Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রবিন হুড – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমার রায় এক পাতা গল্প167 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রবিন হুড – ৯

    নয়

    বর-কনে নিয়ে দস্যুদল খুব আনন্দ করতে-করতে চলল। বিশপ গায়ের জ্বালায় অস্থির হয়ে, গাউন-শূন্য অবস্থাতেই গির্জা ছাড়লেন। কনের বিশেষ অনুরোধে পড়ে দস্যুরা তার ভাইকে ছেড়ে দিল বটে, কিন্তু বৃদ্ধ নাইটটিকে ছাড়ল না। জবরদস্তি করে তাকে একটা উঁচু গাছে চড়িয়ে দিল। বেচারি কী আর করে, গাছের ওপর বসে বর-কনেকে অভিসম্পাত করতে লাগল। দস্যুদের ভয়ে প্রহরীদের কিংবা গ্রামবাসীদের কেউ তাকে উদ্ধার করতে সাহস পেল না। গোটা রাতটাই বৃদ্ধ সেই গাছে বসে রইল। পরদিন লর্ড বিশপ মহাশয় বৃদ্ধ নাইটকে উদ্ধার করে নিয়ে শেরিফের বাড়ি চললেন—বিবাহ ব্যাপারে লজ্জিত ও অপমানিত হয়ে তাদের খুবই রাগ হয়েছিল। নটিংহামে পৌঁছেই তারা শেরিফের সৈন্যসামন্ত জোগাড় করতে লাগলেন, যেভাবেই হোক এই অপমানের প্রতিশোধ নিতে হবে। প্রকাশ্যভাবে রবিন হুডের সঙ্গে বিরোধ করতে শেরিফের একেবারেই ইচ্ছা ছিল না।

    দস্যুদেরকে বনের ভেতর আর জ্বালাতন করবেন না বলে তিনি যে প্রতিজ্ঞা করেছিলেন, হয়তো বা সে কথা মনে করেই তিনি ইতস্তত করলেন। তাঁর এইরকম ভাব দেখেই বিশপ ও নাইট চটে গিয়ে বললেন,–’শুনুন শেরিফ মহাশয়! আপনি যদি আমাদের সাহায্য না করেন, তবে নিশ্চয় জানবেন, আমরা একদম রাজার কাছে গিয়ে হাজির হব!’ তখন বাধ্য হয়েই শেরিফ মহাশয়কে রাজি হতে হল! তারপর একশোজন বাছা-বাছা সৈন্য নিয়ে, তাঁরা একেবারে সারউড বনে গিয়ে হাজির হলেন।

    সৌভাগ্যবশত বনে ঢুকেই তাঁরা দেখলেন, জনা কুড়ি দস্যু হরিণ শিকার করছে। আর কথাটি নেই, তখন তাদের পিছনে-পিছনে তাড়া করলেন। দস্যুরা তিরের মতো বেগে বনের ভেতর ছুটল। আবার ছুটতে-ছুটতে মাঝে-মাঝে ঝোপের আড়াল থেকে শেরিফের সৈন্যদলের ওপর তির ছুড়তেও কসুর করল না। শেরিফের জনা পাঁচেক সৈন্য গুরুতর আঘাত পেল। একটি তির এসে শেরিফের টুপিটা উড়িয়ে দিল, ভয়ে জড়সড়ো হয়ে তিনি সটান ঘোড়ার গলার ওপর শুয়ে পড়লেন।

    এদিকে শেরিফের সৈন্যরা যে একেবারে কিছুই করতে পারল না, তাও নয়। একজন দস্যু ছুটতে ছুটতে হোঁচট খেয়ে পড়ে গেল দেখে, অপর দুজন তাকে সাহায্য করবার জন্য এল—এই তিনজন সেই বিধবার তিন ছেলে, উইল, লেস্টার ও জন। তাদের এই বিপত্তির সুযোগ পেয়েই, শেরিফের লোক এসেই মুহূর্ত মধ্যে তিন জনকে ঘেরাও করে ধরে ফেলল। শেরিফের লোকেরা তখন বেজায় খেপে গিয়েছে। দস্যু তিনটিকে কেটেই ফেলত, কিন্তু শেরিফ দূর থেকে চিৎকার করে বলে উঠলেন,–’থামো! খবরদার কাউকে প্রাণে মেরো না, বে-আইনি কাজ আমরা করতে চাই না। বেটাদের বেঁধে নিয়ে চলো, কাল সবক’টাকে ফাঁসি কাঠে ঝোলানো যাবে।’ শেরিফের কথায় তারা দস্যু তিনটের হাত-পা বেঁধে তাড়াতাড়ি নটিংহামে নিয়ে চলল।

    রবিন হুড এই ব্যাপারে কিছুই জানতে পারলেন না। বিকালবেলায় যখন আড্ডায় ফিরে আসছিলেন, তখন পথে সেই পূর্বপরিচিত বিধবার সঙ্গে তাঁর দেখা। বিধবা কাঁদতে-কাঁদতে তাঁর কাছে হাজির হল।

    রবিন হুড বললেন,—’বুড়িমা! তুমি কাঁদছ কেন, ব্যাপার কী?’ বৃদ্ধা বলল,–’দুঃখের কথা কী আর বলব বাচ্চা রবিন! শেরিফের লোকেরা আজ আমার তিনটি ছেলেকেই ধরে নটিংহামে নিয়ে গিয়েছে, কাল না কি তাদের ফাঁসি দেবে।’ এই বলেই বিধবা ভেউ–ভেউ করে কাঁদতে লাগল।

    রবিন বললেন,–’তাই তো বুড়িমা, এ যে বড় খারাপ খবর দিলে! উইল, লেস্টার আর জন,—’তিনজনকেই যে আমি খুব ভালোবাসি! এদের ফাঁসি হলে তো চলবে না। আচ্ছা ফাঁসি কবে হবে বলতে পারো কি?

    বৃদ্ধা বলল,–’আমি শুনেছি কাল দুপুর বেলা ফাঁসি হবে।’

    রবিন বললেন,–’তোমার কিছু চিন্তা নেই বুড়িমা! আমাকে বিশ্বাস করো, যেভাবে পারি আমি তাদের উদ্ধার করবই করব।’

    রবিন হুডের কথা শুনে বিধবা তাঁর দুটি পা জড়িয়ে ধরে কাঁদতে-কাঁদতে বলল,–’এ যে তোমাকে ভীষণ বিপদে ফেলছি, বাবা রবিন! তোমার মনটা বড়, সাহসটাও অসাধারণ, আমার বিশ্বাস যে বিধবার অনুরোধ তুমি রাখবেই রাখবে। ভগবান তোমাকে রক্ষা করুন।’

    বিধবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে, রবিন হুড তাড়াতাড়ি আড্ডায় ফিরে এলেন। ফেরামাত্রই দলের লোকেরা তাঁকে সব কথা বলল। রবিন হুড বললেন,—’ ‘বিপদ যা হওয়ার তা তো হয়ে গিয়েছে, কিন্তু তা বলে চুপ করে থাকলে তো চলবে না। যেভাবেই হোক তাদের উদ্ধার করতেই হবে।

    রবিন হুড মাথা নীচু করে চিন্তা করতে-করতে খানিক দূর এগিয়ে গেলেন। মনটা বড়ই অস্থির। কী করে লোক তিনজনকে বাঁচাবেন, শুধু তাই ভাবতে লাগলেন। এমন সময় হঠাৎ একজন ভিখারি সন্ন্যাসী তাঁহার সামনে এসে হাজির। ভিখারি দেশ-বিদেশে ভ্রমণ করে বেড়ায়, ভিক্ষাই তার একমাত্র সম্বল। রবিন হুডকে দেখেই সে তাঁর সামনে এসে হাত পেতে ভিক্ষে চাইল।

    রবিন হুড তাকে জিজ্ঞাসা করলেন,–’ভিখারি বাবা, খবর কী? কত জায়গায় তো ঘুরে বেড়াও নতুন খবর কিছু বলতে পারো কি?’

    ভিখারি বলল,–’খবর আর কী আছে, তবে কি না শহরে শুনে এলাম, তিন জন লোকের নাকি ফাঁসি হবে।’

    ভিখারির কথা শুনে রবিন হুডের মনে হঠাৎ একটা খেয়াল হল এবং তাকে বললেন,–’এসো তো বাবাজি! আমার সঙ্গে তোমার পোশাক বদলাতে হবে। তোমাকে তার দরুন চল্লিশটা শিলিং দেব।’

    ভিখারি বলল,–’আরে যান মশাই! কী বলছেন? আপনার এমন খাসা পোশাক, আর আমার ছেঁড়া টুকরো-টুকরো কাপড়। বুড়ো মানুষ দেখে মিছিমিছি কেন ঠাট্টা করছেন?’

    রবিন হুড বললেন,–’আরে না না! ঠাট্টা করব কেন? এই নাও টাকা, এখন তোমার পোশাক দাও।’

    রবিন হুড পোশাক বদল করে ভিখারির বেশ ধারণ করলেন। ভিখারির টুপিটা তাঁর মাথায় ভালোরকম বসল না। আলখাল্লাটি লাল, নীল ও কাল রঙের পট্টি-মারা, পা-জামাটিও নানা রং-এর কাপড়ের টুকরো দিয়ে প্রস্তুত। জুতা মোজা সবই তালি দেওয়া—রবিন হুডের সাজ খুব অদ্ভুতরকমের হল। রবিন হুডের মা যদি বেঁচে থাকতেন, তবে তিনিও তাঁকে চিনতে পারতেন কি না সন্দেহ।

    পরদিন সকাল হতে না হতেই নটিংহাম শহরে হইচই পড়ে গেল। তিন-তিনটে ফাঁসি এক দিনেই হবে। এমনটা সচরাচর হয় না। শহরের দরজা খোলামাত্র চারদিক থেকে লোকজন ঢুকতে লাগল—দেখতে–দেখতে শহর ভরতি হয়ে গেল।

    সকলের সঙ্গে সর্বপ্রথমেই সন্ন্যাসী বেশধারী রবিন হুডও শহরে ঢুকে, চারদিক দেখে বেড়াতে লাগলেন যেন এই প্রথম শহরে এসেছেন। ঘুরেফিরে ক্রমে তিনি যেখানে শহরের বাজার বসে, সেই খোলা ময়দানে এসে দেখতে পেলেন, তিনটি ফাঁসির জায়গা তৈরি করা রয়েছে। কাছেই একজন সৈনিক দাঁড়িয়েছিল, তাকে জিজ্ঞাসা করলেন,–’এখানে কাদের ফাঁসি দেওয়া হবে?’

    সৈনিক উত্তর করল,–’রবিন হুডের দলের তিনটি লোকের ফাঁসি হবে।’

    রবিন জিজ্ঞাসা করলেন, ‘আচ্ছা বাবা! এদের গলায় কে ফাঁসি পরাবে বলতে পারো কি?’

    সৈনিক বলল–’সেটা শেরিফ এখনও ঠিক করেননি। ওই যে তিনি আসছেন, তাঁকে জিগ্যেস করলেই জানতে পারবে।’

    ততক্ষণে শেরিফ এসে সেখানে হাজির হলেন। সন্ন্যাসী বলে উঠল——জয় হোক বাবা! ভগবান আপনার মঙ্গল করুন। এখানে নাকি আজ তিনজন লোকের ফাঁসি হবে? আচ্ছা, ফাঁসি পরাবার কাজটা আমাকে দিন না!’

    শেরিফ বললেন,–’তুমি কে হে বাপু? তোমাকে এ কাজের ভার কেন দেব?’

    ‘দেখতেই তো পাচ্ছেন, আমি একজন সাধু। মরবার আগে লোকের কানে ধর্মের কথা শুনিয়ে তাদের পাপের বোঝা হালকা করে দিই, আবার দরকার হলে গলায় ফাঁসিও পরিয়ে দিতে জানি।’

    শেরিফ বললেন—’খুব ভালো! আচ্ছা, তোমাকেই তাহলে এই কাজের ভার দেওয়া গেল। এর জন্য যা পাওয়া দস্তুর তা তো পাবেই, তা ছাড়া এক সেট নতুন পোশাকও দেওয়া যাবে।’

    ‘জয় হোক শেরিফ মহাশয়ের?’—এই বলে সন্ন্যাসী সেই সৈনিকের সঙ্গে জেলখানায় গেল।

    বারোটা বাজবার একটু আগে জেলখানার দরজা খুলে গেল। রাস্তার দু-ধারে সার দিয়ে লোক দাঁড়িয়ে আছে। প্রহরীবেষ্টিত হয়ে তিনজন কয়েদি বাইরে এল, তাদের আগে আগে সন্ন্যাসী। ফাঁসিকাঠের নীচে আসার পর, ফিসফিস করে সন্ন্যাসী কয়েদিদের কানে-কানে কী জানি কী বলল—যেন মৃত্যুর আগে শেষ সান্ত্বনার কথাই কিছু বলেছে। তখন অপরাধী তিনজন ফাঁসি-কাঠে চড়ল। তাদের হাত পিঠের দিকে শক্ত করে বাঁধা। পিছনে সন্ন্যাসী, চারদিকে লোকজন নীরব, নিস্তব্ধ!

    তখন সন্ন্যাসী ফাঁসিকাঠের খুব কাছে এসে, বুক ফুলিয়ে বজ্র–গম্ভীর স্বরে বলল,–’শোনো, ওহে অহংকারী শেরিফ! তুমি মনে করছ, ফাঁসি দেওয়াটা আমার কাজ। আমি জীবনে কখনও তা করিনি, কোনওদিন করবও না। আমি আর তিনটি কথা বলে শেষ করব! কান পেতে শোনো।’

    এই বলে সন্ন্যাসী জামার ভেতর থেকে শিঙা বের করে তিনটি ফুঁ দিল এবং চোখের নিমেষে ছুরি বের করে উইল, লেস্টার এবং জনের বাঁধন কেটে দেওয়া মাত্র, তারা কাছাকাছি প্রহরীদের হাত থেকে তলোয়ার কেড়ে নিতে উদ্যত হল। শেরিফ তখন চিৎকার করে বলে উঠলেন,—’পাকড়াও! বেটাদের পাকড়াও! এ আর কেউ নয়, রবিন হুড। বেটাকে ধরতে পারলে হাজার টাকা পুরস্কার পাবে।’

    হারফোর্ডের বিশপও সেখানে হাজির ছিলেন। তিনি বললেন,–’-হাজারের জায়গায় দু-হাজার দেব! ধরো। শিগগির পাকড়াও করো!

    রবিন হুড শিঙা ফুঁকবার সঙ্গে-সঙ্গে চারদিকে এমন একটা কোলাহল শুরু হল, শেরিফের কিংবা বিশপের কথা কিছু শুনতে পাওয়া গেল না। রবিন হুড তখন নিজের তলোয়ার খুলে লাফিয়ে মঞ্চ থেকে মাটিতে পড়লেন, তাঁর সঙ্গে-সঙ্গে বিধবার ছেলে তিন জনও নেমে এল। কাছে যেসব প্রহরী ছিল, তারা তাদেরকে ঘেরাও করে হাত থেকে অস্ত্র কেড়ে নেওয়ার জন্য চেষ্টা করতে লাগল। ঠিক এই সময়ে একদিক দিয়ে উইল স্টার্টলি এবং অন্যদিক দিয়ে লিটল জন তাদের দলবল নিয়ে হাজির। আশিজন অস্ত্রশস্ত্রধারী তিরন্দাজ জনতার সঙ্গে মিশে চারদিক থেকে প্রহরীদের আক্রমণ করল। রবিন হুডের শিক্ষিত তিরন্দাজদের সামনে শেরিফের প্রহরীদল কতক্ষণ টিকবে? তারা ভয়ে পিঠটান দিয়ে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ল। দস্যুরা তখন রবিন হুডকে মাঝখানে রেখে আস্তে-আস্তে দরজার দিকে চলল। শেরিফ দেখলেন শিকার পালাচ্ছে। তিনি তখন দিশেহারা হয়ে চিৎকার করতে লাগলেন—’পাকড়াও বেটাদের! চলে গেল যে। রাজার দোহাই দিয়ে বলছি, পাকড়াও। শিগগির সদর-দরজা বন্ধ করে দাও।’

    দরজা বন্ধ করে দিলে বাস্তবিকই দস্যুদলের একটু মুশকিলে পড়তে হত! কিন্তু বন্ধ করে কে? উইল স্কারলেট ও এলান-আ-ডেল আগে থেকেই সে রাস্তা পরিষ্কার করে রেখেছে। প্রহরীদের হাত ও পা বাঁধা, দরজাটিও খোলা, দস্যুরা সেইদিকে এগোল।

    শেরিফ তখন তাড়াতাড়ি যা পেলেন সৈন্য সংগ্রহ করে দস্যুদের পিছনদিক থেকে আক্রমণ করলেন। দস্যুদলও হঠাৎ ফিরে, শেরিফের সৈন্যকে লক্ষ করে একসঙ্গে কয়েকবার তির ছুড়ল। ভয়ে শেরিফের সৈন্য আর এগোল না। রবিন হুড দলবল সহ ক্রমে পাহাড়ের পথ অতিক্রম করে সারউড বনে এসে হাজির হলেন। বিধবার ছেলে তিনটিকে উদ্ধার করে সেদিন সারউড বনে দস্যুদের ধুমধাম দেখে কে!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজয়তু জয়ন্ত – হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Next Article রহস্য-রোমাঞ্চ সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    Related Articles

    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    মানুষের গড়া দৈত্য – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমারের গল্প – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রহস্য-রোমাঞ্চ সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    জয়তু জয়ন্ত – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    ঐতিহাসিক সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    কিশোর রহস্য উপন্যাস – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }