Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রবিন হুড – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমার রায় এক পাতা গল্প167 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রবিন হুড – ২১

    একুশ

    ফ্রায়ার টাকের চিকিৎসায় লিটল জনের হাঁটু প্রায় সেরে উঠেছে। এখন চিকিৎসার চেয়ে শক্তির প্রয়োজন বেশি। রোগীকে এখন বলপ্রয়োগ করে বিছানায় ধরে রাখতে হয়। ফ্রায়ার টাক যদি একরাশ ধর্মগ্রন্থ লিটল জনের পায়ের ওপর চাপিয়ে, নিজে তার পেটের ওপর না বসে থাকত, তাহলে জন নিশ্চয়ই উঠে পড়ত। এইরকম আসুরিক প্রণালীর চিকিৎসায় বাধ্য হয়ে জনকে শুয়ে থাকতে হত। ঘা একেবারে শুকোলে, ফ্রায়ার টাক জনকে নিয়ে আড্ডায় গিয়ে হাজির। এতদিন পর জনকে সুস্থ সবল দেখে, সকলের মনে আনন্দের সীমা রইল না।

    একে ঠান্ডা রাত্রি, সঙ্গে-সঙ্গে আবার অল্প-অল্প বৃষ্টি। সন্ন্যাসী টাক খুব দেরি না করে আশ্রমে ফিরে এল। আগুন জ্বেলে, ভিজে কাপড় পালটে খেতে বসবে, এমন সময় দরজায় ঘা পড়ল। সঙ্গে সঙ্গে তার কুকুরগুলোর ভীষণ চিৎকার শুনে বুঝতে পারল, বাইরে আগন্তুক হাজির।

    সন্ন্যাসী বিরক্ত হয়ে বলল,–’মরণ আর কি! কে হে বাপু এত রাত্রে ঝড়-বাদলে এসে দরজায় ঘা দিচ্ছ? এটা হোটেল নয়। সরে পড়ো, আমার খাবার ঠান্ডা হয়ে যাবে।

    ‘কে আছে ভিতরে? শুনতে পাও না কি? শিগগির দরজা খোলো।’

    টাক রেগে বলল,—’যাও, বাপু চলে যাও, এখানে কিছু হবে না। এই খানিকটা গেলে পরই গ্যামওয়েল শহর পাবে। সেখানে চলে যাও।’

    আগন্তুক উত্তর করল, ‘বাবা! গ্যামওয়েলের রাস্তাটাস্তা আমি জানি না, আর তা জানলেও যেতাম না। বাইরে থেকে ভিজে গেলাম, তুমি তো ভিতরে দিব্বি আরামে আছ। খোলো বাপু দরজাটি, মিছিমিছি কেন দেরি করছ? এই বলে আগন্তুক দমাদম দরজায় আঘাত করতে লাগল।’

    ‘তুমি গোল্লায় যাও। আমি বেচারি সন্ন্যাসী মানুষ, বসে বসে ভগবানের নাম করছি, আমাকে কেন জ্বালাতে এসেছ?’

    কী আর করবে, টাক মশাল জ্বেলে এবং একটা কুকুর সঙ্গে নিয়ে গিয়ে দরজা খুলল। দরজা খুলেই দেখতে পেল, আগন্তুক একজন যোদ্ধা। কালো রং-এর বর্ম আঁটা, মাথায় পালক দেওয়া কালো হেলমেট। পাশেই ঘোড়াটি দাঁড়িয়ে আছে, সেটারও গায়ে কালো রং–এর মূল্যবান বর্ম।

    সন্ন্যাসীকে দেখেই কৃষ্ণবর্ণ নাইট জিজ্ঞাসা করলেন,—’ ‘ভাই, কিছু খাবার আছে কি? আজ রাতটা তোমার ঘরেই থাকতে চাই, একটু জায়গা দিতে হবে যে।’

    টাক বলল,–’স্যার নাইট! তোমার তো দূরের কথা, তোমার ঘোড়াটার পছন্দ হয় এমন একটু জায়গাও আমার এখানে নেই। আর খাবারের কথা বলছ? রুটির টুকরো আর জল ছাড়া আর কিছু নাই।’

    ‘না ভাই! আমার নাকে গন্ধ এসেছে, ভালো খাবার আছে। তুমি তো বললে না, কী আর করি, আমি নিজেই একবার দেখি। তোমার ভাবনা নেই, আমি তোমাদের আশ্রমে টাকা দেব। আমার ঘোড়ার গায়ের একটা কম্বল হলেই হল, ঘরের দাওয়ায় দাঁড়িয়ে থাকবে এখন।

    আর বেশি বাক্যব্যয় না করে নাইট সটান ঘরের ভেতর ঢুকে পড়লেন। একটু অভদ্রতা হলেও তাঁর এইরকম প্রভুত্বের ভাব দেখে টাক মনে-মনে সন্তুষ্ট হল।

    তারপর নাইটকে বলল,—’স্যার নাইট! আপনি বসুন। ঘোড়াটাকে আমি কিছু খাবার দিয়ে বেঁধে রাখছি। আজ রাতটা আমার বিছানা এবং খাবার দুজনে ভাগ করে নেওয়া যাবে। তারপর কাল সকালে দেখা যাবে—কে কাকে হুকুম করতে পারে?’

    ‘তা বেশ তো। আমি রাজি আছি।’

    তখন ঘোড়াটাকে বেঁধে রেখে, সন্ন্যাসী একটি ছোট টেবিল আগুনের কাছে এনে বলল,–’স্যার নাইট! আপনার সাজপোশাক খুলে রাখুন। আমার বড় খিদে পেয়েছে, চলুন, খাওয়া যাক।‘

    খাওয়াদাওয়ার পর অনেকক্ষণ পর্যন্ত গল্প করে দুজনে পাশাপাশি শুয়ে ঘুমিয়ে পড়লেন।

    পরদিন সন্ন্যাসীর ঘুম ভাঙার আগেই কৃষ্ণবর্ণ নাইট উঠে হাত মুখ ধুয়ে আগুনের পাশে বসে আছেন, এমন সময় সন্ন্যাসীরও ঘুম ভাঙল। আগন্তুক তার আগেই উঠে পড়েছে দেখে, সন্ন্যাসী লজ্জিত হয়ে বলল,–’তাই তো স্যার নাইট! আমার বড় অন্যায় হয়েছে। কোথায় আমি আগে উঠে আপনাকে আদরযত্ন করব, না আপনিই আমার আগে উঠে পড়েছেন। এখন চলুন, তবে একটু জলযোগ করা যাক। কাল রাতে আপনি যে টাকার কথা বলেছিলেন, তা আমি আপনার কাছ থেকে নেব না। বরং আপনি যখন যাবেন, তখন দেখা যাবে আপনাকে কোনওরকম সাহায্য করতে পারি কি না।’

    ‘আচ্ছা, এখন বলো দেখি, ডাকাত রবিন হুডকে কী করে পাই? রাজা আমাকে পাঠিয়েছেন, রবিন হুডকে একটা খবর বলতে হবে। কাল সব দিন আমি খুঁজেছি কিন্তু কোথাও তাকে পাইনি।’

    ‘স্যার নাইট! আমি সন্ন্যাসী মানুষ, রবিন হুড-টুডের কোনও ধার ধারি না।’

    ‘আরে না সন্ন্যাসী ঠাকুর, তা বলছি না। রবিন হুডের মন্দ করবার আমার কোনও মতলব নেই। আমার বড় দরকার, একবার তার সঙ্গে দেখা করতে চাই।’

    ‘তা যদি হয় তবে চলুন। আমি তাদের আড্ডায় আপনাকে পৌঁছে দেব। অনেক দিন থেকে এ বনে আছি, তাদের খবরটবর একটুআধটু কানে আসে বইকি। তবে কি না ধর্মকর্ম নিয়েই আমি ব্যস্ত থাকি, সেটাই আমার আসল কাজ।’

    ব্ল্যাক নাইট বললেন,–’আচ্ছা ভাই, তাহলে এখন চলো।’ তখন দুজনে সন্ন্যাসীর আশ্রম থেকে বনের দিকে চললেন। প্রায় তিন-চার মাইল এলে পর, হঠাৎ একটি ঝোপের ভেতর থেকে একজন লোক বেরিয়ে এসেই ব্ল্যাক নাইটের ঘোড়ার রাশ ধরল। লোকটি রবিন হুড, খানিক দূর থেকেই ফ্রায়ার টাকের সঙ্গে নাইটকে বনের দিকে যেতে দেখে, টাকের অভিসন্ধি বুঝতে পারছিলেন। টাক যেন তাঁকে চিনতেই পারল না। রবিন হুড নাইটকে বললেন,–’থামুন মশাই! আজ আমি এই রাস্তায় পাহারা দিচ্ছি। হিসাব না দিয়ে কেউ এখান দিয়ে যেতে পারে না।’

    নাইট বললেন,—’থামতে বলবার তুমি কে হে বাপু? একজন লোকের হুকুমে কাজ করা তো আমার অভ্যাস নেই। ‘

    ‘তা বেশ তো, আরও লোক আনছি।’ এই বলে হাতে তালি দিলেন এবং হঠাৎ দশ জন বলিষ্ঠ অস্ত্রশস্ত্রধারী যোদ্ধা এসে হাজির হল।

    তখন রবিন বললেন,–’দেখুন স্যার নাইট! আমরা হচ্ছি তিরন্দাজ। এই বনেই থাকি। আপনার মতো বড় লোক যোদ্ধারা দয়া করে যা কিছু দেন, তা দিয়েই আমাদের খাওয়াদাওয়া চলে। আপনার কাছে নিশ্চয়ই ঢের টাকা আছে। আমাদের কিছু দিয়ে যান।’

    ব্ল্যাক নাইট বললেন,–’দ্যাখো, আমি কিন্তু রাজার দূত। রাজাও খুব কাছেই আছেন। তিনি রবিন হুডের সঙ্গে দেখা করতে চান, এই খবর নিয়ে আমি এসেছি।’

    এই কথা শুনে রবিন হুড তক্ষুনি মাথার টুপি খুলে বললেন,–’ভগবান আমাদের রাজার মঙ্গল করুন! আমিই হচ্ছি রবিন হুড। যে

    লোক আমাদের রাজাকে দেশের মধ্যে সবচেয়ে বড় বলে না মানে, আমি নিশ্চয়ই বলছি সে নরকে যাবে।’

    স্যার নাইট বললেন,—’—’কথাটা একটু হুঁশিয়ার হয়ে বলো। শেষে কিন্তু শাপটা তোমার নিজের ঘাড়েই চাপবে।’

    ‘কেন মশাই? আমি নিশ্চয়ই বলছি, আমার চেয়ে বাধ্য রাজার অন্য কোনও প্রজা নেই। অবশ্য পেটের জ্বালায় মাঝে-মাঝে রাজার দুটো একটা হরিণ মেরে খাই বটে, কিন্তু আমার ঝগড়া হচ্ছে কেবল পাদরিদের সঙ্গে আর গরিবের শত্রু অত্যাচারী ব্যারনদের সঙ্গে।

    আপনার সঙ্গে এখানে দেখা হয়ে বড় ভালো হয়েছে। দয়া করে আমাদের সঙ্গে আজ আপনাকে খেতে হবে।

    স্যার নাইট বললেন,–’আমি শুনেছি এখানে খেলেই খরচ দিতে হয়। আমাকে কত দিতে হবে?’

    ‘না-না, আপনি হচ্ছেন রাজার দূত। আপনার কাছ থেকে খরচ কী নেব? আচ্ছা আপনার কাছে কত টাকা আছে?’

    নাইট বললেন,–’আমার কাছে তো বেশি কিছু নেই। মোটে চল্লিশটা মোহর আছে। পনেরো দিন যাবৎ নটিংহাম শহরে রাজার সঙ্গে আছি, টাকা পয়সা অনেক খরচ হয়ে গিয়েছে।’ এই কথা বলে চল্লিশটা মোহর রবিন হুডের হাতে দিলেন।

    রবিন হুড চল্লিশটা মোহর নিয়ে অর্ধেক তাঁর লোকদের দিলেন, বাকি অর্ধেক ফিরিয়ে দিয়ে বললেন,–’মশায়, এই টাকাটা আপনার হাত খরচের জন্য রেখে দিন। রাজার সঙ্গে থাকা, টাকাপয়সার দরকার হবে বইকি।’

    তারপর রবিন হুড ব্ল্যাক নাইটকে নিয়ে তাঁদের আড্ডায় গেলেন। আড্ডায় পৌঁছে, শিঙা বের করে তিনটি ফুঁ দেওয়ামাত্র, চারজন সেনাপতির অধীনে চারটি দস্যুদল এসে হাজির হল। তারা রবিন হুডকে নমস্কার করে সকলেই নিজের-নিজের আসনে বসল। আর একটি সুন্দর বালক-ভৃত্য এসে রবিন হুডের ডান পাশে দাঁড়াল।

    ব্ল্যাক নাইট দেখেশুনে অবাক হয়ে গেলেন। মনে-মনে ভাবলেন,–’আমার লোকজন আমাকে যা মান্য করে, রবিন হুড়ের লোকেরা দেখছি তাকে তার চেয়ে বেশি মানে।’

    এরপর সকলে একসঙ্গে বসে খাবার খেলেন। খাওয়ার পর রবিন হুড বললেন,—’স্যার নাইট! এবারে আপনাকে কিছু তিরের খেলা দেখাব। ভালোই হোক আর মন্দই হোক, দেখে আপনার যা মনে হয়, রাজাকে কিন্তু বলতে হবে।’

    রবিন হুডের সংকেত পেয়ে সকলেই তিরধনুক নিয়ে প্রস্তুত হল। অনেক দূরে মাটিতে একটি গাছের ডাল খাড়া করে, তার ডগায় একটি ফুলের মালা রেখে রবিন হুড বললেন,–’এইটি হচ্ছে লক্ষ। যে এই মালার ভেতর দিয়ে তির চালাতে পারবে না, তাকেই এই ফ্রায়ার টাকের হাতের একটা ঘুষি খেতে হবে।’ ফ্রায়ার টাক তখন জামার আস্তিন গুটিয়ে উঠে দাঁড়াল।

    ব্ল্যাক নাইট হোঃ-হোঃ করে হেসে বললেন—আরে বন্ধু, তুমিই তাহলে ফ্রায়ার টাক?

    ধরা পড়ে টাক অপ্রস্তুত হয়ে বলল—’হাঁ স্যার নাইট। আমিই ফ্রায়ার টাক, তা অস্বীকার করব কেন? আমি দস্যু দলের পাদরি। তা বলে কি তাদের ভুল হলে সাজা দেব না?’

    ডেভিড-অব-ডনকেস্টার, স্টার্টলি, উইল স্কারলেট, এলান এবং লিটল জন প্রভৃতি সকলের তিরই পরিষ্কার মালটির ভেতর দিয়ে চলে গেল। মাচ্চ মনে করল, সেও একটু বাহাদুরি দেখাবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত বেচারির তির মালার প্রায় এক হাত দূর দিয়ে গেল।

    লিটল জন তখন মাচ্চকে ডাকল—’এসো মাচ্চ, পাদরির কাছ থেকে আশীর্বাদটা নিয়ে যাও। পাদরির আশীর্বাদ পেয়ে মাচ্চ, ঘাসের ওপর গড়াগড়ি দিতে লাগল। দলের অপর লোকদের বেলাও মাচ্চ–এর দশা অনেকেরই ঘটল।

    শেষে রবিন হুডের পালা। ধনুক নিয়ে তিনিও লক্ষ করে তির চালালেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত তিরটির পালক ভালো করে বাঁধা না থাকায়, তা লক্ষের চার আঙুল দূর দিয়ে চলে গেল। রবিন হুডের প্রায়ই ভুল হয় না, সুতরাং এই ব্যাপার দেখে সকলে একেবারে অবাক!

    রবিন হুড বিরক্ত হয়ে নতুন তির নিলেন এবং খুব দ্রুত পরপর তিনটি তির মারলেন। প্রত্যেকটি পরিষ্কার মালার মধ্য দিয়েই গেল। নাইট ভাবলেন,–’এমন আশ্চর্য তির চালানো তো কখনও দেখিনি!’ দলের সকলেই খুব বাহবা দিতে লাগল।

    কিন্তু উইল স্কারলেট তখন গম্ভীরভাবে রবিন হুডের কাছ এসে বলল,–’বাস্তবিকই ভালো তির চালিয়েছ ভাই! কিন্তু ভালোটার দরুন যেমন বাহবা পেয়েছ, তেমন মন্দটার দরুন সাজাটাও নাও?’

    রবিন হুড বললেন,–’তা কী করে হয় স্কারলেট? টাক হচ্ছে আমার দলের লোক, আমার অধীন, সে কি আমাকে সাজা দিতে পারে? আচ্ছা স্যার নাইট! আপনি হচ্ছেন রাজার লোক, আপনিই না হয় আমার সাজাটা দিন।’

    ফ্রায়ার টাক কেন তা শুনবে, সে বলল,–’না বাবা! তা কী করে হবে। আমি হচ্ছি চার্চের লোক! রাজার চেয়েও বড়।’

    ব্ল্যাক নাইট উঠে বললেন,–’আরে! রাজার চেয়েও পাদরি বড় বলছ, সেটা আমাদের দেশে খাটবে না। এসো রবিন হুড, আমি তৈরি আছি।’

    নাইটের কথা শুনে ফ্রায়ার টাকের ধৈর্যচ্যুতি হল। সে বলল,–তবে রে ফাজিল চালাক নাইট। আমি কাল রাতেই বলেছিলাম, যে, দেখা যাবে আমাদের মধ্যে কে ওস্তাদ। এসো, তবে এখন পরখ করে দেখা যাক, রবিন হুড কার ঘুসি খাবে।’

    রবিন হুড বললেন, ‘বেশ ভালো কথা! চার্চের সঙ্গে রাজার লড়াই বাধিয়ে দরকার কী?’

    নাইট বললেন,–’তাই ভালো। অতি সহজেই হ্যাঙ্গাম মিটে যাবে। এসো সন্ন্যাসী ঠাকুর! তুমিই তবে আগে মারো।’

    টাক বলল,–’তোমার মাথায় লোহার টুপি ও হাতে দস্তানা রয়েছে, তা কুছ পরোয়া নেই, আমার ঘুসি খেলে তোমাকে আর খাড়া থাকতে হবে না।’ এই বলে টাক ব্ল্যাক নাইটকে এক ভীষণ মুষ্টাঘাত করল। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, নাইট এক পাও নড়লেন না। ফ্রায়ার টাকের আঘাত ব্যর্থ হল দেখে সকলে একেবারে হতবুদ্ধি হয়ে গেল!’

    তখন হাতের দাস্তানা খুলে নাইট বললেন,—’এসো তবে এখন আমার ঘুসি খাও। ব্ল্যাক নাইটের দারুণ আঘাতে টাক মাটিতে গড়িয়ে পড়ল।

    রবিন হুড ভাবলেন,–’কী সর্বনাশ! এর চেয়ে যে ফ্রায়ার টাকের ঘুসিই ভালো ছিল! এখন উপায়!’

    বাস্তবিক নাইটের ঘুসি খেলে রবিন হুডের কী দশা ঘটত, তা বলা যায় না। কিন্তু ভগবানের কৃপায় তিনি রক্ষা পেলেন। কারণ, ঠিক এই সময়ে সামনের মাঠে বিউগল বেজে উঠল, হঠাৎ কোথা থেকে একদল সৈন্য এসে হাজির!

    শত্রুর আশঙ্কায় রবিন হুড ধনুক নিয়ে লাফিয়ে উঠে অন্য সকলকেও তৈরি হতে বললেন। সৈন্যদল কাছে এলে একজন বলল,–’এ যে স্যার রিচার্ডের লোক! ওই যে তাঁকেও দেখতে পাচ্ছি।’

    বাস্তবিকই স্যার রিচার্ড। ব্ল্যাক নাইটের সামনে এসেই ঘোড়া থেকে নেমে, হাঁটু গেড়ে তাঁকে নমস্কার করে বললেন— আশা করি মহারাজ, আমাদের সাহায্যের কোনও দরকার হয়নি?’

    উইল স্কারলেটও তক্ষুনি হাঁটু গেড়ে রাজাকে নমস্কার করে বলল,—’—তাই তো! এ যে সত্যি-সত্যিই আমাদের রাজা এসেছেন।’

    রবিন হুড অবাক হয়ে গিয়েছিলেন। তিনিও তখন বলে উঠলেন,—’—জয় সম্রাটের জয়!’ তখন সবাই মিলে একসঙ্গে রাজার সামনে হাঁটু গেড়ে বসলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজয়তু জয়ন্ত – হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Next Article রহস্য-রোমাঞ্চ সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    Related Articles

    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    মানুষের গড়া দৈত্য – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমারের গল্প – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রহস্য-রোমাঞ্চ সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    জয়তু জয়ন্ত – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    ঐতিহাসিক সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    কিশোর রহস্য উপন্যাস – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }