Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রাইকমল – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প102 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০২. হাস্যময়ী

    রঞ্জনের মা কমলিকে বড় ভালবাসিত। তাহার নাম দিয়াছিল-হাস্যময়ী। রঞ্জনকে দিতে গিয়া আধখানা মণ্ড ভাঙিয়া সে কমলির হাতে দিত। কিন্তু সেদিন রঞ্জন যখন কমলির এঁটো কুল খাইয়া বাড়ি ফিরিল, তখন সে বলিল, রাক্ষুসী রাক্ষুসী, মায়াবিনী গো, ওরা ছত্রিশ জেতে বোষ্টম–ওদের কাজই এই। মুড়োঝাঁটা মারি আমি হারামজাদীর মুখে।

    কুল-খাওয়ার ঘটনাটা দৈবক্রমে খোদ মহেশ্বর মোড়লের-রঞ্জনের বাপের নজরে পড়িয়াছিল। মহেশ্বরের বলদটা অকারণে ছুটিয়া আসে নাই। গরু চরাইতে গিয়াছিল। সে এই কুলগাছটার পাশেই একটা জঙ্গলের আড়ালে। হঠাৎ ব্যাপারটা দেখিয়া অকারণে সে বলদটার পিঠে সজোরে পাঁচন লাঠির এক ঘা বসাইয়া দিয়াছিল। সমস্ত দেখিয়া শুনিয়া ভয়ে সে শিহরিয়া উঠিল। তার স্ত্রীর নিকটে সমস্ত প্ৰকাশ না করিয়া পারিল না। রঞ্জনের মা গালে হাত দিয়া বিষম বিস্ময়ে লম্বা টানা সুরে বলিয়া উঠিল, ওগো মা, কোথায় যাব গো, জাত মান দুই গেল যে! রাক্ষসী হারামজাদী কি নচ্ছার গো, মুড়োঝাঁটা মার মুখে। আর সে হারামজাদা গেল কোথা? ধরে–গোবর খাওয়াও তুমি।

    মহেশ্বর বাধা দিয়া বলিল, চুপ চুপ, চেঁচিয়ে গাঁগোল করিস না। জ্ঞাতিতে শুনলে টেনে ছাড়ানো দায় হবে, পতিত করবে। ধমক খাইয়া রঞ্জনের মা তখনকার মত চুপ করিল। কিন্তু রঞ্জন বাড়িতে পদার্পণ করিবামাত্র নাথ নাড়িয়া, ঘন ঘন ভুরু তুলিয়া সে বলিল, বলি, ওরে ও মুখপোড়া, তোর রকম কী বল দেখি?

    রঞ্জনও সমানে তাল দিয়া বলিল, খেতে দাও বলছি। গাল খেয়ে পেট ভরবে না। আমার। গাল খেতে আসি নাই আমি।

    ঝঙ্কার দিয়া মা বলিয়া উঠিল, দেব-ছাই দেব মুখে তোমার। কমলির এঁটো কুল খেয়ে পেট ভরে নাই তোমার, শরম-নাশা জাত-খেগো!

    সাপের মাথায় যেন ঈশের মূল পড়িল। উদ্ধত রঞ্জনের রক্তচক্ষু নত হইয়া মাটির উপর নিবদ্ধ হইয়া গেল। মহেশ্বর মোড়ল আড়ালেই কোথায় ছিল। সে এবার সম্মুখে আসিয়া চাপা। গলায় গর্জন করিয়া বলিল, হয়ে মরলি না কেন তুই? মুখ হাসালি আমার তুই! জাত নাশ করলি!

    রঞ্জন নীরব হইয়া রহিল। তাহার নীরবতায় বাপের রাগ অকারণে বাড়িয়া গেল, সে বলিল, চুপ করে আছিস যে? কথার জবাব দে।

    কিছুক্ষণ পর আবার সে গৰ্জিয়া উঠিল, তবু কথার জবাব দেয় না। আচ্ছা, আমিও তেমন লোক নই, তা জান তুমি। ত্যাজ্যপুতুর করব আমি তোমাকে-বাড়ি থেকে দূর করে দোব। কিন্তু জাত আমি দোব না।

    তারপর আদেশের সুরে বলিল, খবরদার, আর যাবে না। ওদের বাড়ি। মা-বিটীদের ক্রিসীমেনা মাড়াবে না। আর। এই বলে দিলাম তোকে–হ্যাঁ।

    আস্ফালন করিয়া মহেশ্বর চলিয়া গেল। রঞ্জন নীরবে নত দৃষ্টিতে সেইখানেই বসিয়া রহিল।

    ঘুরিয়া ফিরিয়া মা আসিয়া এবার সান্ত্বনা দিয়া বলিল, মাঘ মাসেই বিয়ে দেব তোর। এমন বউ আনিব, দেখবি কমলি কোথায় লাগে!

    রঞ্জন নীরবেই বসিয়া রহিল। মুড়ি বাহির করতে করতে মা ঘর হইতে বলিল, বলে যে সেই—

    বেঁচে থাকুক চূড়া বাঁশি
    রাই হেন কত মিলবে দাসী।

    সুন্দর মেয়ের আবার ভাবনা!

    রঞ্জন বলিয়া উঠিল, না।

    মায়ের হাতের কাজ বন্ধ হইয়া গেল। সবিস্ময়ে বলিল, কি না?

    বিয়ে আমি করব না।

    প্রবলতর বিস্ময়ে আশঙ্কায় মা প্রশ্ন করিয়া বলিল, কি করবি তবে?

    রঞ্জন উঠিয়া পড়িল। আঙিনাটা অতিক্রম করিতে করিতে সে বলিয়া গেল, বোষ্টম হব আমি।

    বিস্ময়ে হতবাক রঞ্জনের মা কিছুক্ষণ পর সংবিৎ পাইয়া ডাকিল স্বামীকে, ওগো মোড়ল, ও মোড়ল!

     

    রঞ্জন আসিয়া উঠিল রসকুঞ্জে। রসিকদাসের আখড়ার ওই নাম। রসকুঞ্জ এ গ্রামের সকলেরই সুপরিচিত স্থান। ছেলেদের সেখানে মিলিত তামাক, বুড়োদের মিলিত গাঁজা। কাহারও মিলিত বিচিত্র আকারের বাঁশের হুঁকা, কাহারও বা সাপের মত আঁকাবাঁকা নল; কাহারও লতাবেষ্টনীর জোড়া ডালের ছড়ি-ঠিক যেন দুইটি সাপে পরস্পরকে জড়াইয়া আছে। এই রকম বহু উদ্ভট সুন্দর সামগ্ৰী আবিষ্কার কবিয়া রসিকদাস সকলের মনোরঞ্জন করিত।

    সেদিন রসিকদাস স্নানের পর দাড়ির বিন্যাস করিতেছিল, কাঁচাপাকা দাড়ির মধ্যে আঙুল চালাইয়া ফাঁস ভাঙিতেছিল। রঞ্জন আসিয়া ডাকিল, মহান্ত!

    রসিক বলিল, রাইকমল-রঞ্জন যে হে! এস এস।

    রঞ্জনকে সে ওই নামে ডাকে। রঞ্জন অনেক কথা মনে মনে ফাঁদিয়া আসিয়াছিল। কিন্তু সব কেমন গোলমাল হইয়া গেল। যেটুকু মনে ছিল, সেটুকুও লজ্জায় বলিতে পারিল না।

    রসিকদোসই প্রশ্ন করিল, কি, তামাক খেতে হবে নাকি? ভাত খেয়েছ?

    রঞ্জন একটা সুযোগ পাইল, সে বলিল, না। তোমার এখানেই খাব।

    মহান্ত রসিকতা করিয়া বলিল, জাত যাবে যে হে!

    ফস করিয়া রঞ্জন বলিয়া ফেলিল, বোষ্টম হব আমি মহন্ত।

    মহান্ত তাহার মুখের দিকে চাহিয়া ঈষৎ হাসিল। তারপর উপভোগের ভঙ্গিতে ঘাড় নাড়িতে নাড়িতে গুনগুন করিয়া গান ধরিয়া দিল–

    জাতি কুল মান সব ঘুচাইয়া চরণে হইনু দাসী

    রঞ্জন লজ্জায় রাঙা হইয়া ঈষৎ বিরক্তিভরে কহিল, ধোৎ! ধান ভানতে শিবের গীত! তোমার হল কি মহান্ত?’

    মৃদু হাসিতে হাসিতে মহান্ত ঘাড়ু নাড়িয়া বলিল, রসিকের রস এসেছে।

    আরও বিরক্ত হইয়া রঞ্জন বলিল, তা তুমি কি বলছি বল? আমাকে ভেক দেবে তুমি?

    নির্বিকারভাবে রসিকদাস বলিল, রাইকমল বলে তো দোব।

    রুষ্ট হইয়া রঞ্জন বলিল, কেন? কমলি কি তোমার হাকিম নাকি?

    হাসিতে হাসিতে ঘাড় নাড়িয়া রসিক বলিল, হুঁ।

    তবু যদি বগ-বাবাজী না বলত সে! রঞ্জন ক্রোধাভরে উঠিয়া পড়িল।

    রসিকদাস তখনও তেমনই হাসিতেছিল, সে কথা কহিল না। রঞ্জন বলিল, বেশ, চললাম আমি তারই কাছে।

    রসিকদাস গুনগুন করিতে করিতে দাড়িতে বিনুনি পাকাইতে আরম্ভ করিল।

     

    কমলি তখন আখড়ায় জোড়া-লতার ছায়াতলে বসিয়া সেই কুলগুলি বাছিতেছিল, মাঝে মাঝে রঞ্জনকে প্রতারণা করার কৌতুক স্মরণ করিয়া আপনার মনেই সে হাসিয়া উঠিতেছিল। ও-পাড়ার ভোলা আসিয়া কমলির নিকটে বসিয়া বলিল, কমলি!

    স্বরখানি তরঙ্গায়িত করিয়া অনাবশ্যক দীর্ঘ উচ্চারণে কমলি উত্তর দিল, কি!

    ভোলা বলিল; এই এলাম। একবার।

    নিষ্ঠুর ব্যঙ্গে ভোলার স্বরভঙ্গি অনুকরণ করিয়া কমলি বলিল, বেশ যাও একবার। সে ব্যঙ্গে ভোলা এতটুকু হইয়া গেল। হাঁটু দুইটি জড়াইয়া ধরিয়া সে নীরবে বসিয়া রহিল। কমলিও কুল বাছা রাখিয়া ভোলার ভঙ্গি অনুকরণ করিয়া বসিয়া খিলখিল করিয়া হাসিয়া উঠিল। তারপর বলিল, বীদরের মত বসলি যে উপু হয়েঃ ভোলার লজ্জার আর পরিসীমা ছিল না। সে পলায়নের অজুহাত খুঁজতেছিল। কমলি বলিল, আমার কুলগুলো বেছে দে না ভাই। আমি একটু বসি।

    ভোলা হাঁপ ছাড়িয়া বাঁচিল। সে তাড়াতাড়ি কুল বাছিতে বসিল।

    বিচিত্র খেয়ালী চপলা মেয়েটি অকস্মাৎ দুলিয়া দুলিয়া আরম্ভ করিল–

    এক যে ছিল রাজা তিনি খান খাজা
    তার যে রানী তিনি খান ফেনী
    তাঁর যে পুত হাবাগোবা ভূত
    মুখে খায় সার গালে খায়—

    সঙ্গে সঙ্গে সে বাঁ হাতে চড় উঠাঁইয়াছিল। কিন্তু ভোলা চট করিয়া তাহার হাতখানা ধরিয়া ফেলিল। কমলির কলকণ্ঠে ধ্বনিত হইয়া উঠিল জলতরঙ্গের মত হাসি।

    ভোলা বলিল, কমলি! স্বর তাহার কাঁপিতেছিল।

    হাতখানি আকর্ষণ করিয়া কমলি বলিল, ছাড় ভোলা, ছাড়ি বলছি।

    ভোলা বলিল, না।

    কমলি মুক্ত ডান হাতে এক মুঠ কুল লইয়া ভোলার মুখের উপর ছুড়িয়া মারিয়া বসিল। পাকা কুলগুলি ছিতরাইয়া চটচটে শীসে ভোলার মুখখানা ভরিয়া গেল। কমলির হাত ছাড়িয়া ভোলা মুখ মুছিতে ব্যস্ত হইয়া পড়িল। কমলি সেই হাসি হাসিয়া মাটিতে লুটাইয়া পড়িতেছিল।

    ঠিক এই সময়টিতেই বাহির হইতে ডাক আসিল, চিনি!

    ভোলা দুর্বল মানুষ, সে রঞ্জনকে বড় ভয় করিত। ডাক শুনিয়া সে চমকাইয়া উঠিল। তাড়াতাড়ি উঠিয়া সে বাহিরের দিকে ছুটিল। প্রবল কৌতুকে উচ্ছলা কমলি তাহাকে ডাকিল, যাস না ভোলা, যাস না। ভয় কিসের রে?—বলিতে বলিতে সে বাহিরের দরজায় আসিয়া দেখিল, এ মুখে পলাইতেছে ভোলা, বিপরীত মুখে দ্রুতগমনে চলিয়াছে রঞ্জন!

    কমলি ডাকিল, লঙ্কা, লঙ্কা হে!

    রঞ্জন উত্তর দিল না, একবার ফিরিয়া চাহিল না পর্যন্ত।

    কমলি বুঝিল, রঞ্জন রাগ করিয়াছে, ভোলার সঙ্গে কথা বলিলেই রঞ্জনের মুখ ভার হয়, আজ তো ভোলার সঙ্গে বসিয়া সে হাসিতেছিল। কিন্তু এতটাও তাহার সহ্য হইল না। ভোলাকে ধরিয়া দু-ঘা দিলেই তো হইত! তা না, উলটা রাগ করিয়া যাওয়া হইতেছে! সে উচ্চকণ্ঠে বলিল, আচ্ছা-আচ্ছা এই হল। মনে থাকে যেন।

    বলিয়াই সে ফিরিল; দুই পা ফিরিয়াই আবার সে দরজার মুখে আগাইয়া আসিয়া বলিল, আমি কারও কেনা বাঁদী নই।

    বলিয়াই সে এদিকে মুখ ফিরাইয়া ভোলাকে ডাকিল, ভোলা, ভোলা! কিন্তু পথের বাঁকের অন্তরালে ভোলা তখন অদৃশ্য হইয়া গিয়াছে। আখড়ার মধ্যে ফিরিয়া কমলি আবার কুল বাছা শুরু করিল। একটা কুল হাতে লইয়া সে আপন মনেই বলিয়া গেল, ও-রে! চলে গেলিগেলিই। আমার তাতে বয়েই গেল। একেই বলে, আলুনো রাগ। তা রাগ করলি-করলি, নিজের ঘরে ভাত বেশি করে খাবি।

    সে হাসিতে চেষ্টা করিল, কিন্তু হাসির বদলে চোখে আসিল জল। অভিমানভরে সে পটাপট করিয়া কুলের বোঁটা ছাড়াইয়া চলিল।

    কতক্ষণ পর কে জানে, কমলির হুঁশ ছিল না।

    কামিনী ভিক্ষ হইতে ফিরিয়া চারিদিকে একবার দৃষ্টি বুলাইয়া লইয়া তিক্তস্বরে ভর্ৎসনা করিয়া কমলিকে বলিল, ও-মাগো! এখনও উনোনের মুখে কাঠ পড়ে নাই, জলের কলসি ঢনচন করছে! একি? বলি, হ্যাঁ লো কমলি, তোর রীতকরণের রকম কি বল দেখি?

    কমলি অকারণে বিদ্রোহ করিয়া উঠিল, ঝঙ্কার দিয়া সে বলিল, পারব না, আমি পারব না; খেতে না হয় নাই দেবে।—বলিতে বলিতে সে কাঁদিয়া ফেলিল, বলিল, শুধুই বকুনি, শুধুই বকুনি। যার তার রাগ আমার ওপর। কেন, আমি কার কি করেছি!

    কামিনী আশ্চর্য হইয়া গেল। সে তো এমন কিছু বলে নাই। তবু আদরিণী মেয়েটির কান্না তাহার সহ্য হইল না। মেয়ের পিঠে সস্নেহে হাত বুলাইয়া দিয়া সে বলিল, কিছু তো বলি নাই আমি তোকে মা। বলেছি, বুড়ো মানুষ তেতে-পুড়ে এলাম, এখন জল আনা, কাঠ যোগাড় করা–

    চোখের জল চোখে তখনও ছলছল করিতেছিল, কমলির মুখে অমনিই হাসি দেখা দিল। বোধহয় খানিকটা লজ্জাও পাইল। তাড়াতাড়ি চোখের জল মুছিয়া শূন্য কলসিটা কাঁখে তুলিয়া বলিল, জল নিয়ে আসি আমি-এলাম বলে।

    মা হাসিল। ফুলের ঘা সয় না। তাহার কমলের!

    কমলি চলিয়া যাইতেই আসিয়া প্ৰবেশ করিল মহেশ্বর মোড়ল–রঞ্জনের বাপ, সে যেন এই অবসরটুকুর প্রতীক্ষ্ণতেই কোথাও দাঁড়াইয়া ছিল। একেবারেই সে কামিনীর হাত দুইটি জড়াইয়া ধরিয়া একান্ত কাকুতিভরে বলিল, কামিনী, তোরও সন্তান আছে। আমার ওই একমাত্র সন্তান। আমার সন্তান আমাকে ফিরে দে কামিনী। তোর ভাল হবে।

    সমস্ত ঘটনা বর্ণনা করিয়া সজল চক্ষে মহেশ্বর বলিল, বাড়ি থেকে সে পালিয়ে এসেছে। তার মাকে বলে এসেছে, বোষ্টম হবে।

    কামিনী সমস্ত শুনিয়া কিছুক্ষণ চুপ করিয়া রহিল। তারপর বলিল, এতদূর তো ভাবি নাই আমি মোড়ল। কিন্তু এখন ছাড়াছাড়ি করলে কি মেয়েরই আমার সুখ হবে? আমাকে কি মা হয়ে সন্তানের বুকে শেল হানতে বল তুমি?

    মহেশ্বর বলিল, টাকা দেব আমি, তোমার মেয়েকে কিছু জমি লিখে দোব আমি কামিনী।

    বাধা দিয়া কামিনী বলিল, ছি, আমার মেয়ের কি ইজ্জত নাই মোড়ল?

    মোড়ল বলিয়া উঠিল, রাম রাম রাম! সে বললে জিভ খসে পড়বে আমার। কিন্তু ভেবে দেখা কামিনী, সন্তান তো আমারও। ওই একটি সন্তান।

    একটু চিন্তা করিয়া কামিনী বলিল, যাও মোড়ল, আমি কমলিকে নিয়ে গা থেকে চলে যাব। তুমি তোমার ছেলেকে বাগিয়ে নিও।

    বিষণ্ণভাবে মহেশ্বর বলিল, গাঁ থেকে চলে যেতে তো বলি নাই, কামিনী!

    কামিনী বলিল, না। মেয়ের চোখের উপর রঞ্জনকে আমি রাখব না মোড়ল। আমি ভিখারি, কিন্তু মেয়ে তো আমার কম আদরের নয়। আর বেষ্টিম জাত, পথই তো আমাদের ঘর গো।

    সহসা বাহিরে বেড়ার ধারে কি একটা শব্দ হইল। কি যেন সশব্দে পড়িয়া গেল। কামিনী ছুটিয়া বাহিরে আসিতে আসিতে বলিতেছিল, কে? কমলি?

    সত্যই কমলি বেড়ার পাশে সিক্তবস্ত্রে দাঁড়াইয়া কাঁপিতেছিল। তাহার কাঁখের জলভরা মাটির কলসিটা পড়িয়া ভাঙিয়া গিয়াছে।

    মহেশ্বর ক্রস্তপদে অপরাধীর মতই যেন পলাইয়া গেল। স্নেহ কোমল স্বরে কামিনী বলিল, কলসিটা ভেঙে গেল! যাক। আয়, ভিজে কাপড় ছেড়ে ফেলে।

    কমলি হাসিয়া বলিল, না, জল আনি।

    মা মেয়ের মুখের দিকে চাহিয়া রহিল, মেয়েটি তাহার সেই মেয়ে কমলিই বটে, কিন্তু হাসিটি তো তাহার নয়! কমলির মুখে এ হাসি তো সাজে না। কামিনীর বুকের ভিতরটা কেমন করিয়া উঠিল।

    কমলি ঘাটের দিকে ফিরিয়াছিল, কামিনী বলিল, না।

    এলাম বলে।

    দাঁড়া। আমিও যাব। একটা ঘড়া লইয়া কামিনী বাহির হইয়া আসিল। পুকুরে অগাধ জল। কমলির অভিমান তার চেয়েও বেশি।

    পথে যাইতে যাইতে কমলি বলিল, মা!

    কি রে? সেই ভাল মা, চল, আমরা এখান থেকে চলে যাই।

    কামিনী চমকিয়া উঠিল। কমলি কথাটা শুনিয়াছে। কিন্তু কথার উত্তর দিতে পারিল না। তখন তাহার চোখের কোণে রুদ্ধ অশ্রুর বান ডাকিয়াছে।

    কমলি বলিল, রাসে নবদ্বীপে মেলা হয়। চল মা, তার আগেই আমরা চলে যাই। সন্তান হারানোর অনেক দুঃখ মা। নন্দরানীর দুঃখের কথা ভেবে দেখ।

    কামিনী অবাক হইয়া গেল। কমলির দিকে চাহিয়া তাহার মনে হইল, কমলি যেন অকস্মাৎ কত বড় হইয়া উঠিয়াছে! মনে হইল, সে যেন তাহার সখীর সঙ্গে কথা বলিতেছে। সেও সব ভুলিয়া এই মুহূর্তটিতে অন্তরঙ্গ সখীর মতই প্রশ্ন করিয়া বসিল, তোর কি খুব কষ্ট হবে কমলি?

    হাসিয়া কমলি বলিল, দূর!

    মা বলিল, লজ্জা করিস না মা।

    ধীরভাবে কমলি বলিল, না।

    জল লইয়া ফিরিবার পথে কামিনী বলিল, নবদ্বীপে চাদের মত চাদ খুঁজে তোর বিয়ে দোব। আমি। সে যেন এতক্ষণে মনের মত শোধ তুলিবার উপায় পাইয়াছে।

    ঘরে কলসি নামাইয়াই চটুল চঞ্চল গতিতে কমলি বাহিরের পথ ধরিল। মা বলিল, কোথায় যাবি আবার?

    নবদ্বীপ যেতে হবে, বলে আসি বিগ-বাবাজীকে।-বলিয়া সহজভাবেই সে খিলখিল করিয়া হাসিয়া উঠিল। ”

    কামিনী। কিন্তু ওই হাসিতে সান্ত্বনা পাইল না। মেয়ে চলিয়া যাইতেই সে কাঁদিল বার বার চোখের জল মুছিল।

    অন্যায় তাহারই। তাহারই সাবধান হওয়া উচিত ছিল। মেয়েকে এমনভাবে রঞ্জনের সঙ্গে মাখামাখি করিতে দেওয়া উচিত হয় নাই। এতটা সে ভাবে নাই; কিন্তু ভাবা উচিত ছিল। দুইটি কিশোর আর কিশোরী। বিচিত্র এর রীতি। কেমন করিয়া যে কোথায় বাঁধন পড়ে! পরান। ছাড়িলেও এ বাঁধন ছেড়ে না!

    কমলি বাহির হইতে ডাকিল, মা, এই নাও, বললে বিশ্বাস করে না। তুমি বল, তবে হবে। কমলি বগ-বাবাজীকে লইয়া হাজির করিয়াছে।

    কামিনী বলিল, বোসো মহান্ত, বোসো। কথা আছে, শোন। কমলি, যা তো মা, তোর ননদিনীর বাড়ি থেকে খানিকটা নুন নিয়ে আয় তো।

    কমলিনী মাথা নাড়িয়া বলিল, ওই তো ঘরে সের দরুনে নুন রয়েছে।

    তুই যা না, ওতে হবে না।

    ওতে না হলে মণি দরুনে নুনেও তোমার মরণ হবে না। আমি পারব না।

    যাও না মা, একটুখানি বেড়িয়েই এস না হয়। মায়ের কথা শুনলে বুঝি পাপ হয়?

    এবার কমল হাসিয়া বলিল, আমার সামনেই বলতে পারতে মা। কমল তোমার শুকোত না। বেশ, আমি যাচ্ছি।

    সে চলিল ননদিনীর বাড়ি। ননদিনী কাদু পাড়ার মোড়লদের মেয়ে, কমলির খেলাঘরের পাতানো সই ননদিনী। কাদু বাপ-মায়ের একমাত্র সন্তান, আদরে বর্ষার দাদুরীর মত সে মুখরা। হয়ত ভুল হইল, শুধু মুখরা বলিলে কাদুর প্রশংসা করা হয়। মেয়েটি মুখরার উপরে অপ্রিয়সত্যভাষিণী। লোকে বলে, নবজাত কাদুর মুখে তাহার মা নাকি মধুর প্রলেপ দিতে ভুলিয়াছিল। পাড়ার লোকে কাদুকে ‘সাত কুঁদুলী’র মধ্যে আসন দিয়াছে। ঘরে বসিয়া অনেকে তাহার মাথা খায়। ননদিনী পাতানো কমলিনীর সার্থক হইয়াছে। কাদুর ইহারই মধ্যে বিবাহ হইয়া গিয়াছে। গরিবের ছেলে দেখিয়া বিবাহ দিয়া তাহার বাপ জামাইকে ঘরেই রাখিয়াছে।

    পথ হইতেই কাদুর গলা শোনা যাইতেছিল, ও মাগো! একেই বলে—যার ধন তার ধন নয়, নেপোয় মারে দই! আমি পান খাই, আমার বাপের পয়সায় খাই! তাতে তোমার চোখ টাটায় কেন বল তো?

    কমলিনী বুঝিল, এ কোন্দল হইতেছে। কাদুর স্বামীর সঙ্গে। মা-বাপের অনুপস্থিতির সুযোগ পাইলেই পনের বছরের কাদু প্ৰবীণা গিন্নির মত কোমর বাঁধিয়া স্বামীর সঙ্গে কোন্দল জুড়িয়া দেয়। সে দুয়ারে ঢুকিয়াই গান ধরিয়া সাড়া দিল–

    ননদিনীর কথাগুলি নিমে গিমে মালা
    কালসাপিনীর জিহ্বা যেন বিষে আঁকাবাঁকা।
    ও আমার দারুণ নানদিনী—

    কাদু কোন্দল ছাড়িয়া শিথিল শব্দে হাসিয়া উঠিল। কমল বলল, কুঞ্জে প্রবেশ করতে পারি কুঞ্জশ্বরি?

    কাদু বলিল, মর মর মর, ঢঙ দেখে আর বাঁচি না। আয় আয়।

    তারপর তীব্রম্বরে স্বামীকে বলিল, ভারি বেহায়া তুমি। যাও না বাইরে। বউ এসেছে।

    কমল প্রবেশ করিয়া বলিল, আহা, থাকুকই না বেচারি, যুগল দেখে চোখ সার্থক করি।

    কাদু হাসিয়া কহিল, হ্যাঁ, এক হাতে কোদাল আর হাতে কাস্তে নিয়ে শ্যামকে মানাবে ভাল। বোস বোস ভাই। দিনরাত ব্যাজব্যাজ করছে, মালাম আমি। দাঁড়া, আমি পান নিয়ে আসি। দোক্তা নিবি, দোক্তা?

    পান-দোক্তা মুখে পুরিয়া কমল বলিল, বিদায় নিতে এলাম ননদিনী।

    সে কি? রাসে কোথাও যাবি বুঝি?

    নবদ্বীপ।

    কবে ফিরবি?

    কমলিনীর চোখ সজল হইয়া উঠিল। সে স্নানকণ্ঠে বলিল, আর ফিরব না ভাই কাদু।

    কাদু বলিয়া উঠিল, সে কি? কি বলছিস তুই বউ, আমি যে বুঝতে পারছি না।

    অবরুদ্ধ ক্ৰন্দনে কমলিনীর ঠোঁট দুইটি থরথর করিয়া শুধু কাঁপিয়া উঠিল। কোনো কথা তাহার ফুটিল না।

    তাহার হাত দুইটি চাপিয়া ধরিয়া কাদু বলিল, কি হয়েছে ভাই বউ? আমাকে বলবি না?

    ধীরে ধীরে সমস্ত কথা বলিয়া কমলিনী বলিল, এত সব কথা তো কোনোদিন ভাবি নাই ভাই কাদু। কিন্তু আজ–

    কথা সে শেষ করিতে পারিল না। আবার তাহার ঠোঁট দুইটি থারথার করিয়া কাঁপয়া উঠিল।

    কাদু যেন অভিভূত হইয়া পড়িয়াছিল। সে নীরবে বসিয়া রহিল। একটু পরে কমলিনী মৃদু। হাসিয়া বলিল, সে বলেছে, সে বিয়ে করবে না, জাত দেবে। তা ভাই, মা-বাপের ছেলে মা-বাপের থাক। আমরা এখান থেকে চলে যাই।

    কাদু বলিয়া উঠিল, তা মোড়লও কেন বোষ্টম হোক না। বোষ্টম কি ছোট জাতি নাকি? না, তারা মানুষ নয়? আমি বলব রঞ্জনদার বাবাকে, আমি ছাড়ব না। ভারি তো, ওঃ।

    কমলিনী বলিল, না। বার বার সে ঘাড় নাড়িল-না।

    কাঁদু একটু চিন্তা করিয়া বলিল, এক কাজ কর বউ। হোক না রঞ্জনদাদা বোষ্টম। তখন ছেলের টানে–

    বাধা দিয়া কমলিনী বলিল, ছি!

    কাদু নীরবে নতমুখে বসিয়া রহিল। চোখ তাহার ছলছল করিতেছিল। কমল অকস্মাৎ হাসিয়া উঠিল, কাদুকে ঠেলা দিয়া বলিয়া উঠিল, ও মা, এ যে নতুন কাণ্ড! বউয়ের শোকে ননন্দ কীদে, মাছের মায়ের কান্না! শোন শোন ভাই, একখানা গান শোন!

    মৃদুস্বরে সে গান ধরিল–

    ও আমার দারুণ নানদিনী ও তুই পরম সন্ধানী
    যেথায় যাব সেথায় যাবি লাগাইবি লেঠা
    ছাড়ালে না ছাড়ে যেন শেয়াকুলের কাঁটা।

    গানের অর্ধপথে কাঁদু তাহার হাত ধরিয়া বলিল, আর দেখা হবে না ভাই বউ?

    হাসিয়া কমল বলিল, কেন হবে না? এই তো নবদ্বীপ। নন্দাইকে নিয়ে চলে যাবি-কেমন? কাদু বলিল, তিন বার করে যাব আমি বছরে–রাসে, দোলে, ঝুলনে। আজ কিন্তু তোর কাছে শোব ভাই রাত্রে।

    কমলিনী হাসিয়া বলিল, নন্দাই?

    কাদু বলিল, মর।

    কমল তাহার চিবুকে হাত দিয়া আদর করিয়া বলিল, মরব। কিন্তু ‘সখি, না পুড়ায়ো রাধা অঙ্গ, না ভাসায়ো জলে–’

    কাদু তাহার গলা জড়াইয়া ধরিয়া, হাত দিয়া মুখ বন্ধ করিয়া দিল, না না। ও গান তুই গাস না। না।

    আখড়াতে যখন সে ফিরিল, রসিকদাস তখনও বসিয়া ছিল। কমলকে দেখিয়া সে গান বাঁধিয়াছিল–

    গোরার সেরা গোরাচান্দ চল দেখে আসি সখি!

    কমল মৃদু হাসিয়া বলিল, গান ভাল লাগছে না বগ-বাবাজী।

    রসিকও মৃদু হাসিল। বলিল, তাই তা হলে হবে রাইয়ের মা। চলে চল যত শিগগির হয়। রা বোষ্টম, আমাদের প্রভুর চরণতলই ভাল।

    রাস্তায় বাহির হইয়া সে চলিতে চলিতে আবার গান ধরিল–

    মথুরাতে থাকলে সুখে আসতে তারে বলিস নে গো।
    তাতে মরণ হয় যদি মোর সুখের মরণ জানিস সে গো।।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleচৈতালী-ঘূর্ণি – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article হাঁসুলী বাঁকের উপকথা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    গল্পসমগ্র – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    হাঁসুলী বাঁকের উপকথা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    চৈতালী-ঘূর্ণি – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    ধাত্রী দেবতা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    গণদেবতা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    নাগিনী কন্যার কাহিনী – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }