ফটিকের মা – মৃত্যুঞ্জয় দেবনাথ
ফটিকের মা – মৃত্যুঞ্জয় দেবনাথ
ফটিক মা-অন্ত প্রাণ। আজ বিশ বছর পরেও মাকে একদণ্ডের জন্য ভুলে থাকতে পারে না ও। সারাদিনের কাজের ফাঁকে ক্ষণেক্ষণে মাকে মনে পড়ে ওর। কখনও স্বপ্ন দেখে। মা এসে উঠোনে দাঁড়িয়েছেন। ও ছুট্টে গিয়ে কোল আঁকড়ে ধরে, হামি খায় কদ্দিন না-দেখা মায়ের গালে। তারপর ফট করে ঘুম ভাঙে। তাকিয়ে দেখে কেউ নেই কোত্থাও। একা শুয়ে আছে ও বারান্দার একচিলতে কুঠুরিতে।
এখনও স্পষ্ট মনে পড়ে মায়ের মিষ্টি-কোমল মুখটা ফটিকের। কত যত্নে বুকে আগলে রাখতেন তাকে মা। রাত্তিরে বিছানায় কাত হলে ওর মাথার চুলে আঙুল পুরে সার কাটতেন। তারপর কখন ঘুম চলে আসত ওর। ঘুম ভেঙে দেখত উঠোন ঝাঁট দিচ্ছেন মা। সকালের রোদ্দুরের মতো উজ্জ্বল তার হাসিমুখ। পাখির কাকলির মতো মিষ্টি স্বর। ওর দিকে চেয়ে বলতেন, “ঘুম ভাঙল সোনা? এবারে ঝটপট মুখ ধুয়ে নাও। একটু দুধ-বিস্কুট খাও। তারপর অনেক পড়া বাকি যে।”
কুসুমবালার মৃতদেহ পাওয়া গেল ওদের ঘরের পেছনকার মস্ত খালের ওইপাড়ে।
ফটিক তখন এইটুকুনি। মৃত্যুর মানেটুকুও বোঝে না। কিন্তু মা যে তার ডাকে আর সাড়া দিল না, তাতেই ও পাথর হয়ে গেল। মা-হারানোর সেই কান্না এখনও বুকে জমে ওর। নিঝুম রাতে এখনও গিয়ে দাঁড়ায় কখনও সে খালপাড়ে। ঠিক যেখানে অসাড় হয়ে পড়েছিল মায়ের ক্ষতবিক্ষত দেহটি। চোখবুজে নিস্তব্ধ দাঁড়িয়ে থাকে ও। মা এসে সামনে দাঁড়ান। মায়ের সঙ্গে কথা হয় ওর।
ফটিক ভাগ্যতাড়িত। মা চলে যেতে ভাগ্য বস্তুটি সঙ্গ ছেড়েছে ওর। মায়ের মৃত্যুর বছরের মাথায় বাবা বৃন্দাবন আর-একটি বিয়ে করলেন। ঘরে আনলেন এক দজ্জাল বউ। সেই থেকে স্নেহ-মমতাহীন এক দমবন্ধ পরিবেশে বড় হয়ে উঠতে থাকল ফটিক। এখন সে বছর বাইশ-তেইশের যুবক। হৃষ্টপুষ্ট সুঠাম চেহারার অধিকারী। মাঠেঘাটে খাটে ও এখন। এর-ওর বাড়ির মজুরের কাজ, ঘরামির কাজ, জোগাড়ের কাজ করে। লেখাপড়া হয়নি ফটিকের। তাতে দুঃখ নেই ওর কিছু। ওর তো স্বপ্নই ছিল, বড় হয়ে খুনি হবে একজন ও। তার জন্য লেখাপড়ার দরকার কী!
মা মরতে বাবাটিও কেমন হয়ে গিয়েছিল যেন। নির্দয় প্রকৃতির। উড়ে এসে জুড়ে বসা সৎমা-টি যা নয় তাই মুখ করত ওকে। সকাল-দুপুর লাথিঝাঁটা মারত। সব চোখের সামনে দেখেও রা-কাড়তেন না বাপটি তার। কেবল যখন বারান্দার এককোণে মুখ গোমড়া করে বসে থাকত ফটিক, গিয়ে পাশে বসতেন বৃন্দাবন। অসহায় চাহনি মেলে তাকাতেন। তারপর এক পলকের জন্য মাথায় হাত বুলিয়ে বলতেন, “অত গোঁ ভালো নয় রে। বড়দের কথা শুনতে হয়। মায়ের কথা শুনে চলবি। তুই ছোট যে।”
ফটিক অমনি ঘাড় ঘুরিয়ে বলে, “ও আমার মা না। ছোটকুর। আমার মা মরে গেছে। কবেই।”
মায়ের খুনি কারা, জানে ফটিক। মায়ের কাছেই শোনা। রাত আঁধারে খালপাড়ে গিয়ে উঠলে মা ওকে সুখ-দুঃখের অনেক কথা শোনায়। কারা তাকে ওই খালপাড়ে নিয়ে ফেলেছিল। কেমন করে মারল। কেন মারল। সব, সব জানিয়েছে তাকে। বড় হওয়ারই অপেক্ষায় ছিল তাই এতদিন ফটিক। এখন একে-একে প্রতিশোধ নেওয়ার পালা।
আজ লক্ষ্মণ সাউয়ের বাড়ির কাজে এসেছে ফটিক।
বাড়ি সাফসুফ করার কাজে লেগেছে ও। দেড় বিঘা জমি নিয়ে পেল্লাই বাড়ি লক্ষ্মণ সাউয়ের। কিন্তু পেছনটা জঙ্গালকীর্ণ। ছ’-মাস পরপর বাড়ির চতুর্দিক সাফসুফ করে বাড়িটাকে ঝকঝকে-তকতকে করে তোলে লক্ষ্মণ সাউ। ইচ্ছে ছিল না আসার ফটিকের। খুব খারাপ লোক এই লক্ষ্মণ সাউ। এ-পাড়া ও-পাড়ার ষণ্ডাগুণ্ডা। পার্টিটাটি করে। যদিও ওর কোনও নির্দিষ্ট দল নেই। যখন যে-দল সরকারে আসে, তখন সে-দলে নাম লেখায়। থানায় একশোটা নালিশ জমা ওর নামে। ক’টি খুনের কেসেও জড়িত। দু’-নম্বরি কাজকারবারে সিদ্ধহস্ত। তবু পাড়ার কেউ খচায় না লক্ষ্মণ সাউকে। উলটে সমঝে চলে। পাড়ার দুর্গাপূজার এখনও হর্তাকর্তা ও। চাঁদা তোলার সময় হলে এর-ওর বাড়ি গিয়ে ওর বিকটদর্শন বদনটি দেখায়। প্রয়োজনে হম্বিতম্বি করে। পুজোর চাঁদা দ্বিগুণ ওঠে তাতে। পাড়ার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সভাপতির চেয়ার অলংকৃত করে বসে থাকে লক্ষ্মণ সাউ। লেখাপড়া কম জানলেও ওজনদারিতে ঢের। জ্ঞান হয়েছে ইস্তক দেখে আসছে ফটিক, বাগদিপাড়ার সূর্য উদয়-অস্তে যায় ওই লোকটির অঙ্গুলি হেলনেই।
লক্ষ্মণ সাউয়ের বাড়ি কাজে আসার কারণ দুটি। এক, ওর কথা অমান্য করার সাধ্য নেই কারওর। ফটিকেরও না। দুই, ওর সঙ্গে পুরোনো লেনদেনের ব্যাপার আছে একটি ফটিকের। সেটা না-চোকানো অবধি শান্তিস্বস্তি নেই ওর। এবারে একটা মওকা মিলেছে। কাজের ফাঁকে বিড়ি ফুঁকতে-ফুঁকতে সুযোগটা কীভাবে কাজে লাগানো যায় তাই ভেবে চলে ফটিক।
বিড়ি ফোঁকা শেষ। আবার বুনো ঝোপে ডোবে ফটিক। দা চালানো থামিয়ে কোদাল চালাচ্ছিল তখন। অমনি ঠুনুর করে শব্দ উঠল একটি। চমকে উঠে তাকায় ফটিক। কোনও গুপ্তধনের সন্ধান পেল বুঝি ও? লক্ষ্মণ সাউয়ের বাড়ির চৌহদ্দিতে এমনটি ঘটলে আশ্চর্যেরও কিছু না। পরের ধন লুটে এনে কখন কোথায় গুঁজে রেখেছে ঠিক নেই। শেষে ভুলে মেরে দিয়েছে হয়তো বা। সন্তর্পণে আরও একটু মাটি খোঁড়ে ফটিক।
অমনি দৃশ্যমান হল বস্তুটি।
না টাকার ঘড়া নয়। সোনাদানা-মোহর জাতীয় কিছুও না। একটি পুরোনো জং ধরা পিস্তল। বস্তুটি হাতে নিয়ে সাত-পাঁচ ভাবে ফটিক। কী করবে এটি ও? কী করা উচিত? লক্ষ্মণ সাউয়ের হাতে দিয়ে আসবে? কিন্তু এতে ওর কাজ কী আর। জং পড়ে বস্তুটি যে অকেজো এখন। তবে ওর হাতে তুলে দিয়ে লাভ? তা ছাড়া, ওর চৌহদ্দিতে নিষিদ্ধ জিনিসটির সন্ধান পেল ফটিক। ফেরত দিতে গেলে লক্ষ্মণ সাউয়ের চোখে চিরকালের সন্দেহের মানুষ হয়ে উঠতে পারে সে। সাত-পাঁচ ভেবে বস্তুটি ট্যাঁকে গুঁজল ফটিক। ঘরে এনে ভাল করে পরখ করার চেষ্টা করল। ওর মায়ের পেটে একটা গুলির চিহ্ন ছিল। তা কি এই পিস্তলেরই?
এক সপ্তাহের মাথায় লক্ষ্মণ সাউয়ের অপমৃত্যু ঘটল। মৃত্যুটা আশ্চর্য রকমের। এমন মরতে কাউকে কখনও দেখা যায় না। ওর মৃতদেহ পড়ে আছে ধীরুখুড়োর আমবাগানের এক প্রান্তে। ওকে ইটপাথরের আঘাতে থেঁতলে মেরেছে কেউ। যদিও এক মাইলের মধ্যে কোনও রক্তাক্ত ইটের চিহ্ন পুলিশরা খুঁজে পায়নি। উপরি ওর মলদ্বারে গুঁজে দেওয়া একটি বহু পুরোনো জংধরা পিস্তল।
সবাই ভেবেছিল সাংঘাতিক তদন্তটদন্ত হবে লক্ষ্মণ সাউয়ের মৃত্যুর। পার্টির হোমরাচোমরা বলে কথা। কিন্তু হল না তা। কুসুমবালার কেসটির মতো ধামাচাপা পড়ল ক’দিনেই। পুলিশবাবুরা নিজেরাই বিরক্ত বুঝি। ওদের ভাবগতিক এমনই বলছিল, পুজোর প্রাক্কালে অসুর নিধন হয়ে উত্তম কাজ হয়েছে। তদন্তের গুলি মারো। আপদ বিদেয় হয়েছে। পাড়ায়-বেপাড়ায় শান্তি বিরাজ করবে এবারে। থানাপুলিশেরও শান্তিস্বস্তি। ফটিক তার দ্বিতীয় শিকারের জন্য হাত মকশো করায় মন দিল।
সপ্তাহের মাথায় নগেন ভৌমিকের আমবাগানে গলায় দড়ি দিয়ে মরল প্রসন্ন। লক্ষ্মণ সাউয়ের সাকরেদ। পুলিশ এসে গাছ থেকে ওর মৃতদেহ নামাল। কিন্তু প্রশ্ন উঠল অনেক। প্রসন্ন যদি আত্মহত্যাই করবে, তবে ওর মাথা ফাটল কেমন করে? উপরি, প্রসন্ন অনকেদিন অসুস্থ। বাতে পঙ্গুপ্রায়। এক পা খুঁড়িয়ে চলে। তবে এত উঁচু আমগাছটিতে উঠল কেমন করে?
সে যাক গে। পুলিশরা ব্যাপারটা নিয়ে মাথার টুপি খুলে ভাবল। চোখ ট্যারা করে তাকাল এর-ওর দিকে। শেষে মিচকি হেসে আপনমনে বলল, “মরুক গে যাক। শুম্ভ-নিশুম্ভ গেছে। পাড়ায় এবারে সবাই সুখে-শান্তিতে বসত করুন। আমরাও একটু বিশ্রাম নিই।”
“ফটিক এলি?”
“হ্যাঁ মা। এই যে হাতে রক্ত। তুমি দেখতে চেয়েছিলে।”
“আহা! আমার প্রাণ জুড়োল! কথা রাখলি তুই।”
“না।” ফটিক মাথা নাড়ে। “এখনও খানিক বাকি যে, মা। তবেই না আমি তোমার কাছে ফিরব। আবার তোমার কোলে মাথা রেখে ঘুমোব। তুমি আমায় দু’-হাত ভরে আদর করবে। কদ্দিন তোমায় ছেড়ে মা গো। কদ্দিন তোমার আদর খাইনি বলো!”
“শিগগির আয় সোনা। আমিও যে তোর জন্যে হাপিত্যেশ করে আছি।”
“কিন্তু আমি পারব মা? বাকি কাজটিই যে কঠিন।”
“পারতেই হবে যে।”
“তা বটে।”
“কেন? ভয় হচ্ছে? কারোর প্রতি মায়া? দরদ? তবে মায়ের মুখখান ভাব। মরা মা পড়ে আছে তোর খালপাড়ে। তার গায়ে শত এক ক্ষতচিহ্ন। তার বুকে জমাটবাঁধা রক্ত। হাতেপায়ে, গালে, বুকেপিঠে সর্বাঙ্গে বাবলাকাঁটার আঁচড়।”
“আর বোলো না মা। আর না।”
“কাঁদছিস সোনা?”
“না মা। আগুনে দগ্ধ হচ্ছি। ভেতরে যে প্রতিশোধের আগুন জ্বলছে আজ বিশ বছর।”
“সেই আগুনে তবে শেষ কাজটি করে আয়।”
বিকেল হলে বড়শি বাওয়ার বাতিক বৃন্দাবনের। এ তার যুবককালের নেশা। সঙ্গী হয় কখনও ফটিক। আজ একসঙ্গে বেরিয়েছে ওরা দু’জনে। বৃন্দাবন জিজ্ঞাসা করল, “কদমপুকুর যাবি নাকি রে? প্রচুর চারাপোনা উঠছে, খবর আছে। পরেশ বলছিল।” হনহনিয়ে হাঁটা থামায় ফটিক। ভুরু কুঁচকে তাকায়। “না, অন্যদিকে চলো। বোধহয় সুবিধে হবে না ওদিকে। হরিমহাজন দেখলে খিচিখিচ করবে। অনেক টাকার মাছ ফেলেছে। সবাই গিয়ে হইহই করে ধরে নিয়ে গেলে তার বা চলবে কেন? তা ছাড়া, ওসব সয় না আমার।”
“তবে কোনদিকে যাবি?” ফটিক মাথা চুলকোয়। বলে, “তবে খালপাড়েই চলো আজ। অনেকদিন চ্যাং-ল্যাঠা-শোল খাই না। ওখানে কইমাছও মেলে মেলা। অনেকেই গিয়ে বসে থাকে দেখি।” অনিচ্ছা দেখায় বৃন্দাবন। বলে, “বড্ড নোংরা জায়গা। বনঝোপ ভরা। সাপখোপেরও ভয়। তবু বলিস যখন, চল।”
বাপ-ব্যাটা মাছ ধরছে অনেকক্ষণ। বৃন্দাবনের কথাই ঠিক। জায়গাটা বড্ড নোংরা। মশা কামড়ে ঝাঁঝরা করে ছাড়ছে দুজনকেই। তেমনি ফটিকের কথাও মিথ্যে নয়। কই-চ্যাং-ল্যাঠা-শোলে ভরপুর সহরার খাল। দুজনে মিলে মাছের থলে ভরিয়ে এনেছে। ওদিকে বিকেল গড়ায়। বৃন্দাবন বিশ্রাম নেওয়ার ঢঙে বিড়ি ধরায়। আকাশের দিকে ধোঁয়া ছাড়ে। বিড়ি ফোঁকা শেষ করে ফটিকের দিকে তাকায়। বলে, “অনেক হল রে। চল এবারে। সন্ধ্যা ঘনায় যে।” ফটিক কুঁইকুঁই করে। আর-একটু সময় থাকার জন্য জোর করে। এমন করেই রাত্রি নামল। ছিপ-বড়শি গুটিয়ে বাপ-ব্যাটা খালপাড় ধরে হাঁটতে লাগে। আচমকা থমকে দাঁড়ায় ফটিক। বাপের দিকে মুখ ঘুরিয়ে জিজ্ঞাসা করে, “বাপ, এই জায়গাটার কথা মনে পড়ে?”
“কেন! কী মনে পড়বে! কী হয়েছে এই জায়গাটার?”
“আমার মনে পড়ে। মা মরেছিল এখানে। ঘুম ভেঙে ছুটে এসে দেখলাম, মা পড়ে আছে।”
“তো?”
“বাপ, লক্ষ্মণ সাউ আর প্রসন্ন সামন্ত তোমার কে হয়?”
“কেউ না। পাড়ার লোক। কেন?”
“আমি জানি। খুব জানি। ওরা তোমার সুপারি কিলার। আর তখন তুমি আমার সৎমারূপী বিধবা সুরবালার প্রেমে পাগল।”
“কী বলিস? তোর কি মাথা খারাপ হয়ে গেছে? ফটিক হাবিজাবি বকছিস বড়। তাড়াতাড়ি ঘর চল। আমার ভয় করছে। এ কী! আমায় জাপটে ধরছিস কেন? থাম, ফটিক। থাম। আমায় জলে ঠেলিস না। খালে যে অগাধ জল। ফটিক, কথা শোন। হ্যাঁ, আমি অপরাধী। ক্ষমা করে দে আমায়, বাপ। ফটিক। ফটিক। আমায় তোল। থই পাচ্ছি না যে। আমি যে তলিয়ে যাচ্ছি। ফ-টি-ক…”
বাপ যত ডাকে, ফটিক হাসে। হাসতেই থাকে।
.
মৃত্যুঞ্জয় দেবনাথ
জন্ম ২৭-শে সেপ্টেম্বর ১৯৬৭, নদিয়া জেলার রানাঘাটে। শৈশব ও কৈশোর কাটিয়েছেন নবদ্বীপ নিকটবর্তী বর্ধমান জেলার বেতপুকুর গ্রামে। রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে এম.এ ও আচার্য জগদীশ্চন্দ্র বসু কলেজ থেকে বি.এড পাশ করে শিক্ষকতায় নিযুক্ত আছেন কলকাতার একটি স্কুলে। নেশা সাহিত্যচর্চা। লিখেছেন “দেশ”, “আনন্দমেলা”, “সানন্দা”, “বর্তমান”, “শুকতারা”, “কিশোর ভারতী”, “নবকল্লোল” ইত্যাদি বাংলা সাহিত্যের নামকরা সব পত্রিকাতেই। প্রকাশিত গ্রন্থ – ‘আগডুম-বাগডুম’, ‘ইকন-বিকন’, ‘ভাল্লাগে না’, ‘সিঁধেল চোর’ ইত্যাদি।
