Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রহস্য-রোমাঞ্চ সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমার রায় এক পাতা গল্প1530 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ফরাসি বিপ্লবে বাঙালির ছেলে

    ক

    কিছু কম দুশো বছর আগেকার কথা।

    পৃথিবীর স্থলপথে তখন ডাকাতদের ভিড়, আর জলপথে বোম্বেটেদের জয়যাত্রা। পৃথিবীর দেশে-দেশে তখন দাস-ব্যবসা চলছে পুরোদমে। বোম্বেটেরা জলে করত যাত্রীদের জীবন ও সর্বস্ব হরণ এবং আফ্রিকায় ডাঙায় নেমে করত কালো মানুষ চুরি। লাল মানুষদের দেশ আমেরিকার উড়ে গিয়ে জুড়ে বসে সাদা-মানুষরা গোলাম আর কুলির কাজে খাটাবে। বলে এইসব কালো মানুষকে দাম দিয়ে কিনে নিত।

    কালো মানুষ বলতে সাধারণত বোঝায়, কাফ্রিদের। হতভাগ্য কাফ্রি জাতি! ইতিহাসের প্রথম যুগ থেকেই দেখি, পৃথিবীর অধিকাংশ সভ্য দেশেই কাফ্রিরা বন্দি হয়ে গোলাম রূপে হাড়ভাঙা খাটনি খাটছে! রোমে, আরবে–এমনকী, ভারতেও রাজাবাদশা ও বড়লোকদের ঘরে ঘরে কাফ্রি গোলাম রাখার প্রথা ছিল।

    আঠারো শতাব্দীতে ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড প্রভৃতি দেশে সন্ত্রান্ত সমাজের সুন্দরী বিলাসিনীরাও শখ করে কাফ্রি গোলাম পুষতেন। গোলামদের গায়ের রং সাদা নয় বলে তাদের মানুষ বলেই মনে করা হত না। আমরা যেমন কুকুর, বিড়াল ও পাখিদের আদর করে পুষি, অথচ তাদের উচ্চতর জীব বলে মনে করি না, ইউরোপীয় শৌখিন মেয়েরাও ওই কাফ্রি গোলামদের সেইভাবেই দেখতেন। দিগ্বিজয়ী সম্রাট নেপোলিয়নের ছোট বোন পলিন স্পষ্টই বলেছিলেন, কাফ্রিদের সামনে। আবার লজ্জা করব কেন? কাফ্রিরা মানুষ নাকি?

    আর-একটা কথা জানিয়ে রাখি। ইউরোপীয় সুন্দরীদের কাছে তখন সবচেয়ে বেশি আদর ছিল, কাফ্রি জাতের ছোকরা গোলামদের।

    .

    খ

    বাঙালিদের রং কাফ্রিদের মতন কালো নয় বটে, কিন্তু তামাটে। সাহেবদের চোখে তামাটে ও কালো রঙের মধ্যে কোনও তফাত ধরা পড়ে না। তারা দুই রংকেই এক বলে ধরে নিয়ে গালাগালি দেয়। অথচ পর্তুগাল ও স্পেনের অনেক ইউরোপীয়েরও গায়ের রং অনেক ভারতবাসীর চেয়ে কালো। কিন্তু ইউরোপে জন্মেছে বলে তারা কালো হলেও কালো নয়!

    প্রায় দুশো বছর আগে বাংলায় ছিল ফিরিঙ্গি-বোম্বেটেদের বিষম দৌরাত্ম।

    পূর্ব-বাংলা নদনদী প্রধান বলে ফিরিঙ্গি-বোম্বেটে সেইখানেই অত্যাচার করবার সুবিধা পেত বেশি। তারা নৌকোয় ও ছোট ছোট জাহাজে চড়ে নদী বেয়ে দেশের ভিতরে ঢুকত। মাঝে-মাঝে ডাঙায় নেমে গ্রাম বা শহর লুট করে আবার পালিয়ে যেত। বোম্বেটেদের জ্বালায় পূর্ব-বাংলা তখন অস্থির হয়ে উঠেছিল।

    একদিন শ্যামল বাংলার এক কালো শিশু হয়তো গ্রামের পথে বা নদীর ধারে আপন মনে নেচে-খেলে বেড়াচ্ছিল; কিংবা হয়তো সে স্নেহময়ী মায়ের কোলে নিশ্চিন্ত আরামে ঘুমিয়ে খেলার স্বপন দেখছিল। হয়তো তার নাম ছিল কালু বা ভুলু, কানাই বা বলাই। হয়তো সে ছিল বাঙালি মুসলমানের ছেলে–তার নাম ছিল করিম বা অন্য কিছু। এসব বিষয়ে ঠিক করে আমি কিছু বলতে পারি না। কারণ ইতিহাস এ-সম্বন্ধে নীরব। ইতিহাস কেবল বলে, ওই অনামা খোকাটি, বাংলারই ছেলে।

    গ্রামে হানা দিতে এসে ফিরিঙ্গি-বোম্বেটের শনির দৃষ্টি পড়ল হঠাৎ সেই খোকাটির ওপরে। তাদের মনে পড়ে গেল ইউরোপের সুন্দরীমহলে কৃষ্ণবর্ণ শিশু-গোলামের ভারি আদর! এ কাফ্রি শিশু নয় বটে, কিন্তু রং যার সাদা নয়, তাকে কাফ্রি ছাড়া আর কিছু বলা চলে না।

    বোম্বোটেরা বাংলার সেই দুলালকে চুরি করে পালিয়ে গেল।

    সেদিন সেই শিশু মাকে হারিয়ে এবং তার মা কোলের ছেলেকে হারিয়ে কত কেঁদেছিল, ইতিহাস তার বর্ণনা করেনি, কিন্তু আমরা অনুমান করতে পারি। আরও কল্পনা করতে পারি, সেখানকার সেই কান্না সারাজীবনই জেগে ছিল তার বুকের ভিতরে। এবং যারা তার এই কান্নাকে স্থায়ী করেছিল, সে যে তাদের ক্ষমা করতে পারেনি, এটাও আমরা জানতে পারব যথাসময়ে।

    .

    গ

    চলো, তোমাদের কত সাগর কত নদীর ওপারে, কত যুগ আগেকার নতুন দেশে নিয়ে যাই।

    দেশের নাম হচ্ছে, ফ্রান্স। দুশো বছর আগে ইউরোপে ফ্রান্সের তুলনা ছিল না। ফরাসিরা যে খাবার খায়, সারা ইউরোপ তাই খেতে ভালোবাসে; ফরাসিরা যে পোশাক পরে, সারা ইউরোপ তারই নকলে সাজগোজ করে।

    এই বিখ্যাত দেশের মস্ত রাজা তখন পঞ্চদশ লুই। একদিকে লুই যে নির্দয় রাজা ছিলেন, তা নয়; কিন্তু রাজা হতে গেলে যে-যে গুণের দরকার, পঞ্চদশ লুইয়ের মধ্যে তা ছিল না। তিনি রাজকার্য দেখতেন না, সর্বদাই তুচ্ছ আমোদ-প্রমোদ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে থাকতেন। ফলে ফ্রান্স হয়ে পড়ে অরাজক দেশের মতো এবং প্রজাদের হয় অত্যন্ত দুরবস্থা। এইজন্যেই পঞ্চদশ লুইয়ের মৃত্যুর পর ষোড়শ লুইয়ের রাজত্বকালে প্রজারা খেপে উঠে বিদ্রোহী হয়ে রাজা-রানি ও আমির-ওমরাহদের হত্যা করে। ইতিমধ্যে ওইসব ঘটনা ফরাসি বিপ্লব নামে বিখ্যাত।

    কাউন্ট দ্যু’ব্যারির বউয়ের সঙ্গে পঞ্চদশ লুইয়ের অত্যন্ত বন্ধুত্ব হয়–সে মাদাম দ্যু’ব্যারি নামে সুপরিচিত।

    দ্যু’ব্যারি ছিল খুব সুন্দরী ও বুদ্ধিমতী। রাজা তার গল্প শুনতে ভালোবাসেন, তার পরামর্শে ওঠেন বসেন। দ্যু’ব্যারির মুখের কথায় বড়-বড় ওমরাকে রাজপদ থেকে বঞ্চিত করা হয়, আবার তার একটি ইঙ্গিতে পথের ভিখারিও আমির হয়ে দাঁড়ায়! সকলেই তার অনুগ্রহ লাভের জন্যে ব্যস্ত। কারণ, আগে সে খুশি না হলে, রাজা খুশি হন না!

    দ্যু’ব্যারি রাজবাড়িরই এক মহলে থাকে। রাজা নিত্য তাকে দামি-দামি ভেট পাঠান। নয় মণ ওজনের সোনার তাল এনে রাজা তার ড্রেসিং টেবিলের আসবাব গড়িয়ে দিলেন! তার এক-একটি পোর্সিলেনের কফির পিয়ালার দাম হাজার-হাজার টাকা। তার জামাকাপড়ের দাম যে কত লক্ষ টাকা, সে হিসাব রাখা অসম্ভব। তার জড়োয়া গহনার বিনিময়ে একটি রাজ্য বিকিয়ে যায়! এইভাবে দ্যু’ব্যারির মন রাখবার জন্যে রাজা দু-হাতে প্ৰজার টাকা খরচ করেন। রাজ্যময় অভাবের হাহাকার, কিন্তু প্রজাদের কাছ থেকে কেড়ে আনা অর্থে দ্যু’ব্যারির প্রমোদ কক্ষ আলোকোজ্জ্বল! দ্যু’ব্যারির নাম শুনলে প্রজারা জ্বলে ওঠে!

    একটা তুচ্ছ নারীর শক্তি রাজার চেয়েও বেশি দেখে দেশের আমির-ওমরারাও দ্যু’ব্যারির উপরে খঙ্গহস্ত হয়ে উঠল।

    দ্যু’ব্যারির একটি কাফ্রি খোকা-গোলাম পোশবার শখ হল। বাজার থেকে তখনি একটি গোলাম কিনে আনা হল–যেমন করে কিনে আনা হয় বানর বা কুকুর।

    সে হচ্ছে ফিরিঙ্গীদের চুরি করে আনা আমাদের সেই বাংলার অনামা ছেলে।

    .

    ঘ

    সোনার খাঁচায় বন্দি করলে বনের পাখি কি খুশি হয়? দেশ থেকে নির্বাসিত হয়ে বাপ-মায়ের আদরের কোল হারিয়ে বাংলার ছেলে ফিরিঙ্গি রাজবাড়ির গোলামি পেয়ে কি খুশি হয়েছিল? একটু পরেই আমরা জানতে পারব।

    গোলামকে দ্যুব্যারির ভারি পছন্দ হল! পোশা কুকুরকে নাম দিতে হয়, নতুন গোলামকে কি-নামে ডাকা যায়?

    সবাই শুধোয়, ওরে, তোর নাম কী?

    বাঙালির ছেলে, ফরাসি ভাষা জানে না, কাজেই চুপ করে থাকে।

    তখন একজন প্রিন্স তার নাম দিলেন, জামোর! ইতিহাসে বাংলার ছেলে এই নামেই বিখ্যাত হয়ে আছে।

    দ্যু’ব্যারির কৃপায় জামোর খাঁটি সোনার কাজ-করা বহুমূল্য পোশাক পেলে। তার জন্যে ব্যবস্থা হল ভালো-ভালো খাবারের। রাজবাড়ির ঘরে-ঘরে দ্যু’ব্যারির আদরের দুলাল হেসে-নেচে খেলে বেড়ায়। যেখানে আমির-ওমরাহর প্রবেশ নিষেধ, সেখানেও জামোরের অবাধ গতি! আমির ওমরাহরা জামোরকে প্রসন্ন রাখতে ব্যস্ত, কারণ সে দ্যু’ব্যারির প্রিয়পাত্র! দ্যু’ব্যারি এক মিনিটও তাকে চোখের আড়ালে রাখতে পারেন না–এত তাকে ভালোবাসেন!

    কিন্তু বাংলার ছেলে জামোর কি বুঝতে পারেনি, দ্যু’ব্যারি নিজের পোশা কুকুরকেও তার চেয়ে কম ভালোবাসেন না?

    সাধারণ লোকেরা জামোরকে কাফ্রি বলেই জানত। কিন্তু ঐতিহাসিকরা স্পষ্ট ভাষায় তাকে native of Bengal বলে বর্ণনা করেছেন। বিখ্যাত ফরাসি চিত্রকর Decrenze দ্যু’ব্যারির সঙ্গে জামোরের একখানি তৈলচিত্র এঁকেছিলেন। দ্যু’ব্যারি কফির পেয়ালা নিয়ে পান করছেন, আর বালক জামোর ঠিক প্রিয় কুকুরের মতো কীর মুখের পানে চেয়ে ট্রে হাতে করে দাঁড়িয়ে আছে। তার রং কালো বটে, কিন্তু তার নাক-মুখ-চোখে কাফ্রিত্ব নেই। রাজচিত্রকর স্বচক্ষে জামোরকে দেখেই তার মূর্তি এঁকেছিলেন।

    প্রসিদ্ধ ফরাসি লেখক গনকোর্ট এই বলে জামোরের বর্ণনা করেছেন; তাকে বিকটাকার মনুষ্যত্বের নমুনারূপে দেখা হত। সে সকলকে জলখাবারের থালা জোগাত, মেয়েদের ছাতা বহন করত, খুশি হলে ডিগবাজি খেত। আঠারো শতাব্দীর বিজাতীয় রুচি এই শ্রেণির ছোট্ট বিকৃতাকার জীবকে অত্যন্ত পছন্দ করত এবং নিগ্রোদের ভাবত ক্ষুদ্র দু-পেয়ে জন্তুর মতো!

    বাংলার ছেলে জামোর ফ্রান্সে থেকে নিশ্চয়ই ফরাসি ভাষা শিখেছিল। এবং সে যখন শুনত, তাকে বিকটাকার কাফ্রি ও দুপেয়ে জন্তুর মতন দেখা হয়, তখন তার মন কি কত্রী ঠাকুরানির প্রতি কৃতজ্ঞতায় পরিপূর্ণ হয়ে উঠত? এত সানুগ্রহ সৌভাগ্য ও ঐশ্বর্য কি তখন তার সর্বাঙ্গে বিষাক্ত কাঁটার মতো বিঁধত না? শীঘ্রই এর উত্তর পাওয়া যাবে!

    বাঙালি হচ্ছে কাফ্রি! বাঙালি হচ্ছে–দু-পেয়ে জন্তু! কেন না তার চামড়া কটা নয়!

    .

    ঙ

    ফ্রান্সের রাজার ছিল অনেক প্রাসাদ এবং প্রত্যেক প্রাসাদেই সর্বময় কর্তারূপে থাকতেন একজন করে গভর্নর। গভর্নরের পদে তখন পদবিওয়ালা সম্ভ্রান্ত লোক ছাড়া আর কারুকে বসানো হত না। একদিন রাজার কাছে দ্যু’ব্যারি আবেদন জানালে, মহারাজ আপনার লুসিয়েনেস প্রাসাদে গভর্নরের আসন খালি হয়েছে। আমার জামোরকে ওই আসনে বসাতে চাই!

    পঞ্চদশ লুই চমকে উঠে বললেন, বলো কী! সম্ভ্রান্ত লোক ছাড়া আর কেউ যে গভর্নরের পদ পায় না। জামোর গভর্নর হলে অন্য-অন্য গভর্নরদের মান কোথায় থাকবে? রাজ্যের লোক কি মনে করবে?

    দ্যু’ব্যারি বললে, রাজ্যের লোকের কথা আমি গ্রাহ্য করি না! এখানকার আমির-ওমরাহরা আমার শত্রু! আমি তাদের বুঝিয়ে দিতে চাই, আমার চোখে তারা জামোরের চেয়ে শ্রেষ্ঠ নয়!

    রাজা হেসে বললেন, বেশ, তোমার ইচ্ছাই পূর্ণ হোক! এসো জামোর, আজ থেকে তুমি গভর্নর! তোমার মাহিনা হল চারশো টাকা!

    সে-যুগে চারশো টাকার দাম এখনকার চেয়ে ঢের বেশি ছিল!

    যে-দেশে জামোরের জন্ম, সেখানে পশু-বানরের বিবাহে কোনও-কোনও মানুষ-বানর লাখ টাকা খরচ করেছে! সে-ও পোষা কুকুর-বিড়ালের মতন জীবন্ত খেলনা তাকে গভর্নরের পদে বসিয়ে তার মনুষ্যত্বের প্রতি সম্মান দেখানো হল না, বরং তার নীচতাকে যে উঁচু করে তুলে ধরা হল দেশের উচ্চপদস্থ সম্ভ্রান্ত ব্যক্তিদের মাথা নীচু করবার জন্যেই, এটুকু বোঝবার মতো বুদ্ধি যে বাঙালির ছেলে জামোরের ছিল না, একথা মনে করা চলে না।

    গনকোর্ট হয়তো সেইজন্যেই বলেছেন, প্রাসাদ হল গভর্নর জামোরের বনের পাখির সোনার খাঁচার মতো!

    বিকটাকার মানুষ, দু-পেয়ে জন্তু জামোর মহামান্য গভর্নর হয়ে মুখে নিশ্চয় একগাল হেসেছিল, কিন্তু তার অপমানিত মনের মধ্যে কী প্রতিহিংসার আগুন জ্বলে উঠেছিল, পরের দৃশ্যেই আমরা তা দেখতে পাব।

    .

    চ

    পরের দৃশ্যের যবনিকা তুললুম প্রায় বিশ বৎসর পরে।

    ইতিমধ্যে পঞ্চদশ লুই মারা পড়েছেন, ষোড়শ লুই কয়েক বৎসর রাজ্য করে, পূর্বপুরুষদের পাপে নির্দোষ হয়েও বিদ্রোহী প্রজাদের হাতে রানির সঙ্গে প্রাণ দিয়েছেন।

    সমস্ত ফরাসি জাতি রক্ত-পিপাসায় উন্মত্ত হয়ে উঠেছে, সকলেরই মুখে এক কথা– এতদিন ধরে যারা প্রজাদের রক্ত শোষণ করেছে, আমাদের অনাহারে রেখে আমাদেরই কষ্টার্জিত অর্থে বিলাসের খেলনা কিনেছে, আজ তাদের রক্ত চাই!

    জামোর সেদিন রাজবাড়িতে ছিল না, ছিল সশস্ত্র বিদ্রোহী প্রজাদের সঙ্গে! সে আর বালক নয়, পূর্ণবয়স্ক যুবক। সেদিন সে আর কারুর গোলাম নয়, বাংলার সুনীল আকাশেরই মতন স্বাধীন! সেদিন সে ভালো করেই বুঝতে পেরেছে, তাকে দু-পেয়ে জন্তু ভেবে এতদিন কারা তার মনুষ্যত্বকে ব্যঙ্গ করেছে!

    বিচারালয়ের কাঠগড়ায় উঠে বন্দিনী দ্যু’ব্যারি সভয়ে স্তম্ভিতনেত্রে দেখলে, তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্যে উঠে দাঁড়াল, রাজবাড়ির পোষা জ্যান্তো খেলনা, বিকটাকার মনুষ্যত্বের নমুনা, জামোর! আজ জানমারের মুখে কৃপাপ্রার্থী আবদারের হাসি নেই, তার দুই চক্ষে জ্বলজ্বল করছে বাংলাদেশের মুক্ত জাগ্রত মনুষ্যত্বের প্রতিহিংসা-বহ্নি!

    জামোর একে-একে দ্যু’ব্যারির সমস্ত কথা প্রকাশ করে দিলে।

    .

    ছ

    শেষ দৃশ্য।

    চারিদিকে বিপুল জনতা। সকলেই চিৎকার করছে–মার, মার। যারা মনুষ্যত্বকে মর্যাদা দেয়নি, গরিবকে মানুষ ভাবেনি, তাদের সকলকে হত্যা কর।

    গিলোটিনের তলায় হাড়িকাঠে গলা দিয়ে অভাগিনী দ্যু’ব্যারি সকাতরে চেঁচিয়ে উঠল, বাঁচাও, বাঁচাও। দয়া করো। আমার যথাসর্বস্ব দান করব।

    ভিড়ের ভিতর থেকে নিষ্ঠুর ভাষায় কে বললে, তোমার যথাসর্বস্ব তো প্রজাদেরই নিজস্ব সম্পত্তি।

    গিলোটিনের খাঁড়া নেমে এল। দ্যু’ব্যারির ছিন্নমুণ্ড আর কোনও কথা কইলে না।

    এ-দৃশ্য চোখে দেখা যায় না। জনতার ভিতরে কি জামোরও ছিল?

    জানি না।

    ইতিহাস আর তাকে নিয়ে মাথা ঘামায়নি।

    শিকল-পরা বাঙালি গোলাম জামোর, ফরাসিদের সাহিত্যে ও চিত্রকলায় অমর হয়ে আছে। কিন্তু গোলামির শিকল খুলে স্বাধীন জামোর কোথায় গেল, সেকথা কেউ বলতে পারে না।

    বনের পাখিকে সোনার খাঁচায় বন্দি করে কেউ ভেব না, তার প্রতি অনুগ্রহ প্রকাশ করছ। তোমরা যাকে মনে করো পাখির আনন্দের গান, সে হচ্ছে পাখির দারুণ অভিশাপ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরবিন হুড – হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Next Article হেমেন্দ্রকুমারের গল্প – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    Related Articles

    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    মানুষের গড়া দৈত্য – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমারের গল্প – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রবিন হুড – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    জয়তু জয়ন্ত – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    ঐতিহাসিক সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    কিশোর রহস্য উপন্যাস – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }