Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রাজমালা বা ত্রিপুরার ইতিহাস – শ্রী কৈলাসচন্দ্ৰ সিংহ প্রণীত

    তপন বাগচী এক পাতা গল্প451 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রাজমালা ২.১৩

    ত্রয়োদশ অধ্যায়

    রাজধর মাণিক্যের মৃত্যুর পর রাজ পরিবার মধ্যে এক ভীষণ কলহ উপস্থিত হয়। অমাত্য ও রাজকর্মচারিগণ দুই দলে বিভক্ত হইলেন। উজির দুর্গামণি, বক্সী রামহরি ঘোষ বিশ্বাস, চাকলে রোশনাবাদের দেওয়ান কালীচরণ সিংহ, কুমার রামগঙ্গার পক্ষ অবলম্বন করিলেন। সুবা ধনঞ্জয় ও নাজির রাজমঙ্গল দেওয়ান রামরতন দেব[১] ও রামচন্দ্র সেন প্রভৃতি সেন বংশীয় বিশ্বাসগণ যুবরাজ দুর্গামণির পক্ষ অবলম্বন করিলেন। কুমার রামগঙ্গার পক্ষাবলম্বীগণ প্রকাশ করিলেন যে, রাজপুত্র প্রকৃত রাজ্যাধিকারী। যুবরাজ (১৪১) জনৈক রাজকর্মচারী মাত্র। দৃষ্টান্ত স্থলে তাঁহারা মহারাজ রাম মাণিক্যের শ্যালক যুবরাজ বলিভীম নারায়ণ, এবং মহারাজ রত্ন মাণিক্যের (ভ্রাতা ভিন্ন) অতিরিক্ত যুবরাজ গৌরীচরণ, চম্পক রায় এবং মুকুন্দ মাণিক্যের যুবরাজ কুমার গঙ্গাধর প্রভৃতি কতকগুলি যুবরাজের নাম উল্লেখ করিলেন। তদতিরিক্ত ভূতপূর্ব রেসিডেন্ট লিক সাহেবের ১৭৮৫ খ্রিস্টাব্দের ২৩ ফেব্রুয়ারির বিস্তারিত রিপোর্ট তাঁহাদের বিশেষ অনুকূল হইয়াছিল। কৃষ্ণমাণিক্যের মৃত্যুর পর বড় ঠাকুর বীরমণির জীবিতাবস্থায় রেসিডেন্ট লিক সাহেব ত্রিপুরা রাজ্যের উত্তরাধিকারীত্ব সম্বন্ধে গবর্ণমেন্টের অভিপ্রায় অনুসারে প্রথা অনুসন্ধান করিয়া যে রিপোর্ট করেন তাহাতে তিনি মৃত রাজার নৈকট্য উত্তরাধিকারীকে রাজ্যাধিকারী বলিয়া প্রকাশ করেন। তদনুসারে গবর্ণমেন্ট মৃত রাজার পুত্র ও ভ্রাতার অভাবে ভ্রাতুষ্পুত্র রাজধরকে ত্রিপুর সিংহাসনের অধিকারী নির্ণয় করিয়াছিলেন।

    যুবরাজ দুর্গামণির সহচরগণ প্রকাশ করিলেন যে, হিন্দুশাস্ত্র ও রাজবংশের প্রথা অনুসারে যুবরাজই রাজ্যাধিকারী।

    জেলা ত্রিপুরার তদানীন্তন জজ- ম্যাজেস্ট্রেট ইলিয়ট সাহেব কুমার রামগঙ্গার এবং ত্রিপুরার কলেক্টর যুবরাজ দুর্গামণির পক্ষ অবলম্বন করিলেন। কুমার রামগঙ্গা যথাশাস্ত্র পিতৃ (১৪২) শ্রাদ্ধ সমাপ্তনান্তর সিংহাসনে আরোহণ পূর্বক “মহারাজ রামগঙ্গা মাণিক্য” আখ্যা গ্রহণ করেন। (১২১০ ত্রিপুরাব্দে)

    যুবরাজ দুর্গামণি সুবা ধনঞ্জয় ও নাজির রাজমঙ্গল প্রভৃতির সাহায্যে পার্বত্য কুকি সরদারগণের সহিত সম্মিলিত হইয়া রামগঙ্গার প্রতিকূল অস্ত্রধারণ করিলেন। মহারাজ রামগঙ্গা মাণিক্য যে কেবল স্বীয় সৈন্য বলে আত্মরক্ষা করিয়াছিলেন এমত নহে, জজ সাহেবের রিপোর্ট অনুসারে ব্রিটিশ গবর্ণমেন্ট তাঁহাকে রক্ষা করিতে বদ্ধপরিকর হইলেন। ১৮০৫ খ্রিস্টাব্দের ১২ আগষ্ট গবর্ণর জেনারেল বাহাদুর দুর্গামণিকে জ্ঞাপন করিলেন যে যুদ্ধ পরিত্যাগ পূর্বক তিনি চাকলে রোশনাবাদে স্বীয় স্বত্ব সংস্থাপন জন্য দেওয়ানী আদালতের আশ্রয় গ্রহণ করুন। দেওয়ানী আদালত দ্বারা জমিদারিতে তাঁহার স্বত্ব স্থির হইলে গবর্ণমেন্ট তাঁহাকে ত্রিপুরার রাজ সিংহাসনে সংস্থাপন করিতে প্রস্তুত আছেন। যুবরাজ দুর্গামণি অনন্যোপায় হইয়া দেওয়ানী আদালতে রামগঙ্গার প্রতিকূলে জমিদারির জন্য এক মোকদ্দমা উপস্থিত করিলেন। ইহা নিতান্ত দুঃখ ও পরিতাপের বিষয় যে, মহারাজ রামগঙ্গা ও তাহার অমাত্যবর্গ কেবল রাজ পরিবারের উত্তরাধিকারিত্বের প্রথা লইয়া সেই মোকদ্দমায় বহুবিধ তর্ক ও আপত্তি উপস্থিত করিলেন, কিন্তু ব্রিটীশ আদালতে এবম্পকার মোকদ্দমা চলিতে পারে কি না এই তর্ক (১৪৩) উপস্থিত করিবার জন্য তাঁহাদের মস্তিষ্ক সঞ্চালিত হইল না[২] তৎকালে এই তর্ক উপস্থিত হইলে বোধহয় ত্রিপুরার এইরূপ অধঃপতন হইত না। এই মোকদ্দমায় কল্যাণ মাণিক্যের তৃতীয় পুত্র জগন্নাথ ঠাকুরের বংশধর রামচন্দ্র ঠাকুর তৃতীয় পক্ষ স্বরূপ দাবিদার হইয়াছিলেন।

    ১৮০৮ খ্রিস্টাব্দের ১৮ই জুলাই এই মোকদ্দমা ঢাকা প্রবিন্সিয়েল কোর্টের প্রধান বিচারপতি মিষ্টার সারমেন বার্ড ও দ্বিতীয় বিচারপতি মিষ্টার জন মেলবিল দ্বারা নিষ্পত্তি হইয়াছিল। উক্ত আদালত পণ্ডিতগণের ব্যবস্থা অনুসারে এইরূপ নির্ণয় করেন যে, রাজার মৃত্যুর পর যুবরাজই রাজ্যাধিকারী হইয়া থাকেন সুতরাং যুবরাজ দুর্গামণি রাজ্যাধিকারী ও জমিদারির ক্ষমতা প্রাপ্ত মেনেজার নির্ণীত হইবেন। কারণ চাকলে রোশনাবাদ কল্যাণ মাণিক্যের বংশধরগণের অবিভক্ত সাধারণ সম্পত্তি সুতরাং তাহার উপস্বত্ব তাঁহাদের মধ্যে বিভক্ত হইবে।

    উক্ত নিষ্পত্তির বিরুদ্ধে মহারাজা রামগঙ্গা সদর দেওয়ানী আদালতে আপীল করেন এবং কল্যাণ মাণিক্যের দ্বিতীয় পুত্র মহারাজ ছত্র মাণিক্যের বংশধর ঢাকা নিবাসী রাজা পরশুরাম (১৪৪) রামকৃষ্ণ, রাজা প্রতুরাম ও মৃত রাজা রামচন্দ্রের পত্নী রাণী চন্দ্রকলা চাকলে রোশনাবাদের উপস্বত্বের পাঁচ আনা ছয় গণ্ডা দুই কড়া দুই ক্রান্ত (অর্থাৎ এক তৃতীয় অংশের)[৩] উত্তরাধিকারী বলিয়া দাবিদার হন।

    মহারাজ রামগঙ্গা মাণিক্য প্রবিনসিয়েল কোর্টের বিচারে পরাজিত হওয়ার পর নানা প্রকার বিপদে পতিত হইলেন। যুবরাজ দুর্গামণির পক্ষাবলম্বী সুবার উত্তেজনায় পরাক্রমশালী পৈতৃকুকিগণ রামগঙ্গার বিরুদ্ধে অস্ত্রধারণ করে। রামগঙ্গা পর্বত পরিত্যাগ পূর্বক জেলা ত্রিপুরার মধ্যে আশ্রয় গ্রহণ করেন।[৪] রামগঙ্গার অনুরোধে গবর্ণমেন্ট পৈতুকুকির বিরুদ্ধে সৈন্য প্রেরণ করেন। গবর্ণমেন্ট সৈন্যগণ কুকিদিগকে নিৰ্য্যাতন করিয়া, নিবিড় অরণ্যে আশ্রয় লইতে বাধ্য করিয়াছিল। (১৪৫)

    ১৮০৯ খ্রিস্টাব্দের ২৪শে মার্চ (১২১৮ ত্রিপুরাব্দের ১৩ই চৈত্র) সদর দেওয়ানী আদালতের জজ সুবিখ্যাত হেরিংটন ও ফ্লেমিং সাহেব মহারাজ রামগঙ্গার আপিল ডিসমিস করেন; পণ্ডিতগণের ব্যবস্থা অনুসারে সদর দেওয়ানী আদালত যুবরাজ দুর্গামণিকে ত্রিপুরারাজ্যের অধিকারী বলিয়া অবধারণ করেন। প্রবিনসিয়েল কোর্ট চাকলে রোশনাবাদের উপস্বত্ব কল্যাণ মাণিক্যের বংশধরদিগের মধ্যে বিভক্ত হওয়ার জন্য যে আদেশ করিয়াছিলেন, সদর দেওয়ানী আদালত সেই আদেশ রহিত করিয়া বলেন যে, “রাজবংশীয় ব্যক্তিগণের ভরণ পোষণ ও প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহ জন্য বাধা থাকিয়া রেস্পণ্ডেন্ট যুবরাজ দুর্গামণি জমিদারির অধিকার প্রাপ্ত হইবেন”।

    সদর দেওয়ানী আদালতের ডিক্রীর বলে যুবরাজ দুর্গামণি ১২১৯ ত্রিপুরাব্দের বৈশাখ মাসে চাকলে রোশনাবাদ অধিকার করেন। তদনন্তর গবর্ণমেন্ট তাঁহাকে ত্রিপুরার রাজা বলিয়া স্বীকার করিলেন। দুর্গামণি সিংহাসন আরোহণ পূর্বক “মহারাজ দুর্গামণিক্য” আখ্যা গ্রহণ করেন। ঐ সনের আশ্বিন মাসে তাঁহার অভিষেক ক্রিয়া সম্পাদিত হয়।

    রামগঙ্গার অধিকার কালে তাঁহর প্রিয় সহচর রামহরি ঘোষ বিশ্বাসের সহিত মহারাজ দুর্গামাণিক্যের শ্যালক দেওয়ান রামরতনের নানা প্রকার বিরোধ উপস্থিত হইয়াছিল। (১৪৬) দুর্গামাণিক্য রাজ্যাধিকার প্রাপ্ত হইলে রামরতন তাহার প্রতিশোধ লইতে যত্নবান হইলেন। একদা দেওয়ান রামরতন রামহরিকে অবমানিত করিতে যাইয়া স্বয়ং বিশেষরূপে লাঞ্ছিত হইয়াছিলেন। রামরতন রামহরি কর্তৃক লাঞ্ছিত হইয়া স্বীয় ভগিনী মহারাণী সুমিত্রা দেবীকে (ইনি পশ্চাৎ “জগদিশ্বরী” উপাধি প্রাপ্ত হন,) ইহার বিশেষ প্রতিকার করিবার জন্য অশ্রুপূর্ণলোচনে অনুরোধ করেন। মহারাণী সুমিত্রা রামহরির রক্তদ্বারা স্নান না করিলে জল গ্রহণ করিবেন না, বলিয়া স্বীয় স্বামীর সমক্ষে প্রতিজ্ঞা করিলেন। মহারাজ দুর্গামাণিক্য স্বীয় সহধর্মিণীর এবপ্রকার প্রতিজ্ঞায় কিঞ্চিৎ বিচলিত হইলেও হৃদয়ের মহত্ব বিস্তৃত হইলেন না। তিনি মহারাণীকে বলিলেন, “অদ্যই রামহরিকে কারাগারে বন্ধ করা হইবে, আগামীকল্য বিচারান্তে তাঁহার প্রাণদণ্ড হইবে।” তদনন্তর রামহরিকে কারাগারে নিক্ষেপ করিয়া মহারাজ দুর্গামাণিক্য গোপনে কারাধ্যক্ষকে বলিলেন, “বলরাম বিশ্বাস আমার শিক্ষক ছিলেন, আমি তাহার নিকট সমস্ত বাল্য জীবন বিদ্যাশিক্ষা করিয়াছি। আমার দ্বারা সেই বলরামের পুত্র রামহরির প্রাণদণ্ড হইতে পারিবে না। তুমি নিশীথ সময়ে গোপনে রামহরিকে কারাগার পরিত্যাগের উপায় করিয়া দিবে।”

    সিংহাসন চ্যুত মহারাজ রামগঙ্গা মহারাণী সুমিত্রার (১৪৭) প্রতিজ্ঞা ও রামহরি কারারুদ্ধ হওয়ার সংবাদ শ্রবণে কিঞ্চিৎ বিচলিত হইলেন। তিনি রজনীতে যে কোন উপায়ে রামহরিকে কারাগার হইতে উদ্ধার করিবার জন্য মনস্ত করিলেন। যথা সময়ে মহারাজ রামগঙ্গার প্রেরিত লোক কারাধ্যক্ষের সাহায্যে কারাগার প্রবেশ করিয়া রামহ- রিকে বলিলেন, আপনি শীঘ্র কারাগার পরিত্যাগ করিয়া আসুন, আমরা মহারাজ রামগঙ্গার আদেশানুসারে তাহার সুন্দর উপায় করিয়াছি। রামসহরি বলিলেন, আমি চোরের ন্যায় পলায়ন করিতে ইচ্ছা করি না। রামহরির এই বাক্য শ্রবণে কারাধ্যক্ষ তাহাকে আহ্বান করিযা, মহারাজ দুর্গামাণিক্যের অভিপ্রায় গোপনে জ্ঞাপন করিলেন। তদনন্তর রামহরি বিনা বাক্যব্যয়ে কারাগার পরিত্যাগ পূর্বক রামগঙ্গার নিকট গমন করিলে তিনি রামহরিকে দর্শন করিয় যথোচিত প্রীতি লাভ করিলেন। অন্যান্য আলাপের পর রামহরি মহারাজ রামগঙ্গাকে বলিলেন, মহরাজ! এই বিপদ সময়ে আমি কখনই আপনাকে পরিত্যাগ করিব না। কিন্তু আমার ভীষণ শত্রু মহারাণী সুমিত্রা ও তাঁহার ভ্রাতা দেওয়ান রামরতনের হস্ত হইতে আমার পরিবারবর্গকে রক্ষা করা নিতান্ত প্রয়োজন, এজন্য কোন দূরবর্তী স্থানে একটি বাটী নির্মাণ করিবার জন্য অদ্যই আমি কিছুকালের নিমিত্ত মহারাজার নিকট বিদায় গ্রহণ করিতেছি। তদনন্তর রামহরি স্বীয় (১৪৮) ভ্রাতা রামদুলালকে লইয়া শ্রীহট্ট প্রদেশে গমন করেন; তপে বিষগাঁও মধ্যে একটি জমিদারী ক্রয় করিয়া স্বীয় বাসভবন নির্মাণ করিলেন।

    যথাকালে মহারাণী সুমিত্রা ও তাহার ভ্রাতা দেওয়ান রামরতন, রামহরির পলায়ন বাৰ্ত্তা শ্রবণে ক্রোধে অধীর হইয়া নুরনগর ও মেহেরকুলস্থিত তাঁহার পৈত্রিক ভূসম্পত্তি নষ্টের চেষ্টা করিতে লাগিলেন।

    কিছুকাল রাজধানী আগরতলা, মোগরা ও কুমিল্লায় বাস করিয়া হৃতরাজ্য মহারাজ রামগঙ্গা নানা প্রকার কষ্ট ও অপমান ভোগ করিলেন। এই সময়ে তিনি রামহরির বিষগাঁও জমিদারী ক্রয়ের সংবাদ প্রাপ্ত হইলেন। রামগঙ্গা স্বদেশ পরিত্যাগ করা শ্রেয়ষ্কর বোধে স্বপরিবারে বিষগাঁও গমন করেন। তিনি তাঁহার জন্য একটী জমিদারী ক্রয় করিতে রামহরিকে আদেশ করেন। তখন অসাধারণ প্রভুভক্তি পরায়ণ রামহরি মহারাজ রামগঙ্গাকে সেই বিষগাঁও প্রদান করিয়া বলিলেন, “মহারাজের কৃপাই আমার সমস্ত ধন সম্পত্তি, আমি ইহা মহারাজের জন্যই ক্রয় করিয়াছি, মহারাজ তাহা গ্রহণ করুন। * মহারাজ রামগঙ্গা সন্তুষ্ট চিত্তে তাঁহার প্রিয় সহচরের দান গ্রহণ করিলেন। তৎপর তিনি বালিশিয়া পরগণার কিয়দংশ ক্রয় করিয়াছিলেন। রামহরি স্বীয় ভ্রাতা রামদুলালের নামে হরিতলা নামক মহালের (১৪৯) জমিদারি স্বত্ব ক্রয় করেন। উজির দুর্গামণি মহারাজ দুর্গামাণিক্যের আশ্রয় গ্রহণ করিতে চেষ্টা করিয়া অকৃতকার্য্য হন তৎপর উপায়ান্তর অভাবে তিনি রামগঙ্গার নিকট গমন করেন। মহারাজ রামগঙ্গার অনুরোধে রামহরি উজির দুর্গামণির নিকটে হরিতলা মহাল বিক্রয় করেন। এই ঘটনার পর রামহরি জোয়ার বানিয়া চুং মধ্যে “তাং মহাম্মদ ছমি” নামক একটি জমিদারি ক্রয় করিয়া তথায় বাস ভবন নির্মাণ করিতে সমদ্যুত হন।[৫]

    এইরূপে মহারাজ রামগঙ্গা ও তাঁহার ভ্রাতা কাশীচন্দ্র স্বীয় সহচর ও অনুচরবর্গের সহিত শ্রীহট্টবাসী হইলেন। তথায় তাঁহাদিগকে পুরুষানুক্রমে বাস করিতে হইবে, ইহাই তাঁহারা স্থির করিলেন।

    মহারাজ দুর্গামাণিক্য স্বীয় শত্রুগণকে দূরীকৃত করিয়া রাজ্যমধ্যে শান্তি স্থাপন করিলেন। বিপদ সময়ে তিনি যে সকল ব্যক্তির নিকট উপকার প্রাপ্ত হইয়াছিলেন, রাজদণ্ড ধারণ পূর্বক তাঁহাদের যথোচিত প্রত্যুপকার করিয়াছিলেন। ভূকৈলাসের ঘোষাল রাজাগণের পূর্বপুরুষ দেওয়ান গোকুল (১৫০) ঘোষাল মহারাজ দুর্গামাণিক্যের সাহায্য করিয়াছিলেন এজন্য তিনি তাহাকে একখানা গ্রাম নিষ্কর প্রদান করিয়াছিলেন। তদ্ব্যতীত তিনি অন্যান্য অনেক ব্যক্তিকে ও নানা প্রকার নিষ্কর প্রদান করেন।

    নুরনগরের নামকরণ কর্ত্তা নুরুল্লা খাঁ তিতাস নদীর তীরে এক বাজার সংস্থাপন করিয়াছিলেন। লোকে তাহাকে “খাঁর হাটখলা” বলিত, মহারাজ দুর্গামাণিক্যের মাতা রাণী মহোদয়া দেবী সেই বাজার ও সৎসন্নিহিত স্থান তালুক প্রাপ্ত হইয়া তাহার নিকট একটি বৃহৎ পুষ্করিণী খনন করিয়াছিলেন। তাঁহাদ্বারা সেই বাজারের উন্নতি হইয়াছিল বলিয়া লোকে অদ্যাপি তাহাকে মহোদয়াগঞ্জ বলিয়া থাকে। মৃত্যুকালে রাণী মহোদয়া দেবী স্বীয় পুত্রবধূ সুমিত্রাকে তাহা দান করিয়া যান।

    মহারাজ দুর্গামাণিক্যের মহিষী সুমিত্রার গর্ভে তাঁহার দুইটি কন্যা জন্মগ্রহণ করেন। তৎপর তিনি নকুল ঘালিমের কন্যা মধুমতীকে বিবাহ করেন। তাঁহার গর্ভে কোন সন্তান হয় নাই।

    মহারাজ দুর্গামাণিক্য বারাণসী নগরে এক মন্দির নির্মাণ করিয়া তাহাতে শিবলিঙ্গ সংস্থাপন করেন। তিনি দ্বিতীয় বিজয়মাণিক্যের পৌত্র শম্ভুচন্দ্র ঠাকুরকে ছাত্ৰ দণ্ড প্রভৃতি যৌবরাজ্য- চিহ্নাদি সমর্পণ করেন। কিন্তু শাস্ত্রানুসারে (১৫১) তাঁহার অভিষেক ক্রিয়া সম্পাদিত হয় নাই। মহারাজ দুর্গামাণিক্য তিন বৎসর রাজ্যশাসন করিয়া শম্ভুচন্দ্রের হস্তে রাজ্য ও জমিদারির শাসনভার সমর্পণ পূর্বক বারাণসী যাত্রা করেন। তথায় পহুঁছিবার পূর্বেই পাটনা নগরী সন্নিকর্ষে তাঁহার পরলোক প্রাপ্তি হয়। (১৮১৩ খ্রিস্টাব্দের ৬ই এপ্রিল। ১২২২ ত্রি : অঃ ২৫ চৈত্র।)

    .

    টীকা

    ১. যুবরাজ দুর্গামণি, দেওয়ান রামরতনের ভগিনী সুমিত্রার পানিগ্রহণ করেন।

    ২. এই ঘটনার ৬০ বৎসর পর কলিকাতা হাইকোর্টের খ্যাতনামা বেরিষ্টার মৃত মহাত্মা মট্রী ও সাহেবের মস্তিষ্কে প্রথমে ইহা উদিত হইয়াছিল।

    ৩. কল্যাণ মাণিক্যের তিন পুত্রের বংশই এইক্ষণ বৰ্ত্তমান আছে, এজন্য এক তৃতীয় অংশ দাবি করা হইয়াছিল।

    ৪. এই সময় তিনি মোগরা গ্রামে তত্রত্য তালুকদারগণ হইতে ভূমি ক্রয় করিয়া একটি দীর্ঘিকা খনন করেন সেই দীর্ঘিকা অদ্যাপি গঙ্গাসাগর নামে পরিচিত হইয়া থাকে। সেই দীর্ঘিকার উত্তর পাড়ে তিনি যে বাসভবন নির্মানারম্ভ করিয়াছিলেন, সেই অসম্পূর্ণ রাজ নিকেতন অদ্যাপি বর্তমান রহিয়াছে। তাহাতে অধুনা চাকলে রোশনাবাদের উত্তর বিভাগের তহসীল কাৰ্য্য নির্বাহ হইতেছে।

    ৫. ইহার কিয়দংশ অদ্যাপি রামহরির উত্তরাধিকারগণ ভোগ করিতেছেন। বিয়গাঁও ও বালিশিয়া ত্রিপুরার রাজ ষ্টেটভুক্ত হইয়াছে। উজির দুর্গামণির উত্তরাধিকারী ঠাকুর গোপীকৃষ্ণ দেব প্রভৃতি ১২৯৫ ত্রিপুরাব্দে হরিতলা বিক্রয় করিয়াছেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআলো হাতে সেই মেয়েটি – তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর জীবনী – তপন বাগচী

    Related Articles

    তপন বাগচী

    রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর জীবনী – তপন বাগচী

    August 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }