Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রহস্য সমগ্র – অজেয় রায়

    লেখক এক পাতা গল্প543 Mins Read0
    ⤷

    অপারেশন ব্ল্যাক স্কোয়াড

    অপারেশন ব্ল্যাক স্কোয়াড

    ঠক ঠক ঠক-দরজায় তিনবার টোকার শব্দ।

    -কে?

    আমি। দরজার বাইরে থেকে জবাব আসে।

    এসাে!—আহ্বান জানালেন চেয়ারম্যান।

    ভেজানাে দরজা খুলে ঘরে ঢুকলেন ব্যুরাে অফ ইন্টেলিজেন্সের প্রধান। লম্বা, পেটানাে চেহারা তার। একটু চাপা নাক। দু’চোখে সতর্ক দৃষ্টি। মস্ত এক টেবিল, তার পিছনে বসে চেয়ারম্যান! মাথার চুল ধবধবে সাদা। ঈষৎ লম্বাটে ভাঁজ পড়া মুখ। সাদা, খাড়া নাক। মােটা ফ্রেমের চশমার পিছনে তার উজ্জ্বল চোখ। টেবিল ল্যাম্পের জোরালাে আলাের নিচে কয়েকটি জরুরি ফাইল খােলা অবস্থায় রয়েছে।

    বসাে চিফ। হাতের ফাইলটা ড্রয়ারের ভেতর ঢুকিয়ে দিলেন চেয়ারম্যান। চিফ বসলেন চেয়ারম্যানের মুখােমুখি চেয়ারটিতে।

    চিঠিটা দেখ। –চেয়ারম্যান পাঞ্জাবির বুক পকেট থেকে একটা সাধারণ খাম বের করে চিফের দিকে এগিয়ে ধরলেন।

    খাম খােলাই ছিল। ভিতর থেকে বেরুল একটি চিরকুট। সাদা কাগজে ইংরিজি টাইপে লেখা দু’টি লাইন পনেরােই ডিসেম্বরের সভা সম্বন্ধে সাবধান। প্রাণ সংশয় হতে পারে।

    ব্যস। কে লিখেছে, কোথা থেকে, কোনাে হদিশই নেই। খামটা পরীক্ষা করলেন চিফ। ডাকঘরের ছাপ দেখে বােঝা যায় এই শহরেরই এক জায়গায় পােস্ট করা হয়েছে।

    ইতিমধ্যে চেয়ারম্যান একটি ফাইলে চোখ বােলাতে শুরু করেছিলেন। হঠাৎ খেয়াল হল চিফ নীরবে তার দিকে তাকিয়ে আছেন। ফাইল বন্ধ করে চেয়ারম্যান বললেন, কী বুঝলে?

    —ওয়ার্নিং।

    ধাপ্পাও হতে পারে।

    —তা পারে। তবে—

    বেশ, ধরা যাক সত্যি খবর।  বিপদটা কার কাছ থেকে আসবে মনে হয়?

    একটু ভাবলেন চিফ। তারপর উচ্চারণ করলেন, —ব্ল্যাক স্কোয়াড।

    —হুঁ, তাই মনে হয়। আমার উপরই ওদের সব চেয়ে আক্রোশ।

    চেয়ারম্যানের কথা শুনে চিফের মনে পড়ে যায় ব্ল্যাক স্কোয়াডের পুরনাে সব রেকর্ড। ব্ল্যাক স্কোয়াড একটি গুপ্ত দল। এই দলটা তৈরি হয়েছে বছর চারেক আগে। নানা রকম গােপন ব্যবসা এবং বেআইনি পথে প্রচুর টাকা রােজগার এই দলের উদ্দেশ্য। কার্যসিদ্ধি করতে তারা অনায়াসে খুন-জখমও করত। ক্রমে এদের লােভ বাড়ে, দেশের রাজনৈতিক ক্ষমতা দখলের দিকে হাত বাড়ায়।

    দু বছর আগে চেয়ারম্যানের দল দেশ শাসনের অধিকার পায়। কিছুকাল পরেই তারা তস্কোয়াডের বিরুদ্ধে অপারেশন শুরু করে। বেআইনি কাজকর্মের অভিযােগে এদের কিছু চাই গ্রেফতারও হয়। জেলে যায়। দলটা এখন প্রায় বসে গিয়েছে। চিফ জানতেন ব্ল্যাক স্কোয়াডের বিরুদ্ধে সরকারি প্রশাসনের তৎপরতার পিছনে রয়েছে আসলে চেয়ারম্যানের হাত। আর ব্ল্যাক স্কোয়াডও এতদিনে সে খবর পেয়ে গিয়েছে।

    চেয়ারম্যান বলেন, হয়তাে জানাে, তিন দিন আগে একটা জরুরি গােপন মিটিং হয়েছিল। মিটিং-এই ঠিক হয় যে ব্ল্যাক স্কোয়াডকে এবার পুরােপুরি ধ্বংস করে ফেলতে হবে। ব্ল্যাক স্কোয়াডকে চূর্ণ করার জন্য আমিই বেশি জোর দিই। বােঝা যাচ্ছে মিটিং-এর সিদ্ধান্ত ফাঁস হয়ে গিয়েছে। তাই ওরা আমার উপর প্রতিশােধ নিতে চায়। জানে আমায় সরাতে পারলে ওরা অনেকখানি নিশ্চিন্ত হবে। হয়তাে আমার কোনাে উপকারী বন্ধু এই চিঠি দিয়ে গােপনে সাবধান করতে চেয়েছে আমায়, অবশ্য চিঠিটা যদি না ধাপ্পা হয়।

    যদি সে দিন সভায় না যান? যদি রটিয়ে দেন আপনার শরীর অসুস্থ?—বললেন চিফ।

    —সভায় আমায় যেতেই হবে। সেদিন আমাদের দলের কিছু নতুন কর্মসূচি ঘােষণা করতে চাই। আমি না গেলে সে ঘােষণা হবে অন্য কারও মুখ থেকে। তাতে দলে আমার ভাবমূর্তি নষ্ট হতে পারে। তাছাড়া ভয়ের কাছে কখনও আমি মাথা নিচু করিনি। এর আগে বার বার আমার কাছে উড়াে চিঠি এসেছে নানা কারণে—প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে। আমি পিছাইনি। দু’বার সত্যিই আক্রমণ এসেছিল। এই দেখ গালে কাটা দাগ। অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়েছিল গুলিটা। আর একবার গায়ে লাগেনি। আর কেউ যদি এই ভাবে ধাপ্পা দিয়ে আমার ওই সভায় যাওয়া বন্ধ করতে চায় বা আমায় বােকা বানাতে চায়, সে মতলবও পূরণ হবে না। সুস্থ থাকলে সভায় আমি যাবই। তবে আত্মরক্ষার ব্যবস্থাও করব বইকি। সেই জন্যই তােমায় ডেকেছি।

    চিফ চুপ করে তাকিয়ে থাকেন। এই ব্যবস্থা সম্বন্ধে চেয়ারম্যানের কী নির্দেশ হয় সেটা আগে শােনা ভালাে।

    চেয়ারম্যান বললেন, শােনাে চিফ, আমার ধারণা তিন দিন আগের গােপন মিটিং-এর সিদ্ধান্ত ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর ব্ল্যাক স্কোয়াড মরিয়া হয়ে উঠেছে। কিন্তু এই খবর বেরুল কী করে? যাঁরা সেই মিটিং-এ উপস্থিত ছিলেন সকলেই উচু পদের লােক এবং আমাদের বিশ্বাসভাজন। তবে কি সর্ষের মধ্যেই ভূত? এদের কি কেউ ব্ল্যাক স্কোয়াডের লােক?

    চারদিন সময় দিচ্ছি তােমায়। খুঁজে দেখ ওদের মধ্যে কাকে কাকে তােমার সন্দেহ হয়। তারপর ভাবা যাবে আত্মরক্ষার উপায়! হা, এই চিঠি বা তােমার সঙ্গে আমার এই আলােচনার কথা যেন কেউ না জানতে পারে। কে যে বিশ্বাসঘাতক জানি না। আমার বন্ধুরা হয়তাে অতিরিক্ত উত্তেজনায় ফাঁস করে দেবে চিঠির কথা। যদি সত্যি আক্রমণ আসে এই সুযােগ। আমরা সতর্ক থাকলে আক্রমণকারীদের ধরে ফেলতে পারবে। জানতে পারব এর অন্য সভ্যদের হদিশ। ভাগ্যে থাকলে মাথাটিকেও ধরে ফেলতে পারি। তাহলে ব্ল্যাক স্কোয়াডকে উৎখাত করা অনেক সহজ হয়ে যাবে।

    চিফ অবাক হয়ে ভাবেন। চেয়ারম্যান সম্বন্ধে তার শ্রদ্ধা গভীর। এই মানুষটির দুর্দান্ত সাহসের অনেক গল্প তিনি শুনেছেন। এবার হাতে নাতে প্রমাণ পেলেন। নিজের জীবনকে টোপ ফেলেও শত্রুকে ঘায়েল করতে পিছপা নন। যদি চিঠির কথা সত্যি হয়? এত বড় বিপদের ঝুঁকি?

    নিজেকে খুব অসহায় লাগে চিফের। তিনি আমতা আমতা করেন, —এতখানি রিস্ক! যদি কিছু…

    চেয়ারম্যান থামিয়ে দেন, “জানি জানি। এও জানি, তিন মাস আগে আমাদের পূর্ব অঞ্চলের পার্টির সেক্রেটারি এদের হাতেই খুন হয়েছে বলে, সন্দেহ। যদিও কাউকে ধরা যায়নি। ব্ল্যাক স্কোয়াডের ব্যাপারে ওই সেক্রেটারি ছিল আমার সাপাের্টার। তাই এদের ধ্বংস করতেই হবে। আর এই হচ্ছে ফাঁদ।”

    চিফ চলে যাওয়ার মিনিট পাঁচেক বাদেই চেয়ারম্যান টেলিফোনের রিসিভারটা তুলে নিয়ে নাম্বার ডায়াল করলেন।

    “-হ্যালাে! কে প্রফেসর? আমি চেয়ারম্যান বলছি। একবার আসতে পারবেন আমার বাড়িতে? এখুনি! খুব দরকার। নইলে আমিই যেতে পারি। ও-তুমিই আসবে? ধন্যবাদ!”

    চেয়ারম্যান প্রফেসর বলে যাকে সম্বােধন করলেন তিনি হচ্ছেন ইনস্টিটিউট অফ কম্পিউটার সেন্টারের ডিরেক্টর। তরুণ বয়সে চেয়ারম্যান ও তিনি কিছুকাল একই কলেজে অধ্যাপনা করেন। তারপর দুজনের জীবনপথ আলাদা হয়ে যায়। চেয়ারম্যান ঝাঁপিয়ে পড়েন রাজনীতিতে। আর প্রফেসরও ছাত্র পড়ানাের চেয়ে গবেষণার কাজেই বেশি মন দেন। তবু দু’জনের বন্ধুত্বটা অটুট রয়েছে। দু’জনেই নিজের ক্ষেত্রে আজ বিখ্যাত। এখন পরস্পরের সম্বােধনটা দাঁড়িয়েছে প্রফেসর এবং চেয়ারম্যান। খাতিরের ডাক নয়, মজা করে ডাকা।

    আধঘন্টার ভিতরেই প্রফেসর চেয়ারম্যানের কাছে হাজির হলেন। প্রফেসর চেয়ারম্যানের মতন লম্বা রােগা নন। কিঞ্চিৎ খর্বকায় ও গাট্টাগােট্টা। গােল মুখ। এলােমলাে কাঁচাপাকা চুল। চলাফেরা যুবকের মতাে চটপটে। চেয়ারম্যানের সামনের চেয়ারে বসেই প্রফেসর জিজ্ঞেস করলেন—“কী ব্যাপার?”

    “-কী খাবে? চা না কফি?”

    “কিছু না। কী ব্যাপার বলাে?”

    ধীরে ধীরে বলেন চেয়ারম্যান,“—মনে আছে দু বছর আগে আমার লাইফের উপর একটা অ্যাটেম্পট হয়। অল্পের জন্য সেবার বেঁচে গেলাম।”

    “খুব মনে আছে। একদিন এইভাবেই মরবে। যা একখানা লাইন বেছে নিয়েছ। বন্ধুর জীবনের চিন্তায় প্রফেসর বেশ ক্ষুব্ধ।”

    হাসলেন চেয়ারম্যান, “মনে আছে সেবার একটা প্রস্তাব দিয়েছিলে?”

    “-খুব মনে আছে। তুমি তাে কানই দিলে না।”

    “—সে ব্যবস্থা এখন সম্ভব?”

    “কেন নয়?—তারপর বেশ আশ্চর্য হয়ে প্রফেসর বললেন: হঠাৎ অ্যাদ্দিন বাদে?”

    চেয়ারম্যান বুক পকেট থেকে খাম বেরল করে খুলে চিরকুটটি এগিয়ে দিলেন প্রফেসরকে।

    চারদিন পরে। রাত সােয়া সাতটা।

    ঠক ঠক ঠক-দরজায় তিনবার টোকা পড়ল।

    “কে?—প্রশ্ন করলেন, চেয়ারম্যান।”

    উত্তর এল, “আমি।”

    “এসাে।” -ডাকলেন চেয়ারম্যান।

    ভেজানাে দরজা খুলে ঘরে ঢুকলেন চিফ। গিয়ে বসলেন চেয়ারম্যানের মুখােমুখি টেবিলের অন্য ধারের চেয়ারে।

    “কী খবর পেলে বলাে।” -চেয়ারম্যান সােজাসুজি কাজের কথায় আসেন।

    কথা বলতে গিয়ে ইতস্তত করেন চিফ। তারপর ঝট করে পকেট থেকে নােট বই বের করে একটা পাতা ছিঁড়ে পেন দিয়ে একটা নাম লিখে এগিয়ে দিলেন চেয়ারম্যানের হাতে। চেয়ারম্যান কাগজে চোখ বুলিয়ে ভুরু কুঁচকালেন। এই ভয়টাই করছিলেন চিফ। চেয়ারম্যান হয়তাে বিশ্বাসই করবেন না তার কথা। কারণ সন্দেহভাজন ব্যক্তিটি একজন উচু পদের সরকারি কর্মচারী এবং মন্ত্রীদের সঙ্গে এর খুবই খাতির।

    “প্রমাণ?” -চেয়ারম্যানের প্রশ্ন!

    “সে রকম প্রমাণ এখনই দিতে পারব না! তবে এর পুরনাে রেকর্ড দেখে আমার মনে হয়েছে।” স্পষ্ট গলায় জানালেন চিফ।

    “হুঁ, ঠিক আছে। দেখা যাক।” চেয়ারম্যান মুখ নিচু করে চিন্তা করলেনঃ ইনি সভায় বসবেন কোথায়?

    “—মঞ্চের পাশেই ভিআইপি এনক্লোজারে।”

    “বেশ।” কুটি কুটি করে কাগজটা ছিঁড়ে ফেললেন চেয়ারম্যান।

    এক মিনিট। দরজায় ছিটকিনি দিয়ে ফিরে এলেন চেয়ারম্যান: চারজন বিশ্বাসী লােক দিতে পারবে পুলিশ ডিপার্টমেন্ট থেকে? খুব বিশ্বাসী হওয়া চাই।

    একটু ভেবে চিফ বললেন, পারব।

    —বেশ, এবার যা বলছি শোন। সেদিনকার সভায় আমার সিকিউরিটির জন্য কোনাে বাড়াবাড়ির দরকার নেই। যা অন্যবার হয়ে থাকে, ব্যস, সেইটুকু। ব্ল্যাক স্কোয়াড যেন ঘুণাক্ষরেও সন্দেহ না করে আমরা কিছু টের পেয়েছি।

    পনেরােই ডিসেম্বর। দুপুর তিনটে। সভা আরম্ভ হতে আর সামান্য বাকি।

    হু হু করে বইছে হিমেল হাওয়া। বিশাল জনসমুদ্রের সামনে বক্তৃতা মঞ্চ। প্রায় দশ বারাে ফুট উঁচু। সেখানে বসেছেন মন্ত্রীরা। এবং পার্টির কয়েকজন প্রথম সারির নেতা। প্রধান বক্তৃতা মঞ্চের একপাশে মাটি থেকে দু ফুট উঁচু করে পাটাতন ফেলে অনেকখানি বসবার জায়গা। সেখানে বসছেন পার্টির ছােটখাটো নেতা, কিছু উঁচু পদের সরকারি আমলা ও কিছু গণ্যমান্য নাগরিক। এরা বসেছেন বক্তৃতা মঞ্চের দিকে মুখ করে দুই ধাপ মঞ্চের সব চেয়ারই প্রায় ভর্তি হয়ে গিয়েছে। চিফ বসেছেন নিচের ধান পিছনের দিকে।

    সভা আরম্ভ হওয়ার ঠিক পাঁচ মিনিট আগে পৌঁছলেন চেয়ারম্যান। গাড়ি থেকে নেমে দাঁড়ালেন। পরনে চাপা পাজামা এবং হালকা ছাই রঙের কোট। চোখে কালাে, চশমা। চেয়ারম্যানের সঙ্গে সঙ্গে গাড়ি থেকে নামল তার নিজস্ব দেহরক্ষী। মাপা পদক্ষেপে চেয়ারম্যান এগিয়ে গেলেন মঞ্চের পিছনে সিড়ির দিকে। ওপরের মঞ্চে উঠে চেয়ারম্যান একধারে চেয়ারে বসলেন। দেহরক্ষী বসল ঠিক তার পিছনে। চেয়ারম্যানের পাশেই রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। অনেকেই নমস্কার জানালেন, হাসলেন চেয়ারম্যানকে লক্ষ করে। চেয়ারম্যান মাঝে মাঝে একটু মাথা নােয়ালেন কিন্তু কারও দিকে বিশেষ মনােযোেগ দিলেন না। তার ওষ্ঠ দৃঢ়বদ্ধ, মুখ পাথরের মতাে কঠিন। চেয়ারে খাড়া হয়ে বসে সােজা চেয়ে রইলেন সামনে।

    চিক দেখলেন, চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানাে তার চারজন বিশ্বস্ত পুলিশ অফিসার হাজির। একজন উঠে গেল ওপরের বক্তৃতা মঞ্চে। হােমরা চোমরাদের পিছনে আড়াল হয়ে বসল সে। বাকি তিনজন দাঁড়িয়ে রইল নিচে, সিঁড়িতে ওঠার ঠিক মুখে। | মঞ্চের সামনে প্রায় হাত পঞ্চাশ জায়গা অর্ধচন্দ্রাকারে দড়ি দিয়ে ঘেরা। কিছু পুলিশ ভিড় ঠেকাচ্ছে। যাতে ওই ফাঁকা জায়গায় শ্রোতারা ঢুকে পড়ে। ফাঁকা জায়গাটুকুতে ঘােরাফেরা করছে কিছু পুলিশের লােক। এবং জনা কুড়ি ব্যাজ আঁটা পার্টি ভলানটিয়ার।

    একটু কাত হয়ে বসলেন চিফ। যাতে এই নিচু মঞ্চে বসা প্রায় তিরিশজনের ওপর নজর রাখা যায়। আজ এটাই তার কর্তব্য-চেয়ারম্যানের নির্দেশ! চিফের চোখে কালাে সান গ্লাস। শুধু রােদের জন্য নয়! যাতে তার দৃষ্টি কেউ না বুঝতে পারে। তিনি চেয়ারে গা এলিয়ে দিলেন নির্লিপ্তভাবে।

    বক্তৃতা শুরু হল। প্রথম উঠলেন প্রধানমন্ত্রী। উঁচু মঞ্চের ওপর পাঁচ-ছয়টা মাইক্রোফোন বেঁকে চুরে মুখ বাড়িয়ে রয়েছে। মাইকের সামনে দাঁড়ালেন বক্তা। লাউডস্পিকারের সাহায্যে বহুদূর অবধি ছড়িয়ে পড়তে লাগল তার ভাষণ।

    চিফের চোখ বার বার আটকে যাচ্ছে এক বিশেষ ব্যক্তির ওপর। সেই অফিসার—যার নাম তিনি সন্দেহ করে জানিয়েছিলেন চেয়ারম্যানকে।

    হঠাৎ সেই ব্যক্তিটি ঘাড় ফেরালেন! কয়েকটা চেয়ার তফাতে বসা একজনের সঙ্গে যেন তার চোখাচোখি হল। চিফ আবার দৃষ্টি ফেরালেন প্রধানমন্ত্রীর দিকে। দ্বিতীয় ব্যক্তিটি একজন উঠতি ব্যারিস্টার। মন্ত্রীদের সঙ্গে তার যথেষ্ট খাতির। লােকে ওই আইনজীবীকে চেয়ারম্যানের দলের এক বড় সমর্থক বলে জানে। তবে কি চকিতে একটা প্রশ্ন খেলে যায়। চিফের মনে।

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতা শেষ। এবার চেয়ারম্যানের পালা। উঠলেন চেয়ারম্যান। ধীর পায়ে গিয়ে দাঁড়ালেন মাইকের সামনে। একজন মাইক-মিস্ত্রি ছুটে এসে মাইক্রোফোন ঠিকঠাক করে দিল।

    বন্ধুগণ…। -চেয়ারম্যানের গম্ভীর কণ্ঠ ধ্বনিত হল। সহসা সংবিৎ ফিরে এল চিফের। এতক্ষণ তিনি একদৃষ্টে দেখছিলেন চেয়ারম্যানকে। ভুলে গিয়েছিলেন নিজের কাজ। আবার তার নজর ফিরল নিচু মঞ্চের দিকে।

    একি! সেই ব্যারিস্টার চেয়ারম্যানের থেকে চোখ সরিয়ে সামান্য ঘাড় ঘুরিয়ে আড় চোখে তাকালেন মঞ্চের সামনে ফাঁকা জমিতে বসা এক পার্টি ভলানটিয়ারের দিকে। ভলানটিয়ারটি অন্যদের থেকে বেশ তফাতে বসেছে। তার দৃষ্টিও আইনজীবীর ওপর। কেমন চোয়াড়ে চেহারা লােকটির।

    আইনজীবীর বাঁ হাত উঠল। চশমাটা যেন ঠিক করলেন। ফের হাত নামল। আগের মতাে মাথা তুলে তিনি দেখতে লাগলেন চেয়ারম্যানকে।

    চিফ লক্ষ করলেন, স্বেচ্ছাসেবকের ব্যাজ আঁটা সেই লােকটি হামাগুড়ি দিয়ে একটু সরে গেল। সে এখন মঞ্চের মুখােমুখি। ওখান থেকে বােধহয় বক্তার পুরাে শরীরটা নজরে আসে। লােকটির ডান হাত ঢুকে গেল জামার নিচে। এ চিফ যেন আঁচ করতে পারেন, কী ঘটতে যাচ্ছে। তার স্নায়ু উত্তেজনায় টান টান। কিন্তু ওদিকে দৃষ্টি দেওয়া নিষেধ। চেয়ারম্যানের নির্দেশ। চিফের কাজ আপাতত শুধু মঞ্চের লােকগুলােকে লক্ষ করা। অনেক কষ্টে নিজেকে সামলে চিফ তার কর্তব্যে মন দেন।

    দুম দুম্…! পরপর দুটো গুলির আওয়াজ। চিফ দেখলেন সেই ভলানটিয়ারটি দাঁড়িয়ে পড়েছে। তার হাতের মুঠোয় ধরা পিস্তল ঝকঝক করছে—চেয়ারম্যানের দিকে সােজা তাক করা। দুম্। তৃতীয় গুলির শব্দ হল।

    চেয়ারম্যানের দেহ দুলছে। টাল খেয়ে পড়ে যাচ্ছেন। ক্ষিপ্র চিতার মতাে লাফ দিয়ে এগােল তাঁর দেহরক্ষী। জড়িয়ে ধরল পতনােন্মুখ চেয়ারম্যানকে। শুইয়ে দিল মঞ্চে।

    সেই বিশাল জনসমুদ্র বুঝি এক পলকের জন্য হতবাক হয়ে গেল। তারপর শুরু হল হাহাকার, অট্ট রােল। ফের দু’বার গুলির আওয়াজ। একজন পুলিশ সার্জেন্ট গুলি করল হত্যাকারীকে। লুটিয়ে পড়ল আততায়ী। চিফ লাফিয়ে উঠে দৌড়ে গেলেন ওপরের মঞ্চে ওঠার সিঁড়ির দিকে।

    প্লিজ, চেয়ারম্যানের গায়ে কেউ হাত দেবেন না। চিফের গলা শােনা গেল। চিফ, চেয়ারম্যানের দেহরক্ষী এবং তার দু’জন বিশ্বস্ত পুলিশ অফিসার ঘিরে ফেলেছে ভূলুণ্ঠিত দেহ।

    ইন্সপেক্টর সিঁড়ি দিয়ে কাউকে উঠতে দেবেন না।   —চিফের জোরালাে গলার নির্দেশ শােনা গেল।

    সত্যি, চিৎ হয়ে শােয়া নিস্পন্দ চেয়ারম্যানের বুকের কাছে কোটের কাপড় লাল হয়ে উঠেছে। আর মৃদু লয়ে ওঠা নামা করছে তার বক্ষ।

    চিফের বুকটা ধড়াস করে ওঠে। তাকালেন তাঁর তিন সঙ্গীর দিকে। তাদের দৃষ্টি উদ্ভ্রান্ত। নিজেকে সামলে নিলেন চিফ। দু-হাত ছড়িয়ে চেয়ারম্যানের দেহের ওপর ফের ঝুকে আসা ভিড় ঠেকাতে থাকেন, —সরে যান, সরে যান প্লিজ!

    স্ট্রেচার পৌঁছতে দশ সেকেন্ডও লাগেনি। চটপট চেয়ারম্যানকে তুলে স্ট্রেচার বয়ে নিয়ে চলল দুই পুলিশ ইন্সপেক্টর। পাশে পাশে চললেন চিফ ও দেহরক্ষী। স্ট্রেচার উডল অ্যাম্বুল্যান্সে। পরক্ষণেই স্টার্ট দিল অ্যাম্বুল্যান্স।

    সেন্ট্রাল হসপিটালে চলাে। ড্রাইভারকে নির্দেশ দিলেন চিফ। তিরবেগে ছুটল গাড়ি। দিশেহারা জনগণের বিপুল কলরব ক্রমে ক্ষীণ হয়ে আসে।

    সেন্ট্রাল হসপিটালের বিরাট কম্পাউন্ড। অ্যাম্বুল্যান্স গেট দিয়ে ভিতরে ঢুকল। প্রধান সার্জন ডঃ চৌধুরি বেরিয়ে আসেন। গাড়ি থামতেই লাফ দিয়ে নামেন চিফ। কাছে গিয়ে বলেন, চেয়ারম্যানকে গুলি করেছে, নিয়ে এসেছি।

    গম্ভীর প্রাজ্ঞ চিকিৎসক চৌধুরির কপালে কয়েকটা ভাজ পড়ে। একবার মাথা ঝাকান। তৎক্ষণাৎ পিছনে ফিরে হাঁটতে শুরু করেন।  চিফকে ইঙ্গিত করেন,—নিয়ে এসাে।

    একটা আলাদা বাড়ি। একটা বিশেষ ওয়ার্ড। চৌধুরি সেই দিকে চললেন। গাড়ি থেকে স্ট্রেচার নামল চেয়ারম্যানের দেহ সমেত। স্ট্রেচার বয়ে নিয়ে যাওয়া হল ডাক্তারের পিছু পিছু। ডঃ চৌধুরি ছাড়া আর কোনাে ডাক্তার, নার্স বা হাসপাতালের কর্মীকে সেই ওয়ার্ডের ভিতরে থাকতে দিলেন না চিফ।

    ওয়ার্ডের নিচের তলায় একটা বড় ঘর। সেখানে অপারেশনের ব্যবস্থা রয়েছে। বিশিষ্ট ব্যক্তিদের এখানে অপারেশন করা হয়। ডাক্তারের সঙ্গে সঙ্গে ভিতরে ঢুকল স্ট্রেচার বাহকরা। একটু বাদেই বেরিয়ে এল ওরা দু’জন।

    চেয়ারম্যানের স্ত্রীর পৌছতে দশ মিনিটও লাগেনি। গাড়ি থেকে নেমে তিনি পাগলের মতাে ছুটে আসেন।

    —কোথায়, কোথায় তিনি?

    ভয় নেই ম্যাডাম। —আশ্বাস দেন চিফ।

    -উনি বেঁচে আছেন তাে?

    আছেন বইকি, আসুন। দরজাটা একটু ফাঁক করলেন চিফ। চেয়ারম্যানের পত্নী ঝড়ের মতাে ভিতরে ঢুকলেন। পিছনে গেলেন চিফ।

    অপারেশন টেবিলে শায়িত নিথর চেয়ারম্যানের দিকে চেয়ে থমকে দাঁড়ালেন তাঁর স্ত্রী। সত্যি প্রাণ আছে তাে? চেয়ারম্যানের দেহের ওপর ঝুঁকে পড়ে কী যেন করছেন প্রফেসর। পাশে দাঁড়িয়ে ডঃ চৌধুরি। একটা প্রবল কান্না বুক ঠেলে বেরিয়ে আসতে আসতে হঠাৎ শুকিয়ে গেল।

    ডাক্তারের খানিক পিছনে ও কে দাঁড়িয়ে? এ যে স্বয়ং চেয়ারম্যান। ঠোটে চাপা হাসি। দেখছেন স্ত্রীকে।

    একী! – চেয়ারম্যান-পত্নী থ।

    চিনতে পারছ না? —চেয়ারম্যানের কণ্ঠ শান্ত, মৃদু কৌতুক মেশানাে।

    তা হলে ও কে? —শায়িত দেহটির দিকে অঙ্গুলি দেখান স্ত্রী।

    আমার নকল। বললেন চেয়ারম্যান।

    -মানে?

    মানে রােবট।—আমাদের প্রফেসর বানিয়েছে।

    ওঃ! তােমার কিছু হয়নি?—আশঙ্কা মুক্তির উল্লাসে স্ত্রী জড়িয়ে ধরলেন চেয়ারম্যানকে। তার চোখে আনন্দের অশ্রু: কিন্তু আমি যে টিভিতে দেখলাম তুমি সভায় গেলে, বসলে—

    সব এই রােবট করেছে। আর ওকে চালিয়েছে আমাদের প্রফেসর। হাসপাতালের গায়েই ডঃ চৌধুরির কোয়ার্টারে বসে। যাকে বলে রিমােট কন্ট্রোল—বললেন চেয়ারম্যান।

    চেয়ারম্যানের স্ত্রী এগিয়ে গিয়ে মহা আগ্রহে দেখতে থাকেন তার স্বামীর অবিকল প্রতিমূর্তিকে। কৌতুহলী চিফও ভালাে করে দেখেন সেই যন্ত্রমানবকে। এর আগে তাড়াহুড়ােয় খুঁটিয়ে দেখা হয়নি।

    প্রফেসর রােবটের গায়ের কোটের বােতাম খুলে ফেলেছেন। রােবটের বুক ও শরীরের অনেক জায়গায় রবার ও চামড়ার পুরু আবরণ। কোথাও কোথাও দেখা যাচ্ছে। তার লৌহ অঙ্গ। বুকের রবারের প্যাডিংয়ে বড় বড় ফুটোগুলির ঘায়ে হয়েছে। বেরিয়ে পড়েছে নিচে ধাতুর পাত। মূর্তির মুখটা কি দিয়ে করেছে কে জানে। প্লাস্টিক নাকি? কি অদ্ভুত মিল! বুকের এক জায়গা সমানে ওঠা নামা করছে। জামার ওপর থেকে যেন মনে হবে শ্বাস-প্রশ্বাস।

    ফার্স্ট ক্লাস। চমৎকার কাজ করেছে। – প্রফেসর বলেনঃ আঘাত পেয়ে রক্ত বেরুনােটা ঠিক মতাে হবে কি না সন্দেহ ছিল। নাঃ-কোনাে গন্ডগােল করেনি।

    রক্ত?—চিফ অবাক।

    ওই হল। লাল জল।—প্রফেসর বেশ বিরক্ত।

    চেয়ারম্যানের স্ত্রী আমতা আমতা করেন, সভায় যাওয়ার আগে তুমি যখন আমাকে বলতে এলে, তখনই কি?

    না – বললেন চেয়ারম্যান। তখন আসল আমিই ছিলাম। বললাম না, মাথা ধরেছে। চৌধুরির কাছ থেকে ঘুরে যাব। যাওয়ার পথে ডাঃ চৌধুরির বাড়িতেই বদলটা হল। তারপর লুকিয়ে এসে এখানে অপেক্ষা করছিলাম।

    আমায় বলেনি কেন? -স্ত্রীর কণ্ঠে অনুযােগ। চেয়ারম্যান চুপ করে থাকেন। -বুঝেছি পাছে বলে ফেলি কাউকে।

    “কে কে জানত? —এই চিফ। আমার বডি গার্ড। চারজন বিশ্বাসী পুলিশ ইন্সপেক্টর। এবং প্রধানমন্ত্রী। ডঃ চৌধুরি বা প্রফেসরের অ্যাসিস্ট্যান্টের কথা বাদই দিচ্ছি।”

    ডাক্তার চৌধুরি বলে উঠলেন, গুলি কোথায় লেগেছে দেখেছেন? দুটো হৃদপিণ্ডে। একটা গলায়। আপনার গায়ে সত্যি লাগলে কারও সাধ্যি ছিল না বাঁচায়। চেয়ারম্যান চিফের দিকে ফিরলেন।

    -কনগ্রাচুলেশনস। আমার মার্ডার সিনে তােমাদের অভিনয় খাসা হয়েছে। আমি সব দেখেছি টিভিতে। ওই ব্যারিস্টারটিই হয়তাে ব্ল্যাক-স্কোয়াডের ব্রেন। এবার চটপট জাল গুটোও। ছেঁকে তােলাে দলটাকে।

    দরজায় টোকা পড়ল। চিফ দরজা খুললেন। একজন ইন্সপেক্টর উঁকি দিয়ে বলল “-স্যার, কয়েকজন মন্ত্রী এসে বসে আছেন। প্রধানমন্ত্রীও এসেছেন। খবর জানতে চাইছেন।”

    বলাে, চিফ, যথাসাধ্য নিজেকে বিষগ্ন, গম্ভীর করে তােলেন: অপারেশন হচ্ছে। খানিক বাদে দেখতে আসতে পারবেন। প্রেসের লােকদের বলাে,—দশ-বারাে ঘণ্টা না গেলে চেয়ারম্যানের জীবন সম্বন্ধে কিছু বলা যাচ্ছে না। —চিফ দরজা বন্ধ করে দিলেন।

    ইন্সপেক্টর চলে গেল। চেয়ারম্যান হাসতে হাসতে বললেন, “—ওহে প্রফেসর, এবার রােবটটা সরাও। আর ওহে ডাক্তার, আর দেরি কোরাে না, জলদি আমায় ব্যান্ডেজট্যান্ডেজ বেঁধে শুইয়ে দাও। কিছু লােককে তাে এই আহত অবস্থায় দর্শন দিতেই হবে! নইলে ব্যাপারটা কেঁচে যাবে না?”

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleথানা থেকে আসছি – অজিত গঙ্গোপাধ্যায়
    Next Article গল্পসংগ্রহ – অজেয় রায়

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }