Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রহস্য-রোমাঞ্চ সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমার রায় এক পাতা গল্প1530 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রক্তপাঞ্জা

    অদ্ভুত একটা ফোন পেলেন ইনস্পেকটর সুন্দরবাবু।

    ভোরে ঘুম থেকে উঠে সবে প্রাতরাশ শেষ করেছেন, এমন সময় টেলিফোন বেজে উঠল ঝনঝন শব্দে–

    –হ্যালো? কে?

    আমি লালবাজার থেকে কথা বলছি, ডেপুটি কমিশনার ডি. ডি. নর্থ সেকশন।

    –ও, আপনি স্যার! হঠাৎ এত ভোরে কী আবার হল?

    –বাগবাজারে মল্লিক স্ট্রিটের তেরো নম্বর বাড়িতে নাকি এক ভদ্রলোককে ছোরা মেরে খুন করা হয়েছে আর বিষয়টির তদন্ত ভার আমরা দিতে চাই আপনার উপর। আশা করি কৃতকার্য হবেন এক্ষেত্রে। উইস ইউ গুড লাক–

    সুন্দরবাবু হেসে বললেন–ধন্যবাদ স্যার।

    তাড়াতাড়ি পোশাক পরে তিনি যখন তদন্তে বেরিয়ে গেলেন তখন সাড়ে আটটা।

    পরদিন বেলা নটা।

    বিখ্যাত ডিটেকটিভ জয়ন্ত তার প্রাত্যহিক খবরের কাগজ পড়া শেষ করে মুখ তুলল। একটু আগে চা এবং খাবার খেয়ে শরীরটাও বেশ একটু চাঙ্গা। এখন হাতে কোনও কাজ নেই, চুপচাপ বসে থাকতে তার কোনওদিনই ভালো লাগে না।

    ঘরে সশব্দে প্রবেশ করলেন ইনস্পেকটর সুন্দরবাবু। ঘরে পা দিয়েই হন্তদন্ত হয়ে বলতে শুরু করলেন–আরে জয়ন্ত, তুমি এখনও চুপচাপ বসে!

    জয়ন্ত হেসে বলল–তাছাড়া আর উপায় কী বলুন? কাজ নেই, আপনারাও নিশ্চিন্ত হয়ে ঘুমুচ্ছেন। আমি আর কী করব বলুন। চুপ করে বসে থাকতে কি আর ভালো লাগে! কিছু কাজকর্ম না থাকলে বনের মোষ তাড়িয়ে তো আর বেড়াতে পারি না!

    সুন্দরবাবু ব্যস্ত হয়ে বললেন কী বলছ কাজ নেই! জানো পরশু রাতে বাগবাজারের তেরো নম্বর মল্লিক স্ট্রিটে একজন লোক রহস্যজনকভাবে খুন হয়েছেন। পেছন থেকে ছোরা মেরে তাকে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু ঘরের মধ্যে এমন কোনও চিহ্নই পাওয়া যায়নি যাতে কাউকে সন্দেহ করা যায় অথবা কোনও সূত্র মিলতে পারে।

    জয়ন্ত হেসে বলল–তার মানে সংক্ষেপে এই বোঝায় যে, আপনারা একেবারে হাল ছেড়ে দিয়ে বসে আছেন।

    সুন্দরবাবু বললেন–তা ছাড়া উপায়ই বা কী এ ক্ষেত্রে? অথচ ডেপুটি কমিশনার আমার উপরই ভরসা করে এ-কেসটির ভার অর্পণ করেছেন। কিন্তু আমি তো প্রায় বোকা বনে গেছি!

    জয়ন্ত হেসে বললে–ও, বোকা বনে গেছেন বলেই শেষ পর্যন্ত ভাঙা কুলো অর্থাৎ আমার কাছে ছুটে এসেছেন?

    সুন্দরবাবু ঠাট্টাটা গায়ে মেখে বললেন–বেশ, তাই না হয় স্বীকার করছি। একথা বলতে আমার লজ্জা নাই যে, এসব ক্ষেত্রে তোমার মাথা আমাদের চেয়ে অনেকটা পরিষ্কার।

    জয়ন্ত বললে– বেশ, আমার উপরেই যখন ভার দিচ্ছেন তখন কয়েকটা প্রশ্ন করছি, উত্তর দিন দেখি।

    সুন্দরবাবু বললেন–বেশ, বলো।

    জয়ন্ত প্রশ্ন করলে–প্রথম কথা, পেছন থেকে যখন ছোরা মারা হয়েছে বলছেন, তখন এটা নিশ্চয়ই খুনের কেস? কিন্তু এ ছাড়া আর কি কোনও সুত্রই আশেপাশে দেখেননি?

    সুন্দরবাবু বললেন, একটা কথা ভুলে গিয়েছিলাম। একটা চিহ্ন পাওয়া গেছে। সেটা আর কিছুই নয়, দালানের গায়ে একটা রক্তাক্ত পাঞ্জার ছাপ। পুরোনো পাপীদের হাতের যে ছাপ লালবাজারে আছে তার সাথে মিলিয়ে দেখা গেছে যে এ কোনও পুরোনো পাপীই নয়। এটাই এই খুনির প্রথম খুন, এবং দালানের গায়ে হাতের ছাপ দিয়েই সে তার বিজয়-বার্তা ঘোষণা করে গেছে।

    জয়ন্ত একটু চিন্তা করে বললে–আমার মনে হয় কেউ হয়তো লোকটির ওপরে পুরোনো কোনও প্রতিহিংসা পোষণ করত! তাই এভাবে হত্যা করে দালানের গায়ে রক্তাক্ত হাতের ছাপ রেখে সে যে সেটাই চরিতার্থ করল তা প্রমাণ করতে চায়।

    তারপর একটু থেমে বলল–কোনও হাতের ছাপ পেয়েছেন দালানের গায়ে?

    সুন্দরবাবু বললেন–বাঁ-হাতের।

    জয়ন্ত প্রশ্ন করল–আচ্ছা, পেছন থেকে ছোরা মারা হয়েছে কোনদিকে? নিহত লোকটির পিঠের বাঁ-পাশে না ডান পাশে?

    সুন্দরবাবু একটু চিন্তা করে বললেন–ছোরা মারা হয়েছে লোকটির বাঁ-পাঁজরে।

    জয়ন্ত বলল, লোকটি বাঁ-হাতের সাহায্যেই ছোরা মেরেছে দেখছি, সুতরাং বোঝা যাচ্ছে যে, খুনি বাঁ-হাত ব্যবহার করে বেশি। অর্থাৎ খুনি লেফট হ্যানডেড…

    তারপর একটু থেমে প্রশ্ন করল–আচ্ছা, ছোরার আঘাত ছাড়া আর কোনও আঘাত দেখতে পেয়েছেন কি?

    সুন্দরবাবু বললেন–না, একটি ছোরার আঘাতেই মৃত্যু হয়েছে।

    জয়ন্ত প্রশ্ন করল–আচ্ছা, নিহত লোকটির শরীর কি বেশ হৃষ্টপুষ্ট?

    সুন্দরবাবু বললেন হ্যাঁ নিহত লোকটির দেহে যে যথেষ্ট শক্তি ছিল তা তাকে দেখলেই বুঝতে পারা যায়।

    জয়ন্ত বললে–বেশ, তাহলে এটা স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে যে, এমন একজন শক্তিশালী লোককে যে একটি মাত্র ছোরার আঘাতেই খুন করতে পারে তার নিজের দেহেও শক্তি কম নেই। অর্থাৎ সংক্ষেপে খুনি যথেষ্ট শক্তিশালী। কী বলেন?

    সুন্দরবাবু বললেন হ্যাঁ, তা বটে!

    জয়ন্ত প্রশ্ন করল–আচ্ছা, মেঝে থেকে রক্তমাখা হাতের ছাপ কতটা ওপরে তা কি বলতে পারেন?

    সুন্দরবাবু বললেন না, তা মেপে দেখিনি। কিন্তু ছাপের উচ্চতার কী প্রয়োজন?

    জয়ন্ত বলল–দেখুন, কোনও লোক খুন করে ছাপ মেরে যখন পলায়ন করে তখন ঠিক হাতের সামনেই তাড়াতাড়ি ছাপ মারে। ইচ্ছা করে অনেক উঁচুতে কিংবা অনেক নীচুতে মারবার মতো অবকাশ তার থাকে না।

    সুন্দরবাবু বললেন, হ্যাঁ, তা বটে।

    জয়ন্ত বলল–তার থেকে অনুমান করা যায় খুনির দেহের দৈর্ঘ্য। অবশ্য পাঞ্জার ছাপটা যে কয় ইঞ্চি লম্বা তাও জানা প্রয়োজন।

    সুন্দরবাবু বললেন–আচ্ছা, ফোনে তোমায় আমি জানাব।

    সেদিন সন্ধ্যার কিছু আগে জয়ন্ত সুন্দরবাবুর কাছ থেকে ফোনে জানতে পারল যে, মেঝে থেকে ছয় ফিট কয়েক ইঞ্চি ওপরে খুনির হাতের ছাপ পাওয়া গেছে এবং ছাপটির দৈর্ঘ্য প্রায় আট ইঞ্চি।

    জয়ন্ত হাসতে-হাসতে আপনমনেই বিড়বিড় করে বলল, দেখছি খুনির দৈর্ঘ্য প্রায় ছফুটের কাছাকাছি হবে।

    আপনমনেই সে গভীর চিন্তার মাঝে তলিয়ে যায়।

    .

    তিনদিন পর।

    খুব ভোরে জয়ন্তের ঘুম ভাঙল দরজায় কড়া নাড়ার শব্দে। তাড়াতাড়ি ধড়মড় করে উঠে গিয়ে সে দরজা খুলে দিল। দেখা গেল ইনস্পেকটর সুন্দরবাবুকে।

    আশ্চর্য হয়ে সে প্রশ্ন করল–এত ভোরে যে আপনার আগমন সুন্দরবাবু! রাতে ভালো ঘুম হয়নি বলে মনে হচ্ছে।

    সুন্দরবাবু দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল–আর বলো কেন ভায়া? এক মুহূর্তও কি আর শান্তিতে থাকবার যো আছে। কাল বরানগরে আলমবাজারের কাছে আর একজন লোককে ছোরা মেরে। খুন করা হয়েছে এবং এক্ষেত্রেও দালানের গায়ে পাওয়া গেছে রক্তমাখা হাতের ছাপ।

    জয়ন্ত প্রশ্ন করল–এবারে মেঝে থেকে কত ফুট ওপরে ছাপ পেয়েছেন, এবং ছাপটি কত ইঞ্চি লম্বা?

    সুন্দরবাবু বিজ্ঞের ভঙ্গিতে মাথা নেড়ে বলল, সেইজন্যেই তো আমি এসেছি ভায়া। এবারে সমস্ত মাপ-জোপ করে তৈরি হয়েই এসেছি। এবারেও ঠিক বাঁ-হাতে ছোরা মেরে খুন এবং এবারেও মেঝে থেকে প্রায় ছফিট ওপরে আট ইঞ্চি লম্বা অবিকল পূর্বের মতো হাতের ছাপ। তাই তো ভায়া তোমায় আমার এত সুনজরে পড়ে গেছে। এখন উপায় একটা করো দেখি।

    জয়ন্ত হেসে বলল–না, আর চুপ করে বসে থাকলে আরও দু-একজনের ওপরে লোকটি প্রতিহিংসা নিতে পারে! সুতরাং কালই সন্ধ্যায় আমি খুনিকে গ্রেপ্তার করব সুন্দরবাবু। কিন্তু আপনার সাহায্যের যে আমার একান্ত প্রয়োজন।

    সুন্দরবাবু বললেন কি সাহায্য?

    জয়ন্ত বলল–আচ্ছা, নিহত প্রথম ও দ্বিতীয় ব্যক্তির মধ্যে কোনও আত্মীয়তা কিংবা অন্য কোনও সম্পর্ক ছিল কি?

    সুন্দরবাবু বললেন–মোটেই নয়। বিষয়-সম্পত্তির লোভে যে খুনি এ কাজ করেনি, তা নিশ্চিন্ত। কারণ দুজনের মধ্যে কোনও সম্পর্কই ছিল না। সুতরাং দুজনকেই হত্যা করবে এমন আত্মীয় আসবে কোথা হতে! তা ছাড়া ওঁরা দুজনেই যদিও নেহাত গরিব নন তবুও এমন প্রচুর অর্থ ওদের ছিল না যার জন্যে কোনও আত্মীয়ের এত বড় লোভ হতে পারে!

    জয়ন্ত বলল–বেশ, প্রথম ব্যক্তির কোনও নিকট আত্মীয় আছেন কি?

    সুন্দরবাবু বললেন–হ্যাঁ, তার ভাইপো মণিবাবু আছেন।

    জয়ন্ত বলল–ওতেই চলবে। এখন একটা কাজ করুন দেখি। প্রথম যে ব্যক্তি খুন হয়েছে তার অতি পরিচিত, অল্প পরিচিত, এমনকী সামান্যতম পরিচিত এ-রকম যতগুলি লোক আছে তাদের সকলের নাম জেনে নিয়ে একটা তালিকা প্রস্তুত করুন। আর দ্বিতীয় যে ব্যক্তিকে খুন করা হয়েছে তারও ঠিক এমনি একটা তালিকা প্রস্তুত করুন। তারপর দেখুন, এই দুই নিহত ব্যক্তিকেই চেনে, অর্থাৎ দুজনেরই পরিচিত এরূপ কজন ব্যক্তি আছে এবং তাদের মধ্যে কে কে লম্বা ও শক্তিশালী–তাদের নামের লিস্টটা আমায় দিন।

    সুন্দরবাবু বললে–খাসা বুদ্ধি বটে তোমায় জয়ন্ত। তুমি কি ঘটনাস্থলে না গিয়ে শুধু ঘরে বসেই সব কাজ সারতে চাও?

    জয়ন্ত হেসে বলল হ্যাঁ। ঘরে বসেই আমি খুনিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হব সুন্দরবাবু। যা আপনারা খুনের ব্যাপারে তদন্ত করেও পারেননি।

    .

    সন্ধ্যাবেলা জয়ন্তের ঘরে আবার সুন্দরবাবুকে দেখা গেল। হাতে তাঁর বিরাট দুটি নামের তালিকা। জয়ন্তকে দেখে হেসে বললেন–দেখো জয়ন্ত, প্রথম এবং দ্বিতীয় নিহত ব্যক্তির আত্মীয়, পরিচিত এমনকী একবারও যে তাঁদের সাথে আলাপ করেছে তাদের আমি একটি তালিকা প্রস্তুত করেছি। কিন্তু দুজনকেই চেনে এমন লোক মাত্র এই পাঁচজন। তার মধ্যে আবার ছফুট লম্বা শক্তিশালী ব্যক্তি এই তিনজন। এদের নাম আমি লাল কালি দিয়ে দাগ দিয়ে রেখেছি।

    জয়ন্ত প্রশ্ন করল–অপর দুজন?

    সুন্দরবাবু হেসে বললেন–ওরা নেহাত বেঁটে আর রোগা। সুতরাং ওদের দ্বারা যে। এ হত্যা সম্ভব হয়নি তা নিশ্চিত সত্য।

    জয়ন্ত বলল–ঠিক। এখন এই তিনজনের নাম ও পরিচয় আমি জানতে চাই।

    সুন্দরবাবু বললেন–মোটামুটি যা জানা আছে দেখ। প্রথমজন, একজন রেসের বুকি। নাম তার অমর সিং। দ্বিতীয়জন, চক্রধরপুরের জমিদার রামতারণ বোস আর তৃতীয় ব্যক্তি একজন শাস্ত্রপণ্ডিত জ্যোতিষী, যিনি ওদের দুজনকেই শক্তিমন্ত্রে দীক্ষিত করেছিলেন। তাঁর নাম রামদেও শর্মা! লোকটির আসল বাড়ি বিহার, তবে বাংলায় বেশ কথা বলতে পারে।

    জয়ন্ত জিজ্ঞাসা করল, ওঁরা দুজনেই কি ছিলেন শক্তিমন্ত্রের উপাসক?

    সুন্দরবাবু শুধু বললেন হুঁ।

    জয়ন্ত বলল–এবার তাহলে খুনিকে ধরবার ব্যবস্থা করি, কী বলেন?

    সুন্দরবাবু জিজ্ঞাসা করলেন কিন্তু তুমি কী করে জানবে যে আসল খুনি কে?

    জয়ন্ত হেসে বলল–দেখুন, আসল খুনি ধরা পড়ে দোষ পর্যন্ত স্বীকার করতে বাধ্য হবে…

    .

    জয়ন্তের বাড়িতে বসেছে একটা চায়ের বৈঠক। উপস্থিত আছেন জয়ন্ত, মানিক, সুন্দরবাবু, দুজন ছদ্মবেশী পুলিশ-ইনস্পেকটর আর ওরা তিনজন–অমর সিং, চক্রধরপুরের জমিদার রামতারণ বোস এবং জ্যোতিষী রামদেও শর্মা।

    চায়ের বৈঠকে সাধারণ নানা আলোচনা চলছিল। হঠাৎ সুন্দরবাবু বলে উঠলেন– অমরবাবু, জয়ন্তবাবু পাশের ঘরে আপনার সাথে কয়েকটা কথা বলতে চান। আপনার অসুবিধা হবে না তো?

    অমরবাবু হেসে বললেন–না না, অসুবিধা আর কী?

    জয়ন্ত অমরবাবুর সাথে পাশের আধো-অন্ধকার ঘরটিতে প্রবেশ করল।

    অমরবাবু ঘরের মধ্যে পা দিয়েই চমকে উঠলেন। আধো-অন্ধকার ঘরের এক কোণে ঠিক যেন নিহত ব্যক্তি দুজন দাঁড়িয়ে আছে বাঁ-পাঁজরে ছোরা বেঁধানো, রক্তে দেহ ভেসে যাচ্ছে, মুখে আতঙ্কের চিহ্ন…

    জয়ন্তের দিকে চেয়ে অমরবাবু প্রশ্ন করলেন–এটা কী জয়ন্তবাবু?

    জয়ন্ত হেসে বলল, ও কিছু না, শুধু আমার একটা খেয়াল মাত্র।

    তার মানে?

    –মনে করছি এবার থেকে নিহত ব্যক্তিদের একটা করে মোমের পুতুল তৈরি করে আমার এই ঘরটায় সাজাব একে-একে।

    অমরবাবু হেসে বললেন, আচ্ছা অদ্ভুত খেয়াল তো মশাই আপনার!

    জয়ন্ত হেসে বলল–হ্যাঁ। ডিটেকটিভদের মাঝে-মাঝে এরকম অদ্ভুত খেয়াল হয়ে থাকে বটে। তবে এরও নিশ্চয় কোনও অর্থ আছে!

    দু-একটা কথাবার্তার পর জয়ন্ত তাকে বিদায় দিয়ে ডেকে পাঠালে জ্যোতিষী রামদেও শর্মাকে। রামদেও নিশ্চিন্ত মনে ঘরে প্রবেশ করছিল। হঠাৎ একসময় নিজের অজ্ঞাতেই তার চোখ দুটো গিয়ে ঠিকরে পড়লে ঘরে এককোণে রক্ষিত মূর্তিদুটির ওপরে। তার যেন মনে হল নিহত ব্যক্তি দুজনেই দাঁড়িয়ে আছে তার সামনে। কে যেন মুহূর্তে শুষে নিল তার মুখের সব রক্তটুকু। একটা অস্ফুট শব্দ করেই সে অজ্ঞান হয়ে পড়ল।

    সবাই ছুটে এল। চারিদিকে বেধে গেল হইহুল্লোড়।

    সুন্দরবাবুও ঘরের ভেতরে প্রবেশ করলেন। তার দিকে চেয়ে জয়ন্ত বললে–এই নিন সুন্দরবাবু আপনার খুনি। একে এক্ষুনি গ্রেপ্তার করুন।

    .

    জ্ঞান ফিরে পাবার পর জয়ন্ত তার দিকে চেয়ে হেসে প্রশ্ন করল–আপনার অপরাধ আমরা জানতে পেরেছি, সুতরাং এবারে দোষ স্বীকার করুন, তাহলে শাস্তির পরিমাণ কম হতে পারে।

    জ্যোতিষী রামদেও শর্মা দোষ স্বীকার করল।

    জয়ন্তের প্রশ্নের উত্তরে তিনি সংক্ষেপে জানালেন তার হত্যার কারণ।

    .

    রামদেও শর্মা যে কাহিনি বলল তা অতি রহস্যজনক। রামদেও আসলে খুব বড় জ্যোতিষী ছিল না। জ্যোতিষী সেজে কেবল লোকের মনের খবর বের করে নিত। তারপর অন্য একজন লোকের নাম দিয়ে চিঠি লিখে জানাত তাকে প্রচুর টাকা না দিলে সে সব রহস্য ফাঁস করে দেবে। আসলে সে ছিল একজন ব্ল্যাকমেলার। পুলিশ কিন্তু তার ওপরে কোনওদিন সন্দেহই করেনি।

    নিহত ব্যক্তি দুজন এবং আরও চার-পাঁচজন লোককে সে ব্ল্যাকমেল করেছে। কিন্তু তাদের মধ্যে অনেকেই পরে টাকা দিতে অস্বীকার করে। নিহত ব্যক্তি দুজনও তাদের মধ্যে অন্যতম। যদিও ওরা দুজনেই তাকে ভক্তি করত এবং তার কাছেই শক্তিমন্ত্রে দীক্ষা নিয়েছিল, কিন্তু পরে তারা বেঁকে বসে, যখন তার আসল রূপ ওদের কাছে প্রকাশ হয়ে পড়ে।

    ওদের মতো আরও অনেকে রামদেও শর্মার কবল থেকে পালিয়ে আত্মরক্ষা করে এবং চক্রধরপুরের জমিদার রামরতন বোসও তাদের মধ্যে অন্যতম।

    কোনও উপায় না পেয়ে রামদেও শর্মা অত্যন্ত ক্রুদ্ধ হয়ে ওঠে এবং তার মক্কেলদের ভয় দেখাবার জন্যেই পরপর দুটি খুন করে এবং ঘরে রক্ত-পাঞ্জার ছাপ এঁকে রেখে যায়।

    পরিশেষে রামদেও শর্মা স্বীকার করল যে, সত্যি জয়ন্তবাবুর মতো সুযোগ্য গোয়েন্দা এ ব্যাপারে হাত না দিলে কেউ তাকে সন্দেহও করতে পারত না।

    ইনস্পেকটর সুন্দরবাবু সবার শেষে বললেন সত্যি জয়ন্ত, অদ্ভুত তোমার ক্ষমতা। ঘরে বসেই তুমি খুনিকে আবিষ্কার করলে! জয়ন্ত হেসে বললে–সে তো আপনাদেরই সাহায্যে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরবিন হুড – হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Next Article হেমেন্দ্রকুমারের গল্প – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    Related Articles

    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    মানুষের গড়া দৈত্য – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমারের গল্প – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রবিন হুড – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    জয়তু জয়ন্ত – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    ঐতিহাসিক সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    কিশোর রহস্য উপন্যাস – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }