তক করলেন,–’সাবধান ভাই উইল। ঠিক মাঝখানে কিন্তু তোমার তিনটি তিরের জন্য যথেষ্ট জায়গা রয়েছে কিন্তু দুঃখের বিষয়, রবিন হুড সাবধান করতে যাওয়ায় আরও খারাপ হল। উইলের প্রথম তির বুলস আইয়ের বাইরে ক্লিফটনের চেয়েও দূরে পড়ল। লজ্জায় রবিন হুডের মুখ লাল হয়ে উঠল! উইলকে বললেন,—’আমায় ক্ষমা করো ভাই, বেশি সাবধান করতে গিয়েই অন্যায় করেছি। আচ্ছা, এবারে ধনুর গুণটা বেশিক্ষণ টিপে রেখো না, আঙুলে আটকে যাওয়ার আগেই তিরটা ছেড়ে দিও।’

    রবিনের এই সংকেতে ভালো ফল ফলল। উইল স্কারলেটের পরের দুটি তিরই একেবারে বুলস আই এ এবং একটি তির ক্লিফটনের চেয়েও সেন্টারের কাছে বিঁধল। কিন্তু তা হলে কী হবে, মোটের ওপর ক্লিফটনের জিত। লজ্জায় উইল স্কারলেটের মাথা নীচু হয়ে গেল।

    এরপর পুরোনো টার্গেট বদলে আবার নতুন টার্গেট রাখা হল। এবারে জিওফ্রে এবং এলান-আ-ডেলের পালা। রানির আসনের পাশেই তাঁর সখীরা বসেছিল, তাঁদের সঙ্গে মিসেস এলানও ছিলেন। উত্তম গায়ক বলে এলান সকলেরই প্রিয়পাত্র। মিসেস এলানকে সখীরা বললেন,—’—তোমার স্বামীর যেমন চমৎকার বীণার হাত, তেমন যদি তিরের হাত হয় তবে তাঁর জিত কে রোখে।’

    বাস্তবিক ফল তাই হইল। জিওফ্রে অবশ্য তির মন্দ চালায়নি, তার তিনটি তিরই বুলস আই-এর লাইনের ওপর তিনকোণা হয়ে বিধল। কিন্তু জিওফ্রের তিরের মধ্যস্থানে যথেষ্ট ফাঁকা জায়গা ছিল। এলানের পালা শেষ হলে দেখা গেল যে, তার তিনটি তিরই একেবারে সেই ফাঁকা জায়গার মধ্যে! চারদিক থেকে সকলে, এমনকী হাজির মহিলারা পর্যন্ত হাততালি দিয়ে উঠলেন।

    তারপর উইল স্টার্টলি এবং এলউইনের পালা। এলউইনের পরীক্ষার ফল হল ঠিক জিওফ্রের মতো, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত স্টাটলির পরীক্ষা খারাপ হল। স্টাটলির একটা মস্ত দোষ ছিল, সে বড় অস্থিরমতি, একটু মনোযোগ দিয়ে যে তির চালাবে, তা যেন তার কোষ্ঠীতে লেখা নেই—গুণ টানল আর তির ছেড়ে দিল! ফলে তার প্রথম দুটি তিরই এলউইনের তিরের বাইরে পড়ল।

    রবিন হুড ভারী লজ্জিত হয়ে বললেন,–’করো কী স্টাটলি! শেষকালটা কি রানির অপমান করবে, সারউডকে লজ্জা দেবে?’

    স্টার্টলি বলল,—’আজ্ঞে, আমার বড় অন্যায় হয়েছে, আমায় মাপ করবেন। এই কথা শেষ হওয়ার আগেই শনশন শব্দে স্টাটলির তৃতীয় তির ছুটে চলল এবং একেবারে বুলস আই-এর ঠিক মাঝখানে। এমন পরিষ্কার লক্ষ সে পর্যন্ত কারও হয়নি। কিন্তু হলে কি হয়, মোটের ওপর এলউইনের জিত হল।

    রাজা মহাখুশি; রানির দিকে ফিরে বললেন,—’—কী রানি। এখন খবর কী? তোমার তো তিনজনের মধ্যে দুজনেই হেরে গেল। বাকি দুজন যদি খুব ভালো করতে না পারে তো বাজি হেরে গেলে!

    রানি বললেন, ‘হ্যাঁ মহারাজ! আপনি যা বলছেন তা ঠিক, কিন্তু এখনও তো দুজন আছে! আর সে দুজন স্বয়ং রবিন হুড আর লিটল জন।’

    রাজাও বললেন,–’তোমার যেমন রবিন হুড আর লিটল জন আছে, আমারও তেমনিই টিপাস আর গিলবার্ট রয়েছে।’

    এর পর সকলেই আবার টার্গেটের দিকে মন দিলেন। এবার টিপাসের পালা। কিন্তু বেচারি ঠিক উইল স্কারলেটের মতোই ভুল করল। ধনুকের গুণ অনেকক্ষণ টিপে রাখার দরুন, তার প্রথম দুটি তিরই খারাপ হয়ে গেল। তার মধ্যে একটি অবশ্য বুলস আই এর ভেতরেই লাগল। তৃতীয় তিরের বেলায় খুব সাবধান হওয়ায়, সেটি স্টাটলির তৃতীয় তিরের মতো বুলস আই-এর একেবারে সেন্টারে গিয়ে বিঁধল। তারপর লিটল জন—তার প্রথম দুটি তির টিপাসের প্রথম দুটির চেয়েও সেন্টারের কাছে বিঁধল। তৃতীয় তিরটির বেলায় জন, সারউডের এক অতি আশ্চর্য কায়দায় তিরটি ছাড়বার সময় কেমন যেন একটা মোচড় দিয়ে দিল আর বনবন শব্দে ঘুরপাক খেতে-খেতে, বুলস আই এর কেন্দ্রবিদ্ধ টিপাসের তিরটিকে টোক্কা মেরে তুলে ফেলল, সেই ছিদ্রে বিঁধল।

    রাজা তো এই ব্যাপার দেখে একেবারে অবাক। তাঁর বিশ্বাস করতে ইচ্ছা হল না। বিড়বিড় করে বলতে লাগলে,–’কী সর্বনাশ! এমন অসম্ভব ব্যাপার তো কখনও দেখিনি! এ লোকটা নিশ্চয়ই শয়তানের চেলা, মানুষ নয়

    রানি ইলিনরের তখন অনেকটা ভরসা হল। রাজাকে বললেন,–’মহারাজ! এবারে কিন্তু দুই দলই সমান সমান; এখন দেখা যাক, গিলবার্ট আর রবিন হুড কী করে?’

    গিলবার্ট ধীরে-ধীরে খুব লক্ষ করে পরপর তিনটি তিরই বুলস আই-এর ভিতরে লাগাল, কিন্তু একেবারে সেন্টারে নয়। সেন্টারে তখনও সামান্য জায়গা ফাঁকা থেকে গেল। রবিন হুড নিজেই গিলবার্টকে বাহবা দিয়ে বললেন, ‘শাবাশ গিলবার্ট! কিন্তু আর একটু মন দিয়ে যদি প্রথমটা এখানে—সঙ্গে-সঙ্গে নিজের প্রথম তির ছাড়লেন—দ্বিতীয়টি এখানে, তারও দ্বিতীয় তির ছুটল—আর একটা এখানে মারতে—সঙ্গে-সঙ্গে তাঁর শেষ তির চলল,—’তা হলে রাজা নিশ্চয়ই তোমাকেই ইংল্যান্ডের সবচেয়ে বড় তিরন্দাজ বলতেন।’

    রবিন হুডের শেষের কথাগুলি কিছুই শোনা গেল না। তাঁর অদ্ভুত শক্তি দেখে দর্শকবৃন্দ আনন্দধ্বনি করতে-করতে কানে তালা লাগিয়ে দিল। রবিন হুডের প্রথম দুটি তির গিলবার্টের তিরের মাঝখানে যে ফাঁকা ক্ষুদ্র জায়গাটুকু ছিল, ঠিক সেই জায়গাটিতে প্রায় ঘেঁসাঘেঁসি হয়ে গিয়ে বিঁধল। আর তৃতীয় তিরটি, তাঁর প্রথম দুটি তিরের খানিকটা করে চাকলা তুলে দুটির ঠিক মধ্যখানে বিঁধল। দূর থেকে মনে হল যেন, টার্গেটের ঠিক মাজখানে খুব মোটা একটি তিরই বিদ্ধ হয়েছে।

    রাগে এবং বিস্ময়ে রাজা মশাই দাঁড়িয়ে উঠলেন এবং চিৎকার করে বলতে লাগলেন,—’ গিলবার্ট এখনও হারেনি। তার তিনটি তিরই বুলস আই-এর ভিতরে পড়েছে এবং সেটাই সবচেয়ে ভালো তির চালানোর পরীক্ষা।’

    রবিন হুড রাজাকে নমস্কার করে বললেন,–’মহারাজ! আপনার কথাই থাকুক। আপনি যখন বলছেন আমরা দুজন সমান সমান হয়েছি, তখন আমাদের আবার পরীক্ষা করুন! কিন্তু অনুগ্রহ করে এবারের টার্গেটটি আমার পছন্দমতো করতে দিন।’

    রাজার হুকুমে রবিন হুড তখন সারউড বনের আর একটি কায়দা খেললেন। একটি উইলোর খুব সরু এবং সোজা ডাল এনে, ছুরি দিয়ে ছাল ছাড়ালেন এবং টার্গেটের জায়গায় ডালটিকে পুঁতে দিয়ে বললেন,–’গিলবার্ট! এই ডালটিকে কাটো দেখি, এইটেই আমার টার্গেট!’

    গিলবার্ট,–’এ যে চোখেই ভালো করে দেখতে পাই না, তা আবার কাটব কী করে?’ মনে-মনে বলল,–’যা হোক, রাজার ইজ্জতটা তো রাখতে হবে, একবার না হয় চেষ্টা করেই দেখা যাক।’

    এই শেষ পরীক্ষাতেই গিলবার্টের দফা রফা হয়ে গেল। তার তির ডাল স্পর্শও করতে পারল না, পাশ দিয়ে চলে গেল।

    এবারে রবিন হুডের পালা। তিনি বেছে একটি তির নিয়ে ধনুকের গুণটি ভালো করে পরীক্ষা করলেন এবং কান পর্যন্ত গুণ টেনে তির ছেড়ে দিলেন। শনশন শব্দে তির ছুটে গিয়ে, দেখতে-দেখতে উইলোর ডালটিকে কেটে দু-ভাগ করে ফেলল!

    গিলবার্ট রবিন হুডের এই অসাধারণ ক্ষমতা দেখে বলল,–নিশ্চয় তোমার ধনুকটি জাদু করা, তা নইলে তুমি যা করলে এ কিছুতেই সম্ভব হতে পারে না।’

    রাজা আর এক মুহূর্তেও সেখানে রইলেন না, রাগে তাঁর শরীর জ্বলে উঠল। বিচারকদের পুরস্কার বিতরণের হুকুম দিয়ে তখনই ঘোড়ায় চড়লেন! রানির সঙ্গে একটি কথাও বললেন না। রাজকুমার দুজনকে এবং তাঁর শরীররক্ষক যে কয়টি নাইট হাজির ছিলেন তাঁদেরকে নিয়ে রঙ্গভূমি পরিত্যাগ করে চলে গেলেন।

    রাজা চলে গেলে পর রানি ইলিনর রবিন হুড প্রভৃতিকে তাঁর কাছে ডেকে বললেন,—’লকলি! আজ তোমরা আমার মান রেখেছ, আমি বড় খুশি হয়েছি। দুঃখের বিষয়, মহারাজ তাতে সন্তুষ্ট হননি। কিন্তু তা বলে তোমরা ভয় পেও না, রাজা যে অভয় দিয়েছেন, তার নড়চড় হতে পারে না। রাজার পুরস্কার তো তোমরা পেলেই, তার ওপর আমি বাজি জিতে যে টাকা পেয়েছি, তাও তোমাদের দিলাম। তোমরা এই টাকা দিয়ে লন্ডন শহরে খুব ভালো যে তলোয়ার পাওয়া যায়, দলের প্রত্যেকের জন্য সেই তলোয়ার এক একখানি কিনো। তলোয়ারগুলিকে ‘রানিকে তলোয়ার’ নাম দেবে এবং প্রতিজ্ঞা করো যে, তা দিয়ে চিরকাল গরিবদের এবং অসহায় স্ত্রীলোকদের রক্ষা করবে।’

    রবিন হুড প্রমুখ সবাই একসঙ্গে বলে উঠলেন,–’হাঁ মহারানি, আমরা চিরকাল তাই করব, প্রতিজ্ঞা করলাম।’

    রানি ইলিনর তখন সহচরীদেরকে নিয়ে চলে গেলেন।

    রানি চলে গেলে পর টুর্নামেন্টের বিচারকরা রবিন হুডদের ডেকে তাদের প্রাপ্য পুরস্কার দিলেন। রাজা হেনরির টুর্নামেন্টের ব্যাপার শেষ হল। রবিন হুড প্রভৃতিও তখন রঙ্গভূমি ছেড়ে চলে আসলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজয়তু জয়ন্ত – হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Next Article রহস্য-রোমাঞ্চ সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    Related Articles

    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    মানুষের গড়া দৈত্য – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমারের গল্প – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রহস্য-রোমাঞ্চ সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    জয়তু জয়ন্ত – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    ঐতিহাসিক সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    কিশোর রহস্য উপন্যাস – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }