Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রম্যরচনা ৩৬৫ – তারাপদ রায়

    তারাপদ রায় এক পাতা গল্প1448 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রসিকতার উৎস সন্ধানে

    রসিকতার উৎস সন্ধানে

    (এক) পাঠিকা ঠাকুরানি

    ‘যা দেবী সর্বভূতেষু

    পাঠিকারূপেন সংস্থিতা

    নমঃ তস্মৈ নমঃ তস্মৈ

    নমঃ তস্মৈ নমো নমো।

    মধ্যযুগের কবিরা, এমনকী গত শতাব্দীর প্রথম ভাগ পর্যন্ত কবিকুল তাঁদের রচনা শুরু করতে নারায়ণ, সরস্বতী, কিংবা গণেশের বন্দনা করে।

    আমার নারায়ণ-নারায়ণী, লক্ষ্মী-সরস্বতী, কার্তিক-গণেশ সবই ওই পাঠিকা ঠাকুরানি। তাঁর রাতুল চরণে এই দেহ নিবেদিত, তার কোমল হৃদয়ে এই প্রাণ বিসর্জিত।

    বেশি ভণিতা করে সময় এবং স্থান নষ্ট করতে চাই না। আসল কথাটা বলি। আসল কথা মানে আসল সমস্যা।

    আসল সমস্যা ভুলো মন দিয়ে। বিস্মরণ নিয়ে।

    আমরা কত কী ভুলে যাই। সেই যে দম্পতি ছুটিতে বেড়াতে যাবে বলে রেলস্টেশনে উপস্থিত হয়েছিল সতেরোটা বাক্স, এগারোটা ব্যাগ, আটটা খুচরো মাল, চারটে বেডিং (স্বামী-স্ত্রী দুজনের যুগ্ম এবং বিচ্ছিন্ন সম্পূর্ণ আলাদা আলাদা ব্যবস্থাসহ) এবং একটা জলের কুঁজো, একটা চায়ের ফ্লাস্ক নিয়ে—

    ভালই চেনেন তাদের পাঠিকাকর্মী (আমার রচনাকে সর্বভারতীয় করতে চাই, অন্যথায় পাঠিকা. ঠাকুরানিই আমার পছন্দ, অবশ্য বধূ ঠাকুরানির পরে)।

    রেলস্টেশনে পৌঁছনোর পর স্ত্রীরত্ন স্বামীরত্নকে কী বলেছিল মনে আছে—

    স্ত্রীরত্ব—ওগো এত জিনিস আনলাম, যদি ফ্রিজটাকেও আনতাম।

    স্বামীরত্ন—ফ্রিজ নিয়ে কেউ ট্রেনে যায়?

    স্ত্রীরত্ন—কিন্তু সেই ফ্রিজের উপরে যে আমাদের ট্রেনের টিকিট দুটো ফেলে এলাম।

    এর পরের ঘটনার দায়িত্ব আমাদের নয়। কিন্তু অন্য একটা গোলমেলে গল্প মনে পড়ছে।

    গল্পটা একেবারেই জটিল নয়, বরং বেশি সোজা। এক অনিদ্রার রোগী প্রচুর ওষুধ খেয়ে অবশেষে স্মৃতিভ্রংশের অসুখে পড়ল। এবং তারপর পরিণতি হল ভয়াবহ।

    সে লোকটি ভুলে গেল যে সে অনিদ্রা রোগী। এরপর থেকে সে সারা দিনরাত ভোঁস ভোঁস করে ঘুমোতে লাগল।

    স্যার ওয়ালটার স্কটের বিস্মৃতিশক্তি ছিল অনন্যসাধারণ। একদা তিনি একটি কবিতা লর্ড বায়রনের রচনা বলে উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছিলেন। মজার কথা এই যে ওই কবিতাটি মোটেই লর্ড বায়রনের লেখা ছিল না। তার চেয়েও বড় কথা ওই কবিতাটি স্যার ওয়ালটার স্কট নিজেই লিখেছিলেন।

    আমার অবস্থা এখন স্যার ওয়ালটার স্কটের চেয়েও করুণ। এখন পর্যন্ত আমার রম্যরচনার সংখ্যা সহস্রাধিক এক কিংবা তারও বেশি। এই এক সহস্র এক রচনার প্রত্যেকটিতে যদি আমি গড়ে পাঁচটা করেও রসিকতা করে থাকি, তা হলে এ যাবৎ লিখিত রসিকতার সংখ্যা পাঁচ হাজারেরও বেশি।

    আমি এখন হাল ছেড়ে দিয়েছি। আমার রসিকতার দোদুল্যমান তরণী এখন স্বেচ্ছায় ভেসে যাচ্ছে।

    হায়! কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের মতো আমার তো সাহস নেই। আমি তো জোর গলায় বলতে পারি না, ‘আমি স্বেচ্ছাচারী।’ সর্বদা ভয়ে ভয়ে, সদাসংকোচে থাকি এই বুঝি নিজের করা পুরনো রসিকতা আবার করে ফেললাম, এই বুঝি ধীমতী, স্মরণসম্ভবা পাঠিকা ঠাকুরানি ঠোঁট উলটিয়ে প্রশ্ন করলেন, ‘কোথায় যাচ্ছেন, তারাপদবাবু? এই রসিকতাটা আর ক’বার করবেন?’

    ক্ষমা চাই।

    হে মুখরা পাঠিকা, তোমার কাছেও ক্ষমা চাই। তুমি আছ বলেই আমি আছি। তুমি পড়ো বলেই আমি লিখি। আমার লেখা ছাপা হয়। তুমি কেননা বলেই আমার বই বিক্রি হয়। আগে তোমাকে খুশি করার জন্য অন্যের লেখা থেকে চুরি করতাম, বিলিতি বই থেকে টুকতাম, এখন ভয়াবহ অবস্থা দাঁড়িয়ে গেছে ইচ্ছা-অনিচ্ছায়, জ্ঞাতে-অজ্ঞাতে, নিজের লেখা থেকেই চুরি করছি, নিজের রচনা থেকে টুকছি।

    সুতরাং আরেকবার সেই পুরনো কথাটা স্মরণ করি।

    এক নদীতে দু’বার ডুব দেওয়া যায় না। একই বিছানায় দু’বার শোয়া যায় না। একই মুখের ছায়া যেমন মুকুরে দু’বার পড়ে না। তেমনি একই রসিকতা দু’বার করা যায় না।

    মার্কিন দেশের লুইসানিয়ার নিউ আরলিনস শহরের প্রাচীন পৃথিবী মানে ওল্ড ওয়ার্লড (Old World) ক্লাবের ভাইস চেয়ার-পার্সন (Vice Chair person) শ্রীমতী থুরি এম এস (MS) লিওনা কার্পেন্টার শুধু প্রাচীন পৃথিবীর নয়, বর্তমান পৃথিবীরও সবচেয়ে সুরসিকা পাঠিকা (তিনি বাংলা জানেন না তাই আমার রক্ষা, না হলে সব ধরে ফেলতেন)।

    জগৎ সংসারে এমন কোনও রসিকতা নেই যা লিওনা কার্পেন্টার পাঠ করেননি বা শোনেননি, কিন্তু সকলের সেটা খেয়াল থাকে না। থাকার কথাও নয়। এমনকী এই যে এই অধমাধম, শ্রীল শ্ৰীযুক্ত তারাপদ রায়, এই আমাকেও এমন সব রসিকতা অহরহ শুনতে হয় যেসব আমি নিজেই একাধিকবার লিখেছি।

    এসব আলোচনা থাক। লিওনা মেমসাহেবের গল্প বলি।

    মেমসাহেবের বয়েস হয়েছে মার্কিনিদের কৈশোর পেরোয় পঞ্চাশে, সে হিসেবে মধ্য পঞ্চাশের লিওনার এখন পূর্ণ যৌবন। তাঁর চেহারা এখন টইটম্বুর, ভরা বর্ষার দিঘির মতো। ফলে তাঁর স্তাবক-অনুস্তাবকের কোনও অভাব নেই। এর মধ্যে এমন অনেকে আছেন যাঁরা তাঁকে রসিকতা শোনানোর চেষ্টাও করেন, মজার গল্প বলে আনন্দ দিতে চান। আমি মহিলার রসবোধ এবং রসিকতা জ্ঞান দেখে স্তম্ভিত হয়েছিলাম। আমার সঙ্গে যদিও সামান্য পরিচয় হয়েছিল মেমসাহেবের। একদিন এক মহোৎসাহী যুবক টাটকা রসিকতা ভেবে দুয়েকটা পচা গল্প বলল লিওনাকে। লিওনা শুনে খুব হাসলেন।

    কিছুক্ষণ বাদে যুবকটি চলে যাওয়ার পরে লিওনাকে আমি বললাম, ‘আচ্ছা আপনি যে এই রদ্দি গল্প শুনে হাসলেন, এ গল্প তো আপনি অনেক আগে থেকেই জানেন। নিজেও বলেছেন, নিশ্চয় দু’-চারবার।’

    মৃদু হেসে বুদ্ধিমতী লিওনা বললেন, ‘জানি কিন্তু ও যেভাবে বলেছিল তাতে আরও বেশি মজা পাচ্ছিলাম।’

    আমি বললাম, ‘কীসের মজা?’

    লিওনা কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে তারপর মধুর হেসে বললেন, ‘মজা নষ্ট হওয়ার মজা।’

    এই বিলিতি গল্পটির এখানে হয়তো উপস্থাপন করার তেমন প্রয়োজন ছিল না কিন্তু নিজের সুবিধের এবং আত্মরক্ষার জন্যে এই আখ্যানটি আমি বললাম।

    মোটকথা, আমার প্রতিপাদ্য বিষয় হল শ্রীযুক্তা লিওনা কার্পেন্টারের মতো সুরসিকা যদি পুরনো অখাদ্য হাসির গল্প, যা কিনা বহুত এবং যাকে সাদা বাংলায় বলা চলে ‘বস্তাপচা’ তাই শুনে হাসতে পারেন তবে তুমি কেন হাসবে না।

    গল্পটা যদি ধরতেও পারো, যদি মনে হয় চেনা চেনা, তুমি নিজেই হয়তো এ গল্প, এই রসিকতা অন্যদের কাছে করেছ তবু আরেকবার হাসো।

    হাসতে দোষ নেই।

    হাসো। তারাপদ রায়ের সঙ্গে হাসো।

    আরেকবার হাসো।

    (দুই) নস্যির কৌটো

    ‘He must not laugh

    at his own wheeze

    A snuffbox has

    no right to sneeze’.

    ইংরেজি এই শ্লোকটির রচয়িতার নাম আমি জানি না তবে সাদা বাংলায় এর তরজমা করলে দাঁড়ায়—

    নস্যির কৌটোর যেমন

    নিজের হাঁচবার অধিকার নেই

    তেমনি যে রসিকতা করে

    তার অধিকার নেই হাসবার।

    শ্লোকটি খারাপ নয় কিন্তু এর মর্মার্থ সর্বগ্রাহ্য নয়।

    আমি নিজে দু’জন কালোত্তর মহারসিককে দেখেছি, একজন পরশুরাম এবং দ্বিতীয়জন শিবরাম। দু’জনেই আমার মহাগুরু। দু’জনের কাছেই আমার ঋণ অপরিসীম।

    পরশুরাম অর্থাৎ রাজশেখর বসুর মতো গল্প বাংলা ভাষায় আর কেউ লেখেনি। এ রকম সহজ ও সরাসরি মন্তব্য করার পরে পরশুরামের গল্প নয়, গল্পের মধ্যের দুটো শ্লোক স্মরণ করছি।

    প্রথমটিতে পাখোয়াজের তাল, চৌতাল, ছ’মাত্রা, চার তাল, দুই ফাঁক—

    ধাধা ধিন তা কৎ তাগে, গিন্নি ঘা দেন কর্তাকে

    ধরে তাড়া করে খিটখিটে কথা কয়

    ধূর্তা গিন্নি কর্তা গাধারে।

    ঘাড়ে ধরে ঘন ঘন ঘা কত ধূমধূম দিতে থাকে

    টুটি টিপে ঝুঁটি ধরে উলটে পালটে ফ্যালে

    গিন্নি ঘুঘুটির ক্ষমতা কম নয়;

    ধাক্কা ধুক্কি দিতে ত্রুটি ধনী করে না

    নগণ্য নিধন কর্তা গাধা—’

    অথবা একই গল্পে ঠিক এরই বিপরীতে

    ‘ধনী শুনছ কিবা আনমনে,

    ভাবছ বুঝি শ্যামের বাঁশি

    ডাকছে তোমায় বাঁশবনে

    ওটা যে খ্যাঁকশিয়ালী,

    দিও না কুলে কালি

    রাত-বিরেতে শ্যাল কুকুরের

    ছুঁচো প্যাঁচার ডাক শুনে।’

    পাশাপাশি শিবরামকেও একটু স্মরণ করা যাক।

    একটি নাটক রচনার ব্যাপারে নটশ্রেষ্ঠ আচার্য শিশিরকুমার ভাদুড়ীর ওপর অভিমানভরে তিনি লিখেছিলেন,

    ‘শিশির ভাদুড়ী নহ।

    তুমি বোতলের।’

    বলাবাহুল্য, আমার এই বর্তমান লেখায় পরশুরাম এবং শিবরামের এই শ্লোকগুলি নিতান্তই প্রক্ষিপ্ত। শুধু রসিকতার আবহ রচনা করার জন্যে স্মৃতি থেকে এগুলো উদ্ধার করলাম।

    আসল জিজ্ঞাসা হল, নস্যির কৌটো হাঁচবে কি না? এইসব কাব্যকৌতুকী কিংবা নিজেদের অন্য কোনও রসিকতা পাঠ করে বা স্মরণ করে পরশুরাম এবং শিবরাম নিজের মনে হাসতেন কি না? অথবা যখন তাঁরা আড্ডায় যেতেন, গল্পগুজব করতেন, সরস কথাবার্তা বলতেন নিজেদের রসিকতায় তাঁরা হাসতেন কি না? যেমন আমি হাসি, আমি আমার অনেক রসিকতা শেষ করার আগে উত্তুঙ্গ আড্ডায় গল্পের মধ্যপথে কতবার যে নিজের রসিকতায় নিজেই হাসতে হাসতে গড়িয়ে পড়েছি, সে গল্প আর শেষ করা হয়নি—এ রকম নজিরের অন্ত নেই।

    আমার নিজের কথা এখানে থাক।

    পরশুরাম সম্পর্কে আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও স্মৃতি বিশেষ কিছু নেই। একবার কলেজের কী একটা অনুষ্ঠানের জন্যে তাঁকে নিমন্ত্রণ করতে গিয়েছিলাম। তিনি অত্যন্ত গম্ভীরভাবে নির্দিষ্ট কারণ দেখিয়ে আমাদের আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।

    পরশুরামের পরিচিত মহলের লোকদের মুখে শুনেছি এবং লেখায় পড়েছি—তিনি সুরসিক হলেও স্বভাব-গম্ভীর প্রকৃতির লোক ছিলেন। নিজের রসিকতায় নিজে হাসার লোক ছিলেন না।

    শিবরাম চক্রবর্তী কিন্তু হাসতেন। রীতিমতো প্রাণ খুলে হাসতেন। একবার সরকারি কাজে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় কিছুদিন ছিলাম। এর অব্যবহিত পরে শিবরাম চক্রবর্তীর সঙ্গে দেখা হয়েছিল। তাঁকে বলেছিলাম, ‘দেখুন কুলপি গিয়ে মালাই বরফের খোঁজ করলাম। কিন্তু বিশ্বাস করবেন কিনা জানি না, কুলপিতে এক ছটাক মালাই বরফ পাওয়া গেল না। কুলপির পোক মালাইয়ের নামই শোনেনি।

    শিবরাম একচোট প্রাণ খুলে হাসলেন, তারপর বললেন, ‘দ্যাখো একবার আমারও খুব খারাপ অভিজ্ঞতা হয়েছিল।’

    আমি বললাম, ‘কোথায়?’

    শিবরাম বললেন, ‘ওই দক্ষিণ চব্বিশ পরগনাতেই আক্রার বাজারে।’

    আমি বললাম, ‘কেন আক্রার বাজারে কী হল?’

    শিবরাম বললেন, ‘আক্রার বাজারে গিয়ে দেখি জিনিসপত্র ভারি সস্তা। এত দাম কম যে পিলে চমকে গিয়েছিল।’ নিজের রসিকতায়, আক্ৰা শব্দের ব্যবহারে, নিজেই হাসতে লাগলেন শিবরাম।

    স্পষ্ট মনে আছে, একবার গাড়ি করে কলকাতার বাইরের এক সাহিত্য অনুষ্ঠান থেকে ফিরছিলাম। শিবরাম এবং সেইসঙ্গে এক প্রধান অধ্যাপক ছিলেন।

    ওঁরা কথাবার্তা বলছিলেন, কথায় কথায় শিবরাম অধ্যাপককে বললেন, ওঁর এক ভাগ্নে আছে, সে একটা জানোয়ার।

    অধ্যাপক বিস্মিত হয়ে বললেন, ‘জানোয়ার কেন?’

    শিবরাম হো হো করে হেসে বললেন, ‘জানোয়ার হবে না? বোন থেকে এসেছে যে।’

    শিবরামের পানে (Pun) বোন আর বন একাকার।

    রাজশেখর বসু নিশ্চয় এ ধরনের রসিকতা করতেন না। যতদূর জানি তাঁর ছিল মাপা কথাবার্তা সংক্ষিপ্ত টিপ্পনি এবং কথাবার্তায় সংযত শব্দ ব্যবহার।

    এঁরা দু’জনে আমার মহাগুরু। আমার রসিকতার প্রাথমিক শিক্ষা এবং উৎস হলেন এই দুই মহারথী।

    অবশ্য গত শতকের ত্রৈলোক্যনাথ কিংবা এই শতকের অপ্রতিরোধ্য সৈয়দ মুজতবা আলিকে এই সূত্রে স্মরণ না করা মহাপাপ হবে। বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় এবং বনফুলও অবশ্যই স্মরণীয়। আর সেইসঙ্গে সহযাত্রী ইন্দ্রমিত্র, সঞ্জীব, নবনীতা কিংবা হিমানীশকেও বাদ দেওয়া যাবে না।

    শিবরামের ভাষায় বলা যেতে পারে, ‘এদের বাদ দিলে বাদানুবাদ হবে।’

    তরল রচনায় বাদানুবাদ কে চায়?

    (তিন) তিমিঙ্গিল

    হরির উপরে হরি

    হরি বসে তায়

    হরিরে দেখিয়া হরি

    হরিতে লুকায়।

    (তৃতীয় পঙক্তিতে ‘দেখিয়া’ না ‘হেরিয়া’ মনে পড়ছে না।)

    উপরে উদ্ধৃত ছড়াটি আসলে একটি ধাঁধা। একালের পাঠক-পাঠিকা সম্ভবত এ জাতীয় ধাঁধার সঙ্গে পরিচিত নন।

    এটা একটি আভিধানিক ধাঁধা। ‘হরি’ শব্দের বহু রকমের অর্থ, হরির বহু মানে—জল, পদ্ম, ব্যাঙ, সাপ ইত্যাদি। এই ধাঁধাটির ব্যাখ্যা হল—

    জলের ওপরে পদ্ম

    পদ্মের ওপরে ব্যাঙ বসে আছে

    এমন সময় সাপ দেখে

    ব্যাঙ জলের মধ্যে লুকাল।

    রসিকতার নিবন্ধে এই ছড়াটি কেন এল তা বলার আগে তিমিঙ্গিলকে একবার স্মরণ করি।

    তিমিঙ্গিলের কথা শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছিলেন।

    মহাসমুদ্রে তিমি হল সবচেয়ে বড় প্রাণী। কিন্তু সেই তিমিকে গিলে খায় এমন প্রাণীও আছে । তার নাম হল তিমিঙ্গিল। তবু ব্যাপারটা এখানে শেষ নয়, এর পরেও আছে তিমিঙ্গিলগিল যে তিমিঙ্গিলকে গিলে খায়, তারপরে তিমিঙ্গিল গিলগিল রয়েছে এবং এইভাবে গিল, গিল, গিল । ..গিল, গিল একের পর এক রয়েছে, এর কোনও অন্ত নেই।

    রসিকতার কাহিনীও তাই, তার কোনও অন্ত নেই। গল্পের পর গল্প। এক গল্পের মধ্যে আরেক গল্প, আরেক গল্পের মধ্যে অন্য এক গল্প। বাঁধাকপির কিংবা পেঁয়াজের খোসা ছাড়ানোর মতো কিংবা ওই ‘হরির ওপরে হরি, হরি বসে তায়’ ধাঁধার মতো এক আখ্যান জড়িয়ে আরেক আখ্যান। তারই এ রকমের এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায়, একসময় থেকে অন্য সময়, এক শহর থেকে অন্য শহরে, এক আড্ডাধারীর জবানি থেকে অন্য এক আড্ডাধারীর রচনায়। পরতে পরতে রসকাহিনীর সাবলীল বিস্তার, অবাধ গতিবিধি, এক গল্পের পিঠে আরেক গল্প, তার পিঠে আরেক গল্প—কোথায় সে আখ্যানের আরম্ভ, কোথায় তার উৎস—কবে কোন রসিকতাটি কে প্রথম করেছিল তার অনুসন্ধান অসম্ভব।

    বিড়লা তারামণ্ডলে এক ভুবন বিখ্যাত সৌরবিজ্ঞানী পৃথিবীর জন্মরহস্য ও সৌরমণ্ডলে পৃথিবীর অবস্থান নিয়ে বক্তৃতা করছিলেন। মাধ্যাকর্ষণ এবং কক্ষপথে পৃথিবীর আবর্তন আহ্নিক গতি ও বার্ষিক গতি ইত্যাদি বিষয়ে প্রাঞ্জল ব্যাখ্যার পর ভদ্রলোক অবশেষে শ্রোতাদের কাছে জানতে চাইলেন তাঁদের কারও কোনও প্রশ্ন আছে কিনা।

    এক বৃদ্ধা ভদ্রমহিলা উঠে দাঁড়ালেন। ভদ্রলোক তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘আপনার কী প্রশ্ন?’

    বৃদ্ধা মহিলা বললেন, ‘আপনার কথা ঠিক নয়।’

    ভদ্রলোক বিস্মিত হলেন, প্রশ্ন করলেন, ‘কেন?’

    বৃদ্ধা জোর দিয়ে বললেন, ‘ওসব আহ্নিক গতি, বার্ষিক গতি, কক্ষপথ-টক্ষপথ সব বাজে কথা।’

    বিস্মিততর ভদ্রলোক পুনরায় প্রশ্ন করলেন, ‘কেন?’

    বৃদ্ধা বললেন, ‘আপনি জানেন না। পৃথিবীর কোনও কক্ষপথ নেই। একটা অতিকায় কচ্ছপের পিঠে অবস্থান করছে পৃথিবী। ঘাস-মাটি, সোনা-দানা, হিরে-কয়লা এইসবের একটা পুরু আস্তর সেই কচ্ছপের পিঠের ওপরে আর সেটাই হল আমাদের পৃথিবী।’

    বৃদ্ধার এই আনাড়ি জগতের মধ্যে একটা ফাঁক খুঁজে পেলেন বুদ্ধিমান সৌরবিজ্ঞানী। ফস করে প্রশ্ন করে বসলেন, ‘কিন্তু সেই কচ্ছপ এই মহাকাশে, অনন্ত শূন্যে কী করে দাঁড়িয়ে আছে।’

    বৃদ্ধা গম্ভীর হয়ে বললেন, ‘ঠিক ওইরকম অন্য একটা কচ্ছপের পিঠে।’

    সৌরবিজ্ঞানী অতঃপর হতাশ হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, (তিনি বুঝতে পেরেছিলেন কী উত্তর পাবেন তবু তাঁর বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধিৎসা তাঁকে প্রশ্ন করতে বাধ্য করল)। ‘ওই দ্বিতীয় কচ্ছপটা কী করে মহাশূন্যে ভাসবে?’

    বৃদ্ধা বললেন, ‘এখনও বুঝতে পারছেন না? ওই কচ্ছপটা ঠিক ওইরকম আরেকটা কচ্ছপের পিঠে বসে আছে।’

    মানে? কচ্ছপের পিঠে কচ্ছপ। দ্বিতীয় কচ্ছপ তৃতীয় কচ্ছপের পিঠে, ততীয় চতুর্থের এইভাবে অর্থাৎ ক্রমাগত কচ্ছপ।

    মানে সেই হরির ওপরে হরি। রসিকতার পিঠে রসিকতা, রসিকতার ওপরে রসিকতা অর্থাৎ সেই হরির ওপরে হরি।

    গোপনে পাঠক মহোদয়দের নিবেদন করছি, আমি জানি, আপনারা কেউ ভুলেও আমার লেখা কখনও পড়েননি। আমার ভাল হয়েছে না খারাপ হয়েছে সেই আমি জানি না, আপনি ইচ্ছে হলে আপনাদের জননী-জায়া বা কন্যকার কাছে জেনে নেবেন—

    তবে আপাতত এই রসিকতাগুলো আমি করছি শুধু জায়াদের জন্যে। কারণ এই আখ্যানগুলো জায়ামুখী।

    বেশি আড়ম্বর না করে এক-দুই-তিন করে সাজিয়ে দিচ্ছি।

    (১) রসময়বাবুকে তাঁর স্ত্রী রসময়ী দেবী খুব বিরক্ত করছিলেন। বিরক্ত করছিলেন বললে অবশ্য খুব কম বলা হবে, বলা উচিত যাচ্ছেতাই করছিলেন। নানাপ্রকার কটু মন্তব্য, গঞ্জনা, তিক্ত জ্বালাধরা বাক্যবাণ রসময়বাবুকে ক্ষতবিক্ষত, জর্জরিত করছিল।

    অবশেষে রসময়বাবু থাকতে না পেরে দাঁত কিড়মিড় করে স্ত্রীকে বললেন, ‘দ্যাখো এখনও সাবধান হও। তুমি খুঁচিয়ে আমার ভেতরের থেকে জানোয়ারটাকে বার করে এনো না।’

    রসময়ীদেবী ঝঙ্কার দিয়ে বললেন, ‘সে আমি থোড়াই কেয়ার করি। তোমার ওই জানোয়ার ধরার জন্যে আমি একটা ইঁদুরের কল কিনে রেখেছি।’

    (২) স্বামী-স্ত্রীর কলহে ও লড়াইয়ে কে জেতে?

    আপাতদৃষ্টিতে এক রাউন্ডে স্ত্রী আবার অন্য রাউন্ডে হয়তো স্বামী জিতেছে বলে মনে হতে পারে। আবার কখনও হয়তো স্বামী ভাবছেন তিনি জিতেছেন আবার ঠিক সেইসময়ে স্ত্রীও ভাবেন তিনি জিতেছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এই লড়াইয়ে কেউ জেতে না এবং কেউ হারেও না।

    এ বিষয়ে এক স্বামী তাঁর বন্ধুদের কাছে গর্ব করেছিলেন যে তাঁর সঙ্গে ঝগড়া করতে গেলে তাঁর স্ত্রীকে হামাগুড়ি দিতে হয়।

    সবাই অবাক। স্ত্রী বেচারির কেন হামাগুড়ি দিতে হয়?

    স্বামী বললেন, ‘ঝগড়া আরম্ভ হওয়া মাত্র আমি খাটের নীচে লুকোই। আমার বউকে তখন ঝগড়া করতে গেলে হামাগুড়ি দিতেই হবে। উবু হয়ে বসে চেঁচাতে হবে।

    (৩) একবার এক জনপ্রিয় প্রসাধন নির্মাতা তাঁর প্রচার-সচিবকে বললেন, ‘দ্যাখো, গৃহিনীরাই সংসার চালায়। আমি তাদের কাছে আমার পণ্যের সংবাদ সরাসরি পৌঁছে দিতে চাই। টিভিতে সিনেমায় বিবিধ ভারতীতে, খবরের কাগজে, পত্রিকায় অনেক তো বিজ্ঞাপন দিলাম। মা লক্ষ্মীদের কাছে এবার থেকে চিঠি মারফত যোগাযোগ করতে চাই।’

    প্রাচীন ও বিচক্ষণ প্রচার-সচিব বললেন, ‘আজ্ঞে।’

    প্রসাধন নির্মাতা বললেন, ‘আজ্ঞে-টাজ্ঞে নয়, আজ্ঞে ঢের হয়েছে। এবার বলো মা লক্ষ্মীদের নাম ঠিকানা জোগাড় করবে কী উপায়ে আর তারপর চিঠি পাঠালেও সে চিঠি তারা পড়বে তার কি নিশ্চয়তা আছে?’

    প্রচার সচিব সারাজীবন ধরে অনেক দেখেছেন, অনেক শুনেছেন, অনেক ঘাটের জল খেয়েছেন। দীর্ঘ অভিজ্ঞতা তাঁর। তিনি বহুরকম চিন্তা করে তারপর মালিককে বললেন, ‘দেখুন স্যার । টেলিফোন ডিরেকটরি থেকে কর্তাদের নাম ঠিকানা ধরে চিঠি দিলেই চলবে।’

    ‘তা হলেই হয়েছে।’ খেঁচিয়ে উঠলেন মালিক। ‘কর্তারা সে চিঠি পড়তে যাবেন কেন? গিন্নিদের কাছে সে চিঠি পৌঁছাবেই না। কর্তারা পাওয়ামাত্র সে চিঠি বাজে জঞ্জাল ভেবে ছিঁড়ে টুকরো টুকরো করে ওয়েস্ট পেপার বাস্কেটে ফেলে দেবে।’

    প্রচার-সচিব বললেন, ‘চিঠি তো ডাকবাক্সে যায় দুপুরবেলায়। কর্তারা তখন অফিসে। বাড়ির ডাকের চিঠি গিন্নিদের হাতেই প্রথম পৌঁছয়।’

    মালিক বলেন, ‘তা না হয় পৌঁছাল কিন্তু কর্তার নামে চিঠি গিন্নিরা পড়বে কেন?’

    এতক্ষণে প্রচার-সচিব মৃদু হাসলেন এবং বললেন, ‘আলবাত পড়বে স্যার। শুধু একটা কায়দা করতে হবে।’

    বিস্মিত মালিক জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কী কায়দা?’

    প্রচারসচিব বললেন, ‘খুব সোজা আর পুরনো কায়দা স্যার, চিঠিগুলো নীলরংয়ের খামে সেন্ট মাখিয়ে পাঠাতে হবে। ঠিকানা লেখা হবে মেয়েলি হরফে আর খামের ওপরে লেখা থাকবে ‘একান্ত ব্যক্তিগত’। একটু মুচকি হেসে প্রচার-সচিব যোগ করলেন, ‘আপনিই বলুন স্যার, এ চিঠির খাম খুলে না পড়ে মা লক্ষ্মীরা থাকতে পারবেন?’

    জায়াজড়িত এই গল্পক্রয় শুধু পাঠিকারাই পড়লেন? কিন্তু এমন কোনও পাঠক যদি কেউ পাঠ করে থাকেন এই মেয়ে হাসানো কথিকা তাঁর দয়া ও শ্রমের জন্যে আমি তাঁকে একটি পুরস্কার দিতে চাই।

    পুরস্কার আর কিছুই নয় একটি উপদেশ—

    ‘যদি আপনার গৃহিনীর কখনও কোনও কারণে ঠান্ডা লেগে বা সর্দিতে গলা বসে যায়, মহিলা যদি কথা বলতে না পারেন, দয়া করে ডাক্তার দেখাতে যাবেন না, এই দুর্মূল্যের বাজারে ডাক্তার দেখিয়ে পয়সা খরচ করে লাভ নেই। বরং সেদিন খুব আড্ডা-টাড্ডা দিয়ে, তাস-টাস খেলে পারলে কিঞ্চিৎ মদ্যপান করে একটু বেশি রাতে বাড়ি ফিরবেন। দেখবেন আপনার গৃহিনীর কণ্ঠস্বর কেমন সতেজ ফিরে এসেছে।

    (চার) উৎস সন্ধানে

    Here is to the joke, one good old joke

    The joke that our fathers told…

    When Adam was young it was on his tongue

    And Woah got in the swim…

    We will hear it again to night.

    তিমিঙ্গিলি অধ্যায়কে সরস করতে গিয়ে কিঞ্চিৎ অপ্রাসঙ্গিক গল্প বলা হয়ে গেল। শুধু বলা হল এই কারণে যে এইসব গল্পের কোনও দেশ কাল জাতিধর্ম নেই। তবে কোনও হাসির গল্পই বোধহয় শেষ পর্যন্ত অপ্রাসঙ্গিক নয়।

    সেই গল্পটি মনে আছে?

    দোতলায় শোয়ার ঘরে দুই বোন খেলা করছে। হঠাৎ খেলা থামিয়ে বড় বোন ছোট বোনকে বলল, ‘দ্যাখ, আমার মনে হচ্ছে, নীচের বসবার ঘরে বাইরের কোনও লোক বেড়াতে এসেছেন।’

    জীবন অনভিজ্ঞ ছোট বোন প্রশ্ন করল, ‘কী করে বুঝতে পারলি দিদি?’

    ‘শুনতে পাচ্ছিস না?’ দিদি প্রশ্ন করল।

    ‘কী শুনতে পাচ্ছি?’ বোন বলল।

    এবার দিদি বোঝাল, ‘কেন শুনতে পাচ্ছিস না বাবা মজার গল্প বলছে আর মা হাসছে। বাবার গল্প শুনে মা কখনও হাসে? বাইরের লোক রয়েছে বলেই না।’

    বিগত তিমিঙ্গিল পর্বে স্বামী-ঘটিত যে কয়টি সরস কথিকার উল্লেখ করেছি সেগুলির একটিও যে আমার মৌলিক রচনা নয় সেটা নিশ্চয় সবাই ধরতে পেরেছেন।

    কিন্তু তার জন্যে আমার কিছু আসে যায় না। আমি মোটেই লজ্জিত বা সংকুচিত নই একথা স্বীকার করতে যে আমার লেখার অন্তত চার আনা অংশ কখনওই আমার নয়।

    তবে এগুলো কার লেখা বা কার বলা কিংবা মোটামটি বলা যায় কার রচনা সেটা আমি জানি না, কেউ জানে না।

    এসব গল্প স্থান-কালের সীমানা মানে না। দেশে দেশে কালে কালে ঘুরে বেড়ায় এই সরস গল্পগুলো। লোকমুখে, আড্ডায়-আড্ডায়, চায়ের দোকানে, সরাবখানায়, বার লাইব্রেরিতে, টিচারস রুমে, খবরের কাগজের ডেস্কে এমনকী পাড়ার রকে, কলেজের লাস্ট বেঞ্চে এই গল্প একেকজন একেকভাবে বলে। মুখে মুখে একটু রদবদল হয়, গল্পের নায়িকা গাউনের বদলে শাড়ি পরে আসে। দজ্জাল গৃহিনী হতভাগ্য স্বামীর কখনও টাই ধরে, কখনও টিকি ধরে, কখনও দাড়ি ধরে আবার অশ্লীল রঙ্গকথায় অন্য কোনও অকথ্য জিনিস ধরে টানে।

    কিন্তু অন্তর্নিহিত গল্পটা একই।

    একবার ভারতীয় এক আদালতে এক ডাকসাইটে উকিল সওয়াল করছিলেন। জটিল ও সুদীর্ঘ সেই সওয়াল, তিনি বড় বড়, মোটা মোটা আইনের বই খুলে একটার পর একটা নজির নিজের স্বার্থে দেখাচ্ছিলেন।

    এই নজিরগুলির অধিকাংশই বিলেতের প্রিভি কাউন্সিলের। অবশেষে মাননীয় আদালত বিরক্ত হয়ে বললেন, ‘উকিলবাবু, আপনি ভুলে যাচ্ছেন এ দেশটা বিলেত নয়, ভারত। বিলিতি নজর দেখিয়ে এখানে সুরাহা হবে না।’

    উকিলবাবু বিনীতভাবে বললেন, (কেই বা আদালতকে চটাতে চায়), ‘কিন্তু, ইয়োর অনার, আইনের মূল কথা, অন্তর্নিহিত বক্তব্য শেষ পর্যন্ত তো একই।’

    বিচারক মহোদয় অধৈর্য হয়ে বললেন, ‘তা হলে আপনি বলতে চান, প্যান্ট আর ধুতি এক জিনিস!’

    উকিলবাবু একটু থমকে গিয়ে তারপর খুব সাবধানে জবাব দিলেন, ‘ইয়োর অনার, ধুতি আর প্যান্ট হয়তো এক জিনিস নয়, কিন্তু, কিন্তু ইয়োর অনার, যদি দোষ না ধরেন বলি…’

    ইয়োর অনার গর্জে উঠলেন, ‘কী দোষ ধরব? কী বলতে চান আপনি?’

    উকিলবাবু শান্তকণ্ঠে বললেন, ‘আজ্ঞে যা বলতে চাই, মোদ্দা কথাটা হল ধুতি আর প্যান্ট হয়তো, হয়তো কেন নিশ্চয় এক না, কিন্তু ইয়োর অনার, আমরা সবাই তো জানি যে ধুতি আর প্যান্টের অন্তর্নিহিত ব্যাপারটা এক, একেবারে এক।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121 122 123 124 125 126 127 128 129 130 131 132 133 134 135 136 137 138 139 140 141 142 143 144 145 146 147 148 149 150 151 152 153 154 155 156 157 158 159 160 161 162 163 164 165 166 167 168 169 170 171 172 173 174 175 176 177 178 179 180 181 182 183 184 185 186 187 188 189 190 191 192 193 194 195 196 197 198 199 200 201 202 203 204 205 206 207 208 209 210 211 212 213 214 215 216 217 218 219 220 221 222 223 224 225 226 227 228 229 230 231 232 233 234 235 236 237 238 239 240 241 242 243 244 245 246 247 248 249 250 251 252 253 254 255 256 257 258 259 260 261 262 263 264 265 266 267 268 269 270 271 272 273 274 275 276 277 278 279 280 281 282 283 284 285 286 287 288 289 290 291 292 293 294 295 296 297 298 299 300 301 302 303 304 305 306 307 308 309 310 311 312 313 314 315 316 317 318 319 320 321 322 323 324 325 326 327 328 329 330 331 332 333 334 335 336 337 338 339 340 341 342 343 344 345 346 347 348 349 350 351 352 353 354 355 356 357 358 359 360 361 362 363 364 365 366 367 368 369 370 371 372 373 374 375 376 377 378 379 380 381 382 383 384 385 386 387 388 389 390 391 392 393 394 395 396 397 398 399 400 401 402 403 404 405 406 407 408 409 410 411 412 413 414 415 416 417 418 419 420 421 422 423 424 425 426
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅলাতচক্র – তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article খাজুরাহ সুন্দরী

    Related Articles

    তারাপদ রায়

    সরস গল্প সমগ্র – তারাপদ রায়

    August 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }