Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রহস্য-রোমাঞ্চ সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমার রায় এক পাতা গল্প1530 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ইয়াঙ্কি খোকা-গুন্ডা

    ইয়াঙ্কি বলে ডাকা হয়, আমেরিকানদের। আর গুন্ডা কাকে বলে তোমরা সকলেই তা জানো। গুন্ডা নেই এমন দেশও বোধহয় দুনিয়ায় নেই। কিন্তু গুন্ডামিতে এখন সকল দেশের সেরা বোধ করি ইয়াঙ্কিদেরই দেশ। আজ তাদেরই দেশের বালক-গুন্ডাদের কথা কিছু কিছু বলব।

    প্রথমেই ইয়াঙ্কি-গুন্ডাদের নাম থেকেই শুরু করি। তাদের অনেকেরই ডাক-নাম ভারি মজার। যথা–খোকামুখো উইলি, পঙ্গু চার্চি, খ্যাপা বাচ্‌, মস্ত মাইক, পুঁচকে মাইক, নকল হাঁস, নরকের বিড়াল ম্যাগি, হুচি কুচি মেরি, খাই-খাই জোন্স, গু গু নক্স, ঝোড়ো লুই, ঘুঘু লিজি, সিদ্ধ ঝিনুক ম্যালয়, পুরুত প্যাডি, গলদা চিংড়ি কি, ছেঁড়া-ন্যাকড়া রিলে ও ওদের ধরে খাও জ্যাক প্রভৃতি।

    ওদেশি গুন্ডাদের আড্ডাগুলোর নামও চমৎকার। যথা–আস্তাকুঁড়, নরকের রান্নাঘর, নরকের গর্ত, দেয়ালের গর্ত, মড়াঘর, প্লেগ, ধ্বংস, গোল্লায় যাওয়ার পথ, রক্তের বালতি ও আত্মহত্যার ঘর প্রভৃতি। ওইসব নাম দেখেই বোঝা যাচ্ছে, আমেরিকার গুন্ডারা– জ্ঞানপাপী।

    অনাথ ছেলেরা লেখাপড়া না শিখলে ও গুরুজনের উপদেশ না পেলে কি হয়, আমেরিকায় তার জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত দেখা যায়। কারণ, আমেরিকায় গুন্ডারা গুন্ডামি করতে শেখে প্রায় ছেলেবেলা থেকেই। ওখানকার কয়েকটি বিখ্যাত বালক-গুন্ডাদলের নাম হচ্ছে, চল্লিশ ছোট্ট চোর, খুদে মরা খরগোশ ও খোকা, গুন্ডাদল প্রভৃতি। ওইসব দলের ছোকরাদের বয়স আট-দশ-বারোর বেশি না হলেও চুরি, জুয়াচুরি, পকেট কাটা, রাহাজানি ও খুনখারাপি প্রভৃতিতে তারা ধাড়িদের চেয়ে কিছুমাত্র কম শয়তানি দেখায়নি!

    ওদের একটি দলের দলপতির নাম, খোকামুখো উইলি, সে নিজের সাঙ্গোপাঙ্গদের নিয়ে গ্রান্ড ডিউক থিয়েটার নামে একটি রঙ্গালয় খুলে বাহাদুরির পরিচয়ও দিয়েছিল। তারা নিজেরাই নাটক লিখে অভিনয় করত! সিন ও সাজপোশাকের জন্যে তাদের কোনও ভাবনাই ছিল না। কারণ, যা-যা দরকার, শহরের বড় বড় থিয়েটারের ভাণ্ডার থেকে চুরি করে আনলেই চলত। এই শিশু-থিয়েটারের দর্শক হত নিউ ইয়র্ক শহরের যত অনাথ বালক-বালিকা ও বাপে-খেদানো মায়ে-তাড়ানো ছেলেরা এবং আসনের দাম ছিল মাত্র পাঁচ আনা পয়সা! কিছুদিন থিয়েটার খুব-জোরে চলল। বাচ্চা-গুন্ডাদের ট্র্যাকে পয়সা আর ধরে না! কিন্তু তাদের বাড়বাড়ন্ত অন্যান্য ছোকরা গুন্ডাদের দল সইতে পারলে না! তারা অভিনয়ের সময়ে রোজ এসে এমন। দাঙ্গাহাঙ্গামা শুরু করলে যে, পুলিশ শেষটা শিশু-থিয়েটার উঠিয়ে দিতে বাধ্য হল।

    পুঁচকে মাইক বলে এক ছোকরা-গুন্ডা মস্ত এক দুষ্ট ছেলের দল গড়ে কিছুকাল বেজায় উৎপাত শুরু করেছিল। তাদের নাম ছিল, উনিশ নম্বর রাস্তার দল। ও-দলের ছোকরাদের স্বভাব ছিল এমনি ভয়ানক যে, পুলিশ পর্যন্ত তাদের কাছে ঘেঁষতে চাইত না! তাদের অত্যাচারে সে-অঞ্চলে পাদরিদের ইস্কুল পর্যন্ত বন্ধ হয়ে যেত, কারণ ভালো ছেলেরা চোখের সামনে বসে পড়াশোনা করবে, এটা তাদের সহ্য হত না! ক্লাস বসলেই তারা বড়-বড় ইট-পাথর ছুড়ত এবং পুঁচকে মাইক ঘরের ভিতরে মুখ বাড়িয়ে মাস্টারদের ডেকে বলত, ওরে বুড়ো পাদরির দল, তোরা নরকে যানরকে যা!

    তোমরা শুনলে অবাক হবে যে, কোনও-কোনও শিশু-গুন্ডাদলের চাই ছিল, বালিকা! চল্লিশ ছোট্ট চোর-দলের সর্দারনির নাম ছিল, পাগলি ম্যাগি কার্সন। নয় বছর বয়সেই সে চল্লিশটি শিশু-চোর নিয়ে শহরের লোকদের ব্যতিব্যস্ত করে তুলেছিল। প্রত্যেক শিশু-চোরই তার হুকুমে প্রাণের তোয়াক্কা রাখত না! কিন্তু তার বয়স যখন বারো বৎসর, সেই সময়ে মিঃ পিজ নামে এক পাদরি সাহেব তাকে সদুপদেশ দিয়ে সেলাইয়ের কাজ শেখান। সেলাইয়ের কাজে পাগলি ম্যাগির এমন মন বসে গেল যে, শিশু-গুন্ডাদের মায়া কাটিয়ে সে একেবারে লক্ষ্মীমেয়ে হয়ে পড়ল! তারপর এক ভদ্র-পরিবারে আশ্রয় পেয়ে বিয়ে করে সে সুখে দিন কাটিয়ে দেয়।

    .

    খ্যাপা বাচ নামে আর-এক ছোকরার কীর্তি শোনো। আট বছর বয়সে বাপ-মা হারিয়ে সে হয় অনাথ। তারপর দুষ্টু ছেলেদের দলে ভিড়ে সে একটা কুকুর চুরি করে তার নাম রাখলে র‍্যাবি এবং তাকে হরেক রকম কৌশল শেখালে। রাস্তা দিয়ে মেমসাহেবেরা হাতব্যাগ ঝুলিয়ে চলেছে, কোথা থেকে ঝড়ের মতো ছুটে এল র‍্যাবি এবং চিলের মতো ছোঁ মেরে হাতব্যাগ মুখে করে দিলে ভেঁ-দৌড়! তারপর র‍্যাবি ল্যাজ নাড়তে-নাড়তে একেবারে মনিবের কাছে গিয়ে হাজির! ||||||||||

    খ্যাপা বাচ আরও ঢের ফন্দি জানত। সেও একটা ছোটখাটো চোরের দল গড়ে তুলেছিল। এবং তার কার্যপদ্ধতি ছিল এইরকম। বিশ-ত্রিশ জন শিশু-পকেটমার নিয়ে সে পথে বেরিয়ে পড়ত। নিজে যেত বাইসাইকেলে চড়ে। পথে কোনও বুড়ি বা দুর্বল লোক দেখলেই খ্যাপা বাচ তার গায়ে ইচ্ছা করে বাইসাইকেলের ধাক্কা লাগিয়ে দিত এবং তারপর গাড়ি থেকে নেমে পড়ে চেঁচিয়ে এমন গালাগালি শুরু করত যে, মস্ত ভিড় জমে যেত। কৌতূহলী লোকের যখন ব্যাপার কি জানবার জন্যে ব্যস্ত হয়ে উঠত, তখন খ্যাপা বাঁচের স্যাঙাতরা সকলের পকেটে সুপটু হাত চালিয়ে টপাটপ মাণিব্যাগ প্রভৃতি তুলে নিয়ে সরে পড়ত! বলা বাহুল্য, দলের প্রধান পান্ডা বলে লাভের অংশ বেশির ভাগই হত তার পাওনা।

    তোমরা পকেটমারের ইস্কুলের নাম শুনেছ?…না? কিন্তু আমেরিকায় সত্যি সত্যিই এই ইস্কুল ছিল, আজও হয়তো আছে!

    কোনও দাগি পুরোনো ও বয়স্ক গাঁটকাটা হয় এর মাস্টার। রাজ্যের খুদে বদমাইশরা হয় এর ছাত্র। ক্লাসে সাজানো থাকে নানান ভঙ্গিতে সারে-সারে সাজ-পোশাক পরানো মূর্তি। ছাত্রেরা সাবধানে সেইসব মূর্তির পকেট কেটে বা পকেটে হাত চালিয়ে জিনিস তুলে নিতে চেষ্টা করে। প্রায়ই এমন যন্ত্র ব্যবহার করা হয়, পকেটের ভিতরে জামার কাপড়ে হাত লাগলেই টুং-টুং করে ঘণ্টা বেজে ওঠে। পকেট কাটতে গিয়ে ছাত্রদের এরকম কোনও ভুল হলেই মাস্টার চোর পাহারাওয়ালার পোশাক পরে এসে সপাসপ বেত মারতে থাকে!

    ছোকরা-গুন্ডাদের দলে এক-একজন ভীষণ প্রকৃতির লোকও দেখা গেছে। যেমন, গোবর গণেশ লুই। নাম তার গোবর-গণেশ বটে, কিন্তু গোঁফ ওঠার আগেই সে মানুষ খুন করতে ওস্তাদ হয়ে উঠেছিল। খুব ভালো পোশাক পরে সর্বদাই সে ফিটফাট হয়ে থাকত বটে, কিন্তু তার মনের ভিতরটা ছিল নোংরা ও ভয়াবহ।

    কিড টুইস্ট–আমেরিকার এক নামজাদা গুন্ডা-সর্দার। বয়সে, গায়ের জোরে ও সহায় সম্পদে সে লুইয়ের চেয়ে ঢের বড়। লুই কিন্তু এমনি ডানপিটে ছেলে যে, তাকেও গ্রাহ্য করত না। যে-টুইস্টের নাম শুনলে মহা ধড়িবাজ ইয়াঙ্কি-ডাকাতরা পর্যন্ত পালিয়ে যায়, লুই একদিন তার সঙ্গেই ঝগড়া করে বসল! অথচ সেদিন টুইস্টের সঙ্গে ছিল ঝোড়ো লুই নামে আর-একজন এমন ষণ্ডা-গুন্ডা, যে হাতের চাপে মানুষকে ভেঙে দুখানা করে ফেলতে পারত।

    ঝগড়াটা বাধল এক হোটেলের দোতলায়। কিড টুইস্ট তাচ্ছিল্যের হাসি হেসে বললে, ওহে ছোকরা, শুনেছি তুমি খুব চটপটে! আচ্ছা, এখনি ওই জানলা দিয়ে রাস্তায় লাফ মারো দেখি!

    লুই বেচারা একলা মারামারি করতেও পারলে না, অত উঁচু থেকে তার লাফ মারবারও ভরসা হল না। সে ইতস্তত করতে লাগল।

    কিড টুইস্ট চোখ রাঙিয়ে পকেট থেকে রিভলভার বার করতে উদ্যত হল। তখন লুই আর কী করে, বাধ্য হয়ে জানলা থেকে মারলে এক লাফ!

    অল্প বয়স, হালকা দেহ, কাজেই দোতলা থেকে নীচে পড়েও তার খুব বেশি লাগল না। কিন্তু সে গুন্ডা-সর্দার টুইস্টের ওপরে মর্মান্তিক চটে গেল।

    রাস্তায় দাঁড়িয়েই সে শুনতে পেলে, ওপরে বসে টুইস্ট হেঁড়ে গলায় অট্টহাস্য করছে। লুই মনে-মনে প্রতিজ্ঞা করলে, এ অপমানের প্রতিশোধ না নিয়ে সে জলগ্রহণ করবে না!

    তখনি সে ফোন করে দলের জন-ছয়েক লোককে আনিয়ে হোটেলের দরজার কাছে পথ জুড়ে দাঁড়িয়ে রইল।

    খানিক পরেই দেখা গেল, কিড টুইস্ট ও ঝোড়ো লুই সকলের সভয় সেলাম কুড়োতে কুড়োতে হোটেল থেকে বেরিয়ে আসছে!

    গোবর-গণেশ লুই হেসে বললে, কিড, এইদিকে এসো!

    কিড টুইস্ট মুখ তুলে তাকাতে-না-তাকাতেই লুই রিভলভারের দুই গুলিতে তার মাথা ও বুক ছাদা করে দিলে! পরমুহূর্তে তার মৃতদেহ পথের ওপরে পড়ে গেল।

    ঝোড়ো লুই বেগতিক দেখে পালাতে চেষ্টা করলে, কিন্তু গোবর-গণেশের সাঙ্গোপাঙ্গরা তাকেও কুকুরের মতো গুলি করে মেরে ফেললে।

    একজন পাহারাওয়ালা দৌড়ে এল, কিন্তু গোবর-গণেশের রিভলভার আবার গর্জন করতেই সে বুদ্ধিমানের মতো চটপট সরে পড়ল।

    কিছুদিন পরে গোবর-গণেশ যেচে পুলিশের হাতে আত্মসমর্পণ করলে।

    বিচারক তার নিতান্ত কাঁচা বয়স দেখে তাকে এগারো মাসের জন্যে সংশোধনী কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করলেন।

    গোবর-গণেশ লুই অবহেলা ভরে বললে, মোটে এগারো মাস? ওঃ, ভারি তো! আমি শূন্যে পা তুলে মাথার ওপর ভর দিয়েই এগারো মাস কাটিয়ে দিতে পারি।

    .

    আর-এক ছোকরা-গুন্ডার গল্প বলে আমরা এবারের পালা শেষ করব। তার নাম হচ্ছে, ওনি ম্যাডেন। কিন্তু লোকে তাকে ডাকে, খুনি ওনি বলে।

    বিলাতে তার জন্ম। এগারো বছর বয়সে সে আসে আমেরিকায়। সতেরো বছর বয়সেই সে খুনি ওনি নাম অর্জন করে। তার মারাত্মক বীরত্ব দেখে বড়-বড় ইয়াঙ্কি-গুন্ডারা মুগ্ধ হয়ে তার দলে গিয়ে ভর্তি হয়। তারপর একে একে পাঁচটা নরহত্যা করে খুনি ওনি সর্বপ্রথম পুলিশের পাল্লায় পড়ে জেল খাটে।

    খুনি ওনি যখন পথে বেরুত, তখন তার সঙ্গে থাকত অনেক রকম অস্ত্রশস্ত্র। প্রথমবার জেল খাটবার আগে সে কখনও শারীরিক পরিশ্রম করেনি। সারাদিন ঘুমিয়ে থাকত এবং সারারাত হোটেলে নেচে-গেয়ে ফুর্তি করে বেড়াত। টাকার দরকার হলেই রাহাজানি ও নরহত্যা করত–যাকে বলে, আদর্শ হিংস্র পশুর জীবন।

    জেল থেকে বেরিয়ে সে আবার দুটি মানুষকে যমের বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। পুলিশ আবার তার পিছনে লাগে। কিন্তু সাক্ষীর অভাবে তাকে ধরতে পারে না।

    খুনি ওনি বুঝলে, এখন দিন কয়েকের জন্য গা-ঢাকা দিয়ে ভালোমানুষ সাজা উচিত। সে তখন কয়েকজন সাঙাতকে নিয়ে ভদ্রপাড়ায় একখানা বাড়ি ভাড়া করলে–বাড়িওয়ালার নাম কিটিং। সে সাধু ও গৃহস্থ ব্যক্তি; ভাড়াটেরা কোন শ্রেণির লোক, ঘুণাক্ষরেও তা কল্পনা করতে পারেনি।

    কিন্তু স্বভাব না যায় মলে! বিশেষ, বাঘ আর কতদিন শান্ত হয়ে থাকতে পারে? খুনি ওনি আর তার চ্যালা-চামুন্ডারা সারা রাত নেচে-কুঁদে হট্টগোল করে এত বেশি ফুর্তি করতে লাগল যে, পাড়ার ভদ্রলোকদের পক্ষে আশেপাশে তিষ্ঠানো দায় হয়ে উঠল।

    একদিন সন্ধ্যায় তারা গানবাজনা আরম্ভ করেছে, এমন সময়ে বাড়িওয়ালা কিটিং এসে হাজির।

    বিরক্তমুখে ভারিক্কে-চালে কিটিং বললে, পাড়ার লোকে রাগ করছে। আমার বাড়িতে এত গোলমাল করলে আমি তোমাদের উঠিয়ে দেব।

    ভারি মিঠে হাসি হেসে ওনি বললে, বলেন কি মশাই, আমাকে আপনি উঠিয়ে দেবেন? বেশ, বেশ। আচ্ছা, আপনি কি ওনি ম্যাডেনের নাম শুনেছেন?

    খুনি ওনি? তার নাম কে শোনেনি?

    বেশ, বেশ। তাহলে আর-একটা নতুন খবর শুনে রাখুন। আমারই নাম খুনি ওনি।

    কিটিং-বেচারা আর একটাও কথা কইলে না, ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে নীচে নেমে গেল। তারপর আর কোনও হট্টগোলই সে কানে তুললে না, পুলিশে খবর দিলে না। কারণ সে জানত, খুনি ওনিকে ধরিয়ে দিলে তার দলের লোকেরা এসে তাকে টিপে মেরে ফেলবে।

    কিন্তু সে চুপ করে থাকলে কি হবে, পাড়াপড়শিদের আর সহ্য হল না! থানায় খবর গেল। একজন পাহারাওয়ালা তদারক করতে এল। কিন্তু সে এসেই যেই শুনলে ভাড়াটের নাম খুনি ওনি, অমনি চোখ কপালে তুলে সরে পড়ল।

    তারপর পুলিশ এল সদলবলে, সশস্ত্র হয়ে। কিন্তু খুনি ওনি তো সহজ ছেলে নয়, সহজে ধরাও দিলে না। রীতিমতো একটা খণ্ডযুদ্ধের পরে তবে পুলিশ খুনি ওনি ও তার বন্ধুদের পাকড়াও করে মারতে মারতে থানায় নিয়ে যেতে পারলে।

    পরদিনেই বিচার। জজসাহেব কিন্তু খুনি ওনিকে নাবালক দেখে তাকে সৎপথে থাকতে উপদেশ দিয়ে মুক্তি দিলেন।

    গুন্ডাদের জগতে খুনি ওনির শত্রুও ছিল ঢের, কারণ অনেকে তাকে হিংসা করত।

    একদিন এক নাচঘরে খুব নাচ-গান চলছে, শত-শত লোক আমোদ করছে, এমন সময়ে খুনি ওনি ধীরে ধীরে সেখানে প্রবেশ করলে। তাকে দেখেই সবাই ভয়ে তটস্থ, নাচ গেল থেমে এবং অনেকেই পালাবার উপক্রম করলে।

    ওনি সবাইকে অভয় দিয়ে হেসে বললে, তোমরা যত খুশি নাচো–গাও–আমোদ করো! ভয় নেই, আজ আমি মারামারি করতে আসিনি। আবার নাচ শুরু হল, খুনি ওনি নিতান্ত নিরীহের মতন বসে নাচ দেখতে লাগল।

    কিন্তু তখনি তার শত্রুমহলে খবর রটে গেল যে, খুনি ওনি আজ একলা পথে বেরিয়েছে!

    এগারো জন শত্রু নাচঘরের বাইরে দাঁড়িয়ে তার জন্যে অপেক্ষা করতে লাগল। ওনি বাইরে আসতেই এগারোটা রিভলভার গুলিবৃষ্টি করলে। ছয়টা গুলি ওনির গায়ে ঢুকল–সে। রাজপথে অজ্ঞান হয়ে পড়ে গেল।

    হাসপাতালে পুলিশ যখন জিগ্যেস করলে, কারা তোমাকে মেরেছে? ওনি তখন বললে, সে-কথায় তোমাদের দরকার কি? কারুর নাম আমি বলব না। আমার চ্যালারাই তাদের শাস্তি দেবে!

    ওনি মিথ্যে জাঁক দেখায়নি। হপ্তাখানেকের মধ্যেই তার এগারো জন শত্রুর মধ্যে তিনজনকে পরলোকে প্রস্থান করতে হল। এবং ওদিকে ছয়-ছয়টা গুলি খেয়েও খুনি ওনি মরল না। কিছুদিন পরে সে আবার সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ফিরে এল! ইয়াঙ্কি-গুন্ডাদের গল্প তোমাদের হয়তো ভালোই লাগছে; তোমাদের মধ্যে যারা অ্যাডভেঞ্চার খোঁজো, তারা হয়তো ভাবছ, কী মজার ওদের জীবন। কিন্তু তোমরা হয়তো জানো না যে, গুন্ডারা প্রায় সকলেই জীবনে কখনও সুখী হতে পারে না। অধিকাংশ গুন্ডারই পঁচিশ-ত্রিশ বৎসর বয়সের ভিতরেই প্রাণদণ্ডের হুকুম হয়; অনেকে যাবজ্জীবন কারাবাস ভোগ করে; যারা পুলিশকে ফাঁকি দেয়, তারা অনেকেই দাঙ্গা-হাঙ্গামা বা নিজেদের মধ্যেই মারামারি করে অল্পবয়সেই মারা পড়ে। দীর্ঘজীবী গুন্ডা জেলখানার বাইরে খুব কমই দেখা যায়। যে দু-চারজন বাঁচে, তারা প্রভুত্ব ও শক্তি হারিয়ে প্রায় ভিখারির মতো কষ্ট পায়, কারণ কোনও গুন্ডারই আধিপত্য বেশি দিন থাকে না। পরলোকের কথা কেউ জানে না। কিন্তু ইহলোকেই বেশির ভাগ গুন্ডার পরিণাম হয় ভয়ংকর। সুখে ও শান্তিতে জীবনযাপনের পক্ষে পৃথিবীতে একমাত্র শ্রেষ্ঠ পথ হচ্ছে, সৎপথ, এর চেয়ে বড় সত্য আর নেই।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরবিন হুড – হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Next Article হেমেন্দ্রকুমারের গল্প – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    Related Articles

    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    মানুষের গড়া দৈত্য – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমারের গল্প – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রবিন হুড – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    জয়তু জয়ন্ত – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    ঐতিহাসিক সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    কিশোর রহস্য উপন্যাস – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }