Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রাজনগর – অমিয়ভূষণ মজুমদার

    লেখক এক পাতা গল্প546 Mins Read0
    ⤷

    ০১. ফরাসী ফিরিঙ্গি জাঁ পিয়েত্রো

    ফরাসী ফিরিঙ্গি জাঁ পিয়েত্রোর হাওয়াঘরটা ছিলো নদীর দিকে মুখ করে। দশ হাত উঁচু সেই হাওয়াঘর। কিছুদূরে কদমগাছের নিচে তার সেই বেঁটে হাতি। কখনো এক পা এগোয়, কখনো এক পা পিছিয়ে আসে। কখনো শুঁড় তোলে। দু পাশে কলাগাছের স্তূপ–পচা হাজা শুকনোর উপরে নতুন টাটকা গাছ। বোঝা যায় কেউ আছে যে প্রাণীটাকে আহার দিচ্ছে। কিন্তু হাওয়াঘর? কে বসবে সেখানে? কোথায় ওয়ারিশান?

    একদিন দেখা গেলো পিয়েত্রোর হাওয়াঘরে উঠছে শিবমন্দির। মন্দির সে তো পূজার জন্যই–আর তা গ্রামনগরেই উঠে থাকে। এখানে গ্রামের বাইরেনদীর ধারে একটেরে নিঃসঙ্গ হলো না?

    কিন্তু তা হচ্ছে রানীর নিজের ইচ্ছায়, সুতরাং কেন কী জিজ্ঞাসা না করে যা হচ্ছে তা চোখে, যা হবে তা কল্পনায় দেখে নেয়া ভালো। দেখার মতো ব্যাপারও। দশ হাত উঁচু সেই হাওয়াঘরের ভিত আছে, চওড়া চওড়া সিঁড়িগুলো আছে, মন্দির কিন্তু উঠছে নিচের মাটি থেকে, ইদারার মতো গেঁথে তোলা। হাওয়াঘরের মেঝে থাকবে মন্দিরের চারিদিকে বারান্দা চত্বর হয়ে। সে চত্বরে উঠতে হবে পুরোনো সিঁড়ি বেয়ে, অন্য নতুন সিঁড়ি বেয়ে নামতে হবে মন্দিরের গর্ভে পুজো দিতে। অখাদ্য-খাওয়া অনাচারী সেই আধা-ফরাসীর হাওয়াঘরের মেঝেতে মন্দির হয়?

    দেখতে দেখতে অনেকটা উঠেছেও মন্দিরটা। এখনই যেন আন্দাজ করা যায় আর কতদূর উঠবে, শেষ পর্যন্ত তা কী রকমের হবে। নদীর দিক থেকে সরে এসে চত্বরের শেষে কিছুটা ছেড়ে প্রায় গোলাকার হয়ে গড়ে উঠেছে মন্দির। প্রায় গোলাকার বলতে হয় কেননা মন্দিরের মেঝে যেন মধুর খোপ এমন ষট্‌কোণ। দেয়াল সোজা উঠছে। কিন্তু এখনই বোঝা যায় তা গম্বুজে শেষ হবে না, বরং যেন রথ। সেই রথের মাথায় থাকবে পদ্ম; পদ্মের একটা ভারি পিতলের গোলা-শিবলিঙ্গের মাথায় যেমন বজ্র। তা চত্বরযুক্ত মন্দিরটার গড়নই যেন গৌরীপাটসমেত আর এক শিবলিঙ্গ।

    সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বহু লোক কাজ করছে মন্দিরে। মন্দিরের কিছু পিছনে বাঁয়ের দিকে পিয়েত্রোর বাংলো। বাংলোর কাছে আর একদল কর্মব্যস্ত মানুষ। তারা কুমোর। মনে হয় একটা টালির কারখানা বসিয়েছে। ছোটো, বড়ো, নকশাদার; রোদে শুখানো হচ্ছে, পোআনে পোড়াচ্ছে।

    মিস্ত্রি, জোগানদার, কুমোর মিলে অনেক লোক। কিন্তু যত লোক লাগুক, এমন এক মঠ কি দু-চার-ছমাসে হয়? আর এক শীতই পার হয়ে যাবে হয়তো।

    কিন্তু ইতিমধ্যে ব্যাপারটা ঘটে গেলো। এসে পড়লো তারা। যেন হুমহাম শব্দও উঠছে এমনভাবেই ওরা গ্রামে ঢুকলো। আর তা স্বাভাবিকই। কারণ তারা তো পঞ্চতীর্থের মাটিই আনেনি শুধু, প্রায় তিন হাত উঁচু তিন হাত বেড় নিকষের সেই থামটিও এনেছে যা নাকি শিব হবে।

    খবর পেয়ে রাজবাড়ির স্বর্ণকার অষ্টধাতুর সেই পদ্ম তৈরি করতে লেগে গেলো। সে তো থাকবে লিঙ্গের গোড়ায় মাটির নিচে, বসিয়ে দিলে তা আর চোখে দেখা যাবে না। কিন্তু সাগরেদদের বললো– সে, দেখবে তো কারিগরি সেই একজনই যে সব দেখে।

    আর তখন হঠাৎ শোনা গেলো যে সাতদিনের মধ্যে শিব বসে যাবেন তাঁর মন্দিরে। একটু কেন, বেশ খানিকটা অবাক হওয়ারই কথা। মন্দির শেষ হলো কোথায়? গ্রামের পণ্ডিতেরা পাঁজি খুললো। সার্বভৌমপাড়ায় এখনো তো টোল আছে। এমন কী মাহেন্দ্রক্ষণ বয়ে যায় যে এখনই এই অপ্রস্তুত অবস্থায় শিব বসাতে হবে? মিস্ত্রিরাজদের মধ্যেও বিস্ময় দেখা দিলো। মনে করো উপর থেকে এক থান ইট খুলেই বা পড়ে লিঙ্গের উপরে।

    নরেশ ওভারশিয়ার এলো। হরদয়াল শুনলো। একটু ভেবে বললো–আর কত গাঁথা বাকি?

    বারো হাত।

    গাঁথাও তো পনেরো হলো শুনেছি। হরদয়াল আর একটু ভেবে নিয়ে বললো–কড়ি বরগার মতো মোটা কাঠ বসিয়ে তার উপরে অস্থায়ী ছাদ করে, তার উপর বাকি দেয়াল গাঁথা চলে?

    মিস্ত্রিরা, আজ্ঞা হাঁ বলে উঠে পড়লো। সোজার মধ্যে এমন পাকা বুদ্ধি বলেই না দেওয়ান।

    কিন্তু এমন করে শিব বসানো অশাস্ত্রীয় যে তাও তো উড়িয়ে দেয়া যায় না। ওদিকে আবার রানীই ঠিক করেছেন তিথিটাকে।

    .

    ০২.

    দিন সাতেক আগে রানী বসবার ঘরে রূপচাঁদকে ডেকে বলেছিলেন উকিলসাহেবকে খবর দিতে।

    এখনো এটাকে দেওয়ানকুঠি বলে। বাড়িটা তৈরির সময় থেকেই যে নামে পরিচিত ছিলো তা সহজেই বদলায় না। যদিও রাজবাড়ির লোকেরা এবং কাছারির আমলারা জানে এখনো সেখানে হরদয়াল থাকে বটে, সে কিন্তু দেওয়ান নয় আর।

    পদমর্যাদায় কিছু লাঘব হয়েছে বৈকি। সেই একই লোক তো, আগে দেওয়ান ছিলো, এখন আর তা নয়, যদিও তেমনই প্রায় সবই–চালচলন, কথাবার্তা। বেতনটা কমেছে, তাহলেও গ্রামের কেন, সদরের হিসাবেও এখনো তা অনেক। কোনো বিষয়েই রানীর মত জানা সহজ নয়। সদর নায়েবমশাই এই বিষয়ে একদিন শুনেছিলেন এরকম : মানী লোক তো, তাছাড়া ওই টাকাই তো ওঁর অভ্যাস ছিলো। কেউ কেউ বলে উকিল। এটা একটা ব্যথার মতো ব্যাপার নাকি? রানী তাকে বরখাস্ত করেছিলেন। দু-তিনটি বছর গড়িয়ে গেলো না? ওদিকে কিন্তু তারপর আর কেউ দেওয়ান হয়নি।

    হরদয়াল ইজিচেয়ারে আধশোয়া অবস্থায়। চেয়ারের হাতলে কাঁচের গ্লাসে কিছু পানীয়। অন্ধকার হয়ে আসছে। মশালচি ওদিকের দরজায় বসে হিংসের একটা বড় বাতিকে ঠিক করছে। অন্ধকারে একটা কোমল ভুলে যাওয়া, দূরে সরে যাওয়ার ভাব দেখা দিয়েছে। হরদয়ালের হাত দুখানা কোলের উপরে রাখা। কিছু ভাবছে সে।

    রূপচাঁদ খুক করে কাশলো।

    -কে? রূপচাঁদ? হরদয়াল মুখ তুলো-তুমি ছাড়া আর কে?

    রূপচাঁদ বললো–রানীমা একবার ডেকেছেন, আজ্ঞে।

    -এখনই?

    –আজ্ঞে, খাসকামরায়।

    –আসছি, বলো।

    রূপচাঁদ গেলে পোশাক পাল্টালো হরদয়াল। মশালচিকে নির্দেশ দিলো শোবার ঘরে আর লাইব্রেরিতে আলো যেন বেশি না হয়। আলনা থেকে বালাপোশ নিয়ে হরদয়াল রাজবাড়ির দিকে গেলো।

    রানীর খাসকামরায় তখন ঝাড়ে আলো জ্বলছে। বোধ হয় মৃদু মৃদু বাতাস একটা আছে ১৮৬০-এর শেষে হেমন্তের ঠাণ্ডাটাকে বাড়ানোর মতো। কিন্তু বালাপোশ অথবা শাল সত্ত্বেও বিধবে এমন নয়। রানীর পায়ের তলায় লাল গালিচা। তার উপরে আঙুলের ডগা চোখে পড়ে। গায়ে পান্না রঙের শাল। রানী বললেন–এসো হরদয়াল, তোমাকে ডেকেছি আমি। যেন বা হাসলেন, বললেন–বসো।

    রানীর হাসি সম্বন্ধে আলোচনা হয় না। কিন্তু তিনি যখন মুখ টিপে হাসেন তখন যে বাঁ দিকে সামান্য টোল খায় তো এতদিনেও হরদয়াল জানতো না। এজন্য, রানী না হলে বলা যেতো, হাসিটাতে একটা অল্পবয়সী ভাব জড়িয়ে থাকে। তার চুল টেনে তুলে বাঁধা, কিন্তু পাক দেখে অনুমান একসময়ে ঝাপটা ঢেউ তুলে থাকতো তা কপালের উপরে।

    হরদয়াল বসলে তিনি বললেন–ব্যাপারটা একটা উৎসব। কথার সূচনা করে চোখ তুললেন তিনি, তাঁর টানা চোখের পক্ষ্মগুলো সাধারণের চাইতে বড়ো। মনে হয় উপরদিকে ঈষৎ বাঁকানো।

    বললেন–তোমার মনে পড়ে হরদয়াল, মরেলগঞ্জে কালীপূজা হয়েছিলো। ডানকান করেছিলো। তুমি গিয়েছিলে। রাজুর নিমন্ত্রণ ছিলো। সে যায়নি।

    বছর দু এক আগে ডানকান কালীপূজা করেছিলো, মরেলগঞ্জের নীলকুঠির ইংরেজ কুঠিআল ডানকান হোয়াইট। পূজা অবশ্য হয়েছিলো তার দেওয়ান মনোহর সিংহের আট চালা চণ্ডীমণ্ডপে। আর ওদিকে যখন পূজা এদিকে ডানকানের বাংলোয় তখন আতসবাজি ফুটছে, মদ আর নাচ চলেছে।

    হরদয়ালের কাছে ব্যাপারটা এখনো কিম্ভুত। ঠিক হাস্যকর নয়, কেননা, শোনা যায় সেবারে সেই সিপাহী বিদ্রোহের অবসানে কলকেতার ফোর্টের কোন কোন জাঁদরেল ইংরেজও নাকি কালীঘাটে পূজা দিয়েছিলো।

    রানী বলে গেলেন–পিয়েত্রোর হাওয়াঘরে শিবমন্দির হচ্ছে শুনছো বোধ হয়? আগামী বুধবারে, আর সাতদিনও নেই, বিগ্রহ স্থাপিত হবে। একটা উৎসব তো। ডানকানকে নিমন্ত্রণ দিলে হয়?

    হরদয়াল বললো–শিববিগ্রহ স্থাপনে

    থামলো সে। (এরকম মতামত দিতে পারতো দেওয়ান, সে আর দেওয়ান নয়) বললো– আবার দিনের বেলায় তো?

    রানী বললেন–হ্যাঁ, নিমন্ত্রণ মন্দিরে হবে না। তোমার ভয় নেই। উপরন্তু এখনই প্রাণ প্রতিষ্ঠা হচ্ছে না যে ছোঁয়া লাগবে। (রানী কি হাসলেন!) পিয়েত্রোর বাংলোয় হতে পারে। দুপুরে একটা দুটোয় নাকি ডানকানেরা একবার খায়। বাগচীবাড়ি থেকে জানা গেলে তাকে নাকি লাঞ্চো বলে। ডানকানকে সপরিবারে বলল। মনোহরকে বলবে কিনা ভেবে। তোমাদের পক্ষে সস্ত্রীক বাগচী থাকবে। রাজু থাকতে পারে। তুমি থেকো। নায়েব-ই রিয়াসৎ থাকবেন না।

    রানী উঠলেন। আসনের পিছনের পর্দা ঠেলে অন্তরে যেতে যেতে দাঁড়ালেন, বললেন, মরেলগঞ্জে কীবল নামে এক ছোকরা সাহেব এসেছে, জানো? হরদয়াল নিজের অজ্ঞতায় বিব্রত হলো। রানী হেসে বললেন, তাকেও বলো। দরবার শেষ হলো।

    কখন কী মনে আসবে, কোনটা আগে আসবার সুযোগ নেবে তা বলা যায় না। লাঞ্চো এই শব্দটা মনে এলো হয়দয়ালের। উচ্চারণটা বিকৃত; কিন্তু তা কি ইচ্ছাকৃত কিংবা না জেনে? কৌতুক বোধ করলো হরদয়াল। তারপর তার মনে এলো নায়েব-ই-রিয়াসৎ এই ভারি শব্দটা। আর কেউ দেওয়ান হয়নি। পদটা শূন্য আছে। কিছুদিন আগেও তাকে সদরনায়েব বলা হতো। এখন তার দায়িত্ব বেড়েছে, নামটাও বদলেছে। দেওয়ানের পরিবর্তে সদর-ই-রিয়াস। ও, হ্যাঁ, কীবল নামে কোনো ছোকরা যদি এসে থাকে তার খোঁজ জানা তার কর্তব্য নয় আর এখন। রানী ও নায়েবের চরেরা তা করবে।

    .

    ০৩.

    সে যাই হোক, এর ফলে বিগ্রহস্থাপনের দিনটিতে ভিড়টা বেশ দর্শনীয় হয়ে উঠলো। আমন্ত্রিতদের, কর্মচারী আমলা কারিগরদের সঙ্গে প্রচুর সংখ্যক রবাহূত যেমন এদিকে, ওদিকে তেমনি পিয়েত্রোরকুঠিতে লাঞ্চোর জন্য বাবুর্চি খানসামা, লাঞ্চে নিমন্ত্রিত নীলকুঠির সাহেব ডানকান, তার দেওয়ান মনোহর সিং, এপক্ষের বাগচীমাস্টার, তার স্ত্রী (ইংরেজ স্ত্রী ক্যাথারীন, সংক্ষেপে কেট), উকিল হরদয়াল তো বটেই, ডানকানের অতিথি সদ্য বিলেত-আগত কীবল নামে এক ছোকরা সাহেবও ভিড়টাকে বিশিষ্ট করে তুললো।

    ভিড় যখন জমে উঠেছে, বেলা দ্বিপ্রহরের কিছু আগে, রানী এলেন। আগেপিছে দুটো হাতি। হাতির আগে ঘোড়া। ঘোড়ার পিঠে দুপাশে ঝোলানো লালসালুর ঝালরদার দুই দামামা, দুপাশ থেকে দুজন তা পিটে চলেছে। তাদের পিছনে চোপদার দুই সারিতে। হাতি দুটির পিঠে হাওদা। রামপিয়ারী আগে। তার ঝুটো জরির কাজ করা লাল বনাতের জামা মাটি ছোঁবে যেন। তার চৌদোলা হাওদায় রানী। তাঁর পাশে একজন মহিলা। ঠিক চেনা যায় না এমন অবগুণ্ঠন। কিন্তু রানীর পাশে মানায় বটে। হাওদার বাইরে রেলিং ধরে রূপচাঁদই। গায়ে তার লাল পটুর পিরহান। বুকে আড়াআড়ি বাঁধা নীল পশমী ধোকড়। মাথায় গাঢ় নীল মলমলের পগগ। পরের হাতিটি জয়নাল। একটু বয়স হয়েছে। রামপিয়ারীর দেড়া উঁচু, দাঁতাল। খোলা হাওদায় রাজু, রাজকুমার রাজচন্দ্র। রাজুর পরনে গলাখোলা ইংরেজি ব্লাউজ কামিজ। হাতে বন্দুক।

    ডগরের ঘোড়াই পথ করছিলো। চোপদারদের দুই সারি সেই ফাঁকে ঢুকে ডাইনে বাঁয়ে সরে সরে চাপতেই ভিড়ের মধ্যে গলিপথটা তৈরি হলো। সেই গলিপথের মাথায় হাতি থামলো। প্রথমে রামপিয়ারী বসলো। মাহুত নেমে রেলিংদার কাঠের সিঁড়িটা নামিয়ে হাতির গায়ে হেলান দিয়ে ধরলো। রানী এবং তার সঙ্গিনী আগে পিছে নামলেন।

    তাঁরা এগিয়ে গেলে রাজচন্দ্র নামলো তার হাতি থেকে। রূপচাঁদ এগিয়ে এসেছিলো। তার হাতে বন্দুক দিয়ে রাজচন্দ্র মন্দিরের চত্বরের দিকে এগিয়ে গেলো।

    এতক্ষণ চত্বরটি খালি ছিলো। সিঁড়ি বেয়ে রানীমা উঠতেই চত্বরের নিচে থেকে পুরনারীরা উলু দিয়ে অনুসরণ করলো। তাদের কারো কারো কাঁখে ঝকঝকে নতুন ঘড়া। তারা এগিয়ে যেতেই অন্য এক সিঁড়ি দিয়ে স্বগ্রামের আমন্ত্রিত পুরুষরা উঠতে লাগলো চত্বরে। তখন জনতার মধ্যে গুঞ্জন উঠলো–দেখা যাচ্ছে, দেখা যায়, আসছে ওই। কারা শঙ্খ বাজালো৷ নিকষের থামের মত শিবলিঙ্গ বেশ দূর থেকেই দেখতে পাওয়ার কথা। ওদিকের আর এক সিঁড়ি দিয়ে হরদয়াল আর ডানকানকে উঠতে দেখা গেলো। তাদের ঠিক পিছনে বাগচীমাস্টার আর তার পাশে নতুন এক সাহেব। ভিড়ের মধ্যে ফিসফিসানি শোনা গেল বাগচীর শ্বশুরকুলের নয়তো? নাকি ডানকান বেটার মেতোভাই। সাধারণ, রবাহূতরাও একে-দুয়ে চত্বরে উঠতে শুরু করলো এবার।

    ততক্ষণে মিস্ত্রিরা মন্দিরের ভিতরে ঢুকে গিয়েছে, সিঁড়ি দিয়ে নেমে গিয়েছে। ভিড়ের থেকে ছোকরা বয়সের কয়েকজন বুদ্ধি করে কাছের এক গাছে গিয়ে চড়লো। তারপর গাছ ভরে উঠলো মানুষে।

    মন্দিরের দরজার সামনে, অর্থাৎ যেখানে দরজা বসবে, লিঙ্গকে স্নান করানো হলো। মিস্ত্রিরা ততক্ষণে লিঙ্গ বসানোর গোল ফাঁদটাকে ঠিক করেছে। মন্দিরের ঘরে তখন নামলেন রানী তার সঙ্গিনীকে নিয়ে তার হাতেই পূজার উপকরণ। রানী ভিড়ের আর একজনকে ডেকে বললেন–এসো, বড়গিন্নি।

    পঞ্চতীর্থের মাটি বার করে সে ফাঁদে সেই মাটি বসানো হলো। প্রধান মিস্ত্রি বললো–—এবার–

    রানী বললেন–একটু রসো।

    পিছন ফিরে বললেন–দাও এবার যা এনেছে।

    রানীর সঙ্গিনী ফুলের সাজি থেকে একটা ছোট রুপোর বাটি দিলো মিস্ত্রির হাতে। সে বাটি যেন রক্তচন্দনে টৈটুম্বর। সঙ্গিনীই মিস্ত্রিকে বলে দিলো–ওটার উপরে স্বর্ণের শতদল বসবে, তার উপরে শিবলিঙ্গ।

    শোনা যায় মিস্ত্রিরা নলের বংশধর এবং হাতে যখন করনি তখন জোগান যেই দিক বাঁ হাতেই তা ধরে। এ নিয়ে সুগ্রীব না কার সঙ্গে একবার হাঙ্গামা হুজ্জত বেধেছিলো। তাতে কিন্তু ধারা বদলায়নি। তীর্থের মাটি সমান করে, করনি দিয়ে গোল গর্ত করে বাটিটাকে বসিয়ে বাঁ হাতেই রানীর সঙ্গিনীর দু হাতে ধরা অত বড় স্বর্ণপদ্মটাকে নিলো সে। সেটাকে বসিয়ে বললো–এবার তাহলে–

    দু-তিনজনে মিলে নিকষের লিঙ্গটাকে সোজা করে ধরলো। প্রধান মিস্ত্রি নিজেও হাত লাগালো। মেয়েরা উলু দিয়ে উঠলো। ভিড় শিবের নামে জয় জয়কার দিলো। ততক্ষণে কুচো ইট আর মশলার জমাট গুঁজে করনির মাথা দিয়ে খুঁচিয়ে পোক্ত করতে লেগেছে মিস্ত্রিরা। ফুল ছড়িয়ে দিয়ে রানী পিছন ফিরলেন।

    একেই তাহলে শিব প্রতিষ্ঠা বলে। এই কি প্রথা–এরকমই মনে হলো দর্শকদের।

    প্রথার কথা কজনেই বা জানে। রোজ তো আর হয় না। দুএকজনের স্মৃতিতে অন্য কোনো কোনো শিবপ্রতিষ্ঠার কথা থাকলেও থাকতে পারে, কিন্তু সে নিরিখে কি আজ যা হলো তার বিচার হয়! রাজপুরোহিত ছিলেন। আমন্ত্রিতদের মধ্যে বৃদ্ধ শিরোমণিমশায় ছিলেন। রাজপুরোহিত প্রথমে কৌশলে কাটলেন–তা বাপু, আমি শিবতন্ত্র জানি না। এ শিবের জন্য তো নতুন পুরোহিতই এসেছে। পরে আর একটু কৌশল করে বললেন–তোমরা যদি অন্যত্র অন্যরকম দেখেই থাকো সে কি রাজবাড়ির ব্যাপার? আমি তো বলি বাপু, তোমরা যদি প্রতিষ্ঠে করো, আর আমাকেই ডাকো, এখন জানা রইলো, এমন বিধানই দেবো। শিরোমণি অত সহজে মুখ খোলেন না। মনে মনে শাস্ত্র ঘেঁটে শিবলিঙ্গের মূলে রক্তচন্দনেরও আধার বসানোর যুক্তি খুঁজলেন। অশাস্ত্রীয়ই বোধ হলো তার কাছে। শিবপূজায় শ্বেতচন্দনই বিধেয়।

    ভিড়ের টানে একটা মেলা বসে গেলো। জিবেগজা আর আর দই, মুড়কি মোয়া মিঠাই, জোলাকি মাটা আর গামছা, বাঁশের দাঁড়ে বসা শোলার পাখি। মেলার টানেই মেলা চললো যেমন চলে, যদিও মন্দিরের চত্বর খালি হয়ে আসছে।

    .

    ০৪.

    মেলা থেকে ফিরতে ফিরতে গ্রামের পোস্টমাস্টার চরণদাস বললো–ছিলো ফরাসী সাহেবের হাওয়াঘর, হলো শিবমন্দির। লাও।

    তার এক সঙ্গী বললো–এতদিনে পিয়েত্রোর আত্মার শান্তি হলো গো।

    চরণদাস বললো–সেবাপু খেস্টানি আত্মা। ভারি মজেসে ঘুমোতে লেগেছে এখন। কোন ক্ষেতিবৃদ্ধি নেই। সেই কবে রোজকিয়ামৎ হবে তখন দেখা যাবে।

    সঙ্গীরা নতুন খবরের আকর্ষণে ঘিরে ধরলো চরণদাসকে।

    একজন বললো–ইনসাল্লা, বলিস কী রে? তাচরণ তোর জানারই কথা। তুই তো আবার খেস্টান বাগচীমাস্টারের সাগরেদ।

    অন্য একে বললো–কী যেন রোজ বললে? তাতে কী হয়?

    চরণদাস হেসে বললো–সে ভারি মজার। সেই একদিন, তা সে যে কত লাখ বছর পরে আসবে এখনো কেউ জানে না, সেদিন নাকি ভগবান বিচার করবেন।

    মানে লাখ লাখ বছর ধরে কোনো বিচারই হবে না?

    চরণদাস ঠা-ঠা করে হেসে উঠলো। বললো–তাই তো। বলতে পারো ভগবানের এজলাশে তামাদি হয় না। কিন্তু কোটি কোটি মানুষের পাপের হিসাব লাখ লাখ বছর ধরে কে রাখে কে জানে। আমার তো মনে হয় ডানকান বেটা বুঝে নিয়েছে ওর আত্মার বিচারের কাগজপত্তর ততদিনে সব নিপাত্তা হয়ে যাবে। আর থাকলেও কিছু তা পড়া যাবে না।

    ধরেছিস ঠিক। অন্য একজন বললো–আমার এতদিন মনে হতো রহিমুদ্দিন যেমন বলে, সেই ইবলিশের বাচ্চা তাই। এখন এবার রহিমুদ্দিনকে বুঝিয়ে বলবো–সেখানেও কাগজপত্তরের খেলা। তাছাড়া ধরো ঘুন বেনের জাত তো, অন্য কারো আত্মার ভালো কাগজ নিজের বলে হাতিয়ে নিতে পারে।

    এক সরল গ্রামবাসী গাঁক গাঁক করে হেসে উঠলো। সামনে থেকে আর এক সরল গ্রামবাসী পিছন ফিরে বললো–তাই বুঝি ডানকানা কুঁদে বেড়ায়, চরণদা? তা, পিয়েত্রো কিন্তু ডানকানার মতো ছিলো না। তাছাড়া তাকে তো পোড়ানো হয়েছিলো। তার আত্মা ধরো যে ঘুমাবে কোথায়? আমার তোমার আত্মার মতোই নাক দিয়ে বেরিয়েই যদি যমদূতের হাতে না পড়ে থাকে, তবে চিতার আগুন নিবে অন্ধকার হতেই কী হয়েছে কে জানে। সে শিউরে উঠলো।

    এখানে তাদের পথে আর একটি পথ এসে মিশেছে। চরণদাস বললো–সে পরে ভাবিস। মেয়েরা এই পথে আসবে। তোরা এগো, আমি বউ-এর জন্য দাঁড়াই।

    হাসতে হাসতে চরণদাসের প্রথম সঙ্গী বললো–তা, চরণ, গাঁয়ে তোবউ একা তোমারই, কেমন নাকি?

    চরণ বউ-এর অপেক্ষায় পথের পাশে সরে দাঁড়ালো হাসতে হাসতে।

    .

    ০৫.

    ভিড়ের প্রথম আর শেষ এক নয়। তখন আর চোপদারের সারিতে বাঁধা পথ নেই। বিশৃঙ্খলা, ঘোরাফেরা, ঠেলাঠেলি শুরু হয়েছে। ব্যাপার বুঝে চোপদাররা এগিয়ে এলো। পথ দাও বলে রূপচাঁদ চেঁচাতে লাগলো।

    রানী সামনে, পিছনে সঙ্গিনী। তার অবগুণ্ঠন কিছু শ্লথ। তিলফুল নাসা, সুগঠিত চিবুক আর টানা চোখ দুটি, নাকি লোচন বলে, চোখে পড়ছে। থেমে দাঁড়িয়েছিলো তারা। পাশে চাইতে গিয়ে অদূরে রাজকুমারকে দেখতে পেলো সে। কেমন বিড়ম্বনা দেখো–নিঃশব্দ হাসিতে যেন এই কথাটা ছিলো। রাজকুমারের শিকারের পোশাক দেখে টাকুঁচকে উঠলো তার। কিন্তু রাজকুমারের চোখ নিজের উপরে দেখেবরং পাশ দিয়ে টানা অবগুণ্ঠনে চিবুকের আর কিছুটা ঢাকা পড়লো।

    শিক্ষিত হাতি, ক্ষতি করে না; কিন্তু তার পায়ে তো চোখ নেই। সুতরাং তার গলার ঘণ্টা বেজে উঠতেই আপনি ভিড়টা এদিকে পাতলা হলো। তখন চত্বরের শেষ ধাপ থেকে নেমে রানী বললেন–এসো, নয়ন।

    হাওদায় বসে আবার বললেন–রাজু বোধ হয় শিকারে চলেছে। উত্তরের অপেক্ষা না করেই বললেন আবার–সাহেব দুটোর মধ্যে বুড়োটা বোধ হয় ডানকান।

    রানীকে নিয়ে রামপিয়ারী তখন খানিকটা এগিয়েছে। রামপিয়ারীর জরির জামার চৌদোলা হাওদার কিংখাবের ফুলকারি আলোয় চমকাচ্ছে। জয়নাল কিছু পিছনে। পাশে একটা গলিপথ। জয়নাল দাঁড়িয়ে পড়ে একটা গাছের ডাল ভাঙলো। মাহুত ডাঙ্গস ঠুকলো তার মাথায়। যেন হাসলো এমন ভঙ্গিতে মুণ্ডু ঘুরিয়ে জয়নাল পাশে সেই গলিপথটাকে ধরলো একটু দ্রুতগতিতে। ফলে সিঁদুরে খড়িতে আঁকা তার গায়ের পদ্মগুলো অস্পষ্ট হচ্ছে।

    রানী আর একবার কথা বললেন, বাগচীমাস্টারের স্ত্রীর কাছে শুনেই সব ব্যবস্থা হয়েছে। নিশ্চয় লাঞ্চোর?

    পাড়ছাড়া দুধ-গরদের ঘেরে তাকে অন্যমনস্ক দেখালো। উপোস করে আছে, মনে হলো সঙ্গিনীর, হয়তো সেজন্যই একটু শুকনো দেখাচ্ছে। আর এতক্ষণে তা ঠাহর হলো। রানীর সঙ্গিনীর অবগুণ্ঠন শ্লথ, নিচে থেকে বর্ণটা ঠাহর হলো, তার জড়োয়ার কন্ঠি কলার ঝিকমিক করলো।

    .

    ০৬.

    লাঞ্চ শুরু হলো ভাজা মাছ দিয়ে। লাঞ্চ বটে নাম, আয়োজনটা ডিনারের। অন্যদিকে যেন হালের কটেইল পার্টির অভ্যাসও আছে। ছজনের টেবিল, কিন্তু মাঝখানে সাজানো বোতল বোধ করি এক ডজন এবং তা নানা আকারের। সেগুলোকে ঘিরে কয়েক ডজন ঝকমকে কাঁচের গ্লাস। জলের গ্লাসই বরং অনুপস্থিত। সাদা ব্রোকেডের টেবল ক্লথে ঝকঝকে হেমন্ত দুপুরের আলো।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমহিষকুড়ার উপকথা ও একটি খামারের গল্প – অমিয়ভূষণ মজুমদার
    Next Article গড় শ্রীখণ্ড – অমিয়ভূষণ মজুমদার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }