Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রাজকন্যের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    লেখক এক পাতা গল্প112 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রাজকন্যের সন্ধানে – ৫

    ৫

    খানিকটা গিয়ে জাভিদই তাদের গাড়িটাকে বাঁ দিকে দাঁড় করিয়ে দিল।

    আর্মির গাড়িটা তাদের পাত্তাও না দিয়ে জোরে বেরিয়ে গেল।

    সৈকত জোরে শ্বাস ছেড়ে বলল, “বাঁচা গেল মাইরি”।

    জাভিদ বলল, “আপনাকে আরেকবার বলে রাখছি, এখানের পুলিশ বা আর্মি, যেই আমাদের গাড়ি দাঁড় করাক, আপনি কোন কথা বলবেন না। যা বলার আমি বলব”।

    সৈকত বলল, “ঠিক আছে”।

    জাভিদ গাড়ি স্টার্ট দিল।

    অন্ধকার নেমে এসেছে। সৈকত বলল, “ইরানে কত বছর আছো তুমি?”

    জাভিদ বলল, “বারো বছর”।

    সৈকত বলল, “তার আগে কোথায় ছিলে?”

    জাভিদ বলল, “কাশ্মীর”।

    সৈকত বলল, “উহু, তেহেরান আর কাশ্মীরের মাঝে। দিল্লিতে ছিলে তুমি। তাই না?”

    জাভিদ সামান্য চমকে গিয়ে বলল, “আপনি কী করে বুঝলেন?”

    সৈকত বলল, “তোমার গায়ে পুরনো দিল্লির গন্ধ লেগে আছে। আমি গন্ধ পাই। কুকুর স্বভাব আমার”।

    জাভিদ বলল, “অসম্ভব। এরকম হতেই পারে না। মানুষের মধ্যে এরকম কিছু হয় নাকি?”

    সৈকত বলল, “তোমার কী ধারণা আমাকে এমনি এমনি এত বড় মিশনে চিফ সিলেক্ট করেছেন? নিশ্চয়ই কিছু আছে। তাই না?”

    জাভিদ বলল, “আপনি আন্দাজে ঢিল ছুঁড়েছেন”।

    সৈকত জোরে হেসে উঠে বলল, “তা ঠিক, আন্দাজেই বটে। আসলে চাঁদনী চকের সেফ হাউজে কিছুদিন আমিও তো ছিলাম। কেন জানি মনে হল, তুমিও ছিলে ওদিকেই”।

    জাভিদের ঠোঁটের কোণে হাসি ফুটে উঠল এবার, “পারমিন্দর আছে এখনো ওখানে?”

    সৈকত বলল, “নাহ। চিফ এখন ওর পোস্টিং কানাডাতে করে দিয়েছে। পাকিস্তান এমব্যাসির সামনে ঘুর ঘুর করা ছাড়া ওর কোন কাজ নেই”।

    জাভিদ বলল, “ওকে আমার কাছে পাঠিয়ে দিতে পারত। আমারও তো বয়স হচ্ছে”।

    সৈকত বলল, “আমি চলে আসব। এই মিশন থেকে যদি বেঁচে ফিরি, তাহলে আমিই তেহরানে থেকে যাব না হয়! খারাপ হয় ব্যাপারটা?”

    জাভিদ বলল, “আপনি বড্ড বেশি কথা বলেন। তাছাড়া বয়সেও ছোট। গিলগিটে গিয়ে আপনি কী করবেন, আল্লাই জানে। আপনি ঘুমিয়ে পড়ুন। বেশি বকবক করলে আমার কনসেন্ট্রেশন নষ্ট হয়ে যাবে। এ রাস্তা বেশ দুর্গম”।

    সৈকত তৎক্ষণাৎ হাই তুলে গাড়ির সিটে শুয়ে পড়ল।

    তার ঘুম ভাঙল যখন, তখন ভোর হয়েছে। গাড়ি দাঁড় করানো। জাভিদ গাড়ি থেকে নেমে চোখে মুখে জল দিচ্ছে।

    সৈকত বলল, “জাভিদ মিয়াঁ, এসে গেলাম নাকি?”

    জাভিদ বলল, “আর খানিকটা গিয়ে জাহেদান এয়ারপোর্ট। ওখানে একটা হোটেলে আপনি দু ঘন্টা থাকবেন। তারপর আপনাকে নিয়ে বর্ডারের দিকে রওনা দেব”।

    সৈকত বিস্মিত গলায় বলল, “যাহ শালা, জাহেদানে এয়ারপোর্ট আছে? তাহলে আমাকে এতটা রাস্তা গাড়িতে করে নিয়ে এলে কেন?”

    জাভিদ বলল, “আমার কাছে যা ইন্সট্রাকশন আছে, সেটা মেনে চলেছি। আলাদা করে কিছু বলা হয় নি। আপনি ওখানে পৌছে কাউকে ফোন করার হলে করে নেবেন। ইসলামাবাদে ইলিয়াসের বাড়ি পৌঁছনোর আগে কাউকে ফোন করবেন না। মনে থাকবে?”

    সৈকত বলল, “যাহ, আমাকে পাথরের কাছে দাঁড় করাবে না?”

    জাভিদ বলল, “চেপে বসে থাকুন। হোটেলে গিয়ে যা করার করবেন”।

    সৈকত কাঁধ ঝাঁকাল।

    খানিকক্ষণ পরে একটা তিনতলা হোটেলের সামনে গাড়ি দাঁড় করিয় জাভিদ বলল, “চলুন”।

    সৈকত গাড়ি থেকে নামল।

    জাভিদ সন্তর্পণে চারদিকে দেখে নিয়ে তাকে নিয়ে হোটেলের ভিতর প্রবেশ করল। রিসেপশনিস্টের সঙ্গে গুজগুজ করে একটা চাবি নিয়ে সৈকতকে দোতলার একটা রুমে ঢুকিয়ে দিয়ে বলল, “রুমে ফোন আছে। ফোন করলে করুন। আমি দু ঘন্টা পরে আসছি। ব্রেক ফাস্ট পাঠিয়ে দেব। খেয়ে নেবেন। কোয়েটায় ঢুকে কখন কী খাবেন, তা তো জানা নেই, তাই পেট ভরে খেয়ে নেবেন”।

    সৈকত বলল, “ঠিক হ্যায়”।

    জাভিদ বেরিয়ে গেল।

    সৈকত দরজা বন্ধ করে জয় ত্তারা বলে বিছানায় ঝাঁপ দিল।

    আবার চোখ বন্ধ হয়ে গেল ঘুমে।

    ঘুম ভাঙল কলিং বেলের শব্দে। উঠে দরজা খুলে দেখল জাভিদ বিরক্ত মুখে দাঁড়িয়ে আছে, “আপনার তো মরার মত ঘুম। সেই কখন থেকে ডাকছি। হোটেলের ছেলেটা ব্রেকফাস্ট নিয়েও ঘুরে গেছে। আপনি রেডি? ফোন টোন করেছেন?”

    সৈকত চোখ মুছতে মুছতে বলল, “ও। ফোন করার ছিল না? বাদ দাও। কাকে আর ফোন করব? কে বা আছে আমার? চল বাড়ি যাই”।

    জাভিদ বলল, “বাড়ি না। আপনি পাকিস্তান যাবেন”।

    সৈকত বলল, “ওই একই হল। যা বাড়ি, তাই পাকিস্তান। চল ভাই। শুভারম্ভ করি”।

    ৬

    পাক অধিকৃত কাশ্মীর। গিলগিট। লস্কর ট্রেনিং ক্যাম্প।

    দুপুর বারোটা। যদিও বারোটা বেজেছে, তবে মাঝে মাঝেই তীব্র শীতল হাওয়া দিচ্ছে। আকাশে তেমন রোদ নেই।

    একশোটা ছেলেকে একসঙ্গে ট্রেনিং দেওয়া হচ্ছে। ছেলেগুলোর বয়স বারো থেকে ষোলোর মধ্যে। শীতের মধ্যে সবাই জোব্বা পরে ট্রেনিং করছে।

    প্রত্যেকের হাতে অত্যাধুনিক বন্দুক। দশটা চাঁদমারি বানানো হয়েছে। দশটা দলে দশজন করে ছেলেকে রাখা হয়েছে। এক একজন এসে সুশৃঙ্খলভাবে চাঁদমারিতে নিশানা করছে। এই ছেলেদের মুখে শৈশব, কৈশোরের কোন লেশমাত্র নেই। যেন একশোটা রোবোট।

    লস্কর কমান্ডার বিলাবল খান কঠিন মুখে দাঁড়িয়ে আছে। কেউ কোন ভুল করলে জঘন্য ভাষায় গালিগালাজ করছে।

    ট্রেনিং ক্যাম্পের পাশে পাকিস্তান আর্মির একটা জিপ এসে দাঁড়াল। লেফটেনান্ট কর্নেল ইয়াসির হুসেন জিপ থেকে নেমে ক্যাম্পের দিকে হাঁটতে শুরু করল।

    বিলাবল খান কড়া ভাষায় ছেলেগুলোকে ট্রেনিং চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়ে ইয়াসির হুসেনের কাছে গিয়ে দাঁড়াল।

    ইয়াসির বলল, “সিক্সটিন্থ ফাইনাল?”

    বিলাবল বলল, “ফাইনাল কিনা আপনি বলবেন জনাব। আমরা তো সব সময় তৈরী”।

    ইয়াসির ছেলেগুলোর দিকে তাকিয়ে বলল, “সিক্সটিন্থে ওদের মুজফফরাবাদে পাঠিয়ে দেবেন। শ্রীনগরে ইন্ডিয়ান আর্মির কড়া পাহাড়া থাকে। আমরা ওদিকটা অ্যাভয়েড করব। ম্যাপ ট্রেনিং করিয়েছেন?”

    বিলাবল ইয়াসিরের দিকে তাকিয়ে হাসল। ইয়াসির বলল, “কী হল? আমার সময়ের দাম আছে। হাসছেন কেন?”

    বিলাবল দঙ্গলের মধ্যে থেকে একটা ছেলেকে চেঁচিয়ে ডাকল, “আসিফ”।

    ছেলেটা ডাক শোনার সঙ্গে সঙ্গে বিলাবলের সামনে এসে হাজির হল।

    বিলাবল বলল, “অমৃতসর থেকে দিল্লি কীভাবে যেতে হয়?”

    ছেলেটা গড়গড় করে বলে গেল।

    বিলাবল ইয়াসিরের দিকে তাকাল।

    ইয়াসির সন্দিগ্ধ চোখে বিলাবলকে বলল, “শুধু এই জানে? বাকিরা?”

    বিলাবল বলল, “ঠিক আছে। আপনি যে কোন একজনকে ডাকুন”।

    ইয়াসির তীক্ষ্ণ চোখে দঙ্গলের মধ্যে থেকে একজন অপেক্ষাকৃত ছোট ছেলেকে ডাকল। ছেলেটার উচ্চতা চারফুট দশ এগারো হবে। চোখের মণি নীল রঙের। শরীরের থেকে হাতের বন্দুকের ওজন বেশি।

    ছেলেটা এসে দাঁড়ালে ইয়াসির বলল, “কী নাম তোর?”

    ছেলেটা বলল, “সোবাহান আলি”।

    ইয়াসির বলল, “ফাইন। তো সোবাহান আলি, ভুবনেশ্বর থেকে গুয়াহাটির রুটটা বল দেখি। কী করে যেতে হয়”?

    সোবাহান আগের ছেলেটার মতই সুন্দর করে বলে গেল।

    এবার ইয়াসিরের ঠোঁটের কোণে হাসি ফুটল।

    বিলাবল বলল, “এবার খুশি তো জনাব?”

    ইয়াসির বলল, “হ্যাঁ। দশটা করে ছেলে এক একটা ব্যাচে ইন্ডিয়ার একেকটা শহরে ছড়িয়ে পড়বে। এই ক্যাম্পের সব ক’টা ছেলেকে আমার ইন্ডিয়ার কোণায় কোণায় চাই খান”।

    বিলাবল বলল, “আপনি যেমন চাইবেন, তেমনই হবে জনাব। কিন্তু আমার উপহারটা?

    ইয়াসির ভ্রূ কুঁচকাল, “কীসের উপহার?”

    বিলাবল বলল, “শুনলাম আপনি গিলগিট নেতা সুলেমানের মেয়ের সঙ্গে বিবাহসূত্রে আবদ্ধ হচ্ছেন। আমার সেখানে নিমন্ত্রণ নেই জনাব?”

    ইয়াসির বলল, “জারনালিস্ট থাকবে। ওই কী সব আমেরিকান জারনালিস্টও থাকবে। ওখানে তোমাকে চিনতে পারলে সমস্যা হবে”।

    বিলাবলের চোখ জ্বলে উঠল, “যারা আমাদের ধর্মের লোকেদের খুঁজে খুঁজে মেরে ফেলছে, তাদের আপনি দাওয়াত দিয়ে নিয়ে আসছেন?”

    ইয়াসির বলল, “আমি করছি না। সরকার করছে। ট্রাডিশনাল বিয়ে হবে, গোটা পৃথিবী দেখবে আমরা কীভাবে জঙ্গীদের হাতে মৃত শিয়া নেতার মেয়েকে পুনর্জীবন দিই। আশা করি ব্যাপারটার গুরুত্ব এবার তুমি বুঝেছো”।

    বিলাবল গোঁয়ারের মত বলল, “ঠিক আছে, আমি ছদ্মবেশে থাকব। তবু থাকবো”।

    ইয়াসির বলল, “ঠিক আছে। তা বলে কোন রকম আর্মস নিয়ে এসো না। বাইরের বিশ্বকে আমাদের দেখাতে হবে আমরা এই ভূমিতে শান্তি আনার চেষ্টা করছি। অনুষ্ঠানের দশদিন আগে গিলগিটের প্রতিটা বাড়িতে গিয়ে আমরা নেমন্তন্ন করে আসব। তাদের মুখে যেন দুঃখের কোন চিহ্ন না থাকে। পাকিস্তানী আর্মি যে কাশ্মীরের ইন্ডিয়ান আর্মির থেকে অনেক বেশি মানবিক, তা আমাদের দেখাতেই হবে”।

    বিলাবল বলল, “বিলকুল জনাব। তা হবু স্ত্রীর সঙ্গে আপনার দেখা সাক্ষাৎ হয়েছে?”

    ইয়াসির বিরক্ত গলায় বলল, “সেটা জেনে তুমি কী করবে? আমার বিবির ব্যাপারে তুমি জানবে কেন?”

    বিলাবল বলল, “গুস্তাখি মাফ জনাব”।

    ইয়াসির বলল, “যাও, ওদের ট্রেইন করাও। সব ব্যাপারে জানার চেষ্টা করবে না। আবু সাইদ কালকেও তোমার ব্যাপারে আমার কাছে খোঁজ নিচ্ছিল। আমি বলেছি তুমি এখানে ভাল কাজ করছো। আশা করি নিজের গুড উইল নষ্ট করবে না”।

    আবু সাইদের নাম শুনে বিলাবলের মুখ এমন হল যেন জোঁকের মুখে নুন পড়ল।

    সে গুটিয়ে গেল।

    ইয়াসির আর বিলাবলকে পাত্তা না দিয়ে নিজের জিপের দিকে হাঁটতে শুরু করল।

    ৭

    অ্যাবটাবাদ, পাকিস্তান।

    রাত আটটা।

    মৌলানা বরকতউল্লাহ তার ঘরে বসে ক্রিকেট দেখছিল। আফগানিস্তান বনাম আয়ারল্যান্ড। মৌলানা আফগানিস্তানের লোক।

    কাবুলে আমেরিকা বোমা বর্ষণ শুরু করায় পেশোয়ার হয়ে পাকিস্তানে আশ্রয় নেয়। আগে ট্রেনিং দেখত, পরে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের অপারেশন সামলায়।

    দরজায় তিনটে নক পড়ল।

    বরকত বলল, “এসো”।

    একজন উনিশ বছরের ছেলে প্রবেশ করে বরকতকে সেলাম করল। বলল, “আমাকে ডেকেছিলেন হুজুর?”

    মৌলানা বলল, “হাফিজকেও নিয়ে এসো”।

    ছেলেটা বেরিয়ে গিয়ে আরেকটা ছেলেকে ডেকে নিয়ে এল।

    দুজনে ঘরে ঢুকে মৌলানার অনুমতি নিয়ে মৌলানার পায়ের কাছে বসল।

    মৌলানা বলল, “শুনলাম গিলগিটে বিভিন্ন দেশের জার্নালিস্ট আসছে?”

    হাফিজ একটা ট্যাব নিয়ে এসেছিল। উঠে মৌলানার হাতে ট্যাবটা দিয়ে বলল, “এরা সবাই আসবে”।

    মৌলানা সোয়াইপ করে একটার পর একটা ছবি দেখে হাফিজকে ট্যাব ফেরত দিয়ে বলল, “গিলগিটের রাস্তা তো খুব দুর্গম, তাই না হাফিজ?”

    হাফিজ মাথা নাড়ল, “জি হুজুর”।

    মৌলানা আরো কিছু বলতে যাচ্ছিল এমন সময় তার ফোন বেজে উঠল। ধরল ফোনটা, “কে?”

    “হুজুর আমি বিলাবল বলছি”।

    বিলাবলের নাম শুনে মৌলানার মুখে হাসি ফুটল, “বল। আমাদের শেররা তৈরী হয়েছে?”

    “বিলকুল হুজুর। একশোটা বাঘ তৈরী করেছি। এবার আর্মি চিফের সঙ্গে কথা বলে ওদের কাশ্মীরে ঢোকানোর অপেক্ষা শুধু”।

    “বহুত খুব। ইয়াসির হুসেন তার বিয়েতে দাওয়াৎ দিয়েছে?”

    ও প্রান্তে খানিকটা নীরবতা।

    মৌলানা বলল, “তওবা তওবা। দেশ বিদেশের কাফেরদের দাওয়াত দিল আর তার দেশের জন্য যারা জীবন দিয়ে দিচ্ছে, তাদেরই বলল না?”

    বিলাবল বলল, “বলে নি হুজুর। থাকলেও ছদ্মবেশে থাকতে হবে। মিডিয়া জানলে নাকি বিশ্বের সামনে পাকিস্তানের নাক কাটা যাবে”।

    “গেলে যাবে”, মৌলানা চিৎকার করে উঠল, “যে দেশে বাইরে থেকে আমেরিকান সেনা এসে আমাদের লোকেদের মেরে চলে যায়, সেই আর্মির কাছে আমাদের শিখতে হবে কার সঙ্গে কী ব্যবহার করতে হবে? কাপুরুষ না-মর্দের দল যত। আমাকে বল তুমি, তোমার প্ল্যান কী। বল”।

    বিলাবল বলল, “ইয়াসির বলল পাকিস্তান সরকার চায় না ওই দিন কোন রকম ঝামেলা হোক। সব রকম নিরাপত্তা দিতে হবে বাইরে থেকে আসা অতিথিদের”।

    মৌলানা বলল, “নিরাপত্তা? নিজেদের মানুষেরা যখন আমেরিকার বোমের আঘাতে মুড়ি মুড়কির মত মরে যায়, তখন কোথায় থাকে এদের আতিথেয়তা? পাকিস্তানের প্রেসিডেন্টকেও আমেরিকান সিকিউরিটিরা ওদেশে ঢোকার আগে জামা প্যান্ট খুলে সার্চ করবে। আর আমাদের লোকেরা আতিথেয়তা দেখাচ্ছে? লজ্জা!”

    বিলাবল বলল, “জনাব আমার হাত পা বাঁধা। আমি কিছু করতে পারবো না। গিলগিটের ট্রেনিং ক্যাম্পে এখনো অনেক আর্মস দরকার, ইয়াসির হুসেন কথা দিয়েছে আর্মসের ব্যবস্থা ওই করে দেবে। এখানকার গভর্নর সাহেবও আসবে। গিলগিটে ওদের কিছু করা সম্ভব না”।

    মৌলানা বলল, “ঠিক আছে, ওরা গিলগিটে দাওয়াত খেয়ে ওখান থেকে সহি সালামাত বেরোলেই তো পাকিস্তান সরকারের নাক ঠিক থাকবে, তাই তো?”

    বিলাবল বলল, “জি হুজুর, ওরা ওদের দেশ পর্যন্ত সহি সালামাত গেলে তবেই পাকিস্তান সরকারের নাক ঠিক থাকবে”।

    মৌলানা বলল, “ওসামা বিন লাদেনকে যেদিন এই শহরে আমেরিকান সেনা কুকুরের মত খুন করেছিল, সেদিন পাকিস্তান সরকারের নাক ঠিক ছিল? হ্যাঁ কি না?”

    বিলাবল বলল, “হুজুর ইয়াসির হুসেন বলছে…”

    মৌলানা চেঁচিয়ে উঠল, “আমি যা জিজ্ঞেস করছি, তার জবাব দাও বিলাবল। ওসামা বিন লাদেনকে অ্যাবটাবাদে যেদিন আমেরিকান সেনা কুকুরের মত খুন করেছিল, সেদিন পাকিস্তান সরকারের নাক ঠিক ছিল? হ্যাঁ কি না?”

    বিলাবল থতমত খেয়ে বলল, “না হুজুর”।

    মৌলানা বলল, “তাহলে এর পরে কী হবে, সেটা আমরা ঠিক করব”।

    বিলাবল ও প্রান্তে বলল, “কাজটা ঠিক হবে হুজুর?”

    মৌলানা ফোন কেটে দিল।

    ৮

    ধুলো বালির মধ্যে দুটো চেক পোস্ট। মাঝে বেশ উঁচু দেওয়াল।

    পাথুরে মুখে টহল দেওয়া সৈন্যের দল।

    ঝা চকচকে চওড়া রাস্তায় একটার পর ট্রাক দাঁড়িয়ে আছে।

    জাহেদান চেক পোস্টের এক কিলোমিটার আগে গাড়ি দাঁড় করিয়ে দিল জাভিদ। সৈকতকে বলল, “আপনার যা জিনিসপত্র আছে, এই গাড়িতে রেখে যান। এই ব্যাগটা আপনার জন্য, এখানে এক লাখ পাকিস্তানী রূপী আছে। পঞ্চাশ হাজার রূপী পাকিস্তানী চেকপোস্টেই যাবে, বাকিটা কাছে রাখবেন। পথে লাগবে”।

    একটা ছোট ব্যাগ দিল জাভিদ।

    ব্যাগটা নিয়ে সৈকত বলল, “তাহলে এখানেই বিদায়, জাভিদ মিয়াঁ?”

    জাভিদ বলল, “আমাদের সবার আশা আপনার উপরে। আশা করি আপনি সফল হবেন। আরেকটা কথা, আপনার কাছে যথেষ্ট পাকিস্তানী রূপী থাকলেও আপনি কোন ভাবেই এরোপ্লেনে ইসলামাবাদ যাবেন না, আশা করি কেন সেটা বলে দিতে হবে না। আপনার পাকিস্তানী পাসপোর্ট আছে, তেহরানে ব্যবসা করতে গেছিলেন। এটাই পাকিস্তানী চেকপোস্টে বলবেন, ঠিক আছে?”

    সৈকত বলল, “দেখা যাক। আপাতত ইরান থেকে বের করার ব্যবস্থা তো কর মিয়াঁ”।

    জাভিদ গাড়ি স্টার্ট দিল, “ইরান থেকে বেরিয়ে যাওয়াটা আমার হাতে, আপাতত পাকিস্তান বর্ডারে বেফাঁস কিছু বলবেন না”।

    সৈকত হাতের পাসপোর্টটা দেখতে দেখতে বলল, “এত উঁচু দেওয়াল বানিয়েছে কেন ইরান?”

    জাভিদ হাসল, “ও দেশ থেকে টেরোরিস্টরা মাঝে মাঝেই গুলি চালায়। পাকিস্তানের থেকে আর কী এক্সপেক্ট করা যায়?”

    সৈকত বলল, “পাকিস্তানের উপর তোমার খুব রাগ, তাই না? সবাই কিন্তু খারাপ না মিয়াঁ”।

    জাভিদ গম্ভীর হল, “যে দেশ আমার বেঁচে থাকার মৌলিক অধিকারটুকু দিতে পারে না, সে দেশের ওপর রাগ থাকাটাই স্বাভাবিক। ইন্ডিয়াতেও অনেক মানুষ আছে যাদের বেঁচে থাকার অধিকার আপনাদের সরকার দিতে পারে না। মাঝখান থেকে বলি হয় আমাদের মত মানুষেরা। চলুন”।

    গাড়ি দাঁড় করাল জাভিদ। গাড়ি থেকে নেমে দুজনে হাঁটতে শুরু করল। পাথুরে মাটি। হাঁটার জন্য মোটেও ভাল নয়। দেশের এ প্রান্ত কঠোর নিরাপত্তায় রাখা হয়। ইরানের সেনা সংখ্যার প্রাচুর্য চোখে পড়ার মত। পাকিস্তানী অনুপ্রবেশকারীরা কোন ভাবেই যেন এ দেশে ঢুকে পড়তে না পারে, তার জন্য যথেষ্ট কঠোর ইরানের সেনাবাহিনী।

    সৈকত হাঁটতে হাঁটতে ফুরফুরে মেজাজে গান গাইতে শুরু করল।

    জাভিদ বলল, “আপনি টেনশন কমাতে গান করেন?”

    সৈকত বলল, “কীসের টেনশন? আবার পাকিস্তানে যাচ্ছি, ভাবতেই আমার আনন্দ হচ্ছে। আহা, কত কাবাব, কত ভাল ভাল খাবার খাব আবার”।

    জাভিদ বলল, “গুলিও খুব সুখাদ্য”।

    সৈকত বলল, “ওসবে ভয় পাই না। কাল সকালেই আমি কোয়েটায় পৌঁছে যাব। আহা আফসার ভাইয়ের বিরিয়ানি! আহা!”

    জাভিদ কঠিন গলায় বলল, “আপনাকে বার বার বলা হয়েছে এবারে আপনি কোন চেনা মানুষের সঙ্গে দেখা করবেন না”।

    সৈকত বলল, “তাও ঠিক”।

    ইরান চেকপোস্টে পৌঁছে জাভিদ সৈকতকে অফিসের বাইরে দাঁড় করিয়ে ভিতরে গেল। কিছুক্ষণ পর বাইরে বেরিয়ে বলল, “কপাল ভাল, তেরোদিন পরে বর্ডার খুলেছে আজকে। এমদাদ আলি স্যার আছেন চেক পোস্টে। আমার পরিচিত। এখানে আপনার কোন অসুবিধা হবে না”।

    সৈকত জাভিদকে জড়িয়ে ধরে বলল, “আবার দেখা হবে”।

    জাভিদ প্রতি আলিঙ্গন করল না। শুধু বলল, “যদি দুজনের কেউ বেঁচে থাকি, তবেই”।

    সৈকত বলল, “উইল মিট ইন হেল দেন। আলভিদা বন্ধু”।

    জাভিদ বলল, “আলভিদা”।

    সৈকত ইরানের কাস্টমস অফিসে প্রবেশ করল।

    জাভিদ চুপ করে একজন অফিসার এগিয়ে এসে বললেন, “রুবায়াত পাশা?”

    সৈকত মাথা নাড়ল।

    অফিসার হাত বাড়ালেন, “আলি। জাভিদ আপনার কথা বলেছেন। আসুন”।

    একটা ঘরে নিয়ে তাকে বসানো হল। বেশ কয়েকটা ফর্ম ফিল আপ করিয়ে ইরানের সিলমোহর পড়ল তার পাসপোর্টে।

    ইরানের গেট খুলল তার জন্য। একমাত্র সে ছাড়া আর কেউ এই সীমান্ত পার হয়ে পাকিস্তানে প্রবেশ করল না। তুলনায় ও দেশ থেকে ইরানে ঢোকার লাইন বেশ বেশি।

    দেওয়াল আর নো ম্যান্স ল্যান্ড পেরিয়ে সৈকত যখন পাকিস্তানের গেটের দিকে এগোতে শুরু করল, হালকা বালি ঝড় হচ্ছে। বালোচ প্রদেশে আগেও এসেছে সৈকত। তার কোন কিছুই অচেনা লাগছিল না।

    পাকিস্তানের গেট পেরোতে তার দিকে তাকিয়ে একজন পাকিস্তানী সেনা বলল, “ভাল দেশেই তো ছিলে? আবার পাকিস্তান এলে কেন? কোন পাগল কুকুরে কামড়েছিল?”

    সৈকত মিটিমিটি হাসতে হাসতে বলল, “নিজের দেশ মহান, ফিরতে তো হবেই মিয়াঁ”।

    সেনা বিরক্তিতে মুখ ফিরিয়ে নিল। বোঝাই যাচ্ছিল এই ঝামেলার প্রদেশে কাজ করতে তার মোটেও ভাল লাগছে না। একে ইরানের সেনার চাপ থাকে, তার উপর পাকিস্তানের বিভিন্ন সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের প্রবল চাপ।

    পাসপোর্ট চেক, কাগজপত্র মিলিয়ে দেখা ইত্যাদি মিলিয়ে একঘন্টার বেশি সময় লাগল না সৈকতের। পঞ্চাশ হাজার পাকিস্তানী রূপী ম্যজিকের মত কাজ করল।

    চেকপোস্টের অফিস থেকে বেরিয়ে পাকিস্তানের মাটিতে পা রেখে সৈকত আকাশের দিকে তাকিয়ে ফিসফিস করে বলল, “দ্য মিশন স্টার্টস নাও”।

    ৯

    জাহেদান সীমান্তে কোয়েটার বাস পেয়ে গেল সৈকত।

    চওড়া রাজপথ। বাসে বসে হেলান দিল সে। অনেকটা রাস্তা যেতে হবে। কোয়েটায় পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর বেশ বড় বেস আছে। সে এর আগে দুবার কোয়েটায় ছিল।

    বাস ছাড়লে সৈকত চোখ বুজল। রাত হয়েছে।

    হঠাৎ করে চোখ খুলে গেল তার। সেই দিনগুলো হানা দিয়েছে আবার!

    বাবা কাশ্মীর গেল, আর ফিরল না। মৃতদেহটুকুও পুরো শরীরে ফেরে নি। পুঞ্চে ডিউটি ছিল। চারজনের বাহিনী জিপে টহল দিতে বেরিয়েছিল। বোম মেরে জিপটাই উড়িয়ে দিয়েছিল লস্কর।

    যখনই মনে পড়ে, একটা অসহ্য রাগ ভর করে আসে মাথায়।

    বাড়ি ফিরতে পারে না সে। বাবার ঘরে যেতে পারে না। গেলেই দু চোখ জলে ভরে আসে।

    #

    সেনাবাহিনীর এলাকা শেষ হতেই বাস দাঁড় করিয়ে দিল একদল লোক। কন্ডাকটার তার আগে বলে দিয়েছিল সতর্ক থাকতে।

    স্থানীয় জঙ্গী সংগঠনের লোকজন। মূলত তোলাবাজ। বাসে উঠে সবার থেকে টাকা নিয়ে নেমে গেল। বালোচ প্রদেশের নিত্ত নৈমিত্তিক ঘটনা। পুলিশ কিছু বলে না, বা বলার জায়গাতেও নেই। অলিখিত লোকাল ট্যাক্স। দিতেই হবে।

    আইনের শাসন নেই বললেই চলে।

    বাস ছাড়লে কন্ডাকটার আল্লাহকে ধন্যবাদ জানিয়ে জানাল আজ তোলাবাজদের মুড ভাল ছিল বলে কাউকে বাস থেকে নামায় নি। আগের দিনই দুজনকে নিয়ে আর বাসে উঠতে দেয় নি। তাদের সঙ্গে কী হয়েছে সহজেই অনুমেয়।

    জীবনের দাম এখানে একবারেই নেই। আফগান সীমান্ত বেশি দূর নয়। তালিবানদের একটা অংশ আফগানিস্তান থেকে পালিয়ে নক কুন্ডি সহ বেশ কয়েকটা জায়গায় থাকে। কয়েকটা গোষ্ঠী আবার পেশোয়ারের দিকেও থাকে। এদের মধ্যে অস্ত্রের সরবরাহ বন্ধ নেই, ফলে দু চারটে লাশ পড়ে গেলে কেউ অবাক হয় না।

    সৈকতের পাশে এক বয়স্ক ভদ্রলোক বসে ঝিমোচ্ছিলেন। সৈকত বলল, “কোথায় যাবেন মিয়াঁ?”

    ভদ্রলোক বললেন, “কোয়েটা যাব, যদি এই বাস সহি সালামাত পৌঁছতে পারে। আপনি?”

    সৈকত বলল, “আমিও কোয়েটা যাব। আপনি এখানে কী করতে এসেছিলেন?”

    ভদ্রলোক জানালেন ট্রাকের ব্যবসা করেন। সীমান্ত বন্ধ ছিল বলে ঝামেলায় পড়েছিলেন। এখন সীমান্ত খুলে যাওয়ায় ফিরে যাচ্ছেন। ব্যবসার হাল একেবারেই খারাপ। ট্রান্সপোর্টের ব্যবসা করেন। এখানকার তোলাবাজদের টাকা দিতে দিতে ব্যবসা মাথায় উঠেছে। ট্রাকের ব্যবসা আছে, অথচ গাড়িতে না এসে বাসে করে যাচ্ছেন কেন জানতে চাওয়ায় ভদ্রলোক হেসে জানালেন তার মাথা খারাপ হয় নি। নিজস্ব গাড়িতে এলে দুষ্কৃতিরা গাড়ি থেকে নামিয়ে গাড়ি কেড়ে নেয়।

    লুঠপাঠ তো করেই সেটা আলাদা কথা। ভদ্রলোকের ব্যবসা থেকে মন উঠে গেছে। ঠিক করেছেন বাকি জীবনটা মক্কায় গিয়ে কাটিয়ে দেবেন। ভদ্রলোকের বক বক শুনতে শুনতে ঘুম চলে এল সৈকতের।

    ঘুম যখন ভাঙল, তখন রাত তিনটে। একটা পেট্রোল পাম্পে গাড়ি দাঁড়িয়েছে। পেট্রোল পাম্পের সঙ্গে লাগোয়া হোটেলও আছে। বৃদ্ধ ভদ্রলোক তাকে বললেন, “চল হে, কিছু খেয়ে আসি”।

    বাসে একজনও মহিলা নেই। এসব জায়গায় মেয়েদের রাতে বাস জার্নি করার কথা কেউ ভাবতেই পারে না।

    সৈকত দশ বারোটা রুটি খেয়ে নিল একবারে।

    ভদ্রলোক তার খাওয়া দেখে বললেন, “তোমার খুব খিদে পেয়েছিল বেটা, তাই না?”

    সৈকত মাথা নেড়ে বলল, “খুব। খিদে পেলে আমার মাথা কাজ করে না”।

    ভদ্রলোক বললেন, “কোয়েটায় আমাদের বাড়ি এসো। আমার বিবির রান্না খাওয়াব। হজরত মহল্লা, মনে থাকবে?”

    সৈকত বলল, “জি চাচা, কেন মনে থাকবে না, চাচি বিরিয়ানি বানাতে পারেন?

    ভদ্রলোক বললেন, “সব পারেন, তোমার জন্য বিরিয়ানিই বানাতে বলব। খেয়ে বোল কেমন হয়েছে”।

    বাসে উঠেও ভদ্রলোক তার স্ত্রীর রান্নার সুখ্যাতি করে যেতে লাগলেন। সৈকতকে দাওয়াত আসছে শুক্রবার দাওয়াতও দিয়ে দিলেন।

    পথের পরিচয় কখন যে মানুষকে আপন করে নেয়, তারা নিজেরাই বুঝতে পারে না।

    এক বাঙালি, আর এক কোয়েটাবাসী অদৃশ্য আত্মীয়তায় বাঁধা পড়ে গেল সেই পথেরই সৌজন্যে।

    ভোর ছ’টায় বাস কোয়েটা বাস স্ট্যান্ডে পৌঁছল। ভদ্রলোক আল্লাহকে বার বার শুক্রিয়া জানালেন এই রাস্তায় বাঁচিয়ে ফেরানোর জন্য, সৈকত চাচাজানকে জড়িয়ে ধরে অটো ধরে কোয়েটা স্টেশনে দৌড়ল।

    বিরামহীন রাস্তা।

    থামার উপায় নেই…

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগোলোকপুরের পরশ পাথর – অভীক দত্ত
    Next Article যারা ভেবেছিল ওরা ফ্লাইওভারে ছিল – অভীক দত্ত

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }