Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রবিন হুড – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমার রায় এক পাতা গল্প167 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রবিন হুড – ১৫

    পনেরো

    শীতকালটা রবিন হুড দলবল নিয়ে আগুনের চারদিকে বসে কাটালেন। শীতের পর বসন্তকাল এল এবং দেখতে-দেখতে তাও শেষ হয়ে আবার গ্রীষ্মকাল দেখা দিল। এই দীর্ঘকালের মধ্যে রাজা, শেরিফ কিংবা হারফোর্ডের বিশপ কেউই দস্যুদলকে কাবু করতে পারলেন না। বরং দস্যুরা দিন-দিন সংখ্যায় বাড়তে লাগল এবং তাদের অত্যাচারেরও সীমা রইল না।

    এতদিনে শেরিফ মশায় নিশ্চয়ই বরখাস্ত হতেন, কিন্তু তাঁর সৌভাগ্যক্রমে হঠাৎ রাজার মৃত্যু হল। রাজা হেনরির মৃত্যুর পর, তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র রিচার্ড-অব-দি-লায়ন-হার্ট, অর্থাৎ সিংহের মতো সাহসী রিচার্ড ইংল্যান্ডের রাজা হলেন।

    এই খবর যখন সারউড বনে পৌঁছল, তখন রবিন হুড, সকলকে নিয়ে অনেক আন্দোলন-আলোচনার পর ঠিক করলেন, এই নতুন রাজার কাছে তাঁরা আত্মসমর্পণ করে তাঁর বশ্যতা স্বীকার করবেন। আর রাজার অনুমতি হলে, তাঁরাই সকলে মিলে বন রক্ষা করবার ভার গ্রহণ করবেন। উইল স্কারলেট, স্টাটলি এবং লিটল জন এই তিন জনকে এই কাজের ভার দিয়ে লন্ডনে পাঠিয়ে দিলেন। কথা হল, লন্ডনে পৌঁছে তারা গোপনে ম্যারিয়ানকে এই কাজের ভার দেবে, ম্যারিয়ানই দস্যুদলের হয়ে রাজার কাছে এই প্রস্তাব করবেন। কিন্তু তারা অত্যন্ত দুঃসংবাদ নিয়ে লন্ডন থেকে ফিরে এল। নতুন রাজা রিচার্ড আগেই ধর্মযুদ্ধে (ক্রুসেড) বিদেশে চলে গেছেন। তাঁর অবর্তমানে যুবরাজ জনই কর্তা কিন্তু তাঁর সঙ্গে ন্যায়সঙ্গত কাজ করা একেবারেই অসম্ভব! তাঁর স্বভাব নিষ্ঠুর ও বিশ্বাসঘাতক। রাজা রিচার্ড লন্ডন ছাড়বার পর থেকেই, যুবরাজ জন অনেক বড়লোকদের জমিদারি সামান্য কারণে বাজেয়াপ্ত করলেন। ম্যারিয়ানের বাবা আর্ল অব হান্টিংডনের মৃত্যুর পর তাঁর সম্পত্তিও দখল করে নিলেন।

    ম্যারিয়ান বড়ই বিপদে পড়লেন। কেবল যে তাঁর পিতার সম্পত্তি থেকেই তাঁকে বঞ্চিত করা হল তা নয়, রানির সহচরীর কাজটি পর্যন্ত তার গেল। যুবরাজ জন বিধিমতে তাঁকে জ্বালাতন করতে লাগলেন।

    হান্টিংডনের সম্পত্তি কেড়ে নেওয়া হয়েছে, এই খবর রবিন হুড তাঁর লোকেদের মুখে শুনতে পেলেন। ম্যারিয়ানের অন্যান্য বিপদের কথা বিন্দুবিসর্গ তাঁর কানে পৌঁছল না। কিন্তু তবু ম্যারিয়ানের জন্য তাঁর খুব চিন্তা হল। লন্ডনের টুর্নামেন্টের পর থেকে সবসময় ম্যারিয়ানের কথা তাঁর মনে জেগে থাকত।

    গ্রীষ্মের পর শরৎকাল হাজির। সারউড বনের সৌন্দর্য চারদিকে ফুটে উঠেছে। একদিন সকালে রবিন হুড, একা বের হয়েছেন। বনের সৌন্দর্য দেখে ক্ষণকালের জন্য ম্যারিয়ানের চিন্তা তাঁর মন থেকে দূর হয়ে গেল, তিনি মুগ্ধ হয়ে রইলেন। সামনে একটা খোলা ময়দান, ময়দানের অন্যপ্রান্তে কতকগুলি হরিণ চরে বেড়াচ্ছিল, কিন্তু তাঁর দৃষ্টি সে দিকে নেই।

    হঠাৎ বন তোলপাড় করে একটা প্রকাণ্ড উন্মত্তপ্রায় হরিণ বের হল। রবিন হুডের সবুজ এবং সোনালি রং-এর পোশাক দেখে, হরিণটা আরও খেপে গিয়ে মাথা নীচু করে তাঁকে আক্রমণ করল। রবিন তিরধনুক হাতে নেওয়ারও অবসর পেলেন না, বেগতিক দেখে একটি গাছের পিছনে আশ্রয় নিলেন। মুহূর্তের মধ্যে উন্মত্ত হরিণ গাছের ওপর এসে হুড়মুড় করে পড়ল।

    তখন ধনুকে তির পরাতে পরাতে রবিন হুড দেখলেন, হরিণটা বাঁ-পাশের একটা ঝোপের দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে রয়েছে। দেখতে–দেখতে ঝোপের ভেতর থেকে একটি বালক ভৃত্য বের হয়ে এল। বালক ভৃত্য আর কেউ নয়, স্বয়ং ম্যারিয়ান—তিনি আবার সারউডে ফিরে এসেছেন! ম্যারিয়ান এগিয়ে গেলেন। হরিণটা যে ভয়ানক খেপে গিয়ে তাঁর দিকে তাকিয়ে রয়েছে এবং রবিন হুডও যে ভয় পেয়ে তাঁর দিকে চেয়েছেন, তিনি তা দেখতে পেলেন না।

    ম্যারিয়ান ও হরিণ ঠিক এক লাইনে, কাজেই রবিন হুড, তিরও চালাতে পারেন না। ভীষণ গর্জন করে হরিণটা ম্যারিয়ানকে আক্রমণ করল। তিনি অস্ত্র বের করবার অবসর না পেয়ে, লাফিয়ে একপাশে সরে গেলেন বটে, কিন্তু একেবারে রক্ষা পেলেন না—হরিণের শিঙের আঘাত লেগে মাটিতে পড়ে গেলেন। হঠাৎ আক্রান্ত হওয়ায় ম্যারিয়ানের মাথায় ঘোর লেগে গেল। তিনি উঠবার চেষ্টা করতে লাগলেন।

    এমন সময় রবিন হুডের চিৎকার তাঁর কানে পৌঁছল,–শুয়ে পড়ো ম্যারিয়ান!’ তক্ষনি ম্যারিয়ান শুয়ে পড়লেন এবং তাঁর মাথার ওপর দিয়ে শনশন শব্দে রবিনের তির হরিণটার কপালে গিয়ে বিঁধল আর হরিণের মৃতদেহ ম্যারিয়ানের ওপরই পড়ে গেল।

    চোখের নিমেষে রবিন হুড ম্যারিয়ানের কাছে এসে হরিণটাকে তাঁর ওপর থেকে সরিয়ে, তাঁকে কাছাকাছি একটি ঝরনার ধারে বয়ে নিয়ে গেলেন। ভয়ে তাঁর বুক কাঁপছিল, পাছে ম্যারিয়ান মরে গিয়ে থাকেন। ঝরনার ঠান্ডা জল বারবার মুখের ওপর ছিটিয়ে দেওয়ায়, ম্যারিয়ানের চোখের পাতা নড়ে উঠল দেখে, রবিন দ্বিগুণ উৎসাহে আরও জল ছিটিয়ে দিতে লাগলেন। ক্রমে ম্যারিয়ানের জ্ঞান ফিরে এল। অতি মৃদুস্বরে জিগ্যেস করলেন,—’ ‘আমি কোথায় এসেছি? আমার কী হয়েছে?’

    রবিন হুড উত্তর করলেন,—’তুমি সারউড বনে এসেছ, ম্যারিয়ান! কিন্তু দুঃখের বিষয়, বড়ই অভদ্রভাবে তোমার অভ্যর্থনা করেছি।’

    কিছুক্ষণ পরেই ম্যারিয়ান চোখ মেলে উঠে বসলেন। তখনও তাঁর মাথা পরিষ্কার হয়নি, তিনি রবিনকে বললেন,—’ ‘মশাই! আমার মনে হয় আপনিই আমাকে এই বিপদ থেকে বাঁচিয়েছেন।’ এইমাত্র বলেই তিনি রবিন হুডকে চিনতে পারলেন, তাঁর মুখে আনন্দের হাসি ফুটে উঠল, মুখ লাল হয়ে গেল এবং ধীরে-ধীরে মাথাটি রবিন হুডের কাঁধে রেখে একটি দীর্ঘনিশ্বাস ফেললেন। যেন বড়ই আরাম অনুভব করছিলেন। তখন মৃদুস্বরে বিড়বিড় করে বললেন,—’—ও রবিন! সত্যি–সত্যিই কি তুমি?’

    রবিন বললেন,–’হাঁ ম্যারিয়ান, আমিই। ভগবানকে শতশত ধন্যবাদ যে তোমার এই বিপদের সময় আমি কাছে থেকে সাহায্য করতে পেরেছি।’ রবিন হুডের স্বর গম্ভীর এবং আবেগপূর্ণ হয়ে উঠল। আবার বললেন,–’ম্যারিয়ান আমি শপথ করেছি যে, আজ থেকে তোমাকে আর কখনও অন্যত্র যেতে দেব না।’

    তারপর অনেকক্ষণ পর্যন্ত দুইজনে চুপ করে রইলেন। ম্যারিয়ান রবিনের বুকে মাথা রেখে পরম আনন্দ অনুভব করছিলেন, তাঁর কথা বলার ক্ষমতা ছিল না।

    হঠাৎ রবিন হুডের খেয়াল হল। তিনি বললেন,—’বাঃ, আমি তো বেশ মজার লোক দেখছি। ম্যারিয়ান, তুমি এমন একটা আঘাত পেলে আর আমি কিনা দিব্যি চুপ করে বসে আছি! তোমার কি বড্ড লেগেছে?’

    ‘না, না রবিন! কিছু হয়নি। কোনওরকম চোট লাগেনি। শুধু হঠাৎ মাথাটা ঘুরে গিয়েছিল। এখন বেশ ভালোই লাগছে। চলো, আমরা এখন যাই।’

    রবিন বললেন— ‘না ম্যারিয়ান। এত ব্যস্ত হওয়ার দরকার কী? তোমার এবং লন্ডন শহরে খবর কী বলো দেখি?

    ম্যারিয়ানের বাবার মৃত্যুর পর যুবরাজ জন তাঁদের সমস্ত সম্পত্তি কেড়ে নিয়েছেন এবং ম্যারিয়ান যদি তাঁকে বিবাহ করতে রাজি হন, তাহলে সম্পত্তি ফিরিয়ে দেবে, অথচ এদিকে অন্য একজন রাজকন্যার সঙ্গে তাঁর বিবাহের কথাবার্তা চলছে,—’এই সব কথা ম্যারিয়ান রবিন হুডকে বললেন। আর এইসব কারণেই যে তিনি আবার বালকের বেশে সারউড বনে চলে এসেছেন, তাও বললেন।

    ম্যারিয়ানের প্রতি এই অত্যাচারের কথা শুনতে-শুনতে রবিন হুডের মুখ লাল হয়ে উঠল। তিনি রানি ইলিনরের দেওয়া তলোয়ারখানি হাতে নিয়ে প্রতিজ্ঞা করলেন,–’ম্যারিয়ান! রানি ইলিনরের এই তলোয়ার হাতে করে আমি শপথ করছি, যুবরাজ জন তোমার কোনও অনিষ্ট করতে পারবে না।’

    কুমারী ম্যারিয়ান গ্রিনউডের আড্ডায় ফিরে এলেন। সমস্ত দস্যুদল তাঁকে সাদরে গ্রহণ করে রাজোচিত সম্মান প্রদর্শন করল। মধুর প্রকৃতি মিসেস এলান-আ-ডেলকে পেয়ে ম্যারিয়ানও পরম সুখী হলেন।

    এদিকে রবিন হুড ও ম্যারিয়ানকে যখন হরিণ আক্রমণ করে, ঠিক সেই সময়ে লিটল জন, মাচ্চ, এবং উইল স্কারলেট বনের অন্য দিক দিয়ে বার্নস ডেলের রাস্তায় গিয়ে হাজির। তাদের উদ্দেশ্য, কোনও নাইট কিংবা পাদরিকে দেখতে পেলে, তার সবকিছু লুঠ করে নেবে। কিছুক্ষণ এদিক-সেদিক ঘুরে তারা দেখল, একজন নাইট ঘোড়ায় চড়ে সেই রাস্তায় আসছেন। মুখখানি তাঁর বড়ই বিমর্ষ এবং নিরাশার ভাবে ভরা। কেবলমাত্র চেহারা দেখে সবসময় অনুমান ঠিক হয় না, তাই লিটল জন নাইটের সামনে এসে হাঁটু গেড়ে তাঁকে নমস্কার করে বলল,—’ ‘মশাই! অনুগ্রহ করে আজ আপনি আমাদের এই বনে আতিথ্য গ্রহণ করুন। আমাদের প্রভু আপনার অপেক্ষায় বসে আছেন, আপনি গেলে একসঙ্গে আহার করবেন।’

    নাইট জিজ্ঞাসা করলেন,–’কে তোমাদের প্রভু?’

    লিটল জন নাইটের ঘোড়ার রাশ ধরে বলল,–’আজ্ঞে, আমাদের প্রভু রবিন হুড।’

    এই কথার পর নাইট দেখলেন, আরও দুইজন দস্যু তাঁর দিকে আসছে। তখন কেমন একটু উদাসীনভাবে বললেন,–’তাই তো তোমাদের নেমতন্নটা দেখছি নিতেই হবে। তবে চলো, আমার আর আপত্তি কী? একটা জায়গায় খাওয়া হলেই হল।’ তখন দস্যু তিনজন তাঁকে নিয়ে তাদের আড্ডায় চলল।

    এদিকে ম্যারিয়ান তাঁর চাকরের বেশ বদলাবার অবকাশ পাননি। রবিন হুডের কাছে বসে আছেন। তখন দেখতে পাওয়া গেল যে, তিনজন দস্যু একটি যোদ্ধাকে নিয়ে আসছে। যোদ্ধাটিকে দেখামাত্রই ম্যারিয়ান চিনতে পারলেন—তিনি স্যার রিচার্ড-অব-দি-লি। রাজদরবারে তাঁর খুবই সম্মান। স্যার রিচার্ড পাছে ম্যারিয়ানকে চিনতে পারেন, সেই ভয়ে ম্যারিয়ান সেখান থেকে পালাবার চেষ্টা করলেন। কিন্তু রবিন একটু চোখ টিপে বললেন,–’আঃ! পালাও কেন ম্যারিয়ান? না হয় আজ একটু ভৃত্যের কাজটাই করলে!

    ম্যারিয়ানও একটু চোখ টিপে হাসলেন এবং রাজি হলেন।

    স্যার রিচার্ডকে দেখেই রবিন হুড নমস্কার করে, খুব ভদ্রতার সঙ্গে বললেন,—’আসতে আজ্ঞা হোক, স্যার নাইট! আপনি ঠিক সময়েই এসেছেন, আমরা সবেমাত্র খেতে যাচ্ছিলাম।‘

    স্যার রিচার্ড বললেন,—’—’ভগবান তোমার মঙ্গল করুন মাস্টার রবিন। অনেকক্ষণ ধরে অনাহারে আছি, আমি অতি আহ্লাদের সঙ্গে তোমাদের সঙ্গে খাব।’

    তখন একজন লোক স্যার রিচার্ডের ঘোড়াটিকে নিয়ে গেল। স্যার রিচার্ড তাঁর যুদ্ধের পোশাক খুলে রেখে, হাত-মুখ ধুয়ে সকলের সঙ্গে খেতে বসলেন। নানারকমের অতি উপাদেয় সুমিষ্ট খাদ্যদ্রব্য তৈরি, স্যার রিচার্ড তৃপ্তি করে খেলেন। গত তিন সপ্তাহের মধ্যে তিনি এমন উত্তম সামগ্রী খেতে পাননি। তখন অত্যন্ত সন্তুষ্ট হয়ে বললেন,—’অনেক ধন্যবাদ মাস্টার রবিন। কোনওদিন যদি দয়া করে তোমরা আমার বাড়ি যাও, তাহলে এর প্রতিদান দেওয়ার চেষ্টা করব।’

    কিন্তু রবিন হুড তো আর প্রতিদানের আশা করেন না। স্যার নাইটকে ধন্যবাদ দিয়ে বললেন,–’স্যার নাইট! আমার মতো গরিব তিরন্দাজ কি আপনার মতো লোককে বিনা পয়সায় ভোজ দিতে পারে?’

    এ কথায় স্যার রিচার্ড সরলভাবে উত্তর করলেন,–’কিন্তু মাস্টার রবিন! আমার কাছে যে টাকাপয়সা কিছু নেই! এত সামান্যই আছে যে সেটা দিতে লজ্জা বোধ হচ্ছে।’

    রবিন হুড হেসে বললেন,–’আপনার কাছে কত আছে স্যার? কম হোক আর বেশি হোক, টাকা পেলেই আমরা খুশি হই।’

    নাইট বললেন,–’আমার কাছে মোটে দশটি পেনি আছে, এই নাও।’

    ‘আচ্ছা স্যার নাইট! আপনাকে যে আমি এক সময়ে রাজা হেনরির দরবারে দেখেছি, তখন আপনার খুব ভালো অবস্থা ছিল বলেই মনে হয়। তবে এখন আপনার এরকম দুরবস্থা কী করে হল? আচ্ছা, বলুন দেখি, আপনি কি আগে সাধারণ তিরন্দাজ ছিলেন, তারপর নাইট করে দিয়েছে? না কি বাজে খরচ করে টাকাপয়সা উড়িয়ে দিয়েছেন? বলুন, কিছু লজ্জা করবেন না। যা বলবেন, কখনও তা বাইরে প্রকাশ হবে না।’

    স্যার রিচার্ড বললেন,—’রবিন হুড! তবে শোনো আমার দুঃখের কথা! আমাকে কেউ নাইট করে দেয়নি, বংশানুক্রমেই আমরা নাইট। আমি চিরকাল সংযমে কাটিয়েছি। রাজদরবারে আমাকে দেখেছ, সে কথা ঠিক। রাজা হেনরির টুর্নামেন্টে আমিও হাজির ছিলাম, তোমার তিরের খেলা আমি নিজের চোখে দেখেছি। আমার নাম স্যার রিচার্ড–অব-দি-লি। নটিংহাম শহরের ফটক থেকে আমাদের লি প্রাসাদ খুবই কাছে। পুরুষানুক্রমে আমরা এই লি প্রাসাদে বাস করে আসছি। বছর দুই তিন আগে পাঁচ ছয় হাজার টাকাকেও অতি সামান্য মনে করতাম। কিন্তু রবিন হুড! এখন আমার স্ত্রী, একটি ছেলে, এবং এই দশটি পেনিই আমার একমাত্র সম্বল।’

    ‘কী করে এত ধনসম্পত্তি হারালেন?’ স্যার রিচার্ড দীর্ঘনিশ্বাস ছেড়ে বললেন,–’বুদ্ধির দোষে মাস্টার রবিন! বুদ্ধির দোষে সব হারিয়েছি। রাজা রিচার্ডের সঙ্গে আমিও ক্রুসেডে গেছিলাম। এই কিছু দিন হল ফিরেছি। আমার ছেলেটির এখন বিশ বছর বয়স, এরই মধ্যে সে যুদ্ধবিদ্যায় বেশ পটু হয়েছে। টুর্নামেন্ট প্রভৃতি খেলায় তার হাত খুবই পাকা; কিন্তু বরাতটি তার নেহাত মন্দ। একদিন একটা খেলায় একজন নাইটকে খুব জোরে আঘাত করায়, হঠাৎ সেই নাইট মারা যায়। এখন ছেলেটাকে বাঁচানো চাই! আমাকে জমিদারি বিক্রি করে, প্রাসাদ বাঁধা দিয়ে টাকা ধার করতে হল। কিন্তু তাতেও কুলোল না দেখে, শেষে বেজায় সুদে হারফোর্ডের বিশপের কাছ থেকে টাকা ধার করেছি।’

    ‘উপযুক্ত লোকের কাছ থেকেই ধার করেছেন দেখছি। আচ্ছা, কত টাকা বিশপ মশাই দিয়েছেন?’

    ‘বিশপের কাছ থেকে ছ’হাজার টাকা ধার করেছি। তিনি এখন ভয় দেখাচ্ছেন, এই মুহূর্তে টাকা না দিলে বন্ধকী সম্পত্তি বিক্রি করে ফেলবেন।’

    আচ্ছা, আপনার এমন কোনও বন্ধু নেই যে আপনার জামিন হতে পারে?’

    ‘একটি প্রাণীও নেই। অবশ্য রাজা রিচার্ড যদি এখন হাজির থাকতেন, তবে কোনও ভাবনাই ছিল না।’

    রবিন হুড ম্যারিয়ানের কানে-কানে কী বললেন। ম্যারিয়ানও লিটল জন এবং উইল স্কারলেটকে ডেকে একটু আড়ালে গিয়ে কী জানি একটা পরামর্শ করতে লাগলেন। তারপর লিটল জন ও উইল স্কারলেট দলের অপর লোকদের সঙ্গে পরামর্শ করে কাছের গুহার মধ্যে গেল। একটু পরেই মোহর ভরতি একটি ব্যাগ নিয়ে রবিন হুডের কাছে এসে হাজির। স্যার রিচার্ড একেবারে অবাক হয়ে গেলেন, তাঁর সাক্ষাতে লিটল জন ব্যাগটি খালি করে চারশো স্বর্ণমুদ্রা রবিন হুডকে গুনে দিল।

    রবিন হুড সেই চারশো স্বর্ণমুদ্রা স্যার রিচার্ডকে দিয়ে বললেন, স্যার রিচার্ড! এই টাকা আপনাকে ধার দিলাম, আপনি হারফোর্ডের বিশপের ঋণ শোধ করে দিন।’ স্যার রিচার্ড বিস্ময়ে অভিভূত হয়ে রবিন হুডকে অন্তরের সঙ্গে ধন্যবাদ দিতে উদ্যত হলেন, রবিন হুড বললেন,—’না, না স্যার রিচার্ড। ধন্যবাদ দেওয়ার কিছু দরকার নেই। এ তো কেবল নতুন জায়গা থেকে ধার করে পুরোনো ঋণ শোধ করলেন মাত্র। তবে এইটুকু বলতে পারি, হারফোর্ডের বিশপের মতো আমরা এত কড়াকড়ি করব না।’

    স্যার রিচার্ডের চোখে জল এসে গেল। দস্যুদের মহত্ত্ব দেখে তিনি হতবুদ্ধি হয়ে গেলেন। ঠিক এই সময়ে কাছের গুহার মধ্য থেকে মাচ্চ একটি কাপড়ের বস্তা এনে বলল,–’স্যার রিচার্ডকে নতুন এক সুট পোশাক দেওয়াটাও উচিত নয় কি?’

    রবিন হুড বললেন,–’ঠিক বলেছ মাচ্চ! এই বস্তা থেকে কাপড় কেটে স্যার রিচার্ডকে দাও।’

    ম্যারিয়ান রবিন হুডের কানে-কানে বললেন,–’ওঁকে একটা ভালো দেখে ঘোড়াও দাও। এখন যা দেবে, আমি নিশ্চয়ই বলছি এর চারগুণ ফিরে পাবে। লোকটি খুব ভালো। আমি তাঁকে বেশ ভালো করেই জানি।’

    স্যার রিচার্ডকে খুব ভালো দেখে একটি ঘোড়াও দেওয়া হল। রবিন হুড আর্থার-এ-ব্লান্ডকে বললেন,–’আর্থার! তুমি স্যার রিচার্ডের সঙ্গে যাও, তাঁকে বাড়ি পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে এসো।’

    স্যার রিচার্ডের বিমর্ষভাব দূর হয়ে গেল। তিনি এতদূর কৃতজ্ঞ এবং সন্তুষ্ট হলেন, যে, ভালো করে ধন্যবাদটাও দিতে পারলেন না। মুখ দিয়ে তাঁর কথা বের হল না।

    পরদিন সকালে স্যার রিচার্ড যাওয়ার জন্য তৈরি হলেন। কৃতজ্ঞতায় তাঁর মন পূর্ণ, তিনি গম্ভীরস্বরে সকলকে বললেন,–’বন্ধুগণ! ভগবান তোমাদের মঙ্গল করুন। তোমাদের চিরকাল রক্ষা করুন। আমারও মন যেন তোমাদের প্রতি চিরকৃতজ্ঞ থাকে।

    বিদায়কালে রবিন হুড স্যার রিচার্ডের হাত ধরে বললেন, ‘স্যার রিচার্ড! আজ থেকে এক বৎসর পরে ঠিক এই জায়গায় আপনার

    জন্য আমরা অপেক্ষা করব। আপনার অবস্থা ভালো হলে, তখন আমাদের এই ঋণ শোধ করবেন।’

    ‘মাস্টার রবিন! আমি স্যার রিচার্ড-অব-দি-লি প্রতিজ্ঞা করছি, আজ থেকে ঠিক এক বছরের মধ্যে এই ঋণ নিশ্চয় শোধ করব। আর, এখন থেকে আমায় তোমাদের একজন বন্ধু বলে মনে করো।’

    বিদায়ের পর স্যার রিচার্ড এবং তাঁর স্কোয়ার আর্থার ঘোড়ায় চড়ে বনের ভেতর দিয়ে চললেন এবং দেখতে-দেখতে অদৃশ্য হয়ে গেলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজয়তু জয়ন্ত – হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Next Article রহস্য-রোমাঞ্চ সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    Related Articles

    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    মানুষের গড়া দৈত্য – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমারের গল্প – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রহস্য-রোমাঞ্চ সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    জয়তু জয়ন্ত – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    ঐতিহাসিক সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    কিশোর রহস্য উপন্যাস – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }