Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রবিন হুড – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমার রায় এক পাতা গল্প167 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রবিন হুড – ১৩

    তেরো

    রবিন হুড দলের সকলকে নিয়ে নিরাপদে লন্ডন শহর ছাড়লেন। বলা বাহুল্য, যে, বিদায়কালে ম্যারিয়ানের মনে বড়ই কষ্ট হয়েছিল।

    চল্লিশ দিন পর্যন্ত রবিন হুড এবং তাঁর দল নিরাপদেই কাটালেন। চল্লিশ দিন কেটে গেলে পর, শেরিফের ওপর কড়া হুকুম এল, ‘যেমন করে পারো, দস্যুদের জব্দ করতেই হবে। নইলে, তোমার কাজ যাবে।’

    টুর্নামেন্টের পর দস্যুদের এই আশ্চর্য ক্ষমতার কথা গোটা ইংল্যান্ড দেশ তোলপাড় করে দিল। শেরিফ মশাই বারবারই অকৃতকার্য হতে লাগলেন, সকলে প্রকাশ্যভাবে তাঁকে ঠাট্টা বিদ্রূপ করতে লাগল। দস্যুদল যে বনের ভেতর কোথায় লুকিয়ে থাকে, শত চেষ্টা করেও শেরিফ তাদের খোঁজ পেলেন না।

    শেরিফ-কন্যাকে নটিংহামের মেলায় রানি না করে রবিন হুড যে সকলের সামনে তাঁর অপমান করেছিলেন, সে কথা তিনি কিছুতেই ভুলতে পারেন না। সেই দিন থেকেই শেরিফ কন্যা, রবিন হুডকে অত্যন্ত ঘৃণার চোখে দেখতেন। তাঁর বাবা বারবার রবিন হুডের থেকে অপদস্থ হচ্ছেন দেখে, দস্যুদলের ওপর তাঁর ঘৃণা দিন-দিন বাড়ছিল।

    শেরিফ-কন্যা একদিন তাঁর বাবাকে বললেন,—’ দ্যাখো বাবা! লোকজন নিয়ে রবিন হুডের তুমি কিছুই করতে পারবে না, লোকটা খুব চালাক। আমাদেরও চালাকি খেলিয়ে তাকে জব্দ করতে হবে।’ শেরিফ দীর্ঘনিশ্বাস ফেলে উত্তর করলেন,–হ্যাঁ মা, তুমি যা বলছ তা তো ঠিকই, কিন্তু পারি কই? শয়তানটার কথা ভেবে–ভেবে যে আমার রাত্রে ঘুম হয় না।’

    শেরিফ-কন্যা বললেন,—’ আচ্ছা বাবা! আমি একটা মতলব ঠিক করছি। আমার মনে হয় তাতে তাকে জব্দ করতে পারব।’

    শেরিফ বললেন,—’বেশ! অতি উত্তম। যে রবিন হুডকে ধরতে পারবে, তাকে রীতিমতো বকশিশ দেব।’

    এর পর একদিন শেরিফ-কন্যা বসে ভাবছিলেন,–’তাই তো, কী করা যায়?’ এমন সময় একজন ঝালাইওয়ালা এল, তার নাম মিডল। সে বাড়ি-বাড়ি ঘুরে বেড়ায় এবং বাসনপত্র ঝালাই করে। লোকটা বেজায় গল্পবাজ। বাবুর্চিখানার পাশের ঘরে বসে, বাসন পিটতে-পিটতে বড়াই করছিল,–’হতভাগা রবিন হুডকে পেলে মজাটা দেখিয়ে দিতাম।’

    শেরিফের মেয়ে মিডলের এই অহঙ্কার শুনে ভাবলেন— এই লোকটাকে দিয়ে একবার চেষ্টা করে দেখা যাক না! চেহারাটা খুব ষণ্ডার মতোই দেখাচ্ছে, আর জাঁকটাও তো কম করছে না!’ তখন ঝালাইওয়ালাকে ডেকে বললেন,—’তুমি কেমন ডাকাত ধরতে পারো, আমি একবার পরীক্ষা করে দেখতে চাই। যদি রবিন হুডকে ধরতে পারো, তা হলে অনেক পুরস্কার পাবে। কেমন, এতে রাজি আছ?’

    আহ্লাদে সবগুলি দাঁত দেখিয়ে মিডল বলল, —’আজ্ঞা হাঁ।’

    শেরিফ কন্যা বললেন,–’তাহলে এখনই বেরিয়ে পড়ো। এই নাও পরওয়ানা। দেখো, পরওয়ানা যেন হারায় না।’

    গ্রেপ্তারি পরওয়ানা নিয়ে মিডল তখনি বেরিয়ে পড়ল। ভারী স্ফূর্তি—রবিন হুডকে ধরবে। মাথার ওপর লাঠি ঘুরিয়ে আস্ফালন করতে-করতে, মিডল বার্নস ডেলের দিকে চলল। বেজায় গরম, রাস্তায় খুবই ধুলো। দুপুরের পর মিডলের পরিশ্রম বোধ হওয়ায়, রাস্তার ধারেই একটি হোটেল দেখতে পেয়ে ভেতরে প্রবেশ করল। হোটেলে বসে মদ্যপান করতে-করতে মিডলের একটু ঘুমের ভাব এল।

    তার পাশেই দাঁড়িয়ে হোটেলওয়ালা একজন লোকের সঙ্গে রবিন হুডের বিষয় আলোচনা করছিল,–’শুনতে পাই, শেরিফ মশাই না কি আরও লোকের জন্য লিঙ্কনে খবর পাঠিয়েছেন। সৈন্য এলে পরেই সারউড বন থেকে দুস্যদের একেবারে তাড়িয়ে দেবেন।’

    হোটেলওয়ালার কথা শুনতে পেয়ে মিডল জিজ্ঞাসা করল, ‘কার কথা বলছ ভাই?’

    হোটেলওয়ালা উত্তর করল—রবিন হুডের কথা বলছি। তা শুনে তোমার কী হবে! বেল পাকলে কাকের কী? তুমি ঘুমোও না বাপু।

    মিডল বলল,–’মহাশয়, পচা শামুকেও পা কাটে! এত হেলা করছেন কেন?’

    হোটেলওয়ালা বলল,–’আরে যাও! শেরিফ নিজে, আর তারপর গাই-অব-জিসবোর্ন প্রভৃতি আরও কত লোক ঘোল খেয়ে গেল, এখন বাকি আছে কি না তোমার মতো ঝালাইওয়ালা! যাও বাপু, রবিন হুডকে ধরা তোমার কাজ নয়

    হোটেলওয়ালার কথায় মিডল ভারী গম্ভীরভাবে তার কাঁধে হাত দিয়ে বলল,–’এই নাও ভাই, টেবিলের ওপর তোমার টাকা রেখেছি! আমার জরুরি কাজ আছে, তোমার সঙ্গে বাজে বকাবকি করবার সময় নেই। তবে এটা বলে রাখছি যে, হয়তো বা ফিরবার সময় দেখতে পাবে রবিন হুডকে ধরে নিয়ে এসেছি।’ এই বলে মিডল আবার বার্নস ডেলের রাস্তায় চলল।

    প্রায় সিকি মাইল আন্দাজ পথ চলবার পর, একটি যুবকের সঙ্গে মিডলের দেখা হল। যুবকের বয়স কম, মাথায় সুন্দর কোঁকড়ানো চুল-চেহারাটি বড়ই হাসিখুশি। বেজায় গরম, তাই তার লম্বা কোটটি হাতে ঝোলানো—যুবক প্রায় নিরস্ত্র, শুধুমাত্র একখানি তলোয়ার তার সঙ্গে।

    মিডলকে দেখে যুবক নমস্কার করে জিগ্যেস করল,—’ভাই, তুমি কোথা থেকে আসছ? খবর কী বলো দেখি?’

    মিডলও নমস্কার করে বলল,–’আরে ভাই, খবর আর কী, আমি কোনও খবর-টবর জানি না। বাড়ি-বাড়ি ঘুরে বাসন-পত্র ঝালাই-মেরামত করি।’

    যুবক বলল,–’আমি ভাই একটা খবর শুনেছি। দুজন ঝালাইওয়ালা নাকি মাতাল হয়েছিল বলে শাস্তি পেয়েছে।’

    মিডল বলল,’এই যদি বাপু তোমার খবর হয়ে থাকে, তাহলে সরে পড়ো শিগগির আমার সামনে থেকে। নইলে এই লাঠি দিয়ে ঠেঙিয়ে তোমায় রাস্তা পার করে দিয়ে আসব। আমি বড় জরুরি কাজে এসেছি। আমাকে বিরক্ত কোরো না বলছি।’

    যুবক বলল,–’বটে! এমনকী জরুরি কাজটা ভাই?’

    মিডল বলল,–’জরুরি কাজ নয়? রাজার নিজের শিল করা পরওয়ানা শেরিফ মশাই আমাকে দিয়েছেন, রবিন হুড বলে একটা ডাকাত আছে, সে বেটাকে ধরে নিয়ে যেতে হবে। তুমি যদি তার সন্ধান বলে দিতে পারো, তাহলে চট করে বড়লোক হয়ে যাবে।’

    যুবক বলল, ‘আচ্ছা ভাই, পরওয়ানাটা দেখাও দেখি, তাহলে আমি তাকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য খুবই চেষ্টা করব।’

    মিডল বলল,–’না ভাই তা হবে না। পরওয়ানা কাউকে দেখাব না। তুমি যদি সাহায্য না করো, তাহলে আমি নিজেই চেষ্টা করব। এই বলে তার লাঠি মাথার ওপর বনবন শব্দে ঘুরতে লাগল।

    লোকটা বড়ই সাদাসিধে। তার রকম-সকম দেখে যুবকের হাসি পেল। যুবক বলল,–’আরে ভাই! এসব কথা এই গরমে রাস্তায় দাঁড়িয়ে কি বলা চলে? চলো, একটু আগেই মোড়ের ওপর একটা হোটেল আছে, সেখানে বসে একটু ঠান্ডা হয়ে বলা যাবে এখন।

    মিডল বলল,–’বেশ চলো। আমার কোনও আপত্তি নেই। ‘

    দুই জনে মিলে তখন, মিডল যে হোটেলে গিয়েছিল সেই হোটেলে আবার গিয়ে হাজির। হোটেলওয়ালা দুজনকে দেখে একটু হেসে জিজ্ঞাসা করল,—’ ‘মশাইদের কী চাই?’

    মিডল উত্তর করল—’এই বড় গরম কিনা, তাই আবার একটু ঠান্ডা হতে এসেছি। তুমি আমাদের কিছু মদটদ এনে দাও দেখি। ঠান্ডা হতে মিডলের অনেকক্ষণ লাগল। যুবক হুঁশিয়ার লোক, সে গ্লাস একেবারেই স্পর্শ করল না। ধীরে-ধীরে রবিন হুডকে ধরবার নানারকম পরামর্শ দিতে দিতে, খানিকক্ষণ পরেই দেখল, মিডল নাক ডেকে ঘুমিয়ে পড়েছে। আর কথাটি নেই, যুবক আস্তে-আস্তে মিডলের পকেট থেকে পরওয়ানা বের করে নিজের পকেটে রেখে দিল। তারপর একটু মুচকি হেসে হোটেলওয়ালাকে বলল,–’আমি এখন চললাম, তোমার পাওনা–টাওনা সব ঝালাইওয়ালা ঘুম থেকে উঠে চুকিয়ে দেবে।’

    ‘চললাম’ বলল বটে, কিন্তু যাওয়ার জন্য একটুও ব্যস্ত হল না। ঘুম ভেঙে ঝালাইওয়ালাটি কী বলে সেটা শুনতেই হবে, তাই সে বাইরে গিয়ে জানলার নীচে লুকিয়ে রইল।

    খানিকক্ষণ পরেই মিডল প্রকাণ্ড একটি হাই তুলে, যুবককেই যেন উদ্দেশ করে জিজ্ঞাসা করল, কী বলছিলে বন্ধু? সে ডাকাত ব্যাটাকে ধরবার না কি একটা মতলব ঠাওরেছিলে?’ এমন সময় হঠাৎ চোখ মেলে দেখল যুবকটি সেখানে নেই। তখন ‘আরে লোকটা গেল কোথায়?’ বলে চেয়ে দেখল, ঘরে অপর একটি প্রাণীও নেই–হোটেলওয়ালা, হোটেলওয়ালা বলে বারবার চিৎকার করাতে হোটেলওয়ালা এসে বলল,—’কেন মশাই! ডাকাডাকি কেন?’

    মিডল বলল,–’ডাকছি কেন? তোমার টাকাপয়সা না দিয়ে সে ছোকরাটা গেল কোথা?’

    তা তো আমি জানি না। টাকা বোধ করি তোমার ব্যাগেই রেখে গিয়েছে।

    মিডল ব্যাগটি উলটপালট করে দেখল তাতে টাকা নেই। শুধু টাকা কেন, রবিন হুডকে ধরবার সে পরওয়ানাখানি নেই! তার চোখ স্থির হয়ে গেল,—’কী সর্বনাশ! কে চুরি করল? আমার ব্যাগ থেকে কে আমার সব বার করে নিয়েছে? দ্যাখো বাপু হোটেলওয়ালা! আমার সঙ্গে চালাকি করলে চলবে না, বিশ্বাসঘাতকতার দরুন এখনই তোমাকে ধরিয়ে দিতে পারি, জানো? তোমাকে বিশ্বাস করে তোমার ঘরে একটু বিশ্রাম করছিলাম, আর কি না আমার ব্যাগটি খুলে কে সব জরুরি কাগজপত্র বার করে নিল!’

    হোটেলওয়ালা বলল,–’বাপু, অমন ষাঁড়ের মতো চেঁচাও কেন, একটু থামোই না? তোমার কী নিয়েছে?’

    মিডল বলল,–’সব নিয়েছে! সব নিয়েছে! বড় জরুরি কাগজপত্র ছিল। একখানা পরওয়ানাও ছিল, সেই পাজি ব্যাটা দস্যু রবিন হুডকে ধরবার জন্য সঙ্গে করে এনেছিলাম। তা ছাড়া টাকাপয়সাও যে কিছু না ছিল তা নয়।’

    হোটেলওয়ালা বলল,–’বাঃ! তুমি আচ্ছা তাজ্জব লোক হে বাপু! একটু আগেই দেখলাম, রবিন হুডের সঙ্গে বসে মদ খাচ্ছ, দুজনে ভারী বন্ধু। এখন সে চলে যেতে না যেতেই তার বাপান্ত করতে আরম্ভ করে দিলে?’

    ‘কী-ই-ই? ওই ছেলেটা রবিন হুড?’ বিস্ময়ে মিডলের চোখ দুটি বড় হয়ে গেল—মুখ হাঁ করে রইল। তারপর বলল,–’ও যদি রবিন হুড তাহলে তুমি আমাকে বললে না কেন?

    ‘বলবার দরকার? প্রথমবারে যখন এসেছিলে তখন তুমি বলেছিলে, ফিরে আসবার সময় হয়তো বা দেখতে পাবে, রবিন হুডকে সঙ্গে করে নিয়ে এসেছি।’ আমিও তোমার সঙ্গে যুবকটিকে দেখে তাই মনে করলাম। এতে আমার অপরাধটা কী হয়েছে বাপু?’

    মিডল বলল,—’হাঁ ভাই, ঠিক বলেছ। এখন বুঝতে পারছি, যে রবিন হুডই আমাকে মদ খাইয়ে অজ্ঞান করে এসব কাণ্ড করেছে। আমার টাকাপয়সা, কাগজপত্র, পরওয়ানা সব নিয়ে ভেগেছে!’

    হোটেলওয়ালা বলল, আরে হ্যাঁ। তা তো ঠিকই বলছ, আমি সব জানি। কিন্তু বাপু! এখন বাজে কথা রেখে দিয়ে, আসল কাজের কথা বলো দেখি! আমার পাওনাটা চুকিয়ে দাও।’

    মিডল বলল,—’কী করে দেব? আমার কাছে তো কিছু নেই! আচ্ছা তুমি একটু সবুর করো, ও বেটাকে ধরে এনে তোমার সব পাওনা চুকিয়ে দেব।’

    হোটেলওয়ালা বলল,–’ব্যস, তা হলেই হয়েছে আর কি! রবিন হুডকে ধরে এনে টাকা দেবে? তার চাইতে বলো না বাপু, আমার দোকানটাই বন্ধ করে দিই!’

    মিডল বলল,–’আচ্ছা, তোমার কত পাওনা হয়েছে?’

    হোটেলওয়ালা বলল,–ঠিক দশ শিলিং পাওনা হয়েছে।’

    মিডল বলল,–’তাহলে এক কাজ করো, আমার হাতিয়ারের ব্যাগটি রেখে দাও, আমি এখনই সে বেটাকে ধরে নিয়ে ফিরে আসছি।’

    হোটেলওয়ালা বলল,–’শুধু হাতিয়ারের ব্যাগ নিয়ে আমি কী করব? তোমার এই চামড়ার কোটটাও রেখে যেতে হবে।’

    মিডল বলল,–’কী মুশকিল! এ যে দেখছি এক চোর যেতে না যেতেই, আর এক চোরের হাতে পড়া গেল! একবার চলো দেখি রাস্তার মাঝখানে, আচ্ছা করে দু-ঘা না দিলে তোমার হুঁস হবে না দেখছি।’

    হোটেলওয়ালা বলল,–’কেন বাপু, বাজে বকাবকি করে আমার সময় নষ্ট করছ? জিনিসপত্রগুলো রাখো এখানে, তারপর তোমার লোকের পিছনে যাও।’

    মিডল দেখল যে কথাটা নেহাত মন্দ বলেনি; কাজেই তখন জিনিসপত্রগুলি রেখে বেরিয়ে পড়ল।

    প্রায় আধ মাইল যেতে না যেতেই মিডল দেখল, একটু আগের সেই যুবক বনের মধ্যে পায়চারি করে বেড়াচ্ছে। ঊর্ধ্বশ্বাসে ছুটে হাঁপাতে-হাঁপাতে তার কাছে গিয়ে বলল,—’তবে রে ব্যাটা চোর, শিগগির আমার টাকাকড়ি আর পরওয়ানা দে!’

    রবিন বললেন,–’আরে, এ যে সেই ঝালাইওয়ালা দেখছি! তুমি না বাপু রবিন হুডকে খুঁজছিলে? সন্ধান পেলে কি?

    মিডল বলল,–’পেয়েছি বইকি! এই দ্যাখো।’ যেমন কথা তেমনই কাজ। হাতের লাঠি বাগিয়ে মিডল এক লাফে এসে রবিন হুডের ওপর পড়ল।

    রবিন নিজের তলোয়ার খোলবারও অবসর পেলেন না, ঠকাঠক–ঠকাঠক ক্রমাগত ঝালাইওয়ালার লাঠি তাঁর ওপর পড়তে লাগল। তলোয়ার খুলবেন কী, নিজের প্রাণ বাঁচাবার চেষ্টাতেই অস্থির! অনেকক্ষণ পরে অতি কষ্টে তলোয়ার খুললেন। রানি ইলিনরের দেওয়া তলোয়ার, অতি উত্তম ইস্পাতের তৈরি। ঝালাইওয়ালার লাঠিটাও তেল খেয়ে-খেয়ে, লোহার ডান্ডার মতো শক্ত ও মজবুত হয়েছে।

    মনে করলেন, মিডলের লাঠিগাছটা কেটে ফেলবেন কিন্তু লোহার মতো শক্ত লাঠি, তার কিছুই করতে পারলেন না।

    ঝালাইওয়ালার লাঠিটি বেজায় লম্বা, দূর থেকেই সে রবিন হুডকে অনায়াসে উত্তম-মধ্যম কয়েক ঘা বসিয়ে দিল। তিনি বেদনায় অস্থির হয়ে বললেন,–’আরে থামো ভাই ঝালাইওয়ালা! আমার একটা কথা শোনো।’

    মিডল বলল,—’থামব বইকি, তোকে ওই গাছে না ঝুলিয়ে আর থামছি না।’ রবিন হুড কি আর করেন, শিঙা বের করে তখন তিনটি ফুঁ দিলেন।

    শিঙা বাজাতে দেখে মিডল বুঝতে পারল যে, রবিন হুড চালাকি খেলছেন, তাই তাড়াতাড়ি তাঁকে কাবু করবার জন্য দ্বিগুণ উৎসাহে আবার আক্রমণ করল।

    এদিকে শিঙার শব্দ শুনেই, লিটল জন ও উইল স্কারলেট কুড়ি জন লোক নিয়ে এসে, চট করে পিছন দিক থেকে ঝালাইওয়ালাকে ধরে ফেলল।

    তারপর জন রবিনকে জিজ্ঞাসা করল,–আজ্ঞে ব্যাপারটা কী, আপনি বসে-বসে হাঁপাচ্ছেন কেন? ‘

    রবিন বললেন,–’আরে ভাই! এই ঝালাইওয়ালা বেটা আমাকে মেরে একেবারে পাট করে ফেলেছে!’

    লিটল জন লাঠি খেলা পেলে আর কিছু চায় না। তা ছাড়া, ঝালাইওয়ালাকে কিছু শাস্তি দেওয়াটাও আবশ্যক মনে করে, রবিন হুডকে বলল—’আজ্ঞে! ঝালাইওয়ালার বোধ করি এখনও সাধ মেটেনি, তবে আমার সঙ্গেও খানিকটা হয়ে যাক।‘

    তখন রবিন হুড বললেন,–’আরে, সেটা কি আর আমি পারতাম না? হতভাগা যে আমাকে একটুও অবসর দিল না। হাতে তলোয়ার ছিল, কিন্তু সেটা রানির উপহার—এমন চমৎকার জিনিসটি বেটার লোহার মতো শক্ত লাঠিতে মেরে নষ্ট করতে ইচ্ছা হল না। আর বলতে গেলে, ওর তেমন দোষ নাই। ওর কাগজপত্র সব আমি চুরি করেছিলাম।’

    রবিনের কথা শুনে ঝালাইওয়ালা বলল, ‘কেবল কি কাগজপত্র চুরি? তা ছাড়া আমার টাকাপয়সা এবং খুঁটিনাটি আরও কত জিনিস ছিল।’

    রবিন বললেন,–’আরে ভাই, আমি সবই জানি। তুমি যখন হোটেলওয়ালাকে চুরির জিনিসের হিসাব দিচ্ছিলে, আমি ঘরের বাইরে জানালার পাশে দাঁড়িয়ে সব শুনতে পেয়েছিলাম। আচ্ছা ভাই, এই নাও তোমার জিনিসপত্র; আর বারোটি শিলিং ছিল বলছিলে, তার জায়গায় বারোটি মোহর তোমাকে দিচ্ছি। আর যদি তোমার রাগটা চলে গিয়ে থাকে, তাহলে এই নাও আমার হাত। এই বলে রবিন হুড, মিডল-এর দিকে হাতটি বাড়িয়ে দিলেন।

    মিডল খুশি মনে রবিন হুডের হাত নিয়ে বলল,–’মশাই! আপনার ওপর আমার বড় শ্রদ্ধা হয়েছে। আপনারা যদি আমার মতো সামান্য লোককে আপনাদের দলে নেন, তবে আমি বড় খুশি হব। আপনাদের দলে কি কোনও ঝালাইওয়ালার দরকার নেই? আমি দলের

    সকলের অস্ত্রশস্ত্র সাফ করব, বাসনপত্র মেরামত করব, তা ছাড়া দরকার হলে যুদ্ধও করব।’

    রবিন হুড সকলের মত নিয়ে মিডলকে দলে ভরতি করে নিলেন। মিডলও তখন প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে সকলের সঙ্গে সারউড বনে প্রবেশ করল। শেরিফ-কন্যার কথা তার মনে আর স্থান পেল না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজয়তু জয়ন্ত – হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Next Article রহস্য-রোমাঞ্চ সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    Related Articles

    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    মানুষের গড়া দৈত্য – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমারের গল্প – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রহস্য-রোমাঞ্চ সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    জয়তু জয়ন্ত – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    ঐতিহাসিক সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    কিশোর রহস্য উপন্যাস – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }