Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রহস্য-রোমাঞ্চ সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমার রায় এক পাতা গল্প1530 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    টেলিফোনে গোয়েন্দাগিরি

    ক

    যে গল্পটি বলতে বসেছি তা গল্প বটে, কিন্তু একেবারে সত্য ঘটনা। কবি শেকসপিয়র বলেছেন, সত্য হচ্ছে, উপন্যাসের চেয়ে আশ্চর্য। অন্তত এ-ঘটনাটি সত্য হলেও এমন আশ্চর্য যে, বিখ্যাত বিলাতি লেখক কন্যান ডইল সাহেব একে অবলম্বন করেই শার্লক হোমসের একটি গল্প লিখে ফেলেছেন। আমি কিন্তু শার্লক হোমসের গল্প তোমাদের শোনাব না, আমি যা বলব তা হচ্ছে, অস্ট্রিয়া দেশের সত্যিকার পুলিশের কাহিনি, এর প্রত্যেকটি কথা পুলিশের নিজস্ব দপ্তরে লেখা আছে।

    অস্ট্রিয়ার পুলিশ, চোর-ডাকাত-হত্যাকারী ধরবার জন্যে অনেক সময়ে এক নতুন উপায় অবলম্বন করে। ঘটনাস্থলে যে সব জিনিস পাওয়া যায়, পুলিশ সেগুলো দেয় রাসায়নিক পণ্ডিতদের হাতে। তাদের পরীক্ষার ফলে অপরাধীরা প্রায়ই বিচিত্র উপায়ে ধরা পড়ে। সে পরীক্ষার পদ্ধতি কীরকম, নীচের ঘটনা থেকে কতকটা আন্দাজ করা যেতে পারে।

    কিন্তু বর্তমান ক্ষেত্রে আর-একটা উল্লেখযোগ্য ব্যাপার হচ্ছে, রসায়নশাস্ত্রের দুজন অধ্যাপক ঘটনাস্থল থেকে তিনশো ষাট মাইল দূরে অবস্থান করেও এবং ঘটনাস্থলে প্রাপ্ত কোন জিনিস চোখে না দেখেও আসল অপরাধী ধরে ফেলে পুলিশের চক্ষুস্থির করে দিয়েছিলেন! অপরাধের ইতিহাসে, এমনকী, কাল্পনিক গোয়েন্দা কাহিনিতেও এরকম ঘটনার কথা কেউ কখনও শোনেনি।

    ভিয়েনা হচ্ছে অস্ট্রিয়ার রাজধানী। ভিয়েনা শহরের পা ধুয়ে বয়ে যায় ডানিউব নদী। তার উপরে আছে কয়েকটি সাঁকো। একদিন খুব ভোরবেলায় সাঁকোর পিল্লাদার-রেলিংয়ের তলায় পাওয়া গেল একটি মৃতদেহ!

    .

    দেখলেই বোঝা যায়, সন্ত্রান্ত ব্যক্তির দেহ। জমকালো দামি পোশাক-পরা। বয়সে লোকটি প্রাচীন। দেহের খানিক তফাতে পাওয়া গেল রিভলভার, খুব সম্ভব, হত্যাকারী তাড়াতাড়ি পালাবার সময়ে ফেলে গিয়েছে। দেহে গুলির দাগ আছে। মৃতের পকেট একেবারে খালি।

    খোঁজখবর নিয়ে জানা গেল, মৃত ব্যক্তির নাম হ্যাঁন্স ভোগেল, লোহার ব্যবসায়ে কোটিপতি। নিমন্ত্রণ খেয়ে শেষ-রাতে ফিরছিলেন, পথেই এই কাণ্ড। আরও প্রকাশ পেলে, তার পকেটে অনেক টাকা ছিল।

    পুলিশ স্থির করলে, অর্থলোভে কেউ ভোগেলকে হত্যা করেছে। কিন্তু ওই পর্যন্ত। সে যে কে, তা জানা গেল না; কারণ, হত্যাকারী কোনও সূত্র রেখে যায়নি।

    পুলিশ এ মামলা নিয়ে হয়তো বেশি মাথা ঘামাত না, কিন্তু ঘামাতে বাধ্য হল। এক জীবনবিমা কোম্পানির অধ্যক্ষ এসে পুলিশের বড়সাহেবকে জানালে, ভোগেল আমাদের কোম্পানিতে তিন লক্ষ টাকার জীবনবিমা করেছেন। দুষ্ট লোকেরা আমাদের বড় বড় মক্কেলকে যদি এইভাবে খুন করে পার পায়, তাহলে বেশি ক্ষতি হয় আমাদেরই। অতএব খুনিকে ধরা চাই, আর যে ধরতে পারবে তাকে আমরা তিন হাজার টাকা পুরস্কার দেব।

    পুরস্কার বড় সামান্য নয়। হত্যাকারীকে ধরবার জন্যে পুলিশের বড়সাহেব উঠে পড়ে লাগলেন।

    .

    খ

    বড়সাহেব নিজে হালে পানি না পেয়ে, বিখ্যাত রাসায়নিক প্রফেসর এক্স-এর খোঁজে বেরুলেন।

    কিন্তু প্রফেসর এক্স তখন ভিয়েনা শহর থেকে তিনশো ষাট মাইল দূরে টাইরেল। গেছেন বায়ু পরিবর্তনে।

    বড়সাহেব তাকে ফোন করলেন।

    প্রফেসর আগাগোড়া সব শুনে বললেন, ডাক্তারের মানা আছে, আমার পক্ষে এখন ভিয়েনায় ফেরা অসম্ভব!

    বড়সাহেব এত সহজে ছোড়নেওয়ালা নন। বললেন, আচ্ছা প্রফেসর, ফোনের সাহায্যেই তাহলে কাজ চালানো যাক। আপনি যা বলবেন, আমি তা পালন করব। বলুন আমায় কি করতে হবে? যদি কোনও দরকারি তথ্য আবিষ্কার করতে পারেন, তাহলে তিন হাজার টাকা লাভের সম্ভাবনা!

    প্রফেসর বললেন, বহুত আচ্ছা, ইজিচেয়ারে এই আমি খুব আরাম করে গদিয়ান হয়ে বসলুম। আমার সামনে আছে তামাকের পাইপ, খবরের কাগজ, পেনসিল আর টেলিফোন। বেশ, তাহলে কাজ শুরু করা যাক! আচ্ছা, একজন কেমিস্টকে ডাকুন, আমার এইসব কেমিকেল দরকার। তিনি কেমিকেলের ফর্দ দিলেন।

    ভিয়েনার পুলিশের অফিসে কেমিস্টকে আনবার জন্যে খবর পাঠানো হল।

    টাইরেল থেকে ফোনে প্রফেসর বললেন, বড়সাহেব, ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলে যে রিভলভারটা পেয়েছেন, তার নলচেটা (barrel) খুলে ফেলুন। নলচের দুটো মুখই ছিপি এঁটে এমনভাবে বন্ধ করে দিন, ভিতরে যাতে ধুলো-হাওয়া ঢুকতে না পারে।

    বড়সাহেব খানিক পরে জবাব দিলেন, প্রফেসর, আপনার কথামতো কাজ করা হয়েছে। কেমিস্টও এসেছেন।

    টেলিফোনে কেমিস্টকে ডেকে প্রফেসর বললেন, আমি যা বলি তাই করুন। রিভলভারের নলচের ছিপি দুটো খুলে ফেলুন। হয়েছে? আচ্ছা, খানিকটা distilled জল নলচের ভিতরে পুরে বেশ করে নাড়াচাড়া করুন। হয়েছে? আচ্ছা, এইবার নলচের জলটুকু filter করে নিন। আচ্ছা এইবারে নলচের জলে Sulphuric acid, alkaline sulphides আর Salts of iron-এর খোঁজ করুন। পরীক্ষার ফল কী হল? নলচের ভিতর থেকে মর্চে, কী green crystals of ferrous sulphate পাওয়া গেল?

    না।

    যে জলটা বেরুল তার রং কি হালকা হলদে নয়?

    না মশাই!

    সে কি, এ তো বড় অদ্ভুত কথা! আচ্ছা, ও-জলে কি Sulphuretted hydrogen এর গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে?

    না।

    তাই তো, আমি যে কিছু বুঝতে পারছি না! বেশ, জলের সঙ্গে salts of lead মিশিয়ে দিন তো! কী হল? কালো তলানি দেখতে পাচ্ছেন?

    উঁহু!

    কী! বিশেষজ্ঞ প্রফেসরের কাছ থেকে খানিকক্ষণ কোনও জবাবই এল না। তারপর তার গলা আবার পাওয়া গেল? শুনুন! এই হত্যাকাণ্ডের মধ্যে নিশ্চয় কোনও গভীর রহস্য আছে! নলচের জলের ভিতরে Sulphuric acid পেলে প্রমাণিত হত যে, ওই রিভলভার চব্বিশ ঘণ্টার ভিতরে ছোঁড়া হয়েছে। কিন্তু তা যখন পাওয়া যায়নি তখন বুঝতে হবে যে, রিভলভারটা ছোঁড়া হয়েছে চব্বিশ ঘণ্টার আগেই। কিন্তু তা হতে পারে না, কারণ তাহলে অমন প্রকাশ্য সাঁকোর উপরে মৃতদেহটা ঘটনার আগের দিন সকালেই পাওয়া যেত! আচ্ছা, জলে বোধহয় oxide of iron আছে?

    আজ্ঞে হ্যাঁ, আছে!

    বেশ। পুলিশের বড়সাহেবকে ফোন ধরতে বলুন।

    বড়সাহেব ফোন ধরে বললেন, প্রফেসর, এসব কী শুনছি? ও রিভলভারটা পাওয়া গেছে লাশের ঠিক পাশেই, আর তা থেকে যে একটা গুলি ছোঁড়া হয়েছে, সে প্রমাণও রয়েছে!

    –হতে পারে। কিন্তু ও রিভলভারটা মৃত ব্যক্তির মৃত্যুর জন্যে দায়ী নয়। কারণ, ওটা ছোঁড়া হয়েছে ঘটনার দেড়দিন থেকে পাঁচদিন আগে!

    তাহলে আমাদের ঠকাবার জন্যেই হত্যাকারী ওটা ওখানে ফেলে গেছে।

    আচ্ছা, আরেকটু পরখ করা যাক। আচ্ছা মৃতব্যক্তির দেহের ভিতর থেকে গুলি পাওয়া গেছে?

    হ্যাঁ, সেটা আমার টেবিলের উপরেই রয়েছে।

    গুলিটা পরীক্ষা করেছেন?

    এখনও করিনি।

    বেশ, এখন পরীক্ষা করে দেখুন দেখি, গুলিটার মাপ কত?

    খানিক পরেই বড়সাহেব অভিভূত কণ্ঠে বললেন, প্রফেসর, প্রফেসর! আপনি যা বলেছেন তাই! ও গুলিটা এ-রিভলভারের ব্যাসের চেয়ে বড়! ওটা অন্য কোনও রিভলভারের গুলি!

    বড়সাহেব প্রায় হতভম্ব! চোর-ডাকাত-খুনে ধরা তার ব্যবসায়, ঘটনাস্থল তিনি স্বচক্ষে দেখেছেন, সমস্ত প্রমাণ তারই হাতে রয়েছে এবং শত শত গোয়েন্দা তাকে সাহায্য করছে, অথচ একজন প্রফেসর সাড়ে তিনশো মাইল দূরে বসে, কোনও কিছু চোখে না দেখে এবং হাতে-নাতে পরীক্ষা না করে অনায়াসেই রহস্যটা ধরে ফেললেন! তার আত্মসম্মানে বোধহয় অত্যন্ত আঘাত লাগল।

    প্রফেসর এক্স বললেন, বড়সাহেব, বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধতত্ত্বের সহকারী প্রফেসর ওয়াই সম্প্রতি আমার এখানে আছেন। এইবারে আপনি ফোনে তার সঙ্গে কথা বলুন। হ্যাঁ, আর-এক জিজ্ঞাসা। মৃত ব্যক্তির জামাটা নিশ্চয়ই আপনার কাছে আছে? দেখুন তো, জামায় যেখানে গুলি ঢুকেছে, সেখানে পোড়া বারুদের দাগ আছে কিনা?

    আছে।

    হুঁ। তাহলে বোঝা যাচ্ছে, মৃতের দেহের খুব কাছ থেকেই গুলি ছোঁড়া হয়েছে। আচ্ছা, প্রফেসর ওয়াই কথা বলছেন।

    প্রফেসর ওয়াই ফোন ধরে বললেন, নমস্কার বড়সাহেব। ভোগেলের মৃতদেহ থেকে আপনি কী কী জিনিস পেয়েছেন, আর কী কী হারিয়েছে?

    প্রাপ্ত জিনিসের ফর্দ দিয়ে বড়সাহেব বললেন, কিন্তু, ভোগেলের পকেটে তিনখানা গভর্নমেন্টের প্রমিসরি নোট ছিল তা পাওয়া যাচ্ছে না!

    বড়সাহেব, আসল ব্যাপার আমরা কতকটা আন্দাজ করতে পারছি। কিন্তু সেটা এখন আপনাকে বলতে পারব না। ওই প্রমিসরি নোটগুলোর নম্বর আপনার কাছে আছে তো?

    আছে।

    সরকারি ব্যাঙ্কের নামে খবরের কাগজে বিজ্ঞাপন দিন, যে ব্যক্তি ওই নোটগুলো ফেরত দেবে, সে ওদের বর্তমান দামের চেয়ে বেশি মূল্য পাবে!

    বড়সাহেব বললেন, প্রফেসর, আপনি কি খুনিকে এতই বোকা ভাবেন যে, সে এই বিজ্ঞাপনের উত্তরে ধরা দিয়ে আত্মহত্যা করবে?

    একবার বিজ্ঞাপন দিয়েই দেখুন না! আমাদের বিশ্বাস, অপরাধী নিজে না এসে, অর্থলোভে অন্য-কোনও লোককে ব্যাঙ্কে পাঠিয়ে দেবে।

    .

    গ

    পরদিনেই প্রফেসরদের ঘরে পুলিশের বড়সাহেব ফোনের ঘণ্টা বাজিয়ে বললেন, আশ্চর্য প্রফেসর, আশ্চর্য ব্যাপার! আপনারা যা বলেছিলেন ঠিক তাই হয়েছে। একজন লোক সেই নোটগুলো নিয়ে সত্যি-সত্যিই ব্যাঙ্কে এসেছিল। তাকে যে পাঠিয়েছিল, আমরা সে-ব্যক্তিকেও গ্রেপ্তার করেছি।

    সে কী বলে?

    সে ভয়ে দিশেহারা হয়ে মহা কান্নাকাটি জুড়ে দিয়েছে। বলে, ভোগেল নিমন্ত্রণ খেয়ে মাতাল হয়ে ফেরবার পথে এক জায়গায় বসে ঘুমিয়ে পড়েছিল, সেইসময়ে সে তার পকেট কেটে, নোট নিয়ে পালিয়ে এসেছে।

    আপনার কী মনে হয়?

    প্রফেসর, আমার বিশ্বাস সে খুন করেনি। যারা মানুষ খুন করে তাদের চেহারা, ভাবভঙ্গি, কথাবার্তা অন্যরকম হয়। আপাতত তাকে আমি গারদে পুরে রেখেছি।

    বেশ করেছেন। কারণ, সে যে ভোগেলের পকেট কেটেছে, তাতে তো আর সন্দেহ নেই! বড়সাহেব, এক কাজ করতে পারবেন?

    কী কাজ?

    সাঁকোর উপরে যেখানে ভোগেলের লাশ পাওয়া গেছে একবার সেইখানে যান। সাঁকোর ধারে যে লোহার রেলিং পাবেন, তার নীচে মনে রাখবেন ভিতরদিকে লোহার গায়ে কোনও চটাওঠা দাগ আছে কিনা দেখে আসুন।

    প্রফেসরের অদ্ভুত অনুরোধ শুনে পুলিশসাহেব রীতিমতো অবাক হয়ে গেলেন। রেলিংয়ের গায়ে দাগই-বা থাকবে কেন, আর থাকলেও তার সঙ্গে এই খুনের সম্পর্ক কি?

    খানিকক্ষণ পরে টেলিফোনে আবার পুলিশসাহেবের বিস্মিত কণ্ঠস্বর শোনা গেল। হ্যালো প্রফেসর! আমি দেখতে গিয়েছিলুম! হ্যাঁ, নীচের রেলিংয়ের ভিতরদিকের রং এক জায়গায় চটে গেছে বটে! নতুন দাগ! যেন সেখানে কোনও একটা ভারী জিনিস গিয়ে পড়েছিল। কিন্তু সেটা আপনি জানলেন কী করে? কেউ কি আপনাকে বলেছে?

    সশব্দে হাস্য করে খুশি গলায় প্রফেসর বললেন, না! আমরা দুই প্রফেসর মাথা খাঁটিয়ে একটা সিদ্ধান্তে উপস্থিত হয়েছি। আমরা যে গল্পটি তৈরি করেছি সেটা সত্য কি না, আপনারা খোঁজ নিলেই বুঝতে পারবেন। এই হচ্ছে আমাদের গল্পঃ

    .

    ঘ

    ভোগেলের ব্যবসায়ে আজকাল খুব লোকসান হচ্ছিল, আর দুদিন পরেই হয়তো তাকে দেউলে হতে হত এবং তার পরিবারবর্গ পথে বসত।

    চোখের সামনে স্ত্রী-পুত্রকন্যার দারিদ্রের ছবি দেখতে-দেখতে ভোগেল প্রায় পাগলের মতন হয়ে উঠল। দিন-রাত ভাবতে লাগল, এই দুর্ভাগ্যের দায় থেকে কি উপায়ে সে পরিবারবর্গকে উদ্ধার করবে?

    প্রথমে সে তিন লক্ষ টাকায় নিজের জীবনবিমা করলে। কিন্তু জীবনবিমার শর্তে লেখা রইল, সে আত্মহত্যা করলে জীবনবিমা কোম্পানি তার পরিবারবর্গকে টাকা দিতে বাধ্য থাকবে না। এ শর্ত না থাকলে ভোগেলের খুবই সুবিধা হত। কারণ সে স্থির করেছিল, এই উপায়েই পরিবারবর্গকে রক্ষা করবে।

    প্রথমে সে একটি রিভলভারে ছয়টি গুলি পুরে একটি গুলি ছুড়লে। সেই রিভলভারের সঙ্গে আর-একটা গুলিভরা রিভলভার পকেটে পুরে ভোগেল নিমন্ত্রণ বাড়িতে গেল।

    অনেক রাতে নিমন্ত্রণ খেয়ে সে পথে বেরুল। দেখলে একটা চোরের মতন লোক তার পিছু নিয়েছে। তখন তার মাথায় আর এক বুদ্ধি জুটল। সে মাতলামির অভিনয় করতে করতে এক জায়গায় বসে পড়ে ঘুমের ভান করলে! চোর তার পকেট কাটলে, কিন্তু সজ্ঞানেও সে বাধা দিলে না!

    তারপর ভোগেল উঠে সাঁকোর উপরে গেল। প্রথম রিভলভারটা বার করে একটু তফাতে ফেলে দিলে! লোকে ভাববে, তাকে খুন করে পালাবার সময়ে খুনি ওই রিভলভারটা ফেলে গেছে। রিভলভারটা তার কাছে থাকলে পাছে কেউ ভাবে যে, ওর দ্বারা সে-ই আত্মহত্যা করেছে, তাই সেটাকে ফেলে দিলে খানিক তফাতে। দ্বিতীয় রিভলভারটা বার করে একগাছা শক্ত দড়ির একপ্রান্তে বেঁধে ফেললে। এবং দড়ির অন্য প্রান্তে বাঁধলে একটা খুব ভারী জিনিস– খুব সম্ভব মস্ত একখানা পাথর। তারপর পাথরখানা রেলিং গলিয়ে সাঁকোর বাইরে ঝুলিয়ে দিলে। তারপর নিজের বুকে রিভলভার রেখে গুলি ছুড়লে!

    হতভাগ্য ভোগেলের তখনি মৃত্যু হল। এবং সঙ্গে সঙ্গে দড়িবাঁধা রিভলভারটা ছিনিয়ে নিয়ে সেই মস্ত ভারী পাথরখানা ডানিউব নদীর ভিতরে গিয়ে পড়ল। কিন্তু রেলিংয়ের ভিতর দিয়ে গলাবার সময়ে ভারী পাথরের টানে রিভলভারটা খুব জোরে রেলিংয়ের উপরে গিয়ে পড়ল–লোহার গায়ে তাই চটা-ওঠা দাগ হয়ে গেল।

    বড়সাহেব, আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, এই নাটকের দুরাত্মা ওই পকেটমার বেচারা নয়, ভোগেল নিজেই! ডানিউব নদীতে ডুবুরি নামিয়ে খোঁজ করলেই দড়ির দুই প্রান্তে বাঁধা সেই রিভলভার ও পাথরখানা খুঁজে পাওয়া যাবে। ভোগেল ভেবেছিল, এত চালাকির পরেও তার মৃত্যুকে কেউ আত্মহত্যা বলে সন্দেহ করতে পারবে না, জীবনবিমা কোম্পানি তার পরিবারবর্গকে তিনলক্ষ টাকা দিতে বাধ্য হবে এবং নম্বরি নোট ভাঙাতে গিয়ে তাকে হত্যা করবার অপরাধে ধরা পড়বে ওই পকেটকাটা-ই!

    কিন্তু নিজের স্ত্রী-পুত্রকন্যার সুখের জন্যে সে আর-এক অভাগাকে ফাঁসিকাঠে তুলে দিতে চেয়েছিল, আপন প্রাণ বিসর্জন দিয়েও, তাই সে ভগবানের দয়া পেলে না!

    .

    ঙ

    প্রফেসরদের অনুমান সব দিক দিয়েই সত্যে পরিণত হল।

    ডানিউব নদীর গর্ভ থেকে দড়িবাঁধা পাথর ও রিভলভার দুই-ই পাওয়া গেল।

    জীবনবিমা কোম্পানি তিন লক্ষ টাকা লোকসানের দায় থেকে নিষ্কৃতি পেয়ে, কৃতজ্ঞ হয়ে, অঙ্গীকৃত তিন হাজার টাকার চেয়েও বেশি পুরস্কার দিয়ে প্রফেসরদের খুশি করলে।

    এই ব্যাপারটি কি উপন্যাসের চেয়ে আশ্চর্য নয়? কখনও কোনও উপন্যাসের ডিটেকটিভও কি ওই দুই প্রফেসরের চেয়ে বেশি বুদ্ধির পরিচয় দিতে পেরেছে? কিন্তু তোমরা কেউ এই ব্যাপারটিকে অবিশ্বাস কোরো না, কারণ, এটি হচ্ছে অস্ট্রিয়া দেশের একটি বিখ্যাত সত্য ঘটনা!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরবিন হুড – হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Next Article হেমেন্দ্রকুমারের গল্প – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    Related Articles

    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    মানুষের গড়া দৈত্য – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমারের গল্প – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রবিন হুড – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    জয়তু জয়ন্ত – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    ঐতিহাসিক সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    কিশোর রহস্য উপন্যাস – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }