Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রহস্য রোমাঞ্চ : সম্পাদনা – বিশ্বরূপ মজুমদার

    বিশ্বরূপ মজুমদার এক পাতা গল্প186 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নীল পাহাড়ের জ্বলন্ত মূর্তি – কেয়া চ্যাটার্জী

    নীল পাহাড়ের জ্বলন্ত মূর্তি – কেয়া চ্যাটার্জী

    জিপ থেকে নেমে কিছুটা পাথুরে পথ পেরিয়েই বাড়িটা দেখতে পেল কুন্তল। অস্ফুটে বলে ফেলল, “এইটা?” সঙ্গী ভদ্রলোকটি ব্যাঙ্গাত্মক হেসে বলল, “এইটাই তো আজ থেকে আপনার রাজপ্রাসাদ।” কুন্তল দেখল ক’টা দাঁত বের করা ইটের সারি আবদ্ধ হয়ে তৈরি হয়েছে একটা ঘর, টিনের দরজা, টালির চাল। লোকটা বলল, “পেছনের দরজা দিয়ে বেরোলেই বাথরুম, কল ঘর সব আছে।” ভেতরে একটা চৌকি পাতা। দুটো বালিশ আর রান্না করার জন্য একটা স্টোভ আর কিছু বাসনপত্র রাখা আছে আগে থেকেই। কুন্তল দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে। আধা সরকারি ফরেস্ট গার্ডের চাকরিতে এর থেকে ভাল আপ্যায়ন আশা করা ভুল। তাও যদি জায়গাটা পশ্চিমবঙ্গ হতো তো ছুটিতে বাড়ির লোকের মুখ দেখা যেত। কিন্তু এটা নাগাল্যান্ড। ভারতবর্ষের একেবারে উত্তর-পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত তিনদিক পর্বত ঘেরা এক ছোট্ট রাজ্য। কুন্তল কিছুক্ষণ চৌকির ওপর চুপচাপ বসে রইল। হয়তো নিজেকে বোঝাল, বেশ কিছুদিন বা কয়েক বছর তাকে এখানেই প্রাণ হাতে নিয়ে বেঁচে থাকার লড়াইটা চালিয়ে যেতে হবে। অন্তত যতদিন না একটা ঠিকঠাক চাকরি জুটছে।

    “উত্তর-পূর্বে অরুণাচল প্রদেশ, দক্ষিণে মণিপুর, পশ্চিম আর উত্তর-পশ্চিমে আসাম, পূর্বদিকে মায়ানমার। তারই মাঝে আমাদের এই সবুজ রাজ্য নাগাল্যান্ড।” সিনিয়ার অফিসার অমিতাভ শিকদারের কথা মন দিয়ে শুনছে কুন্তল। বর্তমানে তার প্রথম ও প্রধান কাজ এই গোটা চত্বরের নাড়ি নক্ষত্র, পথঘাট, ভাষা, রীতিনীতি সব নখদর্পণে জমা করা। যেন কেউ ঘুম থেকে তুলে জিজ্ঞাসা করলেও নির্ভুল উত্তর দিতে পারে। শিকদারের কথার মাঝেই অন্যমনস্ক হয়ে পড়ে সে। তার চোখের সামনে ভেসে উঠছে পাড়ার রোয়াক, পুকুর, রাস্তা, রিক্সা স্ট্যান্ড, বন্ধু, পরিবার। নিঃসঙ্গ জঙ্গলে নিজেকে বাস্তবের শঙ্কর মনে হয় মাঝে মাঝে। ভাগ্যক্রমে সিনিয়ার অফিসারটি বাঙালি। কুন্তল অবাক হয়ে শোনে। লোকটা কয়েক বছরেই কেমন মুখস্থ করে ফেলেছে গোটা এলাকাটা। অনায়াসে একটা বড় দা নিয়ে জঙ্গলের গভীরে আগাছা কাটতে কাটতে ঢুকে পড়েন। আবার ঠিক পথ চিনে বেরিয়ে আসেন। কাঁধের ব্যাগে থাকে লাল, বেগুনি, সবুজ জংলী ফল। কত নাম না জানা ফুল ফুটে থাকে জঙ্গলে। তাদের এক-এক জনের এক-এক রকম বর্ণ, গন্ধ। জঙ্গলে একটা ঝিম ধরানো আবহ সৃষ্টি হয়। কুন্তলের আজকাল সেই পরিবেশটা খুব ভাল লাগে। এখন সে-ও একা একাই ঘুরতে বেরিয়ে পড়ে। শিকদার খুশি হয়। বলে, “এভাবেই তো চিনতে পারবে, ভালোবাসতে পারবে জঙ্গলকে। জঙ্গলকে তুমি যা দেবে, তার দ্বিগুণ ফিরিয়ে দেবে। কিন্তু জঙ্গলের নিয়ম ভাঙলেই তোমার সর্বনাশ নিশ্চিত।” শিকদার লোকটা জঙ্গলকে সন্তানসম ভালোবাসেন। কুন্তলও ধীরে ধীরে এই আলো-ছায়ার ধাঁধার নেশায় মোহিত হয়ে পড়ছে।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    Books
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    কৌতুক সংগ্রহ
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    লাইব্রেরি
    বইয়ের তালিকা
    ই-বই পড়ুন

     

    কুন্তলের পকেটে এখন জুটেছে লাইসেন্সড রিভলভার। জোরকদমে ট্রেনিং চলছে। চোরা শিকারিদের জব্দ করতে ফরেস্ট গার্ডদের বন্দুক চালানো শিখতেই হয়। কিন্তু তার সঙ্গে হুকুম থাকে, খবরদার কোনও পশু যেন আহত না হয়। আরও অনেক কিছুই কুন্তল শিখেছে। রান্না করা, শাক ভাত খেয়ে দিনের পর দিন কাটানো, হাতির পিঠে চেপে জঙ্গল পরিদর্শন করা, স্থানীয় ভাষা, নিয়ম কানুন সব।

    এক রাত্রে কুন্তলের দরজায় জোর ধাক্কা। শব্দ শুনেই ধড়মড়িয়ে উঠে বসে সে। এখানে রাত্রে বেশিরভাগ সময় কারেন্ট থাকে না। বালিশের কাছে রাখা টর্চ আর বন্দুকটা বাগিয়ে ধীরে ধীরে দরজার কাছে গিয়ে নাগাল্যান্ডের ভাষায় জিজ্ঞাসা করে, “কে?” ওপাশ থেকে উত্তর আসে, “আরে আমি শিকদার। দরজা খোলো।” কুন্তল স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে‌ দরজা খোলে। অমিতাভ ঘরে ঢুকে এদিক ওদিক খুঁজে তার পিঠের ব্যাগে শুকনো খাবার ঢুকিয়ে নেয়। কুন্তলকে বলে রিভলভার লোড করে নিতে। আর যা কার্তুজ আছে তাও নিয়ে নিতে। কুন্তল অবাক হয়ে চেয়ে থাকে। সব কাজ শেষ করে শিকদার চৌকিতে টানটান হয়ে শুয়ে পা নাড়াতে নাড়াতে বলে, “শুয়ে পড়ো চটপট। কাল ভোরের আগেই বেরোতে হবে। পূর্বদিকের জঙ্গলে চোরা শিকারির খোঁজ মিলেছে। হাতেনাতে ধরতে হবে।” বলাবাহুল্য কুন্তলের এই প্রথম জঙ্গল অভিযান। এর আগের দিনগুলো জঙ্গল চিনে বেরিয়েছে। এবার এসেছে গার্ডের চাকরির আসল কাজ। স্বভাবতই শিহরন খেলে গেল তার শরীরে। তবু নিজের অনুভূতি চেপে রেখে শিকদারের পাশেই শুয়ে পড়ল।

     

    আরও দেখুন
    অনলাইনে বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    অনলাইন বুকস্টোর
    নতুন বই
    বই ডাউনলোড
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বাংলা কৌতুক বই
    PDF
    কৌতুক সংগ্রহ
    বুক শেল্ফ

     

    || ২ ||

    ভোরের আলো ফোটার আগেই ওরা তৈরি হয়ে নিল। জঙ্গলের বুনো গন্ধ শরীরে মেখে তারা মিশে গেছে ঘন সবুজে। শিকদার অভ্যস্ত হাতে আগাছা ছাঁটতে ছাঁটতে এগিয়ে চলেছে। একনাগাড়ে বলে যাচ্ছে নাগাল্যান্ডের ব্যথাতুর ইতিহাস। ইংরেজদের হাত থেকে ভারতের স্বাধীনতা পাওয়ার পরেও এক ছোট্ট রাজ্যের আর-এক স্বাধীনতার লড়াইয়ের ইতিহাস। শিকদারের গম্ভীর কণ্ঠের সঙ্গে মিশে যাচ্ছে অজানা পোকাদের গুনগুনানি, শুকনো পাতার মর্মরধ্বনি, পাম, বাঁশ, টিম্বরের মতো চিরহরিৎ বৃক্ষের ঝিম ধরানো গন্ধ। ইতিমধ্যে কুন্তল এটা জেনে আশ্বস্ত হয়েছে যে তারা দুজনেই নয়, আরও দুই প্রান্ত থেকে আসছে আর-একটা টিম। এই চোরাশিকারিরা বেশ ক’দিন ধরেই বেগ দিচ্ছে বনদফতরকে। এবারে এদের বাগে পেয়ে শায়েস্তা করতে হবে। অনেকক্ষণ একটানা হাঁটার পর ক্লান্ত হয়ে দুজনে বসে পড়ে একটা ইউক্যালিপ্টাস গাছের তলায়। এই গাছের গায়ে একটা সুন্দর গন্ধ আছে। ক্লান্তি দূর করে। শিকদার হাসে, “এই গাছের বাকল দিয়েই তো ব্যথার মলম, বাম তৈরি হয়। তাই গন্ধটাও চেনা।” শিকদার ডিমাপুর বাজার থেকে এনেছে প্রচুর শুকনো খাবার। এই জঙ্গলে রেঁধে খাওয়া তো অসম্ভব। ফ্লাস্কে আনা গরম গরম কফি খেয়ে ওরা আবার যাত্রা শুরু করে। শিকদার মাঝে মধ্যেই ম্যাপ দেখে নিচ্ছে। এই গহীন উপত্যকায় মোবাইল টাওয়ার পাওয়ার কথা স্বপ্নেও ভাবা যায় না। ক্ষণে ক্ষণে কড়কড় করে বেজে উঠছে ওদের দুজনের পকেটে থাকা ওয়াকিটকি। সেটা থেমে গেলে ঝিঁঝি পোকার উন্মাদনা আর শুকনো পাতার খসখসানি।

     

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    বই ডাউনলোড
    বই পড়ুন
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    বাংলা সাহিত্য
    ডিজিটাল বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ

     

    একটা অঞ্চলে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গেই চারিদিক আধো অন্ধকার দেখে থমকে দাঁড়াল কুন্তল। এখনই সন্ধে হয়ে গেল? শিকদার বোঝায়, এখানকার জঙ্গল বেশ ঘন। অনেকটা রেইন ফরেস্টের মতো। পাতার ঘনত্ব এত বেশি আর আকার এতটা প্রশস্ত যে সূর্যের আলোও ঠিক মতো প্রবেশ করে না। কিন্তু বেশি দূর এগোতে পারে না ওরা। জঙ্গলে সহসা একটা চঞ্চলতার সৃষ্টি হয়েছে। এতক্ষণ যে শান্ত নিরিবিলি পরিবেশ ছিল সেই চাদর সরিয়ে ফেলে কারা যেন দাপাদাপি শুরু করেছে। কুন্তল দেখে একপাল বাঁদর এক গাছ থেকে আর-এক গাছে লাফালাফি করছে। কাঁউ কাঁউ শব্দে ভরিয়ে তুলছে চারিদিক হরিণের দল। তাদের সামনে দিয়েই ছুটে চলে গেল একপাল শম্বর হরিণ। যেন মানুষের উপস্থিতি বুঝতেই পারছে না। শিকদার কুন্তলকে হ্যাঁচকা টান মেরে সরিয়ে নিয়ে এল একটা গাছের তলায়। বলল, “কুন্তল কুইক। উঠে পড়ো।” কুন্তলের এখনও গাছে ওঠার প্র্যাকটিস ঠিক মতো হয়নি তবু অনভ্যস্ত হাতে ওপরে উঠতে উঠতেই জিজ্ঞাসা করে, “স্যার কী হয়েছে?” সংক্ষিপ্ত উত্তর শুনে তার হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যায়। “অ্যাঁ, বাঘ!”

    “জঙ্গলের একটা নিজস্ব নিয়ম আছে বুঝলে কুন্তল। এই যে দেখলে সব প্রাণী হইচই করছে। এতে ওরা পরস্পরকে বুঝিয়ে দিল যে সামনেই বিপদ। সবাই নিজের নিজের জায়গা থেকে সরে গেল। গাছের ডালটা শক্ত করে ধরে থাকো। যাইহোক, এবার বাঘ বাবাজি এসে বরাত জোরে যাকে পাবে তাকে দিয়েই লাঞ্চ-ডিনার সারার ব্যবস্থা করবেন।” শিকদার গাছের ডালে বসেই কুন্তলকে পাঠ পড়াচ্ছেন। কুন্তলের এখন এসব কিছুই ভাল লাগছে না। ভালোয় ভালোয় বেঁচে ফিরতে পারলে হয়। শিকদার হঠাৎ চুপ মেরে যায়। কুন্তলকে চোখের ইশারায় একটা নির্দিষ্ট দিক দেখায়। কুন্তল গলায় ঝোলানো দূরবিনটা চোখে লাগিয়ে দেখে ঝোপের ভিতর নড়াচড়া করছে হলদে কালো ডোরাকাটা প্রাণীটি। ঠিক বিড়ালের মতো ঘাপটি মেরে বসে আছে। চোখের নিমেষে পেরিয়ে গেল একটা জংলী শুয়োর। বাঘটা তড়িৎ বেগে ঝাঁপিয়ে পড়ল তার ওপর। হরিণ হলে হয়তো ন্যাশনাল জিওগ্রাফি চ্যানেলের কোনও দৃশ্য সামনাসামনি উপভোগ করা যেত কিন্তু ইনি বরাহ। বাঘের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দৌড়োনোর মতো এলেম এর নেই। ফলত বাঘের থাবাতেই তার ইহকালের পরিসমাপ্তি ঘটল। নিরীহ প্রাণীটার আর্তনাদ আর বাঘের গর্জনে কানে তালা লাগার উপক্রম। শুয়োরটাকে মুখে ধরে আবার নিঃশব্দে বাঘটা মিশে গেল বনের ভিতর। শিকদার গাছ থেকে নামতে নামতে বলল, “ব্যস। এখন আর চিন্তা নেই। ও ব্যাটা এখন খাবে। বাকি খাবার লুকাবে। তারপর জল খেতে যাবে। ততক্ষণে আমরা এই এলাকা ছেড়ে বেরিয়ে যেতে পারব। তবে আমরা যেমন বাঘ দেখেছি। বাঘও কিন্তু আমাদের দেখেছে। শুধু পাত্তা দেয়নি বলে বেঁচে আছি।” শিকদার এগোতে থাকে। কুন্তল মনে মনে ঈশ্বরকে প্রণাম করতে করতে তার পিছু নেয়।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    বইয়ের
    বাংলা কৌতুক বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    গল্প, কবিতা
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    অনলাইন বুকস্টোর
    লাইব্রেরি
    PDF
    PDF বই

     

    দিনের আলো পড়ে এল প্রায়। এখনও কোনও নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছয়নি ওরা। ওয়াকিটকির শব্দও থেমে গেছে। কুন্তল শ্রান্ত হয়ে পড়েছে। এভাবে সারাদিন যে জঙ্গলে ঘুরে বেড়াতে হবে তা কে জানত? অমিতাভ শিকদারের কোনও হেলদোল নেই। সে এক হাতে আগাছা কাটছে আর এগোচ্ছে। বাঘের ঘাঁটি থেকে বেশ কিছুটা দূরে এসে পড়েছে ওরা। পেটের ভিতর ইঁদুরে লাফালাফি শুরু করেছে। কাহাতক শুকনো চিড়ে মুড়ি খেয়ে কাটানো যায়! কুন্তল এবার বেশ বিরক্ত হয়েই জিজ্ঞাসা করল, “অনেকটা পথই তো পেরিয়ে এলাম স্যার। এখনও তো কিছু পেলাম না।” এই কথায় শিকদার থমকে গেল। পিছন ফিরে শূন্য দৃষ্টিতে কুন্তলের দিকে তাকিয়ে রইল। কুন্তল মনে মনে প্রমাদ গুনল। এই বুঝি বকাঝকা শুরু হল। শিকদার কিন্তু কিছুই করল না। ব্যাগ থেকে ম্যাপ বের করে টানটান করে ধরতে বলল কুন্তলকে। তার উপর কম্পাস রেখে ডানদিক বাঁদিক ঘুরে ফিরে ধপ করে মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়ল মাটিতে। কুন্তল ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেল। হলটা কী লোকটার? সেও হাঁটু মুড়ে বসে জিজ্ঞাসা করল, “কী হল স্যার?” শিকদার মাথা নেড়ে জবাব দেয়, “সর্বনাশ হয়ে গেছে কুন্তল। আমরা পথ হারিয়েছি।”

    || ৩ ||

     

    আরও দেখুন
    ই-বই পড়ুন
    অনলাইনে বই
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    স্বাস্থ্য টিপস
    বইয়ের তালিকা
    বাংলা বই
    PDF বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    উপন্যাস সংগ্রহ

     

    অমিতাভ শিকদারের কথা শুনে কুন্তলও আর নিজেকে ঠিক রাখতে পারল না। সে-ও হড়মুড় করে বসে পড়ল শিকদারের পাশে। ভেতরটা কেমন ফাঁকা ফাঁকা লাগছে। এ যাত্রায় আর বুঝি বাড়ির মুখ দেখা হল না। বাঘের বা অন্য কোনও হিংস্র প্রাণীর পেটেই শেষকৃত্য সমাধা হবে। অন্ধকার গাঢ় হয়ে আসছে। পাখিরা আকাশ বাতাস মাতিয়ে ফিরে আসছে নিজ নিজ নীড়ে। কুন্তলের খুব কান্না পাচ্ছে। যে জঙ্গলে দিনের আলো প্রবেশ করে না, সেই জঙ্গলে অন্ধকারে পথ খোঁজা একপ্রকার বোকামি। এমনসময় শিকদার উঠে দাঁড়াল। কুন্তল মুহূর্ত মাত্র দেরি না করে তার পিছু নিল। শিকদার আবার একটা শক্তপোক্ত গাছ দেখে উঠতে শুরু করল। এই গাছের ডালেই সারারাত কাটাতে হবে। দিনের আলো ফুটলে আবার ফেরার পথ ধরা যাবে। তবে আপশোস একটাই যে কাজে এতদূর প্রাণের বাজি রেখে আসা সেই কাজটাই হল না। রাত গভীর হয়ে আসছে। অন্ধকারে চোখ সয়ে গেছে ধীরে ধীরে। চারিদিকে বিভিন্ন নাম না জানা পোকামাকড়ের, পশুর শব্দ। মাঝে মাঝেই গাছের নীচে ঝরা পাতার খচমচ শব্দ আসছে। ওরা হয়তো দৈনন্দিন গন্ধের থেকে একটু আলাদা গন্ধের সন্ধান পেয়েছে বলে বারেবারে ফিরে আসছে। গাছের যে ডালে ওরা বসে আছে তার ঠিক পাশেই আর-একটা ডালে বসে আছে কয়েক জোড়া বাঁদর। তাদের গাট্টাগোট্টা চেহারা দেখে কুন্তলের গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেছে। অমিতাভ স্যারের কড়া নির্দেশ ওদের সামনে কিচ্ছুটি খাওয়া যাবে না। একবার যদি ওরা ঝাঁপিয়ে পড়ে তাহলে খাবারও হাতছাড়া হবে, প্রাণটাও বেঘোরে যাবে। গাছের ডালে দুটো মানুষ ভোরের অপেক্ষায় নির্ঘুম রাত যাপন করে চলেছে। চাঁদের আলো পাতার চাদর চুঁইয়ে ঝাঁঝরি নকশা তৈরি করেছে জঙ্গুলে পাথুরে ভূমিতে। শিকদারের নাক থেকে বেরিয়ে আসছে মৃদু গর্জন। কুন্তলেরও চোখ লেগে এল। হঠাৎ দূরে একটা মশমশ শব্দে তার তন্দ্রা ভেঙে গেল। দূরবিন চোখে দিয়ে দেখতে পেল একটা ক্ষীণ আলোর আভাস পাওয়া যাচ্ছে। কুন্তল শিকদারকে মৃদু টোকা দিল কিন্তু তার ঘুম ভাঙল না। বন্দুকটা বাগিয়ে ধরে সে সন্তর্পণে নেমে এল নীচে। ভগবান হয়তো মুখ তুলে চেয়েছেন। তারা পথ হারালেও চোরা শিকারির দল হয়তো এই পথেই হানা দিয়েছে। কুন্তল মনে মনে যে-কোনও পরিস্থিতির জন্য তৈরি হয়ে নিল। সময় বড্ড কম। শিকদারের অপেক্ষা করলে যদি ওরা পালিয়ে যায়।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    স্বাস্থ্য টিপস
    অনলাইন বুকস্টোর
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    Library
    Books
    রেসিপি বই
    বুক শেল্ফ
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    ডিকশনারি

     

    কুন্তল নিঃশব্দে এগোতে লাগল। আগাছার সারিতে কাঁটা ঝোপ ভর্তি। তার হাতে পায়ে আঁচড় লাগছে, রক্ত বেরোচ্ছে তবু সে থামল না। পরিশেষে সেই আলোকে অনুসরণ করতে করতে সে বুঝতে পারল আলোটা ক্রমশ বড় হয়ে এসেছে। দূর থেকে যেটা মনে হচ্ছিল মাটির কাছে, এখন বোঝা যাচ্ছে সেটা একটা উঁচু টিলার ওপরে। এত ঔজ্জ্বল্য কুন্তল এর আগে কখনও দেখেনি। বৈদ্যুতিক বাল্বও এর কাছে ম্লান। কুন্তল বুঝতে পারে এখানে একা একা আসা তার উচিত হয়নি। ফিরে যাওয়া উচিত। এখানে চোরা শিকারিদের আসার কোনও লক্ষণ নেই। সে স্থির করল এবার ফিরে যেতে হবে। আর পিছন ফিরেই চমকে উঠল। আধো অন্ধকারে একটা মানুষ স্থির দৃষ্টিতে তার দিকে তাকিয়ে। কুন্তল তার হাতের লাঠি আর জ্বলন্ত দৃষ্টি ছাড়া আর কিছুই দেখতে পেল না। পলক ফেলতেই লোকটা কুন্তলকে পিছমোড়া করে বেঁধে জোর করে টেনে নিয়ে এল অপেক্ষাকৃত একটা ফাঁকা জায়গায়। সেখানে আরও কয়েকজন লোক দাঁড়িয়ে। তাদের সবার হাতেই একটা করে লম্বা লাঠি। লোকগুলো চক্রকারে ঘিরে রেখেছে আর-একটা লোককে। সেই লোকটাও পিছমোড়া হয়ে বাঁধা। মুখ থুবড়ে পড়ে আছে মাটির ওপর। কুন্তলকেও সেই লোকটার পাশে ধাক্কা মেরে বসিয়ে দেওয়া হল। কুন্তল শুনল তার পাশের লোকটা বলছে, “যা বলছে চুপচাপ মেনে নাও কুন্তল। বেশি ধস্তাধ্বস্তি করলেই মারছে।” কুন্তল বুঝল শিকদার ধরা পড়েছে। কিন্তু এই লোকগুলো কারা? কেনই বা ওদের এভাবে বন্দি করেছে? বহু প্রশ্ন ভিড় করে আসছে কুন্তলের মাথায়। তবে সেসব প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে ধৈর্য ধরতে হবে। মানুষগুলো সারিবদ্ধভাবে এগিয়ে চলেছে একটা নির্দিষ্ট দিকে। ওদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে চলেছে কুন্তল আর অমিতাভ। ওদের চোখে নেমে এসেছে রাজ্যের ঘুম। ক্লান্ত শরীর নড়তে চাইছে না। তবু হেঁটে যেতে হবে।

     

    আরও দেখুন
    স্বাস্থ্য টিপস
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    রেসিপি বই
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বইয়ের তালিকা
    বাংলা অডিওবুক
    PDF

     

    || ৪ ||

    “নাগাল্যান্ডে অফিসিয়ালি আদিবাসী দলের সংখ্যা কুড়ি কিন্তু আন-অফিসিয়ালি অগুনতি। সাধারণত কোনিয়াক জাতিদের নাম বেশি জানা যায়। তবে এছাড়াও রয়েছে সেমাস, ফোমস, অঙ্গামিস আরও অনেক উপজাতি। আমরা কাদের পাল্লায় পড়েছি তা বুঝতে পারছি না কুন্তল।” শিকদার এই বিপদেও নিজের জ্ঞান ভাণ্ডার উজাড় করছে। হয়তো কুন্তলকে টেনশন মুক্ত করতে চাইছে। এখন ওরা একটা মুক্ত প্রান্তরে। এখানে জঙ্গল একটু পাতলা। মনুষ্য বসবাসের চিহ্ন রয়েছে। ওদের বসিয়ে রাখা হয়েছে একটা গাছের গুঁড়ির সঙ্গে বেঁধে। এদিক ওদিক হেঁটে বেড়াচ্ছে কিছু আদিবাসী মানুষ। বসবাসের জন্য তারা বানিয়ে নিয়েছে শুকনো গাছপালা, পাথর ইত্যাদি দিয়ে বাড়ি। আগুনে পোড়া কিছু জিনিসপত্রের চিহ্নও ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। একটা আবছা আলো আলোকিত করে রেখেছে জায়গাটা। কিন্তু সেই আলোর উৎস চোখে পড়ছে না ওদের। কুন্তল বলল, “আপনি তো এদের ভাষা জানেন। একটু কথা বলে বোঝান না যে আমরা ওদের ক্ষতি করতে আসিনি।” অমিতাভ হাসে, “সে উপায় থাকলে কি আর করতাম না ব্রাদার? কিন্তু অসুবিধা আছে যে।” কুন্তল অবাক হল, “কী অসুবিধা?” অমিতাভ বলে, “এখানে ষাট ধরনের ভাষা আছে। কোনও কমন ল্যাঙ্গুয়েজে নেই। কোন আদিবাসী দল কোন ভাষা বলে কীভাবে বুঝব?” কুন্তল দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে। একটা আশার আলো দেখা গিয়েছিল, সেটাও হারিয়ে গেল। এবার বাঘের পেট ছেড়ে মানুষের পেটেই জীবনটা শেষ হয়ে যাবে। হঠাৎ একটা কোলাহল শোনা গেল দূরে। মানুষগুলো সেই শুনে সেদিকে ছুটে গেল। কিন্তু যাওয়ার আগে কুন্তল আর অমিতাভকে একা রেখে গেল না। ওদেরও সঙ্গে নিয়ে গেল তবে অবশ্যই হাত বেঁধে। অপেক্ষাকৃত একটা উঁচু জায়গায় এসে ওরা দেখতে পেল একটা ছোট্ট গুহা। সেই গুহা থেকে ছিটকে বেরোচ্ছে আলোর ছটা। কুন্তল বুঝল এই আলোই সে দেখেছিল অতদূর থেকে। এই আলোর জন্যই বিনা আগুনেই এই অন্ধকার রাতেও এই এলাকা আলোকিত হয়ে আছে। কিন্তু কোলাহলটা কীসের? অমিতাভ আর কুন্তল চারিদিক পর্যবেক্ষণ করে দেখতে পেল আর-এক দল সভ্য মানুষকে। তাদেরও এরা বেঁধে রেখেছে একটা গাছের গুঁড়ির সঙ্গে। দলের সর্দার প্রচণ্ড রাগে ফেটে পড়ছে ওদের ওপর। দূরে একটা জায়গায় আগুন জ্বালানো হয়েছে। লোকগুলো সেই আগুনের দিকে তাকিয়ে ছটফট করছে। অমিতাভ এই অবস্থাতেও ফিকফিক করে হেসে উঠল। কুন্তল অবাক চোখে চেয়ে বলল, “স্যার আপনি হাসছেন?” শিকদার বলল, “কুন্তল আমরা যাদের খুঁজতে এতদূর এলাম তারা আমাদের হাত থেকে নিস্তার পেলেও এদের হাত থেকে রক্ষা পায়নি।”

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ই-বুক রিডার
    স্বাস্থ্য টিপস
    বুক শেল্ফ
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    গ্রন্থাগার
    বই ডাউনলোড
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    বাইশে শ্রাবণ
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    Library

     

    “কী করে বুঝলেন, এরা চোরা শিকারি?”

    “ওই যে দেখছ রাইফেল। ওরকম রাইফেল আমরা ব্যবহার করি না। পাশে দেখো বস্তা রয়েছে। আমি শিওর এরাই সেই দল।”

    কুন্তল মনে মনে শিকদারের পর্যবেক্ষণ ক্ষমতাকে কুর্নিশ জানালো। কিন্তু এই মুহূর্তে এদের নিয়ে কেন গণ্ডগোল হচ্ছে সেটাই বুঝতে পারল না। দলের সর্দার বারবার গুহার দিকে ফিরে কিছু বলছে আর প্রণাম করছে। কুন্তল শিকদারকে কিছু জিজ্ঞাসা করার আগেই সে বলে উঠল, “তুমি যে কী সাংঘাতিক একখানা গুপ্তধন আবিষ্কার করেছ না কুন্তল তা তুমি নিজেও জানো না!” কুন্তল অবাক চোখে তাকাল, “আমি?” অমিতাভ বলল, “ওই যে ওই গুহা দেখছ। ওতে রয়েছে একটা রহস্যময় মূর্তি। এই মূর্তির কথা কেউ জানতে পারত না যদি না দুজন পর্যটক ঘুরতে ঘুরতে চলে আসত এই নীল পাহাড়ে। সে প্রায় এক যুগ আগের ঘটনা। গল্পটা লোকমুখে প্রচলিত। ওরা ছিল পাশের দেশ মায়ানমারের বাসিন্দা। ওদের শখই ছিল রংরুটে ঘুরে বেড়ানো। ঘুরতে ঘুরতে এই তল্লাটে এসে ওরা রাতে থাকার জন্য একটা ফাঁকা জায়গা দেখে তাঁবু খাটাল। পরক্ষণেই ওদের নজরে এল এই আলো। এত তীব্র আলো এত ঘন জঙ্গলে এল কীভাবে সেই ভেবেই ওরা অবাক হয়ে গেল। ওরাও তোমার মতোই এগিয়ে এল এদিকে। পেরিয়ে ফেলল সীমানা আর আমাদেরই মতো বন্দি হয়ে গেল।”

     

    আরও দেখুন
    বাংলা কৌতুক বই
    গল্প, কবিতা
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    ডিজিটাল বই
    বই
    লাইব্রেরি
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বুক শেল্ফ
    বাংলা অডিওবুক
    ই-বই পড়ুন

     

    “তারপর? তারপর কী হল স্যার?”

    “তারপর? তারপর লোভ ওদের একজনের প্রাণ কেড়ে নিল।”

    “লোভ? কীসের লোভ?”

    “এই অদ্ভুত মূর্তিটা দেখে সেটা নিয়ে যাওয়ার লোভ সামলাতে পারল না একজন। সে সবার চোখ এড়িয়ে ঢুকে পড়ল গুহায়। তারপর তাকে আর পাওয়া গেল না।”

    “পাওয়া গেল না? আর আর-একজন?”

    “নাহ, কোনও চিহ্নই পাওয়া গেল না। আর-একজন এদের হাত থেকে কোনওমতে ছাড়া পেয়ে এসে পৌঁছয় লোকালয়ে। স্থানীয় পুলিশকে সব ঘটনা বলল। কে কতটা বিশ্বাস করেছিল জানা নেই। তবে লোকটা সেই যাত্রায় দেশে ফিরতে পেরেছিল।”

     

    আরও দেখুন
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা বই
    স্বাস্থ্য টিপস
    বুক শেল্ফ
    Library
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বই পড়ুন
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন

     

    কুন্তলের ভেতরটা আবার নড়ে উঠল। সেই লোকটা পালাতে পেরেছিল। ওরা কি পারবে? আদিবাসীরা এবার চোরা শিকারিদের টেনে হিঁচড়ে সেই আগুনের দিকে নিয়ে যেতে চাইল। বুঝতে বাকি থাকল না, শুধুমাত্র পশুর চামড়া, হাতির দাঁত বা দামি গাছই নয় এদের নজর পড়েছিল এই আলোকিত মূর্তির ওপরেও। সেই অপরাধের শাস্তি দিতেই উঠে পড়ে লেগেছে এরা। তাদের আরাধ্য দেবতাকে এভাবে অপহরণের শাস্তি মৃত্যু ছাড়া আর কিছু হতেই পারে না। লোকগুলো আপ্রাণ চেষ্টা করছে নিজেদের রক্ষা করার। আচমকা একটা ধাক্কা এসে পড়ল কুন্তল ও অমিতাভর শরীরে। ওদেরও ঠেলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে জ্বলন্ত ভাটির দিকে। অমিতাভ তার জানা সমস্ত ভাষা প্রয়োগ করেও ওদের বোঝাতে পারল না যে তারা ওদের কোনও ক্ষতিসাধন করতে আসেনি। একটা হট্টগোল বেঁধে গেল নিস্তব্ধ পাহাড় অঞ্চলে। হঠাৎ কুন্তলের মাথায় একটা বুদ্ধি খেলে গেল। সে আচমকা তার পিছনে বাঁধা হাত দুটো সুনিপুণভাবে বেঁকিয়ে কোমরের নীচে থেকে স্বাভাবিকভাবে সামনে এনে ফেলল। শিকদার ওর কাণ্ড দেখে অবাক। কুন্তল হাসে, “পাড়ার ক্লাবে বহু বছর যোগ ব্যায়াম শিখেছি। তারই একটা নমুনা স্যার।” এবার বাঁধা হাতের মাধ্যমেই পকেটে থাকা ছুরিটা বের করে এনে কোনও মতে দড়ির বাঁধন আলগা করে নিল। নিজের বাঁধন খুলেই সে খুলে দিল অমিতাভর বাঁধন। ক্ষিপ্রতার সঙ্গে কাজটা করে ফেলেই ওরা সকলের নজর এড়িয়ে পৌঁছে গেল পাহাড়ের ঢালের দিকে। কিন্তু খাড়া পথ। নামতে গেলেই পা পিছলে পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।

     

    আরও দেখুন
    পিডিএফ
    অনলাইন বুকস্টোর
    ই-বই পড়ুন
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    রেসিপি বই
    বইয়ের তালিকা
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ

     

    অনেক ভেবে অমিতাভ কুন্তলের হাত ধরে ক্ষিপ্র গতিতে ঢুকে পড়ে ওই জ্বলন্ত মূর্তির গুহার ভেতর। কুন্তলের বুকের ভেতরটা ঢিবঢিব করতে থাকে। কোলাহলের তীব্রতা আরও বেড়ে যায়। আলোর সামনে দাঁড়িয়ে ওরা বুঝতে পারে এটা কোনও অলৌকিক মূর্তি নয় বরং একটা প্রমাণ সাইজের আকর খনিজ। এর কোনও নির্দিষ্ট আকার নেই। পাথরটির শুভ্র আলোর দিকে মুগ্ধ দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতে থাকতে কুন্তল অস্ফুটে বলে ফেলে, “স্যার এটা তো… এটা তো রেডিয়াম।” অমিতাভ মাথা নাড়ে, “হ্যাঁ, পিওর রেডিয়াম। এখানে এই খনিজ খুব একটা মেলে না। আমি কখনও জীবনে এত বড় রেডিয়াম দেখিনি। এর আলোকেই এই প্রজাতি দেবতা জ্ঞানে পূজা করে।”

    “এখানে কি রেডিয়ামের খনি আছে?”

    “না কিন্তু ইউরেনিয়ামের আছে। ইউরেনিয়াম ক্ষয় হয়েই তৈরি হয় রেডিয়াম। নাকে রুমাল চাপা দাও। এর গ্যাস মারাত্মক ক্ষতিকর। বিজ্ঞানী ক্যুরি এই গ্যাসেই মারা গেছিলেন।”

    কুন্তল বলে উঠল, “স্যার এখান থেকে বেরোব কীভাবে?” অমিতাভ হামাগুড়ি দিয়ে একটু এগিয়েই একটা কিছু দেখে একচোট হেসে নিয়ে বলল, “যদি কপালে থাকে তাহলে নিশ্চয়ই আমরা বেঁচে ফিরব। এসো।” বলেই কুন্তলকে টেনে মাটিতে বসিয়ে একটা গুপ্ত গহ্বরে নিজেকে পিছলে দিল। কুন্তলও এক মুহূর্ত দেরি না করে পিছু নিল।

    ঠিক কতক্ষণ সময় লাগল তা জানা নেই কিন্তু ওই গুহার গুপ্ত গলিপথ ধরে ওরা সোজা এসে পড়ল একটি জলাশয়ে। কুলু কুলু বয়ে চলা সেই নদীর জল মেখে যখন ওরা মুক্তির নিশ্বাস নিল তখন পুবের আকাশ রাঙা হয়ে এসেছে। অমিতাভর ওয়াকিটকি সিগন্যাল পেয়ে আবার কর্কশ ধ্বনি তুলল। অমিতাভ নানানভাবে দলকে বোঝাতে চাইছে তাদের অবস্থান। আর কিছুক্ষণের মধ্যেই রেসকিউ টিম চলে আসবে। কুন্তল এক জায়গায় গুটিশুটি মেরে বসে ভাবতে লাগল প্রকৃতির অদ্ভুত খেলা। প্রাকৃতিক ভাবে তৈরি ওই গুপ্তপথ যদি ওই গুহায় না থাকত তাহলে কীভাবে বেঁচে ফিরত ওরা? বাঁচতে কি পেরেছিল সেই লোকটাও। সভ্যতা যদি সব কিছুই গ্রাস করতে চায় তাহলে প্রকৃতির রহস্যময়তা থাকবে কীভাবে? থাক না কিছু অব্যক্ত। কুন্তল শুনতে পায় রেসকিউ টিমের বাঁশির শব্দ। নতুন এক সূর্য উঠেছে।

    .

    কেয়া চ্যাটার্জী

    জন্ম ও বেড়ে ওঠা কলকাতায়। আপাদমস্তক বাংলা মিডিয়ামের শিক্ষার্থী। অনেক বাধা পাওয়া সত্ত্বেও ইংরেজি সাহিত্য নিয়ে পড়াশুনা করেছেন। কয়েক বছর শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে বর্তমানে এক পুত্র সন্তানের জননী হওয়ায় কর্মজীবন স্থগিত রয়েছে। লেখালেখির থেকেও পড়তে বেশি ভালোবাসেন। মানুষের মনের কথা ও ছোটদের রঙিন জীবন নিয়ে লিখতে বেশি পছন্দ করেন। ভালো লেখিকা হওয়ার স্বপ্ন দেখেন প্রতি মুহূর্তে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত ২ – বিনয় ঘোষ
    Next Article ইতিহাস কথা বলে – সম্পাদনা : বিশ্বরূপ মজুমদার

    Related Articles

    বিশ্বরূপ মজুমদার

    ভৌতিক অলৌকিক ১ – সম্পাদনা : বিশ্বরূপ মজুমদার

    November 4, 2025
    বিশ্বরূপ মজুমদার

    ভৌতিক অলৌকিক ২ – সম্পাদনা : বিশ্বরূপ মজুমদার

    November 4, 2025
    বিশ্বরূপ মজুমদার

    ইতিহাস কথা বলে – সম্পাদনা : বিশ্বরূপ মজুমদার

    November 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }