Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রহস্য সমগ্র – অজেয় রায়

    লেখক এক পাতা গল্প543 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    হাঙর উপদ্রব রহস্য

    বাঃ! চমৎকার।

    মুগ্ধ চোখে চারপাশ দেখতে দেখতে মন্তব্য করে সুনন্দ।

    বলার মতােই দৃশ্য বটে। সামনে সুদূরবিস্তারী গাঢ় নীল সমুদ্র। সাগরের ঢেউ অবিরাম কলরােল করতে-করতে এসে আছড়ে পড়ছে ওই দ্বীপের তটভূমিতে। ঢেউগুলি ভাঙতে ভাঙতে বেলাভূমিতে খানিক এগিয়ে ফেনার রাশি তুলে এলিয়ে পড়ছে। সমতল বালুময় সাগরতট বেশি চওড়া নয়। বড়জোর পঞ্চাশ মিটার। তারপর জমি উঁচু হয়ে উঠেছে ক্রমে। পিছনে দ্বীপের ভেতর খানিক উঁচুতে কিছুটা জায়গা সমান। সেখানে একটা তাবু খাটানাে রয়েছে। তাঁবুর পিছনে বড় একটা কুটির। কুটিরটির দেওয়াল ও মেঝে বাঁশের তৈরি। মাথায় টিনের ছাউনি। ঘরের সামনে টানা বারান্দায় বাঁশের রেলিং। পিছনে আরও উঁচু জায়গায় বেশ খানিক তফাতে ঘন সবুজ বন। আর কোনাে মানুষের বসতি চোখে পড়ে না কাছাকাছি। হ্যাঁ, রয়েছে বটে মনুষ্যবাসের চিহ্ন। কিছু দূরে। পাশে। প্রায় আধমাইল তফাতে। উঁচু জমিতে সেখানে বনের কোল ঘেঁষে দেখা যাচ্ছে একটি বাংলাে ধরনের একতলা বড় বাড়ি। সেটিরও বাঁশের কাঠামাে, টিনের চাল। অবশ্য ওই বাংলােয় কেউ রয়েছে কিনা বােঝা যাচ্ছে না। অন্তত বাংলাের বাইরে কোনাে লােকের দেখা নেই।

    সকাল প্রায় ন’টা। সাগরের গর্জন আর মাঝে-মাঝে সামুদ্রিক পাখির ডাক। ব্যস, আর কোনাে আওয়াজ নেই। মাথার ওপর পেঁজা তুলাের মতাে ছিটে লাগা নীল আকাশ। সামনে সাগরে মাইলখানেক দূরে জল থেকে মাথা তুলে রয়েছে একটা কালচে পাথরের স্তুপ। অর্থাৎ, ওখানে জলের নিচে রয়েছে ডুবাে পাহাড়।

    সেই ছােট্ট নির্জন দ্বীপটির সৌন্দর্যে শুধু সুনন্দ নয়, মামাবাবু নবগােপাল ঘােষও কম মুগ্ধ হননি। তাদের ভাব দেখে ভরতের মুখও খুশি-খুশি।

    খাসা জায়গা। এখানে দুটো দিন ভালােই কাটবে। মামাবাবুর কথায় সায় দেয় সুনন্দ, ভরতজি এই দ্বীপে অনেক টুরিস্ট পাবেন। আপনার ব্যবসা ভালাে চলবে।

    শুনে কিন্তু ভরতের হাসি মুখ মলিন হয়ে যায়। আমতা-আমতা করে বলেন, কী জানি বাবুজি। কেমন চলবে ব্যবসা? ঠিক বুঝছি না।

    কেন-কেন? মামাবাবু সুনন্দ একযােগে প্রশ্ন করে অবাক হয়ে।

    সুনন্দ বলল, এমন সুন্দর পরিবেশ। একটু প্রচার পেলেই কত লােক বেড়াতে আসবে এখানে।

    তা হয়তাে আসবে। —জানায় ভরত, কিন্তু সমুদ্র তীরে যারা আসে তারা সমুদ্রে স্নান করতে চায়, সাঁতার কাটতে চায়। সে সুযােগ না থাকলে শুধু তীরে বসে সমুদ্র দেখায় ক’জনেরই বা মন ভরে?

    কেন এখানে সমুদ্রে স্নান করতে অসুবিধা কী? জিজ্ঞেস করেন মামাবাবু।

    —হচ্ছে বাবুজি। ভীষণ এক অসুবিধা। আগে তাে বুঝিনি। কেউ বলেওনি বিপদ। এক জেলে বন্ধুর সঙ্গে নৌকায় পালেমবাং যেতে-যেতে এই দ্বীপে থামি। তখনই বুদ্ধিটা গজায় আমার। এখানে একটা ট্যুরিস্ট স্পট করলে কেমন হয়? সিঙ্গাপুর থেকে দূরে নয় বেশি।

    বন্ধুও উৎসাহ দিল। পাঁচ বছরের লিজ নিলাম এই সমুদ্রতীরটা। ওই বাড়িটা বানালাম। তাঁবু, আর সব জিনিস কিনলাম ট্যুরিস্টদের এনে এখানে ক’দিন রাখতে। আমার স্ত্রী খুব ভালাে রাঁধে। দেশি রান্না তাে জানেই। অনেক বিদেশি রান্নাও শিখেছে। স্ত্রীও উৎসাহ দিয়েছিল এই ব্যবসায়। আমার বউয়ের এক বৃদ্ধা মাসি থাকে আমাদের কাছে। আমরা এখানে এলে মাসি আমাদের ছেলেমেয়েকে দিব্যি দেখাশােনা করতে পারবে ক’দিন।

    দু-পয়সা আয় হলে মন্দ কী? আমার জমা টাকা সব খরচা হয়ে গেল এখানের ব্যবস্থা করতে। কিছু ধারও হল। প্রথমে ভালােই চলছিল এই ব্যবসা। এখানে যখন বৃষ্টি কম হয়, তখনই যা টুরিস্ট পাই। সস্তায় সমুদ্রতীরে কাটানাের লােভে অনেক টুরিস্ট পেয়েছি গােড়ায়। নামকরা বেড়ানাের জায়গায়, ভালাে হােটেলে থাকার খরচ অনেক। আমার এখানে খরচ ঢের কম। একটু-আধটু প্রচারও হচ্ছিল আমার এই ব্যবসার। কিন্তু এমন এক উৎপাত শুরু হয়েছে। সব বরবাদ হয়ে যাচ্ছে। কী যে করি ভেবে পাই না?

    —কীসের উৎপাত? সবিস্ময়ে জানতে চায় সুনন্দ।

    ভরত কিন্তু-কিন্তু করছেন বলতে। যেন খােলসা করে বলতে সংকোচ। শুধু বিড়বিড় করলেন, সে ভারি অদ্ভুত ব্যাপার। আগে বলিনি আপনাদের। বললে হয়তাে আসতেন না। মাপ করবেন আমায়। একজনও টুরিস্ট পাইনি তিন মাস। এখনও যে দেনা শােধ হয়নি। ভেবেছিলাম এখানে এসে বলব। না হয় আরও কিছু কম দেবেন।

    মামাবাবু চুপচাপ গম্ভীরভাবে শুনছিলেন। এবার বলে উঠলেন, চলুন ভরতজি, আপনার কটেজে যাই। রােদ চড়ছে গরম লাগছে। মনে হচ্ছে এখানে অল্প কথায় সব শােনাতে আপনার অসুবিধা আছে। বরং আপনার কটেজে গিয়ে শুনি সমস্যাটা কী?

    —তাই চলুন। সম্মতি জানায় ভরত। তিনজন হাঁটা দেয় ভরতের কুটিরের দিকে।

    এই ফাঁকে ওই দ্বীপে আগন্তকদের পরিচয়টা জানিয়ে রাখি।

    মামাবাবু অর্থাৎ সুনন্দর মামা অধ্যাপক নবগােপাল ঘােষ বিখ্যাত প্রাণিবিজ্ঞানী। বয়স মধ্য চল্লিশ। দোহারা অতি নিরীহ চেহারা। দেখে কে বলবে যে এই মানুষটি কীরকম অ্যাডভেঞ্চার প্রিয়। সুনন্দরও বিষয় প্রাণিবিজ্ঞান। সে গবেষণা করছে তার এই মামাবাবুর কাছে। দুজনেরই বাস কলকাতা শহরে।

    মামাবাবু সুনন্দকে নিয়ে সিঙ্গাপুরে এসেছিলেন প্রাণিবিজ্ঞান বিষয়ে এক আলােচনা সভায় যােগ দিতে। তিনদিন বিজ্ঞানের দুরূহ কচকচানি নিয়ে মাথা ঘামানাের পর স্রেফ দিন দুই ছুটি কাটাতে, আয়েস করতে, সেদিন সকালে এই দ্বীপে আগমন ভরত টুরিসম-এর ব্যবস্থাপনায়। দ্বীপটা সিঙ্গাপুরের কাছেই। রিও দ্বীপপুঞ্জের অন্তর্গত। সিঙ্গাপুর বন্দর থেকে ইঞ্জিন লাগানাে নৌকায় মাত্র ঘণ্টা দুয়েকের পথ।

    ভরত যাদবের বয়স প্রায় চল্লিশ। গাট্টাগোট্টা খাটো চেহারা। মুখে সরলভাব। আদতে ভারতবর্ষের বিহার প্রদেশের লােক। পেটের দায়ে বাস করছেন সিঙ্গাপুরে। মাত্র ষােলাে বছর বয়সে পিতৃহীন হয়ে এক গ্রাম সম্পর্কে কাকার হাত ধরে সিঙ্গাপুরে আগমন। দেশে তাে জমিজায়গা নেই। দিনমজুরি সম্বল। কঠিন দারিদ্র্য। কাকা অনেককাল আছে সিঙ্গাপুরে। টুকিটাকি ব্যবসা করে কামাচ্ছে বেশ। কাকা ভরসা দিয়েছিল ভরতকে, সিঙ্গাপুরে দেখবি ঢের বেশি রােজগার করতে পারবি।

    কাকার কথা মিথ্যে হয়নি। সিঙ্গাপুরে ভরত শিখেছেন কাঠমিস্ত্রির কাজ। চমৎকার আসবাব তৈরি করেন। রোজগার হয় ভালােই। দেশে মা আর ছোট ভাই-বোনদের জন্য কিছু টাকাও পাঠান। বিহারে গিয়ে পাশের গ্রামের একটি মেয়েকে বিয়ে করে এনেছেন। বছর সাত-আটের দুটি ছেলেমেয়ে আছে তাদের। স্কুলে গড়ে। সিঙ্গাপুরে প্রচুর টুরিস্ট আসে। পর্যটন ব্যবসায় ভালো আয় হয়। রিও দ্বীপপুঞ্জের এই দ্বীপে সেই রকমই ব্যবসা ফাঁদতে চেয়েছেন ভরত তার কাঠের কাজের পাশাপাশি। নবগােপালবাবুর হােটেলের এক কর্মচারী খোঁজ দেয় ভরতের। খুব কম খরচে থাকাখাওয়া আর অতি নিরালা জলে দ্বীপে দিনরাত কাটানাের আশ্বাস পেয়ে সুনন্দ এবং তার মামাবাবু চলে এসেছেন এখানে। মানে ভরত নিয়ে এসেছেন। ছই দেওয়া, ইঞ্জিন লাগানাে, ভাড়া করা একটা জেলে নৌকায়। দু’জন মাঝি নৌকা সামলেছে। দ্বীপে পৌঁছে নৌকা তীরে তুলে রেখে মাঝি দু’জন চলে গিয়েছে অন্য কোথাও। দু-দিন বাদে এসে যাত্রীদের ফেরত নিয়ে যাবে সিঙ্গাপুর। ভরতের সঙ্গে মামাবাবু ও সুন্দর কথাবার্তা চলে প্রধানত হিন্দিতে। ভরত কিছুটা ইংরেজি জানেন, বাংলাও জানেন অল্পস্বল্প।

    ভরতের স্ত্রী আর ওদের কাজের লােক বছর কুড়ির ভগলু একদিন আগেই চলে এসেছে এখানে। অতিথি আপ্যায়নের ব্যবস্থা করতে।

    ভরত দ্বীপে পৌঁছেই ভগলুর সাহায্যে চটপট টাঙিয়ে ফেলেছেন মামাবাবু এবং সুনন্দর থাকার তাঁবু।

    ভরতের কুটিরের বারান্দায় বসল তিনজন টুল পেতে। মামাবাবু বসেই কথাটা পাড়লেন, সমস্যাটা কী শুনি? বলুন ভরতজি। লজ্জা করবেন না।

    ভরতের কথা শুরুর আগেই ভরতের স্ত্রী লালমতি বারান্দায় বেতের টেবিলে রেখে গেল তিন কাপ গরম চা এবং এক থালা গরম পকৌড়া। বােঝা গেল যে ভরতদের আসতে দেখেই সে তৈরি হয়েছিল আপ্যায়নে।

    আঃ খাসা। পকৌড়ায় কামড় দিয়ে উৎফুল্ল সুনন্দ।

    ভরত বলতে শুরু করেন ধীরে-ধীরে।

    —জানেন বাবুজি, প্রথম মাস চারেক ভালােই চলেছিল এই ব্যবসা। কম পয়সায় থাকার কারণে বেশ কিছু পার্টি কাটিয়ে গিয়েছে এখানে। কখনও কখনও দুটো তাঁবু খাটাতে হয়েছে টুরিস্ট রাখতে। সবাই খুশি হয়েছে এখানে থেকে খেয়ে। কিন্তু শুরু হল এক উৎপাত। এক ভয়ংকর ব্যাপার। আমার এখানের অতিথি কেউ সমুদ্রে স্নান করতে নামলেই খানিক বাদে এখানে জলে হাজির হয় হাঙর। একসঙ্গে অনেকগুলাে। আক্রমণ করে জলে নামা মানুষদের। কী বলব, একেবারে তীর অবধি ধেয়ে আসে। ভয়ে স্নান করতে নামা সবাই উঠে পড়ে জল থেকে। জলের ওপর হাঙরের পিঠের তেকোনা পাখনা দেখলেই যে টের পাওয়া যায় ওগুলাে আসছে এদিকে। এক আমেরিকান সাহেবের হাত কামড়ে জখম করে দিল হাঙর। মরতে-মরতে বেঁচে গিয়েছে লােকটি। আর এক বার্মিজ টুরিস্টের পায়ে কামড় বসিয়েছিল। রীতিমতাে জখম হয়। প্রাণে বেঁচে গিয়েছে এই রক্ষে। লােক মুখে এই বিপদ চাউর হয়ে গেল। ভয়ে এখানে টুরিস্ট আসা একদম কমে গিয়েছে। শুধু সমুদ্র দেখতে আর ক’জন আসে? বেশিরভাগ টুরিস্ট চায় সমুদ্রে স্নান করতে, সাঁতার কাটতে। আমার সব আশা লাটে ওঠার জোগাড় হয়েছে। এই বিপদের কথাটা জানিয়ে না রাখলে আমার পাপ হবে। জলে নামলে দোহাই খুব খেয়াল রাখবেন। হাঙরের পিঠের পাখনা দেখলেই উঠে পড়বেন তীরে।

    —ওই এসে গিয়েছে। সমুদ্রের দিকে চোখ রেখে বলে ওঠেন ভরত, দেখুন বাবুজি, দূরে জলের ওপর হাঙরের পিঠের পাখনা দুটো।

    ভরতের মুখে আর বাক্য জোগায় না। গভীর হতাশায় কপালে হাত রেখে মাথা নিচু করে থাকেন।

    মামাবাবু বললেন, এই উপদ্রব হঠাৎ শুরু হয়েছে?

    —হ্যাঁ তাই।

    —আচ্ছা যখন আপনি এখানে কটেজ বানালেন তখন হাঙর দেখেননি বেশি?  মানে তীরের কাছাকাছি।

    —নাঃ

    —আচ্ছা, ওই কটেজটা কার? মামাবাবু ডানপাশে কিছু দূরে অন্য কটেজটি দেখান।

    —ওটা মিস্টার লির। চুংলি। সিঙ্গাপুরের ধনী ব্যবসায়ী। শখ করে বানিয়েছেন ওই কটেজ। বেড়াতে আসেন মাঝে-মাঝে। ছােট একটা লঞ্চে চেপে। ওর নিজের লঞ্চ।

    —একা আসে?

    —কখনও একা। কখনও কয়েকজন বন্ধু নিয়ে। হইচই ফুর্তিটুর্তি করে।

    —লি বা তার বন্ধুরা সামনের সমুদ্রে স্নান করে?

    —তা করে। সাঁতারও কাটে।

    —ওদের ওপর হাঙরের আক্রমণ হয়েছে কখনও?

    —না। একবারও শুনিনি। দেখিওনি।

    আশ্চর্য! মামাবাবু ভুরু কুঁচকে কী জানি ভাবেন। অতঃপর বলেন, কখনও এমন হয়েছে কি, আপনার ট্যুরিস্ট এবং চুংলি বা তার লােকরা একই সময় সমুদ্রে নেমেছে। কিন্তু শুধু আপনার এলাকায় লােকদের ওপর আক্রমণ করেছে হাঙর? ওদের কিন্তু করেনি।

    ভরত বলল, আমরা এদিকে সমুদ্রে নামলে ওরা কখনও সমুদ্রে নামে না। আমাদের অপছন্দ করে, তাই বােধহয়।

    —মিস্টার লির সঙ্গে আপনার সম্পর্ক ভালাে নয় বুঝি?

    —না। থতমত খেয়ে জানান ভরত।

    —আসলে আমি এখানে টুরিস্ট আনি চায়নি লি। এখানে আমি টুরিস্ট আনলে ওর নাকি শান্তিভঙ্গ হবে। যখন কটেজটা বানাচ্ছি, আমায় শাসানির সুরে বারণ করেছিল এই ব্যবসা করতে। এমনকী আমায় বলেছিল, লিজ বাতিল করে দাও। যদি ফাইন লাগে আমি দিয়ে দেব। কিন্তু, ওর হুমকিতে আমার জেদ চেপে যায়। লি সাহাবের কথা মানিনি। কটেজ বানাই। টুরিস্ট রাখার ব্যবসা চালাই। লি আর আমার সঙ্গে কথা বলে না মােটে। বরং হুমকি দিয়েছে, আমার কেউ ওর এলাকায় ঢুকলে গুলি করবে। কিন্তু লির এলাকায় আমাদের ঢোকার দরকার কী? আমার টুরিস্টদেরও সাবধান করে দিই, ওর এলাকায় যেন একদম পা না দেয়।

    —লির কটেজ কি অন্য সময় ফাঁকা পড়ে থাকে?

    —না। একজন লোক বাংলাে দেখভালাে করে সারা বছর। এই দ্বীপে বিদ্যুতের ব্যবস্থা নেই। তবে ওদের জেনারেটর আছে। দরকারে ইলেকট্রিক আলাে জ্বলে, ফ্যান ঘােরে কটেজে। মস্ত বড়লােক যে। আমার তাে ইলেকট্রক আলাে-বাতাসের ব্যবস্থা করার সাধ্য নেই। আলাে বলতে মােমবাতি আর হ্যাজাক বাতি ভরসা। তাই খুব কম পয়সা নিই ট্যুরিস্টদের থেকে। তবে আমার বউয়ের হাতের রান্না খেয়ে সবাই খুশি হয়।

    আপনার এই কটেজ কি ফাঁকা পড়ে থাকে টুরিস্ট না এলে? প্রশ্ন করে সুনন্দ।

    —হ্যাঁ। ফাঁকাই বলা যায়। তবে গ্রামের একটি লােক মাঝে-সাঝে দেখভালাে করে যায়। কিছু পয়সা দিই তাকে।

    গ্রাম! এখানে গ্রাম আছে?—সুনন্দ অবাক।

    —আছে। ওই জঙ্গলের ওপাশে। উল্টোদিকে। ছােট্ট গ্রাম। জেলেদের। পুরুষরা বেশিরভাগ সময়ই কাজের ধান্দায় বাইরে থাকে। আমাদের নৌকার মাঝিরাও ওই গ্রামের লােক। ওরা গ্রামের বাসায় কাটাতে গেছে দুটো দিন। এ-পাশটায় গ্রামের লোক আসে খুব কম। কাছেই জঙ্গলের ভেতর একটা পুকুর আছে। সেখান থেকে জল এনে ধােয়ামােছা রান্নাবান্না করি। জল ফুটিয়ে খাই।

    মামাবাবু বললেন, ধরুন আপনি এখানকার পাততাড়ি গুটোলেন। কিন্তু অন্য কেউ তাে এসে এখানে ট্যুরিস্টস্পট বানাতে পারে? চুংলির শান্তিভঙ্গ করতে পারে। তখন?

    —সে সম্ভাবনা কম। আসলে এই দ্বীপে আসা-যাওয়ার বেশ অসুবিধে। কয়েকটা ডুবাে পাহাড় আছে দ্বীপটার আশেপাশে। তাই জাহাজ বা বড় স্টিমার চলে না দ্বীপ ঘেঁষে। সিঙ্গাপুর থেকে যেসব জাহাজ বা স্টিমার সার্ভিস নিয়মিত যাত্রী নিয়ে যাওয়া-আসা করে সুমাত্রা, জাভা কিংবা আর কোথাও সেগুলাে অন্য পথে যায়। এই দ্বীপে আসা-যাওয়ার ভরসা ছােট লঞ্চ বা নৌকা। তাই জাহাজ স্টিমার বা এরােপ্লেন থামে যেখানে, তার কাছাকাছি বড় বড় ট্যুরিস্ট বেড়ানাের আস্তানা গড়ে উঠেছে। ভালাে-ভালাে হােটেল হয়েছে। এই দ্বীপের ওপর কারও নজর পড়েনি। তাই তাে কম টাকায় জমিটা লিজ পেয়ে গেলাম।

    ঠিক, ঠিক। চমৎকার নিরিবিলি। আমরা এমনি জায়গাই চেয়েছি। মামাবাবু উৎসাহ দেন ভরতকে, —আপনি এখুনি হাল ছেড়ে দেবেন না। আপনার সমস্যাটা নিয়ে ভাবি একটু। দেখি কী করা যায়?

    দুপুরের আহার হল খাসা। ভাত ডাল সবজি মাছভাজা চাটনি। সত্যি ভরতের স্ত্রীর রান্নার হাত অতি উত্তম। খাওয়ার পর ঘণ্টাখানেক তাঁবুতে ক্যাম্পখাটে শুয়ে বিশ্রাম নিয়েই মামাবাবু বললেন, সুনন্দ, চলাে সি-বিচটা একবার ঘুরে দেখি। মামাবাবু ভরতকেও ডেকে নিলেন সঙ্গে।

    ভারতের তাঁবুর সামনে সমুদ্রতট ছােট হলেও পরিচ্ছন্ন। তখন ভাটার সময়। জল খানিক পিছিয়ে গিয়েছে। ভেজা বালির ওপর পড়ে রয়েছে কতরকম ঝিনুক। তড়বড়িয়ে দাঁড়া বাগিয়ে ঘুরছে ছােট-বড় কাঁকড়া। কাছাকাছি অনেকগুলি আকাশছোঁয়া নারকেল গাছ। গরম বেশ। এই জায়গার কাছ দিয়ে গিয়েছে নিরক্ষরেখা। তাই এখানে সারা বছরই গরম আবহাওয়া। যখন-তখন বৃষ্টি নামে বছরভর।

    জলের ধার ঘেঁষে চুপচাপ ধীর পায়ে হেঁটে মামাবাবু চুংলির কটেজের দিকে চললেন। পিছনে সুনন্দ ও ভরত। এক জায়গা প্রায় তিরিশ ফুট উঁচু এক পাথরের স্তুপ। ওই পাথরের স্তুপের মাঝামাঝি দিয়ে একটা সরু খাড়ি ঢুকে গিয়েছে। ভরত বললেন, এই খাড়িটাই আমার আর চুংলিসাহেবের জমির সীমানা। এপারে আমার, ওপারে চুংলির এলাকা।

    সেই পাথরের স্তুপ দু-পাশে এবং পিছন দিকে ঢালু হয়ে মিশেছে দ্বীপের তটভূমিতে। নিশ্চয় এ কোনাে ডুবাে পাহাড়ের ডগা। ক্রমাগত সমুদ্র তরঙ্গের আঘাতে এই খাঁড়ির সৃষ্টি, স্তুপের নরম পাথর ভেদ করে। মামাবাবুরা তিনজন ঢাল বেয়ে সাবধানে ওই পাথরের স্তুপের মাথায় ওঠে। নিচে তাকায় খাঁড়ির মধ্যে। খাঁড়িটা লম্বায় বিশ-পঁচিশ ফুট। ভেতরের অংশের পাড় খাড়া। কতটা গভীর বােঝা গেল না। ভাটার সময়েও সেখানে জল এসে ঢুকছে। লির কটেজটা দেখা যাচ্ছে। তবে সেখানে কোনাে মানুষের দর্শন মিলল না।

    মামাবাবু তীক্ষ্ণ চোখে খাড়ি-গর্ভে দেখতে-দেখতে প্রশ্ন করেন ভরতকে, আচ্ছা, যখন আপনার টুরিস্ট জলে নামে, তখন কি লির কোনাে নৌকা সমুদ্রে ভাসে?

    কখনও-কখনও— জানালেন ভরত।

    —ওই যে খানিক দূরে জলের মধ্যে পাথরের স্তুপ দেখছি, ওর কাছে কি যায় তখন লির নৌকা?

    না। ওই স্তুপের খুব কাছে যাওয়া বিপজ্জনক। জলের নিচে পাহাড়ে ধাক্কা খাবে নৌকা। ডুবে যাবে।

    —হুম। মামাবাবু আবার মন দিয়ে খাঁড়ির ভেতরটা দেখেন। দেখতে-দেখতে হঠাৎ স্থির দৃষ্টিতে খানিক তাকিয়ে থেকে তিনি একটু নিচে নেমে যান পাথরের খাঁজে-খাঁজে পা দিয়ে। তারপর সটান শুয়ে পড়েন উপুড় হয়ে ওখানে পাথরের ওপর অল্প একটু সমান জায়গায়। চাপা গলায় বলেন, সুনন্দ আমায় কি দেখা যাচ্ছে, চুংলির দিক থেকে?

    এমনিতেই চুংলির এলাকায় খাঁড়ির পাড় মাঝে-মাঝেই ভরতের দিকের চেয়ে বেশি উঁচু। সুনন্দ তাই মাথা নেড়ে ইশারায় জানাল না।

    এরপর মামাবাবু কাঁধের ব্যাগ থেকে বের করলেন একটা দূরবিন। দুরবিনে চোখ লাগিয়ে খাড়ির অপর দিকের খাড়া গায়ে দেখতে-দেখতে নিচু স্বরে বললেন, ভরতজি। আপনি এখানে নেমে আসুন তো গা ঢাকা নিয়ে।

    মামাবাবু এরইসঙ্গে নির্দেশ দিলেন সুনন্দকে, সুনন্দ তুমি ওপরে দাঁড়িয়ে নজর রাখাে। কাউকে এদিকে আসতে দেখলেই আমায় সাবধান করে দিও।

    ভ্যাবাচ্যাকা ভরত ধীরে-ধীরে নেমে মামাবাবুর কাছে গিয়ে বসলেন। মামাবাবু ভরতের হাতে দুরবিনটা ধরিয়ে দিয়ে বললেন, —দেখুন, ওইপাড়ে পাথরের গা দিয়ে একটা সরু দড়ি যেন নেমে গিয়েছে জলের ভিতর?

    ভরত দূরবিন দিয়ে দেখে বললেন, হাঁ। তাই মনে হচ্ছে।

    মামাবাবু বললেন, ওই দড়িটা এমনভাবে ঝুলছে যেন কিছু বাধা আছে দড়িতে, জলের তােড়ে তাই সরে যাচ্ছে না। ওই দড়িটা হাতে নিয়ে পরীক্ষা করতে চাই। কিছু বাধা আছে কিনা দেখতে চাই। কীভাবে করা যায়? নামতে পারবেন জলে?

    খাঁড়ির ভেতর সাগর জলের উচ্ছ্বাস তখন বেশ স্তিমিত। তবু জলে নেমে ওপাশে গিয়ে দড়িটা আনতে দোনামনা করেন ভরত। বােধহয় হাঙরের ভয়ে। মামাবাবু ব্যাপার বুঝে বললেন, থাক। জলে নামতে হবে না। অন্য ব্যবস্থা করছি। তিনি তার ক্যাম্বিসের ব্যাগ থেকে বের করলেন পিচ বাের্ডের নলে জড়ানাে সরু শক্ত সুতাে আর বড়শির মতাে ইঞ্চি দুই লম্বা একটা লােহার আংটা। মামাবাবুর কাঁধে ভােলাে সর্বক্ষণের সঙ্গী ওই বড় ব্যাগটায় কত যে রকমারি জিনিস থাকে।

    সুতাে অনেকখানি খুলে মামাবাবু সুতাের ডগায় বাঁধলেন আংটাটা। তারপর পাক খাইয়ে ছুঁড়লেন সুতােটা। দু-দুবারের চেষ্টাতেও কিন্তু আংটা দড়িতে আটাল না। হতাশ মামাবাবু ভরতকে বললেন, —আপনি চেষ্টা করবেন নাকি?

    এ ব্যাপারে ভরত অনেক বেশি দক্ষ। তার প্রথম ছােঁড়াতেই সুতােয় বাধা আংটা আটকে গেল দড়িতে। মামাবাবু টপ করে সুতােটা ভারতের হাত থেকে নিয়ে খুব সাবধানে সেটা টানতে লাগলেন কাছে। আংটায় লাগা দড়ি ক্রমে কাছে আসে। মামাবাবু বিড়বিড় করেন, বেশ ভারী কিছু বাধা আছে দড়িতে জলের তলায়।

    দড়িটা এপাড়ের খুব কাছে এলে মামাবাবু সেটা গুটিয়ে তুলতে লাগলেন। সরু নাইলন। দড়ি। দড়ির ডগায় বাঁধা রয়েছে একটা বড় স্টিলের কৌটো-ফুটখানেক লম্বা। গােল আকার। মাথায় প্যাঁচ দিয়ে আটকানাে ঢাকনা। ঢাকনার ওপর একটা ছোট আংটা। দড়িটা কৌটোর সেই আংটায় কয়েকবার পেঁচিয়ে শক্ত গিট দিয়ে বাঁধা। দড়ির অপর প্রান্ত খাড়ির ওপাশে কোথাও আটকে রয়েছে। কৌটোর একদম ওপরের দিকে হােমিওপ্যাথির শিশির। সাইজের একটা ছােট্ট গােল ফুটো। কাত করতেই ফুটো দিয়ে একটু জল পড়ল।

    মামাবাবু কৌটোর ঢাকনির পাট খােলার চেষ্টা করলেন। কিন্তু পারলেন না। খুব জোরে আঁটা। পিছলে যাচ্ছে হাত। তিনি কৌটোর ঢাকনি থেকে দড়িটা খুলে ফেললেন। ভরতকে বললেন, ওই কৌটোর ওজনের একটা পাথরের টুকরাে বাধুন দড়ির মাথায়। তারপর জলে নেমে দড়িটা আগের মতাে ঝুলিয়ে দিন ওধারে খাঁড়ির গায়ে। ভয় নেই। খাঁড়িতে হাঙর নেই এখন। থাকলে ঠিক দেখা পেতাম।

    ভরত মামাবাবুর নির্দেশ অনুযায়ী পাথর বেঁধে দড়িটা খাড়ির অপর পাড়ে ঝুলিয়ে রেখে এল বটে। কিন্তু তার হাবেভাবে মনে হচ্ছিল যেন মামাবাবুর ভরসাতে বিশেষ আস্থা নেই। মামাবাবু ইতিমধ্যে সেই কৌটোটা পুরে ফেলেছেন তার ব্যাগে।

    ফিরে যেতে যেতে মামাবাবু প্রশ্ন করেন ভরতকে, আপনার টারিস্ট এলে চুংলির লোক কি খাড়ির কাছে এসে লক্ষ করে?

    —তা করে। খেয়াল করেছি কয়েকবার।

    ফিরেই মামাবাবু নিজের তাবুতে ঢুকে গেলেন। চা বিস্কুট পাঠিয়ে দিতে বললেন। সুনন্দ বুঝল, আপাতত মামাবাবু অন্য চিন্তায় মগ্ন। এখন তার গল্পগুজবের ইচ্ছে নেই।

    ঘন্টাখানেক বাদে এলেন মামাবাবু। আর এসেই ঘােষণা করলেন, ভরতজি কাল সকালে আমি একবার সিঙ্গাপুরে যাব। এই সাতটা নাগাদ রওনা হতে চাই। কালই ফিরতে পারি। নইলে পরশু। সুনন্দ, তােমার যাওয়ার দরকার নেই। আমি একা যাব।

    শুনে সুনন্দ থ। তবে মামাবাবু এরকমই খেয়ালি মানুষ। প্রশ্ন করা তিনি পছন্দ করবেন না।

    ভরত বেশ অবাক হয়ে বললেন, —বেশ। ভগলুকে গ্রামে পাঠাচ্ছি এখুনি, মাঝিদের খবর দিতে।

    মামাবাবু বললেন, এই বাড়তি যাওয়া-আসার খরচ আমি পুষিয়ে দেব। মাঝিদেরও বকশিশ দেব।

    মামাবাবুর পরের প্রশ্নটা অদ্ভুত, আচ্ছা ভরতজি চুংলির কটেজে কি মুরগি বা ছাগল পােষে?

    –তা পােষে। কয়েকটা মুরগি আর ছাগল আছে। দুধ ডিম মাংস খায়।

    সেদিন রাতে গরম-গরম আটার হাতরুটি, ডিমের কালিয়া আর পায়েস দিয়ে জমিয়ে খেল সবাই। আনমনা মামাবাবু অবধি তারিফ করলেন, বাঃ! ভরতজি আপনার রান্নার হাত চমৎকার।

    সুনন্দ খেয়াল করে, ভােররাতে মামাবাবু ভরতকে নিয়ে চলে গেলেন খাঁড়ির দিকে। ফিরলেন খানিক বাদে। কী করতে গিয়েছিলেন তা নিয়ে উচ্চবাচ্য করলেন না। সকাল সাতটা নাগাদ মামাবাবু সিঙ্গাপুর চলে গেলেন নৌকায়। যাওয়ার আগে তিনি সুনন্দকে বলে গেলেন, নজর রেখাে চুংলির লােক খাঁড়ির কাছে আসে কিনা। সমুদ্র স্নান একদম নয়। আর তােমরা কেউ ওই খাঁড়ির কাছে যেও না।

    মামাবাবু চলে যেতেই সুনন্দ ভরতকে পাকড়ায়, ভােরে খাঁড়িতে কী করতে গিয়েছিলেন?

    সেই কৌটোটা ফের দড়িতে বেঁধে আগের মতাে ঝুলিয়ে রেখে এলাম।

    সারাটা দিন সুনন্দ একা-একা ঘুরে বেড়ায় দ্বীপে। বেলাভূমিতে কতরকম সামুদ্রিক জীব দেখল। জঙ্গলের ভেতরে ঢুকল না। ধারে-ধারে ঘুরল। সেখানে বুনো আনারসের ঝোপ দেখে সে অবাক। ছােট-বড় প্রচুর আনারস ধারে রয়েছে। এক পাল ছােট আকারের বাঁদর ছিল বনে। অচেনা লােক কাছাকাছি ঘুরতে দেখে তারা কিচিরমিচির ডেকে বেজায় লাফঝাপ শুরু করে।

    মামাবাবু সেদিনই ফিরলেন সন্ধের আগে। মুখ প্রসন্ন। অর্থাৎ যাত্রা বােধহয় সফল হয়েছে। পরের দিনও মামাবাবু ও সুনন্দ কাটাল ওই দ্বীপে। মামাবাবু স্রেফ তাঁবুতে বা তাঁবুর বাইরে বসে সমুদ্র দেখে কাটিয়ে দিলেন। তবে কিছু নিয়ে গভীর চিন্তা করছেন। কারণ কথাবার্তা বলছিলেন খুব কম।

    পরদিন মামাবাবু সুনন্দ ও ভরত দ্বীপ ছেড়ে নৌকায় পাড়ি দিল সিঙ্গাপুর। নৌকা নাকি আবার ফিরে এসে ফেরত নিয়ে যাবে মালপত্রসহ ভরতের স্ত্রী এবং ভগলুকে।

    সিঙ্গাপুরের কাছাকাছি পৌঁছেছে ভরতদের নৌকা। ওই সময় একটা ছােট লঞ্চ পাশ দিয়ে উল্টো দিকে বেরিয়ে গেল। ভরত বললেন, চুংলি সাহাবের লঞ্চ। বােধহয় ওই দ্বীপে যাচ্ছে।

    মামাবাবু গম্ভীরভাবে আড়চোখে দেখলেন লঞ্চটা। সিঙ্গাপুরে ফিরেই মামাবাবুর ব্যাংকক যাওয়ার কথা ছিল। আশ্চর্য ব্যাপার, তিনি সেই প্রােগ্রাম বাতিল করে দিলেন। রয়ে গেলেন সিঙ্গাপুরের হােটেলে। কিন্তু ঘরে থাকতেন না বেশি। হরদম বেরিয়ে যেতেন একা। সিঙ্গাপুরে কী করতে যে রয়েছেন মামাবাবু বােঝে না সুনন্দ। সে বেচারি বাধ্য হয়ে সিঙ্গাপুর শহরে টহল মারতে লাগল। কখনও-কখনও ভরতের বাড়ি গিয়ে চা আর গরম পকৌড়া সাঁটায়।

    তৃতীয় দিন সকালে ভরত হঠাৎ হাজির হলেন হােটেলে, আমায় ডেকেছেন বাবুজি? কিছু দরকার? আবার যাবেন নাকি এই দ্বীপে?

    মামাবার বােধহয় ভরতের অপেক্ষাতেই ছিলেন। বললেন, আসুন আসুন। নাঃ, এবার আর ওই দ্বীপে যাওয়ার সময় নেই। আপনাকে ডেকেছি কটা খবর শােনাতে। খুব দামি খবর।

    —খবর! কী খবর বাবুজি?

    —এবার থেকে আপনি ওই দ্বীপে চুটিয়ে ব্যবসা করুন। ট্যুরিস্ট আনুন। তাদের সমুদ্রে স্নান করতে দেবেন নিশ্চিন্ত মনে। আপনার লােক জলে নামলেই যে হাঙরের উপদ্রব হত তা আর হবে না একদম। যতক্ষণ ইচ্ছে তারা স্নান করুক। সাঁতার কাটুক। মামাবাবুর কথা শুনে শুধু ভরত নয়, সুনন্দও হতভম্ব।

    ভরত আমতা-আমতা করেন, ঠিক বলছেন বাবুজি?  ভরসা দিচ্ছেন?

    —হ্যাঁ। পুরাে ভরসা।

    —আপনি কিছু কৌশল করলেন বুঝি?

    তা বলতে পারেন করেছি। কী করেছি পরে জানতে পারবেন। এখন বলব না।

    ভরত হাতজোড় করে মামাবাবুকে গদগদ স্বরে বলেন, আপনার বহুত মেহেরবানি বাবুজি।

    কী কৌশল করলেন মামাবাবু হাঙরের উৎপাত ঠেকাতে? সুনন্দর মনে প্রচণ্ড কৌতুহল। কিন্তু ভরাতের সামনে প্রশ্ন করে লাভ নেই। মামাবাবু এখন চাইছেন না বলতে।

    মামাবাবু হাসিমুখে বলেন, আর-একটা সুখবর দিচ্ছি। চুংলির হাল খুব খারাপ। ওই দ্বীপে ওর ডেরা ভেঙে গিয়েছে। আর ও আপনার সঙ্গে ঝামেলা করতে পারবে না।

    —কী হয়েছে চুংলির? প্রশ্নটা যুগপৎ ভরত ও সুনন্দর।

    —তাকে পুলিশে ধরেছে কাল। ফাটকে পুরেছে। চুংলি আর তার কিছু সাঙ্গোপাঙ্গকে। বিচারে বেশ ক’বছর জেল খাটতে হবে নির্ঘাত।

    কেন? কী করেছে সে?

    পরে ঠিক জানতে পারবেন। আমি যখন কিছু বলছি না। হ্যাঁ, আমরা কাল সিঙ্গাপুর ছাড়ছি। আবার আসব বছরখানেক বাদে। তখন ওই দ্বীপে যাব। আপনার স্ত্রীর রান্না খাব। সমুদ্রে স্নানও করব।

    খুশিতে ডগমগ ভরত বিদায় নিলেন।

    ভরত চলে যেতেই উত্তেজিত সুনন্দ বলে, ব্যাপারটা খুলে বলুন মামাবাবু। ওখানে হাঙরের উপদ্রব আর হবে না কেন? চুংলিকে অ্যারেস্ট করেছে কেন?

    মামাবাবু হেসে বললেন, রসো বাপু, অত তাড়া দিও না। আগে এক কাপ চা খাই।

    সুনন্দ উন্মুখ। চায়ে চুমুক দিয়ে মামাবাবু শুরু করেন, —দেখ, হাঙরের উৎপাতের ব্যাপারটা শুনেই আমার মনে খটকা লাগে। কী ব্যাপার? শুধু ভরতের কটেজের সামনে সমুদ্রে হাঙর আসে কেউ জলে নামলেই। অথচ চুংলির এলাকায় সমুদ্রে হাঙরের উপদ্রব হয় না? দুটো সাগর তাে পাশাপাশি মেশামেশি। আর-একটা প্রশ্ন–ভরতের কেউ যখন সমুদ্রে নামে, চুংলির কটেজের কেউ তখন সমুদ্রে নামে না কক্ষনাে। অর্থাৎ ওপক্ষ কি জানে যে এখুনি হাঙর আসবে ওখানকার সমুদ্রে? তাহলে কি ইচ্ছেমতাে হাঙর ডেকে আনা হয় ভরতের কেউ হলে নামলে? যদি তাই হয়, কে করে? কী উপায়ে?

    —এই প্রশ্নগুলাে আমার মনেও এসেছিল।

    —আসা উচিত। খুবই স্বাভাবিক। আমার সন্দেহটা চুংলির ওপরেই পড়ে। কারণ ওই দ্বীপে ভরতের পর্যটন ব্যবসায় তার ঘাের আপত্তি ছিল গােড়া থেকেই। ভরতকে ওখান থেকে সরাবার চেষ্টা করেছে। হুমকি দিয়েছে। মনে হল, এ নির্ঘাত চুংলির কীর্তি।

    —কিন্তু হাঙ্গর লেলিয়ে দিত কীভাবে? এ কি সম্ভব?

    -হ্যাঁ সম্ভব। আমিও প্রথমে ভেবে পাচ্ছিলাম না কী উপায়ে করছে? তবে ওই নিয়ে ভাবতে-ভাবতে একটা সম্ভাবনা আমার মাথায় আসে হঠাৎ রক্ত। তাজা রক্ত। জানাে তাে, হাঙরের দৃষ্টিশক্তি দুর্বল। কিন্তু ওদের ঘ্রাণশক্তি, শ্রবণশক্তি খুব প্রখর। হাঙর মাংসাশী হিংস্র প্রাণী। সমুদ্রজলে কোনাে জীবের গা কেটে গিয়ে রক্ত বেরুলে হাঙর মাইলখানেক বা, আরও দূর থেকে সেই রক্তের গন্ধ পায় এবং শিকারের লােভে ওই রক্তের উৎস সন্ধানে ধেয়ে আসে। আমার মনে হয়েছিল ভরতের কেউ সমুদ্রে নামলেই চুংলির লােক কাছাকাছি সমুদ্রে ভরতের সি-বিচ ঘেঁষে তাজা রক্ত কিংবা তাজা রক্তমাখা মাংস খণ্ড ফেলে দেয় সমুদ্রের জলে। তবে মাংস ফেললে তা খানিক বাদেই ঢেউয়ের তােড়ে তীরে এসে পড়বে। খানিকটা শুধু রক্ত ফেললেও তা স্রোতে দূরে সরে যাবে। খুব কাছে না থাকলে হাঙর ঠিক ভরতের এলাকার সমুদ্রে হামলা করতে আসবে না। স্রোতে ভাসা রক্তের গন্ধ অনুসরণ করে অন্য কোথাও চলে যাবে। চুংলির উদ্দেশ্য ব্যর্থ হবে।

    পরে ভেবে মনে হল, আর-একটা উপায় হতে পারে।

    চুংলির লােক হয়তাে কোনাে পাত্রে তাজা রক্ত ভরে সেটা দড়িতে বেঁধে সমুদ্রের জলে ডুবিয়ে রাখে, ভরতের এলাকার সমুদ্রের কাছেই কোথাও। দড়ির অন্যপ্রান্ত ধাঁধা থাকে তীরে। পাত্র থেকে বেরােয় রক্ত। সমুদ্রের জলে মেশে। পাত্রটা তীরে বাঁধা থাকার জন্য ভেসে যায় না। ফলে কাছাকাছি বা বেশ দূরের হাঙর জলে ওই রক্তের গন্ধ পেয়ে রক্তের উৎস খুঁজতে খুঁজতে সাঁতরে চলে আসে ভরত এবং চুংলির সাগর এলাকায়। তাই তাজা রক্ত ভরা পাত্র জলে ডুবিয়ে রেখে চুংলির কেউ কদাপি সমুদ্রে নামে না। খানিক বাদেই হাঙরের আক্রমণ হবে জানে যে।

    সমুদ্রের জলে ডুবিয়ে রাখা এমন কোনাে কৌশল খুঁজতে-খুঁজতে সমুদ্রতীরে খাড়ির মধ্যে লুকনাে ওই দড়ি বাঁধা কৌটোটা নজরে আসে। তােমরাও দেখেছ কৌটোটা। কৌটোর ঢাকনি তখন খুলতে পারিনি। তাঁবুতে গিয়ে খুলি। কৌটোয় অল্প জল ছিল। লালচে জল। কৌটোর ভেতরে কোথাও কোথাও ছিল কালচে ছােপ। কৌটোর জলে রক্ত আছে কিনা জানা দরকার। দ্বীপে মাইক্রোস্কোপ নেই। তাই পরদিন সিঙ্গাপুরে চলে গেলাম পরীক্ষা করতে, কৌটোর জল শিশিতে পুরে কৌটোর ভিতরের গা চেঁচে কালচে ছােপের একটু স্যাম্পল নিয়ে। কৌটোটার ভিতরে গন্ধ শুকে আমি অবশ্য যাওয়ার আগেই মােটামুটি নিশ্চিন্ত হয়েছিলাম যে, জলে রক্ত মেশানাে আর ওই কালচে দাগটা রক্তের। সিঙ্গাপুরে গিয়ে পরীক্ষা করে বুঝলাম যে আমার আন্দাজ সঠিক। প্যাথােলজিস্ট ডক্টর তাকাহাসিও পরীক্ষা করে তাই জানালেন।

    অর্থাৎ আমরা দ্বীপে আসার পরেই চুংলির লােক তাজা রক্ত ভরে কৌটোটা ডুবিয়ে রেখে গিয়েছিল খাঁড়িতে। মুরগি ছাগল বা অন্য কোথাও প্রাণীর রক্ত। লুকিয়ে এসে  টুক করে ফাঁদ পেতে পালিয়েছে। তখন সমুদ্রে নামলে কী হতে পারত বুঝেছ?

    সুনন্দ বলে, খুব বুঝেছি। কৌটোর ফুটো দিয়ে একটু-একটু বেরিয়েছে রক্ত। সেই রক্ত মিশেছে খাঁড়ির জলে। সেখান থেকে রক্ত মেশা জল গিয়েছে সামনের সমুদ্রে। হাঙরের টোপ। খানিক বাদে আমরা কেউ জলে নামলেই হাঙরে ধরত। সেদিন দেখলামই তাে, হাঙর এসে গিয়েছিল কাছাকাছি। বাপরে খুব বেঁচে গিয়েছি।

    মামাবাবু বললেন, এই কায়দাই করছিল চুংলি, ভরতের ট্যুরিস্ট জলে নামলে। এবারও আশা করেছিল, আমরা একটু বাদেই সমুদ্রে নামব।

    সুনন্দ বলে, কিন্তু মামাবাবু চুংলিকে পুলিশে ধরেছে কেন? ওকে অনেক বছর জেল খাটতে হবে কেন? রক্তের ফাঁদ পেতে ভরতকে জব্দ করার দুর্বুদ্ধি, ওই দ্বীপে ভরতের ব্যবসা নষ্ট করার চেষ্টা অপরাধ নিশ্চয়। কিন্তু গুরুতর অপরাধ নয়। এর জন্যে ফাইন করতে পারে, সতর্ক করে ধমকধামক দিতে পারে আদালত। বড়জোর কিছুদিন জেল খাটা। কিন্তু অনেক বছর জেল খাটার মতাে অপরাধ কি? জানি না অবশ্য এদেশের আইনকানুন।

    মামাবাবু বললেন, ঠিক বলেছ, ভরতকে ওহ জব্দ করার চেষ্টা মােটেই তেমন বড় অপরাধ নয়। তা প্রমাণ করাও শক্ত। চুংলি আর তার সাঙ্গোপাঙ্গদের অনেক বছর জেল খাটতে হবে অন্য কারণে। ঢের গুরুতর অপরাধ।

    —কী রকম?

    —জানাে, ভরতকে ওই দ্বীপ থেকে তাড়াবার এই অভিনব ফন্দি আবিষ্কারের পর আমার মনে একটা প্রশ্ন জাগে। ভরত কী এমন অসুবিধে করছিল চুংলির? ভরত তাে মাঝেসাঝে অল্প ক’জন ট্যুরিস্ট নিয়ে যায়। কয়েকদিন মাত্র থাকে। বেশি লােকের ব্যবস্থা করার সাধ্যি নেই ভরতের। ওই জংলা দ্বীপে বেশি ট্যুরিস্ট যাবেই বা কেন? থাকবেই বা কেন বেশিদিন? এর জন্যে এত মাথাব্যথা কেন চুংলির? নিশ্চয় অন্য কোনাে কারণ আছে। চলে গেলাম আমার পরিচিত সিঙ্গাপুরের এক পুলিশ কর্তার কাছে। খুলে বলি সব। পুলিশ কর্তাটির মনেও খটকা লাগে। সন্দেহ হয় কিছু। আমরা যেদিন এই দ্বীপ ছাড়ি তার পরদিনই পুলিশ ফোর্স হানা দেয় ওই দ্বীপে। একেবারে হাতেনাতে ধরে শয়তান চুংলি আর তার কয়েকজন সাকরেদকে।

    —কেন কেন?

    —চোরাই মাদকদ্রব্য রাখার অপরাধে। ওই দ্বীপ ছিল চুংলির ঘাঁটি। দ্বীপে ওর বাংলােয় মাটির নিচে কুঠুরিতে পাওয়া গিয়েছে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ নেশার বস্তু। হেরােইন আরও কী-কী। ওখান থেকে সুবিধেমতাে নানা জায়গায় ওইসব মাদক পাচার করত। ওটাই ছিল চুংলির টাকা কামাবার আসল কারবার। পাছে ভরত কিছু টের পেয়ে যায় তাই কায়দা করে তাড়াতে চাইছিল ভরতকে। আচ্ছা কৌশল করেছিল বটে। ঘটনাটা শিগগির খবরের কাগজে বেরুবে। তখন সবই জানতে পারবে।

    —ওঃ এই ব্যাপার! সুনন্দ স্তম্ভিত।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleথানা থেকে আসছি – অজিত গঙ্গোপাধ্যায়
    Next Article গল্পসংগ্রহ – অজেয় রায়

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }